রুকাইয়াহ সেন্টার মতলব উত্তর চাঁদপুর

  • Home
  • Bangladesh
  • Chandpur
  • রুকাইয়াহ সেন্টার মতলব উত্তর চাঁদপুর
Website

রুকাইয়াহ সেন্টার মতলব উত্তর চাঁদপুর Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from রুকাইয়াহ সেন্টার মতলব উত্তর চাঁদপুর, Medical and health, ভাইগারচক মতলব উত্তর চাঁদপুর বাংলাদেশ, Chandpur.

বদনজর, ওয়াসওয়াসা, জিনের আছর, যাদুটোনা, কুফরী, বান, ব্লাক ম্যাজিক, বিয়ে আটকে রাখা, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে অমিল ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যার জন্য কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী রুকইয়াহ করা হয়।
রাক্বী মুফতী আহসান জামিল চাঁদপুরী
যোগাযোগ -what's ap -01889858788

রাকি কে? ভাল-খারাপ রাক্বি কিভাবে চিনব? 📖✨অন্যান্য প্রসঙ্গ: রাকি এবং রুকইয়াহ 🩺🤲লেখক: আহমাদ রবিন ✍️▶ রাকি কি?/কে? 👤যে ব্যক...
13/09/2026

রাকি কে? ভাল-খারাপ রাক্বি কিভাবে চিনব? 📖✨
অন্যান্য প্রসঙ্গ: রাকি এবং রুকইয়াহ 🩺🤲
লেখক: আহমাদ রবিন ✍️
▶ রাকি কি?/কে? 👤
যে ব্যক্তি কোনো সুস্থ/অসুস্থ ব্যক্তির পাশে অবস্থান করে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন দুয়ার মাধ্যমে শরঈ ঝাড়ফুক তথা রুকইয়াহ করে থাকেন তাকে (সাধারণত) রাকি বলে। 📖🤲 অসুস্থ ব্যক্তির উপর রুকইয়াহ করার সময় যদি জিন হাজির হয় তাহলে জিন তাড়ানোর জন্য সম্ভাব্য সকল শরঈ প্রক্রিয়া তিনি অবলম্বন করেন। 👻

▶ আমি কি রাকি হতে পারবো? 🤔
জ্বি, আপনি মুসলিম হলে পারবেন। 🤝☪️

▶ আর কিছু লাগবে না? 📋

মূলত আপনার তাওহীদের জ্ঞান থাকতে হবে। আক্বিদা সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা রাখতে হবে। এই দু’টো বিষয় যত ভাল জানবেন তত আপনার জন্য সহজ। 🧠
কুরআন তেলাওয়াত সহিহ হতে হবে। কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে, দুয়ার মাধ্যমে তথা রুকইয়াহর মাধ্যমে বদনজর, জিন, জাদু সংক্রান্ত সমস্যা থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় মুক্তি পাওয়া সম্ভব এই ব্যাপারে ইয়াকিন থাকতে হবে। 🗣️📖
ফরজ ও মাসনুন আমল এবং হেফাজতের আমলগুলো গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। 🤲
দৈনন্দিন জীবনে যত বেশি সুন্নাহর উপর থাকতে পারবেন তত বেশি আল্লাহর থেকে সাহায্য পাবেন রাকি হিসেবে। ☀️
জিন/জাদু, জিনদের অধিকার, জীবন-যাপন সম্পর্কে বেসিক ধারণা থাকতে হবে। 👁️‍🗨️
কবীরা গুনাহ তো বটেই, সগীরা গুনাহ থেকেও যথাসম্ভব বাঁচতে হবে। এই ফিল্ডে সবচাইতে বড় শত্রু এটাই। 🚫
কমনসেন্স থাকতে হবে। যার কমনসেন্স যত ভাল হবে, উপস্থিত বুদ্ধি তত তীক্ষ্ণ হবে তারা এই ফিল্ডে ইনশাআল্লাহ ভাল করবেন। 💡
আলেম হলে ভাল, জরুরি না। 👨‍🎓
বিবাহিত হলে ভাল, জরুরি না। 💍
▶ রাকির আসলে কাজটা কি? 🛠️
আমার মতো রাকির মূল কাজ হলো, দ্বীনের দাওয়াহ। যিনি তার কাছে যাবেন তাকে দ্বীনের উপর উঠানো, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক করাতে সচেষ্ট হওয়া। এটা করতে পারলে বাকি কাজ ইনশাআল্লাহ সহজ। 🕌❤️
এরপর রাকির কাজ হলো, কেউ তার কাছে বদনজর, জিন, জাদু সংক্রান্ত বিষয়ে আসলে তাকে সুপরামর্শ দেওয়া। 🤝
জিনের আসরগ্রস্ত কেউ আসলে আল্লাহর হুকুমে জিন তাড়ানো। 👻💪

▶ রাকিদের কাজের মধ্যে এত বৈচিত্র কেন? 🔀

বৈচিত্র সব জায়গাতেই আছে, শুধু রাকিদের মধ্যে নয়। এর মূল কারণ আমার মতে, উসুল, উসুল বোঝা ও মানা। যেমন, দ্বীনের একটা উসুল হচ্ছে, প্রয়োজন অনেক সময় হারামকে হালাল করে দেয়। যেমন, মৃত পশুর গোশত ভক্ষণ হারাম। কিন্তু জীবননাশের আশঙ্কা থাকলে তা হালাল। এখন জীবন নাশের আশঙ্কা বলতে কী বোঝানো হয়েছে, কতটুকু বোঝানো হয়েছে এটা শরীয়ত সংজ্ঞায়িত করেছে। 🥩📜
কোনো রাকি একবার রুকইয়াহ করলে পরের ৭ দিন আর উক্ত ব্যক্তিকে করেন না, কেউ ১৫ দিনের মধ্যে করেন না, কেউ আবার পরের দিনই করেন। যিনি বিরতি দেন তারও যুক্তি আছে, যিনি দেন না তারও যুক্তি আছে। কোনটাকেই সরাসরি ভুল সাব্যস্ত করা সঠিক হবে না। ⏳
সর্বসাধারণের উচিত হলো, বেসিক বিষয় ফলো করা। রুকইয়াহ সম্পর্কে জানা, রুকইয়াহর হুকুম সম্পর্কে জানা। আল্লাহ তাআলা সবাইকেই জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়েছেন। সেটা প্রয়োগ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। 🧠✨

🕌 ইসলাম বহির্ভূত সম্পর্ক এবং রুকইয়াহ📖 রুকইয়াহ বেসিক।✍️ • মুহাম্মাদ আনওয়ার শাহ •السلام عليكم ورحمة الله وبركاته🌿 আসসালামু...
12/09/2026

🕌 ইসলাম বহির্ভূত সম্পর্ক এবং রুকইয়াহ
📖 রুকইয়াহ বেসিক।

✍️ • মুহাম্মাদ আনওয়ার শাহ •

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
🌿 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

🩺 আমরা জ্বীন, যাদুর ইত্যাদি চিকিৎসায় ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক বিভিন্ন পদ্ধতির বদলে শরিয়া সম্মত রুকইয়াহ প্রচার ও প্রসারের জন্য কাজ করছি। আলহামদুলিল্লাহ, ইতোমধ্যে বিষয়টার ব্যাপারে যথেষ্ট প্রচার ও সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে যা আশাপ্রদ। তবে লক্ষ করছি অনেকে এমন জনগণ সব প্রশ্ন করছেন যার সমাধান দিতে গিয়ে আমাদের বিব্রত হতে হচ্ছে। কারণ বিষয়গুলো ইসলামের বেঁধে দেয়া সীমা অতিক্রম করে।

⚠️ যেমন কেউ কেউ চাইছেন হারাম সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে রুকইয়ার সমাধান।
💔 আবার কেউ প্রশ্ন করেছেন স্বামীকে ভুলে থাকতে চাওয়ার রুকইয়া।
❓ কেউ বলছেন, স্বামী মায়ের ভক্ত হয়ে আছে। সে যেন বউয়ের কথায় উঠবস করে, এক কথায় স্বামীকে বশ রুকইয়াহ কি?
📌 এরকম আরো বেশ কিছু প্রশ্ন আমরা পেয়েছি যা ইসলামের মৌলিক শিক্ষার পরিপন্থী।

