27/05/2026
ডায়াবেটিক রোগীর খাদ্য তালিকা:
সাধারণ নিয়মাবলী
১. তিনবেলার খাবার ৬ বারে ভাগ করে খাবেন।
২. কোন বেলার খাবার বাদ দিবেন না।
৩. মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
৪. চর্বি জাতীয় খাবার কম খান।
৫. আপনার ওজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা মেনে চলবেন।
৬. খাবার খেতে অসুবিধা হলে রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষা করে ঔষধ নেবেন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
■ ইচ্ছে মতো খাওয়া যাবে: সবজি
সবজি-ক: লাউ, পেঁপে, চিচিঙ্গা, চালকুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি। শাক: লালশাক, পুঁইশাক, পালংশাক, কলমিশাক, লাউশাক ইত্যাদি।
■ পরিমাপ মতো খাওয়া যাবে: সবজি
সবজি-খ: মিষ্টিকুমড়া, গাজর, বরবটি, বেগুন, ঢেঁড়স, মটরশুঁটি, করলা, ঝিঙা ইত্যাদি।
■ ইচ্ছে মতো খাওয়া যাবে: ফল
ফল 'ক': ফল (কালো জাম, লেবু, আমড়া, বাতাবী লেবু, বর্জি, জামরুল, কচি ডাবের পানি ইত্যাদি), + তরমুজ (মিষ্টি ছাড়া)।
■ পরিমাপ মতো খাওয়া যাবে: ফল
ফল 'খ':
ফল: আম- ছোট ১টি আমের অর্ধেক (৫০ গ্রাম), পাকা পেয়ারা ১টি (বড়), লিচু- ৫টি (বড়), আটা ফল- ১টি (৫০ গ্রাম), তেরঁল-মাঝারি ৩ কেজি (৫০ গ্রাম), কমলা ১টি মাঝারি (৫০গ্রাম) আপেল- ১টি, মাঝারি (৪০ গ্রাম), মাল্টা ১টি মাঝারি (৪০ গ্রাম), পাকা পেঁপে- ৫.৫"/২"/২.৫" মাপের ১টি, পাকা কলা- (সাগর) ১টির অর্ধেক, নারিকেল (কোরা) ২ চামচ কোরা- (৬ গ্রাম), মিষ্টিকুমড়া- ৮টি (৪২ গ্রাম), তরমুজ মাঝারি- ১ টুকরা (৪০ গ্রাম), আপেল আধা মাঝারি- ১টি (৫০ গ্রাম) পাকা বেল- আধা কাপ (৫০ গ্রাম)। প্রতিদিন এসব ফলের যেকোনো ১টি অথবা পরিমাণ মতো খাওয়া যাবে। তবে একাধিক ফল একদিনে খাওয়া যাবে না।
■ মনে রাখতে হবে : ১ কাপ= আধা পোয়া বা ১২৫ মিলি লিটার, ১ চা চামচ= ৫ মিলি লিটার
■ হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়া) কী?
যদি কোন কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ খুব কমে যায়, অর্থাৎ ৪.০ মিলি/লিটার এর কম হয় তাহলে শরীরের প্রতিক্রিয়া হতে পারে। একে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে; যা জীবনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
■ হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণাবলি:
ঘাম হওয়া, শরীর কাঁপতে থাকা, বেশি ঘিসে পাওয়া, বুক ধড়ফড় করা, মাথা ধরা, কাস্পা দেখা, অজ্ঞান হওয়া ও অস্বাভাবিক আচরণ করা।
■ হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে কি করতে হবে?
