Dr. Abdullah All Mamun Kochi

Dr. Abdullah All Mamun Kochi Abdullah All Mamun Kochi is a Doctor. He is also an adventure freak.

He is interested in discussing and making videos about social issues, burning issues, health issues & all which will help other people to improve their thinking process.

02/06/2026

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।

ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় অমানুষ সেই হিসাব করতে বসে যাই।

বাট একবারের জন্যও জানতে চাই না, এদেরকে ভালোবাসতে শেখাইছিল কেউ?

আমার এক বন্ধু একবার অঙ্কে ৯৬ পাইছিল।

সেই বন্ধুর মা আমাদের সামনেই শুরু করলো মাইর।

যেমন সেমন মাইর না, কঠিন মাইর। মাইর খাইয়া বেচারা মায়ের পা চাইপা ধরলো।

ছেলেটা যে কী নরম সরম ছিল।

এখনো কি তাই আছে?

আমি জানি না। এত মাইর খাইয়া কেউ কি নরম থাকে?

রুয়েটের এক ফ্রেন্ড আফসোস করে বলছিল, তার বাবা তার কাছে কোনদিন জানতে চায়নি, সে কেমন আছে?

স্কুল কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি, একটাই প্রশ্ন, রেজাল্ট কত? ও তোমার আগে গেল কেমনে?

আমার আরেক ফ্রেন্ড এর বাপ নাকি ও ওয়াশরুমে গেলেও বকাবকি করত। লেখাপড়া রেখে ওয়াশরুমে কী?

এক আপুর স্বপ্ন ছিল নিজের প্রথম স্যালারি দিয়ে বাবাকে একটা দামি ঘড়ি গিফট করা। আমাদের মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন যেমন হয় আর কী।

ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, বিসিএস পড়া কেবল শুরু করেছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই, প্রেমও করতেন একটা, সবাই যেমন করে,

মাস্টার্স এ সেই আপুকে ধরে বিয়ে দেওয়া হইলো এক আমেরিকান পাত্রের সাথে। আপু একবার সুইসাইড এটেম্পট নিলেও পরেরবার হাসিমুখেই বিয়েটা করে আমেরিকা চলে গেলেন।

জামাইয়ের তিনটা বাড়ি। টাকার কোন অভাব নাই।

চাইলে এখন তিনি রোল্যাক্স কিনেও বাপকে দিতে পারেন।

কিন্তু বাবার জন্য একটা ক্যাসিও বা টাইটানও কিনেননি।

কারণ, রুচি হয়নি।

উনার বাবা মা আমার পরিচিত।

সারাদিন অভিযোগ করে, মেয়েটা আমাদের ভুলেই গেল। অথচ মেয়েটার জন্য কত কী করলাম!!

আমাদের দেশে ছেলে মেয়েদের ধরে ধরে কুরবানি দেওয়াকে অনেক কিছু করা হিসেবে দেখানো হয়।

আমাদের ধর্মে বলা আছে, প্রতিটা শিশুই খোদায়ী ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।

মানে একটা শিশু একেবারে ছোট থেকেই ভালোবাসার চমৎকার এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।

দেখবেন, বাচ্চারা একটা পাখি দেখলে কত খুশি হয়, একটা বিড়াল বা কুকুর দেখলেই হেসে আদর করতে যায়।

একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে দেখলেই কী হাসিটাই যে দেয়, খেয়াল করেছেন?

এই যে ভালোবাসা, এই যে মায়া, এই যে হাসি, এই যে পবিত্র একটা আত্মা,

এই আত্মাকে বাপ মায়েরা ধরে ধরে ধ্বংস করে।

শুরুতে বিড়াল, কুকুরকে ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হইলে কাজিনদের ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হলে নিজের বন্ধুদের ঘৃণা করতে শিখায়, বন্ধু ভালো করলে বকাবকি করে,

ছেলেটা বা মেয়েটার ভালোবাসার ক্ষমতা ধ্বংস হইতে থাকে।

মায়া ক্ষয়ে যেতে থাকে।

হাই স্কুল আর কলেজে উঠতেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়ে যায় কিছু ডিজিটের সমষ্টি, আর বিয়ের বাজারে তো নিলামে তোলা হয় শরীরকেও,