🌍 সমাজে প্রচলন, মিডিয়ার অব্যাহত প্রচারণা বা দ্বীনী জ্ঞানের স্বল্পতা-যে কারণেই হোক না কেন, উনারা হয়ত বুঝতেই পারছেন না এসব কাজে আমরা সাহায্য করতে অপারগ।

📖 কুরানে কারীমে সুস্পষ্টভাবে আল্লাহ পুরুষ ও নারীদের মধ্যে পর্দার সীমা নির্ধারন করে দিয়েছেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সীমানাকে আরো স্পষ্ট করেছেন সাহাবাদের কাছে। তাই একজন মুসলিম বালেগ পুরুষের সাথে আরেকজন বালেগ নারীর সাথে দৃষ্টি বিনিময় হতে পারে না, বন্ধুত্ব হতে পারে না, কথা-বার্তা, হাসি-ঠাট্টা হতে পারে না। এজন্য প্রেমের নামে যেসব সম্পর্ক প্রচলিত তার সবই ইসলামের দৃষ্টিতে ব্যভিচারের ভূমিকাস্বরুপ এবং পুরোপুরি নিষিদ্ধ। আপনার বিয়ের ইচ্ছা থাক বা না থাক তাতে ইসলামের কিছুই আসে যায় না। ইসলাম বলেছে হারাম, ব্যাস হারাম। 🚫 সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ!

☝️ আমারা ইসলামের জন্য কাজ করছে। সুতরাং এজাতীয় হারাম বিষয়ে আমরা কখনই সাহায্য করব না। যে কুরানে আল্লাহ এইসব কাজের বিরুদ্ধে আমাদের নিষেধ করলেন সে কুরান দিয়েই ঐসব কাজে সাহায্য করা কি সম্ভব? ❌ এই কাজ তো আল্লাহর সাথে বিদ্রোহের মত হয়ে যায়!

🤲 তাই মুসলিম ভাইবোনদের অনুরোধ করছি, দয়া করে রুকিয়া করার আগে রুকিয়া কী তা জানুন। শারিরীক ও মানসিকভাবে আল্লাহকে মানার, আল্লাহর হুকুম আহকামের সামনে পূর্ণ আত্মসমর্পনের প্রস্তুতি গ্রহন করুন। এরপর ইসলামের বাধা নেই এমন কাজে সাহায্যের প্রশ্ন করুন।

🌿 ইনশাআল্লাহ আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব সঠিখ পরামর্শেরজন্য। কিন্তু ইসলাম-নিষিদ্ধ কাজে সাহায্য চেয়ে প্রশ্ন করলে তাতে আমাদের পক্ষে সাহায্য করা সম্ভব হবে না।

🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল-হারামের সীমারেখা বুঝে চলার তাওফিক দান করুন। আমীন।

📖 রুকইয়াহ এবং রেফারেন্স।🌿 রুকইয়াহ বেসিক।• আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ •🩺 “রুকইয়াহ” একটা চিকিৎসা পদ্ধতি, এই পদ্ধতিতে চিকিৎসার ক্...
11/09/2026

📖 রুকইয়াহ এবং রেফারেন্স।
🌿 রুকইয়াহ বেসিক।

• আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ •

🩺 “রুকইয়াহ” একটা চিকিৎসা পদ্ধতি, এই পদ্ধতিতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন না হলেই এটা জায়েজ। এজন্য প্রতিটা প্রেসক্রিপশনের সাথে সাথে রেফারেন্স দিতে হবে এটার প্রয়োজন নাই।

📌 রুকইয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মূলনীতি হল – কোন হারাম বা শিরকি বিষয় থাকা যাবে না। কোন অস্পষ্ট বিষয় থাকা যাবে না।

📖 প্রসিদ্ধ হাদিসগুলোতে সাহাবাদের থেকে কোরআন এর যেসব সুরা এবং আয়াত দিয়ে রুকইয়ার কথা পাওয়া যায়, “একটাও” সাধারণত রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেননি, মানে রাসুলুল্লাহর থেকে পাওয়া যায় না। আবার রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে জ্বিনের রুগীদের জন্য রুকইয়াহ করেছেন, কোন সাহাবি সেভাবে করেছেন বলে পাইনি।

📌 যেমন, সুরা ফাতিহা। রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা দিয়ে রুকইয়াহ করেছেন, সাধারণত এরকম দেখা যায় না। অন্তত এখন পর্যন্ত আমি পাইনি। অথচ সাহাবাদের মধ্যে এটা ছিল সবচেয়ে পপুলার। একেকজন সাহাবি সুরা ফাতিহা দিয়ে একেক স্টাইলে রুকইয়াহ করেছেন। অন্যান্য সুরা দিয়েও করেছেন। কখনও কখনও সাহাবারা রুকইয়াহ করার পর এসে রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছেন, রাসুল্লাহ কোরআন দিয়ে রুকইয়ার কথা শুনে প্রতিবারই সমর্থন করেছেন, কখনও খুশি হয়েছে। অথচ উনাদের নিয়মগুলো তো রাসুলুল্লাহ শিখায়নি। কখনও তো এরকম বলেছেন – তুমি কিভাবে জানলে যে এটা রুকইয়াহ!! 🤔 (সহিহ বুখারির হাদিস)

⚖️ তাই আমাদের ক্ষেত্রেও শরিয়তের সীমারেখা অতিক্রম না করলেই রুকইয়াহ বৈধ। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত না যে, প্রতিদিনের ইবাদতগুলো মত এর নির্দেশনা হুবহু হাদিসে উল্লেখ থাকা লাগবে।

🕌 রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এব্যাপারে বলেছেন- “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।”
📚 (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪)

⚠️ শিরকের সম্ভাবনাও যেন না থাকে এজন্য উলামায়ে কিরাম সতর্কতা হিসেবে আরও কিছু শর্তারোপ করেন, যেমন- অস্পষ্ট কিছু না থাকা, দুর্বোধ্য কোন ভাষার না হওয়া, ইত্যাদি। কেউ কেউ “আরবি ব্যতীত অন্য ভাষায় না হওয়া” এই কথাও বলেছেন।

📚 (রুকইয়াহ সহিহ হওয়ার এই শর্তগুলো ফাতহুল বারিতে ইবনে হাজার রহ. বর্ণনা করেছেন ইমাম নববী রহ. থেকে, এবং তিনি বলেছেন এব্যাপারে আলেমদের ইজমা রয়েছে)

📝 উদাহরণস্বরূপঃ কেউ যদি বলে “৮৩ বার ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে খাইলে যাদুর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।” তখন আপনি যদি নির্দিষ্টভাবে এই আমলের রেফারেন্স চাইতে যান, তাহলে ভুল করবেন। কারণ যেহেতু এটা রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এবং পরবর্তি সালাফের নির্ধারিত শর্ত লঙ্ঘন করছে না, সুতরাং এটা জায়েজ। এজন্য স্পেসিফিক রেফারেন্সের প্রয়োজন নাই।

11/09/2026

এভাবে ২ নং আসবে ইনশাআল্লাহ...

