As Sihha Ruqyah & Hijama Center

As Sihha Ruqyah & Hijama Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from As Sihha Ruqyah & Hijama Center, Alternative & holistic health service, মিরপুর-১০, ঢাকা ও বিশ্বরোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া.
(1)

18/08/2026

মুমিনের অন্তর প্রশান্ত‌ হয় কীসে?

16/08/2026

আপনার জীবনে হাজারও সমস্যা? সমাধান আছে ২ আমলে।

১. ইস্তেগফার। দৈনিক ১০০০ বার ইস্তেগফার করুন।
২. দুরুদ। দৈনিক ১০০০ বার দুরুদ পাঠ করুন।
এই দুটো আমল নিয়মিত করুন, কবে কখন কিভাবে যে সমস্যাটা আল্লাহ দূর করে দেবেন, তা টেরই পাবেন না।

13/08/2026

নামায পড়তে খুব মন চায় তবে পড়তে গেলে আলসেমি লাগে, পড়ব পড়ব করে সমস্যা চলে যায়। ইবাদতের উপর নজর-হাসাদ ও জ্বীন আছরের লক্ষণ।

আপনি কি জিন-শয়তানকে ভয় করছেন?তাহলে সাবধান! আপনার এই ভয়ই তাদের জন্য সুযোগ হয়ে উঠতে পারে!বিখ্যাত তাবেয়ি মুজাহিদ (রহ.)...
11/08/2026

আপনি কি জিন-শয়তানকে ভয় করছেন?
তাহলে সাবধান!
আপনার এই ভয়ই তাদের জন্য সুযোগ হয়ে উঠতে পারে!

বিখ্যাত তাবেয়ি মুজাহিদ (রহ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে:
الشَّيْطَانُ أَشَدُّ فَرَقًا مِنْ أَحَدِكُمْ مِنْهُ، فَإِنْ تَعَرَّضَ لَكُمْ فَلَا تَفْرَقُوا مِنْهُ فَيَرْكَبَكُمْ، وَلَكِنْ شُدُّوا عَلَيْهِ فَإِنَّهُ يَذْهَبُ

অর্থাৎ—
তোমাদের প্রত্যেকের তুলনায় শয়তানই তোমাদেরকে বেশি ভয় করে। সে যদি তোমাদের সামনে আসে, তাহলে তার ভয়ে বিচলিত হয়ো না; কারণ ভয়ে দুর্বল হয়ে পড়লে সে তোমাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। বরং দৃঢ় থাকো—তাহলে সে সরে যাবে।

তাই অকারণে ভয় নয়—
আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন, তাঁর জিকির করুন এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা ও ভয়কে প্রশ্রয় দেবেন না।

▪️রোগীর শরীর থেকে জিন বের হতে বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণসমূহ।রোগীর শরীরে প্রবেশ করার পর জিন কেন বের হতে পারে না—এর পেছনে কিছ...
09/08/2026

▪️রোগীর শরীর থেকে জিন বের হতে বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণসমূহ।

রোগীর শরীরে প্রবেশ করার পর জিন কেন বের হতে পারে না—এর পেছনে কিছু কারণ ও বাধা রয়েছে। দীর্ঘদিন রুকইয়াহ ও চিকিৎসা চলার পরও যদি জিন বের না হয়, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—কুরআন তো এমন এক মহান বাণী, যা পাহাড়ের ওপর অবতীর্ণ হলে তাকে বিদীর্ণ করে দিত, পৃথিবীর ওপর অবতীর্ণ হলে তাকে চিরে ফেলত, এমনকি মৃতদের সঙ্গে এর মাধ্যমে কথা বলা সম্ভব হলে তাও হতো। এটি তো পূর্ণাঙ্গ শিফা (আরোগ্য), যা সঠিকভাবে গ্রহণ করলে আল্লাহর ইচ্ছায় কখনো ব্যর্থ হয় না।তাই এমন কিছু কারণ, বাধা ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা রোগীর শরীরে থাকা জিনকে রুকইয়াহ চলাকালীন বের হতে বাধা দেয়। এর কিছু জিনের নিজস্ব ইচ্ছার কারণে, আবার কিছু এমন পরিস্থিতি, যেখানে জিনের নিজেরও কোনো ক্ষমতা থাকে না।