এরা পরিণত হয় যন্ত্রমানবে।

সারা জীবন ধরে চেষ্টা করে একজন মানবসন্তানকে যন্ত্র বানানোর খেলা শেষ হয়, এবার মা বাপ আশা করে, এবার এই যন্ত্র আমাদের একটু ভালো বাসুক, আমাদের মায়া করুক।

কিন্তু ততদিনে মায়া, ভালোবাসা শব্দগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত ঠেকে। আমরা হয়ে উঠি আমাদের বাপ মায়ের স্বপ্নের হিসাব মেশিন,

বাপ মায়েরা শিখাইছিল,

আমরা যেন আমাদের কাজিন, বন্ধু, প্রেমিক বা প্রেমিকাকেই শুধু নিলামে তুলি,

কিন্তু ততদিনে আমরা আমাদের মা বাপকেই নিলামে তোলা শিখে যাই।

আর আমাদের বাপ মায়েরা অবাক হয়ে ভাবে, আমাদের সাথেও এমন করবি?

কিন্তু যন্ত্র তো যন্ত্রই।

যন্ত্রের কি আর কান আছে?

একটা বিড়াল দেখে যার মায়া হয় না, একটা পাখির উপর যার দরদ হয় না, মা বাবার উপর কেমনে আর হবে?

তখন ছেলে মেয়ে হয়ে যায় খারাপ। অকৃতজ্ঞ। বেঈমান।

কিন্তু এই অকৃতজ্ঞতার ট্রেইনিং কারা দেয়?

২০ বছর ধরে ম্যাথ শিখাইয়া ভালোবাসা আশা করলে হবে? ভালোবাসাও তো একটা প্র‍্যাকটিস। অভ্যাস না থাকলে ভালোবাসাও তো আর আসে না।

তাই হা হুতাশ না করে আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসা শেখান৷

মায়া করতে শেখান।

কারণে ভালোবাসা শেখান।

অকারণেও ভালোবাসা শেখান।

একটা পাখিকে ভালোবাসতে শেখান। একটা বিড়ালকে আদর করতে শেখান৷ একটা রাস্তার কুকুরকে বিস্কিট খাওয়াইতে শেখান।

নিজের কাজিনকে ভালোবাসতে শেখান। নিজের বন্ধু ভালো করলে খুশি হতে শেখান, স্বার্থের প্রশ্নে হেরে যেতে শেখান।

একটা ফুল দেখলেও যেন আপনার ছেলেটা বা মেয়েটা বলতে পারে,

ভালো থেকো ফুল,
মিষ্টি বকুল,
ভালো থেকে,

ভালো থেকে ধান,
ভাটিয়ালি গান,
ভালো থেকে,

ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা,
ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা
ভালো থেকো..........

এই পৃথিবীটা কোন ক্যালকুলেটর না।

এই পৃথিবী একটা আয়না।

এখানে হিসাব দিলে হিসাব ফেরে।

ঘৃণা দিলে ঘৃণা ফেরে।

ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাও ফিরে আসে।

ফোর্টি রুলস অব লাভ বইতে জালাল উদ্দিন রুমি বলতেসেন,

এই আয়নাতে ভালোবাসা দিয়েন, যত পারেন। কোন না কোনভাবে সেই ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়ে আপনার দিকেই ফিরে আসবে কোন একদিন।

ছোটবেলায় ম্যাথ, বিজ্ঞান আর ইংরেজির পাশাপাশি ভালোবাসাটাও একটু শিখায়েন।

কারণ একদিন হিসাবের সব খেলা শেষে, আপনি জানবেন, মানুষের আসলে এত কিছু লাগে না,

কিচ্ছু চায় না মানুষ, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া........

লেখা: সাদিকুর রহমান খান।

18/05/2026

ভুলের গল্প

প্রিয় কায়সার হামিদ,
যে মানুষটার পায়ে বল এলে আনন্দে কেঁপে উঠত লাল সবুজের গ্যালারি সে মানুষটা আজ কাঁদছে। আপনার এই শোকের মাঝেও কালবেলাকে দেয়া সাক্ষাৎকার...অসুস্থ অবস্থায় চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউনকে দেয়া সাক্ষাৎকারসহ অনেক মতামত আমাদের নজরে এসেছে।
আপনি...
১. অভিযোগ করেছেন ইন্ডিয়ান ডাক্তারের ভাষ্যমতে কোন কোন না কোনভাবে ভুল চিকিৎসা হয়েছে (সূত্র: কালবেলা, সময় টিভি)
২. আক্ষেপ করেছেন বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয় না, এটা জানতেন না।(সূত্র: চ্যানেল আই)
৩. ফ্যাটি লিভারের কারণে তিনি লিভার ফেইল্যর এ আক্তান্ত হয়েছেন।(সূত্র: চ্যানেল আই)
৪. ভুল অ্যান্টিবায়োটিক বা সিডেটিভ দেয়া হয়েছে।

