আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম

আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম, Alternative & holistic health service, Chittagong.

বদনজর, যাদুটোনা, জিনের আছর, ওয়াসওয়াসা/শুচিবাই, স্বামী-স্ত্রীর বিভিন্ন সমস্যা, বাচ্চা না হওয়া, বিবাহে বাঁধা, বাচ্চাদের সমস্যা, বাসার বা ঘরের বিভিন্ন সমস্যা, হিজামা সহ যেকোনো অস্বাভাবিক অসুস্থতার শরঈ তথা কুরআনিক চিকিৎসালয়।

জিন মানুষকে অপহরণও করতে পারে-সৃষ্টিজগতের এক বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে জিনের অস্তিত্ব, যা আমাদের সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে। পবিত্র ...
08/06/2026

জিন মানুষকে অপহরণও করতে পারে-

সৃষ্টিজগতের এক বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে জিনের অস্তিত্ব, যা আমাদের সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় জিনের প্রভাব ও ক্ষমতা সম্পর্কে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ইসলামী ইতিহাসের পাতা উল্টালে এমন কিছু রোমাঞ্চকর ও সত্য ঘটনার দেখা মেলে, যা আমাদের ভাবিয়ে তোলে।

এমনই এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছিল ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর শাসনামলে, যেখানে একজন জলজ্যান্ত মানুষ জিনের দ্বারা অপহৃত হয়ে দীর্ঘ বছর নিখোঁজ ছিলেন।

একব্যক্তি তার গোত্রের লোকদের সঙ্গে ইশার নামায আদায় করার জন্য মহল্লার মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। এরপর আর ফেরত এলো না। তার স্ত্রী উমর রা.-এর নিকট ঘটনা খুলে বললেন। উমর রা. গোত্রের লোকদের ডেকে জিজ্ঞেস করলেন। গোত্রের লোকেরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করল। তখন উমর রা. রায় দিলেন, মহিলা স্বামীর জন্য চার বছর অপেক্ষা করবে। মহিলা খলিফার রায় অনুযায়ী চার বছর অপেক্ষা করল। কিন্তু স্বামী ফেরত এলো না। মহিলা পুনরায় স্বামী ফিরে না আসার অভিযোগ করলে খলিফা উমর রা. তাকে দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতি দিলেন। মহিলা দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করল।
কিছুদিন পর মহিলার প্রথম স্বামী এসে হাজির। তখন সবাই ফয়সালার জন্য খলিফা উমর রা.-এর এজলাসে উপস্থিত হলো। উমর রা. তাকে এই দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণ জিজ্ঞেস করলেন। উত্তরে সে বলল, আমি গোত্রের লোকদের সঙ্গে ইশার নামায আদায়ের জন্য মহল্লার মসজিদে রওনা হয়েছিলাম। তখন কতিপয় জিন আমাকে বন্দি করে নিয়ে যায়। তাদের কাছে আমি বহুদিন বন্দি ছিলাম।
তারপর একদল মুসলমান জিন অপহরণকারী জিনদের উপর আক্রমণ করে এবং তাদেরকে পরাস্ত করে। অনেক জিনকে তারা কয়েদ করল। আমি তো আগেই কয়েদখানায় ছিলাম। বিজয়ী মুসলমান জিনেরা আমাকে জিজ্ঞেস করল, তোমার দীন কী? আমি বললাম, আমি মুসলমান। তখন তারা বলল, তোমার ও আমাদের দীন তো এক, তাই তোমাকে কয়েদ করে রাখা জায়েয হবে না। তোমাকে এখতিয়ার দেওয়া হলো। তুমি ইচ্ছা করলে আমাদের সঙ্গেও থাকতে পারো। আবার ইচ্ছা করলে, দেশেও ফিরতে পারো। আমি দেশে ফিরতে চাইলাম।
তারা সকলে আমাকে নিয়ে রওনা হলো। রাতে তারা মানুষের সুরতে আমার সঙ্গে কথাবার্তা বলত, আর দিনের বেলায় তারা ঘূর্ণিঝড় হয়ে সম্মুখে চলত। আমি ওই ঘূর্ণিঝড়ের পেছনে পেছনে চলতাম। উমর রা. তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কী খেতে? লোকটির উত্তর— এমন বস্তু, যার উপর আল্লাহর নাম নেওয়া হতো না। উমর রা.-এর প্রশ্ন— তোমরা কী পান করতে? লোকটির উত্তর— আমরা জযফ-এর পানি পান করতাম। কাতাদা রহ. বলেন, জযফ-এর পানি বলতে এখানে ওই পানি বোঝানো হয়েছে, যা পাত্রে ঢেকে রাখা হতো না।

