HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

  • Home
  • Bangladesh
  • Bhola
  • HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা স্বাস্থ্যসেবার সর্বোচ্চ ঠিকানা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চিকিৎসা ও ঔষধ সবই এখানে।

22/05/2026

একবার এক মহিলা ভোরবেলায় একা একা মসজিদে যাচ্ছিলেন ফজরের নামাজ পড়তে। হঠাৎ করে রাস্তায় এক লোক এসে তার উপর চড়াও হয় এবং তাকে রেইপ করে। মেয়েটার চিৎকার শুনে এক লোক এগিয়ে আসলে রেইপিস্ট পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই শোরগোল শুনে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে যায় এবং প্রথমে এগিয়ে আসা লোককে রেইপিস্ট ভেবে উত্তেজিত জনতা তাকেই উত্তম-মাধ্যম দিতে উদ্যত হয়।

ঘটনাটি মদীনায় নবীজীর সময়কার। উত্তেজিত জনগণ প্রথমে একজনকে মারতে উদ্যত হলেও শরয়ী আইন বিদ্যমানতার কারণে তারা নিরস্ত হয় এবং মামলাটি নবীজীর আদালতে পেশ করা হয়। নবীজী মহিলাকে ডাকেন, তার অভিযোগ শ্রবণ করেন‌ এবং অপরাধীর দৈহিক বিবরণ জানতে চান। ভীত ও মানসিক বিপর্যস্ত নারীটিও তখন ভুল করে নিরপরাধ লোকটিকে রেইপিস্ট হিসেবে অভিহিত করে। কিন্তু নবীজী যখন লোকটাকে সাজা দিতে যাচ্ছিলেন তখনই প্রকৃত অপরাধী এগিয়ে এসে তার অপরাধ স্বীকার করে। অতঃপর তাকে রজম করা হয়। (হাসান। তিরমিযী)

রেইপের বিচার করার জন্য চারজন সাক্ষীর দরকার হয় না, এটা দরকার হয় পারস্পরিক সম্মতি ভিত্তিক যিনার অভিযোগের ক্ষেত্রে। রেইপ যদিও যিনা থেকে উদ্ভূত গোনাহ কিন্তু আইনগতভাবে সাধারণ যিনা থেকেও রেইপ গুরুতর অপরাধ। কারণ রেইপের সাথে সন্ত্রাস ও জননিরাপত্তার ইস্যু জড়িত। কুরআনের পরিভাষায় এটাকে বলা হয় ‘হিরাবাহ্’। এজন্য সন্ত্রাস ও ডাকাতির অভিযোগের ক্ষেত্রে যেমন সাধারণ সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে বিচার করা হয়, রেইপের বিচারও এমন পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতেই হবে।

যিনার সাজা নির্দিষ্টভাবে রজম বা বেত্রাঘাত। কিন্তু রেইপের সাজা আরো বৈচিত্র্যময়। সূরা আল-মায়িদার হিরাবাহ’র আয়াত অনুযায়ী রজম ছাড়াও রেপিস্টকে হাত-পা বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া, শূলে চড়ানো, যৌনাঙ্গ কর্তন ইত্যাদি সাজাগুলোর এক বা একাধিক ইচ্ছেমতো দেয়া যেতে পারে।

অবশ্য এটা মনে রাখা দরকার যে রেইপের প্রধান কারণ হলো যিনার সহজলভ্যতা। যদি যিনার ব্যাপারে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট কঠিন করা হয় তাহলে রেইপের হার অবশ্যই শূণ্যে নেমে আসবে।

আসুন নবীজীর বিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। তাঁর প্রতি দরূদ পড়ি-
الهم صل على محمد وعلى ال محمد 💚

কুকুরকে পানি পান করানোর কারণে বনি ইসরাঈলের এক মহিলা জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন—এ ঘটনা অনেকেই জানেন। তাই অনেকে কুকুরের প...
22/05/2026

কুকুরকে পানি পান করানোর কারণে বনি ইসরাঈলের এক মহিলা জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন—এ ঘটনা অনেকেই জানেন। তাই অনেকে কুকুরের প্রতি আদর-যত্ন প্রদর্শন করতে চান। ভালো কথা। তবে একজন মুসলিম হিসেবে কুকুর সম্পর্কে দ্বীন ইসলাম কী শিক্ষা দিয়েছে, তা জানা ও মানা প্রয়োজন।

