14/01/2026
বাচ্চাদের মুখের ভিতর যত্ন জন্ম পর পর ই নিতে হয়,
দাঁতের যত্ন শুরু করতে হয় জন্মের পর থেকেই, দাঁত ওঠার জন্য অপেক্ষা করলে দেরি হয়ে যায়।
এখানে ধাপে ধাপে পরামর্শ দেওয়া হলো—
১. নবজাতক থেকে দাঁত ওঠা পর্যন্ত:
প্রতিদিন পরিষ্কার ও নরম কাপড় বা গজ দিয়ে শিশুর মাড়ি আলতো করে মুছে দিন। সবচেয়ে ভাল হয় গজ কাপড় অথবা ছবির মত ক্রেপ কোন কাপড়।
এতে দুধের জমা দাগ ও জীবাণু কমে, দাঁত ওঠার সময় মাড়ি সুস্থ থাকে।
২. দাঁত ওঠা শুরু হলে (৬–১২ মাস):
এখন ফিম্গার সিলিকন ব্রাশ নরম বা নরম ব্রাশ দিয়ে ব্রাশ করাতে পারবেন।
এখনো টুথপেস্ট ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই বা চাইলে শিশুদের জন্য ফ্লুরাইড-ফ্রি টুথপেস্ট অল্প ব্যবহার করতে পারেন।মটর দানার হাফ পরিমান নিবের।
৩. ২ বছর বয়সের পর:
শিশুদের জন্য নির্ধারিত অল্প ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করতে শুরু করুন (প্রায় মটরের দানার সমান পরিমাণ)।
দিনে অন্তত ২ বার ব্রাশ করান— সকালে ও ঘুমানোর আগে।
সাধারণত বেবি টুথপেস্ট (যেটাতে ফ্লোরাইড কম থাকে বা একেবারেই থাকে না) ব্যবহার শুরু করা যায় যখন বাচ্চার দাঁত ওঠা শুরু হয়।
👉 বয়সভেদে নিয়মটা এরকম:
৬ মাস–২ বছর:
দাঁত ওঠার পর থেকে খুব অল্প (চালের দানার মতো) বেবি টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়।
এই বয়সে সাধারণত ফ্লোরাইড ফ্রি বা খুব কম ফ্লোরাইডযুক্ত (৫০০ppm এর নিচে) পেস্ট বেছে নেওয়া ভালো।
২–৬ বছর:
মটরের দানার মতো পরিমাণ টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারে। এসময় ১০০০ppm পর্যন্ত ফ্লোরাইডযুক্ত বেবি টুথপেস্ট ব্যবহার করা নিরাপদ, কারণ এটা দাঁতকে ক্যাভিটি থেকে রক্ষা করে।
৬ বছরের বেশি:
তখন বড়দের টুথপেস্ট (১০০০–১৪৫০ppm ফ্লোরাইড) ব্যবহার করা যায়।
আরহাম জন্য এ পযন্ত যে টুথপেস্ট ব্যবহার করেছি তার মধ্যে কদমো, পেপসুডেন্ট বেশি ভালো লেগেছে।
✅ খাবারের অভ্যাস:
অতিরিক্ত মিষ্টি, চকলেট, চিপস, বিস্কুট কম দিন।
খাবারের পর মুখ কুলকুচি করানো অভ্যাস করান।
রাতে দুধ খাওয়ানোর পর ব্রাশ না করিয়ে ঘুম পাড়াবেন না— এতে “Baby Bottle Tooth Decay” হয়।
৫. নিয়মিত চেকআপ:
দাঁত ওঠার ৬ মাসের মধ্যে প্রথম ডেন্টাল ভিজিট করুন।
প্রতি ৬ মাস অন্তর দাঁতের ডাক্তারকে দেখানো ভালো।
দাঁতের যত্ন শুধু দাঁতের নয়, শিশুর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যও জরুরি। সুস্থ দাঁত মানে ভালো খাওয়া, সঠিক উচ্চারণ ও সুন্দর হাসি।