মেডি ক্যাম্পাস- Medi Campus

মেডি ক্যাম্পাস-  Medi Campus ডাক্তার রা সব সময় মানুষের সেবায় নিয়োজিত, তাই তো পৃথিবীতে ডাক্তারী পেশা এখনো ১ নম্বর পেশা ।

25/05/2026

ডাক্তার সরকারি আর বে সরকারি কি??
ডাক্তার হয়েছে ডাক্তার, পুলস্টপ.....

রোগীকে প্রেসক্রিপশন ও ওষুধের স্লিপ  দিলাম। সুন্দর করে প্রেসক্রিপশনটা ফেলে দিয়ে স্লিপ নিয়ে হাসপাতাল-ফার্মেসি থেকে ওষুধ উঠ...
08/05/2026

রোগীকে প্রেসক্রিপশন ও ওষুধের স্লিপ দিলাম। সুন্দর করে প্রেসক্রিপশনটা ফেলে দিয়ে স্লিপ নিয়ে হাসপাতাল-ফার্মেসি থেকে ওষুধ উঠিয়ে চলে গেল।

এত যত্ন করে, ভালবাসা দিয়ে প্রেসক্রিপশন লিখি। অথচ কত সহজেই এরা নষ্ট করে ফেলে । এই একটা প্রেসক্রিপশন যে একজন চিকিৎসকের কত-শত শ্রম, সাধনার ফসল, তা যদি এরা জানতো!!!

অবশ্য জানবেই বা কিভাবে?উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর ম্যাক্সিমাম রোগীর(কমপক্ষে ৭০-৮০%) উদ্দেশ্য ফ্রি-তে ওষুধ নেওয়া। রোগ থাকুক আর না থাকুক। মিথ্যা রোগের কথা বলে সরকারি ওষুধ নেওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। দরকার হইলে হাঁস-মুরগিকে খাওয়াবে, তাও ওষুধ নিবে! কল্পনা করতে পারেন!!!

গতকাল এক রোগীকে তার চাহিদামতো(যেটা রোগের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ) ওষুধ না দেওয়ায় আমার মুখের উপর ওষুধ ছুড়ে দিয়ে বকতে বকতে চলে গেল। তার নাকি গাড়ি ভাড়া দিয়ে হাসপাতালে আসা-ই লস হয়ে গেছে।

এরকম ফেইক রোগীদের কারণেই তৈরি হয় ওষুধের কৃত্রিম সংকট। ফলে যারা প্রকৃত রোগী, তারা ওষুধ পায় না। এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে সঠিক পথে না এনে আপনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি চান কিভাবে!!!আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পরবে না তো, সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভাঙবে?

©️ Dr. Humayun Kabir

ব্যক্তিগত। গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ। পড়ার জন্য অনুরোধ।। আমি কখনো কাউকে কোন কিছু শেয়ার করার অনুরোধ করিনি। আজ করছি। বিভিন্ন ক...
27/04/2026

ব্যক্তিগত। গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ।
পড়ার জন্য অনুরোধ।।

আমি কখনো কাউকে কোন কিছু শেয়ার করার অনুরোধ করিনি। আজ করছি।

বিভিন্ন কারণে বেশ কিছুদিন আমি সোশ্যাল মিডিয়াতে তেমন সক্রিয় নই। শরীর-মন বয়সের জানান দেয়। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে দু'একটি প্রিন্ট মিডিয়া এবং বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাকে নিয়ে যা হচ্ছে তাতে আমি সত্যিই কিংকর্তব্যবিমূঢ়, বিস্মিত এবং বিপর্যস্ত। যথেচ্ছ গালাগালি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, হত্যার হুমকি, চরিত্রহননসহ কোন ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার এমন কোন প্রক্রিয়া নাই যা আমাকে অকারণে সহ্য করতে হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম দীর্ঘ এই ফেসবুক পোষ্টের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ঘটনাটির স্মৃতি এবং তাতে আমার ভূমিকা সম্পর্কে সংক্ষেপে সাধারণ জনগণের কাছে বিষয়টি যতটুকু পারি স্পষ্ট করার , যাতে অন্তত কিছু মানুষ হলেও বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে, তার মধ্যে দু'একজন হয়তো সাহস করে পাশেও দাঁড়াতে পারে, তবে আমাকে নিয়ে যেভাবে ভীতিকর ট্রেন্ড চলছে তাতে সে প্রত্যাশাটাও দুরাশা বলেই মনে হয়।

