BD Physio

BD Physio Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BD Physio, Medical and health, Chittagong.

BD PHYSIO, CHATTOGRAM —
আপনার ঘরেই দক্ষ ফিজিওথেরাপি সেবা। স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, কোমর-ঘাড়-হাঁটু ব্যথা ও জয়েন্ট সমস্যায় হোম সার্ভিস। সুস্থতা এখন আপনার দোরগোড়ায়।
*Prevention is better than cure
*প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম
WhatsApp: 01521-475541

কোমর ব্যথা কি পিএলআইডি (PLID)? জানুন কারণ, লক্ষণ ও সমাধান! আমরা অনেকেই দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথায় ভুগি। সাধারণ ব্যথা ভেবে...
18/05/2026

কোমর ব্যথা কি পিএলআইডি (PLID)? জানুন কারণ, লক্ষণ ও সমাধান!

আমরা অনেকেই দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথায় ভুগি। সাধারণ ব্যথা ভেবে অবহেলা করলেও, এটি হতে পারে PLID বা Pr*****ed Lumbar Intervertebral Disc।

❓ PLID কী?
আমাদের মেরুদণ্ডের হাড়ের (কশেরুকা) মাঝে জেলির মতো নরম ডিস্ক থাকে, যা ঝাঁকুনি শোষণ করে। যখন এই ডিস্ক তার স্থান থেকে সরে গিয়ে নার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখন তাকে PLID বা ডিস্ক প্রলাপস বলে।

🚩 প্রধান লক্ষণসমূহ:
👉কোমর থেকে ব্যথা পা পর্যন্ত ছড়িয়ে যাওয়া (Sciatica)।
👉পায়ে ঝিনঝিন, অবশ ভাব বা দুর্বলতা।
👉দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে বা দাঁড়ালে ব্যথা বেড়ে যাওয়া।
👉হাঁটতে বা সামনের দিকে ঝুঁকতে কষ্ট হওয়া।
👉গুরুতর ক্ষেত্রে প্রস্রাব বা পায়খানার নিয়ন্ত্রণে সমস্যা।

⚠️ কেন হয়?
👉দীর্ঘক্ষণ ভুল ভঙ্গিতে বসে কাজ করা ও পেশাগত কাজের চাপ।
👉ভুলভাবে ভারী বস্তু তোলা।
👉ওজন বেড়ে যাওয়া।
👉হঠাৎ কোমরে আঘাত বা দুর্ঘটনা।

✅ করণীয় ও চিকিৎসা:
অধিকাংশ ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসায় অপারেশন ছাড়াই PLID ভালো হয়।

👉বিশ্রাম: শক্ত বিছানায় বিশ্রাম।

👉ফিজিওথেরাপি: ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শে সঠিক ব্যায়াম করা।
👉.Back Support ব্যবহার করা : Lumber Corset Belt,Lumber Roll,Back Rest.

👉.Ergonomic Change :Ergonomic Change মানে হলো আপনার বসার স্থান বা কাজের পরিবেশকে শরীরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা। সহজ কথায়, এটি আপনার বসার চেয়ার, টেবিল বা কাজের ভঙ্গি পরিবর্তন করা যাতে মেরুদণ্ডের ওপর বাড়তি চাপ না পড়ে।
কোমর ব্যথার ক্ষেত্রে এর মূল উদ্দেশ্য হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বাঁক বা সঠিক অবস্থানে রাখা।

🪑 কোমর ব্যথার জন্য কিছু জরুরি Ergonomic Change:
👉সঠিক চেয়ার ব্যবহার: কোমরের নিচের অংশকে সাপোর্ট দেয় (Lumbar support) এমন চেয়ার ব্যবহার করুন।
👉বসার ভঙ্গি: সোজা হয়ে বসুন, কাঁধ রিল্যাক্স রাখুন এবং পা মেঝেতে সমানভাবে রাখুন।
👉কম্পিউটার স্ক্রিনের উচ্চতা: স্ক্রিনটি চোখের সমান্তরালে রাখুন যাতে ঘাড় বা পিঠ বাঁকাতে না হয়।
👉ভারী জিনিস তোলার নিয়ম: কোমর বাঁকিয়ে নয়, বরং হাঁটু গেড়ে বসে সোজা হয়ে ভারী জিনিস তুলুন।
👉কাজের মাঝে বিরতি: প্রতি ৩০-৪০ মিনিট পর পর একটু উঠে দাঁড়ান এবং শরীর স্ট্রেচ করুন।

