Dr. Abdullah All Mamun Kochi

Dr. Abdullah All Mamun Kochi Abdullah All Mamun Kochi is a Doctor. He is also an adventure freak.

He is interested in discussing and making videos about social issues, burning issues, health issues & all which will help other people to improve their thinking process.

24/07/2026

সময় মানুষকে পরিবর্তন করে না, মানুষই
মানুষকে পরিবর্তন করে।

23/07/2026

কপাল যেহেতু খারাপ মন খারাপ করে লাভ কি?
কষ্ট যখন নিজের সঙ্গী আফসোস করাটা বোকামি।

16/07/2026

সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ নিজের মধ্যে বিনিয়োগ।

আমরা অনেকেই টাকা জমাই, জমি কিনি, সোনা কিনি, শেয়ারে বিনিয়োগ করি। কিন্তু ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে মুদ্রার মূল্য কমতে পারে, বাজারে মন্দা আসতে পারে, প্রযুক্তি বদলে যেতে পারে, ব্যবসার ধরণও পাল্টে যেতে পারে।

কিন্তু একটি সম্পদ আছে, যার মূল্য সময়ের সঙ্গে বাড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। সেটি হলো নিজের জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও চরিত্র।

একজন মানুষের প্রকৃত সম্পদ তার ব্যাংক ব্যালেন্স নয়; বরং তার শেখার আগ্রহ, কাজের দক্ষতা, মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষমতা, স্পষ্টভাবে যোগাযোগ করার সামর্থ্য, পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মানসিকতা এবং সময়মতো সঠিক সুযোগ চিনে তা কাজে লাগানোর সক্ষমতা।

আমি নিজের কর্মজীবনে দেখেছি, পদবী একদিন শেষ হয়, চাকরি পরিবর্তন হয়, প্রতিষ্ঠান বদলে যায়। কিন্তু জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সুনাম কখনও বৃথা যায় না। এগুলোই নতুন সুযোগের দরজা খুলে দেয়।

ব্যক্তিগত জীবনেও আমি চেষ্টা করেছি এই বিশ্বাসকে অনুসরণ করতে। কারণ আমি বিশ্বাস করি, সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার শুধু অর্থ-সম্পদ নয়; বরং শিক্ষা, মূল্যবোধ, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনের অভিজ্ঞতা।

তাই সন্তানদের জন্য শুধু সম্পদ রেখে যাওয়ার চেয়ে তাদের শিক্ষা, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও সততার ভিত্তি গড়ে দেওয়া অনেক বড় বিনিয়োগ।

নিজের ওপর বিনিয়োগ করুন। কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ আপনার ভেতরেই রয়েছে।

09/07/2026

শেষ পর্যন্ত তোমার সমস্যাটা তোমাকে সমাধান করতে হবে।বাকিরা সর্বোচ্চ 5 মিনিট পরামর্শ দেবে, দুটো কথা বলবে, তারপর সবাই নিজের জীবনে ফিরে যাবে। কষ্টটা তোমারই,বোঝাটাও তোমাকেই বইতে হবে।

মানুষ সহানুভূতি দেখায়, কিন্তু দায়িত্ব নেয় না। তারা শুনবে,মাথা নেড়ে যাবে,তারপর ভুলে যাবে। কিন্তু রাতের ঘুমহীনতা,দুশ্চিন্তা,সিদ্ধান্তের ভার— সবই তোমার একার,মনে রেখো সহানুভূতি সাময়িক, দায়িত্ব স্থায়ী।তাই নিজের উপর ভরসা রাখতে শেখো।কারণ তোমার জীবনের সবচেয়ে স্থায়ী সাপোর্ট সিস্টেম তুমি নিজেই।

03/07/2026

৩৬% শিক্ষার্থী ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিচ্ছে না। মানে দেশের তিন ভাগের এক ভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় নাই। এটা নিয়ে প্রথম আলো, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সিভিল সোসাইটির দারুণ মাথা ব্যাথা।

অথচ আমি অবাক হচ্ছি কেন দেশের ৬৪% শিক্ষার্থী এই পরীক্ষাটা দিতে গেছে! এই পরীক্ষা দিয়ে কী হয়? কোন উদ্দেশ্যে কেউ এইচএসসি পরীক্ষাটা দিবে?

