কাহিনীকুঞ্জ

Contact the business

কাহিনীকুঞ্জ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কাহিনীকুঞ্জ, Bogura.

অধ্যায়–৪ : স্বপ্নের দিনগুলোপ্রেমের বয়স তখন প্রায় দুই বছর।আরিয়ান আর মেহরিনের সম্পর্কের কথা খুব বেশি মানুষ জানত না। তা...
07/08/2026

অধ্যায়–৪ : স্বপ্নের দিনগুলো

প্রেমের বয়স তখন প্রায় দুই বছর।

আরিয়ান আর মেহরিনের সম্পর্কের কথা খুব বেশি মানুষ জানত না। তারা দুজনেই চেয়েছিল পড়াশোনা শেষ করে, নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়ে তারপর পরিবারকে জানাবে।

প্রতিদিনের মতোই সকালে একটি ছোট্ট বার্তা—

"আসসালামু আলাইকুম, ঘুম ভেঙেছে?"

আর রাতের শেষে—

"আল্লাহ তোমাকে ভালো রাখুন।"

এভাবেই দিনগুলো কেটে যাচ্ছিল।

একদিন শুক্রবার বিকেলে তারা শহরের বাইরে একটি ছোট নদীর ঘাটে গেল।

চারদিকে কাশফুল দুলছে। হালকা বাতাস। আকাশে সাদা মেঘের ভেলা।

মেহরিন হঠাৎ বলল,

— "আরিয়ান, একটা কথা বলো?"

— "হুম?"

— "যদি কোনো দিন আমি তোমার ওপর রাগ করি?"

— "তাহলে আমি আগে ক্ষমা চাইব।"

— "আর যদি ভুলটা তোমার না হয়?"

আরিয়ান হেসে বলল,

— "তবুও। কারণ সম্পর্ক জেতার চেয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা বড়।"

মেহরিন চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর বলল,

— "তুমি জানো, এই কারণেই আমি তোমাকে ভালোবাসি।"

সেদিন আরিয়ান ব্যাগ থেকে একটি ছোট্ট বাক্স বের করল।

মেহরিন অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল,

— "এটা কী?"

বাক্স খুলতেই দেখা গেল একটি সাধারণ রূপার আংটি।

দামি নয়।

কিন্তু ভালোবাসায় ভরা।

আরিয়ান বলল,

— "এটা কোনো বাগদান নয়। শুধু একটা প্রতিশ্রুতি। আমি একদিন হালালভাবে তোমার হাত ধরতে চাই।"

মেহরিনের চোখ ভিজে উঠল।

সে আংটিটি হাতে নিয়ে বলল,

— "আমি এই প্রতিশ্রুতি কখনো ভুলব না।"

দুজনেই জানত না—জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলো প্রায়ই আসে সবচেয়ে সুন্দর প্রতিশ্রুতির পর।

---

কয়েক সপ্তাহ পরে...

মেহরিনের আচরণে ছোট ছোট পরিবর্তন দেখা দিতে লাগল।

আগের মতো আর নিয়মিত ফোন করত না।

বার্তার উত্তর দিত অনেক দেরিতে।

দেখা করার কথা বললে বলত,

— "আজ একটু ব্যস্ত।"

আরিয়ান প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব দিল না।

সে ভাবল, হয়তো পড়াশোনার চাপ।

কিন্তু ধীরে ধীরে সেই দূরত্ব আরও বাড়তে লাগল।

একদিন সন্ধ্যায় আরিয়ান ফোন করল।

ফোন বন্ধ।

পরদিনও বন্ধ।

তৃতীয় দিন রাতে মেহরিনের একটি ছোট্ট বার্তা এল—

"ক্ষমা করে দিও। পরে সব বলব।"

বার্তাটি পড়ে আরিয়ানের বুকের ভেতর অজানা এক শূন্যতা তৈরি হলো।

সে রাতভর ঘুমাতে পারল না।

তার মনে শুধু একটি প্রশ্ন ঘুরছিল—

"কী হয়েছে?"

সে জানত না, এই প্রশ্নের উত্তর তার পুরো জীবনটাই বদলে দিতে চলেছে।

চলবে...
উপন্যাস: শেষ বিকেলের আলো
মেঘদূত কলম

উপন্যাস: শেষ বিকেলের আলোঅধ্যায়–৩ : ভালোবাসার শুরুশীতের সকাল।ক্যাম্পাসের মাঠে শিশিরভেজা ঘাস। গাছের পাতায় জমে থাকা পানির...
06/08/2026

উপন্যাস: শেষ বিকেলের আলো

অধ্যায়–৩ : ভালোবাসার শুরু

শীতের সকাল।

ক্যাম্পাসের মাঠে শিশিরভেজা ঘাস। গাছের পাতায় জমে থাকা পানির ফোঁটায় সূর্যের আলো ঝিলমিল করছে।

আরিয়ান প্রতিদিনের মতো একটু আগেই ক্যাম্পাসে এসে বসেছিল। হাতে একটি বই, কিন্তু চোখ বারবার চলে যাচ্ছিল মূল ফটকের দিকে।

কিছুক্ষণ পর দূর থেকে মেহরিনকে দেখা গেল। হালকা নীল সালোয়ার-কামিজ, সাদা ওড়না, কাঁধে বইয়ের ব্যাগ।

মেহরিন কাছে এসেই হেসে বলল,

— "আজ এত সকাল?"

