Lifeline-

Lifeline- Lifeline means the line of the life. Health is the source of wealth and all happiness. All the happiness of the world is tasteless and bitter of the unhealthy.

So for health care we want morality and health protection rules and regulations.

12/08/2025

সমুদ্রর ধারে কিছু সময় কাটালাম ❤️

01/08/2025
08/08/2021

কাউকে ভালোবেসে আর যাই হোক আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে নিজেকে সস্তা করা উচিত নয়। যার জন্য নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে তার ইচ্ছেপুরণ করছেন সেই একদিন সস্তা মানুষ উপাধি দিয়ে আপনাকে ছুড়ে ফেলে দিবে।

কারো কাছে নিজের ভালোবাসা প্রমাণ করতে যদি নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিতে হয় বা এমন কিছু করে ফেলতে হয় যার কারনে আয়নার সামনে নিজেকে দাড় করানো যায় না। তখন ভেবেই নিবেন এই সম্পর্ক আর যাই হোক দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

যাকে ভালোবাসি বলে মাতম করে যাচ্ছেন। নিজেকে সময় দিচ্ছেন না, নিজের সবটা অস্তিত্ব তার উপর বিলীন করছেন। একদিন দেখবেন নিজের স্বার্থে আঘাত লাগলে আপনাকে আর চিনতেই পারছে না। আপনি তার জন্য ঠিক যতটুকু করেছেন বিনিময়ে তার অর্ধেকটাও হয়তো সে করবে না। কারন যে আপনাকে সত্যি ভালোবাসে সে কখনোই আপনার আত্মসম্মান নষ্ট হয় এমন কিছু করতে বলবে না।

কাউকে এতটাও ভালোবাসা উচিত নয় যতটা ভালোবাসলে আর নিজের প্রতি কোন ভালোবাসা থাকা না। আমাদের সবার আগে নিজেকে ভালোবাসা উচিত। নিজের জন্যেও কিছু সময় বাঁচিয়ে রাখা উচিত। যাতে মানুষটা চলে গেলে নিজেকে ভালোবেসে আত্মহত্যা না করতে পারি।

আমরা কাউকে এতটাই ভালোবেসে ফেলি যে সে চলে গেলে নিজেকে শেষ করে দিতে ইচ্ছে হয়। অনেকে তো বেঁচে থাকার চাইতে মৃত্যটাকে সহজ মনে করে। কারন আমরা অন্যকে ভালোবাসি ঠিকই কিন্তু নিজেকে ভালোবাসি না।

আমরা কাউকে না কাউকে ভালোবাসবো এটাই স্বাভাবিক। তবে কাউকে ভালোবাসতে গিয়ে নিজেকে যেন ভালোবাসতে ভুলে না যাই। নিজেকে সময় দেয়া খুব প্রয়োজন। কারন যখন কেউ থাকে না তখন নিজের সাথে নিজেকেই বোঝাপড়া করতে হয়। তাই নিজের আত্মসম্মানটা নিজের জন্য হলেও বাঁচিয়ে রাখুন। যাতে কেউ ছেড়ে গেলে দেখিয়ে দিতে পারেন তাকে ছাড়া আপনি বেঁচে আছেন আর দিব্যি আছেন।

কথায়~ সানজিদা আক্তার সুমি

25/12/2020

স্পেন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে যা ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
* যুক্তরাজ্য 1 মাসের লকডাউন ঘোষণা করেছে।
* ফ্রান্স 2 সপ্তাহ
* জার্মানি 4 সপ্তাহের জন্য।
* ইতালিও খুব দ্রুত অনুসরণ করবে।

* এই সমস্ত দেশ কনফার্মড দ্বিতীয় ওয়েভ আরও ডেডলি !!!

অতএব আমরা যত্নবান হই এবং সমস্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

আমরা লকডাউনের দ্বিতীয় ধাপটি নিতে সক্ষম হব না!

*কোভিড -১৯ সেকেন্ড ওয়েব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সংক্রমণের পরে তৃতীয় দিন থেকেই লক্ষণগুলি দেখা দেয় (ভাইরাল লক্ষণগুলি)।

➙ প্রথম স্তর
1. শরীরে ব্যথা
2. চোখের ব্যথা।
3. মাথা ব্যথা।
4. বমি বমি ভাব।
5. ডায়রিয়া।
6.নাক বা অনুনাসিক প্রবাহ
7. পঁচন।
8. চোখ জ্বলন্ত।
9. প্রস্রাব করার সময় পোড়ানো।
10. জ্বর অনুভূতি।
১১) গলা ফাটা

Symptoms:
লক্ষণের দিনগুলি গণনা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।

জ্বর শুরুর আগে পদক্ষেপ নিন।
সতর্কতা অবলম্বন করুন।
প্রচুর পরিমাণে তরল, বিশেষত বিশুদ্ধ জল পান করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার গলাটি আর্দ্র রাখতে এবং ফুসফুস পরিষ্কার করতে সাহায্য করতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

➙ দ্বিতীয় পর্ব (চতুর্থ থেকে অষ্টম দিন পর্যন্ত) প্রদাহজনক।
1. স্বাদ এবং / বা গন্ধ ক্ষতি।
2. সর্বনিম্ন প্রচেষ্টা সহ ক্লান্তি।
৩. বুকের ব্যথা (পাঁজর খাঁচা)
৪) বুক শক্ত হওয়া।
5. নীচের পিছনে ব্যথা (কিডনি অঞ্চলে)।

