দীপ্ত এন্টারপ্রাইজ-ভেটেরিনারি মেডিসিন

  • Home
  • Bangladesh
  • Bogura
  • দীপ্ত এন্টারপ্রাইজ-ভেটেরিনারি মেডিসিন

দীপ্ত এন্টারপ্রাইজ-ভেটেরিনারি মেডিসিন সকল প্রকার ভেটেরিনারি মেডিসিন পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা

গরু-ছাগলের কৃমিনাশক পরিচিতি-৩ (ডাবলডেক্স ভেট)অত্যন্ত কার্যকরী ঔষধ। অভিজ্ঞ ভেটেরিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।
07/02/2026

গরু-ছাগলের কৃমিনাশক পরিচিতি-৩ (ডাবলডেক্স ভেট)

অত্যন্ত কার্যকরী ঔষধ। অভিজ্ঞ ভেটেরিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

গরু-ছাগলের কৃমিনাশক বোলাস পরিচিতি -২ (এলটি ভেট)LT-Vet® একটি  অত্যন্ত কার্যকর ফ্লুকিসাইড এবং নেমাটিসাইড।  ফ্যাসিওলা হেপাট...
01/02/2026

গরু-ছাগলের কৃমিনাশক বোলাস পরিচিতি -২ (এলটি ভেট)

LT-Vet® একটি অত্যন্ত কার্যকর ফ্লুকিসাইড এবং নেমাটিসাইড। ফ্যাসিওলা হেপাটিকা এবং ফ্যাসিওলা জায়ান্টিকা দ্বারা সৃষ্ট সকল ধরণের ফ্যাসিওলিয়াসিস, অর্থাৎ তীব্র, সাবঅ্যাকিউট এবং দীর্ঘস্থায়ী ফ্যাসিওলিয়াসিস কার্যকরভাবে চিকিৎসা করা যেতে পারে এবং পাকস্থলী এবং অন্ত্রের প্রধান রাউন্ডওয়ার্ম যেমন অ্যাবোমাসামের হেমোনচাস এবং অস্টারটাজিয়া , ছোট অন্ত্রের কুপেরিয়া, ট্রাইকোস্ট্রংগাইলাস এবং বুনোস্টোমাম , বৃহৎ অন্ত্রের ইসোফাগোস্টোমাম এবং ট্রাইচুরিস এবং ফুসফুসের ডিক্টিওক্যালাস প্রজাতিগুলি এই বিস্তৃত-বর্ণালী অ্যানথেলমিন্টিক দ্বারা সন্তোষজনকভাবে অপসারণ করা হয় ।

মাত্রা এবং প্রয়োগ
প্রতি ৭৫ কেজি শরীরের ওজনের জন্য ১টি বোলাস (১৯.৫ মিলিগ্রাম/কেজি শরীরের ওজন) অথবা, নিম্নলিখিত ডোজ নির্দেশিকা অনুসারে।

শরীরের ওজন বোলাসের সংখ্যা

১০ - ২০ কেজি

১/৪ বোলাস​​

২১ - ৪০ কেজি

১/২ বোলাস​​

৪১ - ৭৫ কেজি

১টি বোলাস

৭৬ - ১৫০ কেজি

২ বোলাস

১৫১ - ২২৫ কেজি

৩টি বোলাস

২২৬ - ৩০০ কেজি

৪টি বোলাস

৩০১ - ৩৭৫ কেজি

৫ বোলাস

৩৭৬ - ৪৫০ কেজি

৬ বোলাস



LT-Vet ® বোলাস সরাসরি পশুদের মুখে দেওয়া যেতে পারে, হয় বোলাস পানিতে দ্রবীভূত করে এবং ভিজিয়ে দিয়ে অথবা যেকোনো খাদ্যের সাথে মিশিয়ে (গুড়ের সাথে, অথবা কলা পাতায় বোলাস মুড়িয়ে) এবং পশুদের খাওয়ানোর মাধ্যমে।

গঠন
প্রতিটি বোলাসে রয়েছে ট্রাইক্লাবেন্ডাজল আইএনএন ৯০০ মিলিগ্রাম এবং লেভামিসোল বিপি ৬০০ মিলিগ্রাম (৭০৮ মিলিগ্রাম লেভামিসোল হাইড্রোক্লোরাইডের সমতুল্য)।

