NICU Service 2.0

NICU Service 2.0 👶 Gentle care for premature & critically ill newborns.
📚 Evidence-based newborn health tips & parenting support.
💬 Bridging the gap between the NICU and home.

12/08/2026

Baby feeding time

#শিশুযত্ন

08/08/2026

Half baby, half angel.💕💕💕

#শিশুযত্ন

06/08/2026

Big baby 3.8 kg 💕💕💕
#শিশুযত্ন

05/08/2026

Twin baby 💕💕💕

#শিশুযত্ন

03/08/2026

Cutie pie 😍💕💕

#শিশুযত্ন

01/08/2026

একটি শিশু সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে কি না, তা বোঝার প্রধান লক্ষণগুলো সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
# # # ১. দুধ পান ও ক্ষুধা
* **পর্যাপ্ত দুধ খাওয়া:** শিশু নিয়মিত ও ভালোভাবে বুকের দুধ বা ফিডার পান করে এবং খাওয়ার পর শান্ত হয়ে ঘুমায় বা খেলা করে।
# # # ২. প্রস্রাব ও পায়খানার পরিমাণ
* **প্রস্রাব:** দিনে অন্তত **৬ থেকে ৮ বার** পরিষ্কার/হালকা রঙের প্রস্রাব করা সুস্থতার বড় লক্ষণ।
* **পায়খানা:** নিয়মিত নরম পায়খানা করা (নবজাতকের ক্ষেত্রে দিনে একাধিকবার বা কয়েকদিনে একবারও স্বাভাবিক হতে পারে, যদি পেট নরম থাকে)।
# # # ৩. ওজন ও শারীরিক বৃদ্ধি
* **ওজন বৃদ্ধি:** বয়স অনুযায়ী শিশুর ওজন ও উচ্চতা সঠিকভাবে বাড়া।
# # # ৪. সক্রিয়তা ও সাড়াদান
* **নড়াচড়া ও কান্না:** হাত-পা স্বাভাবিকভাবে নাড়ানো, ক্ষিদে পেলে বা অস্বস্তি হলে শক্তিতে কান্না করা এবং চোখ দিয়ে আলো বা শব্দ অনুসরণ করা।
# # # ৫. ঘুম ও শ্বাস-প্রশ্বাস
* **পর্যাপ্ত ঘুম:** বয়স অনুযায়ী পর্যাপ্ত ঘুমানো।
* **স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস:** কোনো শব্দ বা কষ্ট ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়া।
> ⚠️ **কখন ডাক্তার দেখাবেন:** শিশু যদি দুধ খাওয়া একবারে বন্ধ করে দেয়, মাত্রাতিরিক্ত ঝিমিয়ে থাকে, গায়ের রঙ নীল বা হলুদ হয়ে যায়, কিংবা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়—তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
>
#শিশুযত্ন

30/07/2026

বাচ্চাকে অতিরিক্ত বা ভারী কাপড় না জড়িয়ে **হালকা ও আরামদায়ক সুতি কাপড়ে মোড়ানো বা ঢেকে রাখা (Swaddling/Layering)** বেশ উপকারী এবং স্বাস্থ্যসম্মত। এর মূল উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
* **শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে থাকে:** হালকা সুতি কাপড় বাচ্চার শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখে। এতে শরীর বেশি গরম (Overheating) হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না, আবার ঠান্ডাও লাগে না।
* **ভালো ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম:** ছোট বাচ্চারা ঘুমানোর সময় হাত-পা হঠাৎ লাফিয়ে ওঠার মতো চমকে ওঠে (যাকে Startle Reflex বলে)। হালকা কাপড়ে সুন্দর করে মুড়ে রাখলে বাচ্চা নিজেকে নিরাপদ মনে করে এবং শান্তভাবে বেশ কিছুক্ষণ ঘুমায়।
* **মায়ের গর্ভের মতো নিরাপদ অনুভূতি:** হালকা কাপড় বা কাঁথা দিয়ে জড়িয়ে রাখলে বাচ্চা একদম মায়ের গর্ভের মতো আঁটসাঁট ও উষ্ণ পরিবেশ অনুভব করে, যা তাকে মানসিকভাবে শান্ত রাখে এবং অতিরিক্ত কান্নাকাটি কমাতে সাহায্য করে।
* **ত্বক থাকে শুষ্ক ও র‍্যাশমুক্ত:** হালকা ও বাতাস চলাচল করতে পারে (breathable) এমন সুতি কাপড় ব্যবহার করলে বাচ্চা ঘেমে যায় না। ফলে ঘামাচি, র্যাশ বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের ঝামেলা থাকে না।
* **ঠান্ডা লাগা থেকে সুরক্ষা:** ঘর বা আবহাওয়া সামান্য ঠান্ডা থাকলে বা এসি চললে বাচ্চা যেন জমে না যায়, তার জন্য হালকা এক স্তর কাপড় শরীরের সঠিক উষ্ণতা ধরে রাখতে নিখুঁতভাবে কাজ করে।
**মনে রাখার ছোট টিপ:**
সবসময় একটি সহজ নিয়ম মেনে চলবেন—আপনি নিজে যে ধরনের কাপড় পরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন, বাচ্চার জন্য তার চেয়ে বড়জোর **একটি অতিরিক্ত হালকা স্তর (layer)** পোশাক ব্যবহার করাই যথেষ্ট।
#শিশুযত্ন