ঘটনা বর্ণনাকারী বলেন, উমর রা. ঘটনা শোনার পর লোকটিকে বললেন, এখন তোমাকে এখতিয়ার দিচ্ছি, তুমি ইচ্ছা করলে তোমার স্ত্রীকে ফেরত নিতে পারো, আর ফেরত না নিলে তুমি স্ত্রীকে দেওয়া মোহরানা ফেরত পাবে।

প্রতিকার:
জিনের অনিষ্ট, অপহরণ বা কুদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশিত সুন্নতি আমলগুলোর বিকল্প নেই। এই ঘটনাটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, অসতর্ক মুহূর্তেই মানুষ বিপদে পড়ে।

জিন কেন্দ্রিক সমস্যাগুলোর জন্য অতি দ্রুত সুন্নাহ সম্মত রুকইয়াহ চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। আপনার পরিবার বা পরিচিতদের মধ্যে যাদের জিন কেন্দ্রীক সমস্যা আছে তাদের রুকইয়াহ শরইয়াহ নিতে পরামর্শ দিন।

©️SukunLife

আমাদের চারপাশে অসংখ্য মানুষ বদনজর, ব্লাক ম্যাজিক, জিনের আসর এসব প্যারানরমাল সমস্যায় আক্রান্ত, আমরা কেউ নিজেই ভিকটিম, কার...
24/05/2026

আমাদের চারপাশে অসংখ্য মানুষ বদনজর, ব্লাক ম্যাজিক, জিনের আসর এসব প্যারানরমাল সমস্যায় আক্রান্ত, আমরা কেউ নিজেই ভিকটিম, কারো পরিবারস্থ লোক, আর কারো আত্মীয়স্বজন। আমার-আপনার চারপাশে এমন মানুষের অভাব নেই।

বহু বৈদ্য কবিরাজের কাছে ঘুরে ঘুরে বহু পরিশ্রম করে তারা প্রচুর টাকা পয়সা নষ্ট করে। এর পেছনে মেধা, শ্রম, সময় ব্যয় করে। অবশেষে কেউ সুস্থ জীবনের আশা ছেড়ে দেয়, আর কেউ স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। আর কবিরাজের কাজগুলো কুফরি-শিরকি হওয়ার কারণে নষ্ট হয় আখিরাতের পুঁজিও।

আর শরঈ সমাধান তথা রুকইয়াহ শারইয়্যার সাথে তো আমাদের দেশের ৯৯% মানুষই পরিচিত নয়। বরং অধিকাংশ মানুষের ভ্রান্ত বিশ্বাস হচ্ছে “কুফরি যাদু কাটতে কুফরিই করা লাগবে” (নাউযুবিল্লাহ)। এজন্য তাঁরা কবিরাজ-বৈদ্যদের কাছে যায়, আর দুনিয়া এবং আখিরাতের শুধু ধ্বংসই অর্জন করে।

এদের দুনিয়া এবং আখিরাতের ধ্বংস থেকে বাঁচানোর জন্যই রুকইয়াহ শারইয়্যাহ দরকার!

📍রুকইয়াহ শারইয়্যাহ কী?