গরু-ছাগলের কৃমি ওষুধ পরিচিতি:(১)রেনাডেক্স: অত্যন্ত কার্যকরী কৃমিনাশক এবং গর্ভকালীন সময়ে নিরাপদ।চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী...
25/01/2026

গরু-ছাগলের কৃমি ওষুধ পরিচিতি:
(১)রেনাডেক্স: অত্যন্ত কার্যকরী কৃমিনাশক এবং গর্ভকালীন সময়ে নিরাপদ।চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

হাট থেকে গরু কেনার পর প্রধান করণীয় হলো ক্লান্তি দূর করতে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম, জীবাণুনাশক দিয়ে শরীর মোছা, প্রচুর ব...
24/01/2026

হাট থেকে গরু কেনার পর প্রধান করণীয় হলো ক্লান্তি দূর করতে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম, জীবাণুনাশক দিয়ে শরীর মোছা, প্রচুর বিশুদ্ধ পানি ও অল্প শুকনো খাবার দেওয়া এবং কোনো অসুস্থতা থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। এছাড়া নতুন গরুকে ১-২ সপ্তাহ আলাদা রাখা এবং কৃমিনাশক ও দ্রুত হজমযোগ্য খাবার (যেমন- ভুসি ও ঘাস) দেওয়া উচিত।

বিস্তারিত করণীয়:
বিশ্রাম ও পরিবেশ: দীর্ঘ যাত্রার পর গরুকে শান্ত, ঠান্ডা ও আলো-বাতাসযুক্ত স্থানে রাখুন। গরম লাগলে ফ্যান বা পানির ব্যবস্থা করুন।

পরিচ্ছন্নতা: গরু বাসায় আনার পর পটাশ পানি বা জীবাণুনাশক (যেমন- টিমসেন) দিয়ে শরীর ধুয়ে বা স্প্রে করে দিন।

পানি ও খাদ্য: শুরুতে প্রচুর পরিষ্কার পানি এবং অল্প পরিমাণে কচি ঘাস বা শুকনো খড় দিন। অতিরিক্ত দানাদার খাদ্য বা কাঁচা ঘাস প্রথম দিকে না দেওয়াই ভালো।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা: গরুর হাঁপানি, নাক-মুখ ভেজা, ক্ষত বা শরীর গরম আছে কি না পরীক্ষা করুন। কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আলাদা রাখা (Quarantine): বাড়িতে আগে থেকে গরু থাকলে নতুন গরুকে অন্তত ৭-১৪ দিন আলাদা জায়গায় রাখুন।
ওষুধ: চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যাথা ও গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ালে ভালো হয়, তবে ভ্রমণের পরপরই ইনজেকশন দেওয়া এড়িয়ে চলুন।

মোটাতাজা করার গরু কেনার ক্ষেত্রে বিস্তারিত বৈশিষ্ট্যসমূহ:শারীরিক গঠন ও স্বাস্থ্য: গরু চওড়া কপাল,মাথা ছোট হতে হবে । পিঠে...
23/01/2026

মোটাতাজা করার গরু কেনার ক্ষেত্রে বিস্তারিত বৈশিষ্ট্যসমূহ:

শারীরিক গঠন ও স্বাস্থ্য: গরু চওড়া কপাল,মাথা ছোট হতে হবে । পিঠের হাড় চওড়া ও সোজা এবং পা মজবুত হতে হবে

বয়স: মোটাতাজাকরণ বা পালনের জন্য ২০-২৪ মাসের অধিক বয়সের গরু নির্বাচন করা ভালো। কারণ ২-৪ দাতের গরু সবচেয়ে দ্রুত বাড়ে।

চামড়া ও লোম: শরীরের চামড়া পাতলা, নরম ও আলগা হবে, যা দ্রুত মাংস বৃদ্ধির লক্ষণ। লোম মসৃণ ও উজ্জ্বল হবে।

সতর্কতা ও আচরণ: গরু চঞ্চল ও সতর্ক হবে, অলস বা ঝিমুবে না।

রোগমুক্ত ও স্বাভাবিক: চোখ উজ্জ্বল ও ভেজা থাকবে (শুষ্ক বা ঘোলাটে নয়)। নাক দিয়ে পানি ঝরবে না এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে,নাকে ঘাম থাকবে। লেজ দিয়ে মাছি তাড়াবার চেষ্টা করবে। গায়ে কোনো ক্ষত বা ফোঁড়া নেই নিশ্চিত হোন।
গরুর জিহ্বা এবং খুর দেখে ক্ষুরারোগ আছে কিনা যাচাই করতে হবে।

