আটচাইল কমিউনিটি ক্লিনিক

আটচাইল কমিউনিটি ক্লিনিক Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আটচাইল কমিউনিটি ক্লিনিক, Health & Wellness Website, Vill-Atchail, P.O-Dollai Nowabpur, P.S-Chandina, Dist-Cumilla, Comilla.

আটচাইল কমিউনিটি ক্লিনিক—প্রতিশ্রুতি একটিই:
*গ্রামের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।*
আমরা বিশ্বাস করি, সেবা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি ইবাদত।
প্রতিদিন আমরা চেষ্টা করি রোগীর মুখের হাসিতে সুস্থতার আলোর ছোঁয়া দিতে।

03/07/2026

গর্ভে একটি ছোট্ট প্রাণের তিল তিল করে বেড়ে ওঠার গল্প... 🌱✨

মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের অনুভূতিটা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর এবং অলৌকিক অনুভূতির একটি। একটি ছোট্ট কোষ থেকে শুরু করে কীভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু পৃথিবীতে আসার জন্য তৈরি হয়, তা ভাবলে সৃষ্টিকর্তার মহিমার প্রতি কৃতজ্ঞতায় মাথা নত হয়ে আসে।

নিচের ইনফোগ্রাফিকটিতে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে জরায়ুর ভেতরে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে একটি শিশুর বেড়ে ওঠার জাদুকরী যাত্রা। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক এই অবিশ্বাস্য ৯ মাসের কিছু টুকরো গল্প:

🍇 প্রথম ত্রৈমাসিক (Week 9 - 12): শুরুর গল্প

৯ম সপ্তাহ (9 Weeks): এই সময়ে শিশুর প্রধান অঙ্গগুলো তৈরি হতে শুরু করে। ছোট্ট সোনামণিটি তখন দেখতে একটি আঙুর ফলের (Grape) মতো সাইজের হয়!

১২তম সপ্তাহ (12 Weeks): অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর বিকাশ আরও দ্রুত হতে থাকে। এবার সে আকৃতিতে একটি লেবুর (Lime) সমান হয়ে ওঠে।

🥑 দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক (Week 16 - 24): নড়াচড়ার আনন্দ

১৬তম সপ্তাহ (16 Weeks): শিশুর শ্রবণশক্তি তৈরি হতে শুরু করে। সে মায়ের হার্টবিট বা বাইরের হালকা আওয়াজ টের পেতে পারে। তখন সে একটি অ্যাভোকাডোর (Avocado) মতো বড় হয়।

২০তম সপ্তাহ (20 Weeks): এই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ! মা প্রথমবার গর্ভের সন্তানের নড়াচড়া বা "কিক" অনুভব করতে পারেন। এই সময় সে একটি কলার (Banana) সমান আকৃতি পায়।

২৪তম সপ্তাহ (24 Weeks): শিশুর ফুসফুস পরিপক্ব হতে শুরু করে। তখন তার সাইজ হয় একটি ভুট্টার (Corn) মতো।

🍆 তৃতীয় ত্রৈমাসিক (Week 28 - 40): পৃথিবীতে আসার অপেক্ষা

২৮তম সপ্তাহ (28 Weeks): মস্তিষ্কের বিকাশ প্রচণ্ড গতিতে হতে থাকে। সে তখন একটি বেগুনের (Eggplant) মতো আকৃতির হয়।

৩২তম সপ্তাহ (32 Weeks): হাড়গুলো পুরোপুরি গঠিত হয়ে যায়। এই সময়ে তার আকৃতি হয় একটি জিকামা (Jicama - এক ধরণের মূলজাতীয় সবজি) এর মতো।

৩৬তম সপ্তাহ (36 Weeks): শিশুর গায়ের চর্বি বা ফ্যাট বাড়তে থাকে, যা তাকে বাইরের পৃথিবীর তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে। সে তখন একটি তরমুজ বা সাম্মামের (Honeydew) মতো বড়।

৪০তম সপ্তাহ (40 Weeks): ফাইনাল কাউন্টডাউন! শিশুটি এখন পুরোপুরি প্রস্তুত মায়ের কোলে আসার জন্য। একটি মিষ্টি কুমড়োর (Small Pumpkin) আকৃতি নিয়ে সে জানান দেয়—"মা, আমি আসছি!"