ADL🌸: কোমর ব্যথার জন্য ADL (Activities of Daily Living) বা নিত্যদিনের কাজ করার সময় মেরুদণ্ডের সুরক্ষায় কিছু নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

এগুলোকে রিহ্যাবিলিটেশনের ভাষায় 'ব্যাক কেয়ার বা বায়োমেকানিক্স' বলা হয়। নিচে প্রয়োজনীয় ADL-এর তালিকা দেওয়া হলো:

🛌 ১. শোয়া এবং বিছানা থেকে ওঠা
👉উপুড় হয়ে শোবেন না: এটি মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক বাঁককে নষ্ট করে।
👉পাশ ফিরে শোয়ার সময়: দুই হাঁটুর মাঝখানে একটি বালিশ রাখুন।
👉চিত হয়ে শোয়ার সময়: দুই হাঁটুর নিচে 👉একটি বালিশ বা কোলবালিশ রাখুন।
👉বিছানা থেকে ওঠার নিয়ম: সোজা হয়ে একবারে ওঠার চেষ্টা করবেন না। প্রথমে একপাশে কাত হয়ে দুই পা বিছানার নিচে ঝুলিয়ে দিন। এরপর হাতের ওপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসুন।
🪑 ২. বসা এবং দাঁড়িয়ে থাকা
টানা বসা বর্জন: ৩০-৪০ মিনিটের বেশি একটানা বসে থাকবেন না। মাঝে মাঝে উঠে একটু হাঁটুন।
🌼নিচু স্থানে বসবেন না: মেঝেতে, মোড়ায় বা পিঁড়িতে বসা সম্পূর্ণ পরিহার করুন।
দাঁড়ানোর ভঙ্গি: দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হলে একটি ছোট টুল বা পিঁড়ির ওপর অল্টারনেট করে এক পা উঠিয়ে রাখুন।

📦 ৩. ভারী জিনিস তোলা বা বহন করা
কোমর বাঁকিয়ে কিছু তুলবেন না: নিচ থেকে কিছু তোলার সময় কোমর বাঁকাবেন না। প্রথমে হাঁটু ভাঁজ করে বসে পড়ুন (Squatting position), জিনিসটি শরীরের কাছাকাছি আনুন এবং এরপর পায়ের জোরে সোজা হয়ে দাঁড়ান।
🌺ভারী জিনিস বহন: কোনো ভারী জিনিস বা বাজারের ব্যাগ এক হাতে বহন না করে দুই হাতে সমান ওজন ভাগ করে নিন।

🚶‍♂️ ৪. হাঁটা এবং সিঁড়ি ব্যবহার
জুতো নির্বাচন: নরম সোলের ফ্ল্যাট হিল বা স্পোর্টস শু ব্যবহার করুন। হাই হিল সম্পূর্ণ বর্জন করুন।
🌷সিঁড়ি ভাঙার নিয়ম: সিঁড়িতে ওঠার সময় সুস্থ পা প্রথমে এবং নামার সময় আক্রান্ত বা দুর্বল পা আগে দিন। রেলিং ধরে সাবধানে চলাচল করুন।

🚽 ৫. টয়লেট ও গোসল
হাই কমোড ব্যবহার: লো কমোড ব্যবহার করলে কোমরে তীব্র চাপ পড়ে। সব সময় হাই কমোড ব্যবহার করতে হবে।
🏵️গোসলের সময়: গোসলে নিচে বসে মগ দিয়ে পানি না ঢেলে শাওয়ার ব্যবহার করুন বা উঁচু টুলে বসে গোসল সম্পন্ন করুন।
এই নিয়মগুলো মেনে চললে মেরুদণ্ডের ডিস্ক ও নার্ভের ওপর অযাচিত চাপ অনেকাংশে কমে আসবে।