28/07/2026

নরমাল ডেলিভারির সময় বাচ্চার মাথায় কাপুট হওয়ার বিষয়টি আরও পরিষ্কার এবং বিস্তারিতভাবে নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
# # # কাপুট কেন হয়?
গর্ভাশয় থেকে বাচ্চা যখন নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে বের হয়ে আসে, তখন তাকে একটি সরু পথ বা জন্ম নালী (birth canal) অতিক্রম করতে হয়। এই সময় কয়েকটি কারণে বাচ্চার মাথায় ফোলা ভাব তৈরি হয়:
* **জরায়ুর মারাত্নক চাপ:** ডেলিভারির সময় জরায়ু বারবার সংকুচিত হয় (যাকে লেবার পেইন বা প্রসব বেদনা বলা হয়)। এই তীব্র চাপের কারণে বাচ্চার মাথার সবচেয়ে নিচের অংশে রক্ত সঞ্চালন এবং তরল চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়।
* **তরল জমা হওয়া:** চাপের ফলে বাচ্চার মাথার চামড়া ও স্কাল্পের নিচের নরম টিস্যুতে পানি বা ফ্লুইড জমা হয়ে জায়গাটি ফুলে ওঠে।
* **জরায়ুমুখের ঘর্ষণ:** জরায়ুমুখ (cervix) যখন আস্তে আস্তে খুলতে থাকে, তখন বাচ্চার মাথার ওপর জরায়ুমুখের রিংয়ের মতো শক্ত অংশের একটি চাপ থাকে।
* **দীর্ঘস্থায়ী লেবার পেইন:** প্রসব বেদনা বা ডেলিভারির প্রক্রিয়া যদি অনেক সময় ধরে চলে, তবে মাথার ওপর এই চাপটা দীর্ঘক্ষণ থাকে। ফলে কাপুট বা ফোলা ভাব একটু বেশি হতে পারে।
# # # কাপুটের লক্ষণগুলো কেমন হয়?
* বাচ্চার মাথার ওপরের অংশে নরম, তুলতুলে বা স্পঞ্জের মতো ফোলা ভাব থাকে।
* খালি চোখে দেখলে মনে হতে পারে বাচ্চার মাথার পেছনের বা ওপরের দিকের আকৃতি কিছুটা লম্বাটে বা উঁচু হয়ে আছে।
* চাপ দিলে ফোলা অংশটি কিছুটা ভেতরের দিকে দেবে যেতে পারে।
# # # আপনার যা জানা ও করা দরকার
* **এটি কোনো রোগ বা আঘাত নয়:** এটি বাচ্চার ব্রেইন, খুলির হাড় বা বুদ্ধির ওপর বিন্দুমাত্র কোনো প্রভাব ফেলে না। এটি কেবল চামড়ার নিচের টিস্যুতে জমা হওয়া সামান্য তরল।
* **নিজের থেকেই সেরে যায়:** এর জন্য কোনো ওষুধ, মলম বা চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। বাচ্চার জন্মের **২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার (১–২ দিন)** মধ্যে এই জমা তরল শরীর নিজে থেকেই শুষে নেয় এবং মাথা স্বাভাবিক গোল আকৃতিতে ফিরে আসে।
* **কোনো ধরনের মালিশ করবেন না:** ফোলা জায়গায় হাত দিয়ে চেপে আকৃতি ঠিক করার চেষ্টা করা, তেল মালিশ করা বা গরম সেক দেওয়া **পুরোপুরি নিষিদ্ধ**। এতে বাচ্চার নরম ত্বকে ইনফেকশন বা আঘাত লাগতে পারে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, এটি নরমাল ডেলিভারির একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক ও সাময়িক প্রক্রিয়া, যা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার একদম কোনো প্রয়োজন নেই।