▪️প্রথম বাধা: জাদু
জিন যদি এমন জাদুর মাধ্যমে রোগীর শরীরের সঙ্গে আবদ্ধ থাকে, যার কারণে সে নিজেও বের হতে অক্ষম হয়, তাহলে তার অবস্থা রোগীর মতোই হয়ে যায়। যেমন রোগী তাকে বের করতে পারে না, তেমনি জিনও নিজেকে মুক্ত করতে পারে না। উভয়েই এক ধরনের অক্ষমতার মধ্যে থাকে।

▪️দ্বিতীয় বাধা: দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান
জিন যদি দীর্ঘ সময় ধরে রোগীর শরীরে অবস্থান করে, যদিও তা জাদুর মাধ্যমে না-ও হয়ে থাকে, তবে সে রোগীর শরীরের সঙ্গে অনেকটা মিশে যায়। এটি যেন একটি ছোট গাছ দীর্ঘদিনে বড় হয়ে মাটিতে গভীর শিকড় গেড়ে বসে, অথবা সবুজ কাঠে পানি মিশে যাওয়ার মতো। তখন জিন রোগীর মাংস, রক্ত ও স্নায়ুর সঙ্গে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়ে যায় যে অনুভূতি ও আবেগেও প্রভাব ফেলে। ফলে তার বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

▪️তৃতীয় বাধা: প্রেম বা আসক্তি
যদি শরীরে থাকা জিন রোগীর প্রতি আসক্ত বা প্রেমে পড়ে থাকে, তাহলে এটি স্বেচ্ছায় বা জোরপূর্বক বের হওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

▪️চতুর্থ বাধা: রোগীর ঈমান ও দ্বীনের দুর্বলতা
রোগীর ঈমান ও দ্বীন দুর্বল হলে তা চিকিৎসার পথে বড় প্রতিবন্ধকতা হতে পারে।

▪️পঞ্চম বাধা: জিনের অতিবৃদ্ধ বয়স
যদি জিনটি খুব বৃদ্ধ হয়, তাহলে বার্ধক্যের কারণে তার নড়াচড়ার শক্তি কমে যায় এবং সে বের হতেও অক্ষম হতে পারে।

▪️ষষ্ঠ বাধা: চিকিৎসার ভুল পদ্ধতি
অনেক সময় রোগী বা চিকিৎসক জিন বের করার চেষ্টা করেন, অথচ জিনটি যদি জাদুর খাদেম হয়, তাহলে আগে জাদুর চিকিৎসা করা উচিত। জাদু দূর না করে শুধু জিন বের করার চেষ্টা করলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও আসতে পারে।

▪️সপ্তম বাধা: ভুল উপায়ে জিন বের করার চেষ্টা
যেমন—
কোনো জাদুকরের কাছে যাওয়া,
শয়তানের সাহায্য নেওয়া,
কবরের কাছে গিয়ে মান্নত বা পশু জবাই করা,
অথবা অনভিজ্ঞ কারও মাধ্যমে চিকিৎসা করানো।
এক ব্যক্তি বর্ণনা করেন, তিনি একবার মহাসড়কে দেখেন কিছু লোক একটি মৃত কুকুরের লাশের পাশে একজন অসুস্থ নারীকে নিয়ে এসেছে। তারা নারীর হাত ধরে বারবার সেই মৃত কুকুরের দেহ ডিঙিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং মনে করছে এভাবেই তার চিকিৎসা হবে। এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ও কুসংস্কারপূর্ণ পদ্ধতি।

▪️অষ্টম বাধা: গুনাহ ও অবাধ্যতা
পাপ ও আল্লাহর অবাধ্যতা চিকিৎসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