💮ওষুধ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পেইনকিলার বা নার্ভের ওষুধ।
অপারেশন: যদি ২-৩ মাস চিকিৎসাতেও উন্নতি না হয় বা পা অবশ হতে থাকে, তবে সার্জারির (Microdiscectomy/Endoscopic) প্রয়োজন হতে পারে।

⚠️ সতর্কতা: অবহেলা করলে পা প্যারালাইসিস পর্যন্ত হতে পারে। তাই লক্ষণ দেখলে দ্রুত ফিজিওথেরাপিস্ট বা অর্থোপেডিক,নিউরোমেডিসিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও নিউরো সার্জনের পরামর্শ নিন।

সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন! ❤️

#পিএলআইডি #কোমরব্যথা #স্বাস্থ্যসচেতনতা

17/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, সুস্থতা এক বড় নেয়ামত! �

আমাদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্ট্রোকের রোগী মিঃ রবার্ট সন (পুলিশ সদস্য)এখন অনেকটাই সুস্থ। যখন তিনি হাসপাতালে এসেছিলেন, তখন তার শারীরিক অবস্থা বেশ জটিল ছিল।
নিয়মিত সঠিক ফিজিওথেরাপি এবং তার প্রবল ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে তিনি এখন এতটাই স্বাভাবিক যে আমাদের গান গেয়ে শোনাচ্ছেন।

একজন ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে যখন দেখি আমার রোগী সুস্থ হয়ে এভাবে হাসিমুখে গান গাইছেন, তখন সব পরিশ্রম সার্থক মনে হয়। মিঃ রবার্ট সনের জন্য অনেক শুভকামনা ও দোয়া রইল।

17/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে স্ট্রোক পরবর্তী ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদানের মাধ্যমে রোগীদের সুস্থ করে তোলার এই প্রচেষ্টা আমার জন্য সবসময়ই অনুপ্রেরণার।

আজ আমার অত্যন্ত পরিশ্রমী রোগী মিঃ রবার্ট সন (পুলিশ সদস্য) এর সাথে সেশনের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করছি। দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে তার এই উন্নতির প্রতিটি ধাপ আমাদের আশাবাদী করে তোলে।

সঠিক ফিজিওথেরাপি এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব।

সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী যেন এভাবেই মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারি।

#ফিজিওথেরাপি #সুস্থতা

কাঁধ শক্ত হয়ে গেছে? হাত ওপরে তুলতে বা পিঠের দিকে নিতে তীব্র ব্যথা হচ্ছে? এটি হতে পারে ‘ফ্রোজেন শোল্ডার’ (Frozen Shoulder...
17/05/2026

কাঁধ শক্ত হয়ে গেছে?
হাত ওপরে তুলতে বা পিঠের দিকে নিতে তীব্র ব্যথা হচ্ছে? এটি হতে পারে ‘ফ্রোজেন শোল্ডার’ (Frozen Shoulder)! shoulder
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে অ্যাডহেসিভ ক্যাপসুলাইটিস (Adhesive Capsulitis) বলা হয়। আমাদের কাঁধের জয়েন্টের চারপাশের ক্যাপসুল বা আবরণটি যখন মোটা এবং শক্ত হয়ে যায়, তখন কাঁধের স্বাভাবিক নড়াচড়া মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে যাদের **ডায়াবেটিস** আছে, তাদের এই সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। এছাড়া কাঁধে কোনো আঘাত পেলে বা দীর্ঘদিন হাত না নাড়িয়ে রাখলে এই রোগ হতে পারে।

ফ্রোজেন শোল্ডারের ৩টি প্রধান ধাপ বা লক্ষণ:
১.Freezing Stage (ব্যথার ধাপ):কাঁধে তীব্র ব্যথা শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে নড়াচড়ার ক্ষমতা কমতে থাকে। রাতে ব্যথার তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়।
২.Frozen Stage (জ্যাম হওয়ার ধাপ):এ পর্যায়ে ব্যথা কিছুটা কমে এলেও কাঁধ একদম শক্ত বা জ্যাম হয়ে যায়। চুল আঁচড়ানো, জামা পরা বা পিঠের দিকে হাত নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।
৩.Thawing Stage (স্বাভাবিক হওয়ার ধাপ):কাঁধের জ্যাম ভাব ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে এবং নড়াচড়া স্বাভাবিক হতে থাকে (তবে সঠিক চিকিৎসা না পেলে এই ধাপ আসতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে)।

