08/03/2026
নবজাতকের যত্নে জন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানো, শরীর উষ্ণ রাখা (স্কিন-টু-স্কিন কন্টাক্ট), নাভি পরিষ্কার ও শুকনো রাখা, এবং নিয়মিত ডায়াপার পরিবর্তন করা অপরিহার্য [১, ৪, ৭]। প্রথম ২৪ ঘণ্টা গোসল না দেওয়া ভালো, এরপর সপ্তাহে ২-৩ বার গোসল করানোই যথেষ্ট [২, ৭]। অপরিষ্কার হাতে শিশুকে ধরবেন না এবং শিশুর নাক, মুখ ঢেকে রাখবেন না [১২, ১৫]।
নবজাতকের যত্নের বিস্তারিত নির্দেশিকা:
বুকের দুধ ও পুষ্টি: জন্মের প্রথম ৬ মাস শুধু বুকের দুধ (১-৩ ঘণ্টা পরপর) খাওয়াতে হবে [১৩]। বুকের দুধই শিশুর পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধের জন্য যথেষ্ট।
উষ্ণতা ও আরাম: শিশুকে সবসময় পরিষ্কার, নরম পোশাকে মুড়িয়ে রাখুন এবং মাথা ঢেকে রাখুন [১, ১১]। মা ও শিশুর মধ্যে সরাসরি চামড়ার স্পর্শ (Kangaroo Mother Care) শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে [৭]।
নাভি ও ত্বক: নাভি শুকিয়ে পড়ে না যাওয়া পর্যন্ত শুকনো ও পরিষ্কার রাখুন, কোনো পাউডার বা তেল দেবেন না [২, ১০]। গোসলের সময় নাভি ভেজালে দ্রুত শুকিয়ে ফেলুন।
পরিচ্ছন্নতা ও গোসল: জন্মের অন্তত ৩ দিন পর প্রথম গোসল করান [১১]। শিশুর ত্বক সংবেদনশীল, তাই প্রয়োজন হলে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন [২]।
নিরাপদ ঘুম: শিশুকে সবসময় চিত করে (পিঠের ওপর) সমতল ও শক্ত বিছানায় ঘুমান, যাতে দম বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি না থাকে [১২]।
বিপজ্জনক লক্ষণ (তৎক্ষণাৎ ডাক্তার দেখান):
শরীর অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম হওয়া [৭, ৮]।
বুকের দুধ না খাওয়া বা সব বমি করে দেওয়া।
শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া।
নাভি দিয়ে পুঁজ বা রক্ত পড়া।
জ্বর বা জন্ডিসের কারণে শরীর হলুদ হয়ে যাওয়া [৯, ১০]।
নবজাতকের সুস্থতার জন্য ঘর পরিচ্ছন্ন রাখা এবং আত্মীয়-স্বজন আসার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন।
আপনার নবজাতক কি নিয়মিত বুকের দুধ খাচ্ছে এবং পর্যাপ্ত প্রস্রাব করছে?