প্রথমে দ্বীন ইসলামের প্রাধান্যক্রম (Priority List) সম্পর্কে জানা দরকার। একটি মৌলিক উসূল (মূলনীতি) হলো— “মহান আল্লাহ পাক তিনি দুনিয়ার সবকিছু মানুষের খিদমতের জন্য সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা বাকারা শরীফ : ২৯) এ কারণে দ্বীন ইসলামে মানুষের কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। অর্থাৎ প্রথমে মানুষের উপকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, এরপর অন্যান্য বিষয় গুরুত্ব পাবে।
অপরদিকে নাস্তিক্যবাদী ধর্মে অনেক সময় মানুষ অপেক্ষা পশু-পাখি বা প্রকৃতিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে মানুষ ও পশুর মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হলে তারা পশুকেই অগ্রাধিকার দেয়, যদিও এতে মানুষের ক্ষতি হয়।

এই প্রাধান্যক্রমের কারণেই কুকুরের আক্রমণে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত বা নিহত হলেও তারা কুকুরকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে এবং কুকুরকে বাঁচিয়ে রাখার পক্ষপাতী হয়।
কিন্তু সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মানুষের নিরাপত্তাকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। আগে মানুষের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে একটি উসূল হলো— “কষ্টদায়ক প্রাণী কষ্ট দেওয়ার আগেইহ ...ত্যা করা জায়িয।” (মুসলিম শরীফ, আল ফাওয়াকিহ্ ২/৩৫২) যেমন— মশা কামড় দেওয়ার আগেই মেরে ফেলা জায়িয। এ কারণেই দ্বীন ইসলামে ক্ষতিকর কুকুরহ ...ত্যা করার হুকুম রয়েছে।

শুধু তাই নয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুকুরহ ...ত্যা করার আদেশ মুবারক করেছেন। প্রথমে সকল কুকুরহ ...ত্যা করা হতো। পরে বাড়ি ও ক্ষেত-খামার পাহারাদার এবং শিকারি কুকুরের বিষয়ে ছাড় দেওয়া হয়। ফলে পবিত্র মদিনা শরীফে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কুকুর ছাড়া অন্যান্য কুকুরহ ...ত্যা করা হয়েছিল। (মুসনাদে আহমদ) পরবর্তীতে হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনারাও এ হুকুম কার্যকর করেছিলেন।

উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কুকুর পোষার ক্ষেত্রেও দ্বীন ইসলাম মানুষের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েছে। যদি কোনো কুকুর মানুষের জান-মাল ক্ষতি করে, তাহলে কুকুরের মালিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এখন প্রশ্ন হলো— যারা লোকালয়ে কুকুর রাখতে চান, তারা কি এর দ্বারা সংঘটিত ক্ষয়-ক্ষতির দায়ভার গ্রহণ করবে?

আহ রামিসা! এটাই বাংলাদেশ বোন!!!বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামি...
20/05/2026

আহ রামিসা! এটাই বাংলাদেশ বোন!!!

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।

দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।

পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।

রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।

রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।

স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।

রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।

জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।

র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।

জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।

দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।

রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।

খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।

এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।

এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।

তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল

-

16/05/2026

ভিয়েতনাম চামড়া থেকে কামাচ্ছে ২৬ বিলিয়ন ডলার! আর বিশ্বের অন্যতম সেরা চামড়া থাকার পরও আমাদের আয় মাত্র ১ বিলিয়ন! কাদের পকেট ভারী করতে ধ্বংস করা হলো দেশের চামড়া শিল্প? 💰🇧🇩

বাংলাদেশ শুধু কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত চামড়া (Wet blue) সস্তায় রপ্তানি করে। আর সেই চামড়া কিনে ভিয়েতনাম নাইকি (Nike), এডিডাসের (Adidas) মতো ব্র্যান্ডের জুতা বানিয়ে ২৬ বিলিয়ন ডলার আয় করে!