বাঙলাদেশের যে কোন টিপিকাল গ্রামে আপনি যান। দেখবেন স্কুলগুলো খালি। বড় বড় সরকারি বিদ্যালয়ের বিল্ডিং খালি পড়ে আছে। ক্লাসরুম ৩০% ভরে না। বাকি ৭০% এর অর্ধেক পড়ে হিফজ আর বাকি অর্ধেক কিছু করে না, বাবার সাথে কৃষিতে হেল্প করার অভিনয় করে মূলত জুয়া খেলে, ঘুমায়া থাকে, খালের উপর ব্রিজে বসে ফ্রি ফায়ার খেলে, সিগারেট গাঞ্জা আর গুটি খায়। টিকটক করে।

নাক উঁচু যে ৩০% পোলাপানের কথা প্রথমে বললাম তারা এসএসসি পাশ করে চাকরি পায় না। এইচএসসি করেও পায় না। তখন আইদার লেবার ভিসায় মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার ট্রাই করে, লিবিয়া দিয়ে ইতালি যাওয়ার ট্রাই করে। আর তার চেয়ে বড় লুজার হইলে একটা ডিগ্রি কলেজ কি হবিগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মত কোন একটা প্রতিষ্ঠানে ফার্সি সাহিত্যে ভর্তি হয়।

৪ বছরের কোর্স ৬ বছরে শেষ করে চাকরি পায় না। ফারসিতে মাস্টার্স করে। তারপর চাকরি পায় না। শেষে বিদেশ যায়, একটা মুদি দোকানে বসে, বিয়া করে চড়া যৌতুকের টাকায় বাইক কিনে পাঠাও চালায় আর নাহয় ইজি বাইক চালায়। এটাই সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাঙলাদেশ।

নব্বই দশকে বাঙলাদেশের গ্রামের কৃষকটা এনজিও, সরকার আর বিটিভির ছায়াছবির ফাঁদে পা দিয়ে ভেবেছে: তার ছেলে মাঠে কাজ করবে না। মাঠে কাজ করা খ্রাপ।
সে কলেজ পাশ করে দৌড়ে এসে বাড়ি মাথায় তুলে নদীয়া শান্তিনিকেতনের টোনে বলবে, "মা মা মা, আমি পাশ করেছি"। তারপর কোট-টাই পরে সে চাকরি করে বাবা মাকে গাড়ি কিনে দিয়ে পরিবারের সকল দুঃখ দূর করবে।

বাঙলাদেশের মানুষ আশি-নব্বই এর দশক থেকে এই লোভে পড়ে, মধ্যবিত্ত হবার স্বপ্নে বিভোর হয়ে স্কুল কলেজ গাইড কোচিং ব্যাচ টেস্ট পেপার টিউশনি গ্রুপ কোর্স প্রি টেস্ট মডেল টেস্ট শিট নোটে এতো খরচ করেছে যে শিক্ষা-শিল্প খাত এখন ঢাকা জেলার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক খাত।

শিশুর ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৭ বছর পর্যন্ত ২০ লাখ টাকা শিক্ষায় খরচ করে ৯০ দশকের বাবা মায়েদের প্রাপ্তি হলো একটা অশ্বডিম্ব।

হাজার হাজার গ্রামে কোন ছেলে পেলে চাকরি পায় নাই। হাজার হাজার গ্রামে মাত্র ১ জন কি ২ জন চাকরি পেয়েছে। বাকিরা হিংসা করেছে। ভেবেছে এটা ওর কপালের দোষ অথবা সে ভালো করে পড়ে নাই বলে আজকে এই দশা। ভালো করে পড়াশুনাটা করলে আজকে সেও অমুক ব্যাংকে চাকরি করতে পারতো। অতএব, আবার জুয়ায় টাকা লাগা। এবার নিজের ছেলের পিছনে আবার ২০ লাখ খরচ কর। কিন্তু স্কুল কোচিং ব্যাচ ভারী ব্যাগ দিয়ে সন্তানের শৈশবের সর্বনাশ করার পরেও রেসাল্ট সেইম। ছেলেও লুজ়ার হইছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও ছেলের চাকরি হয় না।

