Professor Dr. Nilufa Parvin

Call Contact the business

Professor Dr. Nilufa Parvin DCH, MCPS, FCPS (Paediatrics)
Professor & Head of Department
Mainamoti Medical College
Paediatrician

12/08/2026

শিশুদের ক্ষুধামন্দা (Loss of appetite/Anorexia)

শিশুদের ক্ষুধামন্দা বলতে শিশুর স্বাভাবিক খাবারের ইচ্ছা বা খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমে যাওয়াকে বোঝায়। এটি অনেক সময় সাময়িক ও স্বাভাবিক হতে পারে, তবে দীর্ঘস্থায়ী হলে কারণ খুঁজে দেখা জরুরি।

প্রধান কারণ

সংক্রমণ: সর্দি-কাশি, জ্বর, টনসিলাইটিস, নিউমোনিয়া ইত্যাদি

পরজীবী সংক্রমণ: কৃমি

অপুষ্টি ও অ্যানিমিয়া

দীর্ঘস্থায়ী রোগ: যক্ষ্মা, কিডনি/লিভারের রোগ ইত্যাদি

কোষ্ঠকাঠিন্য

অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড, জুস বা দুধ খাওয়া

খাবার নিয়ে জোরাজুরি বা পারিবারিক দ্বন্দ্ব

মানসিক কারণ বা পরিবেশের পরিবর্তন

কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

মূল্যায়ন

শিশুর ক্ষেত্রে শুধু “কম খাচ্ছে” শুনে সিদ্ধান্ত না নিয়ে দেখতে হবে:

ওজন ও উচ্চতা এবং growth chart

শিশুর দৈনিক খাবারের ধরন ও পরিমাণ

জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া, বমি, পেটব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি

ফ্যাকাশে ভাব বা অ্যানিমিয়ার লক্ষণ

দীর্ঘস্থায়ী রোগের কোনো লক্ষণ আছে কি না

ব্যবস্থাপনা

শিশুকে জোর করে খাওয়ানো উচিত নয়।

অল্প অল্প করে বারবার পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।

খাবারের সময় নির্দিষ্ট রাখা এবং খাবারের মাঝে অতিরিক্ত snacks/জুস কমানো ভালো।

পরিবারের সবাইকে শিশুর খাবার নিয়ে ইতিবাচক আচরণ করতে হবে।

মূল কারণটি শনাক্ত করে চিকিৎসা করতে হবে।

নিজের থেকে appetite stimulant বা “ক্ষুধা বাড়ানোর সিরাপ” দেওয়া উচিত নয়।

কখন ডাক্তার দেখাবেন: ক্ষুধামন্দা দীর্ঘদিন থাকলে, ওজন কমতে থাকলে/বাড়তে না থাকলে, শিশুর খুব দুর্বল বা নিস্তেজ লাগলে, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, বারবার বমি/ডায়রিয়া বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ থাকলে।

12/08/2026

নবজাতকের গোসল

নবজাতককে গোসল করানোর ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা উচিত:

জন্মের পরপরই গোসল করানো উচিত নয়। সাধারণত অন্তত ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করা ভালো, কারণ এতে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

নাভির নাড়ি শুকিয়ে পড়ে যাওয়া পর্যন্ত পূর্ণ গোসলের পরিবর্তে স্পঞ্জ/কাপড় দিয়ে শরীর পরিষ্কার করা নিরাপদ।

ঘরটি উষ্ণ ও বাতাসমুক্ত রাখুন।

পানি কুসুম গরম হওয়া উচিত; খুব গরম পানি ব্যবহার করবেন না।

শিশুকে কখনোই এক মুহূর্তের জন্যও একা রাখবেন না।

প্রথম কয়েক মাস সাধারণত সপ্তাহে ২–৩ বার গোসল যথেষ্ট; প্রতিদিন মুখ, ঘাড়ের ভাঁজ, বগল ও ডায়াপার এলাকা পরিষ্কার করা যায়।

মৃদু, সুগন্ধিবিহীন baby soap/cleanser অল্প পরিমাণে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গোসলের পর দ্রুত শুকিয়ে শুকনো ও আরামদায়ক কাপড় পরিয়ে দিন।