যাই হোক, ঘটনার সূত্রপাত আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগে 2016 সালে, কুমিল্লাতে। সে সময় আমি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে কর্মরত ছিলাম। ওই সময় একদিন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে আনা হয়। উল্লেখ্য, তনুর মৃতদেহটি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এর মধ্যে সংরক্ষিত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। কলেজের রোস্টার অনুযায়ী ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক যথারীতি সেদিন ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে তিনি পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দাখিল করেন। এটি ছিল প্রথম তনু ময়না তদন্ত।
ময়নাতদন্ত একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর টেকনিক্যাল এবং গোপনীয় বিষয়, যিনি ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন, রিপোর্ট লেখা সহ সকল দায়িত্ব তারই থাকে, ফলে প্রথম ময়নাতদন্তের সাথে আমার কোনই সম্পর্ক ছিলনা।
এরপর বিষয়টি নিয়ে সে সময় বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রচুর পরিমাণে আলোচনা সমালোচনা শুরু হলে জনমনে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হয়। সে প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে ৩ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ বোর্ডের মাধ্যমে ১০/১৫ দিন পর কবর থেকে লাশ তুলে যখন ২য় বার ময়নাতদন্ত করা হয় তখন সঙ্গত কারণেই লাশটি ডিকম্পোজ্ড বা পচা অবস্থায় পাওয়া যায়। আমি আদালত কর্তৃক নির্দেশিত ২য় বার ময়নাতদন্তের জন্য গঠিত ওই বোর্ডের প্রধানের দায়িত্ব পালন করি। বোর্ডের সকল বিশেষজ্ঞ সদস্য বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যা যা বিবেচনা করা সম্ভব সেগুলি বিবেচনা করে।

সিআইডি'র মাধ্যমে তনুর ব্যবহৃত জামা কাপড় সহ বিভিন্ন নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করা হয় এবং তাতে তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর ডিএনএ পাওয়া যায়।
সেটি দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত রিপোর্টে সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়।
যেহেতু গরম আবহাওয়ায় ১০-১৫ দিন পর লাশটি কবর থেকে উদ্ধার করে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়, সেহেতু লাশটি যথেষ্ট পরিমাণে পচে গিয়েছিল, ফলে বিশেষজ্ঞ বোর্ড ডিকম্পোজড বডি থেকে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কোন সুনির্দিষ্ট কারণ উদ্ধার করতে পারেনি, তবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় তদন্তকারী কর্তৃক সারকমস্টেনশিয়াল এভিডেন্স বা পারিপার্শ্বিক ঘটনাক্রম বিবেচনায় এ মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হতে পারে। যারা ফরেন্সিক মেডিসিনের ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে ধারণা রাখেন তারা জানেন দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের ক্ষেত্রে এটি একটি বিজ্ঞানসম্মতভাবে গ্রহণযোগ্য মতামত।

ওই রিপোর্টে কোনভাবেই উল্লেখ করা হয়নি যে তনু ইচ্ছাকৃতভাবে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যৌন সংসর্গ করেছিল। সম্ভবত তিনজনের ডিএনএ পাওয়ার ব্যাপারটিকেই এখানে কোরিলেট করা হয়েছে।

ওই রিপোর্টে কি লেখা হয়েছিল তা সাধারণ জনগণের জানার বা বোঝার কথা নয়, কিন্তু জনগণ হয়তো আবেগের বশবর্তী হয়ে নিজেদের মতো করে ভেবে নিয়েছে।
আর সেই ভুল বোঝাবুঝির খেসারত দিতে হচ্ছে শুধু আমাকে। আমার পক্ষে তো আর এই হাজার হাজার মানুষকে এতকিছু বোঝানো সম্ভব নয়।
তদন্তকারী সংস্থা যদি আসামিকে শনাক্ত করতে পারে এবং আদালত যদি বিচার করে তাদের শাস্তি দিতে পারে, সেক্ষেত্রে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট কখনই তার অন্তরায় নয় বরং সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
আমি আবারো উল্লেখ করতে চাই আদালতের নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট বোর্ডের মাধ্যমে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তটি সম্পন্ন হয় এবং সকল বিশেষজ্ঞ সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে রিপোর্ট প্রস্তুত করে তা জমা দেওয়া হয়।