🖍️রুকইয়াহ শারইয়্যাহ হলো-
“কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নামের যিকর, হাদিসে রাসূল ﷺ অথবা সালাফে সালেহীন থেকে বর্ণিত দোয়া পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে কোন বিপদ থেকে মুক্তি চাওয়া কিংবা রোগ থেকে আরোগ্য কামনা করা।”

একদম সহজে বললে, রুকইয়াহ হলো বদনজর, জ্বীন, যাদু ইত্যাদি প্যারানরমাল সমস্যার পাশাপাশি কিছু শারিরীক-মানসিক রোগের জন্য ইসলাম সম্মত চিকিৎসা।

এই চিকিৎসায় সাধারণত কুরানের আয়াত ও হাদীসে বর্ণিত দুয়া পড়ে সরাসরি চিকিৎসা করা হয়, অথবা পানি, মধু, জায়তুন তেল ইত্যাদিতে ফুঁ দিয়ে ব্যবহার করতে বলা হয়। কিন্তু কোনো তাবিজ কবজ ব্যবহার করা হয়না। বরং আগে থেকে কোনো তাবিজ থাকলে সেটিও খুলে নষ্ট করে ফেলে দিতে হয়।

রুকইয়াহ ভিন্ন একটি জগত...এরকম কতশত ঘটনা যে ফেইস করতে হয়...
21/04/2026

রুকইয়াহ ভিন্ন একটি জগত...এরকম কতশত ঘটনা যে ফেইস করতে হয়...

রুকইয়াহ ইফেক্ট বৈচিত্র্য
১ম রোগী:
প্রথমবার রুকইয়াহ করলেন কিছু হয়নি। দ্বিতীয় বার মাথা ঘুরে পরে যায়, আর কিছু হয়নি। তৃতীয় দফা রুকইয়াহ শুরু করে আউজুবিল্লাহ বলতেই চেঁচামেচি শুরু করে। তারপর চলতে থাকে জিনকে কষ্ট দেয়া, বাধ্য বাচ্চার মতো সরে গেল সামনে থেকে।

২য় রোগী:
বিয়ে হয় না দেখে এসেছিল। পরিবারের ভাষ্যমতে আর কোন সমস্যা নাকি তাদের নাই। কিন্তু রুকইয়াহ শুরু করতেই চেঁচিয়ে উঠল জিন। পরিবার এটাকেই তার স্বভাব মনে করত। কিন্তু যখন জিন বলে উঠল— “১০ বছর ধরে আছি। তুই বললেই চলে যাব নাকি?” তখন বুঝে আসছে সেটা জিন ছিলো। রুকইয়াহ করে দমিয়ে দিলেও যায়নি পুরোপুরি, ১ মাসের আমল দেয়া হলো।

৩য় রোগী:
৫ বছর যাবত জিনের সমস্যায় ভুগছে পরিবার। বাচ্চাকে পড়তে দেয় না, গলায় চিপে ধরে রক্ত বের করে ফেলে। বিছানা থেকে উঠিয়ে উপর থেকে ফেলে। আরো কত কাহিনি…! ৮ বছরে কবিরাজ দেখানো হয়ে গেছে কয়েক ডজন তারপরও সমাধান হচ্ছে না। রুকইয়াহ শুরু করলে প্রথমে একটু কাহিনি করছিল, পয়েন্ট মতো দশ মিনিট ধরে রুকইয়াহ করতেই কসম খেয়ে বের হয়ে গেল। ৫ বছরের সমস্যা ২৫ মিনিটও টিকলো না। আলহামদুলিল্লাহ। ।