▪️নবম বাধা: মানুষের হক নষ্ট করা
কোনো ব্যক্তির প্রতি জুলুম বা অন্যায় করে থাকলে এবং তা সংশোধন বা ক্ষমা না চাইলে সেটিও বাধা হতে পারে।

▪️দশম বাধা: রোগী নিজেই সুস্থ হতে না চাওয়া
বাহ্যিকভাবে চিকিৎসা নিলেও অন্তরে যদি সুস্থ হওয়ার ইচ্ছা না থাকে, তাহলে সেটিও একটি বাধা। কেউ কেউ মনে করেন, অসুস্থ থাকলে তারা আল্লাহর বেশি নিকটবর্তী থাকেন; আর সুস্থ হয়ে গেলে আবার গুনাহে জড়িয়ে পড়বেন। এ ধরনের মানসিকতাও চিকিৎসার অগ্রগতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

▪️একাদশ বাধা: আল্লাহর ফয়সালা
সব বৈধ ও শরয়িসম্মত উপায় অবলম্বন করার পরও, রোগীর ঈমান-আমল ভালো থাকার পরও যদি আরোগ্য না আসে, তবে তা আল্লাহর ইচ্ছা ও ফয়সালার অন্তর্ভুক্ত। তাঁর সিদ্ধান্তের ওপর কারও কোনো কর্তৃত্ব নেই। আল্লাহই সর্বশক্তিমান এবং তাঁর ইচ্ছাই সর্বোচ্চ।

▪️জাদুকর সাধারণত দুইভাবে জিনকে আবদ্ধ করে বলে উল্লেখ করা হয়
১. আঙুলের বন্ধন (ربط بنان): জাদুকর এমনভাবে জিনকে রোগীর শরীরের সঙ্গে আবদ্ধ করে যে, বিষয়টি প্রকাশ পেলেও সে বের হতে পারে না। ফলে এক বিপদের সঙ্গে আরেক বিপদ যুক্ত হয়—একদিকে জিনের সমস্যা, অন্যদিকে তাকে বের করতে না পারার সমস্যা।
২. জিহ্বার বন্ধন (ربط لسان): জাদুকর এমনভাবে জিনকে আবদ্ধ করে যে, রুকইয়াহর সময় সে কথা বলতে পারে না। ফলে জাদুর অবস্থান বা সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে সক্ষম হয় না।

রুকইয়াহ ও হিজামার জন্য যোগাযোগ করুন
01311-317542

05/08/2026

স্বপ্নে পরিক্ষার হলে গিয়ে পরিক্ষা দিতে পারেন না? বা লিখতে পারেন না,পরিক্ষাই শেষ হয় না এমন দেখেন?

05/08/2026

যাদের নিজের উপর নিজের বদনজর লাগে,
সৌন্দর্য, ভালো কাজ,ও রিজিকের প্রতিবন্ধকতা আসে তারা শুনতে পারেন এই অডিওটা

হিজামা কী? হিজামা কিভাবে করা হয়?হিজামাতে কী কী উপকার▪️হিজামা কী?হিজামা অন্যতম একটি সুন্নাহ চিকিৎসা যা বিজ্ঞান সম্মত। যাত...
05/08/2026

হিজামা কী?
হিজামা কিভাবে করা হয়?
হিজামাতে কী কী উপকার

▪️হিজামা কী?
হিজামা অন্যতম একটি সুন্নাহ চিকিৎসা যা বিজ্ঞান সম্মত। যাতে মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতা বিদ্যামান রয়েছে।

ইউনানী ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসারও অন্তর্ভুক্ত। যাকে বাংলায় শিঙ্গা এবং ইংরেজিতে Cupping Therapy ও বলা হয়। ইউনানীতে হাজামাৎ আর আয়ুর্বেদিকে রক্তমোক্ষণ নামে বেশ পরিচিত।