বাই ২০১০ সাল - দুই জেনারেশনের লাইফ নষ্ট করার পর গ্রামগুলো শিখেছে যে পড়াশুনা করে কোন বালটাও হয় না। এই পড়ালেখা জিনিসটা স্ক্যাম।

তার উপর ১৯৯০ থেলে ২০২০ পর্যন্ত ধাপে ধাপে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এই ধ্বংসের জন্য দায়ী মূলত কোচিং আর টিউটর। তারা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়েছে মেইন বই সব পড়ার দরকার নেই। শর্টকাট আছে। এই নাও শিট, এই নাও মডেল কোয়েশ্চেন। শিটেরও শিট। সেই শিটের মেইড ইজি। মেইড ইজিরও সামারি। সামারির চ্যাট জিপিটি।

এভাবে শর্টকাট করতে গিয়ে পড়াশুনায় এখন আর কোন "ম্যাটার" নাই। আছে কেবল টিপস অ্যান্ড ট্রিকস। ট্রিক করতে করতে, পাশ করিয়ে দিতে দিতে রিডিং পড়তে না পারা পোলাপান সিক্সে উঠে যাচ্ছে। এক বাক্য শুদ্ধ ইংরেজিতে কথা বলতে ব্যর্থ পোলাপান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। এর সাথে যুক্ত হয় প্রশ্ন ফাঁস আর সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি। বাঙলাদেশের ৮০-৯০% শিক্ষক-শিক্ষার্থী বুঝতেই পারে না সৃজনশীল জিনিসটা কী? আমের সাথে জামের সাদৃশ্য আর বৈসাদৃশ্য মূল্যায়ন করতে করতে পুরো জিনিসটা "খাতা ভরানো"তে পরিণত হয়ে যায়। ২০১৫ এর পর থেকে প্রশ্ন ফাঁস এমনভাবে বেড়ে যায় যে শিক্ষার্থীদের কাছে পড়াশুনা করার কোন ইন্সেনটিভ নাই।

এই সব মিলিয়ে এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে ফেইল্ড এজুকেশন সেক্টরটা বাঙলাদেশে। দুই প্রজন্ম ধরে জলে টাকা ঢালার পর গ্রাম ও মফস্বলে লোকে টের পেয়েছে - ২০ লাখ ট্যাকা দিয়া স্কুল কলেজ পড়ে লাইফের ২৫ বছর নষ্ট করার চেয়ে ফুড কার্ট দেওয়া বেটার, একটা ব্যাটারি রিক্সা কেনা বেটার, শিশু বয়সে বিয়ে বসে আরেক ব্যাডার ঘাড়ে চড়ে খাওয়া বেটার, ভূমধ্যসাগর কি থাই উপসাগর পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া-ইতালি গেম দেওয়া বেটার।

বাঙলাদেশের সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটিতে টপ চয়েজ একটা ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে বের হয়ে আজ ২ বছর পর আমার সহপাঠীদের মধ্যে ৫%ও একটা স্ট্যাবল চাকরি পায় নাই। রাষ্ট্র, বিশ্ববিদ্যালয়, বাজার-অর্থনীতি আর শিক্ষা ব্যবস্থা তাদের সাথে প্রতারণা করে তাদেরকে নিয়মিত আত্ম5ত্যা নিয়ে ভাবতে বাধ্য করছে, পরিবারের কাছে অপদস্থ করছে।
খটখটিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে পাশ করা একজন ফিলোসফি গ্রাজুয়েটের কথা আপনি চিন্তা করেন। সে তো সামনে শুধু অন্ধকার দেখে।

