ফিজিওথেরাপি হোম সার্ভিস"চট্টগ্রাম সিটি"

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • ফিজিওথেরাপি হোম সার্ভিস"চট্টগ্রাম সিটি"

ফিজিওথেরাপি হোম সার্ভিস"চট্টগ্রাম সিটি" Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ফিজিওথেরাপি হোম সার্ভিস"চট্টগ্রাম সিটি", Medical and health, Chittagong.

★বাড়িতে বসে ডিগ্রিধারী ফিজিওথেরাপি সেবা ★
এটি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপি রোগীদের মধ্যে সেতুবন্ধন।
#ফিজিওথেরাপি #পেইন #প্যারালাইসিস #সার্জারির পরবর্তী চিকিৎসা ও পরামর্শ #01725734359

30/09/2025

#মানুষ কতটা খারাপ হতে পারে!!
এক সহকর্মী চিকিৎসকের কাছ থেকে শোনা একটি ঘটনায় আমি বিস্মিত হয়েছি।
একজন মহিলা রোগী দীর্ঘ দশ বছর ধরে সন্তানহীনতার কারণে মানসিক কষ্টে ভুগছিলেন। প্রথম গর্ভপাতের পর আর সন্তান না হওয়ায় তাঁর প্রথম সংসার ভেঙে যায়। দ্বিতীয় সংসারেও স্বামী আবার নতুন বিয়ে করেন। অবশেষে তিনি বিভিন্নের পরামর্শে ডা. হোসনে আরা খানম এর শরণাপন্ন হন।

#চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা শেষে করে একটা জিনিস খুঁজে পান— রোগীর জরায়ুর ভেতরে একটি কপার টি টেল রয়েছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। যখন রোগীকে ডাক্তার— কপার টি কবে বসানো হয়েছিল? রোগীর উত্তর ছিল, তিনি কখনোই এটি পরাননি।

পরে রোগী জানান, প্রথমবার বাড়িতে এবরশন করানোর কিছুদিন পর তাঁর স্বামী তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান "অভ্যন্তরে যেন কোনো সমস্যা না থাকে" এই অজুহাতে ওয়াশ করাতে। তখনই বোঝা যায়, স্বামীর তার স্ত্রীর অজ্ঞাতসারে শরীরে কপার টি বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জানতেই পারেননি কী ঘটেছিল।

কাউকে অপবাদ দিয়ে বা প্রতারণা করে জীবন ধ্বংস করা কতটা অমানবিক। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমস্যা থাকলে তা সম্মানের সাথে সমাধান করা উচিত, প্রয়োজনে বিচ্ছেদের পথও আছে। কিন্তু এভাবে প্রতারণা করে স্ত্রীকে সারাজীবন দোষারোপ করা এক ঘৃণিত অপরাধ। কত বড় ক্রিমিনাল চিন্তাভাবনা ওই স্বামীর।

#সংগৃহীত

12/09/2025

🌸 “মানুষকে তার অবস্থান দিয়ে নয়, তার আচরণ দিয়ে বিচার করুন।” 🌸

🎆জুম্মা মোবারক🎆

05/09/2025

শিশুদের ব্রেন ডেভেলপমেন্ট সংক্ষেপে করণী:-
✅ শিশুর সঙ্গে কথা বলুন ও গান/ছড়া বলুন
✅ চোখে চোখ রেখে হাসুন, খেলুন
✅ বিভিন্ন টেক্সচারের জিনিস ধরতে দিন
✅ নিয়মিত দুধ/খাবার ও ঘুম নিশ্চিত করুন
✅ প্রতিদিন কিছু সময় শিশু-কেন্দ্রিক খেলা
✅ শিশুকে আগ্রহ দেখালে সাড়া দিন
✅ অকারণে চিৎকার/মারধর না করা।

05/09/2025

Fasciitis
– #পায়ের গোড়ালির ব্যথার সমাধান

• আপনি কি ঘুম থেকে উঠেই প্রথম পা ফেলতে গিয়ে গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন❓
• অথবা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা হাঁটার পর মনে হয় গোড়ালিতে যেন কাঁটার মতো ব্যথা করছে❓
👉 এটাই হতে পারে Plantar Fasciitis।