প্রাথমিক করণীয়:
হালকা গরম সেঁক:কাঁধের পেশি ও জয়েন্টের শক্ত ভাব কমাতে দৈনিক ২-৩ বার ১০-১৫ মিনিট হালকা গরম পানির সেঁক দিতে পারেন।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: আপনার ডায়াবেটিস থাকলে তা কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখুন, কারণ রক্তে সুগার বেশি থাকলে এই ব্যথা সহজে কমতে চায় না।
সহনীয় নড়াচড়া: তীব্র ব্যথার ভয়ে হাত একদম না নাড়িয়ে ফেলে রাখবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হালকা নড়াচড়া বজায় রাখুন।
🚫যা করবেন না:জোর করে হাত ওপরে তোলার চেষ্টা করবেন না কিংবা কোনো কবিরাজি মালিশ বা টানাহেঁচড়া করবেন না।

⚠️পরামর্শ:
পেনকিলার খেয়ে ফ্রোজেন শোল্ডার কখনো ভালো হয় না, বরং তা লিভার ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। এই সমস্যার একমাত্র এবং প্রধান কার্যকরী চিকিৎসা হলো সঠিক ফিজিওথেরাপি। বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট কিছু মোবিলাইজেশন টেকনিক, জয়েন্ট ম্যানিপুলেশন এবং থেরাপিউটিক এক্সারসাইজের মাধ্যমে কাঁধের নড়াচড়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।কাঁধের এই কষ্টদায়ক জ্যাম ভাব অবহেলা না করে দ্রুত একজন ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।

**কনুইয়ের বাইরের দিকে তীব্র ব্যথা? হাত দিয়ে কিছু ধরতে বা চিপতে গেলেই কি কষ্ট হচ্ছে? এটি হতে পারে ‘টেনিস এলবো’ (Tennis El...
17/05/2026

**কনুইয়ের বাইরের দিকে তীব্র ব্যথা? হাত দিয়ে কিছু ধরতে বা চিপতে গেলেই কি কষ্ট হচ্ছে? এটি হতে পারে ‘টেনিস এলবো’ (Tennis Elbow)!** 🎾💪
শুধু টেনিস খেলোয়াড়দেরই নয়, যারা দৈনন্দিন জীবনে হাতের কব্জি ও কনুই অতিরিক্ত ব্যবহার করেন—যেমন রান্নাবান্না, ঘর মোছা, কাপড় চিপা, কম্পিউটার টাইপিং, পেইন্টিং কিংবা ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করেন, তাদের কনুইয়ের পেশির টেন্ডনে অতিরিক্ত চাপের কারণে এই প্রদাহ বা ব্যথা হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় **‘ল্যাটারাল এপিকন্ডাইলাইটিস’ (Lateral Epicondylitis)**।
**সাধারণ লক্ষণসমূহ:**
* কনুইয়ের বাইরের দিকের হাড়ে তীব্র বা মৃদু ব্যথা হওয়া।
* হাত দিয়ে কিছু তুলতে গেলে, চাবির মোচড় দিতে গেলে কিংবা করমর্দন (Handshake) করতে গেলে ব্যথা কনুই থেকে নিচের দিকে ছড়িয়ে পড়া।
* হাতের মুঠো বা গ্রিপ করার শক্তি কমে যাওয়া।
* সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কনুই কিছুটা শক্ত বা জ্যাম হয়ে থাকা।
**প্রাথমিক করণীয়:**
* **বিশ্রাম (Rest):** যে সব কাজে বা মোচড়ে কনুই ও কব্জিতে ব্যথা বাড়ে, সেই কাজগুলো কিছুদিনের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ রাখুন বা কমিয়ে দিন।
* **বরফ সেঁক (Ice):** ব্যথার স্থানে দৈনিক ২-৩ বার ১৫-২০ মিনিট কাপড়ে পেঁচানো বরফ কুচি দিয়ে সেঁক দিন।
* **এলবো ব্রেস (Tennis Elbow Brace):** চিকিৎসকের পরামর্শে কনুইয়ের পেশির ওপর চাপ কমাতে বিশেষ টেনিস এলবো ব্যান্ড বা ব্রেস ব্যবহার করতে পারেন।
* 🚫 **যা করবেন না:** ব্যথার জায়গায় কোনো ধরনের শক্ত মালিশ, বাম বা তেল দিয়ে টানাহেঁচড়া একদম করবেন না। এতে প্রদাহ আরও বেড়ে যেতে পারে।
⚠️ **পরামর্শ:**
পেনকিলার খেয়ে সাময়িকভাবে এই ব্যথা চেপে রাখলে পরবর্তীতে এটি ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় রূপ নিতে পারে। সঠিক **ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা** (যেমন: ডিপ ফ্রিকশন ম্যাসাজ, স্ট্রেচিং ও পেশি শক্তিশালী করার নির্দিষ্ট এক্সারসাইজ)-এর মাধ্যমে এই সমস্যা পুরোপুরি দূর করা সম্ভব।
কনুইয়ের এই কষ্টদায়ক ব্যথা অবহেলা না করে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।