খাদ্য গ্রহণ: গরু স্বাভাবিকভাবে জাবর কাটে কি না, তা লক্ষ্য করুন।
অর্থাৎ এমন গরু কিনতে হবে যেটি সুস্থ কিন্তু খাবার এবং যত্নের অভাবে শুকিয়ে গেছে।

*কুরবানির বাজার টার্গেট করলে দেশি/শাহীওয়াল গরু কিনতে হবে কারণ তখন এর চাহিদা বেশি।আর অন্যান্য সময় ক্রস বা উন্নত জাতের গরু পালন করা ভালো।

গরু মোটাতাজাকরণে নতুন বিজ্ঞান! অল্প সময়ে বেশি লাভ!গরু মোটাতাজাকরণ এখন আর কেবল খড়-ঘাস খাইয়ে মোটাতাজা করার পুরোনো পদ্ধতি ...
23/01/2026

গরু মোটাতাজাকরণে নতুন বিজ্ঞান! অল্প সময়ে বেশি লাভ!
গরু মোটাতাজাকরণ এখন আর কেবল খড়-ঘাস খাইয়ে মোটাতাজা করার পুরোনো পদ্ধতি নয়। আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত উপায় অবলম্বন করে অল্প সময়ে গরুকে স্বাস্থ্যবান ও মাংসল করে তোলা সম্ভব, যা কৃষকদের জন্য নিয়ে আসে অনেক বেশি লাভ। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা, তবে সঠিক জ্ঞান ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি।

এখানে গরু মোটাতাজাকরণের কিছু নতুন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আলোচনা করা হলো:

১. উন্নত জাত নির্বাচন
গরু মোটাতাজাকরণের জন্য প্রথমেই সঠিক জাত নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সব জাতের গরু সমানভাবে মোটাতাজা হয় না।

দেশীয় উন্নত জাত: শাহীয়াল, সিন্ধি, রেড চিটাগং - এসব জাতের গরুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো এবং এরা দ্রুত ওজন লাভ করে।

শংকর জাত: ব্রাহমা (Brahma) শংকর গরু মোটাতাজাকরণের জন্য খুবই জনপ্রিয়। এদের বৃদ্ধির হার অনেক বেশি এবং এরা অল্প সময়ে দ্রুত ওজন বাড়ায়। এছাড়া, হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান (Holstein Friesian) বা জার্সি (Jersey) জাতের শংকর বাছুরকেও মোটাতাজাকরণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা
গরুর দ্রুত ওজন বৃদ্ধির জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা সবচেয়ে জরুরি। এটিই মোটাতাজাকরণের মূল ভিত্তি।

শুকনো খাবার (Dry Fodder): পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খড়, সাইলেজ (ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতি) বা হে (শুকনো ঘাস) সরবরাহ করুন। খড় কেটে ছোট টুকরা করে দিলে হজমে সুবিধা হয় এবং অপচয় কমে।

কাঁচা ঘাস (Green Fodder): গরুর দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় সবুজ ঘাস অপরিহার্য। নেপিয়ার, ভুট্টা বা ডেসিমাল জাতীয় ঘাস চাষ করে গরুকে খাওয়ানো যেতে পারে। কাঁচা ঘাস গরুর রুচি ও হজমশক্তি বাড়ায়।গরুর প্রয়োজনীয় সকল উপাদান ঘাসে রয়েছে।

দানাদার খাদ্য: দ্রুত ওজন বৃদ্ধির জন্য দানাদার খাদ্যের সঠিক মিশ্রণ অত্যন্ত জরুরি। এর মধ্যে থাকতে পারে:

খৈল (সর্ষের খৈল, তিলের খৈল): প্রোটিনের উৎস।

ভুট্টার গুঁড়ো বা ভাঙা গম/যব: শক্তির উৎস।

ডালের ভুষি/কুঁড়া (খেসারির ভুষি, গমের ভুষি, চালের কুঁড়া): আঁশ ও প্রোটিনের উৎস।

খনিজ লবণ মিশ্রণ (Mineral Mixture): ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, কপার সহ প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানের ঘাটতি পূরণ করে। এটি মাংস ও হাড়ের বৃদ্ধিতে সহায়ক।

