Dr. Hanif's Health Talk

Dr. Hanif's Health Talk open at 9am to 11pm
(1)

ডা.আবুহানিফ,এম.বি.বি.এস(ঢাকা),এফ.সি.জি.পি(ফ্যামিলিমেডিসিন),ডিওসি(চর্ম ও যৌন),সিসিডি(ডায়াবেটিস),সি-কার্ড (হৃদরোগ),পিজিটি(এনেস্থেসিয়া আইসিইউ &পেইন মেডিসিন),এমপিএইচ(রোগতত্ত্ব -থিসিস),সিসিএইচ(উচ্চ রক্তচাপ)চেম্বার: জনসেবা হাস্পাতাল,মাটিডালি,বগুড়া 01639131424

12/06/2026

সবাইকে জুম্মা মোবারক

10/06/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Ajijur Rahman, Sahjahan Ali

07/06/2026

Happy follow-versary to my awesome followers. Thanks for all your support! Md Sabbir

04/06/2026

Congenital Anomaly Scan (Targeted Anomaly Scan) হলো গর্ভাবস্থায় শিশুর জন্মগত ত্রুটি (birth defects) আছে কি না তা খুঁজে দেখার জন্য করা একটি বিস্তারিত আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা।

কেন দরকার?

এই স্ক্যানের মাধ্যমে শিশুর বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিকভাবে গঠিত হয়েছে কি না তা দেখা হয়, যেমন—
মস্তিষ্ক ও মাথা,মুখমণ্ডল (যেমন ঠোঁট কাটা আছে কি না),মেরুদণ্ড,হৃদপিণ্ড,পাকস্থলী ও অন্ত্র,কিডনি ও মূত্রথলি,হাত-পা
নাভিরজ্জু (Umbilical cord),প্লাসেন্টার অবস্থান,অ্যামনিওটিক ফ্লুইডের পরিমাণ।

কখন করা হয়?

সাধারণত ১৮–২২ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় (সবচেয়ে ভালো ২০–২২ সপ্তাহে) করা হয়।

কী কী সমস্যা ধরা পড়তে পারে?

Neural tube defects (যেমন spina bifida),Congenital heart disease
Cleft lip/palate,কিডনির জন্মগত ত্রুটি,হাত-পায়ের গঠনগত সমস্যা
কিছু ক্রোমোজোমজনিত সমস্যার সন্দেহজনক লক্ষণ

মনে রাখবেন

স্ক্যান স্বাভাবিক হলেও ১০০% সব জন্মগত ত্রুটি শনাক্ত করা সম্ভব নয়।
কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে পরবর্তী পরীক্ষা, ফিটাল ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।
#গর্ভকালীনঅসুবিধা #বাচ্চারজন্মগতত্রুটি
#গর্ভবতী

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক
28/05/2026

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক

12/05/2026

বাচ্চার নাড়ী গলায় পেছানো কি খারাপ কিছু?

গর্ভের শিশুর গলায় নাড়ী পেঁচানোকে নুকাল কর্ড বলা হয়। এটি খুবই সাধারণ একটি ঘটনা এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিপজ্জনক নয়।

কতটা সাধারণ?

প্রায় ২০–৩০% ডেলিভারিতে শিশুর গলায় একবার নাড়ী পেঁচানো থাকে। অনেক সময় প্রসবের সময় ডাক্তার সহজেই খুলে দেন। অধিকাংশ শিশুই সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকে।

কখন সাধারণত সমস্যা হয় না?

যদি: বাচ্চার নড়াচড়া স্বাভাবিক থাকে
NST/CTG স্বাভাবিক থাকে
ডপলার বা আল্ট্রাসাউন্ডে রক্তপ্রবাহ ঠিক থাকে, বাচ্চার হার্টবিট স্বাভাবিক থাকে
তাহলে সাধারণত উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার হয় না।

কখন ঝুঁকি হতে পারে?

কিছু ক্ষেত্রে নাড়ী বেশি টাইট হলে বা বহুবার পেঁচালে সমস্যা হতে পারে:
বাচ্চার হার্টবিট কমে যাওয়া,নড়াচড়া কমে যাওয়া,প্রসবের সময় fetal distress
খুব বিরল ক্ষেত্রে অক্সিজেন কম পাওয়া
তবে শুধু “নাড়ী গলায় পেঁচানো” শুনেই সিজারিয়ান লাগবে—এমন নয়।

কী কী লক্ষণ খেয়াল করবেন?

যদি থাকে:
বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া,রক্তপাত,পেট শক্ত হয়ে ব্যথা,পানি ভাঙা,প্রসব ব্যথায়,হার্টবিট সমস্যা
তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করা জরুরি।

কীভাবে নিশ্চিত হয়?