➙ ভাইরাস স্নায়ু শেষ আক্রমণ করে।
ক্লান্তি এবং শ্বাসকষ্টের মধ্যে পার্থক্য: -
বাতাসের অভাব হয় যখন ব্যক্তি বসে থাকে - কোনও প্রচেষ্টা না করে - এবং শ্বাস ছাড়াই থাকে।
ক্লান্তি হ'ল যখন ব্যক্তি কিছু সাধারণ কাজ করতে ঘুরে বেড়ায় এবং ক্লান্ত বোধ করে।

➙ এটি প্রচুর পরিমাণে হাইড্রেশন এবং ভিটামিন সি লাগে

কোভিড -১৯ অক্সিজেনকে বেঁধে রাখে, তাই রক্তের মান কম অক্সিজেনের সাথে দুর্বল।

➙ তৃতীয় পর্ব - নিরাময়।
1. 9 দিনের দিন, নিরাময়ের পর্ব শুরু হয় যা 14 দিনের (অবধি) অবধি চলতে পারে।
2. চিকিত্সা বিলম্ব করবেন না, যত তাড়াতাড়ি আরও ভাল!

সবাইকে শুভকামনা!

এই সুপারিশ রাখা ভাল, প্রতিরোধ কখনও খুব বেশি হয় না!

১৫-২০মিনিটের জন্য রোদে বসে থাকুন
বিশ্রাম নিন এবং কমপক্ষে 7-8 ঘন্টা ঘুমান।
প্রতিদিন দেড় লিটার পানি পান করুন।
সমস্ত খাবার গরম খাওয়া উচিত (ঠান্ডা নয়)।

➙ আপনি কোভিড -১৯ কীভাবে বুঝবেন ?!
গলা চুলকানো
শুকনো গলা
শুকনো কাশি
উচ্চ তাপমাত্রা
শ্বাসকষ্ট
গন্ধ এবং স্বাদ হ্রাস

31/10/2020
থানকুনি পাতা। আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম centella aciatica। গ্রামাঞ্চলে থানকুনি...
30/10/2020

থানকুনি পাতা। আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম centella aciatica। গ্রামাঞ্চলে থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি আমল থেকেই চলে আসছে। ছোট্ট প্রায় গোলাকৃতি পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়।প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য উপায়ে এর সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে থানকুনি যথার্থ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, নামে ডাকা হয়। তবে বর্তমানে থানকুনি বললে সবাই চেনে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কেউ যদি নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করে, তাহলে মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন ধরুন...

১. চুল পড়ার হার কমে: নানা সময়ে হওয়া বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে। চুল পড়ার হার কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। কীভাবে? পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা নিয়ে তা থেঁতো করে নিতে হবে। তারপর তার সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা এবং আমলা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সবশেষে পেস্টটা চুলে লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ১০ মিনিট পরে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে কম করে ২ বার এইভাবে চুলের পরিচর্যা করলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

২. টক্সিক উপাদানেরা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়: নানাভাবে সারা দিন ধরে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে, রক্তে প্রবেশ করে। এইসব বিষেদের যদি সময় থাকতে থাকতে শরীর থেকে বের করে দেওয়া না যায়, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! আর এই কাজটি করে থাকে থানকুনি পাতা। কীভাবে করে? এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়।

৩. ক্ষতের চিকিৎসা করে: থানকুনি পাতা শরীরে উপস্থিত স্পেয়োনিনস এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো এবার থেকে কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে।

৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি হবে। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে টিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্য়াটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে কম বয়সে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

৬. আমাশয়ের মতো সমস্যা দূর হয়: এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে। এমনটা টানা ৭ দিন যদি করতে পারেন, তাহলেই কেল্লাফতে! এই ধরনের সমস্যা কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। প্রথমে পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা বেটে নিন। তারপর সেই রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মেশান। এই মিশ্রনটি দু চামচ করে, দিনে দুবার খেলেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।

৭. পেটের রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে: অল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সঙ্গে ১ টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা ভাল করে মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিন। এই মিশ্রনটি নিয়মিত খেলে অল্প দিনেই যে কোনও ধরনের পেটের অসুখ সেরে যায়। সেই সঙ্গে ক্রিমির প্রকোপও কমে।

৮. কাশির প্রকোপ কমে: ২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে কাশির কোনও চিহ্নই থাকবে না।

৯. জ্বরের প্রকোপ কমে: সিজন চেঞ্জের সময় যারা প্রায়শই জ্বরের ধাক্কায় কাবু হয়ে পারেন, তাদের তো থানকুনি পাতা খাওয়া মাস্ট! কারণ আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে যে জ্বরের সময় ১ চামচ থানকুনি এবং ১ চামচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে অল্প সময়েই জ্বর সেরা যায়। সেই সঙ্গে শারীরিক দুর্বলতাও কমে।

১০. গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়: অসময়ে খাওয়ার কারণে ফেঁসেছেন গ্যাস্ট্রিকের জালে? নো প্রবেলম! থানকুনি পাতা কিনে আনুন বাজার থেকে। তাহলেই দেখবেন সমস্যা একেবারে হাতের মধ্যে চলে আসবে। আসলে এক্ষেত্রে একটা ঘরোয়া চিকিৎসা দারুন কাজে আসে। কী সেই চিকিৎসা? হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি এবং অল্প পরিমাণে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এমনটা এক সপ্তাহ করলেই দেখবেন উপকার মিলবে।

Address

Cox's Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lifeline- posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share