SM Health

SM Health Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SM Health, Medical and health, North Kaliyajury, Pakkar matha, Comilla.

22/07/2026
লাইফটাইম মেম্বার হলে বছরে ২ বার ফ্রী ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ
26/02/2026

লাইফটাইম মেম্বার হলে বছরে ২ বার ফ্রী ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ

30/09/2025

রুটি, আলু, বাদাম, ইত্যাদি বেশি ভাজা হলে অ্যাক্রিলামাইড তৈরি হয় যা ক্যান্সার সৃষ্টির অন্যতম কারণ। রুটি আলু, চিপস, বাদাম অতিরিক্ত ভাজবেন না। হালকা বাদামি বা সোনালী রং থাকা অবস্থায় ভাজা শেষ করুন-বিএফএসএ

17/09/2025

দৈনিক জনপ্রতি ৫ গ্রাম লবণ প্রয়োজন। বাংলাদেশে খাদ্যে অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার লক্ষ্যণীয়। অতিরিক্ত লবণ রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। দৈনিক পরিমিত মাত্রায় লবণ গ্রহণ করুন-বিএফএসএ

13/09/2025

চোখের দৃষ্টি ভালো রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, আর চোখের যত্ন নেওয়া। 👁️

চোখের জন্য উপকারী খাবারগুলো হলোঃ

🥦 ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার

গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লাল মরিচ → ভিটামিন A ও বিটা-ক্যারোটিনে ভরপুর, দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করে।

পালং শাক, কেল, লেটুস, ব্রকোলি → লুটেইন ও জিয়াজ্যান্থিন থাকে, চোখকে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

ডিমের কুসুম → ভিটামিন A ও লুটেইন আছে।

🐟 প্রোটিন ও ওমেগা-৩

সামুদ্রিক মাছ (স্যালমন, সার্ডিন, টুনা) → ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চোখের রেটিনার জন্য খুব উপকারী।

ডিম ও বাদাম (আখরোট, কাঠবাদাম) → চোখ শুকিয়ে যাওয়া (Dry Eye) কমায়।

🍊 ভিটামিন C ও E

কমলা, লেবু, পেয়ারা, আমলকি → ভিটামিন C আছে, চোখের রক্তনালীকে সুস্থ রাখে।

সূর্যমুখীর বীজ, আমন্ড, কাজু → ভিটামিন E থাকে, চোখের কোষ রক্ষা করে।

🥛 দুধ ও অন্যান্য

দুধ, দই → ভিটামিন A ও জিঙ্ক থাকে, রাতকানা রোধ করে।

ডার্ক চকোলেট (অল্প পরিমাণে) → রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।

👉 সঙ্গে সঙ্গে এগুলোও জরুরি:

কম্পিউটার/মোবাইল দীর্ঘসময় ব্যবহার করলে বিরতি নেওয়া।

প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো।

ধূমপান ও অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এড়ানো।

মা হওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর একটি। ছোট্ট একটা শরীরের ভেতর আরেকটা প্রাণের স্পন্দন, প্রথমবার তার মুখ দেখা, ব...
07/09/2025

মা হওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর একটি। ছোট্ট একটা শরীরের ভেতর আরেকটা প্রাণের স্পন্দন, প্রথমবার তার মুখ দেখা, বুকে জড়িয়ে ধরা – এই মুহূর্তগুলোর কোনো তুলনা হয় না। ✨

কিন্তু এই সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকে একজন মায়ের নির্ঘুম রাত, শারীরিক ক্লান্তি, আবেগের উথাল-পাতাল আর কখনও কখনও একরাশ অসহায়ত্ব। ঠিক এই সময়েই একজন বাবার ভালোবাসা, ভরসা আর একটুখানি সহযোগিতা হয়ে ওঠে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি উপহার। 💖

কেন বাবার সাপোর্ট এত জরুরি?

✅ মানসিক শক্তি:

নির্ঘুম রাতে যখন শিশু একটানা কেঁদে যায়, বা দিনের বেলা সব কাজ সামলাতে গিয়ে মা যখন ভেঙে পড়েন, তখন বাবার একটুখানি ভরসার কথা, "আমি তো আছি", "ভেবো না, সব ঠিক হয়ে যাবে" – এই কথাগুলোই মায়ের জন্য টনিকের মতো কাজ করে।

✅ বাস্তব সহযোগিতা:

শিশুর ডায়াপার বদলে দেওয়া, ওকে কোলে নিয়ে শান্ত করা, ঘরের ছোটখাটো কাজে সাহায্য করা বা প্রয়োজনীয় জিনিসটা এনে দেওয়া – এই ছোট্ট কাজগুলোই মায়ের কাঁধ থেকে অনেক বড় একটা বোঝা নামিয়ে দেয়।

✅ পারিবারিক বন্ধন:

বাবা যখন শিশুর যত্নে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন, তখন শুধু মায়েরই সাহায্য হয় না, শিশুর সাথে তার নিজের এবং পুরো পরিবারের বন্ধনটাও অনেক বেশি মজবুত হয়।

✅ সুস্থ হয়ে ওঠার চাবিকাঠি:

একজন যত্নশীল ও ভালোবাসার সঙ্গী পাশে থাকলে নতুন মা শারীরিক এবং মানসিকভাবে অনেক দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

আসলে, পুরো বিষয়টা একটা চক্রের মতো:
যখন বাবা মাকে সাপোর্ট দেন, তখন মা মানসিকভাবে শক্তিশালী হন।
যখন মা শক্তিশালী হন, তখন শিশু সবচেয়ে ভালো যত্ন পায় এবং সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠে। 🌸

কমেন্টে আপনার এবং আপনার সন্তানের বাবার অভিজ্ঞতা বা ভালোবাসার কথা জানাতে পারেন। 👇

19/08/2025

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক খাবারের অভ্যাস এবং নিয়মিত জীবনধারা। তবে খেয়াল রাখতে হবে, একেবারে কোনো খাবারেই “ডায়াবেটিস সারবে” না—শুধু নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। নিচে কিছু খাবারের তালিকা দিলাম যেগুলো রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে:

🥦 যেসব খাবার খেলে ভালো

1. শাকসবজি

পালং, লাউ, করলা, পুঁই, বরবটি, ঢেঁড়স, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি।

আঁশ বেশি থাকে, ফলে রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ে।

2. ডাল ও শস্য

মসুর, মুগ, ছোলা, সয়াবিন।

ব্রাউন রাইস বা লাল চাল, ওটস, আটার রুটি (সাদা ভাত/পাউরুটি কমাতে হবে)।

3. ফলমূল (পরিমাণমতো)

কমলা, আপেল, পেয়ারা, জাম, পেয়ারা, স্ট্রবেরি।

খুব বেশি মিষ্টি ফল (আম, কাঁঠাল, কলা, আঙুর) সীমিত খেতে হবে।

4. প্রোটিনযুক্ত খাবার

মাছ, মুরগি (চামড়া ছাড়া), ডিমের সাদা অংশ।

দুধ (চিনি ছাড়া, ফ্যাট কম)।

5. বাদামজাতীয় খাবার

কাঠবাদাম, আখরোট, চিনাবাদাম (ভাজা/নুনবিহীন)।

6. পানি ও পানীয়

পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

চিনি ছাড়া চা/কফি খেতে পারেন।

---

🚫 যেসব খাবার এড়িয়ে চলা দরকার

সাদা ভাত, সাদা আটা, মিষ্টি পাউরুটি, বিস্কুট।

মিষ্টি, কোমল পানীয়, আইসক্রিম, জুস (চিনি মিশানো)।

বেশি ভাজা-পোড়া ও তেলযুক্ত খাবার।

ফাস্টফুড (বার্গার, পিজ্জা, আলুর চিপস)।

---

✅ অতিরিক্ত টিপস

ছোট ছোট ভাগে বারবার খাবেন (দিনে ৪–৫ বার)।

প্রতিদিন হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করুন।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

27/07/2025

কিডনি সুস্থ রাখতে সঠিক খাবার বেছে নেওয়া খুব জরুরি। কিডনির কাজ হলো রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে বের করা, তাই এমন খাবার খেতে হবে যা কিডনির উপর বাড়তি চাপ না ফেলে।

কিডনি ভালো রাখতে যেসব খাবার খেতে পারেন:

1. তাজা ফলমূল: আপেল, আঙুর, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি।

2. সবুজ শাকসবজি: পালং শাক, লাউ, করলা (কিন্তু কিডনি রোগীদের জন্য শাকসবজি বেছে নিতে হবে পটাশিয়ামের মাত্রা দেখে)।

3. লো-সোডিয়াম খাবার: কম লবণ ব্যবহার করুন, প্রক্রিয়াজাত (প্রসেসড) খাবার এড়িয়ে চলুন।

4. পর্যাপ্ত পানি: দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি (কিন্তু যদি কিডনির সমস্যা থাকে তবে ডাক্তার অনুযায়ী পানি সীমিত করুন)।

5. মাছ ও চর্বিহীন মাংস: প্রোটিনের জন্য মাছ বা চিকেন খেতে পারেন (অতিরিক্ত লাল মাংস এড়ানো ভালো)।

6. ডাল ও বাদাম: সীমিত পরিমাণে বাদাম, ছোলা, মসুর ডাল ইত্যাদি।

7. লো-ফসফরাস খাবার: যেমন ফুলকপি, বাঁধাকপি, ভেন্ডি।

যে খাবারগুলো এড়ানো উচিত:

অতিরিক্ত লবণ ও তেলযুক্ত খাবার।

অতিরিক্ত প্রোটিন (বিশেষ করে লাল মাংস)।

প্যাকেটজাত খাবার, সফট ড্রিঙ্কস, জাংক ফুড।

খুব বেশি পটাশিয়াম যুক্ত খাবার (যেমন কলা, কমলা, নারকেল পানি) — বিশেষ করে যদি কিডনির সমস্যা থাকে।

সহজ কিছু অভ্যাস:

রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।

বেশি পানি পান করা (কিন্তু কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে ডাক্তারি পরামর্শ জরুরি)।

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা।

Address

North Kaliyajury, Pakkar Matha
Comilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SM Health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share