নাভির অংশ পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন; তেল, পাউডার বা কোনো ওষুধ নিজে থেকে লাগাবেন না, যদি চিকিৎসক না বলেন।

বিশেষ সতর্কতা: নবজাতকের শরীরের তাপমাত্রা সহজে কমে যেতে পারে। গোসলের সময় কাঁপুনি, নীলচে হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক নিস্তেজতা দেখা দিলে দ্রুত শিশুকে উষ্ণ করে চিকিৎসা নিন।

12/08/2026

মাতৃদুগ্ধপান শুধু একটি শিশুর প্রথম খাদ্য নয়—এটি সুস্বাস্থ্য, পুষ্টি, রোগ প্রতিরোধ এবং একটি টেকসই ভবিষ্যতের ভিত্তি।

দুঃখজনকভাবে, বাংলাদেশে প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানোর হার ২০১৭–১৮ সালের ৬৫% থেকে ২০২২ সালে ৫৫%-এ নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ঘরে তৈরি পরিপূরক খাবার দেওয়ার হারও কমেছে। BDHS-22

আসুন, আমরা সবাই শিশুকে —
👶 জন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে মাতৃদুগ্ধপান নিশ্চিত করি,
🤱 প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ নিশ্চিত করি,
🥣 ৬ মাস পর নিরাপদ ও পুষ্টিকর ঘরে তৈরি পরিপূরক খাবার শুরু করি এবং
💚 ২ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধপান চালিয়ে যাই।

একসাথে কাজ করলে অপুষ্টি, শিশু মৃত্যু এবং অপ্রয়োজনীয় ফর্মুলা দুধের ব্যবহার কমিয়ে একটি সুস্থ, মেধাবী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে যে কোন সমস্যার সমাধান এর জন্য যোগাযোগ করুন +8801404007620
বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন (বিবিএফ)
মাতৃদুগ্ধপান সুরক্ষা, প্রচার, প্রসার ও সহায়তায় ১৯৮৯ সাল থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

#বাংলাদেশ_ব্রেস্টফিডিং_ফাউন্ডেশন #মাতৃদুগ্ধপান #শিশুপুষ্টি

12/08/2026

শিশুর খাবারের পরামর্শ বয়স অনুযায়ী ভিন্ন হয়। সাধারণভাবে—

জন্ম–৬ মাস

শুধু মায়ের বুকের দুধ দিন।

সাধারণত পানি, মধু, জুস বা অন্য খাবার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

৬–১২ মাস

৬ মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি ধীরে ধীরে পরিপূরক খাবার শুরু করুন।

নরম ভাত/খিচুড়ি, ডাল, ডিম, মাছ/মাংস

শাকসবজি ও মৌসুমি ফল

দুধ/দই

খাবারে সামান্য তেল বা ঘি যোগ করা যেতে পারে

খাবার ভালোভাবে নরম ও মিহি করে শিশুর বয়স অনুযায়ী দিন।

৬–৮ মাসে দিনে ২–৩ বার, ৯–১২ মাসে ৩–৪ বার খাবার দিতে পারেন।

১–৫ বছর

দিনে ৩ বেলা প্রধান খাবার + ২–৩ বার স্বাস্থ্যকর নাশতা।

ভাত/রুটি, ডাল, ডিম, মাছ/মাংস, শাকসবজি ও ফল নিয়মিত দিন।

দুধ/দই দিতে পারেন।

পর্যাপ্ত পরিষ্কার পানি দিন।

অতিরিক্ত বিস্কুট, চিপস, কোমল পানীয়, মিষ্টি ও প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

বিশেষভাবে: শিশুর খাবারে বৈচিত্র্য রাখুন এবং জোর করে খাওয়ানোর বদলে ক্ষুধা ও তৃপ্তির সংকেত অনুযায়ী খাওয়াবেন।