সাধারণত:
আল্ট্রাসাউন্ড কালার ডপলার প্রসবের সময় দেখা যায

চিকিৎসা বা করণীয়
নির্ভরকরে:গর্ভেসপ্তাহ,বাচ্চারঅবস্থা,হার্টবিট,মায়ের উপসর্গ
সাধারণত করা হয়:
নিয়মিত ফলো-আপ
fetal movement count
NST/CTG monitoring
যদি fetal distress হয়, তখন দ্রুত ডেলিভারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
#গর্ভবতী #গর্ভকালীনঅসুবিধা

09/05/2026

🥼আল্লাহ গর্ভবতী মাকে সুস্থ রাখুন,নিরাপদ প্রসব দিন,সন্তানকে নেক, সুস্থ,সুন্দর, বরকতময় করুন,আমিন🤲

09/05/2026

A newborn baby by LUCS

09/05/2026

এই মানুষটা কেন হাসতেসে জানেন? নিজের ভাগ্যটার দিকে তাকায়ে হাসতেসে।

এই দেশে জন্মায়ে এই দেশের সিস্টেমে জন্মায়ে, এই দেশের শিক্ষিতদের মধ্যে সবচেয়ে স্লেভারির একটা প্রফেশনে উপায়হীন চাকরির জন্য হাসতেসে। এরপর গ্রেপ্তার হইতে হইতেসে দালাল নাম খেয়ে। এইটাই আমার দেশ। অনেক গর্ব হয় এই দেশটারে নিয়া।

যখন ইন্টার্নিতে ছিলাম ইনসেপ্টার একজন রিপ্রেজেন্টেটিভের সাথে বেশ সখ্যতা হইসিলো। একটা কার্ডিয়াক প্রডাক্ট আর একটা লিপিড লোয়ারিং ড্রাগের দায়িত্ব ছিল তার।

নাইট এডমিশনে রাত দুইটা তিনটা পর্যন্ত হাসপাতালে ওয়ার্ডে থাকত। জিজ্ঞেস করসিলাম বাসায় যাবেন না?

উনি হতাশায় আর তেমন উত্তর দেন নাই।

এই যে রিপ্রেজেন্টেটিভদেরকে অনেকে গালি দেয়, ডাক্তারের কাছে গিফট দেয়, টাকা দেয়, রোগীর প্রেসপক্রিপশনের ছবি তোলে - হ্যাঁ এইটাই এদের চাকরি। ওষুধ কোম্পানি চায় দেখেই তারা এগুলা নিয়ে আসে ব্র‍্যান্ড প্রমোশনের জন্য। নিজের পকেটে থেকে দেয় না।

কোম্পানি বাজেট করে কোন ডাক্তারের পিছে কত খরচা করবে। সেই বাজেটের টাকা এরপর ওষুধের হাই প্রাইসের ওপর দিয়ে রোগীর পকেট থেকে যায়।

মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটভরা জাস্ট স্লেভ। গ্র‍্যাজুয়েট স্লেভ। এদেরকে যে অসম্ভব সেলস টার্গেট দিয়ে কোম্পানি মাঠে ছেড়ে দেয়, এরপর এদের জীবন বলে কিছু থাকে না, ফ্যামিলি বলে কিছু থাকে না।

দালাল বলে যাদের গ্রেপ্তার কইরা নিল এরা গ্র‍্যাজুয়েট হওয়া, মেডিকেলের ওষুধ নিয়ে পড়াশোনা করে চাকরি করা মানুষগুলার মধ্যে সবচেয়ে নিপীড়িত মানুষ।

এক সেলস টার্গেট ধরায়ে এদেরকে উদ্ভ্রান্ত করে দেওয়া হয়। ছবি তুলতে হয় সেলস প্রমাণের জন্য।

এরা সবচেয়ে সুন্দরভাবে পরিপাটি হয়ে আসে। শুধু ভেতরটায় বিদ্ধস্ত এক মানুয।

সরকারি মেডিকেলে দালাল যদি চানই, তাইলে সেইটা একদিনের ঝটিকা অভিজানে সম্ভব না। আপনে এদেরকে চিনবেনই না।

গ্রামের সাধারণ রোগী সাইজা মেডিকেলে যান, ক্যামেরা নিয়া যান। রেগুলার যান। দালালের লিস্ট করতে পারবেন।

লোক দেখানো এইসব ঝটিকা অভিজানে নিরীহ মানুষগুলারে ভুগায়েন না। এরা ফ্যামিলিকে সময় দিতে পারে না এই ব্লাডি চাকরির জন্য। আপনেরা মরার উপর এখন খাড়ার ঘা দিলেন।
লিখেছেন যুবায়ের আহমেদ ভাই

Address

Nurani Mor
Bogura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Hanif's Health Talk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share