সত্যি বলতে ভুল তো হয়েছে। একটা না একাধিক। আপনি যেহেতু অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়, জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব সেহেতু আপনার কথার গুরুত্ব আছে। প্রতিটা কথা সমাজে মেসেজ সরবরাহ করছে।
একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্য সচেতন ব্যাক্তি হিসেবে আমি সেই ভুলগুলো আপনাকে ধরিয়ে দিতে চাই।
১.
প্রথম ভুল, জ্বর ও জন্ডিস থাকার পরেও এক সপ্তাহের অধিক আপনি পাত্তাই দেন নাই। দশ এগারো দিন বাসাতে রেখেছেন (সুত্র: চ্যানেল আই)। হতে পারে টুকটাক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আচ্ছা, জ্বরে কি প্যারাসিটামল দিয়েছিলেন?
দিয়ে থাকলেই মহাবিপদ। যে মানুষটা হেপাটাইটিস-এ এবং ই তে আক্তান্ত হয়ে লিভার ফেইল্যর এর দিকে যাচ্ছে তার জন্যে সামান্য প্যারাসিটামলও কিন্তু অনেক ভয়ংকর!
২.
দ্বিতীয়ত লিভার ফেইল্যর হলে প্রথমেই দেহ থেকে টক্সিন বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়...আক্তান্ত হয় মস্তিস্ক...শুরু হয় DIC নামক মহা জটিলতা...আক্রান্ত হয় ফুসফুস...খুব দ্রুত একে একে সব অর্গান আক্রান্ত হয়।
তাই ফুসফুস আক্তান্ত হবে এটাই স্বাভাবিক।

লাইফ সাপোর্ট কাকে বলে জানেন?
ফুসফুস যখন কাজ করেনা তখন কৃত্রিম ফুসফুস দিয়ে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়। এটাকেই ভেন্টিলেটর বা লাইফ সাপোর্ট বলে।
৩.
বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয় না। এটাও ভুল। ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যে ওটিতে আমি অপারেশন করি সেখানেই অতীতে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। অধ্যাপক মো. আলীর তত্ত্বাবধানে এটি হয়েছিল। পিজিতেও হয়েছে।
কিন্তু নিয়মিত হয় না। কারণ এটা ব্যায়বহুল। এত টাকা দিয়ে রোগীরা দেশে অপারেশন করতে চায় না।
৪.
উন্নত বিশ্বে যেখানে লিভার আইসিইউ আছে সেখানেও এ রোগে মৃত্যুর হার ৯০% এর বেশি। কেন জানেন? ঐ যে ফালমিনেন্ট হেপাটিক ফেইল্যর হওয়ার সাথে সাথে রোগীর নানা জটিলতা শুরু হয়...তাই চাইলেও দ্রুত লিভার ট্রান্সপ্লান্ট আয়োজন করা যায় না। যেটা ইন্ডিয়াও পারে নাই।
৫. ফ্যাটি লিভারের কারনে এমন হয়েছে এই স্টেটমেন্টও ভুল। এতে করে যারা প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত তারা আতংকে আছেন। এই কদিন এসব রোগীর ভীড় চেম্বারে বেড়ে গেছে।
এটা ঠিক যে ফ্যাটি লিভার এডভান্স হলে...অল্পতেই কাবু হওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভার নিয়ম মেনে একদম ভাল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
৬. সিডেটিভ বা অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক চিকিৎসারই অংশ। আর ওনাকে প্রাথমিক নয়, টারশিয়ারি লেভেলের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
বাবা হিসেবে অনিচ্ছাসত্ত্বেও আপনার কিছু ভুল হয়েছে। মেয়েকে ফিট রাখার চেষ্টা হয়ত করেছেন, পারেননি। এলোমেলো খাবার থেকে বিরত রাখতে পারেন নি।
যথাসময়ে মেয়েকে হাসপাতালে নেননি। বাসায় রেখে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্যারাসিটামল খাইয়েছেন।
দ্বিতীয় ভুল, সিংগাপুর বা উন্নত বিশ্ব না করা সত্ত্বেও ওনাকে ইন্ডিয়ায় নিয়ে গেছেন। এয়ারএ্যাম্বুলেন্স এর ভাড়া দিয়েছেন ৫৫ লাখ, নিশ্চয়ই ইন্ডিয়াতেও ৩০/৪০ লাখ যাবে। বাবার মন, তাই হয়ত মিরাকলের আশায় গেছেন। যেকোন সামর্থবান পিতাই এটা করবে। সেজন্যে এটাকে ভুল বলার জন্যে আমি দু:খিত।
আরো একটা কারণ এ কাজটা ভাল হয়েছে। দেশের হাসপাতালে মারা গেলে আরো অনেক বেশি অভিযোগ আসত। উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যাওয়ার খবর যতবেশি মার্কেট পায়। উন্নত কফিনে বিদেশ থেকে ফিরে আসার খবর গুলো ততটা পায় না।