**হাতে অবশ ভাব, ঝিনঝিন করা বা সুচ ফোটার মতো অনুভূতি? এটি হতে পারে ‘কারপাল টানেল সিন্ড্রোম’ (Carpal Tunnel Syndrome)!** 🫳...
17/05/2026

**হাতে অবশ ভাব, ঝিনঝিন করা বা সুচ ফোটার মতো অনুভূতি? এটি হতে পারে ‘কারপাল টানেল সিন্ড্রোম’ (Carpal Tunnel Syndrome)!** 🫳⚡
আমাদের কব্জির ভেতর দিয়ে একটি সরু পথ বা টানেল গেছে, যাকে 'কারপাল টানেল' বলা হয়। এই টানেলের ভেতর দিয়ে যাওয়া **মিডিয়ান নার্ভ (Median Nerve)** নামক প্রধান স্নায়ুটির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়লে হাতের আঙুল অবশ বা ঝিনঝিন করতে পারে।
দীর্ঘসময় কিবোর্ড-মাউস ব্যবহার, বাইক চালানো, সেলাইয়ের কাজ, গর্ভকালীন হরমোনের পরিবর্তন কিংবা কব্জির অতিরিক্ত মোচড়ানোর কাজের কারণে সাধারণত এই সমস্যা দেখা দেয়।
**সাধারণ লক্ষণসমূহ:**
* বৃদ্ধাঙ্গুল, তর্জনী, মধ্যমা এবং অনামিকার অর্ধেক অংশ ঝিনঝিন করা, অবশ লাগা বা সুই ফোটার মতো ব্যথা হওয়া।
* বিশেষ করে রাতে বা ভোরের দিকে হাতের অবশ ভাব ও ব্যথা বেড়ে যাওয়া, যার কারণে ঘুম ভেঙে যেতে পারে।
* হাত থেকে হঠাৎ জিনিসপত্র হাত ফসকে পড়ে যাওয়া বা হাতের গ্রিপ দুর্বল হয়ে যাওয়া।
* হাত ঝাড়া দিলে সাময়িকভাবে কিছুটা আরাম পাওয়া।
**প্রাথমিক করণীয়:**
* **কাজের মাঝে বিরতি:** একটানা কব্জি বাঁকা করে কোনো কাজ করবেন না। প্রতি ৩০-৪০ মিনিট পর পর হাত ও আঙুল সোজা করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম দিন।
* **সঠিক পজিশন:** কম্পিউটার ব্যবহারের সময় কিবোর্ড ও মাউস এমনভাবে রাখুন যেন কব্জি সোজা থাকে (Ergonomic position)।
* **রিস্ট স্প্লিন্ট (Wrist Splint):** রাতে ঘুমানোর সময় কব্জি সোজা রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শে স্প্লিন্ট বা ব্রেস ব্যবহার করতে পারেন।
* **বরফ সেঁক:** কব্জির ভেতরের ফোলা বা প্রদাহ কমাতে দৈনিক ১০-১৫ মিনিট বরফ সেঁক দিতে পারেন।
⚠️ **পরামর্শ:**
অনেকে একে সাধারণ রক্ত চলাচল কমে যাওয়া মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন নার্ভের ওপর চাপ থাকলে হাতের মাংসপেশি শুকিয়ে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। কোনো ধরনের পেনকিলার ছাড়াই সঠিক **ফিজিওথেরাপি** (যেমন: নার্ভ গ্লাইডিং এক্সারসাইজ ও ইলেক্ট্রোথেরাপি)-র মাধ্যমে এই সমস্যা সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।
হাতের অসাড়তা অবহেলা না করে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।