প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়া মাত্রই রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষা করা, চা-চামচের ৩ থেকে ৬ চামচ গ্লুকোজ বা চিনি এক গ্লাস পানিতে গুলে খাইয়ে দিতে হবে। তিনি না থাকলে যে কোন খাবার সাথে সাথে খেতে হবে।
রোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে মুখে কিছু খাওয়ায় চেষ্টা না করে গ্লুকোজ ইনজেকশন দিতে হবে বা তাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিতে হবে।
☑ ১০০০ ক্যালোরি (খাবার তালিকা নং-১)
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (৬০ গ্রাম/২টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: দুধ (১ কাপ)/মুড়ি/বিস্কুট/খই/মুড়মুস অথবা ডাল/চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম অথবা ফল 'খ' যে কোন একটি পরিমাণ মতো।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (১২০ গ্রাম/১ কাপ), মাছ বা মাংস (৩০ গ্রাম/১ টুকরা), ডাল (১২ গ্রাম/১ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: দুধ (১ কাপ)/মুড়ি/বিস্কুট/খই/মুড়মুস অথবা ডাল/চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম অথবা ফল 'খ' যে কোন একটি পরিমাণ মতো।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (৬০ গ্রাম/২টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৩০ গ্রাম/১ টুকরা), ডাল (১২ গ্রাম/১ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: দুধ ১ গ্লাস/২টা বিস্কুট/ছোট ১টা প্যাকেট/ফল 'খ'।
☑ ১২০০ ক্যালোরি (খাবার তালিকা নং-২)
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (৬০ গ্রাম/২টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: (পূর্বের ন্যায়)।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (১৬০ গ্রাম/১.৫ কাপ), মাছ বা মাংস (৩০ গ্রাম/১ টুকরা), ডাল (১২ গ্রাম/১ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: (পূর্বের ন্যায়)।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (৯০ গ্রাম/৩টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৩০ গ্রাম/১ টুকরা), ডাল (১২ গ্রাম/১ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: (পূর্বের ন্যায়)।
☑ ১৪০০ ক্যালোরি (খাবার তালিকা নং-৪)
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (৯০ গ্রাম/৩টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: (পূর্বের ন্যায়)।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (২৪০ গ্রাম/২ কাপ), মাছ বা মাংস (৩০ গ্রাম/১ টুকরা), ডাল (১৫ গ্রাম/১.৫ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: (পূর্বের ন্যায়)।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (৯০ গ্রাম/৩টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৩০ গ্রাম/১ টুকরা), ডাল (১৫ গ্রাম/১.৫ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: (পূর্বের ন্যায়)।
☑ ১৬০০ ক্যালোরি (খাবার তালিকা নং-৪)
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (৯০ গ্রাম/৩টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: (পূর্বের ন্যায়)।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (২৭০ গ্রাম/২.২৫ কাপ), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (১৫ গ্রাম/১.৫ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: (পূর্বের ন্যায়)।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (১২০ গ্রাম/৪টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (১৫ গ্রাম/১.৫ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: (পূর্বের ন্যায়)।
☑ ১৮০০ ক্যালোরি (খাবার তালিকা নং-৫)
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (১২০ গ্রাম/৪টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: (পূর্বের ন্যায়)।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (৩০০ গ্রাম/২.৫ কাপ), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (২৫ গ্রাম/২ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: (পূর্বের ন্যায়)।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (১২০ গ্রাম/৪টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (২৫ গ্রাম/২ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: (পূর্বের ন্যায়)।
☑ ২০০০ ক্যালোরি (খাবার তালিকা নং-৬)
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (১২০ গ্রাম/৪টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: (পূর্বের ন্যায়)।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (৩৬০ গ্রাম/৩ কাপ), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (২৫ গ্রাম/২ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: (পূর্বের ন্যায়)।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (১৫০ গ্রাম/৫টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (২৫ গ্রাম/২ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: (পূর্বের ন্যায়)।