আপনারা অবাক হইতাছেন কেন ৩৬% পোলাপান পরীক্ষা দেয় নাই!? এই প্রশ্নই ভুল। প্রশ্ন করেন - কেন ৬৪% পোলাপান এই আজাইরা পরীক্ষা দিতে গেছে।
(সংগৃহীত )

02/07/2026

আপনার বাচ্চার জন্য আপনি যদি সত্যি ই কিছু করতে চান, তাহলে সবথেকে ভালো হলো, আপনার পার্টনারের সাথে সুন্দর সম্পর্ক রাখা আর বাচ্চাকে দেয়া নিরবিচ্ছিন্ন সময়।
এই দুইটা জিনিস সবথেকে বেশি দরকার, ব্যালান্স বাচ্চা তৈরী করতে।

বাচ্চার ভালো স্কুল, দামি খেলনা, দামি জামা চায় না। বাচ্চারা শুধু দেখতে চায়, মা বাবা একসাথে happy আছে আর বাবা মার কাছে তাঁদের জন্য অনেক সময় আছে, তাঁদের গল্প শুনার অনেক সময় আছে।

আমি মনে করি বাচ্চাকে অসুখী ডাক্তার বানানোর চেয়ে, সুখী uber ড্রাইভার /পিজ্জা মেকার বানানো বেটার ।
It is just a metaphoric example.

যেটা ই করেন, মোটকথা একটা happy ফ্যামিলি দরকার বাচ্চার জন্য,একটা কানেকশন দরকার।যখন বাচ্চা safe feel করে, যখন বাচ্চার পুরো নারভাস সিস্টেম এ সেফটি আসে,বাচ্চা তখন বেটার accelerate করতে পারে।

তখন হাই এচিভমেন্ট এর জোয়ারে একটা সময় পরে overwhelme হয়ে বাবা মা কে ভুলে না আবার নিজেরা ও নিজেদের পারপাস এর থেকে আলাদা হয়ে অসুখী জীবন যাপন করে না।

প্রেসার দিয়ে বাচ্চাকে হাই এচিভমেন্ট ঠিক ই করানো যায় কিন্তু মানুষ বানানো যায় না।

মানুষ বানাতে লাগে, functioning parents and discipline.

Thats all you need.

তখন বাচ্চার এচিভমেন্ট একটু কম হলে ও, at least মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন একজন সুখী পরিপূর্ণ মানুষ হিসাবে আপনার বাচ্চা বেড়ে উঠে।

27/06/2026

বিচ্ছেদ হয়ে গেলো অনলাইনে অনেক পরিচিত 'দম্পতি' ডা কুশাল আর সুষমা রেজা'র!!! বেশ শকিং নিউজ,না?

সুষমা রেজা লিখেছেন, ''অনেক ভেবেচিন্তে, দীর্ঘ আত্মসমালোচনার পর আমরা দুজন পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সিদ্ধান্তের কথাই আপনাদের জানাচ্ছি।

খুব অল্প বয়সে আমাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু হয়েছিল। দেখতে দেখতে প্রায় দুই দশক কেটে গেছে। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা একটি পরিবার গড়েছি, আমাদের সন্তানদের বড় হতে দেখেছি আর জীবনের অসংখ্য সুখ-দুঃখ, অর্জন, সংগ্রাম ও স্মৃতি একসঙ্গে বয়ে নিয়ে চলেছি। সেই স্মৃতিগুলো আমাদের জীবনের অমূল্য অংশ হয়ে থাকবে সবসময়।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা দুজনই উপলব্ধি করেছি, আমাদের সম্পর্ক সেই জায়গাটিতে নেই যেখান থেকে আমরা শুরু করেছিলাম।সময়ের সাথে সাথে আমরা বদলেছি, সম্পর্কটাও বদলেছে। একটা সময় পরিবর্তনগুলো দেখে আমরা বুঝতে পেরেছি, জীবনের এই পর্যায়ে শান্তিপূর্ণভাবে আলাদা হয়ে যাওয়াই আমাদের দুজনের জন্য সবচেয়ে সম্মানজনক সিদ্ধান্ত।

প্রায় ২০ বছরের এই অধ্যায়ের সমাপ্তি টানছি আমরা!!