— "কাউকে অপেক্ষা করছিলাম।"

— "কে সেই ভাগ্যবান?"

আরিয়ান মুচকি হেসে বলল,

— "যে এখন আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।"

মেহরিনের গাল লাল হয়ে উঠল।

সে মাথা নিচু করে বলল,

— "আপনি না… মাঝে মাঝে এমন কথা বলেন যে কী উত্তর দেব বুঝতে পারি না।"

সেদিন থেকে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হতে লাগল।

পরীক্ষার আগে একসঙ্গে পড়া, লাইব্রেরিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটানো, ক্যাম্পাসের পুরোনো বটগাছের নিচে বসে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা—সবকিছু যেন অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা পড়ল।

একদিন বিকেলে নদীর পাড়ে বসেছিল তারা।

নদীর ওপর লাল সূর্যের আলো পড়ে চারপাশ যেন আগুনের রঙে রাঙিয়ে উঠেছিল।

মেহরিন ধীরে বলল,

— "আরিয়ান, তুমি কি কখনো ভেবেছ, দশ বছর পর আমরা কোথায় থাকব?"

আরিয়ান একটু হেসে বলল,

— "ভেবেছি।"

— "কী ভেবেছ?"

— "একটা ছোট্ট বাড়ি হবে। সামনে ফুলের বাগান। তুমি বই পড়বে, আর আমি অফিস থেকে ফিরে তোমার বানানো এক কাপ চা খাব।"

মেহরিন হেসে বলল,

— "তুমি তো পুরো গল্প লিখে ফেলেছ!"

— "আর গল্পের নায়িকা?"

— "সে কে?"

আরিয়ান প্রথমবারের মতো মেহরিনের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,

— "তুমি।"

চারপাশে নীরবতা।

শুধু নদীর ঢেউয়ের শব্দ।

মেহরিনের চোখে জল চিকচিক করছিল।

কিছুক্ষণ পর সে খুব আস্তে বলল,

— "আমিও তোমাকে ভালোবাসি, আরিয়ান।"

সেদিন তাদের কারও মুখে আর কোনো শব্দ ছিল না।

শুধু দুটি হাত নিঃশব্দে একে অপরের হাত খুঁজে নিয়েছিল।

এরপর থেকে জীবন যেন রঙিন হয়ে উঠল।

প্রতিটি সকাল শুরু হতো একটি ছোট্ট বার্তা দিয়ে—

"ঘুম ভাঙছে?"

আর প্রতিটি রাত শেষ হতো—

"ভালো থেকো, স্বপ্নে দেখা হবে।"

তারা দুজনেই বিশ্বাস করত, এই সম্পর্ক কোনো দিন ভাঙবে না।

কিন্তু মানুষ যেমন ভবিষ্যৎ জানে না, তেমনি জানত না—তাদের সুখের আকাশে অদৃশ্যভাবে জমতে শুরু করেছে কালো মেঘ।

দূরে কোথাও এমন একজন মানুষ তাদের জীবনে প্রবেশ করতে চলেছে, যার আগমনে বদলে যাবে সবকিছু...

চলবে...
মেঘদূত কলম

উপন্যাস: শেষ বিকেলের আলোঅধ্যায়–২ : বন্ধুত্বের শুরুপ্রথম দেখার পর কেটে গেল প্রায় দুই সপ্তাহ।আরিয়ান মাঝে মাঝে অকারণেই স...
05/08/2026

উপন্যাস: শেষ বিকেলের আলো

অধ্যায়–২ : বন্ধুত্বের শুরু

প্রথম দেখার পর কেটে গেল প্রায় দুই সপ্তাহ।

আরিয়ান মাঝে মাঝে অকারণেই সেই বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকত। নিজের কাছেই নিজে হাসত। "একবার দেখা হয়েছিল বলে কি মানুষ এতটা বোকা হয়ে যায়?"

এক বিকেলে কলেজ লাইব্রেরিতে একটি ব্যবসা-বিষয়ক বই খুঁজছিল সে। ঠিক তখনই পাশের তাক থেকে একটি বই টেনে নিতে গিয়ে আরেকটি হাত এসে একই বই ধরে ফেলল।

— "ওহ! সরি..."