চামড়া শিল্পে যদি আমরা পোশাক খাতের (RMG) মতো গুরুত্ব দিতাম, তবে কী হতো?
✅ বিশাল আয়: বছরে ১০ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় হতো!
✅ ডলার সংকট শেষ: চামড়াজাত পণ্যে মূল্য সংযোজন (Value Addition) হয় প্রায় ৯০%। অর্থাৎ এই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সরাসরি আমাদের রিজার্ভে যুক্ত হয়ে ডলার সংকট চিরতরে দূর করতো।
✅ বিশাল কর্মসংস্থান: ২০ থেকে ৩০ লাখ নতুন মানুষের (বিশেষ করে নারীদের) চাকরি হতো।

তাহলে আমরা কেন ভিখারি হয়ে আছি?
১. সাভার ট্যানারির চরম ব্যর্থতা: হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি নেওয়ার নামে গত ২০ বছর ধরে চলছে হরিলুট। সেখানকার কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (CETP) আন্তর্জাতিক মানের না হওয়ায় আমাদের ট্যানারিগুলো LWG (Leather Working Group) পরিবেশগত সনদ পাচ্ছে না। ফলে নামিদামি ব্র্যান্ডগুলো আমাদের থেকে সরাসরি চামড়া কেনে না!
২. সিন্ডিকেট: প্রতি কোরবানির ঈদে পানির দরে চামড়া কিনে মজুত করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট, ফলে প্রান্তিক মানুষ ন্যায্য দাম পায় না।
৩. বিমাতৃসুলভ আচরণ: পোশাক খাতকে যেভাবে ট্যাক্স হলিডে আর বন্ড সুবিধা দেওয়া হয়, চামড়া খাতকে তা দেওয়া হয়নি।

১ কেজি কাঁচা চামড়ার চেয়ে এক জোড়া জুতার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কয়েক গুণ বেশি। অথচ আমরা সেকেলে পদ্ধতিতেই আটকে আছি।

আপনার মতে, সাভারের এই সিইটিপি (CETP) জালিয়াতি ও চামড়া সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের কি আইনের আওতায় আনা উচিত?

Summary:
A massive syndicate and bureaucratic negligence are destroying Bangladesh's leather industry. While Vietnam earns a staggering $26 Billion by exporting finished shoes, Bangladesh is stuck at $1.14 Billion by selling cheap raw hides. The root cause is the dysfunctional CETP at Savar Leather Park, which prevents tanneries from getting the mandatory LWG certification required by global brands like Nike and Adidas. Experts urge immediate action to fix the CETP, break the import syndicate, and unlock a potential $10 Billion export powerhouse.

16/05/2026

অনেক বছর আগে আমার বন্ধু ও তার শ্বশুড়ের জন্য আবাসিক হো"টেলে যাই রুম বুকিং দিতে। দ্বিতীয় তলায় উঠার পর দেখি স্কুলের কা"পল"রা একে একে বের হচ্ছে। যাদের বয়স ১৬/১৭ এর উপরে হবে না।

এগুলো দেখে তাৎক্ষণিক মস্তিষ্কে র'ক্ত'ক্ষরণ হলেও পরে নিজেকে বুঝ দিয়ে শান্ত হই৷

ছেলেদের মধ্যে অধিকাংশ বুঝা যাচ্ছে বখা''টে। মেয়ে গুলোকে সম্ভ্রান্ত পরিবারের মনে হয়েছে।

পরিবার কখনো জানবেই না এই বয়সে তার মেয়ে প'তি"তার মতো হয়ে গেছে৷ সে ই'নো'সেন্ট চেহারা নিয়ে হয়তো ধুমধামে বিয়ের পিড়িতে বসবে।আপনি ও তাকে গিলে ফেলবেন।

স্কুল কলেজ থেকে ভার্সিটি পর্যন্ত অনেক মেয়ের ৩/৪ টা প্রেমিক বদল হয়ে যায়৷ ছেলেদের ক্ষেত্রেও সেইম।
চট্টগ্রামের আবাসিক হো"টেলে কি চলে তা বর্ণনার বাইরে৷

এটা শেষ জামানা। চতুর্দিকে জ্বি"না ব্যভি"চা"রের উৎসব। বিয়ের আগে একাধিক প্রে"ম এবং বিয়ের পরেও একাধিক পর"কীয়া এগুলো স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গেছে।

একটা পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে, অফিস ও কর্মক্ষেত্রে ৬০% মানুষ পর"'কীয়া তে আ'ক্রা'ন্ত।

যদি ঢাকা শহরের আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট,ডার্ক এপার্টমেন্ট গুলোতে একযোগে প্রশাসন রেইড দেয়। তাহলে ঢাকা থেকেই ২০ লাখের অধিক অবৈ"ধ সম্পর্কে জড়ানো নারী-পুরুষ এরেস্ট করানো যাবে৷ সংখ্যাটা আমি কমিয়ে বললাম।