যারাই মানুষ কে 'মেন্টাল হেলথ' এর ব্যাপারে পরামর্শ দিতেন, যারাই মানুষ কে ভালো থাকার,ভালো রাখার পরামর্শ দিতেন; তারাই কেনো জানি একসাথে ভালো থাকতে পারলেন না!

যদিও সুষমা রেজা সবার জন্য একটা পরামর্শ দিয়েছেন, ''নিজের পরিবারকে সময় দিন। প্রিয় মানুষগুলোর হাত শক্ত করে ধরে রাখুন। জীবন খুবই ভঙ্গুর। আজকের একেবারে সাধারণ, নীরব মুহূর্তগুলোই কখন যে আগামী দিনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতিতে পরিণত হয়, আমরা অনেক সময় তা বুঝতেই পারি না। তাই প্রতিটি মুহূর্ত বাঁচুন সচেতনভাবে, কৃতজ্ঞতায় এবং আন্তরিকতায়!'"

এই কথা গুলা সবার মাথায় রাখা উচিত, বিশেষ করে লাইন টা 'প্রিয় মানুষ গুলার হাত শক্ত করে ধরে রাখুন!' ❤️

মানুষ কে বাইরে থেকে দেখে বুঝা যায়না তাদের লাইফে কি যে চলতেছে...
তাদের বাকি জীবনের জন্য শুভকামনা! ❤️

22/06/2026

অনেকেই জীবনের পুরো সময়টা শুধু প্ল্যান করতেই কাটিয়ে দেয়।
কোথায় যাবে, কী করবে, কখন শুরু করবে- সব হিসাব থাকে। শুধু শুরুটাই আর হয়ে ওঠে না। তারা ভাবতেই থাকে “আরেকটু প্রস্তুতি নিই”, “সময়টা ঠিক হলে শুরু করবো”, অথচ সময় কখনো নিজে থেকে পারফেক্ট হয়ে আসে না।

কিন্তু সত্যিটা হলো, ভুল রাস্তা আপনাকে যতটা শেখায়, স্থির হয়ে থাকা তার এক শতাংশও শেখাতে পারে না। কারণ ভুল করলে অন্তত বুঝতে পারবেন কোনটা কাজ করে না, কোথায় বদলাতে হবে, কীভাবে আরও শক্ত হতে হয়।

থেমে থাকা মানুষ শুধু মানচিত্র মুখস্থ করে, আর যারা হাঁটা শুরু করে তারাই পৃথিবী চিনে ফেলে। তাই ভুলের ভয় না পেয়ে এগিয়ে যান। কারণ জীবনের সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতাগুলো অনেক সময় নিখুঁত সিদ্ধান্ত থেকে না, সাহস করে নেওয়া অসম্পূর্ণ পদক্ষেপগুলো থেকেই আসে।

15/06/2026

আমি শুধু পারি কৃতজ্ঞ থাকতে।
আমি মেনে নেই আমি কারো ভালোর জন্য কিছু করতে পারিনি কখনো; আমার জন্য অবশ্য অনেকেই করেছে।
তর্কে আজকাল আগেভাগেই হেরে যাই,
যাতে আমাকে না চাওয়া মানুষ গুলোর পাশে অন্তত বসে থাকার সুযোগ পাই।
দ্বিধা আর শঙ্কা নিয়ে প্রত্যেকটা মুহূর্ত আমি সুন্দর এবং স্বাভাবিক এক মৃত্যুর চিন্তা করি।
আত্নহনন আমাকে দিয়ে হবে না, আমি ভয় পাই।

আলাদীনের চেরাগ যদি কখনো কোনো ইচ্ছে পূরণ করে দিতে চায় নিজের থেকে, আমি শুধু চাইবো-
মৃত্যুর আগে একটা দুশ্চিন্তামুক্ত দিন,
আর ছেড়ে যাওয়া মানুষেরা যেনো আমাকে জড়িয়ে ধরে তাদের বিশুদ্ধ আন্তরিকতায়।

[কবি স্বপ্নীল চক্রবর্তীর “অন্যরকম শূন্যতার ভিতর”]

02/06/2026

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।

ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় অমানুষ সেই হিসাব করতে বসে যাই।

বাট একবারের জন্যও জানতে চাই না, এদেরকে ভালোবাসতে শেখাইছিল কেউ?