▪️হিজামার পদ্ধতি:
এই চিকিৎসা ব্যবস্থা বহু প্রাচীণ। আগে বাঁশ কিংবা প্রাণীর শিং ব্যবহার করে এই চিকিৎসা করা হত। কিন্তু বর্তমানে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশ থেকে সাধারণত গ্লাস কিংবা প্লাস্টিক কাপের সাহায্যে রক্ত বের করে ফেলে দেয়া হয়। এর দ্বারা ভেতরের দূষিত রক্ত দূর হয়ে যায়। যার ফলে মানুষ প্রশান্তি অনুভব করে।

▪️কেন হিজামা করাবেন?
সুস্থ লোকেরাও হিজামা করাতে পারেন। এতে সুস্থতার সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। আপনার রোগ হলে যেমন ডাক্তারের কাছে যান। তারপর প্রয়োজন পড়লে অস্ত্রপোচারও করান। তেমনি আপনার শারিরীক রোগ যাদু/সিহরের সমস্যার জন্য হিজামা করাবেন। তাহলে ফায়দা স্বরূপ রোগ থেকে মুক্তি পাবেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি সুন্নাতের উপরও আমল করা হবে ইনশাআল্লাহ।

▪️আচ্ছা প্রচলিত চিকিৎসা বিজ্ঞান কি হিজামাকে সমর্থন করে? প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থা কিংবা প্রচলিত চিকিৎসা বিজ্ঞান এটাকে বাতিল, অকার্যকর বা ক্ষতিকর বলে না, বরং সমর্থন করে। প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থার সহযোগী হিসেবে এই চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে এই যে, হিজামার ব্যপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজামাকে বলেছেন সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসা ব্যবস্থা।

▪️হিজামা সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হাদীস দেখেন নিতে পারেন। এছাড়াও আরও হাদিস রয়েছে।

ক) হযরত জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” সহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর: ২২০৫

খ) হযরত আবদুল্লাহ্ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হিজামাকারী কতইনা উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।” সুনানে তিরমিযী, হাদীছ নম্বর: ২০৫৩

গ) হযরত আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জিবরীল আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তম্মধ্যে হিজামাই হল সর্বোত্তম।” আল-হাকিম, হাদীছ নম্বর: ৭৪৭০

ঘ) হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেছেন, খালি পেটে হিজামাই সর্বোত্তম। এতে শেফা ও বরকত রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বোধ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।” সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর: ৩৪৮৭

ঙ) হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেছেন, কেউ হিজামা করতে চাইলে সে যেন আরবী মাসের ১৭, ১৯ কিংবা ২১ তম দিনকে নির্বাচিত করে। রক্তচাপের কারণে যেন তোমাদের কারো মৃত্যু না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।” সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর: ৩৪৮৬

চ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর সূত্রে নবী (সাঃ) থেকে বর্নিত, “তিনি বলেন রোগমুক্তি তিন জিনিসের মধ্যে রয়েছে। হিজামা লাগানো, মধু পাণ করা এবং আগুন দিয়ে দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে দাগ দিতে নিষেধ করি”

ছ) কালো যাদু বা কুফুরী বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যেঃ

ইবনুল কাইয়্যূম (রহঃ) মন্তব্য করেন, রাসুলুল্লাহ রাসুলুল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন যাদু দ্বারা পীড়িত হন তখন তিনি মাথায় সিঙ্গা লাগান এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ যদি সঠিকভাবে করা হয়। (যাদ আল মাআদঃ ৪/১২৫-১২৬)

▪️হিজামা কিভাবে কাজ করে?

বদ-রক্ত, রোগের জন্য দায়ী জীবাণু প্লাজমা বা ফ্লুইডের সাথে বের করে নিয়ে আসা হয়। যা শরীর থেকে রোগের জন্য দায়ী জীবাণু সরিয়ে ফেলে। এর মাধ্যমে বর্তমানে সংক্রামক সকল রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এছাড়া অসংক্রামক অনেক রোগও ভালো হয় নিয়মিত হিজামা করালে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও রক্ত পরিষ্কার রাখে, শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত জৈব-রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশন করে।