গর্ভধারণের এই প্রতিটি সপ্তাহ যেন একেকটি বিস্ময়। এই দীর্ঘ জার্নিতে একজন মায়ের ত্যাগ, সহ্যশক্তি এবং ভালোবাসা সত্যি অতুলনীয়।
আপনার গর্ভকালীন সময়ের সবচেয়ে প্রিয় বা স্মরণীয় মুহূর্ত কোনটি ছিল? কমেন্ট বক্সে আমাদের সাথে শেয়ার করুন! 👇❤️

03/07/2026

✨ বাবা হওয়ার যাত্রাটা শুরু হয় কখন থেকে? ✨

আমরা প্রায়শই মনে করি বাবা হওয়ার দায়িত্বটা বাচ্চার জন্মের পরেই শুরু হয়। কিন্তু সত্যিটা হচ্ছে, বাবা হওয়ার অনুভূতি আর প্রস্তুতিটা সেই মুহূর্ত থেকেই শুরু হয়, যখন আপনি জানতে পারেন যে আপনি বাবা হতে চলেছেন। মায়ের গর্ভে যখন ছোট্ট প্রাণটি বড় হয়, তখন বাবারও ভেতর থেকে অনেক পরিবর্তন আসে।

গর্ভবতী মায়ের যত্ন নেওয়া, তাকে মানসিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া, ডাক্তারদের কাছে নিয়ে যাওয়া—এই ছোট ছোট কাজগুলোই একজন ভবিষ্যৎ বাবাকে সন্তানের সাথে একটি অদৃশ্য বাঁধনে বেঁধে দেয়। বাচ্চার মুভমেন্ট অনুভব করার আনন্দ, বাচ্চার নাম ঠিক করার উত্তেজনা—এগুলো সবই বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতার অংশ। ❤️

আসুন, আমরা সেসব বাবাদের অভিনন্দন জানাই যারা এই চমৎকার যাত্রার প্রতিটি মুহূর্তকে উপভোগ করেন এবং গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের পাশে থেকে তাদের শক্তি দেন। 🙌
আপনার বাবা হওয়ার যাত্রাটা কেমন ছিল বা কেমন হচ্ছে, কমেন্টে আমাদের জানাতে পারেন! 👇

03/07/2026

মাতৃত্বের সুন্দর জার্নিতে পিঠের ব্যথাকে বলুন 'বাই-বাই'! 🤰✨
একটি নতুন প্রাণের আগমনী বার্তা যেমন মনে অফুরন্ত আনন্দ নিয়ে আসে, তেমনি একজন হবু মায়ের শরীরে নিয়ে আসে নানা পরিবর্তন। আর এই পরিবর্তনের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে—পিঠ ও কোমরের ব্যথা (Back Pain)।
গর্ভকালীন সময়ে শরীরের ওজন বৃদ্ধি এবং হরমোনের পরিবর্তনের কারণে পিঠে ব্যথা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু এই মিষ্টি কষ্টের দিনগুলোতে একটু সচেতন হলেই কিন্তু এই ব্যথা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব!

চলুন জেনে নেওয়া যাক গর্ভাবস্থায় পিঠের ব্যথা কমানোর সহজ ও কার্যকরী ৯টি উপায়:
💡 গর্ভাবস্থায় পিঠের ব্যথা দূর করার সহজ ৯টি উপায়:

১. বসার সঠিক ভঙ্গি (Good Posture): বসার সময় সোজা হয়ে বসুন এবং পিঠের পেছনে একটি কুশন বা সাপোর্ট ব্যবহার করুন। কুঁজো হয়ে বসা একদম এড়িয়ে চলুন।
২. ঘুমানোর পজিশন: পাশ ফিরে ঘুমানোর সময় দুই হাঁটুর মাঝখানে একটি নরম বালিশ ব্যবহার করুন। এটি আপনার মেরুদণ্ডকে সঠিক অবস্থানে রাখতে সাহায্য করবে।
৩. হালকা স্ট্রেচিং: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভাবস্থায় নিরাপদ কিছু হালকা স্ট্রেচিং বা ব্যায়াম করতে পারেন। এতে শরীরের পেশী শিথিল হয়।
৪. হালকা হাঁটাচলা: প্রতিদিন নিয়ম করে কিছু সময় হালকা হাঁটুন বা ইয়োগা বলের সাহায্যে হালকা ব্যায়াম করুন।
৫. আরামদায়ক জুতো: গর্ভাবস্থায় হাই হিল বা শক্ত জুতোকে একদম না বলুন! পায়ে ভালো সাপোর্ট দেয় এমন আরামদায়ক ও নরম স্নিকার্স বা ফ্ল্যাট জুতো পরুন।
৬. উষ্ণ সেঁক বা স্নান (Warm Compress): ব্যথার জায়গায় হালকা গরম জলের সেঁক দিতে পারেন অথবা কুসুম কুসুম গরম জলে স্নান করতে পারেন। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় ও ক্লান্তি দূর করে।
৭. ভারী জিনিস না তোলা: উপুড় হয়ে বা কোমর বাঁকিয়ে কোনো ভারী জিনিস তুলতে যাবেন না। প্রয়োজনে হাঁটু মুড়ে বসে কাজ করুন, তবে ভারী কিছু বহন করা থেকে বিরত থাকুন।
৮. প্রেগন্যান্সি সাপোর্ট বেল্ট: পেট বড় হওয়ার সাথে সাথে পিঠের ওপর চাপ কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে একটি 'প্রেগন্যান্সি সাপোর্ট বেল্ট' ব্যবহার করতে পারেন।
৯. হালকা ম্যাসাজ: ক্লান্তি ও ব্যথা দূর করতে বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে হালকা ও নিরাপদ প্রেগন্যান্সি-সেফ ম্যাসাজ নিতে পারেন।

⚠️ একটি জরুরি সতর্কবার্তা:
মনে রাখবেন, আপনার এবং আপনার অনাগত সন্তানের সুস্থতাই সবার আগে। যদি পিঠের ব্যথা অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক মাত্রায় তীব্র হয়, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে আপনার গাইনিকোলজিস্ট বা ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 🩺❤️

মাতৃত্বের এই চমৎকার সময়টি কেটে যাক সুস্থতায় এবং অনাবিল আনন্দে। পোস্টটি আপনার পরিচিত কোনো হবু মায়ের সাথে শেয়ার করে তাকেও সচেতন করতে পারেন!

03/07/2026

আজকের পোস্টটি সব মায়েদের জন্য, বিশেষ করে নতুন মায়েদের জন্য। আপনারা কি জানেন, "ফেইলিং অ্যাট মাদারহুড" (Failing at Motherhood) ধারণাটি কতজনের মনের গভীরে লুকিয়ে আছে? এই ছবিটি দেখুন—এটি একটি গল্প, একটি নীরব কান্না, যা লক্ষ লক্ষ মায়ের বুকের ভেতরের ছবি।

আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে সবসময় দেখি পারফেক্ট বাচ্চাদের, সাজানো-গোছানো ঘর, এবং সবসময় হাসি-খুশি মায়ের ছবি। কিন্তু ছবির পেছনের বাস্তবতাটা আসলে কী? এই ছবিটি সেই পেছনের অন্ধকার সত্যটাকেই তুলে ধরেছে।

এটি আমাদের বলছে: একজন মা যখন "ব্যর্থ" অনুভব করেন, তখন আসলে তিনি কী অনুভব করেন।

😭 ১. সম্পূর্ণ অবসাদ (Overwhelmed & Exhausted): ঘুমে ভরা চোখ, সবসময় ক্লান্তি, আর অনবরত গোলমাল—এইগুলোই যেন জীবনের নিত্যদিনের সঙ্গী। কফির কাপটা হাতের কাছে থাকলেও তা শেষ করার মতো শক্তিটুকু অনেক সময় থাকে না।

🏠 ২. বিশৃঙ্খল ঘর (House is a Mess): বিছানা অগোছালো, কাপড়ের স্তূপ, মেঝেময় খেলনা—ঘরটা যেন একটা যুদ্ধক্ষেত্র। একজন মা যতবার পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন, ততবার যেন মনে হয়, কাজের কোনো শেষ নেই।

😔 ৩. মায়ের অপরাধবোধ (Mom Guilt): যখন বাচ্চা কাঁদে, আর আমরা বুঝে উঠতে পারি না, তখন মনে হয়, আমি হয়তো যথেষ্ট করছি না। যখন ধৈর্য হারিয়ে চিল্লাই, পরে আফসোস করি, আর ভাবি—আমি কি আদৌ ভালো মা? এই "যথেষ্ট নই" ভাবনাটা আমাদের প্রতিনিয়ত কুরে কুরে খায়।