একটা দেশ সব কিছুতে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয় না। কিছু বাস্তবতা থাকে। এই যেমন, বাংলাদেশের একমাত্র ফাইলেরিয়া হাসপাতাল সৈয়দপুরে, ঢাকায় না কিন্তু। খোদ আমেরিকাতেও ফাইলেরিয়া ডেডিকেটেড হাসপাতাল নেই।

আপনি তো উন্নতমানের ফুটবলার।তবুও ফুটবলে বাংলাদেশের অবস্থান কত আমরা কিন্তু সে প্রশ্ন করছিনা। কারণ কিছু সীমাবদ্ধতা, বাস্তবতা মেনে নিতে হয়।

তাই মানসিক স্বান্তনার জন্যে মনগড়া অভিযোগ না তুলে প্রয়োজনে সরাসরি ব্যবস্থা নিন। বিশেষজ্ঞ এর সাহায্য নিয়ে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আনুন।

পিতা হিসেবে আজ আপনি আহত। চিকিৎসক হিসেবে আমরাও আহত। এক একজন পিতা হিসেবে, দুই ভুল চিকিৎসার মনগড়া অভিযোগের কারণে।
তবে আপনি কিছু ভুল তুলে আনতেই পারতেন।
যেমন খাদ্যে ভেজাল, দুষিত পানি কিংবা স্বাস্থ্য অসচেতন প্রজন্মের ভুল জীবন যাপন নিয়ে।

পরকালে মেয়ের সাথে আবারও দেখা হোক। বেহেস্তী বাগানের কোন এক নদীর ধারে। এক জীবনের আফসোসগুলো না হয় সেসময় মিটিয়ে নিলেন।
আমিন।

Dr. Saklayen Russel

17/05/2026
16/05/2026

Explain করা বাদ দাও তোমার দুঃখ অন্য কারো কাছে শব্দ দূষণ মাত্র

11/05/2026

মাত্র ১ দিন বয়সী নবজাতকের গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। করেছে শিশুর বাবা-মা। তাও লোকলজ্জার ভয়ে। ভাবতে পারেন?

প্রায় এক বছর আগে বগুড়া সদরের নারুলী এলাকার জাহিদুল ইসলামের ছেলে শুকুর আলীর সঙ্গে গাবতলী উপজেলার উঞ্চুরখী এলাকার নিপার বিয়ে হয়। তবে দাম্পত্য কলহের জেরে প্রায় ছয় মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

ডিভোর্স কিভাবে হল? এই সময়ে মেয়েটা প্রেগন্যান্ট ছিল। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় ডিভোর্স হয় না। শিশু জন্মের পরে হয় এবং এই শিশুর ডেলিভারি খরচ এবং দায়দায়িত্ব বাবার।

বাংলাদেশের মানুষ আইন আর ধর্ম সম্পর্কে এতই উদাসীন! যা খুশী তারা করে যাচ্ছে।

পরে চলতি বছরের মার্চে বগুড়া সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের নুর আলমের ছেলে দুলালের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নিপা। শুক্রবার (৮ মে) রাতে নিপা একটি ছেলেসন্তান প্রসব করেন।

৭ মাসের প্রেগন্যান্ট মেয়ে কিভাবে বিয়ে করল, লুকিয়ে? ৭ মাসের গর্ভ তো লুকানো যায় না। যদি জেনেশুনে হয়ে থাকে তাহলে এই শিশুর ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি? মেয়ের বাবা-মা কি ভূমিকা পালন করলেন এই বিয়ের সময়ে?