হিজামা একটি চিকিৎসা যাতে অন্যান্য মেডিক্যাল ড্রাগসের মত কোন সাইড ইফেক্ট নেই। কেবল নিরাময় আছে (সুবহানাল্লাহ)। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর নিজের জন্য এ চিকিৎসাটি করিয়েছিলেন।

▪️হিজামাতে যে সকল সমস্যায় উপকার হয়:
(১) রক্তদূষণ, উচ্চরক্তচাপ, (২) ঘুমের ব্যাঘাত, স্মৃতিভ্রষ্টতা, মানসিক সমস্যা, (৩) মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যাথা, অস্থি সন্ধির ব্যাথা, পিঠে ব্যাথা, হাঁটু ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী সাধারণ মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে ব্যাথা, কোমর ব্যাথা, পায়ে ব্যাথা, মাংসপেশীর ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা, হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা।সাইনুসাইটিস (৫) ব্রণ (৬) কোলেস্টেরল (৭) হাঁপানি (৮) গ্যাস্ট্রিক পেইন, গ্যাস্ট্রিক আলসার (৯) বিষক্রিয়া (১০) দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (১১) ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন (১২) ফোঁড়া-পাঁচড়া (১৩) চুল পড়া (১৪) স্পোর্টস ইঞ্জুরি (১৫) হরমোনাল সমস্যা (১৬) ইরেক্টিল ডিসফাংশন [ই.ডি], (১৭) মাদকাসক্ত এবং জিন জাদু বদনজের জন্য বিশেষ উপকারী, আরও অনেক সমস্যার জন্য হিজামা কার্যকরী ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের বুঝার তাওফিক দিন। সবাইকে সুস্থ ও নিরাপত্তার জীবন দান করুন। আমিন।

হিজমা করতে যোগাযোগ করুন,
01311-317542

02/08/2026

ঢাকায় যারা রুকইয়াহ করতে চেয়েছিলেন,আবার যোগাযোগ করুন।

ফ্রী শারয়ী রুকইয়াহ ও তিব্বে নববী কোর্স নিজের জীবনকে কুরআন ও সুন্নাহ কে নতুনভাবে গড়ে তোলার সেরা সুযোগ। ঠিক এই সময়টিকেই কে...
01/08/2026

ফ্রী শারয়ী রুকইয়াহ ও তিব্বে নববী কোর্স

নিজের জীবনকে কুরআন ও সুন্নাহ কে নতুনভাবে গড়ে তোলার সেরা সুযোগ। ঠিক এই সময়টিকেই কেন্দ্র করে শুরু হচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামিক হিলিং ও জীবনঘনিষ্ঠ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি—রুকইয়াহ কোর্স ও তিব্বে নববী কোর্স একসাথে।

আজকের সমাজে মানুষ কেবল শরীরের রোগে নয়, মন ও আত্মার নানা জটিলতায়ও জর্জরিত। অকারণ ভয়, অস্থিরতা, দুঃস্বপ্ন, পারিবারিক অশান্তি, অদৃশ্য সমস্যার প্রভাব, যাদু ও বদনজরের মতো বাস্তবতায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ছে। আবার শারীরিক রোগের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে কেমিক্যালনির্ভর চিকিৎসা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আর ব্যয়বহুল ব্যবস্থার চাপে সাধারণ মানুষ ক্লান্ত। এই সংকটময় অবস্থায় ইসলাম আমাদের যে ভারসাম্যপূর্ণ ও নিরাপদ সমাধান দিয়েছে তা হলো—কুরআনের মাধ্যমে রুহানী চিকিৎসা এবং নবীজি ﷺ এর দেখানো প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি।

এই কোর্সে অংশগ্রহণ করলে একজন শিক্ষার্থী শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানই অর্জন করবে না, বরং বাস্তব জীবনে প্রয়োগযোগ্য দক্ষতা অর্জন করবে। রুকইয়াহ অংশে শেখানো হবে কীভাবে কুরআনের আয়াত ও সহিহ দোয়ার মাধ্যমে রোগমুক্তি, আত্মরক্ষা ও মানসিক প্রশান্তি অর্জন করা যায়। পাশাপাশি তিব্বে নববী কোর্সে থাকবে সুন্নাহসম্মত জীবনব্যবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, হিজামা, কালোজিরা, মধু, প্রাকৃতিক চিকিৎসা ও শরীর সুস্থ রাখার নববী পদ্ধতির বাস্তব অনুশীলন।