আমার এক বন্ধু একবার অঙ্কে ৯৬ পাইছিল।

সেই বন্ধুর মা আমাদের সামনেই শুরু করলো মাইর।

যেমন সেমন মাইর না, কঠিন মাইর। মাইর খাইয়া বেচারা মায়ের পা চাইপা ধরলো।

ছেলেটা যে কী নরম সরম ছিল।

এখনো কি তাই আছে?

আমি জানি না। এত মাইর খাইয়া কেউ কি নরম থাকে?

রুয়েটের এক ফ্রেন্ড আফসোস করে বলছিল, তার বাবা তার কাছে কোনদিন জানতে চায়নি, সে কেমন আছে?

স্কুল কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি, একটাই প্রশ্ন, রেজাল্ট কত? ও তোমার আগে গেল কেমনে?

আমার আরেক ফ্রেন্ড এর বাপ নাকি ও ওয়াশরুমে গেলেও বকাবকি করত। লেখাপড়া রেখে ওয়াশরুমে কী?

এক আপুর স্বপ্ন ছিল নিজের প্রথম স্যালারি দিয়ে বাবাকে একটা দামি ঘড়ি গিফট করা। আমাদের মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন যেমন হয় আর কী।

ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, বিসিএস পড়া কেবল শুরু করেছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই, প্রেমও করতেন একটা, সবাই যেমন করে,

মাস্টার্স এ সেই আপুকে ধরে বিয়ে দেওয়া হইলো এক আমেরিকান পাত্রের সাথে। আপু একবার সুইসাইড এটেম্পট নিলেও পরেরবার হাসিমুখেই বিয়েটা করে আমেরিকা চলে গেলেন।

জামাইয়ের তিনটা বাড়ি। টাকার কোন অভাব নাই।

চাইলে এখন তিনি রোল্যাক্স কিনেও বাপকে দিতে পারেন।

কিন্তু বাবার জন্য একটা ক্যাসিও বা টাইটানও কিনেননি।

কারণ, রুচি হয়নি।

উনার বাবা মা আমার পরিচিত।

সারাদিন অভিযোগ করে, মেয়েটা আমাদের ভুলেই গেল। অথচ মেয়েটার জন্য কত কী করলাম!!

আমাদের দেশে ছেলে মেয়েদের ধরে ধরে কুরবানি দেওয়াকে অনেক কিছু করা হিসেবে দেখানো হয়।

আমাদের ধর্মে বলা আছে, প্রতিটা শিশুই খোদায়ী ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।

মানে একটা শিশু একেবারে ছোট থেকেই ভালোবাসার চমৎকার এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।

দেখবেন, বাচ্চারা একটা পাখি দেখলে কত খুশি হয়, একটা বিড়াল বা কুকুর দেখলেই হেসে আদর করতে যায়।

একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে দেখলেই কী হাসিটাই যে দেয়, খেয়াল করেছেন?