🤔 ৪. নিজের হারিয়ে যাওয়া (Lost Myself): আয়নার দিকে তাকালে আপনি আগের সেই আনন্দদীপ্ত, সতেজ মেয়েটিকে আর খুঁজে পান না। মনে প্রশ্ন জাগে, "আগের আমি কোথায়?" তখন চারপাশে মানুষ থাকলেও ভীষণ একা লাগে। এই নিঃসঙ্গতা একাকীত্বের চেয়ে অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক।

💔 ৫. আত্ম-সন্দেহ (Self-Doubt): "আমি হয়তো একটা খারাপ মা," "আমি কিছুতেই ভালো নই"—এই কথাগুলো আমাদের মাথার মধ্যে অনবরত বাজতে থাকে। এই বিষণ্ণ ভাবনা আমাদের আত্মবিশ্বাস পুরোপুরি ভেঙে দেয়।

💙 আমার কথা:
মা হওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কিন্তু সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। এই ছবির যন্ত্রণাগুলো সত্যিকারের, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি ব্যর্থ। আপনি এই ছবির প্রতিটি অনুভূতির মধ্যে দিয়ে গেলেও আপনার বাচ্চা আপনাকে তার পুরো বিশ্ব মনে করে। আপনার ক্লান্তি, আপনার বিশৃঙ্খলা, আপনার অশ্রু—এই সবই ভালোবাসার একটা ভিন্ন রূপ।

আপনি নিখুঁত নন, কেউই আসলে নিখুঁত নয়। আপনার ঘর হয়তো অগোছালো, কিন্তু আপনার বাচ্চার মন ভালোবাসায় পূর্ণ। আপনি নিজেকে হারিয়ে ফেললেও, নতুনভাবে নিজেকে খুঁজে পাবেন—শক্তিশালী, সাহসী, এবং স্নেহশীল একজন মা হিসেবে।

চলুন আজ আমরা সবাই মিলে সেইসব মায়েদের সম্মান জানাই, যারা এই ছবিটির মতো অনেক কষ্টের মধ্যেও তাদের বাচ্চাদের লালন-পালন করছেন। আপনি শুধু মা নন, আপনি একজন সুপারহিরো। আপনার লড়াই আপনি একাই লড়ছেন না। আমরা সবাই আপনার সাথে আছি।
আপনার গল্পটি শেয়ার করুন কমেন্ট সেকশনে। আমরা একে অপরকে শুনতে এবং সমর্থন করতে প্রস্তুত।

28/06/2026

আজ ২৮ জুন ২০২৬ সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেশের সকল নির্ধারিত স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিনামুল্যে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল (১ লক্ষ IU) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল (২ লক্ষ IU) দেয়া হবে।

আপনার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে ভুলবেন না যেন! শুধু তাই নয়, আপনার আশেপাশের ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুই যেন বাদ না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

জরুরি সতর্কতা: ভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন, তবুও মারা গেলেন কেন?গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাত্র এক সপ্তাহে ৫ জনের মৃত্যু। একটি পাগ...
25/06/2026

জরুরি সতর্কতা: ভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন, তবুও মারা গেলেন কেন?

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাত্র এক সপ্তাহে ৫ জনের মৃত্যু। একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিশু ও নারীসহ আরও ৯ জন।

অনেকেই জিজ্ঞেস করছেন — ভ্যাক্সিন নিয়েও কেন মরলেন?

উত্তরটা লুকিয়ে আছে একটাই জায়গায়: সাবান-পানি দিয়ে ধোয়া হয়নি।

❓ মুখে কামড় কেন বেশি বিপজ্জনক?