🔎 Plantar Fasciitis কী?
Plantar fascia হলো আমাদের পায়ের নিচে গোড়ালি থেকে আঙুল পর্যন্ত থাকা একটি শক্ত টিস্যু ব্যান্ড। যখন এই টিস্যুতে অতিরিক্ত চাপ, টান বা প্রদাহ হয়, তখনই তৈরি হয় Plantar Fasciitis।

⚠️ #ঝুঁকির কারণসমূহ
* দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করা।
* অতিরিক্ত ওজন।
* হাই হিল বা সাপোর্টহীন জুতা ব্যবহার।
* খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ।
*ফ্ল্যাট ফুট বা অস্বাভাবিক আর্চ।

🩺 #সাধারণ লক্ষণ
* সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম হাঁটার সময় ব্যথা।
* দিনের শেষে গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা।
* গোড়ালির নিচে টান ধরা অনুভূতি।
* দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া।

@ #ফিজিওথেরাপিতে চিকিৎসা পদ্ধতি
#ব্যথা কমানোর জন্য আল্ট্রাসাউন্ড, TENS, Cryotherapy ইত্যাদি।
#পায়ের জন্য বিশেষ স্ট্রেচিং ও স্ট্রেংথেনিং এক্সারসাইজ।
#সঠিক ফুটওয়্যার ও অর্থোটিক সাপোর্ট পরামর্শ।
✅ ম্যানুয়াল থেরাপি ও টেপিং টেকনিক।
✅ দৈনন্দিন জীবনে পায়ের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা।

@ কেন ফিজিওথেরাপি জরুরি?
ফিজিওথেরাপি ছাড়া শুধু ওষুধ খেলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায়, কিন্তু সমস্যার মূল কারণ দূর হয় না।
#ফিজিওথেরাপি নিলে ব্যথা কমে, হাঁটাচলায় স্বাভাবিকতা ফিরে আসে, এবং পুনরায় ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

 #শিক্ষনীয় হচ্ছে- যে কোন ব্যথার ঔষধ খাবার আগে কমপক্ষে একটা CBC (platelet count নরমাল কিনা দেখার জন্য), S. bilirubin & SG...
20/08/2025

#শিক্ষনীয় হচ্ছে- যে কোন ব্যথার ঔষধ খাবার আগে কমপক্ষে একটা CBC (platelet count নরমাল কিনা দেখার জন্য), S. bilirubin & SGPT (লিভার ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য), S. creatinine (কিডনি ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য) ECG (হার্টে কোন সমস্যা আছে কিনা দেখার জন্য) করা উচিত। রোগী গরীব কিংবা ধনী এসব দেখার সুযোগ নেই।

ডাক্তাররা কেন টেস্ট করেন? কারনে না অকারনে? নাকি কমিশনের জন্য?। প্রথমে 2 টি ঘটনা বলি...
১। একবার 2 দিনের জ্বর নিয়ে ৩০ বছর বয়সী একজন রোগী আমাকে দেখালেন। আমি দেখার পর মনে হল ভাইরাল ফেভার। রোগীর প্রেসার কম আর খেতে পারছে না তাই রুটিন টেস্ট দিয়ে ভর্তি করলাম। ভর্তি হবার 2 ঘন্টা পর (তখনও রিপোর্ট আসে নাই) রোগী হঠাত খারাপ হয়ে গেল। রোগী খুবই ছটপট শুরু করল, প্রেসার 200/120, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রোগীকে আইসিইউতে নেয়া হল, কিছুক্ষণ পর (৩০ মিনিট এর মধ্যে) রোগী মারা গেল। ওই সময় আমি আর আমার একজন সিনিয়র স্যার সেখানে উপস্থিত ছিলাম। রোগী মারা যাবার পর রিপোর্ট আসল, আমরা দেখলাম platelet count 30000.