**বৃদ্ধাঙ্গুল বা কব্জির গোড়ায় তীব্র ব্যথা? এটি হতে পারে ‘ডি কোয়ারভেন টেনোসাইনোভাইটিস’ (De Quervain's Tenosynovitis)!মোবা...
17/05/2026

**বৃদ্ধাঙ্গুল বা কব্জির গোড়ায় তীব্র ব্যথা?
এটি হতে পারে ‘ডি কোয়ারভেন টেনোসাইনোভাইটিস’ (De Quervain's Tenosynovitis)!

মোবাইল বা ল্যাপটপে অতিরিক্ত টাইপিং, নতুন মায়েদের বারবার সন্তানকে কোলে নেওয়া, কিংবা রান্নাবান্নার সময় কব্জির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বৃদ্ধাঙ্গুলের গোড়ার রগ এবং তার চারপাশের কাভারে প্রদাহ বা ব্যথা হতে পারে। একে সহজ ভাষায় "টেক্সট থাম্ব" (Text Thumb)-ও বলা হয়।

**সাধারণ লক্ষণসমূহ:**
* বৃদ্ধাঙ্গুলের নিচের অংশে বা কব্জির পাশে তীব্র ব্যথা এবং ফুলা।
* বুড়ো আঙুল নাড়াতে কিংবা হাত দিয়ে কিছু শক্ত করে ধরতে গেলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া।
* কব্জি ঘোরাতে বা মোচড় দিতে কষ্ট হওয়া।
* কখনো কখনো আঙুল নাড়ানোর সময় সামান্য খটখট শব্দ হওয়া।
**সহজ ঘরোয়া পরীক্ষা (Finkelstein's Test):**
বৃদ্ধাঙ্গুলটি হাতের তালুর ভেতর রেখে বাকি ৪ আঙুল দিয়ে শক্ত করে মুষ্টি (Fist) তৈরি করুন। এবার মুষ্টিটি নিচের দিকে (কনিষ্ঠ আঙুলের দিকে) বাঁকান। যদি কব্জির বুড়ো আঙুলের গোড়ায় তীব্র টান বা ব্যথা লাগে, তবে আপনার এই সমস্যা থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

**প্রাথমিক করণীয়:**
* **বিশ্রাম (Rest):** যে কাজে বা মোচড়ে ব্যথা বাড়ে, সেই কাজগুলো কিছুদিনের জন্য কমিয়ে দিন বা বন্ধ রাখুন।
* **বরফ সেঁক (Ice):** ব্যথার স্থানে দৈনিক ২-৩ বার ১০-১৫ মিনিট বরফ কুচি কাপড়ে পেঁচিয়ে সেঁক দিন।
* **স্প্লিন্ট ব্যবহার (Splint):** চিকিৎসকের পরামর্শে কব্জি ও বুড়ো আঙুলকে বিশ্রামে রাখতে বিশেষ ‘থাম্ব স্প্লিন্ট’ ব্যবহার করতে পারেন।