পরিচিত কণ্ঠ।

আরিয়ান তাকিয়ে অবাক হয়ে গেল।

— "আপনি?"

মেয়েটিও মুচকি হেসে বলল,

— "দেখুন, আবার দেখা হয়ে গেল।"

দুজনেই হেসে উঠল।

মেহরিন বইটি আরিয়ানের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল,

— "আপনি নিন।"

— "না, আপনি পড়ুন। আমি পরে নেব।"

মেহরিন মাথা নেড়ে বলল,

— "চলুন, একসঙ্গে বসে পড়ি।"

সেদিন লাইব্রেরির এক কোণে পাশাপাশি বসে তারা ঘণ্টাখানেক পড়াশোনা করল। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে গল্পও হলো।

আরিয়ান জানতে পারল, মেহরিন বাংলা সাহিত্য পড়তে খুব ভালোবাসে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জসীমউদ্দীন—তার প্রিয় লেখক।

অন্যদিকে মেহরিন অবাক হয়ে শুনল, আরিয়ানের স্বপ্ন চাকরি নয়, একদিন নিজের ব্যবসা দাঁড় করানো।

— "মানুষ তো সবাই সরকারি চাকরি চায়। আপনি ব্যবসা করতে চান কেন?"

আরিয়ান একটু হেসে বলল,

— "কারণ আমি শুধু নিজের জন্য নয়, একদিন অনেক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে চাই।"

কথাটা শুনে মেহরিন কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।

তারপর ধীরে বলল,

— "আপনার স্বপ্নটা খুব সুন্দর।"

সেদিন থেকে প্রায় প্রতিদিনই তাদের দেখা হতে লাগল।

কখনও লাইব্রেরিতে।

কখনও কলেজের বটগাছের নিচে।

কখনও ক্যাম্পাসের ছোট্ট চায়ের দোকানে।

দুজনের মধ্যে অদ্ভুত এক স্বস্তি তৈরি হলো।

একদিন বৃষ্টির পরে ভেজা বিকেলে ক্যাম্পাসের পুকুরপাড়ে হাঁটছিল তারা।

মেহরিন হঠাৎ বলল,

— "জানো, আমি খুব সহজে কাউকে বন্ধু বলি না।"

আরিয়ান মুচকি হেসে জিজ্ঞেস করল,

— "তাহলে আমাকে কী বলবে?"

মেহরিন কিছুক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল,

— "হয়তো... একজন খুব ভালো মানুষ।"

সেদিন আরিয়ানের মনে হলো, পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান উপহার যেন সে পেয়ে গেছে।

সন্ধ্যা নেমে এলে দুজন আলাদা পথে হাঁটতে লাগল।

বিদায় নেওয়ার আগে মেহরিন বলল,

— "আগামীকাল দেখা হবে তো?"

আরিয়ান হেসে উত্তর দিল,

— "ইনশাআল্লাহ, অবশ্যই।"

সেদিন বাড়ি ফিরে আরিয়ান প্রথমবারের মতো অনুভব করল, কোনো একজন মানুষের সঙ্গে কথা না হলে দিনটা যেন অসম্পূর্ণ লাগে।

সে তখনও জানত না—এই সুন্দর বন্ধুত্বই একদিন গভীর ভালোবাসায় রূপ নেবে। আবার সেই ভালোবাসাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় ঝড়ের কারণ হবে।

চলবে...
উপন্যাস: শেষ বিকেলের আলো
মেঘদূত কলম

উপন্যাস: শেষ বিকেলের আলোঅধ্যায়–১ : প্রথম দেখাআকাশটা সেদিন অদ্ভুত সুন্দর ছিল। বর্ষার শেষ বিকেল। মেঘের ফাঁক দিয়ে সূর্যের...
04/08/2026