শিশু জন্মের পরে লোকলজ্জার ভয়ে নবজাতকের গলায় ব্লেড চালিয়ে হত্যা করে তার বাবা-মা। এরপর লাশ বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

এখানে লজ্জার কি হল? আগের বিয়ের বাচ্চা তো বৈধ বাচ্চা। আশপাশের লোকজন কেউ কি জানতো না যে মেয়ে প্রেগন্যান্ট?

ডিভোর্স হয় না, করে ফেলল। বিয়ে হয় না, করে ফেলল।

একটা শিশুর জন্য নি:সন্তান দম্পতিদের কত হাহাকার। অথচ কত সহজে জন্মদাত্রী মা, ৯ মাস গর্ভে ধারণ করা মা শিশুটাকে ব্লেড দিয়ে গলা কেটে মেরে ফেলল। আমি জানি না এটা কিভাবে সম্ভব!! ২য় স্বামী দুলালও শিশুটাকে হত্যায় বাধা দিল না? এত অমানুষ সব লোকজন।

অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটছে বাংলাদেশে। অজ্ঞতা, কুশিক্ষা আর কুসংস্কার মিলিয়ে এত নৃশংস আর পৈশাচিক সব ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন!!

এই শিশুটা হাশরের ময়দানে তার বাবা-মাকে যখন প্রশ্ন করবে, তারা তখন কি উত্তর দিবে৷ ইহকাল আর পরকাল সব শেষ।

10/05/2026

স্ত্রীর কষ্ট বুঝুন, ধৈর্য ধরুন: একজন স্বামীর দায়িত্ব ও মানবিকতা

বিবাহ শুধু অধিকার নয়, এটি দায়িত্ব, দয়া, সহানুভূতি ও ধৈর্যের সম্পর্ক। একজন স্ত্রী যখন গর্ভধারণ করেন, সন্তান জন্ম দেন, রাত জেগে সন্তান লালন-পালন করেন, ব্রেস্টফিডিং করান, তখন তিনি শারীরিক, মানসিক ও আবেগিকভাবে বিশাল চাপের মধ্য দিয়ে যান। এই সময় একজন স্বামীর সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো ধৈর্য ধরা, সহানুভূতিশীল হওয়া এবং স্ত্রীর কষ্টকে সম্মান করা।

অনেক পুরুষ অফিস বা কাজ শেষে বাসায় এসে শুধু নিজের ক্লান্তির কথা ভাবেন। কিন্তু একজন মা সারাদিন ঘরের কাজ, সন্তানের কান্না, ঘুমহীন রাত, শারীরিক দুর্বলতা, মানসিক চাপ সবকিছু একসাথে বহন করেন। তাই স্ত্রীর কিছু রাগ, বিরক্তি, আবেগ বা ক্লান্ত আচরণকে ধৈর্যের সাথে মেনে নেওয়া একজন সচেতন ও ঈমানদার স্বামীর বৈশিষ্ট্য।

কুরআনের আলোকে স্ত্রীর মর্যাদা

আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আর তোমরা তাদের সাথে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো।”
Al-Qur'an

এই আয়াতে আল্লাহ স্বামীদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন স্ত্রীর সাথে উত্তম আচরণ করতে। শুধু খাওয়ানো বা ভরণপোষণ নয়, বরং ভালো ব্যবহার, ধৈর্য, কোমলতা এবং সম্মানও এর অন্তর্ভুক্ত।

আরেক জায়গায় আল্লাহ বলেন:
“মায়েরা তাদের সন্তানদের পূর্ণ দুই বছর দুধ পান করাবে...”
— Al-Qur'an

এই আয়াত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সন্তান লালন-পালনে মায়ের ভূমিকা কত বিশাল। একজন মা নিজের শরীরের শক্তি, ঘুম, সৌন্দর্য, আরাম সবকিছু বিসর্জন দিয়ে সন্তানকে বড় করেন।

হাদিসের আলোকে উত্তম স্বামী

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।”
— Jami` at-Tirmidhi

তিনি নিজে ঘরের কাজে সাহায্য করতেন। কাপড় সেলাই করতেন, পরিবারের কাজে অংশ নিতেন। স্ত্রীদের প্রতি কোমল ছিলেন। কখনো অহংকার করতেন না।