📖 মুখতাসার রুকইয়াহ শারইয়্যাহ!📚 রুকইয়াহ বেসিক• আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ(সারসংক্ষেপ রুকইয়া শারইয়্যাহ!)– আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ...
10/09/2026

📖 মুখতাসার রুকইয়াহ শারইয়্যাহ!
📚 রুকইয়াহ বেসিক

• আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
(সারসংক্ষেপ রুকইয়া শারইয়্যাহ!)
– আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

📝 📚 [২] প্রাথমিক ধারণা-
রুকইয়া, রুকইয়াহ, রুকিয়া, রুকিয়াহ, রুকাইয়া সহ বিভিন্ন উচ্চারণ প্রচলিত রয়েছে, যার মূল হচ্ছে আরবি শব্দ (رقية) আর শুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ রুকইয়াহ অথবা রুকইয়া।

❓ রুকইয়াহ কী? –

রুকইয়াহ অর্থ ঝাড়ফুঁক করা, মন্ত্র পড়া, তাবিজ-কবচ, মাদুলি ইত্যাদি। আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (رقية شرعية) মানে শরিয়াত সম্মত রুকইয়াহ, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা। তবে স্বাভাবিকভাবে ‘রুকইয়া’ শব্দটি দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা বুঝায়। এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি কারো ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা খাওয়া অথবা ব্যাবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়। আর সবগুলোই সালাফে সালেহিন থেকে বর্নিত আছে।

🕌 বিশুদ্ধ আক্বিদাঃ
উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়া করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া উচিত ‘রুকইয়া বা ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই, সব ক্ষমতা আল্লাহ তা’আলার, আল্লাহ চাইলে শিফা হবে, নইলে নয়।’

⚖️ রুকইয়ার বিধান (ফিক্বহী বিধান):
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪)

ফক্বিহদের মতে রুকইয়াহ বৈধ হওয়ার জন্য ৪ শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক, যথা-

☝️ এতে কোন শিরক বা কুফরির সংমিশ্রণ না থাকা। শুধুমাত্র দোয়া-কালাম দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা।
☝️ এখানে পাঠ করা জিনিসগুলো স্পষ্ট আরবি ভাষায় হওয়া।
☝️ যদি অন্য ভাষায় হয়, তবে এমন হওয়া; যার অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে।
☝️ এমন কোন বিশ্বাস না রাখা যে, ঝাড়ফুঁকের নিজের সুস্থ করার ক্ষমতা আছে; বরং বিশ্বাস করা, আল্লাহর ইচ্ছাতেই এর প্রভাব হয়, আল্লাহর হুকুমেই এর দ্বারা আরোগ্য হয়।

📌 রুকইয়া প্রকারভেদঃ
বিভিন্ন ভাবে রুকইয়া করা হয়, যেমনঃ দোয়া বা আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া হয়, মাথায় বা আক্রান্ত স্থানে হাত রেখে দোয়া/আয়াত পড়া হয়। এছাড়া পানি, তেল, খাদ্য বা অন্য কিছুতে দোয়া অথবা আয়াত পড়ে ফুঁ দিয়ে খাওয়া এবং ব্যাবহার করা হয়।

📋 পূর্বশর্তঃ রুকইয়া করে উপকার পেতে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন।

1️⃣ নিয়্যাত (কেন রুকইয়া করছেন, সেজন্য নির্দিষ্টভাবে নিয়াত করা)
2️⃣ ইয়াক্বিন (এব্যাপারে ইয়াকিন রাখা যে, আল্লাহর কালামে শিফা আছে)
3️⃣ মেহনত (অনেক কষ্ট হলেও, সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রুকইয়া চালিয়ে যাওয়া)।

⚠️ লক্ষণীয়ঃ রুকইয়ার ফায়দা ঠিকমতো পাওয়ার জন্য দৈনন্দিনের ফরজ অবশ্যই পালন করতে হবে, পাশাপাশি সুন্নাতের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। যথাসম্ভব গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে। (মেয়েদের জন্য পর্দার বিধানও ফরজ) ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি / ভাস্কর্য রাখা যাবেনা। আর সুরক্ষার জন্য সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো অবশ্যই করতে হবে। আর ইতিমধ্যে শারীরিক ক্ষতি হয়ে গেলে, সেই ঘাটতি পোষানোর জন্য রুকইয়ার পাশাপাশি ডাক্তারের চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে হবে।

👁️ [৩] বদনজর সমস্যা-
আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:

বদনজর আক্রান্ত হওয়ার অনেকগুলো লক্ষণ রয়েছে, এরমাঝে কয়েকটি হচ্ছে-

📚 পড়ালেখা বা কোন কিছুতে অনেক ভাল ছিল, হঠাৎ ধ্বস নামা।
📚 কোন কাজে মনোযোগ না থাকা। নামায, যিকর, পড়াশোনাতে মন না বসা।
📚 প্রায়শই শরীর দুর্বল থাকা, ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব লাগা।
📚 বুক ধড়পড় করা, দমবন্ধ অস্বস্তি লাগা। মেজাজ বিগড়ে থাকা।
📚 অতিরিক্ত চুল পড়া। পেটে প্রচুর গ্যাস হওয়া।
📚 একেরপর এক অসুখ লেগে থাকা, দীর্ঘ চিকিৎসাতেও ভালো না হওয়া।
📚 ব্যবসায়-লেনদেনে ঝামেলা লেগেই থাকা। সব কিছুতেই লস হওয়া।
🧿 বদনজরের জন্য রুকইয়াহ:

যদি বুঝা যায় অমুকের জন্য নজর লেগেছে, তাহলে তাকে অযু করতে বলুন, এবংওযুর পানি গুলো আক্রান্তের গায়ে ঢেলে দিন। এরপর চাইলে ভালো পানি দিয়ে গোসল করুন। এতটুকুতেই নজর ভালো হয়ে যাবে ইনশা-আল্লাহ।

আর বদনজরের সেলফ রুকইয়া হচ্ছে, বদনজরের রুকইয়া তিলাওয়াত করবেন, অথবা তিলাওয়াত শুনবেন । এর পাশাপাশি ১ম অথবা ২য় নিয়মে রুকইয়ার গোসল করবেন। আর এভাবে লাগাতার ৩ থেকে ৭ দিন করবেন। প্রয়োজনে কয়েকদিন বিরতি দিয়ে আবার শুরু করুন, প্রতিদিন কয়েকবার রুকইয়া শুনুন, আর একবার রুকইয়ার গোসল করুন। এভাবে সমস্যা ভালো হওয়া পর্যন্ত করতে থাকুন। সমস্যা ভালো হওয়ার পরেও কয়েকদিন রুকইয়াহ করা উচিত।

🚿 [৪] রুকইয়ার গোসল-
১ম নিয়ম: একটা বালতিতে পানি নিবেন। তারপর পানিতে দুইহাত ডুবিয়ে যেকোনো দরুদ শরিফ, সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সুরা ইখলাস, ফালাক্ব, নাস, শেষে আবার দরুদ শরিফ ৭বার করে পড়বেন। পড়ার পর হাত উঠাবেন এবং এই পানি দিয়ে গোসল করবেন

২য় নিয়ম: একটা বালতিতে পানি নিন। ওপরের দোয়া-কালামগুলো পড়ুন আর মাঝেমাঝে ফুঁ দিন। এরপর ওই পানি দিয়ে গোসল করুন।

৩য় নিয়ম: (জাদুর সমস্যার জন্য বিশেষভাবে উপকারী বরই পাতার গোসল) ৭টা বরই পাতা বেটে পানিতে গুলিয়ে নিন, এবং সেখানে আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস- ৩বার করে পড়ে ফুঁ দিন। এরপর এই পানি থেকে তিন ঢোক পান করুন, আর বাকিটা দিয়ে গোসল করুন।

(যদি টয়লেট আর গোসলখানা একসাথে থাকে, তাহলে অবশ্যই বালতি বাহিরে এনে এসব পড়বেন। প্রথমে এই পানি দিয়ে গোসল করে এরপর চাইলে অন্য পানি দিয়ে ইচ্ছামত গোসল করতে পারেন। যার সমস্যা সে পড়তে না পারলে অন্য কেউ তার জন্য পড়বে, এবং অসুস্থ ব্যক্তি শুধু গোসল করবে।)

🧿 [৫] জিনের স্পর্শ-
আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:

জিন দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার অনেকগুলো লক্ষণ রয়েছে, এরমাঝে কয়েকটি হচ্ছে-

🌙 রাতে ঠিকমত ঘুমাতে না পারা। ঘুমালেও বারবার জেগে ওঠা।
🌙 প্রায়শই ঘুমের মাঝে বোবা ধরা।
😨 ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা। উঁচু থেকে পড়ে যেতে, কোন প্রাণীকে আক্রমণ করতে দেখা।
🤕 দীর্ঘ মাথাব্যথা, অথবা অন্য কোন অঙ্গে সবসময় ব্যাথা থাকা।
🕌 নামাজ, তিলাওয়াত, যিকির আযকারে আগ্রহ উঠে যাওয়া।
😠 মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা, একটুতেই রেগে যাওয়া।
📖 আযান বা কোরআন তিলাওয়াত সহ্য না হওয়া।

🧿 জ্বিনের আসরের জন্য রুকইয়াহ:

যিনি রুকইয়া করবেন তিনি প্রথমে সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে নিজের শরীরে হাত বুলিয়ে নিবেন। এরপর রুকইয়া শুরু করবেন। রুগীর পাশে বসে জোর আওয়াজে রুকইয়ার আয়াতগুলো পড়তে থাকুন। রুকইয়ার অনেক আয়াত আছে সেগুলো শেষে বলা হবে। তবে জ্বিনের রোগীর রুকইয়ার জন্য স্বাভাবিকভাবে-

1️⃣. সুরা ফাতিহা
2️⃣. আয়াতুল কুরসি
3️⃣. বাকারার শেষ ২ আয়াত
4️⃣. সুরা ইখলাস, ফালাক, সুরা নাস। সম্ভব হলে এর সাথে-
5️⃣. সুরা মু’মিনুনের ১১৫-১১৮ নং আয়াত
6️⃣. সুরা সফফাতের প্রথম ১০ আয়াত এবং
7️⃣. সুরা জিনের ১-৯ আয়াত পড়া যেতে পারে।

জ্বিন ছেড়ে দেয়া পর্যন্ত এগুলো বারবার পড়তে থাকুন, পড়ার মাঝেমাঝে রুগীর ওপর ফুঁ দিতে পারেন, (বৈধ ক্ষেত্রে) মাঝেমাঝে রুগীর মাথায় হাত রেখে পড়ুন। আর পানিতে ফুঁ দেয়ার পর মুখে এবং হাতে-পায়ে ছিটিয়ে দিন। জিন কথা বলতে শুরু করলে মাঝেমাঝে তাকে চলে যাওয়ার ব্যাপারে নির্দেশ দিতে হবে, এরপর আবার অবিরত তিলাওয়াত চালু রাখতে হবে। জ্বিনের রুগীর ক্ষেত্রে সাধারণত কথাবার্তা বলে জ্বিন বিদায় করতে হয়। এক্ষেত্রে জ্বিনের কথায় ঘাবড়ানো যাবেনা, তার কথা সহজে বিশ্বাসও করা যাবে না। হুমকিধামকি দিলে তাকেই উল্টা ধমক দিতে হবে। মোট কথা, যিনি রুকইয়া করবেন তাঁকে উপস্থিতবুদ্ধির পরিচয় দিতে হবে। একদিনে না গেলে পরপর কয়েকদিন কয়েকঘন্টা করে এভাবে রুকইয়া করে যেতে হবে। ইনশাআল্লাহ এক পর্যায়ে জ্বিন পালাতে বাধ্য হবে।

🏠 [৬] বাড়িতে জ্বিনের উৎপাত থাকলে-
বাড়িতে জ্বিনের কোনো সমস্যা থাকলে পরপর তিনদিন পূর্ন সুরা বাক্বারা তিলাওয়াত করুন, এরপর আযান দিন। তাহলে ইনশাআল্লাহ সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। তিলাওয়াত না করে প্রতিদিন যদি সুরা বাক্বারা প্লে করা হয় তাহলেও ফায়দা পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। তবে সবচেয়ে ভালো ফল পেলে তিলাওয়াত করা উচিত। এরপর প্রতিমাসে অন্তত এক দুইদিন সুরা বাকারা পড়বেন। অধিক ফায়দার জন্য চাইলে সুরা বাকারা পড়া শেষে পানিতে ফুঁ দেয়ার পর পুরো বাড়িতে ছিটিয়ে দিতে পারেন।

আর ঘরে প্রবেশের সময়, বের হবার সময়, দরজা-জানালা বন্ধের সময় বিসমিল্লাহ বলবেন। সন্ধ্যা বেলায় জানালা বন্ধ রাখবেন। ঘরে কোন প্রাণী বা মানুষের ছবি অথবা মূর্তি ঝুলিয়ে রাখবেন না। ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই সমস্যা কেটে যাবে।

🪄 [৭] যাদুগ্রস্ত-
জাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিকে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:

অনেক সময় যাদু করতে জ্বিনের সাহায্য নেয়া হয়, তাই যাদুগ্রস্ত রোগীর মাঝে জিন আক্রান্তের কিছু লক্ষণও দেখা যেতে পারে। এছাড়াও যাদুগ্রস্ত রোগীর মাঝে কিছু বিশেষ লক্ষণ দেখা যেতে পারে। যেমন:

❤️ হঠাৎ কারও প্রতি বা কোন কিছুর প্রতি তীব্র ভালবাসা অথবা ঘৃণা তৈরি হওয়া, যা আগে ছিল না।
🤕 বিশেষ কোন কারন ছাড়াই জটিল-কঠিন রোগে ভোগা। যার চিকিৎসা করলেও সুস্থ না হওয়া।
⚡ পরিবারের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি লেগেই থাকা। বিশেষতঃ স্বামীস্ত্রীর মাঝে।
🔄 দৃষ্টিভঙ্গি বা ব্যক্তিত্বে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যাওয়া। যাতে নিজেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়, চারপাশের মানুষও কষ্ট পায়।
😕 অদ্ভুত আচরণ করা। যেমন, কোন কাজ একদমই করতে না চাওয়া। কিংবা দিন-রাতের নির্দিষ্ট কোন সময়ে ঘরের বাইরে যেতে না চাওয়া।
🤕 মেরুদণ্ডের নিচের দিকে ব্যাথা করা।
😠 বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মেজাজ খারাপ, মাথা ব্যথা অথবা অসুস্থ থাকা।

❓ যাদু আক্রান্ত হলে বুঝার উপায়:

ওপরের এক বা একাধিক লক্ষণের সাথে মিল পাওয়া যাবে। আর যাদু আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর রুকইয়ার আয়াতগুলো পড়লে, অথবা অডিও শুনলে অস্বাভাবিক অনুভূতি হবে। যেমন, প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, বমি আসা, বুক ধড়ফড় করা, শরীর অবশ হয়ে আসা ইত্যাদি।

📖 জাদুর সমস্যার জন্য রুকইয়া:

সমস্যার ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকার রুকইয়াহ করতে পরামর্শ হয়। তবে প্রসিদ্ধ সেলফ রুকইয়া হচ্ছে- প্রথমে সমস্যার জন্য নিয়াত ঠিক করে, ইস্তিগফার দরুদ শরিফ পড়ে শুরু করুন। তারপর রুকইয়ার আয়াতগুলো পাঠ করে অথবা কোন রুকইয়া শুনে নিশ্চিত হয়ে নিন আসলেই সমস্যা আছে কি না! সবশেষে একটি পাত্রে পানি নিন, এরপর নিচের আয়াতগুলো ৩বার অথবা ৭বার করে পড়ুন, পড়ার মাঝেমাঝে পানিতে ফুঁ দিন-

ক. সুরা ফাতিহা এবং আয়াতুল কুরসি
খ. সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২, ইউনুস ৮১-৮২ সুরা ত্বহা ৬৯নং আয়াত

وَ اَوْحَیْنَاۤ اِلٰی مُوْسٰۤی اَنْ اَلْقِ عَصَاكَ ۚفَاِذَا هِیَ تَلْقَفُ مَا یَاْفِكُوْن﴿۱۱۷﴾ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا کَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ﴿۱۱۸﴾ فَغُلِبُوْا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوْا صٰغِرِیْنَ ﴿۱۱۹﴾ وَ اُلْقِیَ السَّحَرَةُ سٰجِدِیْنَ ﴿۱۲۰﴾ قَالُوْاۤ اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱۲۱﴾ رَبِّ مُوْسٰی وَهٰرُوْنَ ﴿۱۲۲﴾
فَلَمَّاۤ اَلْقَوْا قَالَ مُوْسٰی مَا جِئْتُمْ بِهِ ۙالسِّحْرُ ؕ اِنَّ اللّٰهَ سَیُبْطِلُہٗ ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَا یُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِیْنَ ﴿۸۱﴾ وَیُحِقُّ اللّٰهُ الْحَقَّ بِکَلِمٰتِہٖ وَلَوْ کَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ ﴿۸۲﴾
وَ اَلْقِ مَا فِیْ یَمِیْنِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوْا ؕ اِنَّمَا صَنَعُوْا کَیْدُ سٰحِرٍ ؕ وَ لَا یُفْلِحُ السَّاحِرُ حَیْثُ اَتٰی ﴿۶۹﴾
গ. এরপর সুরা ইখলাস, ফালাক্ব, নাস- সব ৩বার করে।