ময়না তদন্ত সম্পর্কিত আমার প্রতিটি উল্লেখিত বক্তব্য লিগালি ডকুমেন্টেড এবং লিগ্যাল ডকুমেন্ট হিসেবে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের নিকট সংরক্ষিত এবং তা যাচাইযোগ্য।
এখানে আমি সবার জ্ঞাতার্থে উল্লেখ করতে চাই যে, আমি আমার পেশাগত জীবনে কয়েক হাজার পোস্টমর্টেম পরীক্ষা দক্ষতা ও সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছি।

আমি আমার জানামতে কখনো কোন গুরুতর অন্যায়ের সাথে আপোষ করিনি।
কিন্তু আমি যে বিষয়ে কাজ করি অর্থাৎ ফরেন্সিক মেডিসিন সেখানে সবসময়ই কোনো না কোনো পক্ষ সংক্ষুব্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।

আমি নিজেও অবশ্যই চাই তনুর ঘটনার যথাযথ তদন্ত হোক এবং প্রকৃত দোষী ব্যক্তিরা শাস্তি পাক।

পরবর্তী অদ্ভুত বিষয়টি হচ্ছে, যে পোষ্টটি সবচেয়ে ভাইরাল হয়েছে, সেই পোস্ট দানকারি তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অফিসার তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে জানিয়েছেন -আমি নাকি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। আমি কি কোন অপরাধ করেছি! আমি শুধুমাত্র চিকিৎসক হিসেবে সরকারি দায়িত্ব পালন করেছি। আমি দেশ ছেড়ে পালাতে যাব কেন ?
অভিযোগের উৎস বিবেচনায় কি মনে হয় না যে,
কেউ বা কোন গোষ্ঠী কারো ব্যক্তিগত স্বার্থে আমাকে অপদস্থ করার চেষ্টা করছে। ঘটনার সাথে আমার কোন একক ব্যক্তিগত সম্পর্ক না থাকলেও কেন শুধু আমাকেই টার্গেট করা হচ্ছে- বিষয়গুলো বিবেচনার দাবি রাখে।

যাই হোক, সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহ আমার মান-সম্মান-পেশা -সমাজ- বন্ধুবান্ধব -পরিবার সবকিছুকে একদম তছনছ করে দিয়েছে, এমনকি আমি আমার জীবন নিয়েও শংকিত বোধ করছি, কারণ সোশ্যাল মিডিয়াতে মবের মাধ্যমে এবং আরো বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এমনকি আমাকে হত্যার হুমকি এবং আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আরো একটি বিষয় লক্ষ্য করছি, যারা আমাকে কোনদিন চেনে না, জানে না, তারা যা করছে তাদের সাথে সাথে নিজের অজান্তে হয়তো কখনো কোন ক্ষুদ্র কারণে যাদের বিরাগ ভাজন হয়েছি তারাও আজ সুযোগ বুঝে যা ইচ্ছে তাই বলে যাচ্ছে।

এবার সকল ঘটনাক্রম এবং তথাবলী বিবেচনায় নিলে আমার প্রতি অন্যায় হচ্ছে, নাকি ন্যায় হচ্ছে -তা নির্ধারণের ভার আমি জনগণকে দিলাম।
লেখাটি বেশ দীর্ঘ হওয়ায় এটি তেমন গোছালো হয়নি।

Sometimes science and emotion do not run parallel.
Kamoda P. Saha

গত এডমিশনে একটি রোগী আসে শায়েস্তাগঞ্জ থেকে পেটে ব্যথা ,পেট ফোলা নিয়ে। History নিয়ে জানতে পারলাম,১৫ দিন আগে বাচ্চা নষ্...
26/04/2026

গত এডমিশনে একটি রোগী আসে শায়েস্তাগঞ্জ থেকে পেটে ব্যথা ,পেট ফোলা নিয়ে।
History নিয়ে জানতে পারলাম,১৫ দিন আগে বাচ্চা নষ্ট হওয়ার জন্য তার D&c হয়েছে।

উৎকট গন্ধে এডমিশন রুমে কেউ রোগীর কাছে যেতে পারছিল না, আমাদের জন্য রুমে থাকাটাই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছিল। পরীক্ষা করার পর দেখা গেল, জরায়ুর মুখ দিয়ে গলগল করে পুঁজ আসছে এবং বাচ্চার একটা ভাঙ্গা হাড্ডি পাওয়া গেল।

আমরা ধারণা করে নিলাম, D&c করার সময় অবশ্যই জরায়ু ছিদ্র করে ফেলা হয়েছে। এক্সরে করার পর রোগীর সারা পেটে ছড়ানো ছিটানো বাচ্চার গুঁড়া গুঁড়া হাড্ডি পাওয়া গেল।
Surgery ডিপার্টমেন্ট যখন সেটা অপারেশন করলো, দেখা গেল ঘটনা আসলেই তাই। জরায়ু ছিদ্র করে বাচ্চার সবগুলো হাড় রোগীর peritoneal cavity তে (ছবিতে এগুলো বের করে আনা হয়েছে)।

রোগীর লোকদের এত সাহস কিভাবে হয় যে তারা এরকম D&c বাসায় করাতে পারে?