কি পরিমাণে বিবাহ বহির্ভূত জ্বি"না সংঘটিত হইলে, শেষ জামানায় ভূমি"কম্প দিয়ে নগর ধ্ব"সিয়ে দিবে চিন্তা করুন৷

একজন সতী নারী স্বামীর ভালোবাসার ভাগ অন্যকে দিতে চাইবে না। সে চাইবে না স্বামীর সাথে অন্য নারীর অবস্থান। এগুলো স্বাভাবিক রিয়েকশন।

বাট স্কুল কলেজ থেকে ভার্সিটি পর্যন্ত ২/৩ টা বফ পালটানো মেয়েটা যখন হালাল একাধিক বিয়ের ব্যাপারে বি'দ্বেষ ঢেলে দেয়। তখন ব্যাপার গুলো শক্ত কাউন্টার দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।।

শুনতে বিশ্রী হইলেও সিংহভাগ প্রেমিক নামক বখা'টে ছেলেরা যখন ক্রেডিটবাজি করে। এতটা মা**ল এই পর্যন্ত খাই*য়া ছেড়ে দিছি৷
(এই শব্দ ও ভোগ করার কৃতিত্ব ওপেন সি'ক্রেট এই সমাজ হতে ভার্সিটিতে)

ব'খা'টে নামক এই সুশীল প"শুগুলোও যখন একাধিক বিয়ের প্রতি চরম আকারে তুচ্ছতাচ্ছিল্য প্রদর্শন করে। তখন চুপ থাকার সুযোগ নাই।

বোনরা আমাকে নারী বি"দ্বেষী বলতে পারো। শুনে রাখো পি"রিয়ড"বাদী কবি আর নারী অধিকার দেখানো সব গুলো ল'"ম্পট৷

তারা তোমাদের কে খে'য়ে ছেড়ে দেওয়ার মত বস্তুই মনে করে। সরি এভাবে বলার জন্য।

বাট তোমাদের ম'স্তিষ্ক কণায় কখনো ভাবনা আসবে না সমাজের সিংহভাগ ছেলে তোমাকে কিসের বস্তু মনে করে।
তারা কিভাবে তোমাকে ভোগ্য'পণ্য মনে করে।

কখনো বুঝবা না এই দেশের পুরুষদের মনস্তত্ত্ব। এরা যেভাবে ভদ্রতা ও নারী অধিকারের মুখোশ পড়ে থাকে৷ ক্লাসমেটের নামে যেভাবে ফ্রি'মি'ক্সিং করে। অথচ প্রত্যেকটা পুরুষ তোমাকে ভো'গ্যপ'ণ্য ভাবে।

জানি অধিকাংশ নারী তাদের অবস্থা জানে। জানার পরেও তাদের রিয়েকশন টা শুধু হুজুরদের প্রতি বি'ষা"ক্ত হয়ে উঠে।

16/05/2026

(কিছু জায়গায় মুখ খারাপ করেছি/নিরুপায়)

গত ২ মাসে আমার পরিচিত ৪ জন মানুষ মারা গেছে যাদের বয়স ৪০ মধ্যে। কি সমস্যা? লিভার ফেইলিউর!

আজকে ৩১ বছর বয়সী জুলাই যোদ্ধা,কন্টেন্ট ক্রিয়েটর Kaarina Kaisar মারা গেছে। কি সমস্যা? লিভার ফেইলিউর!

মানে দেশে বছরে হাজারে হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে লিভার ফেইলিউরের কারণে!

কয়েক কোটি মানুষ লিভারের সমস্যায় ভোগছে।

কথা হইলো ,লিভার ফেইলিউর কেন হয়? এ নিয়া আমাদের কারো কোন মাথা ব্যথা আছে? নাই!

পোড়া কপাল জাতির কোন হুশ নাই! বিদ্যা নাই! অভিভাবক নাই!

হেপাটাইটিস ভাইরাস, মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবন, মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ, ফ্যাটি লিভার ও মেটাবলিক ডিজিজ।

ভাই, বিশ্বাস করেন, এদেশের কিছু কিছু মার্দা****দোচরা আমাদের ইচ্ছে করে মেরে ফেলছে!

এদেশের ফা**ক সিস্টেম আমাদের তিলে তিলে কৌশলে মেরে ফেলছে।

হেপাটাইটিস ভাইরাস হচ্ছে! আমরা ড্রেইনের ময়লার পানি খায় ,অসাধু ব্যবসায়ী সা**রা ফুসকা, চটপটি ,স্টিট ফুড খাওয়াচ্ছে।

আমরাও হেপাটাইটিস বি তে আক্রান্ত হচ্ছি! আর মরছি!