সমস্যা অনুযায়ী সাতদিন অথবা এরচেয়ে বেশি সময় যাবত প্রতিদিন সকাল-বিকাল এই পানি খেতে হবে, এবং গোসলের পানিতে মিশিয়ে গোসল করতে হবে। আর জাদুর সমস্যার থেকে সুস্থতা লাভের নিয়াত করে প্রতিদিন রুকইয়ার আয়াতগুলো তিলাওয়াত করতে হবে, অথবা দেড়-দুইঘণ্টা রুকইয়ার অডিও শুনতে হবে। কোন ক্বারির সাধারণ রুকইয়া একবার, আর সুরা ইখলাস, ফালাক, নাসের রুকইয়াহ একাধিকবার । এর পাশাপাশি আল্লাহর কাছে সুস্থতার জন্য দোয়া করতে হবে।

এভাবে রুকইয়াহ করার পর সপ্তাহ শেষে আপনার অবস্থা পর্যালোচনা করুন, প্রয়োজনে চিকিৎসার মেয়ার বাড়িয়ে নিন। রুকইয়াহ চলাকালীন সমস্যা বেড়ে গেলেও বাদ দিবেন না, হাল ছাড়বেন না। সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া পর্যন্ত রুকইয়া অবিরত রাখুন।

দ্বিতীয়ত: শুরুতে বর্ণনা করা রুকইয়ার গোসলগুলোর মাঝে ‘৩য় পদ্ধতি’ জাদুর চিকিৎসায় খুব উপকারী। সমস্যা বেশি হলে প্রথমে কয়েকদিন উল্লেখিত নিয়মে বরই পাতার গোসল করে এরপর সেলফ রুকইয়াহ শুরু করা যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুতই জাদুর সমস্যা থেকে মুক্ত হয়ে যাবেন।

🧿 যাদুর কোন জিনিশ অথবা তাবিজ খুঁজে পেলে:

সন্দেহজনক কোন তাবিজ পেলে অথবা কি দিয়ে যাদু করেছে যদি পাওয়া যায়, তাহলে সেসব বের করে আলাদা আলাদা করে ফেলুন, কোন গিরা বা বাধন থাকলে কেটে ফেলুন, শক্ত কিছু দিয়ে বাধা থাকলে ভেঙ্গে ফেলুন। এরপর একটা পাত্রে পানি নিয়ে ওপরে বলা জাদুর রুকইয়ার আয়াতগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিন, এরপর তাবিজ অথবা যাদুর জিনিশগুলো ডুবিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ, তাহলে ইনশাআল্লাহ যাদু নষ্ট হয়ে যাবে। পরে সেগুলো পুড়িয়ে বা নষ্ট করে ফেলুন।

📌 [৮] একাধিক সমস্যায় আক্রান্ত হলে:
একসাথে যাদু, জ্বিন কিংবা বদনজর সম্পর্কিত একাধিক সমস্যায় আক্রান্ত হলে প্রথমে কিছুদিন বদনজরের জন্য রুকইয়া করতে হবে, এরপর জ্বিনের জন্য এবং যাদুর জন্য রুকইয়া করতে হবে। এর মাঝেমাঝে শারীরিক রোগব্যাধির জন্য চিকিৎসা নেয়া বা ডাক্তারের ঔষধ সেবন করতেও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু রুকইয়াহ করার কারণে ব্যাথা শুরু হলে এজন্য ঔষধ খাবেন না। বরং রুকইয়ার গোসল করলে অনেকটা স্বস্তি পাবেন ইনশাআল্লাহ।

🧠 [৯] ওয়াসওয়াসা রোগ-
আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ:

1.অকারণে সর্বদা চিন্তিত থাকা।
2.মাথায় বিক্ষিপ্ত চিন্তা ঘোরাঘুরি করার কারণে কোন কিছুতে মন দিতে না পারা।
3.ওযু-গোসল অথবা নামাজের বিশুদ্ধতা নিয়ে অতিরিক্ত দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকা।
4.পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা।
5. টয়লেট বা গোসলখানায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা।
6. এক অঙ্গ বারবার ধোয়া, এরপরেও তৃপ্ত হতে না পারা।
বারবার মনে হওয়া ওযু ভেঙ্গে যাচ্ছে, অথবা প্রসাবের ফোঁটা পড়ছে, অথবা বায়ু বের হয়ে যাচ্ছে। বিশেষতঃ নামাজের সময় এমন হওয়া।
7.আল্লাহ তা’আলা, রাসুল ﷺ অথবা ইসলামের ব্যাপারে বারবার মাথায় অবমাননাকর চিন্তা আসা।
8.বারবার নামাজের রাকাত ভুলে যাওয়া, কিরাত, রুকু-সাজদা ইত্যাদির ব্যাপারে সন্দেহে ভোগা।

সমস্যা বেশিদিন পুরনো হয়ে গেলে এসব থেকে আরও শারীরিক-মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। আর জিন সংক্রান্ত কোন সমস্যা (জিনের বদনজর বা জিনের আসর) থাকলেও ওয়াসওয়াসার সমস্যা প্রকট হতে পারে।

🩺 ওয়াসওয়াসার প্রতিকার-

1️⃣. এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়া। প্রতি নামাজের আগে-পরে, অন্যান্য ইবাদতের সময়, কোন গুনাহের জন্য ওয়াসওয়াসা অনুভব করলে এটা পড়া –

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ، مِنْ غَضَبِهٖ وَعِقَابِهِ، وَشَرِّ عِبَادِهِ، وَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ، وَأَنْ يَّحْضُرُوْنِ

ঈমান নিয়ে সংশয় উদিত হলে পড়া (সুরা হাদীদ, আয়াত নং ৩)

هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ ۖ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيْم

[এছাড়া “আমানতু বিল্লাহ বলা” এবং “সুরা ইখলাস পড়ার” কথাও বর্ণিত হয়েছে] এবং এরপর ওয়াসওয়াসা পাত্তা না দিয়ে অন্য কিছুতে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া।

2️⃣. পুরুষ হলে জামাআতের সাথে নামাজ পড়া, মুত্তাকী পরহেজগারদের সাথে উঠাবসা করা।

3️⃣. নামাজে ওয়াসওয়াসা হলে বামে হালকা করে ৩বার থুতু ফালানো। আর রাকাত ভুলে গেলে- মনে থাকা কম সংখ্যাটা ধরে, এরপর প্রতি রাকাতে আত্তাহিয়্যাতু পড়া, আর নামাজের শেষে সাহু সাজদা দেয়া।

5️⃣. সকাল-সন্ধ্যায় ও ঘুমের আগের আমলগুলো গুরুত্বের সাথে করা। টয়লেটে প্রবেশের দোয়া পড়া।

6️⃣. আয়াতুল হারক (আযাব এবং জাহান্নাম সংক্রান্ত আয়াত) বেশি বেশি তিলাওয়াত করা। এবং প্রতিদিন এসবের তিলাওয়াত শোনা।

7️⃣. সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক, নাস – ৩বার করে। এরপর শুধু সুরা নাস অনেক বার (৭বার/৩৩বার/আরও বেশি) পড়ে পানি আর অলিভ অয়েলে ফুঁ দেয়া। এরপর সুস্থতার নিয়াতে প্রতিদিন ২-৩ বেলা এই পানি পান করা। মাথায় এবং বুকে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা।

8️⃣. বদনজর বা জিনের সমস্যা থাকলে সে অনুযায়ী রুকইয়াহ করা। যথাসম্ভবত ওয়াসওয়াসা পাত্তা না দেয়া; ইগনোর করা, এমনকি মুখে বিরক্তির ভাবও প্রকাশ না করা। আর আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকা।

🩺 [১০] সাধারণ অসুস্থতার জন্য রুকইয়াহ:
বিভিন্ন অসুখ-বিসুখের রুকইয়ার জন্য রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবায়ে কিরাম রা. এবং বিভিন্ন যুগের সালাফদের থেকে অনেক দু’আ-কালাম পাওয়া যায়, সুস্থতা লাভের নিয়াতে সেসব গুরুত্বের সাথে পড়া।