* 🚫 **যা করবেন না:** ব্যথার জায়গায় জোর করে মালিশ বা টানাহেঁচড়া একদম করবেন না।

⚠️ **পরামর্শ:**
প্রাথমিক অবস্থায় এই ব্যথা অবহেলা করলে পরবর্তীতে হাতের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। পেনকিলার না খেয়ে সঠিক **ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা** এবং নির্দিষ্ট কিছু আলতো স্ট্রেচিং ও স্ট্রেন্থেনিং এক্সারসাইজের মাধ্যমে এই সমস্যা সম্পূর্ণ দূর করা সম্ভব।

আপনার হাতের সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা অবহেলা না করে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।

**খেলার মাঠে বা হঠাৎ মোচড় লেগে হাঁটুতে তীব্র ব্যথা? এটি হতে পারে ‘এসিএল ইনজুরি’ (ACL Injury)!**আমাদের হাঁটুর ভেতরের হাড়গ...
17/05/2026

**খেলার মাঠে বা হঠাৎ মোচড় লেগে হাঁটুতে তীব্র ব্যথা?
এটি হতে পারে ‘এসিএল ইনজুরি’ (ACL Injury)!**

আমাদের হাঁটুর ভেতরের হাড়গুলোকে একসাথে ধরে রাখতে এবং হাঁটুর স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অন্যতম প্রধান লিগামেন্ট হলো **ACL (Anterior Cruciate Ligament)**। ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন বা দৌড়ঝাঁপের সময় হঠাৎ দিক পরিবর্তন করলে, লাফ দিয়ে ভুলভাবে ল্যান্ড করলে কিংবা হাঁটুতে সরাসরি আঘাত লাগলে এই লিগামেন্টটি আংশিক বা পুরোপুরি ছিঁড়ে যেতে পারে।

**সাধারণ লক্ষণসমূহ:**
* আঘাত পাওয়ার মুহূর্তে হাঁটুতে একটি "পপ" (Pop) বা মচকে যাওয়ার শব্দ হওয়া।
* তীব্র ব্যথার সাথে সাথে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাঁটু প্রচণ্ড ফুলে যাওয়া।
* হাঁটু লক হয়ে যাওয়া বা সোজা করতে কষ্ট হওয়া।
* পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ালে হাঁটু ছেড়ে দিচ্ছে বা ভেঙে আসছে এমন অনুভূতি হওয়া।

**প্রাথমিক করণীয়:**
* **বিশ্রাম (Rest):** হাঁটুতে কোনো ধরনের ওজন বা চাপ দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করুন।
* **বরফ সেঁক (Ice):** ফুলা ও ব্যথা কমাতে দিনে কয়েকবার ১৫-২০ মিনিট কাপড়ে পেঁচানো বরফ সেঁক দিন।
* **হাঁটু উঁচুতে রাখা (Elevation):** শুয়ে থাকার সময় হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে পা কিছুটা উঁচুতে রাখুন।

* 🚫 **যা করবেন না:** কোনো অবস্থাতেই হাঁটুতে গরম সেঁক বা তেল মালিশ করবেন না। এতে ভেতরের রক্তক্ষরণ ও ফুলা আরও বেড়ে যেতে পারে।

⚠️ **পরামর্শ:**
এসিএল ইনজুরি অবহেলা করলে পরবর্তীতে হাঁটুর জয়েন্ট দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায় (Osteoarthritis)। তাই ইনজুরি গ্রেড ১ বা ২ হলে অপারেশনের প্রয়োজন হয় না, সঠিক **ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন এক্সারসাইজ**-এর মাধ্যমেই হাঁটু আগের মতো শক্তিশালী করে তোলা সম্ভব। আর গ্রেড ৩ (সম্পূর্ণ ছিঁড়ে গেলে) সার্জারির পর দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতেও ফিজিওথেরাপি অপরিহার্য।

হাঁটুর সুরক্ষায় যেকোনো ইনজুরিতে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

**হঠাৎ পা মচকে গিয়ে গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা ও ফুলা? এটি হতে পারে ‘এংকেল স্প্রেইন’ (Ankle Sprain)!** হাঁটাহাঁটি, দৌড়াদৌড়ি বা...
17/05/2026

**হঠাৎ পা মচকে গিয়ে গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা ও ফুলা?
এটি হতে পারে ‘এংকেল স্প্রেইন’ (Ankle Sprain)!**