কিছু কিছু চিকিৎসক রোগীর সমস্যা না শুনেই অতিরিক্ত ঔষধ প্রেসক্রিপশন করে।

ব্যথা হইলে কয়েক মাসের ব্যথার ঔষধ দিয়া দেয়।

নরমাল জ্বর হলে এন্টিবায়োটিক দিয়া দেয় ,যেটা আমাদের লিভার ধ্বংস করে ফেলছে!

ফ্যাটি লিভার, মানে ভাত থেকে শুরু করে শাক সবজি, মাছ ,মাংস, দুধে পর্যন্ত মার্দারসোদ ব্যবসায়ীরা কেমিক্যাল মিশিয়ে আমাদের ইচ্ছেমতো গিলাচ্ছে।

এ নিয়া কারো কোন হুশ নাই, মনে হয় নিরাপদ খাদ্যের দায়িত্বে কোন মাদারসোদ নাই। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোন ব্যর্থতা নাই। আমলাদের কোন জবাবদিহিতা নাই।

পুরো প্রজম্ম বিষাক্ত খাবার খাইতে খাইতে ক্যান্সার আর লিভারের রোগে মারা যাচ্ছে কারো কোন হতাশা নাই, চিল্লাফাল্লা নাই, কান্নাকাটি নাই, কোথাও আলাপ নাই।

একদল বাইন*** স্কুলের বাচ্চাটারে পর্যন্ত এলকোহল গিলানো শেখাচ্ছে!

দেশে মাদকের আইন আছে! কিন্তু যারা খায় তাদের জন্য আর যারা বিক্রি করে তাদের জন্য দেশে আইন থাকলেও মাগার তেমন প্রয়োগ নাই।

বড় বড় মাদক সম্রাটদের কিছুই হয় না! মাদক কারখানা ধ্বংস করে না! চোরাচালান টোটালি বন্ধ করে না!

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে খবর নেন!

প্রত্যেকটা ক্যাম্পাসে মিনিমাম ২-৪ টা টগবগে তরুণ ক্যান্সারের সাথে ফাইট করছে।

লিভার ফেইলিউরের সাথে ফাইট করছে।

কারণ আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র আর ফা**ক সিস্টেম সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খাবারের নামে বিষ খাওয়াচ্ছে!

প্রত্যেকটা খাবারে ভেজাল ,ভেজালে ভরে গেছে!

কোন ফল বাকি নাই, সবজিতে বিষ মেশাচ্ছে। কীটনাশক গিলাচ্ছে!

মাছ, মাংস উৎপাদন করেই পশুকে বিষাক্ত কেমিক্যাল খাওয়াইয়া!

এক অথর্ব দায়িত্বহীন মহিলার অবহেলার কারণে ৪০০ শিশু মরে গেছে। ৫০ হাজার শিশু আক্রান্ত মৃত্যুর সাথে ফাইট করছে।

কোন (সা**** ) মহিলারে শাস্তি দিবে না! স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কিছু দায়িত্বহীন করাপ্টেডদের ধরবে না।

যারা চিকিৎসার নামে বাটপারি করে তাদের শাস্তি দিবে না!

এভাবে আর কতো!?

এদেশটার কোন মা-বাপ নাই?

খাদ্য মন্ত্রণালয়, পাবলিক হেল্থ ,ফুড সিকিউরিটির দায়িত্বে কেউ কি মানুষ নিয়া কাজ করে?

মূ**** জাতিরে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্য সম্পর্কে কেউ কি অবগত করে?

অভাগাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে বলার কেউ আছে?

বিষাক্ত খাবারের বিরুদ্ধে মানুষ কখন সজাগ হবে জানি না!

কতো লক্ষ -কোটি প্রাণ নিলে আমরা সচেতন হবো তাও জানি না!

একটা দেশে কামড়াকামড়ির রাজনীতি আর ক্ষমতার পালাবদলই কি সব?

সদ্য জম্ম নেয়া শিশু, পরবর্তী প্রজম্মের স্বাস্থ্য নিয়া ভাবা কি জরুরি না?

একের পর এক মেধাবীরা মরে যাচ্ছে আর আমরা ইন্নালিল্লাহ পড়ছি!