৪র্থ রোগী:
বাসায় অনেক ঘটনা। জিন আসে৷ পাগলামি করে৷ লক্ষণও কম না। রুকইয়াহ শুরু করলেও কোন ইফেক্ট হয় না৷ নিয়ে এসেছিল রুকইয়াহ সম্পর্কে জানেন এমনি একজন আলিম। কিন্তু কোন ইফেক্ট হচ্ছে না। এক ঘণ্টা পর জিজ্ঞেস করলাম, ইদানীং কোন হুজুর দেখিয়েছেন? জি। আমাদের একজন ভালো আলিম আছেন। উনি কিছু ঝারফোঁক করেছেন৷ বললাম বাবার নাম নিয়েছে? বলেন- জি। একটা কাইতন বা সুতো পড়াও নাকি আছে সাথে। বললাম, দেখলেন তো কোন ইফেক্ট হচ্ছে না। এবার হাদিসের সে ঘটনা খেয়াল করুন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম বলেছে— যে ব্যক্তি কাহিন/আররাফের নিকট যাবে (প্রচলিত অর্থে কবিরাজ বা জিন হুজুর) তাদের ৪০ রাতের ইবাদাত কবুল হবে না। আপনাদেরও ৪০ রাত পর্যন্ত রুকইয়াহ কাজ করবে না। ইস্তিগফার পড়ে দেখুন কিছুক্ষণ৷ আবারও শুরু করলে অল্পতেই কাঁপা-কাঁপি শুরু হয়ে গেল…. ধারাবাহিকতায় শেষ হলো।

৫ম রোগী:
বড় বোন নিয়ে এসেছেন ছোট বোন। মাহরাম উপস্থিত করা সম্ভব না৷ পঞ্চাশোর্ধ বড় বোনের তেমন কোন সমস্যা নাই৷ জাস্ট বাচ্চা হয় না৷ তারপরও কথা শুনে সন্দেহ হলো। সতর্ক করে বসালাম। ৫ মিনিট দোয়া পড়তেই বড় বোনের জিন উঠে গেছে। ছোট বোনের মাত্র শুরু হচ্ছে মাথায় ধরে। দ্রুত রুকইয়াহ ক্লুজ করে সেল্ফ রুকইয়াহ দিলাম। বললাম, মাহরাম নিয়ে আসেন।

৬ষ্ঠ রোগী:
বাচ্চা মাদরাসায় পড়ে। হিফজ ধরেছে কিছুদিন হলো। তারপর থেকে হঠাৎ টয়লেট বন্ধ। গত ৫ মাসে মাত্র ১০ বার টয়লেট হয়েছে ছেলেটার। দেশের সব চিকিৎসা শেষ। কফি এনামা একমাত্র শেষ ভরসা। রুকইয়াহ করাতে বসালাম। আগ থেকেই বলা ছিলো নাবালক বাচ্চাদের সমস্যার জন্য মা নিয়ে আসতে হবে। রুকইয়া শুরু করতেই মা ও ছেলের ইফেক্ট হাল্কা হাল্কা শুরু। কিছু সময় বাচ্চার কাছে, কিছু সময় মায়ের কাছে। এভাবেই জিন ছুটাছুটি করছিল ভিতরে ভিতরে। চাপ দিয়ে ধরাতেই চিল্লাতে থাকল মায়ের বাম হাতে। আয়াতুল কুরসি পড়বে না....! আরো কত কথা। ছেলের বাবা আসমান থেকে পরল। আহলিয়া জিনে আক্রান্ত বিশ্বাস করতে পারছে না।

৭ম রোগী
এক মা তার মেয়ের জন্য হোম সার্ভিস চেয়েছেন। জিনের নজর সমস্যা মিলে। পরীক্ষার আগে পড়াশোনা সমস্যা এবং অত্যাধিক রাগারাগি করছে। মা এক প্রকার অতিষ্ঠ হয়ে কল করে সেন্টারে।
একজন রাকি পাঠানো হয়। যেহেতু ছোট মেয়ে পুরুষ না হলেও চলবে। পাশের বাসার মহিলাকে নিয়ে আসে। ১০ মিনিট না যেতে মেয়ের বদলে মায়ের শরীরে জিন উঠে আসে। ৩ ঘণ্টা পজেসড থাকার পর ছাড়ে।মেয়ের সমস্যা নিয়ে চিন্তিত মা কোনোদিন এমন কিছু ভাবেওনি। তার বংশে এমন ক্যাস নাই, এই মেয়েই প্রথম—এটা ছিলো প্রাথমিক ভাষ্য। তিন ঘণ্টা কী করেছেন জিজ্ঞাস করলে আর বলতে পারেন না এখন৷