রোগীর লোকের কাছে আবারো ইতিহাস নেয়া হল। রোগীর লোক বলল গতকাল অনেক জ্বর ও গায়ে ব্যথা ছিল, গ্রামের ফার্মেসীতে গিয়ে ঔষধ চেয়েছি, diclofen ট্যাবলেট দিয়েছিল। শরীরে platelet count কম থাকলে যে কোন সময় রক্তক্ষরন শুরু হতে পারে। আবার ব্যথার ঔষধগুলো শরীরে রক্তক্ষরনের ঝুঁকি বাড়ায়। এই রোগীর platelet count কম ছিল, তার উপর diclofen খেয়ে ব্রেনে রক্তক্ষরন হয়ে রোগী মারা গেছে।

২। ৩/৪ দিন আগে একজন ডায়াবেটিসের রোগী জ্বর নিয়ে আমাকে দেখালেন, আমার মনে হল তার প্রসাবে ইনফেকশন, আমি প্রসাবের পরীক্ষা দিলাম, কিডনীর টেস্ট আগে করা ছিল, নরমাল ছিল তাই আর করালাম না। রোগী বাসা গেলো। ২ দিন পর রোগী হাস্পাতালে ভর্তি হল, রোগীর তেমন কোন উন্নতি নেই, C/S দেখার পর এ্যান্টবায়োটিক পরিবর্তন করবো, ভাবলাম কিডনী কেমন আছে দেখি (আগের রিপোর্ট খুজে পেলাম না, তাই কিডনীর পরীক্ষাটা করতে দিলাম)। রিপোর্ট আসার পর আমার কোনভাবেই সঠিক মনে হয় নাই, কারন S. creatinine 12 mg/dl ছিল, ল্যাবে বললাম রিপিট কর, রিপোর্ট একই আসল। S. electrolyes করে দেখলাম hyperkalaemia আছে। রোগীর গতকাল ডায়ালাইসিস করা হয়েছে।

তাহলে এসব টেস্ট কি অকারনে করা হয়েছিল???শিক্ষনীয় হচ্ছে-ডায়াবেটিস/হাইপ্রেসারের রোগীর মাঝে মাঝে (অন্তত ৬ মাসে ১ বার) এবং যে কোন acute illness এ ভাইটাল অর্গানগুলো চেক করা উচিত। (এই রোগীকে প্রথমেই কিডনীর পরীক্ষা দিলে, রোগী বলত সামান্য জর নিয়ে এলাম আর ডাক্তার এত গুলো পরিক্ষা অকারনে দিল, আর রোগী যখন খারাপ হয়ে গেল তখন রোগির লোকের ভাষ্য-আপনি আগে কেন কিডনী টেস্ট করালেন না)।

এবার আসি পরীক্ষা-নীরিক্ষায়। কোন পরীক্ষা কেন করা হয়??
CBC করে আমরা অনেকগুলো তথ্য পাই, যেমন-শরীরে রক্তের পরিমান কেমন, শরীরে কোন ইনফেকশন আছে কিনা, ব্লাড ক্যন্সার আছে কিনা এবং platelet count কেমন, যা কমে গেলে শরীর থেকে রক্ত ক্ষরন হতে পারে। যে কোন রোগির এই টেস্ট না করে তার শরীরের সার্বিক অবস্থা বুঝা সম্ভব না।

RBS এই পরীক্ষা দিয়ে কারো ডায়াবেটিস আছে কিনা তা স্ক্রেনিং করি। ১৮ বছর পর এই পরীক্ষা বছরে অন্তত একবার করা উচিত, তবে যাদের বাবা-মায়ের ডায়াবেটিস আছে আর যাদের ওজন বেশি তাদের বছরে অন্তত ২ বার (৬ মাস পর পর) করা উচিত। কারো যদি ডায়াবেটিস untreated or uncontrolled থাকে তবে তার কিডনী নষ্ট হয়ে যেতে পারে, হারট এ্যাটাক, ষ্ট্রোক, অন্ধত্ত সহ আরো অনেক জটিল রোগ হতে পারে।