ইউরিয়া মোলাসেস ব্লক (UMB): এটি ইউরিয়া, চিটাগুড় ও খনিজ লবণের মিশ্রণ দিয়ে তৈরি একটি ব্লক। এটি গরুর রুচি বাড়ায় এবং আমিষের অভাব পূরণে সাহায্য করে।

খাদ্য প্রদান পদ্ধতি: গরুর ওজন ও বয়স অনুযায়ী সুষম খাদ্যতালিকা তৈরি করুন। দিনের বিভিন্ন সময়ে ভাগ করে খাবার দিন। পর্যাপ্ত ও পরিষ্কার পানির ব্যবস্থা করুন।

৩. স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও রোগ প্রতিরোধ
গরু অসুস্থ হলে ওজন কমে যায়, তাই রোগ প্রতিরোধই লাভজনক মোটাতাজাকরণের অন্যতম চাবিকাঠি।

পরজীবী নিয়ন্ত্রণ: অভ্যন্তরীণ (পেটের কৃমি) এবং বাহ্যিক (উকুন, আঠালি) পরজীবী দমনের জন্য নিয়মিত কৃমিনাশক ও পরজীবীনাশক ওষুধ ব্যবহার করুন। বাছুর আনার পর প্রথমেই কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ান।

টিকা প্রদান: ক্ষুরা রোগ, গলাফুলা, বাদলা সহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগের টিকা সময়মতো দিন।

স্বাস্থ্যকর পরিবেশ: গরুর থাকার স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রাখুন। নিয়মিত গোবর পরিষ্কার করুন।

ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ: ভিটামিন এ, ডি, ই এবং বি-কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

৪. আধুনিক বাসস্থান ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ
আরামদায়ক পরিবেশ গরুর দ্রুত ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (প্রয়োজনে): আধুনিক খামারে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কুলিং ফ্যান বা স্প্রিংকলার ব্যবহার করা হয়, যা গরুকে আরাম দেয় এবং খাদ্যের রূপান্তর হার বাড়ায়।

আলো-বাতাস: পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। বদ্ধ জায়গায় গরু অস্বস্তি বোধ করে এবং রোগাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

শুষ্ক মেঝে: গরুর শেডের মেঝে শুকনো ও পরিষ্কার রাখুন। এতে পায়ের রোগ এবং অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়।

৫. বিজ্ঞানসম্মত সম্পূরক খাদ্য ও হরমোন (সতর্কতা সহকারে)
নির্দিষ্ট কিছু সম্পূরক খাদ্য ও হরমোন (বিশেষজ্ঞের পরামর্শে) দ্রুত ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

প্রোবায়োটিকস (Probiotics): গরুর পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়াতে প্রোবায়োটিকস ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি খাদ্য হজমে সাহায্য করে এবং পুষ্টি শোষণ ক্ষমতা বাড়ায়।

হরমোন: কিছু দেশে বৃদ্ধি-বর্ধক হরমোন (Growth Hormones) অনুমোদিত, যা গরুর পেশি বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। তবে বাংলাদেশে হরমোনের ব্যবহার বিতর্কিত এবং সাধারণত অনুমোদিত নয়। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এর ব্যবহার কঠোরভাবে পরিহার করা উচিত।

৬. সঠিক পর্যবেক্ষণ ও রেকর্ড রাখা
প্রতিটি গরুর নিয়মিত ওজন পরিমাপ করুন এবং তার খাদ্য গ্রহণ ও স্বাস্থ্য পরিস্থিতির রেকর্ড রাখুন। এতে কোন গরুটি কেমন উন্নতি করছে, তা বোঝা যাবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য বা চিকিৎসা পদ্ধতি পরিবর্তন করা যাবে।

গরু মোটাতাজাকরণ একটি সময়োপযোগী ও লাভজনক ব্যবসা। উপরের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে এবং স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে আপনিও অল্প সময়ে বেশি লাভ করতে পারবেন এবং এই খাতে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন।

আপনার কি গরু মোটাতাজাকরণ নিয়ে আরও কোনো প্রশ্ন আছে?