৮ম রোগী:
হাসবেন্ড তার ওয়াইফকে নিয়ে বেশ চিন্তিত। নিয়ে এসেছেন বৌকে সুস্থ করার জন্য। আমরাও রুকইয়াহ শুরু করলাম। বিসমিল্লাহতে জিন হাজির, ৩০ বয়সের ছেলে অজোস্রে কান্না করছে৷ তারপর ধীরে ধীরে এগ্রেসিভ হলো৷ কুংফু কারাতে শুরু করল সে, ওয়াইফ এবং বাচ্চারা ভয়ে অন্যরুমে চলে গেল।

৯ম রোগী:
স্ত্রী নিয়ে এসেছেন তার অবাধ্য স্বামীকে। পাগলামি করে। উনারা একসাথে থাকতে পারেন না৷ আলিমা মানুষ তাই স্বামীকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে রুকইয়াহ করেন। স্বামীর নিয়তে অনেক আমল করেন। উনার সাথে লক্ষণ মিলানোর পর অবাক, হিস্ট্রি জিজ্ঞেস করে তো চক্ষু চড়কগাছ। উনার রুকইয়াহ লাগবে বলায় মাইন্ড করলেন, তারপর স্বামীর রুকইয়াহ'র কথা বলেই বসালাম৷ কিছুক্ষণ পর তিনি নিজেই দুলতে থাকলেন। আবোলতাবোল কথাবার্তাও বলা শুরু করলেন কিছুক্ষ পর৷ জিজ্ঞাসা করা হলে পরে বলছে, তাদ কিছুই নাকি হয়নি।

১০ম রোগী:
রোগী নিয়ে এসেছেন কোন ইফেক্ট নাই৷ লক্ষণ দেখে এমনটা হওয়ার কোন সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে না৷ ১ মাস আমল করে আসার পর দাম্ভিক মারিদ শয়তান এসে উপস্থিত। গতবার দম খিঁচে বসে ছিলো। পেশেন্ট পক্ষের অভিযোগ, রাকি ভালো না৷ কিছু করতে পারে নাই। এবার সামনে প্রকাশ পেতে বাধ্য হলো। এভাবেই মূলত সমস্যা ধাপে ধাপে প্রকাশ পায় ও সুস্থ হয়।

১১তম রোগী:
পুরো পরিবার রুকইয়াহ করা হলে কারো জিন এবং কারো শুধু জাদু ও নজর সমস্যা প্রকাশ পায়। পরবর্তী সময়ে বাচ্চা না হওয়ার সমস্যাটা সমাধান হয়ে এক মাসের ভিতর প্রেগ্নেন্ট হোন। তারপর দুইমাস গেলে ভাইয়ের সমস্যা দেখা দেয়। এবার রুকইয়াহ করে দেখি ভাইয়ের শরীরে জিন; যা আগে ছিলো না৷ এই কয়েকদিনে ঘটনাচক্রে তার শরীরে জিন প্রবেশ করে৷ এটাই বেশি সম্ভাবনা।

শিক্ষা:
এই-যে কয়েকজন রোগীর ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখতে পেলেন; তাদের যে কোন একজনের ঘটনা শুনে হতাশ বা অতি আশাবাদী হওয়া উচিত না। রুকইয়াহ করলে একেক সময় একেক অবস্থা হয়। যার জ্বর তারা নাপা, ভাইরাস হলে এন্টিবায়োটিক বা ইঞ্জেকশন, রোগ গেড়ে বসলে অপারেশনের দিক যাওয়া লাগে। তাই রুকইয়াহ যারা করবেন তাদের এসব জানা ও বুঝা খুবই জরুরি।