কাউরে মেন্টাল ট্রমায় ফেলার জন্য গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ঘটনাটার একটা দৃশ্যই যথেষ্ট ।পাশাপাশি তিনটা মেয়ে শুয়ে আছে। শুধু রক্তে...
10/05/2026

কাউরে মেন্টাল ট্রমায় ফেলার জন্য গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ঘটনাটার একটা দৃশ্যই যথেষ্ট ।
পাশাপাশি তিনটা মেয়ে শুয়ে আছে। শুধু রক্তের দাগ বাদ দিলে দেইখা মনে হবে ওরা ঘুমাইতেছে।

রাত গভীর হইলে গায়ের কাঁথা আমরা যেমনে জড়াইয়া ঘুমাই । দেইখা মনে হয় , ওরা ওমনেই শান্তিতে ঘুমাইতেছে।

অথচ ওরা মৃত । সবাই জবাইকৃত অবস্থায় শুয়ে আছে।
এই দৃশ্য দেখে শুধু এটুকু ভাবলেই ট্রমায় চলে যেতে হয়।

সবচেয়ে ভীতিকর দৃশ্য হচ্ছে , মাঝখানের বাচ্চা মেয়েটার বয়স ২ বছর । ওর শোয়ার ভঙ্গিটা এত নিষ্পাপ , মুখের সরলতা মৃত্যুর পরেও মুখে স্পষ্ট ।

কেনো জানি মনে হচ্ছে , স্রষ্টা বোধহয় মৃত্যু যন্ত্রণা ওরে দেয় নাই । যে জানেই না মৃত্যু কি, তারে মৃত্যু যন্ত্রণা কেমনে দেওয়া যায় ?

সংবাদ মাধ্যম বলছে , খুনী ফোরকান পারিবারিক অশান্তি থেকে হ*ত্যা করেছে ।

আমার ধারণা খুনী একজন নয় । ফোরকানের স্ত্রীকে জানালার সাথে বাঁধা হয়েছে । মুখে টেপ মারা হয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে ।

এটা একজনের পক্ষে করা সম্ভব হইলেও ধস্তাধস্তির সাথে চিৎকার চেঁচামেচি হওয়ার কথা । আর তা হইলে তার শ্যালকের (২২ বছর বয়সী) জেগে যাওয়ার কথা ।

কিন্তু সে জাগে নি । তাকেও হত্যা করা হয়েছে ঘুমন্ত অবস্থায় ।

এখানে দুটো অপশন থাকতে পারে-

১. সবাইকে ঘুমের ঔষুধ খাইয়ে হ*ত্যা করা হয়েছে
২. অথবা এই খুনের সাথে একাধিক ব্যক্তি জড়িত ।

খুন করে ফোরকান স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই তার ছোটো ভাইয়ের বউকে ফোন দিয়ে বললো ,

' সবাইকে খুন করেছি । আমি পালিয়ে যাচ্ছি । '

মানে তার ধারণা সে পালিয়ে যেতে সক্ষম।

শুধু এই লাইনটাই আমাদের স্ট্রিকলি অপরাধীকে হ্যান্ডেল না করতে পারার ব্যর্থতার একটা ইঙ্গিত ।

যারা ভাবে , খুনী খুন করছে তার ঘরে , সেখানে সরকারের দোষ কোথায় ?

এখানে সরকারের দোষ নেই ভাই । খুন করার আগে তুমি তো কাউরে গ্রেফতার করতে পারবা না ।

কিন্তু এই যে খুনী ভাবে , সে পালিয়ে যেতে পারবে , দেশের আইন তার বাল ছিঁড়তে পারবে , সরকার , প্রশাসন বিচার ব্যবস্থার দোষ এইখানেই ।

এটা একদিনের সাইকোলজি না । বছরের পর বছর সময় নিয়ে ক্রিমিন্যালদের মনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সাইকোলজি ।

এই যে খুন হইলেই বিচার হবে না , বিচারে গড়িমসি হবে , আমি ধর্ষণ কইরাও পালাইয়া যাইতো পারবো ,
বেঁচে যাবো -

অপরাধীদের এই সাইকোলজি গড়ে উঠেছে অপরাধকে স্ট্রিকলি দমন না করতে পারার - বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতার কারণেই ।

এই মাসেই ঘটে যাওয়া দুটো উদাহরণ দিয়ে শেষ করছি :

১.
দুই সপ্তাহ আগে কয়েকটা ছেলে মিলে তার বন্ধুকে খুন করছে জাস্ট এটা জানার জন্য খুন করলে কি হয়? জেলে কিভাবে থাকা হয় এটা জানার জন্য...