কুকুরের কামড় বা আঁচড় যদি ঘাড় বা মাথায় হয় তাহলে ইনকিউবেশন পিরিয়ড কমে আসে। সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের যত কাছাকাছি কামড় বা আঁচড়, তত দ্রুত রোগ ছড়ায়।

অর্থাৎ, পায়ে কামড় দিলে হয়তো ৩ মাস সময় থাকে — কিন্তু মুখ বা মাথায় কামড় দিলে ভাইরাস দিন কয়েকের মধ্যেই মস্তিষ্কে পৌঁছে যেতে পারে। ভ্যাক্সিন সেই দ্রুততার সাথে কাজ করার সুযোগ পায় না।

🧼 সাবান-পানি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এটা শুধু "পরিষ্কার করা" নয়। এটা ভাইরাস সরানো।

সঠিকভাবে ধোয়ার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশের আগেই ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দূর করা সম্ভব।

কামড় দিলে বা আঁচড় কাটলে যদি কোনো ধরনের ক্ষত তৈরি হয়, তাহলে ক্ষতস্থান তাৎক্ষণিকভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় নিয়ে কাপড় ধোয়ার ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ফেনা উঠিয়ে ধুতে হবে।

ভাবুন — ভ্যাক্সিন হলো শেষ প্রতিরক্ষা। আর সাবান-পানি হলো প্রথম প্রতিরক্ষা। প্রথম প্রতিরক্ষা না থাকলে শেষ প্রতিরক্ষা একা কাজ করতে পারে না।

*** বিশেষ সতর্কতা: ক্যাটাগরি ৩ মানে RIG ইনজেকশনও লাগবে

মাথায়, বুকে বা ঘাড়ে কুকুরের কামড় বা আঁচড়ে রক্তপাত হোক বা না হোক, সেটিকে ক্যাটাগরি ৩ ধরা হয়। বিশেষ করে ক্যাটাগরি ৩ কামড়ের জন্য অ্যান্টি র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন (RIG) ইনজেকশনও নিতে হবে।

শুধু সাধারণ ভ্যাক্সিন নয়, RIG ইনজেকশন না নিলে সুরক্ষা অসম্পূর্ণ থাকে — এই তথ্যটি অনেকেরই জানা নেই।

✅ কুকুর কামড় দিলে সঠিক ক্রম:

১. সাথে সাথে সাবান-পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধুন

২.যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাক্সিন নিন

৩. মুখ/মাথা/ঘাড়ে কামড় হলে অবশ্যই RIG ইনজেকশনও নিন

৪. হলুদ, চুন, মরিচ গুঁড়া কখনো লাগাবেন না⁉️

চূড়ান্ত কথা:

জলাতঙ্ক শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য, আবার শতভাগ প্রাণঘাতী।বিড়ালের সামান্য আঁচড় কিংবা কুকুরের কামড়কে তুচ্ছ মনে করার যে সংস্কৃতি সমাজে প্রচলিত, তা অনেক ক্ষেত্রেই জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন। একটি শেয়ার একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

By Dr.Nobel
MBBS,BC

25/06/2026
🎉 সুখবর! সুখবর! 🎉 বরকরই  ৪ , ৫ এবং ৬ নং ওয়ার্ডের সকল অভিভাবকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২৮ জুন ২০২৬ ইং  (রবিবার )ত...
25/06/2026

🎉 সুখবর! সুখবর! 🎉
বরকরই ৪ , ৫ এবং ৬ নং ওয়ার্ডের সকল অভিভাবকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২৮ জুন ২০২৬ ইং (রবিবার )তারিখে ৬ মাস থেকে ৫ বয়সী সকল শিশুকে ১ টি করে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। 👶🧡

তাই আপনার শিশুকে নির্ধারিত দিনে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসুন এবং ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করুন।
🌿অধিক তথ্যের জন্য নিকটস্থ স্বাস্থ্য সহকারী অথবা টিকা কার্ডে দেওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করুন। 📞
🧑‍⚕️স্বাস্থ্য সহকারী: মো: কামাল হোসেন
০১৭৮৩-৪৬৬৭১৬

🌿 ভিটামিন-এ খাওয়ান, শিশুর সুস্থতা ও স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি নিশ্চিত করুন।

২০২৬ সালের টিকাদান সময়সূচি
25/06/2026

২০২৬ সালের টিকাদান সময়সূচি

Address

Vill-Atchail, P.O-Dollai Nowabpur, P.S-Chandina, Dist-Cumilla
Comilla

Opening Hours

Monday 09:00 - 15:00
Tuesday 09:00 - 15:00
Wednesday 09:00 - 15:00
Thursday 09:00 - 15:00
Saturday 09:00 - 15:00
Sunday 09:00 - 15:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আটচাইল কমিউনিটি ক্লিনিক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share