-Dr.Snigdha Talukder

আমাদের ডাক্তার সমাজ থেকে আর ও একটি তরুণ ডাক্তারের বিদায়, দুনিয়ার জন্য আমাদের কতই না পরিকল্পনা 😢😢সকলের সব প্রচেষ্টাকে ব্য...
26/10/2025

আমাদের ডাক্তার সমাজ থেকে আর ও একটি তরুণ ডাক্তারের বিদায়, দুনিয়ার জন্য আমাদের কতই না পরিকল্পনা 😢😢
সকলের সব প্রচেষ্টাকে ব্যার্থ করে দিয়ে
ময়নামতি মেডিকেল কলেজের ৭ম ব্যাচের ছাত্র (সেশন ২০১৭-১৮)
ডাঃ জয় মজুমদার পরপারে পারি জমিয়েছে। সে আর আমাদের মাঝে নেই।
ওঁ দিব্যান লোকান সঃ গচ্ছতু! 😭
পরম করুনাময় উনার পরিবারের প্রতি সহায় হোক।
(Collected)

পরীক্ষা স্থগিতের নিউজ দেখে সাথে সাথেই বাসের টিকেট কিনে ধরা খেয়েছি, এখন শুনি এটা নাকি ভুয়া ছিলো..আমার  ৬৫০ টাকা পানিতে গে...
10/07/2025

পরীক্ষা স্থগিতের নিউজ দেখে সাথে সাথেই বাসের টিকেট কিনে ধরা খেয়েছি, এখন শুনি এটা নাকি ভুয়া ছিলো..আমার ৬৫০ টাকা পানিতে গেল😂😂

মাশাআল্লাহ এক জন চিকিৎসকের লিখা অনেক সুন্দর।
09/07/2025

মাশাআল্লাহ এক জন চিকিৎসকের লিখা অনেক সুন্দর।

একটি আধুনিক আল্ট্রাসাউন্ডের গল্প এবং চলতি ভাইরাস  টপিক ... 😎
24/01/2024

একটি আধুনিক আল্ট্রাসাউন্ডের গল্প
এবং চলতি ভাইরাস টপিক ... 😎

তার নাম ইয়াহিয়া মোহাম্মাদ আমিন। সাইকোলজিতে তার কোনো ডিগ্রী নাই। পড়াশুনা করেছে আহ্সান উল্লাহ্ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলে...
21/01/2024

তার নাম ইয়াহিয়া মোহাম্মাদ আমিন। সাইকোলজিতে তার কোনো ডিগ্রী নাই। পড়াশুনা করেছে আহ্সান উল্লাহ্ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপরে। সে আহ্সান উল্লাহয় ভর্তি হয়েছিলো ২০০৮ সালে আর বিএসসি পাশ করেছে ২০২০ সালে। সে বিরাট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সেজে চেম্বার খুলে নিয়মিত রোগী দেখছে, ওষুধ দিচ্ছে। তার ফি ঘণ্টায় ১০ হাজার টাকা! ইউটিউবে তার সাবস্ক্রাইবার ছয়লাখের উপর। ভাবতে পারেন? এটা দেখার বাংলাদেশে কেউই নাই।

আসলে কি সত্যি?কেউ কি বিস্তারিত জানেন?

Collected

MBBS শেষ করে BCS করবো, তারপর FCPS করবো, তারপর একটা ১৮ বছরের মেয়ে খুজে বিয়ে করবো, এটাই আমার জীবনের বর্তমান লক্ষ্য
14/01/2024

MBBS শেষ করে BCS করবো, তারপর FCPS করবো, তারপর একটা ১৮ বছরের মেয়ে খুজে বিয়ে করবো, এটাই আমার জীবনের বর্তমান লক্ষ্য

Address

Cumilla
3570

Telephone

+8801630150606

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মেডি ক্যাম্পাস- Medi Campus posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মেডি ক্যাম্পাস- Medi Campus:

Share