📚 কোর্সের বিষয়বস্তু
★রুকইয়াহ শারইয়াহর পরিচিতি, গুরুত্ব ও ফজিলত
★রুকইয়াহ বনাম কুফরি জাদু
★ ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয় পদ্ধতি
★বদনজর: মানুষের ও জ্বিনের নজর
★ওয়াসওয়াসা রোগ
★জাদুটোনা: লক্ষণ, উপসর্গ ও প্রতিকার
★জ্বিনের আসর ও প্রতিকার
★শারীরিক ও মানসিক রোগের জন্য রুকইয়াহ
★সেলফ রুকইয়াহ ও অন্যের জন্য রুকইয়াহ
★শিরকি ঝাড়ফুঁক, কুসংস্কার ও জাল তাবিজ চেনা
★প্র্যাকটিক্যাল রুকইয়াহ ও পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন
★ইত্যাদি

তিব্বে নববী কোর্স
★বিশ্ব নবীর চিকিৎসা পদ্ধতি
★কুরআনে শারীরিক রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি
★প্রসিদ্ধ রোগের সুন্নাহ চিকিৎসা
★নবিজীর খাবারের মাধ্যমে চিকিৎসা
★ইত্যাদি

এটি কেবল একটি কোর্স নয়—এটি একটি জীবনধারা শেখার পথ।
যেখানে কুসংস্কার নেই, শিরকের ছায়া নেই, আছে শুধু কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ দিকনির্দেশনা।

এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনি পারবেন—
নিজের ও পরিবারের চিকিৎসা নিজেই করতে,
মানুষের উপকারে আসতে,
একটি শিরকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে,
এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এত মূল্যবান দুটি কোর্স একসাথে মাত্র ১৫০০ টাকায় প্রদান করা হচ্ছে, যেন সমাজের সব স্তরের মানুষ এই দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পায়। আমরা দিচ্ছি সম্পূর্ণ ফ্রীতে।

এই কোর্স পরিচালনায় আছেন অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ উস্তায সাদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাফি:
যিনি দীর্ঘদিন ধরে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা ও ইসলামিক হিলিং সেবায় নিয়োজিত।

⏰ সময়সূচী ও ক্লাস ডিউরেশন
মোট ক্লাস: ৭টি
সময়: রাত ৯টা – ১০:৩০টা (বাদ ইশা)
মাধ্যম: জুম বা টেলিগ্রাম
সপ্তাহে ৪ দিন (রবি–বৃহস্পতিবার)
সকল ক্লাসের রেকর্ডিং পাওয়া যাবে
বিস্তারিত তথ্য টেলিগ্রাম গ্রুপে শেয়ার করা হবে

উদ্ভোদনী ক্লাস ১৫/৮/২৬

🌸 কোর্স শেষে যা অর্জন করবেন
নিজের ও অন্যের জন্য শরয়ী রুকইয়াহ করতে পারবেন
আশেপাশের মানুষদের প্রাথমিক পরামর্শ দিতে পারবেন।
জ্বিন-যাদু সংক্রান্ত ভীতি থেকে মুক্ত হবেন
ভ্রান্তি, কুসংস্কার ও কুফরি আমল থেকে বাঁচবেন
বিষয়ভিত্তিক দিকনির্দেশনা ও অনুশীলনের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হবেন

★এটি কোনো প্রফেশনাল কোর্স না। এটা ফিউরিকাল কোর্স।

📞 বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01850185023

https://chat.whatsapp.com/HQuDCqdvcbsAq0CQGeXvWX?s=cl&p=a&ilr=0&amv=0

Address

মিরপুর-১০, ঢাকা ও বিশ্বরোড
ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when As Sihha Ruqyah & Hijama Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share