যেমন, কোরআন থেকে প্রসিদ্ধ কয়েকটি রুকইয়া হচ্ছে- সুরা ফাতিহা, ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস এবং ৬টি আয়াতে শিফা- (সূরা তাওবাহ/১৪, ইউনূস/৫৭, নাহল/৬৯, বানী ইসরাইল/৮২, শু’আরা/৮০, ফুসসিলাত/৪৪)

وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُّؤْمِنِينَ
وَشِفَاء لِّمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ
يخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاء لِلنَّاسِ
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاء وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ
وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ
قُلْ هُوَ لِلَّذِينَ آمَنُوا هُدًى وَشِفَاء
এছাড়া রাসুল স. থেকে বর্ণিত রুকইয়ার উপযোগী অনেক দো’আ আছে, যেমন-

١. اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبْ الْبَاسَ، اشْفِهِ وَأَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا
٢. بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ، اللَّهُ يَشْفِيكَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ
٣. بِاسْمِ اللَّهِ يُبْرِيكَ، وَمِنْ كُلِّ دَاءٍ يَشْفِيكَ، وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ، وَشَرِّ كُلِّ ذِي عَيْنٍ
٤. اَسْأَلُ اللهَ الْعَظِيْم، رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْم، اَنْ يَّشْفِيَكْ
٥. بِسْمِ اللَّه، بِسْمِ اللَّه، بِسْمِ اللَّه، أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ، مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ
এসব আয়াত এবং দোয়াগুলো ৩বার অথবা ৭বার পড়ুন, ব্যাথার যায়গায় অথবা রুগীর মাথায় হাত রেখে পড়ুন, অথবা এসব পড়ার পর রুগীর ওপর ফুঁ দিন। পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করুন, গোসল করুন অথবা অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে মালিশ করুন। মধু-কালোজিরায় ফুঁ দিয়ে প্রতিদিন পানিতে গুলিয়ে খান। এসবের পাশাপাশি রুকইয়াহ শোনা যেতে ।

👶 [১১] শিশুদের জন্য রুকইয়ার নিয়ম:
শুরুতে মনে মনে নিয়াত করে নিন কোন সমস্যার জন্য রুকইয়াহ করবেন, এরপর শিশুর মাথায় হাত রেখে কয়েকবার এই দুয়াটি পড়ুন, আর মাঝেমাঝে দিন। চাইলে সাথে ওপরের দোয়াগুলোও পড়া যেতে পারে।

أُعِيْذُكُمْ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّةِ ، مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

এরপর সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি এবং সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস – ৩ বার করে পড়া।

সমস্যার মাত্রা বেশি হলে উল্লেখিত পদ্ধতিতে রুকইয়া করা শেষে আরেকবার এগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করান এবং গোসল করান। সমস্যা ভালো হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন রুকইয়াহ এবং এই কাজগুলো করতে থাকুন। এছাড়া কোন অঙ্গে বিশেষ রোগব্যাধি থাকলে এসব দোয়া-কালাম পড়ে অলিভ অয়েল বা কালোজিরার তেলে ফুঁ দিয়ে প্রতিদিন মালিশ করা।

ছোটদের পাশাপাশি বড়দের মাঝে কেউ নিজে নিজে রুকইয়াহ করতে অক্ষম হলে তার

ওপরেও একই নিয়মে রুকইয়াহ করা যায়।

📖 [১২] রুকইয়ার আয়াত:
কোরআন মাজিদের বিভিন্ন আয়াত দ্বারা রুকইয়া করা হয়, তন্মধ্যে প্রসিদ্ধ কিছু আয়াত হচ্ছে-

সুরা ফাতিহা
সুরা বাকারা ১-৫
সুরা বাকারাহ ১০২
সুরা বাকারাহ ১৬৩-১৬৪
সুরা বাকারাহ ২৫৫
সুরা বাকারাহ ২৮৫-২৮৬
সুরা আলে ইমরান ১৮-১৯
সুরা আ’রাফ ৫৪-৫৬
সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২
সুরা ইউনুস ৮১-৮২
সুরা ত্বহা ৬৯
সুরা মু’মিনুন ১১৫-১১৮
সুরা সফফাত ১-১০
সুরা আহকাফ ২৯-৩২
সুরা আর-রাহমান ৩৩-৩৬
সুরা হাশর ২১-২৪
সুরা জিন ১-৯
সুরা ইখলাস
সুরা ফালাক
সুরা নাস

🛡️ [১৩] যাদু, জিন, বদনজর ইত্যাদির ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়:
1️⃣. প্রতিটি কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা। যেমন, খাবার পূর্বে, ঘরে ঢুকতে – বের হতে, দরজা-জানালা বন্ধ করতে ইত্যাদি।

2️⃣. বিষ, যাদু এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে বাঁচতে সকাল-সন্ধ্যায় এই দোয়া তিনবার পড়াঃ

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আ’উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্তা-ম্মা-তি, মিং-শাররি মা-খলাক্ব। (জামে তিরমিযী, ৩৫৫৯)

3️⃣. সব ধরনের ক্ষতি এবং বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকতে এই দোয়া সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার পড়াঃ

بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِه شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ

বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা-ইয়াদ্বুররু মা‘আসমিহী, শাইউং ফিলআরদ্বী ওয়ালা- ফিসসামা-ই, ওয়াহুওয়াস সামি’উল ‘আলীম। (জামে তিরমিযী, ৩৩৩৫)

4️⃣. প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস তিনবার করে পড়া। এবং এটা বিশেষ গুরুত্বের সাথে করা। (সুনানে আবি দাউদ)

5️⃣. ঘুমের আগে আয়াতুল কুরসি এবং সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া। সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস পড়ে হাতের তালুতে ফু দিয়ে পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নেয়া। (বুখারী)

6️⃣. টয়লেটে ঢোকার পূর্বে দোয়া পড়া-

اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ’উযুবিকা, মিনাল খুবসি ওয়াল খবা-ইছ। (মুসলিম, ৩৭৫)

7️⃣. তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। প্রতিদিনের অন্যান্য মাসনুন আমল করতে থাকা। এবং আল্লাহর কাছে সবসময় দোয়া করতে থাকা।

📖 মুখতাসার রুকইয়াহ শারইয়াহ
(সংক্ষেপে বিভিন্ন সমস্যার জন্য ইসলাম সম্মত ঝাড়ফুঁক)

– রচনায়: আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

সেরা এনগেজার হওয়ার জন্য এবং আমার সাপ্তাহিক এনগেজমেন্ট লিস্টে আসার জন্য ধন্যবাদ। 🎉 নাতাশা ইসলাম, MD Habib, মুফতী আহসান জ...
08/09/2026

সেরা এনগেজার হওয়ার জন্য এবং আমার সাপ্তাহিক এনগেজমেন্ট লিস্টে আসার জন্য ধন্যবাদ। 🎉 নাতাশা ইসলাম, MD Habib, মুফতী আহসান জামীল চাঁদপুরী

📖 রুকইয়াহ বেসিক: তিলাওয়াত বনাম অডিও শোনার নিয়ম• আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ •🎧 অনেক সময় প্রেস্ক্রিপশন বা সমস্যা যাচাইয়ের জন্...
06/09/2026

