19/02/2026
রমজান মাস এমন একটি সময়, যখন খাবারের নিয়মে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে। এই সময় সুস্থ, প্রাণবন্ত ও ফিট থাকতে সচেতনভাবে খাবার খাওয়া এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রমজানকে আরও স্বাস্থ্যকর করতে নিচে ১০টি Golden Rule দেওয়া হলোঃ
১. পানি দিয়ে ইফতার শুরু করার পর স্যুপ গ্রহণ করুন। খাওয়ার পর ৫–১০ মিনিট বিরতি নিন, যাতে খাবারের পর ঘুম ঘুম ভাব, পেট ফাঁপা, বদহজম এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা এড়ানো যায়।
২. ধীরে ধীরে খান এবং খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খান।
৩. ভাজা বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবারের পরিবর্তে সেদ্ধ, গ্রিল বা বেক করা খাবার বেছে নিন।
৪. রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা। এটি প্রতিরোধ করতে ইফতারে রঙিন সবজি দিয়ে তৈরি সালাদ রাখুন। ইফতার থেকে সেহরির মধ্যে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৫. কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবার ওজন বাড়াতে পারে। তাই পাস্তা, ভাত, পাউরুটি ইত্যাদি পরিমিত পরিমাণে খান। যদি কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবার খান, তাহলে রুটি এড়িয়ে চলুন বা সীমিত করুন।
৬. রমজানের খাবার সাধারণত কার্বোহাইড্রেট ও চর্বিতে বেশি হয়। তাই ইফতারের পর মিষ্টি খেতে চাইলে দুধভিত্তিক কম-ক্যালরিযুক্ত ডেজার্ট বেছে নিন। সপ্তাহে ১–২ দিনের বেশি মিষ্টি খাবেন না।
৭. ইফতার ও সেহরির মাঝখানে ফল, বাদাম, দুধ বা দই দিয়ে হালকা নাস্তা করতে পারেন।
৮. ইফতারের পর সক্রিয় থাকার চেষ্টা করুন। ঘরের ভেতরে বা বাইরে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।
৯. সারাদিন শক্তি বজায় রাখতে অবশ্যই সেহরি করুন।
১০. সেহরিতে ভারী ও তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, যাতে হজমে চাপ না পড়ে। দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে প্রোটিনসমৃদ্ধ নাস্তা গ্রহণ করুন। সারাদিন তৃষ্ণা এড়াতে জলপাই ও পনির কম লবণ দিয়ে খেতে পারেন।