S. creatinine এই টেস্ট দিয়ে আমাদের কিডনী ঠিক আছে কিনা দেখা হয়। কিডনী রোগ যত তারাতারি ধরা পরবে তত ভালো হবার সম্ভবনা বেশি। যাদের ডায়াবেটিস/হাইপ্রেসার আছে তাদের কিডনী নষ্ট হবার সম্ভবনা অনেক বেশি। তাছাড়া যে কোন ধরনের ব্যথার ঔষধ , কিছু প্রেসারের ঔষধ, কিছু ডায়াবেটিসের ঔষধ, বাত রোগের ঔষধ, ক্যান্সারের ঔষধ দেয়া না দেয়া, কি ডোজে দিতে হবে তা নির্ভর করে S. creatinine এর উপর। বছরে অন্তত একবার S. creatinine করা উচিত।

Urine R/E এটি খুবই সাধারন একটি পরীক্ষা কিন্তু খুবই ইনফরমেটিভ, এটি দিয়ে প্রসাবে ইনফেকশন আছে কিনা, কিডনীতে কোন সমস্যা আছে কি না, কিডনীতে কোন পাথর আছে কিনা, ডায়াবেটিস আছে কিনা ইত্যাদি জানা যায়। এছাড়াও কারো কিডনীতে সমস্যা কেবল শুরু হয়েছে কিনা (যা চিকিতসায় ভালো করা সম্ভব) তাও বোঝা যায় (প্রসাব দিয়ে যদি protein যায় তবে বুঝতে হবে কিডনীতে সমস্যা শুরু হয়েছে)।

ECG গত সপ্তাহে একজন ডায়াবেটিস রোগী দেখেছিলাম, যিনি ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন, ভেবেছিলেন ঔষধ খাবার আর দরকার নেই, তার ডায়াবেটিসের পরীক্ষা, কিডনীর পরীক্ষা আর ECG করতে দিলাম, ECG তে Recent anterior MI আসল, ইকো করার পর Ischaemic cardiomyopathy আসল। ডায়াবেটিস ও হাইপ্রেসারের রোগীর বছরে অন্তত একবার এবং বুকে যে কোন সমস্যা হলে ECG করা উচিত। কারন Heart attack বয়স্ক এবং ডায়াবেটিসের রোগীর বুকে কোন ব্যাথা ছাড়াই হতে পারে।

আমার নন-মেডিকেল বন্ধুদের বলছি কেউ যদি এসব টেস্ট (CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG) করেন, তাহলে ভাববেন না আর জীবনেও এসব করা লাগবে না, আপনি যদি আজ সব টেস্ট করেন আর কালকেই যদি আপনার বুকে ব্যাথা হয় তবে আবারো ECG করতে হবে। দয়া করে ভুল বুঝবেন না। ডাক্তার যে টেস্ট করতে দেন তা আপনার জন্যই, আপনার চিকিতসার জন্যই।

আমি আমার ছাত্র-ছাত্রীদের বলছি, তোমরা কোন রোগীকে চিকিতসা দেবার আগে সবসময় চেষ্টা করবে রুটিন পরীক্ষাগুলো করাতে, কারন একটা জিনিস মনে রাখবে, মেডিকেল সাইন্সে হিরো কখনই তুমি হতে পারবেনা, কিন্তু তোমার এক ভুলে তুমি জিরো হয়ে যাবে। রোগী গরীব বা ধনী সবাইকে আইডিয়াল এপ্রোচ করবে, যে টেস্ট লাগবে তা রোগীকে করতে বলবে, রোগি যদি করতে না চায় তবে নোট লিখে রাখবে এবং চিকিতসা দিবে; রোগী ভালো না হলে তোমাকে বেশি চার্জ করবে না, কারন চিকিতসার জন্য দরকা্রি পরিক্ষাতো তারা করান নাই। কিন্তু তুমি যদি পরীক্ষা না করাতে দাও আর রোগীর উন্নতি না হয় বা ঔষধের কোন সাইড ইফেক্ট হয় তবে তোমার ঘাড় ধরে বলবে আপনি কেন পরীক্ষা না করিয়ে চিকিতসা দিলেন??