☑ খাবার তালিকা নং-৭ | ক্যালরি: ২২০০
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (১২০ গ্রাম/৪ টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: দুধ (১ কাপ)/মুড়ি/বিস্কুট/খই/মুড়মুস অথবা ডাল/চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম অথবা ফল 'খ' যে কোন একটি পরিমাণ মতো।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (৪২০ গ্রাম/৩.৫ কাপ), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (১৫ গ্রাম/১.৫ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: দুধ (১ কাপ)/মুড়ি/বিস্কুট/খই/মুড়মুস অথবা ডাল/চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম অথবা ফল 'খ' যে কোন একটি পরিমাণ মতো।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (১৫০ গ্রাম/৫ টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (২৫ গ্রাম/২ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: দুধ ১ গ্লাস/২ টা বিস্কুট/ছোট ১টা প্যাকেট/ফল 'খ'।
রাত্রির জন্য জল - ৪০ মিলি লিটার
☑ খাবার তালিকা নং-৮ | ক্যালরি: ২৪০০
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (১৫০ গ্রাম/৫ টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: দুধ (১ কাপ)/মুড়ি/বিস্কুট/খই/মুড়মুস অথবা ডাল/চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম অথবা ফল 'খ' যে কোন একটি পরিমাণ মতো।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (৪৮০ গ্রাম/৪ কাপ), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (২৫ গ্রাম/২ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: দুধ (১ কাপ)/মুড়ি/বিস্কুট/খই/মুড়মুস অথবা ডাল/চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম অথবা ফল 'খ' যে কোন একটি পরিমাণ মতো।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (১২০ গ্রাম/৪ টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (২৫ গ্রাম/২ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: দুধ ১ গ্লাস/২ টা বিস্কুট/ছোট ১টা প্যাকেট/ফল 'খ'।
রাত্রির জন্য জল - ৪০ মিলি লিটার
☑ খাবার তালিকা নং-৯ | ক্যালরি: ২৬০০
■ সকালের নাস্তা: আটার রুটি (১৫০ গ্রাম/৫ টা ছোট পাতলা), ডিম (সিদ্ধ করে - ১টা), সবজি 'ক', ফল 'ক'।
■ বেলা ১১টার হালকা খাবার: দুধ (১ কাপ)/মুড়ি/বিস্কুট/খই/মুড়মুস অথবা ডাল/চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম অথবা ফল 'খ' যে কোন একটি পরিমাণ মতো।
■ দুপুরের খাবার: ভাত (৪৮০ গ্রাম/৪ কাপ), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (৩৫ গ্রাম/২.৫ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক', সবজি 'খ'।
■ বিকেলের নাস্তা: দুধ (১ কাপ)/মুড়ি/বিস্কুট/খই/মুড়মুস অথবা ডাল/চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম অথবা ফল 'খ' যে কোন একটি পরিমাণ মতো।
■ রাতের খাবার: আটার রুটি (১৫০ গ্রাম/৫ টা ছোট পাতলা), মাছ বা মাংস (৬০ গ্রাম/২ টুকরা), ডাল (৩৫ গ্রাম/২.৫ কাপ মাঝারি ঘন), সবজি 'ক'।
■ রাত ১১-১১:৩০টা: দুধ ১ গ্লাস/২ টা বিস্কুট/ছোট ১টা প্যাকেট/ফল 'খ'।
রাত্রির জন্য জল - ৬০ মিলি লিটার
☑ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই খাদ্য তালিকা এবং জীবনযাত্রার নির্দেশিকাটি কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো:
■ বিএমআই (BMI) ও ক্যালোরি নির্বাচন: একজন রোগীর শারীরিক অবস্থা বা বিএমআই (BMI) অনুযায়ী ক্যালোরি নির্ধারণ করতে হয়। স্থূল বা অতিরিক্ত ওজনের রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত কম ক্যালোরির (যেমন ১০০০-১২০০ ক্যালোরি) তালিকা বেছে নেওয়া হয়, অন্যদিকে স্বাভাবিক বা কর্মক্ষম রোগীদের জন্য ১৮০০-২২০০ ক্যালোরি উপযুক্ত হতে পারে।
■ খাবারের নিয়ম: রোগীদের দৈনিক খাবারকে ছয় ভাগে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে এবং কোনো বেলার খাবার বাদ দেওয়া যাবে না।
■ সবজি নির্বাচন: সবজি 'ক' (লাউ, পেঁপে, শাক ইত্যাদি) ইচ্ছামতো খাওয়া যাবে, কিন্তু সবজি 'খ' (গাজর, বেগুন, করলা ইত্যাদি) পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।
■ ফল গ্রহণের সতর্কতা: নির্দিষ্ট কিছু ফল (যেমন আম, লেবু, জামরুল) ইচ্ছামতো খাওয়া গেলেও, ফল 'খ' তালিকার ফলগুলো পরিমাপ মেনে খেতে হবে এবং একদিনে একাধিক ফল খাওয়া যাবে না।
■ হাইপোগ্লাইসেমিয়া ব্যবস্থাপনা: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ৪.০ মিলি/লিটার-এর নিচে নেমে গেলে ঘাম হওয়া, বুক ধড়ফড় করা বা অজ্ঞান হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এমন অবস্থায় দ্রুত ৩-৬ চামচ চিনি বা গ্লুকোজ পানিতে গুলে খাওয়াতে হবে এবং রোগীর জ্ঞান না থাকলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
■ চিকিৎসকের পরামর্শ: খাবার গ্রহণে অসুবিধা হলে বা রক্তে গ্লুকোজের অস্বাভাবিকতার ক্ষেত্রে নিয়মিত গ্লুকোজ পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ গ্রহণ করতে হবে।