হযরত আয়েশা (রা.) বলেন:
“রাসূল ﷺ ঘরের কাজে পরিবারের সহযোগিতা করতেন।”
— Sahih al-Bukhari

আজ অনেক পুরুষ মনে করেন ঘরের কাজ শুধু নারীর দায়িত্ব। কিন্তু নবী ﷺ আমাদের শিখিয়েছেন, পরিবার একটি টিমের মতো। এখানে সহযোগিতা, ভালোবাসা ও ধৈর্য প্রয়োজন।

বাস্তব উদাহরণ

ধরুন, একজন স্ত্রী রাতভর শিশুকে সামলেছে। শিশুর জ্বর ছিল, বারবার কান্না করেছে। মা ঠিকমতো ঘুমাতে পারেনি। সকালে আবার রান্না, কাপড় ধোয়া, বাচ্চাকে খাওয়ানো, ঘর গোছানো সবই করেছে।

এমন অবস্থায় যদি স্বামী বাসায় এসে শুধু অভিযোগ করেন:

“খাবার দেরি কেন?”

“তুমি এত রাগ করো কেন?”

“ঘর ঠিকমতো পরিষ্কার না কেন?”

তাহলে এটি অন্যায় ও অমানবিক আচরণ হয়ে যায়।

বরং একজন উত্তম স্বামী বলবেন:

“তুমি অনেক কষ্ট করছো।”

“আমি কীভাবে সাহায্য করতে পারি?”

“আজ তুমি একটু বিশ্রাম নাও।”

এই কয়েকটি কথা একজন ক্লান্ত স্ত্রীর হৃদয়ে শান্তি এনে দিতে পারে।

ধৈর্য ধরার পুরস্কার

সংসারে ধৈর্য সবচেয়ে বড় ইবাদতগুলোর একটি। স্ত্রী কখনো ক্লান্ত হয়ে রেগে যেতে পারেন, আবেগপ্রবণ হতে পারেন। বিশেষ করে সন্তান জন্মের পর নারীরা শারীরিক ও হরমোনজনিত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যান। তখন স্বামীর দায়িত্ব হলো পরিস্থিতি বুঝে ধৈর্য ধরা।

আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।”
— Al-Qur'an

একজন পুরুষের করণীয়

১. স্ত্রীর কষ্টকে স্বীকৃতি দিন

তিনি সারাদিন কী করেন, তা বুঝতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের কাজে সাহায্য করুন

সন্তানকে কোলে নেওয়া, বাজার করা, থালা ধোয়া, রান্নায় সাহায্য করা ছোট কাজ নয়।

৩. রাগের বদলে কোমল আচরণ করুন

কঠোর কথা সংসার ভেঙে দেয়, কোমল কথা সংসার বাঁচায়।

৪. স্ত্রীকে সম্মান দিন

তিনি শুধু “গৃহিণী” নন, আপনার সন্তানের মা এবং জীবনের সঙ্গী।

৫. দোয়া করুন

আল্লাহর কাছে শান্তিপূর্ণ সংসার ও ভালোবাসা প্রার্থনা করুন।

উপসংহার

একজন স্ত্রী যখন সন্তান জন্ম দেন ও লালন-পালন করেন, তখন তিনি বিশাল ত্যাগ স্বীকার করেন। তাই একজন পুরুষের উচিত অহংকার না করে ধৈর্য ধরা, সহানুভূতিশীল হওয়া এবং স্ত্রীর পাশে দাঁড়ানো।

সংসার জিততে শক্তি নয়, প্রয়োজন দয়া, সম্মান, ধৈর্য ও ভালোবাসা। নবী ﷺ এর সুন্নাহও এটাই শিক্ষা দেয়।

03/01/2026

অভিযোগ করা বন্ধ করে দিন। ভুল ধরা কমিয়ে দিন। দোষ দেখা বন্ধ রাখুন। যার গোল্লায় যাওয়ার, সে গোল্লায় যাক। যার এগিয়ে যাওয়ার, সে এগিয়ে যাক।
জীবনে সবকিছুর প্যারা আপনাকেই কেন নিতে হবে? সব বিষয়ে মাথা ঘামানো থেকে একেবারে সরে আসুন। কেউ মিথ্যা বললে শুনে এমনভাবে চুপ থাকুন, যেন সত্যটা আপনি জানেনই না।