📖 রুকইয়াহ বেসিক: তিলাওয়াত বনাম অডিও শোনার নিয়ম
• আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ •
🎧 অনেক সময় প্রেস্ক্রিপশন বা সমস্যা যাচাইয়ের জন্য শাইখদের রুকইয়াহর আয়াত শুনতে বলা হয় (যেমন: “অমুক শাইখের রুকইয়াহ দিনে ২ বার শুনবেন”)। এটি ভালো, তবে ধৈর্য ধরে নিজে তিলাওয়াত করা সবচেয়ে উত্তম।
📖 সত্যি বলতে, দেখে দেখে বা মুখস্ত নিজে তিলাওয়াত করাটাই আসল রুকইয়াহ। 🎧 অডিও শোনা একটি দুর্বল বিকল্প মাত্র, কারণ আমরা সবসময় নিজে তিলাওয়াত করতে পারি না।
⏱️ সময় ও নিয়মের হিসাব:
* ⏳ তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে অডিও শোনার অর্ধেক সময় নিজে পড়লেও তা বেশি উপকারী। (যেমন: ৩ ঘন্টা শোনার বদলে দেড় ঘন্টা বা তার কম সময় তিলাওয়াত করা)।
* 🕒 আপনি চাইলে এই দেড় ঘন্টাকে সারাদিনে ২-৩ ভাগে ভাগ করে নিতে পারেন।
* 🔄 অথবা আধা ঘণ্টা নিজে তিলাওয়াত করলেন এবং বাকি সময় অডিও শুনলেন—এটিও বেশ কার্যকর।
📚 রুকইয়ার আয়াতগুলো “রুকইয়াহ” (আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ) বইয়ের শেষে যুক্ত আছে, সেখান থেকে পড়তে পারেন।
📲 এছাড়া পিডিএফ পেতে ভিজিট করুন: https://ruqyahbd.org/pdf
—
💡 নিজে রুকইয়াহ সম্পর্কে জানুন, অন্যের সাথে শেয়ার করুন। 🤝
✨ একটি সুন্নাহর পুনর্জাগরণে অবদান রাখুন…
📖 এরকম আরও প্রবন্ধ পাঠ করতে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ!

🌿 রুকইয়াহ শারইয়্যার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা📖 রুকইয়াহ বেসিক রাকি এবং রুকইয়াহ।।• আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ •📚 – রুকইয়াহ বইয়ের ১...
04/09/2026

🌿 রুকইয়াহ শারইয়্যার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা

📖 রুকইয়াহ বেসিক রাকি এবং রুকইয়াহ।।

• আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ •

📚 – রুকইয়াহ বইয়ের ১ম অধ্যায় থেকে

🔹 [ক]
– সেলফ রুকইয়ার প্রয়োজনীয়তা

🤲 সেলফ রুকইয়া অর্থাৎ নিজের জন্য রুকইয়াহ নিজেই করার প্রয়োজন অপরিসীম। যেকোন সমস্যা শুরুর আগেই যদি এর সমাধান জানা থাকে, তাহলে এটা বেশিদূর গড়ায় না। তাই আমি যদি জানি কোন সমস্যায় সেলফ রুকইয়ার নিয়ম কি, তাহলে আমার ছোটখাটো সমস্যা অনেক বড় হবে না।

🩺 আরেকটা বিষয় হল, রুকইয়ার পাশাপাশি প্রচলিত ডাক্তারের চিকিৎসা নিতেও কোন মানা নেই।

🛡️ সেলফ-রুকইয়াহ অর্থাৎ নিজের জন্য নিজে রুকইয়াহ করাকে ফার্স্ট এইড বা প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে নিতে পারেন, যেমনটা সাধারণ রোগের ক্ষেত্রে আমরা করে থাকি। কোন সমস্যা হলে প্রথমে ফার্মাসি থেকে বা ঘরের ঔষধের বাক্স থেকে একটা ঔষধ নিয়ে খাই, এরপর প্রয়োজন হলে এলাকার ডাক্তার বা অন্য কারও পরামর্শ নিই, এরপরেও ভালো না হলে তখন বড় ডাক্তার দেখাই।

📖 অনুরূপভাবে রুকইয়ার ক্ষেত্রেও প্রথমে রুকইয়াহ বই থেকে নিয়মকানুন দেখে নিজেই রুকইয়াহ করুন। এরপর প্রয়োজন হলে আপনার চেয়ে ভালো জানে এমন কারও পরামর্শ নিন, তারপরেও যথেষ্ট না হলে তখন অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে রুকইয়াহ করান।

🔹 [খ]
– সার্বিকভাবে রুকইয়ার উপকারিতা

❓ কেউ কেউ প্রশ্ন করতে পারে, কতশত দরকারি বিষয় আছে! ফিকহ, জিহাদ, আকাইদ, ইসলাহ–তাযকিয়া কত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। ইলমের খিদমত করেন, আল্লাহর রাস্তায় সময় দেন – এসব না করে কেন এই রুকইয়াহ নিয়ে কষ্ট করছেন? কেউ আবার বলেন, এসব কাজ ছোটখাটো মোল্লাদের হাতে ছেড়ে দেন, আহলে ইলমরা এসব কেন করবে?

📌 তাদের জন্য সহজ কথা, আমরা খুব ভালোভাবেই জানি যাদু – বদনজর – জ্বিন ইত্যাদি সমস্যাগুলো মানুষের মাঝে যত ব্যপক, এর সমাধানের ব্যাপারে মানুষ ততটাই অজ্ঞ। এই সমস্যায় মানুষ যে পরিমাণে আক্রান্ত, বিষয়টা তাঁর চেয়ে বহুগুণ বেশি অবহেলিত।

⚠️ আর শরঈ সমাধানের সাথে তো আমাদের দেশের ৯৯.৯৯% মানুষই পরিচিত নয়। বরং অধিকাংশ মানুষের ভ্রান্ত বিশ্বাস হচ্ছে “কুফরি যাদু কাটতে কুফরিই করা লাগবে” (নাউযুবিল্লাহ)। এজন্য তাঁরা কবিরাজ-বৈদ্যদের কাছে যায়, আর দুনিয়া এবং আখিরাতের শুধু ধ্বংসই অর্জন করে।

💔 আমাদের চারপাশে অসংখ্য মানুষ এসব সমস্যায় আক্রান্ত, আমরা কেউ নিজেই ভিকটিম, কারো পরিবারস্থ লোক, আর কারো আত্মীয়স্বজন। বহু বৈদ্য – কবিরাজের কাছে ঘুরে ঘুরে বহু পরিশ্রম করে তারা প্রচুর টাকা পয়সা নষ্ট করে। এর পেছনে মেধা, শ্রম, সময় ব্যয় করে। অবশেষে কেউ সুস্থ জীবনের আশা ছেড়ে দেয়, আর কেউ স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। আর কবিরাজের কাজগুলো কুফরি-শিরকি হওয়ার কারণে নষ্ট হয় আখিরাতেও পুঁজিও।

🏠 আমার – আপনার চারপাশে এমন মানুষের অভাব নেই। আমাদের দেশে হয়তো এমন একটা প্রাপ্তবয়স্ক লোকও পাওয়া যাবে না, যার নিজের পরিবার অথবা আত্মীয়স্বজনদের মাঝে কেউই এজাতীয় সমস্যায় ভুগছে না। এদের দুনিয়া এবং আখিরাতে ধ্বংস থেকে বাঁচানোর জন্যই রুকইয়াহ শারইয়াহ দরকার!

🌱 তবে আমি বলছি না, আপনি সব ছেড়ে রুকিয়ার জন্য নিবেদিত হয়ে যান, বরং আপনি যা করছেন সেটাই করেন। তবে সম্ভব হলে মাঝেমাঝে এবিষয়ে অল্প কিছুক্ষণ সময় দেন, কেউ সমস্যা আক্রান্ত হলে তাকে এবিষয়ে ধারণা দেন। এতে ব্যক্তি-সমাজ সবারই উপকার।

✨ এর বিনিময়ে নিচের ফজিলতগুলো পাবেন ইনশাআল্লাহ!