২.
এই ৩ দিন আগে কুমিল্লাতে ৪ জন মিলে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধুকে ধর্ষণ করে । পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে ।

পরে সাংবাদিকরা ধর্ষকদের ছবি তোলার সময় ওরা পুলিশের সামনে এমনসব বেয়াদবি আচরণ করলো মনে হইতেছে ,

' থানায় ওরাই পুলিশ , ওরাই পুলিশের বাপ ! '

আমাদের বিচার ব্যবস্থার প্রতি এমন অনাস্থা এমন অবজ্ঞা হয়ে উঠেছে , আমরা বাংলাদেশে বইসা সৌদির চুরির ঘটনায় হাত কাটার গল্প শুনে আমরা আঁতকে উঠি ,

কিন্তু নিজের দেশে খুন করে , ধর্ষণ করে তারপর কি হইতে পারে ঐটা ভেবে আমরা ভয়ও পাই না....

এসব দৃশ্য কি জীবনে কখনো বদলাতে দেখবো ?

নৃশংসতা!!!   নীচের ছবিটা জুলাইখা আল শায়িব নামে এক মুসলিম আলজেরিয়ান তরুণীর। ১৯৫৭ সালে ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের সেনারা একটা মি...
10/05/2026

নৃশংসতা!!!
নীচের ছবিটা জুলাইখা আল শায়িব নামে এক মুসলিম আলজেরিয়ান তরুণীর। ১৯৫৭ সালে ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের সেনারা একটা মিলিটারি ভ্যানের সঙ্গে তাঁকে বেঁধে রেখেছে, সে অবস্থায় তোলা।

এর কিছু পরেই তাঁকে এভাবে বেঁধেই পুরো দশদিন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরানো হয় এবং লাউড স্পিকারে ফ্রান্স সরকারের তরফে জানান দেওয়া হয় যদি কোনও আলজেরিয়ান ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের চেষ্টা করে কিম্বা সাহায্য করে তবে এর ফল হবে এমনই। এমনকি সে নারী হলেও বিন্দুমাত্র অনুকম্পা প্রদর্শন করা হবে না।

এর ঠিক দশদিন পর, তাঁকে ২৫ অক্টোবর একটা সামরিক হেলিকপ্টার থেকে ফেলে হত্যা করে ফরাসি সেনাবাহিনী। পরবর্তীতে, ১৯৮৪ সালে তাঁর কবরের সন্ধান মেলে।

এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ফরাসি শাসনাধীন ফ্রান্সের প্রাত্যহিক অনুষঙ্গ ছিল এই জুলুম, এই হত্যাযজ্ঞ। আমিন আল মুতাওয়াসসিতি তাঁর পরিবারের নিকটজনদের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন।

তাঁরই এক আত্মীয়, কার্ফিউ চলাকালে নিজের সন্তানকে খেলার মাঠ থেকে খুঁজতে গিয়েছিলেন। ফিরতে ফিরতে কার্ফিউ শুরুর সময় হয়ে যায়। পথে তাঁকে ধরে নিয়ে যায় ফরাসি সেনারা। কার্ফিউ ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে তাঁর সন্তানসহ মাটিচাপা দেওয়া হয়।

এই ঘটনাগুলো কিন্তু খুব বেশিদিন আগের নয়। মাত্র ৬০ বছরের কিছু বেশি কাল আগের। সময়ের হিসেবে ইতিহাস হয়ে পড়ার মত দূরত্বেরও নয়। সে সময়কার বহু মানুষ এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছেন।

সারা দুনিয়ায় যে পশ্চিমা দুনিয়া আমাদের তথাকথিত সভ্যতার শিক্ষা দেয়- সে শিক্ষার জাজ্বল্যমান উদাহরণ হচ্ছে এই ঘটনাগুলো।

১৮৩০ সাল থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক বছরে ফ্রান্স গোটা আলজেরিয়া দখল করে নেয়। এরপরই মুসলমানদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ জুলুম চলে। নগরের পর নগরে গণহত্যা চালানো হয়। আরবি শিক্ষা এবং 'ইসলামিক লেসন' অর্থাৎ ইসলাম শিক্ষা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। বহু মসজিদকে গীর্জায় বদলে ফেলা হয়।

১৬১২ সালে উসমানি খেলাফতকালে নির্মিত আলজেরিয়ার ঐতিহাসিক জামে মসজিদ জামা কাংশোয়াহ (جامع كتشاوة) ছিল সবচে’ বড়ো মসজিদ। ১৮৪৫ সালে এ মসজিদটি গীর্জায় বদলে ফেলে ফ্রন্স সরকার। Cathedral of St Philippe নাম দেওয়া হয়।