সবাইকে সবার মত থাকতে দিন। সব খবর না রাখুন। কারো সাথে মতের অমিল হলে 'You are right' বলে তাকে জিতিয়ে দিয়ে চলে আসুন। তর্কে না জিতাটাই আসল বিজয়।

কারো জীবনে চরম মিথ্যাচার বা আপনার সাথে অন্যায় হচ্ছে দেখলে প্রতিবাদ বা প্রতিশোধের কোনো প্রয়োজন নেই ওটা উপরওয়ালার উপর ছেড়ে দিন....তারপর নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান।
No Complain, No Argument, No Comments. ব্যস, জীবন শান্তির। যে যার মত থাক, আপনি শান্তিতে থাকুন। জীবন সুন্দর।

27/12/2025

"আমি বার্ধক্যে কারও বোঝা হতে চাই না"—এটি কেবল একটি সাধারণ উক্তি নয়; এটি প্রতিটি আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মানুষের অন্তরের গভীরতম আকুতি। এটি এমন একটি জীবনদর্শন যা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত নিজের মর্যাদা বজায় রাখার স্বপ্ন দেখে।
​এই উক্তিটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে তুলে ধরা হলো:

​১. আত্মসম্মান ও মর্যাদাবোধের প্রকাশ

​মানুষ সারাজীবন পরিশ্রম করে নিজের পরিবার ও সমাজকে গড়ে তোলে। যৌবনে যে হাতগুলো অন্যের সেবা করেছে, বার্ধক্যে সেই হাতগুলোই অন্যের দয়ার ওপর নির্ভর করতে চায় না। বার্ধক্যে সন্তানের বা আত্মীয়ের সংসারে "অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র"-এর মতো পড়ে থাকার ভীতি থেকেই এই উক্তির জন্ম। এটি মূলত নিজের মেরুদণ্ড সোজা রেখে বাঁচার একটি নীরব শপথ।

​২. তিনটি প্রধান স্তম্ভ

​বার্ধক্যে বোঝা না হওয়ার সংকল্পটি মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে:

➡️ ​আর্থিক স্বাধীনতা (Financial Independence): বার্ধক্যের সবচেয়ে বড় অসহায়ত্ব হলো অর্থের অভাব। নিজের ওষুধ, খাবার বা শখের জন্য অন্যের কাছে হাত পাতা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তাই বোঝা না হওয়ার প্রথম শর্ত হলো—যৌবন থেকেই এমন সঞ্চয় বা আয়ের উৎস তৈরি করা, যাতে শেষ বয়সে অর্থের জন্য সন্তানের মুখের দিকে তাকাতে না হয়।

➡️ ​শারীরিক সক্ষমতা (Physical Fitness): বিছানায় পড়ে থেকে অন্যের সেবা নেওয়া এবং প্রতিনিয়ত যন্ত্রণায় কাতরালে নিজেকে পরিবারের জন্য বোঝা মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই এই উক্তিটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, যৌবনকাল থেকেই স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন, যাতে বার্ধক্যটা জরাজীর্ণ না হয়।

➡️ ​মানসিক প্রস্তুতি (Mental Strength): বার্ধক্যে একাকীত্ব গ্রাস করে। তখন কেবল অভিযোগ না করে, নিজের মতো করে সময় কাটানোর মানসিকতা তৈরি করাও এক ধরণের স্বাধীনতা। বই পড়া, বাগান করা বা সৃষ্টিকর্তার ইবাদতে মশগুল থেকে নিজেকে মানসিকভাবে প্রফুল্ল রাখা জরুরি।

​৩. পরনির্ভরশীলতা বনাম ভালোবাসা

​অনেকে মনে করেন, সন্তানকে মানুষ করেছি, তারা দেখবে না কেন? কিন্তু "বোঝা হতে চাই না" উক্তিটি এই প্রত্যাশার বিপরীত মেরুর। এর অর্থ হলো—সন্তান আমাকে ভালোবাসবে, শ্রদ্ধা করবে এবং সঙ্গ দেবে; কিন্তু সেটা যেন 'দায়িত্বের বোঝা' বা 'বিরক্তি' থেকে না হয়। সন্তান যেন বাবার বা মায়ের সান্নিধ্য উপভোগ করে, তাদের সেবা করাটা যেন তাদের কাছে 'বোঝা' মনে না হয়—এটাই এই উক্তির মূল কথা।