এছাড়া রুকইয়াহ ইফেক্ট মানে নিজের শরীরে জিন আসবে। জ্বরের পেশেন্ট টেস্ট রিপোর্টে ক্যান্সার আশা করে বসে থাকবে। এগুলো অন্যায় আশা। এমন কখনোই করা উচিত না। ইচ্ছাকৃত জিন এক্টিভেট করা, নজরের জিন শরীরে জোরপূর্বক ডেকে নিয়ে আসা এবং রিয়েকশনের নামে অরুচিকর পদ্ধতি অনুসরণ করার নাম রুকইয়াহ না; এগুলো অসুস্থ চর্চা। কারো নিকট এসব পদ্ধতি ভালো লাগলে সালাফদের রুকইয়াহ পদ্ধতি তার জন্য না। সে নিজের খায়েশাত মিটানোর জন্য কবিরাজের কাছে যেতেও দ্বিধাবোধ করার কথা না।

:::রুকইয়াহ এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: 01887753555

ফজরের নামাজের পরপর মারাত্মক দুর্ঘটনার সাক্ষ্য হলাম! ফরহাদাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় গেইট সংলগ্ন রোডে স্পীড ব্রেকারের উপরেই দুর্ঘ...
05/12/2025

ফজরের নামাজের পরপর মারাত্মক দুর্ঘটনার সাক্ষ্য হলাম! ফরহাদাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় গেইট সংলগ্ন রোডে স্পীড ব্রেকারের উপরেই দুর্ঘটনা টি ঘটে। চট্টগ্রাম থেকে ট্রাক আসতেছে মাছ নিয়ে, ফটিকছড়ি থেকে হাইজ যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে। অবস্থা দেখে বুঝা যাচ্ছে স্পীড ব্রেকারের কিছু অংশ একদিকে উঠে গেছে, গাড়ী দুনোটিই যেদিকে স্পীড ব্রেকার নেই সেদিকেই যেতে চাইছিলো!! হয়েগেলো মুখোমুখি...হাইজের ড্রাইভার এবং যাত্রীদের মধ্যে ৫-৬ জনের অবস্থা খুব খারাফ। মহান রব তাদের সহায় হোন। সকলে হেফাজত করুন।

01/11/2025

ইমাম মুহাম্মদ মুতাওয়াল্লি আশ-শারাওয়ী (রহ.) এক বিরল রেকর্ডকৃত আলোচনায় যাদু ভাঙার দোয়া সম্পর্কে বলেন —
সত্যিকার অর্থে যাদু কারও ক্ষতি করতে পারে না, যদি না আল্লাহ তাআলা নিজে তা অনুমতি দেন।

তিনি আল্লাহ তাআলার এই বাণী তাফসির করতে গিয়ে বলেনঃ

> “وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ ۚ وَمَا هُم بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ”
(সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১০২)

অর্থাৎ,

তারা (মানুষ) তাদের কাছ থেকে এমন কিছু শিখত যার দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাত। কিন্তু তারা কারও ক্ষতি করতে পারত না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া।
শায়খ আশ-শারাওয়ী (রহ.) বলেন—
মানুষ যখন এসব শেখে ও করে, তখন প্রশ্ন আসে, আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের এসব ক্ষতি থেকে কিভাবে রক্ষা করেন?
উত্তর হলো— যখন তুমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করবে যে, কেউ তোমাকে ক্ষতি করতে পারবে না যদি আল্লাহ না চান, তখন কোনো জাদুকর, শয়তান বা মানুষই তোমার কিছু করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন—

যদি তুমি এই বিশ্বাস হারাও এবং তাদের উপর নির্ভর করো (যাদুকর, ঝাড়ফুঁকওয়ালা প্রভৃতি), তখন আল্লাহ তাআলা তোমাকে তাদের হাতে ছেড়ে দেন, যেন তুমি বুঝে যাও যে প্রকৃত শক্তি কেবল তাঁরই।

অতএব, শারাওয়ী (রহ.) বলেন, যাদু ভাঙার সবচেয়ে বড় দোয়া ও সুরক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও আস্থা।
এবং তিনি এই দোয়া পড়তে বলেনঃ

"حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ"
“আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি, এবং তিনিই মহান আরশের প্রভু।”
(সূরা আত-তাওবা: ১২৯)

➡️ এই আয়াত প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় সাতবার করে পড়লে, ইনশাআল্লাহ, জাদু, হিংসা, বদনজর ও শয়তানের সব ক্ষতি থেকে নিরাপত্তা পাওয়া যায়।

26/06/2025

অনেক্ষণ দেখলাম,,চোখ দিয়ে পানি পড়ছে...