গরু মোটাতাজাকরণে বাসস্থান ব্যবস্থাপনা♦️-------------------------------------------------------♦️গরু মোটাতাজাকরণে বাসস্থা...
22/01/2026

গরু মোটাতাজাকরণে বাসস্থান ব্যবস্থাপনা
♦️-------------------------------------------------------♦️
গরু মোটাতাজাকরণে বাসস্থান ব্যবস্থাপনা কেমন হবে সে বিষয়ে আমাদের দেশের বেশিরভাগ খামারিদের তেমন কোন ধারণা নেই। অধিক লাভ পাওয়ার আশায় বর্তমানে অনেকেই খামারে গরু পালন করছেন। গরু পালনে বাসস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গবাদিপশু পালন ও কৃষি তে আসুন জেনে নিব গরু মোটাতাজাকরণে বাসস্থান ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে

গরু মোটাতাজাকরণে বাসস্থান ব্যবস্থাপনাঃ
১। গরুর বাসস্থান আলো ও বাতাসযুক্ত উঁচু জায়গায় গরুর ঘর তৈরি করতে হবে। বাসস্থানের চারদিক খোলামেলা রাখতে হবে যাতে পর্যাপ্ত আলো ও বাতাস চলাচল করতে পারে।

২। কাঠ বা বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঘর তৈরি করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে শীতকালে ঘরে ঠাণ্ডা বাতাস যাতে প্রবেশ করতে না পারে ও বর্ষায় পানি প্রবেশ করতে না পারে।

৩। ঘরের চালা টিন বা শন দিয়ে তৈরি করতে হবে। গরমের সময় চালা যেন বেশি উত্তপ্ত না হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। টিনের চালা হলে চালার নিচে বাঁশের তৈরি চাটাই দিতে হবে। গবাদিপশু পালন ও কৃষি ।

৪। ঘরের মেঝে ইট বিছানো বা পাকা হতে পারে তবে মসৃণ করা যাবে না। কাঁচা মেঝেতেও গরু পালন করা যায়। ঘরের মেঝের একদিকে ঢালু করতে হবে যাতে গোবর চনা ড্রেন দিয়ে দূরে গর্তে ফেলা যায়।

৫। নিয়মিত ঘর পরিষ্কার পরিছন্ন রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যসম্মত পালন ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে।

৬। প্রতিটি গরুর জন্য ৩-৪ বর্গমিটার (৭ ফুট X ৫ ফুট) জায়গা হিসেবে ঘর তৈরি করতে হবে।

৭। গোয়াল ঘরের পূর্বদিকে রোদ ঢোকার এবং দক্ষিণ দিকে বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা করতে হবে। গোয়াল ঘরের উত্তর দিকে বেড়া দিয়ে রাখতে হবে, যেন শীতকালে উত্তরের বাতাস না ঢোকে।
👉 শেয়ার করে রেখে দিন অনেকের উপকারে আসবে ।।
পর্যায়ক্রমে গরু,ছাগল,মুরগি,হাঁস,কবুতর পালনের বাসস্থান, পশু নির্বাচন, রোগ নির্ণয়, প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ নিয়ে আলোচনা করা হবে।


গরু মোটাতাজাকরণ:হাড্ডিসার গরু কিভাবে মোটাতাজা করতে হয়।কি কি ইনজেকশন এবং খাবার দিতে হয় এগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে। হাড্ড...
21/01/2026

গরু মোটাতাজাকরণ:

হাড্ডিসার গরু কিভাবে মোটাতাজা করতে হয়।
কি কি ইনজেকশন এবং খাবার দিতে হয় এগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।
হাড্ডিসার গরু পালন করা সব থেকে বেশি লাভ জনক যদি সেটা সঠিক দামে ক্রয় করতে পারেন।
খামারে লাভ করতে হলে কম দামে গরু কেনা হলো প্রথম শর্ত। হাড্ডিসার গরু কম দামে পাওয়া যায়, তাই এই গরু ভালো ভাবে পালন করতে পারলে লাভ বেশি করা সম্ভব।
আজকে আপনাদের হাড্ডিসার গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি সম্পর্কে জানাবো।
হাড্ডিসার গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি হলো প্রথমে গরু কে কৃমি মুক্ত করে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন দিয়ে গরুর হাড্ডি গুলোতে মাংস লাগানো।
হাড্ডি তে মাংস লাগাতে পারলে আমরা লাভবান হতে পারবো।
হাড্ডিসার গরু গুলো মূলত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন এর অভাবে গরু গুলোর হাড্ডি দেখা যায়।
আমরা এই ঘাটতিগুলো পূরণ করতে পারলে হাড্ডিসার গরু মোটাতাজাকরণ করতে সক্ষম হবো।
এই সকল হাড্ডি বের হওয়া গরু গুলো শরীরে কিছু ঔষধ ও যত্নের মাধ্যমে হাড্ডি গুলোতে মাংসে ঢেকে যাবে।
গরু মোটাতাজাকরণ প্রথম ঔষধের নাম হলো কৃমি মুক্ত করা ঔষধ, কারণ আপনি প্রথমে যদি গরু কে ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন জাতীয় কোনো ঔষধ দেন তাহলে কৃমি তে সেই ঔষধ খেয়ে ফেলবে। তাই আমাদের প্রথম কাজ হবে কৃমি মুক্ত করা।
গরু মোটাতাজাকরণ ঔষধের নাম হলো ভালো একটি কৃমির ঔষধ, ক্যাটাফস ইনজেকশন, রেনাসল এডি ৩ ই ভেট, লিভার টনিক ও জিংক।
গরু মোটাতাজাকরণের এই ঔষধ গুলোর ব্যবহার সম্পর্কে এই পোস্ট এ সম্পর্ণ ভাবে আলোচনা করা হবে।

হাড্ডিসার গরু মোটাতাজাকরণ

গরু মোটাতাজাকরণ এর জন্য আমাদের দেখতে হবে গরুটার সমস্যা কি। সমস্যা বুঝে ঔষধ দিয়ে গরু মোটাতাজা করতে হবে। হাড্ডিসার গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি হলো প্রথমে গরু কে কৃমির জন্য ঔষধ দিতে হবে।
কৃর্মির ঔষধ দেওয়ার পর হাড্ডিসার গরু গুলো লিভার টা স্ট্রং করার জন্য লিভার টনিক খাওয়াতে হবে, পাশাপাশি জিংক দিতে হবে।
এরপর খাবারের সাথে হাড্ডিসার গরু গুলোকে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন মেডিসিন দিতে হবে।
গরু গুলোকে পর্যাপ্ত পরিমানে খর, ums বা ঘাস ও পাশাপাশি দানা দার খাবার খেতে দিতে হবে।
এই ভাবে আমরা হাড্ডিসার গরু গুলো খুব সহজে মোটাতাজাকরণ করতে পারবো।

গরু মোটাতাজাকরণ ঔষধের নাম

হাড্ডিসার গরু মোটাতাজাকরণ করার জন্য যে সকল ঔষধের প্রয়জন হবে তা আজকে আলোচনা করবো।
গরু মোটাতাজাকরণ ঔষধের নাম হলো কৃমির ঔষধ, ক্যাটাফস, এডি3 ইত্যাদি।
আমরা গরু মোটাতাজাকরণ এর জন্য কি কি ঔষধ কি পরিমান এ ও কখন খাওয়াবো তা নিম্নে দেওয়া হলো-

Tab. Renadex Vet প্রতি ৫০ কেজি ওজনের জন্য একটি করে সকালে খালি পেটে খাওয়াতে হবে।
গরুর ওজন যদি ১০০ কেজি হয় তাহলে ২ টি tab. খাওয়াতে হবে।

এখন ৫-৭ দিন পর inj. Nitronex vet প্রতি ১০০ কেজি ওজনের জন্য ৩ মি.লি. চামড়ার নিচে প্রয়গ করতে হবে।
কৃমির ইনজেকশন দেওয়ার আগে এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ইনজেকশন দেওয়া ভালো যেমন রেনাসিন বা এস্টাভেট তাহলে গরুর এলার্জি ঘটিত কোন সমস্যা হয় না।

কৃমির ঔষধ দেওয়ার পর এবং চামড়ার নিচে Nitronex vet দেওয়ার পর দিন থেকে সকালে লিভার টনিক এবং বিকালে জিংক খাওয়াতে হবে ৫ দিন করে।