#শিশুযত্ন

27/07/2026

**Pre-term (প্রিম্যাচিউর)** বা সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশুর ক্ষেত্রে প্রথম কয়েক মাস যে বিষয়গুলোতে সবচেয়ে বেশি সাবধান থাকতে হয়:
# # # ১. ইনফেকশন বা সংক্রমণ প্রতিরোধ
* **হাত পরিষ্কার রাখা:** শিশুকে স্পর্শ বা কোলে নেওয়ার আগে সাবান-পানি বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে নেওয়া।
* **দর্শনার্থী কমানো:** ঘরের বাইরে থেকে আসা লোকজনকে কিছুদিন কম আসতে দেওয়া। বিশেষ করে যাদের হাঁচি, কাশি, ঠান্ডা বা জ্বর আছে, তাদের শিশুর কাছে না যেতে দেওয়া।
* **পরিবেশ পরিষ্কার রাখা:** শিশুর কাপড়, কাঁথা, বিছানা এবং ঘর ধূলিবালি ও ধোঁয়া মুক্ত রাখা।
# # # ২. শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখা
* **Kangaroo Mother Care (KMC):** শিশুর খালি বুক মায়ের (বা বাবার) খালি বুকের ওপর সরাসরি ত্বকের সাথে মিলিয়ে (Skin-to-skin) রাখা। এটি শিশুর তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সবচেয়ে কার্যকর।
* **সঠিক পোশাক:** আবহাওয়া বুঝে কাপড় পরানো। মাথায় হালকা সুতির টুপি এবং পায়ে মোজা পরা থাকা ভালো।
* **গোসল:** ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বা ওজন না বাড়া পর্যন্ত প্রতিদিন গোসল না করিয়ে কুসুম গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে গা মুছে দেওয়া।
# # # ৩. সঠিক নিয়মে দুধ খাওয়ানো
* **মায়ের দুধ (Breast Milk):** প্রিম্যাচিউর শিশুর জন্য মায়ের দুধই প্রধান খাবার ও অ্যান্টিবডি।
* **ধীরগতিতে খাওয়ানো:** তড়িঘড়ি না করে সময় নিয়ে খাওয়ানো, যাতে গলায় দুধ না আটকে যায়।
* **ঢেকুর তোলা:** প্রতিবার খাওয়ার পর শিশুকে সোজা করে কাঁধে নিয়ে হালকা পিঠ চাপড়ে ঢেকুর তোলানো।
# # # ৪. শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রতি খেয়াল রাখা
* শিশু দ্রুত বা অস্বাভাবিক শ্বাস নিচ্ছে কি না, শ্বাস নেওয়ার সময় বুক অতিরিক্ত দেবে যাচ্ছে কি না বা ঠোঁট/মুখ নীলচে হয়ে যাচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা।
# # # ৫. জরুরি লক্ষণ দেখলে দ্রুত ডাক্তার দেখানো
* শিশু দুধ খেতে না চাইলে বা অতিরিক্ত অলস/নিস্তেজ হয়ে পড়লে।
* হাত-পা অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে গেলে বা জ্বর (১০০° ফারেনহাইটের বেশি) আসলে।
* অনবরত বমি করা বা পেট অস্বাভাবিক ফুলে গেলে।
* শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা শরীর নীলচে হয়ে গেলে।
শিশুর ওজন এখন কত এবং ডাক্তার হাসপাতালে থাকা অবস্থায় বিশেষ কোনো পরামর্শ দিয়েছিলেন কি?

#শিশুযত্ন

Address

Cos Bazar
Cox's Bazar
4702

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NICU Service 2.0 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share