25/06/2025

একজন সাহাবীর রাতে ঠিকমতো ঘুম হতো না!

তিনি ঘুমানোর অনেক চেষ্টা করতেন, অনেক দুআ পড়তেন। তবুও তাঁর ঘুম আসতো না। তাঁর নাম ছিলো যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু; বিখ্যাত ওহী লেখক সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে গিয়ে তাঁর অনিদ্রার কথা জানান।

রাসূলুল্লাহ ﷺ যায়িদ ইবনে সাবিতকে একটি দুআ শিখিয়ে দিলেন।

দুআটি হলো- “আল্লাহুম্মা গারাতিন নুজুমু, ওয়া হাদাআতিল উয়ুনু, ওয়া আনতা হাইয়ুন কাইয়ুমুন, লা তা'খুযু কা ছিনাতুন ওয়ালা নাওম। ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুমু, আহদি' লাইলি ওয়া আনিম আইনি।” (তাবরানী: ৪৮১৭)

যার অর্থ হলো- “হে আল্লাহ! আকাশের তারাগুলো নিভে যাচ্ছে, কিন্তু আমার চোখ এখনো জাগ্রত। আর আপনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, ঘুম বা তন্দ্রা আপনাকে পরাভূত করতে পারে না। হে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, আমার রাতকে প্রশান্তিময় করুন এবং আমার চোখে ঘুম এনে দিন।”

কী সুন্দর দুআ!

এই দুআর আমল করার পর যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর অনিদ্রা সমস্যা কেটে যায়।

আরেকবার বিখ্যাত সাহাবী খালিদ ইবনে ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহুও রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে যান একই সমস্যা নিয়ে। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকেও একটি দুআ শিখিয়ে দেন। (জামে আত-তিরমিজি: ৩৫২৩)

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩০% মানুষের ঘুমে সমস্যা হয়, ঠিকমতো ঘুম হয় না!

ঘুম হলো আল্লাহর দেয়া একটি নেয়ামত, এটা রিজিক। আমরা রিজিক বলতে শুধুমাত্র খাবারকেই মনে করি। আসলে তা না। খাবার, টাকা-পয়সা হলো রিজিকের অনেকগুলো ভাগের মধ্যে একটি ভাগ। এর বাইরেও অনেক রিজিক আছে যেগুলোকে আমরা ‘রিজিক’ মনে করি না!

আপনার টাকা, বাড়ি, গাড়ি, খাবার সবই আছে। কিন্তু, ঠিকমতো ঘুম হয় না। ঘুমের ওষুধ খেতে হয় বা ঘুমের ওষুধ খেয়েও ঘুম আসে না। তাহলে আপনিই জানেন এই সমস্যা কতো জটিল, কতো কষ্টের। অনিদ্রা মানুষের সুখ কেড়ে নেয়, মানুষের মেজাজ নষ্ট করে।

অনিদ্রার অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হলো জিন-যাদু সংক্রান্ত সমস্যা। জিনের আছর বা যাদুর লক্ষণের মধ্যে অন্যতম একটি লক্ষণ হলো রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া, একেবারে শেষ রাতে ঘুম আসা, ঘুমালেই দুঃস্বপ্ন দেখা।

এজন্য ঘুমের আগে অনেক প্রস্তুতি নিতে হয়। চোখে ঘুম আসলো আর ঘুমিয়ে গেলেন এমনটা মুমিনের কাজ না।

ঘুমের আগে ৫-৭টি ছোটো ছোটো আমল আছে। যেগুলো করতে মাত্র ১০ মিনিট লাগে।

বেশিরভাগ মানুষ এই ব্যাপারে সচেতন না। যার ফলে ঘুম না আসলে ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, একসময় ওষুধও কাজে আসে না!