এই যে ভালোবাসা, এই যে মায়া, এই যে হাসি, এই যে পবিত্র একটা আত্মা,

এই আত্মাকে বাপ মায়েরা ধরে ধরে ধ্বংস করে।

শুরুতে বিড়াল, কুকুরকে ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হইলে কাজিনদের ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হলে নিজের বন্ধুদের ঘৃণা করতে শিখায়, বন্ধু ভালো করলে বকাবকি করে,

ছেলেটা বা মেয়েটার ভালোবাসার ক্ষমতা ধ্বংস হইতে থাকে।

মায়া ক্ষয়ে যেতে থাকে।

হাই স্কুল আর কলেজে উঠতেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়ে যায় কিছু ডিজিটের সমষ্টি, আর বিয়ের বাজারে তো নিলামে তোলা হয় শরীরকেও,

এরা পরিণত হয় যন্ত্রমানবে।

সারা জীবন ধরে চেষ্টা করে একজন মানবসন্তানকে যন্ত্র বানানোর খেলা শেষ হয়, এবার মা বাপ আশা করে, এবার এই যন্ত্র আমাদের একটু ভালো বাসুক, আমাদের মায়া করুক।

কিন্তু ততদিনে মায়া, ভালোবাসা শব্দগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত ঠেকে। আমরা হয়ে উঠি আমাদের বাপ মায়ের স্বপ্নের হিসাব মেশিন,

বাপ মায়েরা শিখাইছিল,

আমরা যেন আমাদের কাজিন, বন্ধু, প্রেমিক বা প্রেমিকাকেই শুধু নিলামে তুলি,

কিন্তু ততদিনে আমরা আমাদের মা বাপকেই নিলামে তোলা শিখে যাই।

আর আমাদের বাপ মায়েরা অবাক হয়ে ভাবে, আমাদের সাথেও এমন করবি?

কিন্তু যন্ত্র তো যন্ত্রই।

যন্ত্রের কি আর কান আছে?

একটা বিড়াল দেখে যার মায়া হয় না, একটা পাখির উপর যার দরদ হয় না, মা বাবার উপর কেমনে আর হবে?

তখন ছেলে মেয়ে হয়ে যায় খারাপ। অকৃতজ্ঞ। বেঈমান।

কিন্তু এই অকৃতজ্ঞতার ট্রেইনিং কারা দেয়?

২০ বছর ধরে ম্যাথ শিখাইয়া ভালোবাসা আশা করলে হবে? ভালোবাসাও তো একটা প্র‍্যাকটিস। অভ্যাস না থাকলে ভালোবাসাও তো আর আসে না।

তাই হা হুতাশ না করে আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসা শেখান৷

মায়া করতে শেখান।

কারণে ভালোবাসা শেখান।

অকারণেও ভালোবাসা শেখান।

একটা পাখিকে ভালোবাসতে শেখান। একটা বিড়ালকে আদর করতে শেখান৷ একটা রাস্তার কুকুরকে বিস্কিট খাওয়াইতে শেখান।

নিজের কাজিনকে ভালোবাসতে শেখান। নিজের বন্ধু ভালো করলে খুশি হতে শেখান, স্বার্থের প্রশ্নে হেরে যেতে শেখান।

একটা ফুল দেখলেও যেন আপনার ছেলেটা বা মেয়েটা বলতে পারে,

ভালো থেকো ফুল,
মিষ্টি বকুল,
ভালো থেকে,

ভালো থেকে ধান,
ভাটিয়ালি গান,
ভালো থেকে,

ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা,
ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা
ভালো থেকো..........

এই পৃথিবীটা কোন ক্যালকুলেটর না।

এই পৃথিবী একটা আয়না।

এখানে হিসাব দিলে হিসাব ফেরে।

ঘৃণা দিলে ঘৃণা ফেরে।

ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাও ফিরে আসে।

ফোর্টি রুলস অব লাভ বইতে জালাল উদ্দিন রুমি বলতেসেন,

এই আয়নাতে ভালোবাসা দিয়েন, যত পারেন। কোন না কোনভাবে সেই ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়ে আপনার দিকেই ফিরে আসবে কোন একদিন।

ছোটবেলায় ম্যাথ, বিজ্ঞান আর ইংরেজির পাশাপাশি ভালোবাসাটাও একটু শিখায়েন।

কারণ একদিন হিসাবের সব খেলা শেষে, আপনি জানবেন, মানুষের আসলে এত কিছু লাগে না,

কিচ্ছু চায় না মানুষ, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া........

লেখা: সাদিকুর রহমান খান।

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Abdullah All Mamun Kochi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share