উপন্যাস: শেষ বিকেলের আলো
অধ্যায়–১ : প্রথম দেখা
আকাশটা সেদিন অদ্ভুত সুন্দর ছিল। বর্ষার শেষ বিকেল। মেঘের ফাঁক দিয়ে সূর্যের সোনালি আলো ধানক্ষেতের ওপর পড়ে যেন পুরো গ্রামটাকে সোনার রঙে রাঙিয়ে দিয়েছিল।
ছেলেটির নাম আরিয়ান। মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন শান্ত, ভদ্র এবং স্বপ্নবাজ যুবক। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি তার একটা স্বপ্ন ছিল—একদিন বড় ব্যবসায়ী হবে। কিন্তু আপাতত সেই স্বপ্নের চেয়ে বড় চিন্তা ছিল পরিবারের দায়িত্ব।
সেদিন কলেজ লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েছিল সে। হঠাৎ প্রবল বৃষ্টি নেমে এল। সবাই যে যেদিকে পারল ছুটে গেল।
ঠিক তখনই পাশ থেকে ভেসে এল একটি কণ্ঠ—
—"একটু সরবেন? ছাতার নিচে দাঁড়াতে পারি?"
আরিয়ান তাকিয়ে দেখল, একটি মেয়ে ভিজে একাকার হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। চোখে লাজুক হাসি, কপালে কয়েকটি ভেজা চুল লেগে আছে।
—"অবশ্যই।"
মেয়েটি ছাতার নিচে দাঁড়াল।
দুজনেই চুপ।
শুধু বৃষ্টির শব্দ।
কয়েক মিনিট পর মেয়েটি হেসে বলল,
—"ধন্যবাদ। আজ যদি ছাতা না থাকত, বাসায় পৌঁছানোর আগেই জ্বর হয়ে যেত।"
আরিয়ানও হেসে বলল,
—"আমার ছাতারও আজ একটা সঙ্গী পাওয়া হলো।"
মেয়েটি হেসে ফেলল।
সেই হাসিটা অদ্ভুত ছিল। খুব জোরে নয়, খুব আস্তেও নয়—ঠিক এমন এক হাসি, যা অচেনা একজন মানুষের মনেও অকারণে ভালো লাগা তৈরি করে।
বাস এসে থামল।
দুজনেই একই বাসে উঠল।
ভিড় ছিল প্রচণ্ড। কন্ডাক্টর বলল,
—"পেছনে যান, সামনে দাঁড়াবেন না।"
ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে দুজনের আর তেমন কথা হলো না।
নামার আগে মেয়েটি বলল,
—"আমি মেহরিন।"
আরিয়ান একটু অবাক হয়ে বলল,
—"আমি আরিয়ান।"
মেহরিন হেসে বলল,
—"আচ্ছা, আবার দেখা হবে হয়তো।"
আরিয়ান শুধু মাথা নাড়ল।
বাসটা চলে গেল।
সে অনেকক্ষণ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে রইল। কেন জানি মনে হচ্ছিল, এই ছোট্ট পরিচয়টাই হয়তো তার জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের শুরু।
সেদিন রাতে ঘুমানোর আগে বারবার সেই দৃশ্যটাই মনে পড়ছিল—ভেজা বিকেল, একটি ছাতা, আর একটি লাজুক হাসি।
সে নিজেও বুঝতে পারেনি, জীবনের গল্প কখন যে নিঃশব্দে নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে।
চলবে...
কাহিনীকুঞ্জ
মেঘদূত কলম।

এন্টিবায়োটিক যখন অকার্যকরএন্টিবায়োটিকব্যাকটেরিয়া বা নির্দিষ্ট কোন রোগের জীবাণু তার ধরন পরিবর্তন করার ফলে এন্টিবায়োটি...
14/03/2023

এন্টিবায়োটিক যখন অকার্যকর

এন্টিবায়োটিক

ব্যাকটেরিয়া বা নির্দিষ্ট কোন রোগের জীবাণু তার ধরন পরিবর্তন করার ফলে এন্টিবায়োটিক তাকে নির্মূল করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তখন এন্টিবায়োটিক সেই রোগ ভালো করতে পারেনা। এ ধরনের অকার্যকারিতা সংক্রামক ব্যাধির চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে অন্তরায় হিসাবে দেখা দেয় এবং চিকিৎসা পদ্ধতিতে অনেক সাফল্যকে ম্লান করে দেয়। এন্টিবায়োটিকের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের অবশ্যই সাবধানতার সঙ্গে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে।

আপনি যা করতে পারেন।

১-শুধু ডাক্তার বা সরকার অনুমোদিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী পেশাজীবীদের পরামর্শ অনুসারে এন্টিবায়োটিক গ্রহণ করুন।

২-চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখিত এন্টিবায়োটিকের ডোজ পুরোটাই নির্ধারিত সময়ে শেষ করুন। রোগ থেকে ভালো অনুভব করলেও একটিও ডোজ বাদ দেওয়া যাবে না।

৩-কখনোই চিকিৎসা সম্পূর্ণ হওয়ার পর অতিরিক্ত থাকা এন্টিবায়োটিক পরবর্তীকালে ব্যবহার করবেন না।

৪-আপনার ব্যবহার করা এন্টিবায়োটিক কখনোই পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব বা অন্যকে গ্রহণ করার পরামর্শ দিবেন না ।

৫-রোগজীবাণু প্রতিরোধ করার জন্য নিয়মিত হাত ধোয়ার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলন, রোগজীবাণুতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ পরিহার করুন এবং সময়মত নির্ধারিত সকল টিকা গ্রহণ করুন।

Address

Bogura
BOGURA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাহিনীকুঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to কাহিনীকুঞ্জ:

Shortcuts

Share