উমাইয়া খেলাফতের একেবারে শুরুতেই আলজিরিয়া ইসলামী খেলাফতের সীমাভূক্ত হয়েছিল। ইসলামের গোঁড়ার দিকেই। প্রখ্যাত বীর সেনাপতি সাহাবি উক্ববা বিন নাফি রা. আলজেরিয়ার বিজয় সূচনা করেন।

এরপর আবু আল-মুনজির দিনার রহ. সমগ্র আলজেরিয়ায় ইসলামকে পৌঁছে দিয়েছিলেন। বর্তমানেও আলজেরিয়ায় প্রায় ৯৯ শতাংশ মুসলমানের বাস।

১৯৫৪ সালের অক্টোবর ছিল পরাধীন আলজেরিয়ার উত্তপ্ত মাস। নভেম্বরেই শুরু হয় আলজেরিয়ান বিপ্লব। পনেরো লাখ মুক্তিযোদ্ধার রক্তস্রোতে ভেসে ১৩২ বছরের পরাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।

স্বাধীন হয় আলজেরিয়া। ১৯৬২ সালের ৫ জুলাই আত্মপ্রকাশ ঘটে স্বাধীন আলজেরিয়ার। যেই কাংশোয়া জামে মসজিদকে করে রাখা হয়েছিল গীর্জা সেটায় ১১৭ বছর পর হয় পুনরায় হয় জুমার নামাজ।

এই এ বছরও আলজেরিয়ার সদ্যগত স্বাধীনতা দিবসকে উপলক্ষ করে ফ্রান্স দুই ডজন আলজেরীয় মুক্তিকামীদের মাথার খুলি ফেরত পাঠিয়েছে। এইরকম বহু মুক্তিকামী মুসলমানদের হত্যার পর তাদের খুলি আজও সুসভ্য ফ্রান্সের যাদুঘরগুলোতে সংগ্রহে রাখা আছে।

আলজেরিয়ায় 'সভ্য' 'গণতান্ত্রিক' 'সেক্যুলার রাষ্ট্র' ফ্রান্স তার আধুনিক কালের ইতিহাসে যা করেছে তা কি করে এই পশ্চিমের মনস্তাত্ত্বিক গোলামিতে আবদ্ধ প্রজন্ম বিচার করবেন তা আমার জানা নেই! আজ যে ফ্রান্স সে ফ্রান্সের নাগরিকদের মাত্র এক পুরুষ আগের প্রজন্মই ছিল তারা। আজও ফ্রান্সের এই জুলুমবাজি মালির মাটিতে বিদ্যমান।

পাশ্চাত্য, ইউরোপের প্রতি আমাদের যে শির ঝুঁকে গেছে- যে দুনিয়ার চাকচিক্য আমাদের নজর কেড়েছে তাতে এই জুলুম এই ইতিহাস আমাদের হৃদয়ে কখনো প্রবেশ করবে না, কখনো দাগ কাটবে না।

আফসোস, আমরা নিজেদের জন্য কেবল এই দুনিয়াকে বেছে নিয়েই সন্তুষ্ট আছি। অথচ আমাদের অবস্থা তো কোরআন আমাদের জানাচ্ছে,

لَوْ نَشَاءُ أَصَبْنَاهُمْ بِذُنُوبِهِمْ وَنَطْبَعُ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لا يَسْمَعُونَ

আমি চাইলে তাদেরকেও তাদের গুনাহের কারণে মুসিবতে আক্রান্ত করতে পারি। এবং (যারা উপেক্ষা করে এবং নিজেরা হঠকারী মনোভাবের জন্য শিক্ষা গ্রহণ করে না) আমি তাদের অন্তরে মোহর করে দেই, ফলে তারা কোনও কিছুই শুনতে পায় না। (আ‘রাফ ১০০)

ক্বাবার রবের শপথ, এই মোহর পড়ে যাওয়া অন্তরের জন্যই আজ আমাদের এই দূর্ভোগ। এই ইতিহাস, এই সত্য আজ আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে না!

বিশেষ দ্রষ্টব্য: মূল ছবিটি ছিল সাদা-কালো; পরবর্তীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এটি রঙিন ও উন্নতমানে পুনর্গঠিত করা হয়েছে।

©

Address

সদর রোড, ভোলা
Bhola
8300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share