১. 🕌 দ্বীনের দাওয়াত দেয়ার সুযোগ

🤲 একজন রাক্বি মানুষকে দ্বীনের দাওয়াত দেয়ার চমৎকার সুযোগ পেয়ে থাকেন, যা রুকইয়ার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর জ্বিন যাদু ইত্যাদি সমস্যাগুলো নিয়ে যারা আসে, তাদের অনেকেই থাকে এমন, যারা দ্বীন পালনের ব্যাপারে উদাসীন, রুকইয়াহ করার সময় তাদেরকে দাওয়াত পৌঁছানোর সুযোগ পাওয়া যায়। আর এদের বিরাট একাংশ হয় এমন, যারা সুস্থতা লাভের লাভের আশায় কবিরাজ-বৈদ্যদের কাছে ঘুরে ঘুরে ইতিমধ্যে কুফরি বা শিরকি কাজ করে ফেলেছে। তাদেরকে আল্লাহর একত্ববাদের বার্তা পৌঁছানোর সুযোগ হয়।

📢 অবশ্যই রাক্বিদের এই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। কেননা যুগে যুগে এটা নবীদের সুন্নাহ, মানুষ দুনিয়াবি প্রয়োজন নিয়ে আসলেও তাঁর আখিরাতের দীর্ঘস্থায়ী কল্যাণকে প্রাধান্য দেয়া। এক্ষেত্রে ইউসুফ ؑ এর ঘটনা লক্ষণীয়। দু’জন লোক তাঁর কাছে স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে এসেছিল, তিনি তাদের সমস্যা এবং সময়ের প্রতি লক্ষ রেখে অল্প কথায় তাওহীদের দাওয়াত পৌছে দিয়েছেন, এরপর তাদের স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানিয়েছেন।

📖 এছাড়া খাইবার যুদ্ধের ঘটনা খেয়াল করুন, আলী রা. কে নির্দেশ দিয়েছিলেন- তুমি তোমার পথ ধরে তাদের মাঝে পৌছে যাও, এরপর তাদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান কর। আর তাদের উপর আল্লাহর হকগুলোর ব্যাপারে সংবাদ দাও। কারণ, আল্লাহর কসম, তোমার মাধ্যমে যদি একটা মানুষকেও আল্লাহ হিদায়াত দেন, তবে তা তোমার জন্য লাল উট প্রাপ্তি থেকেও উত্তম হবে। (সহিহ মুসলিম ৪৪২৩)

২. 📖 কোরআনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি।

📚 যিনি রুকইয়াহ করেন, প্রতিদিন তাকে দীর্ঘক্ষণ কোরআন তিলাওয়াত করতে হয়। এতে কোরআনের সাথে সম্পর্ক দিনদিন বৃদ্ধি পায়।

✨ এর সাথে কোরআন পাঠের বিবিধ ফযিলত তো আছেই। যেমনঃ কোরআন তিলাওয়াতের প্রতিটি হরফে সওয়াব! আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘন্টাও রুকইয়াহ করেন, এই একঘণ্টায় আপনার ঝুলিতে অনেকগুলো সওয়াব জমে যাবে।

📖 এছাড়া রাসুল ﷺ বলেছেন, “তোমরা কুরআন পাঠ কর। কারণ কিয়ামতের দিন কুরআন তার পাঠকের জন্য সুপারিশ কারী হবে।” (মুসলিম ১৩৩৭)

৩. 🤝 মুসলিম ভাই-বোনদের বিপদে সহায়তা করা।

📜 প্রথমে একটি হাদিস খেয়াল করি, জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এক সময় ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। পরে আমর ইবনু হাযমের বংশের লোকেরা এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের নিকট একটি রুকইয়াহ ছিল, যা দিয়ে আমরা বিচ্ছুর ছোবলে ঝাড়ফুঁক করতাম, এখন আপনি তো ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তারা সেটা রাসুল ﷺ এর নিকট উপস্থাপন করল। তখন তিনি বললেন, কোন সমস্যা দেখতে পাচ্ছি না তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের কোনও উপকার করতে সমর্থ হয়, তাহলে সে যেন তা করে। (সহিহ মুসলিম ৪০৭৮)

🌿 এই হাদিসে আমরা দেখলাম রুকইয়ার মাধ্যমে যে মানুষের উপকার করা যায়, এটা স্বয়ং রাসুলুল্লাহ ﷺ স্বীকৃতি দিয়েছেন।

❤️ আর একজন মুসলিম ভাইকে সাহায্য করার অনেক অনেক লাভ আছে। যেমন: আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি দুনিয়ায় কোন মুমিনের কোন বিপদ-আপদ দূর করে দেবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার বিপদ দূর করবেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৪৮৬৭)

📚 হাদিসের গ্রন্থসমূহে বিপদগ্রস্ত ভাইবোনদের সহায়তা করার আরও অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে, রুকইয়াহ করে আপনি সেসব লুফে নিতে পারেন।

৪. 🛡️ কুফরের বিরুদ্ধে এবং তাওহিদের পক্ষে সংগ্রাম করা।

📜 ইবনে তাইমিয়া রহ. এজন্য মুখলিস রাক্বিদের ব্যাপারে বলেছেন,

وجنب الذنوب التي بها يسلطون عليه فإنه مجاهد في سبيل الله وهذا من أعظم الجهاد فليحذر أن ينصر العدو عليه بذنوبه

💬 “রাক্বির উচিত গুনাহ থেকে দূরে থাকা, যেন এই সুযোগে জ্বিন তাঁর ওপর প্রভাব বিস্তার না করতে পারে। সে তো আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারির ন্যায়। আর রুকইয়াহ করাও জিহাদের একটি উত্তম পদ্ধতি। তাই তাঁর সতর্ক থাকা উচিত, যেন গুনাহ তাঁর শত্রুকে বিজয়ী হতে সহায়তা না করে।” (মাজমুউল ফাতওয়া ১৯/৫৩, রিসালাতুল জ্বিন ৬৫পৃ)

📌 লক্ষণীয়ঃ ইবনে তাইমিয়া রহ. মূলত এই কথাটি মুবালাগা হিসেবে বলেছেন, উনার পূর্বাপর কথাগুলোয় গুরুত্বারপ করার জন্য। হাক্বিকী জিহাদের সাথে রুকইয়াহ চর্চার তুলনা যদিও হয় না, তবুও ইবনে তাইমিয়া রহ. এর কথাটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, হক্বের ব্যাপারে অনড় একজন রাক্বি সমাজ থেকে কুফর-শিরক দূর করার জন্য নিজের প্রাণ ঝুঁকিতে ফেলে মেহনত করেন, আর যখন কুফরি যাদু আক্রান্ত কারো চিকিৎসা করে অথবা শয়তান ভর করা ব্যক্তির ওপর রুকইয়াহ করে, তখন সে আল্লাহর কালামের সাহায্যে সরাসরি শয়তানি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে।

৫. 🤲 তাওয়াককুল।

📜 রাসূলুল্লাহ ﷺ একটি হাদীসে বলেন, “আমার উম্মতের মধ্যে ৭০,০০০ হাজার লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” রাসূলুল্লাহ ﷺ এই হাদীসের মধ্যে এসব ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন, আর বলেছেন “এরা শুধুমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করে।” আর এমন লোকদের উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেছেন, “যারা রুকইয়ার জন্য অনুরোধ করে না, শুভ-অশুভ লক্ষণ নির্ণয় করায় না, ছ্যাকা দিয়ে চিকিৎসা করে না বরং শুধু তাদের রবের উপরই ভরসা করে।” (বুখারি ৫৪২০, মুসলিম ৩২৩)

🌿 একজন রাক্বি এই হাদীসে উল্লিখিত ব্যক্তিদের মাঝে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য দাবিদার। কারণ, সে নিজেই রুকইয়াহ করে, অন্যের কাছে গিয়ে রুকইয়াহ করানোর প্রয়োজন তাঁর নাই। আর সে যখন আল্লাহর অনুগ্রহে জটিল জটিল সমস্যা সামাল দেয়, শক্তিশালী শয়তানদের শায়েস্তা করে, ভয়ংকর সব যাদু নষ্ট করে – আর এতসব অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে স্রেফ আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ওপর ভরসা রেখে লড়ে। একের পর এক নুসরত প্রত্যক্ষ করে মুখলিস রাক্বির ঈমান এক অনন্য স্তরে পৌঁছে যায়। বস্তুতঃ এটা এমন এক মেহনত, যেখানে আল্লাহ ওপর তাওয়াককুল ব্যতীত কোন দুনিয়াবি সাহায্য উপকারে আসে না।

🤍 মোটকথা, এভাবেই একজন রাক্বি তাওয়াককুলে পুর্ণতা লাভ করে। সুতরাং তাঁর জন্য খুবই যৌক্তিক, সে এই পুরস্কার আশা করতে পারে।

❓ কী ভাবছেন এখন? আপনি রুকইয়াহ করবেন তো?

Address

ভাইগারচক মতলব উত্তর চাঁদপুর বাংলাদেশ
Chandpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রুকাইয়াহ সেন্টার মতলব উত্তর চাঁদপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share