ঘুমের আগে যা যা করতে পারে:

১. ওজু করে ঘুমালে ফেরেশতা আপনার হেফাজতের জন্য দুআ করবে। (সহীহ বুখারী: ২৪৭)

২. বিছানা ঝাড়ু দিতে হবে এবং ঘুমের পূর্বে 'আল্লাহুম্মা বিসমিকা...' দুআটি পড়তে হবে। ডানপাশ হয়ে ঘুমাতে হবে। এটা সুন্নাত। (সহীহ বুখারী: ৬৩২০, ৬৩২৪)

৩. আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমালে সকাল পর্যন্ত জিন, শয়তান আপনার কাছে আসতে পারবে না। (সহীহ বুখারী: ২৩১১)

৪. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত 'আমানার রাসুলূহ...' পড়লে এটা আপনার জন্য যথেষ্ট। (সহীহ বুখারী: ৫০০৯)

৫. সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়ে হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নিতে হবে। (সহীহ বুখারী: ৫০১৭)

ইনশাআল্লাহ!! আমিন 🤲

22/06/2025

আজকের রুকইয়াহ সফর চট্টগ্রাম শহরে...

21/06/2025

ChatGPT কে জিজ্ঞেস করলাম রুকইয়াহ কী?
জবাবে যা এসেছে খুব সুন্দর দেখি-

ChatGPT said:

রুকইয়াহ (رقية) হলো কুরআন, দোয়া এবং সহিহ হাদীস থেকে নেওয়া নির্দিষ্ট আয়াত বা বাক্য ব্যবহার করে চিকিৎসা বা সুরক্ষা চাওয়ার একটি ইসলামি পদ্ধতি। এটি সাধারণত জিন, শয়তান, নজর লাগা (evil eye), যাদু বা কোনো অদৃশ্য ক্ষতি থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে করা হয়।

🕋 রুকইয়াহ দুই ধরনের হতে পারে:

রুকইয়াহ শারইয়াহ (شرعية) – কুরআন ও হাদীস ভিত্তিক বৈধ রুকইয়াহ, যেমন:

সূরা ফাতিহা

আয়াতুল কুরসি (সূরা বাকারাহ ২:২৫৫)

সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস

“আউধু বিখালিমাতিল্লাহি তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক” (সহিহ মুসলিম)

রুকইয়াহ শিরকিয়া (شرکية) – যে রুকইয়াহতে কুফরি, যাদু, তাবিজ, বা জিনের সাহায্য চাওয়া হয়, তা ইসলাম অনুযায়ী হারাম।

🧕 কবে রুকইয়াহ করা হয়?

কারো শরীরে হঠাৎ অসামান্য ব্যথা বা অসুস্থতা দেখা দিলে

দুঃস্বপ্ন, অশান্তি, আতঙ্ক, বা ঘুমের ব্যাঘাত হলে

ঘর বা পরিবেশে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে

নজর লাগা বা যাদুর সম্ভাবনা থাকলে

✅ রুকইয়াহ করার নিয়ম:

বিশুদ্ধ নিয়তে করা উচিত

নিজেই নিজের উপর রুকইয়াহ পড়া উত্তম

দোয়া ও আয়াত মুখে পড়া এবং পানি/তেলে ফুঁ দিয়ে ব্যবহার করা যায়

🌿 উদাহরণস্বরূপ রুকইয়াহ আয়াত:

সূরা ফালাক ও সূরা নাস – প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিনবার করে পড়া সুন্নাহ।

রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ বা সাহায্য পেতে আমার আইডি এবং গ্রুপের সাথে এড থাকতে পারেন। ধন্যবাদ

Mahfuz Chowdhury

রুকইয়াহ পরামর্শ - Ruqyah Consults

Address

Chittagong

Opening Hours

Monday 15:00 - 21:00
Tuesday 15:00 - 21:00
Wednesday 15:00 - 21:00
Thursday 15:00 - 21:00
Friday 16:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 13:00
15:00 - 21:00
Sunday 15:00 - 21:00

Telephone

+8801604943197

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম:

Shortcuts

Share