লিভার টনিক ও জিংক খাওয়ানো শেষ হওয়ার পর প্রতি ১ সপ্তা পর পর inj. Ranasol AD3E Vet ৫ মি.লি ও inj. Cataphos vet প্রতি ১০০ কেজি ওজনের গরুর জন্য ১০ মি.লি. করে মাংসে প্রয়োগ করতে। এটা ২-৩ বার করা যেতে পারে। বেশি করলেও সমস্যা নেই তবে প্রয়োজন হয় না।
পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, অ্যামাইনো এসিড যুক্ত দানাদার খাদ্য তৈরি করে গরুকে দিতে হবে।
কিভাবে কি কি উপকরণ দিয়ে দানাদার খাবার তৈরি করতে হয় তা জানানো হবে।

আশা করি সবকিছু বুঝে সঠিক নিয়মে পরিচর্যা করলে আপনি অবশ্যই ভালো ফলাফল পাবেন এবং লাভবান হবেন।

পাখির ভিটামিন এ, ডি৩, এবং ই-এর অভাব পূরণের জন্য ব্যবহৃত হয়; এটি তাদের শারীরিক দুর্বলতা দূর করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়...
21/01/2026

পাখির ভিটামিন এ, ডি৩, এবং ই-এর অভাব পূরণের জন্য ব্যবহৃত হয়; এটি তাদের শারীরিক দুর্বলতা দূর করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করে, এবং সুস্থ বৃদ্ধি ও ডিম উৎপাদন নিশ্চিত করে, বিশেষ করে চাপ (stress) বা অসুস্থতার সময় এটি খুবই কার্যকর, যেমন ভ্যাকসিনেশনের আগে বা পরে, এবং গাভী হিটে না আসলে বা বাচ্চা মুরগির হাড়ের সমস্যায়।
এর প্রধান কাজগুলো হলো:
ভিটামিন ঘাটতি পূরণ: ভিটামিন এ, ডি৩, ও ই-এর অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ করে।
প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি: প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে এবং গাভী হিটে না আসা বা বীজ না রাখার সমস্যায় সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: পশু-পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) বাড়ায়।
শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশ: দৈহিক বৃদ্ধি, হাড় গঠন (বিশেষত বাচ্চা প্রাণীর) এবং বিপাক ক্রিয়া উন্নত করে।
ডিম উৎপাদন: মুরগির ডিম উৎপাদন বাড়াতে এবং ডিমের গুণগত মান ভালো রাখতে সাহায্য করে।
চাপ মোকাবিলা: ভ্যাকসিনেশন, অসুস্থতা, পরিবহন বা আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট চাপ কমাতে সাহায্য করে।
ত্বক ও টিস্যু স্বাস্থ্য: ত্বক ও এপিথেলিয়াল টিস্যু গঠন ও সংরক্ষণে সহায়তা করে।
কখন ব্যবহার করা হয়:
ভিটামিনের অভাবজনিত দুর্বলতা, যেমন হাড় নরম হয়ে যাওয়া (Rickets)।
প্রজনন সংক্রান্ত সমস্যা (যেমন গাভী বা হাঁস-মুরগি হিট-এ না আসা)।
ভ্যাকসিন প্রয়োগের আগে বা পরে।
অসুস্থতা বা ধকলের (stress) সময়।
এটি সাধারণত ইনজেকশন বা সিরাপ আকারে পাওয়া যায় এবং ব্যবহারের আগে অবশ্যই পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।



সকল প্রকার ভেটেরিনারি মেডিসিন+সার্জিক্যাল আইটেম এবং গবাদিপশু খাদ্য বিক্রয় করা হয়।অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি ডাক্তার দ্বারা যেকোন ...
21/01/2026

সকল প্রকার ভেটেরিনারি মেডিসিন+সার্জিক্যাল আইটেম এবং গবাদিপশু খাদ্য বিক্রয় করা হয়।
অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি ডাক্তার দ্বারা যেকোন চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হয়।
বি:দ্র: কোন প্রকার অগ্রিম ছাড়াই "ক্যাশ অন ডেলিভারি" মাধ্যমে অনলাইনেও সকল আইটেম সততার সহিত অর্ডার মোতাবেক ডেলিভারি দেয়া হয়।

Address

Ghuniatala Stand, 21 No Ward, Bogra Sadar, Bogra
Bogura
5800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দীপ্ত এন্টারপ্রাইজ-ভেটেরিনারি মেডিসিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share