​৪. বাস্তবলিপ্সা ও প্রস্তুতি

​এই উক্তিটি কেবল আবেগের নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়।

​"বার্ধক্য হঠাৎ করে আসে না, এটি জীবনের একটি দীর্ঘ প্রস্তুতির ফল।"

​যারা শেষ বয়সে বোঝা হতে চান না, তাদের এখনই এই কাজগুলো করা উচিত:

➡️ ​আর্থিক সঞ্চয় ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।

➡️ ​শরীরের যত্ন নেওয়া ও নিয়মিত চেক-আপ করা।

➡️ ​সন্তান বা আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, কিন্তু অতিরিক্ত প্রত্যাশা না করা।

➡️ ​নিজস্ব একটি ভুবন তৈরি করা (বন্ধু-বান্ধব বা শখ)।

​৫. উপসংহার

​"আমি বার্ধক্যে কারও বোঝা হতে চাই না"—এটি একটি গর্বিত প্রার্থনা। এটি আমাদের শেখায় যে, জীবনের শেষ অধ্যায়টি করুণার নয়, বরং সম্মানের হওয়া উচিত। যেন পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সময় মনে তৃপ্তি থাকে যে, "আমি আমার নিজের শক্তিতেই জীবনটা পার করেছি, কারও ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলিনি।"

03/12/2025

যে সম্পর্ক শুধু কষ্ট দেয়, তা ছাড়তে এত কঠিন কেন?

আপনি জানেন যে এই সম্পর্কটি আপনাকে মানসিকভাবে আঘাত করছে, তবুও আপনি তা থেকে বের হতে পারছেন না।

আপনার মনে হয়, যদি ছেড়ে দেন তবে আপনিই যেন খারাপ মানুষ বা অকৃতজ্ঞ হয়ে যাবেন।

এটি একটি খুবই বাস্তব সমস্যা। টক্সিক সম্পর্ক থেকে বের হওয়া কঠিন, কারণ,

আশার মায়াজাল, আপনার মন ক্ষতিকর সম্পর্কটিকে ছেড়ে যেতে ভয় পায়, কারণ সে ভালো স্মৃতিগুলো ধরে রাখে এবং আশা করে যে পরিস্থিতি হয়তো বদলে যাবে।

অপরাধবোধ, আপনি মনে করেন, যদি আপনি দূরে যান, তবে সেই মানুষটির কষ্ট হবে আর সেই ভারের কারণে আপনি নিজেই কষ্ট পেতে থাকেন।

অভ্যস্ততা, আমাদের মস্তিষ্ক ক্ষতিকর হওয়া সত্ত্বেও পরিচিত পরিস্থিতিকে এক ধরনের নিরাপত্তা বলে মনে করে। আমরা এই নিজেদের অভ্যাস গুলোকে ছাড়তে পারিনা।

কিন্তু এই জিনিস গুলোর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে এক সময় যেয়ে এসব সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় শুধু থেকে যায় তিক্ততা। তখন মনে হয় যেন ভালোবাসা মানেই কষ্ট।

কিন্তু আসলে ভালোবাসা আপনাকে কষ্ট দেয় না, যা কষ্ট দেয় তা হলো নির্ভরতা এবং ক্ষতিকর অভ্যাসে অভ্যস্ততা।

নিজের মানসিক শান্তির জন্য সম্পর্ক থেকে সরে আসা কোনো অপরাধ নয়। আপনার বুঝতে হবে কোন সম্পর্কটি আপনার জন্য ভালো হচ্ছে এবং কোনগুলো ক্ষতিকর।

11/11/2025

ঘৃনা করতেই হবে এমন তো কোন কথা নেই, তবে মাজে মাঝে মানুষ মন থেকে উঠে যায় সে যেই হোক বন্ধু কিংবা আপনজন, কাছের মানুষ আগের মত আর তাদের প্রতি আগ্রহ থাকে না।
তাদের প্রতি আর কোন মায় কাজ করে না, চোখের সামনে ছারখার হয়ে গেলে ও বলতে ইচ্ছে করে না তোমার কি খুব বেশি কষ্ট হচ্ছে।
মনের দূরত্ব একবার আসলে তা আর কোন ভাবেই আগের মত ঠিক হয় না।
ঘৃনার চাইতে আগ্রহ হাড়ানো বেশি ভয়ঙ্কর।

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Abdullah All Mamun Kochi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share