হাঁটাহাঁটি, দৌড়াদৌড়ি বা অসাবধানতাবশত পা পিছলে উল্টে গেলে গোড়ালির লিগামেন্ট অতিরিক্ত টেনে ধরে বা ছিঁড়ে যায়। একেই আমরা সাধারণত "পা মচকে যাওয়া" বা এংকেল স্প্রেইন বলি।

**সাধারণ লক্ষণসমূহ:**
* গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা এবং দ্রুত ফুলে যাওয়া।
* আক্রান্ত স্থানে কালশিটে (Bruising) পড়া।
* পায়ে ভর দিয়ে ঠিকমতো দাঁড়াতে বা হাঁটতে না পারা।
**প্রাথমিক করণীয় (RICE Formula):**
* **Rest (বিশ্রাম):** আক্রান্ত পায়ে কোনো ধরনের চাপ দেবেন না, হাঁটাচলা থেকে বিরত থাকুন।
* **Ice (বরফ সেঁক):** প্রথম ৪৮-৭২ ঘণ্টা প্রতি ১-২ ঘণ্টা পর পর ১৫-২০ মিনিট বরফ কুচি কাপড়ে পেঁচিয়ে সেঁক দিন। (সরাসরি বরফ লাগাবেন না)।
* **Compression (চাপ দেওয়া):** ফুলা কমাতে গোড়ালিতে হালকা টাইট করে ক্রেপ ব্যান্ডেজ জড়িয়ে রাখুন।
* **Elevation (উঁচুতে রাখা):** শুয়ে থাকার সময় পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পা হার্টের লেভেলের চেয়ে কিছুটা উঁচুতে রাখুন।

⚠️ **সতর্কতা:** পা মচকে যাওয়ার পর অনেকে মালিশ বা টানাহেঁচড়া করেন, যা লিগামেন্টের ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দেয়। প্রথম কয়েকদিন গরম সেঁক বা তেল মালিশ একদমই করবেন না।
ব্যথা তীব্র হলে বা পা নাড়াতে না পারলে অবহেলা না করে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন। সঠিক থেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন এক্সারসাইজ গোড়ালিকে আবার আগের মতো শক্তিশালী করে তোলে।

**গোড়ালি বা গোড়ালির পেছনের তীব্র ব্যথা নিয়ে ভুগছেন? এটি হতে পারে ‘একিলিস টেন্ডিনাইটিস’ (Achilles Tendinitis)!আমাদের পায়...
17/05/2026

**গোড়ালি বা গোড়ালির পেছনের তীব্র ব্যথা নিয়ে ভুগছেন?
এটি হতে পারে ‘একিলিস টেন্ডিনাইটিস’ (Achilles Tendinitis)!

আমাদের পায়ের গোড়ালির পেছনের শক্ত রগটিকে বলা হয় একিলিস টেন্ডন। অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ, দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকা, কিংবা ভুল জুতো ব্যবহারের কারণে এই টেন্ডনে প্রদাহ বা ব্যথা হতে পারে।

**লক্ষণসমূহ:**
* সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা ও শক্ত ভাব।
* হাঁটলে বা দৌড়ালে ব্যথা বেড়ে যাওয়া।
* গোড়ালির পেছনের অংশ ফুলে যাওয়া বা গরম অনুভূত হওয়া।

**প্রাথমিক করণীয় (RICE Formula):**
* **Rest:** পা-কে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন, অতিরিক্ত হাঁটাচলা বন্ধ রাখুন।
* **Ice:** ব্যথার স্থানে দৈনিক ১৫-২০ মিনিট বরফ সেঁক দিন।
* **Compression:** চিকিৎসকের পরামর্শে ক্রেপ ব্যান্ডেজ ব্যবহার করতে পারেন।
* **Elevation:** ঘুমানোর সময় পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পা কিছুটা উঁচুতে রাখুন।

⚠️ **সতর্কতা:** ব্যথা অবহেলা করলে এই টেন্ডন ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই তীব্র বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথায় দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন এবং সঠিক এক্সারসাইজ ও থেরাপির মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠুন।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD Physio posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share