সবার জন্য বলছি আপনি আপনার টিভি, ফ্রিজ, বাইক, গাড়ি মাঝে মাঝে চেক করেন, সার্ভিসিং করেন, নিজের শরীরটার বছরে ১ বার সার্ভিসিং করেন, বছরে ১ বার CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG, Fasting lipid profiles করে একজন ফিজ়িশিয়ানকে দেখান। এসবের জন্য ২০০০-২৫০০ টাকার বেশি খরচ হবে না। নিজের জন্য বছরে অন্তত এই টাকাটা খরচ করুন, তাহলে ভবিষ্যতে অনেক ভালো থাকবেন।.............................................
ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মণ্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।
প্রতিষ্ঠাতা- ডাক্তারখানা।
Collected
pic for attention

28/07/2025
26/07/2025

ফ্রোজেন শোল্ডার (Frozen Shoulder) হলো এক ধরনের চিকিৎসাবিদ্যাগত অবস্থা, যেখানে কাঁধের জয়েন্ট শক্ত হয়ে যায় এবং ব্যথা ও চলাচলে সীমাবদ্ধতা দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে adhesive capsulitis বলা হয়।

কেন হয়?
সাধারণত কাঁধের জয়েন্টের আশেপাশের টিস্যুগুলো (capsule) মোটা ও শক্ত হয়ে গেলে এবং সেখানে প্রদাহ বা আঁটসাঁটভাব তৈরি হলে এই সমস্যা দেখা দেয়। এটি বিশেষ করে বেশি হয়:

দীর্ঘদিন কাঁধ নাড়াচাড়া না করলে (যেমন আঘাত, সার্জারির পর বিশ্রামকালীন)।

#ডায়াবেটিস, #স্ট্রোক বা #থাইরয়েড সমস্যা থাকলে।

৪০-৬০ বছর বয়সের মধ্যে, বিশেষ করে পুরুষদের থেকে নারীদের বেশি হয়।

চিকিৎসা
ফ্রোজেন শোল্ডার সাধারণত ধীরে ধীরে ভালো হয়, তবে চিকিৎসা ছাড়া কয়েক বছরও লাগতে পারে। চিকিৎসার মধ্যে থাকে:

#ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাঃ ১। ইলেক্ট্রথেরাপি ২। ব্যায়াম( এক্সারসাইজ) #সোল্ডার মোবিলাইজিং এক্সারসাইজ- Exercise: সামান্য এগিয়ে দাঁড়িয়ে আক্রান্ত হাত ঝুলিয়ে ছোট ছোট বৃত্তে ঘোরানো। Stretch: একটি তোয়ালে ধরে পেছন দিয়ে হাত ওঠানো ও নামানো। Walk: দেয়ালে হাত দিয়ে আঙুল দিয়ে হেঁটে হাত উপরের দিকে তোলা। -Body Reach: আক্রান্ত হাতটি অন্য হাতের সাহায্যে বিপরীত দিকের কাঁধের দিকে টানা। #রেঞ্জ অব মোশন এক্সারসাইজ(ROM) #হালকা স্ট্রেচিং ব্যায়াম #আইস প্যাক বা হট প্যাক প্রয়োগ
#সতর্কতা সতর্কতা (Precautions): ★ব্যথা সহ্য করার মতো মাত্রায় ব্যায়াম করা উচিত। ★হঠাৎ জোর করে নড়াচড়া বাড়ানোর চেষ্টা করলে ইনজুরি বাড়তে পারে।
ADVERTISEMENT

নিয়মিত ব্যায়াম ও ধৈর্য সহকারে চিকিৎসা নিলে বেশিরভাগ মানুষ পুরোপুরি সেরে ওঠে।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফিজিওথেরাপি হোম সার্ভিস"চট্টগ্রাম সিটি" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share