12/08/2026

শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই সাধারণ সমস্যা। সাধারণত পায়খানা শক্ত হয়ে যাওয়া, কম ঘন ঘন পায়খানা হওয়া বা পায়খানা করার সময় ব্যথা/কষ্ট হওয়াকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়।

প্রধান কারণ

খাদ্যাভ্যাস: আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, বেশি দুধ/দুগ্ধজাত খাবার, ফাস্টফুড ইত্যাদি।

পানি কম পান করা।

পায়খানার বেগ চেপে রাখা—খেলার সময়, স্কুলে বা টয়লেট ব্যবহারে অনীহার কারণে।

টয়লেট ট্রেনিংয়ের সমস্যা বা ভয়।

পায়খানা শক্ত হয়ে মলদ্বারে ফাটল (a**l fissure) হলে ব্যথার ভয়ে শিশু পায়খানা আটকে রাখতে পারে।

কম শারীরিক পরিশ্রম।

কিছু ওষুধ, যেমন iron supplement।

তুলনামূলকভাবে কম ক্ষেত্রে থাইরয়েডের সমস্যা, Hirschsprung disease বা অন্যান্য অন্ত্রের রোগ।

প্রতিকার ও করণীয়

১. পর্যাপ্ত পানি ও তরল দিন।

২. খাবারে আঁশ বাড়ান—শাকসবজি, ডাল, ফল, ওটস/আটার খাবার ইত্যাদি।

৩. বয়স উপযোগী ফল, যেমন পাকা পেঁপে, নাশপাতি, কমলা/মাল্টা ইত্যাদি দিতে পারেন।

৪. প্রতিদিন পর্যাপ্ত খেলাধুলা ও শারীরিক সক্রিয়তা নিশ্চিত করুন।

৫. খাবারের পর ৫–১০ মিনিট টয়লেটে বসার অভ্যাস করান; পা রাখার জন্য ছোট স্টুল ব্যবহার করলে সুবিধা হয়।

৬. পায়খানার বেগ এলে চেপে না রাখতে উৎসাহ দিন।

৭. শিশুকে বকা বা জোর না করে ইতিবাচকভাবে উৎসাহিত করুন।

৮. দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্যে চিকিৎসকের পরামর্শে polyethylene glycol (PEG) বা অন্য laxative প্রয়োজন হতে পারে। নিজে থেকে বারবার laxative বা e***a ব্যবহার করবেন না।

কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন?

পেট ফুলে যাওয়া, বারবার বমি, তীব্র পেটব্যথা, পায়খানায় উল্লেখযোগ্য রক্ত, জ্বর, ওজন না বাড়া/ওজন কমা, জন্মের পর থেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য, অথবা কয়েক সপ্তাহের যত্নেও সমস্যা না কমলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

12/08/2026

শিশুর জ্বর হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আতঙ্কিত না হয়ে শিশুর অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পর্যাপ্ত তরল দেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।

🏠 বাড়িতে যা করবেন

🌡️ থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মাপুন।

💧 বারবার পানি, বুকের দুধ, স্যুপ বা ORS দিন—ডিহাইড্রেশন যেন না হয়।

👕 পাতলা আরামদায়ক কাপড় পরান; অতিরিক্ত কম্বল দেবেন না।

🛌 পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন।

শিশুর অস্বস্তি থাকলে প্যারাসিটামল বয়স/ওজন অনুযায়ী সঠিক ডোজে দেওয়া যায়। ডোজ সম্পর্কে নিশ্চিত না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

❌ নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করবেন না।

❌ বরফ ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর মুছবেন না। কুসুম গরম পানি দিয়ে মাথাসহ সারা শরীর মুছবেন।

🚨 দ্রুত চিকিৎসকের কাছে/হাসপাতালে নিন যদি

৩ মাসের কম বয়সী শিশুর তাপমাত্রা ≥38°C হয়।

শ্বাসকষ্ট, নীলচে হয়ে যাওয়া বা খুব দ্রুত শ্বাস নেওয়া থাকে।

খিঁচুনি হয়।

শিশু অত্যন্ত নিস্তেজ, অচেতন বা জাগানো কঠিন হয়।

বারবার বমি হয় বা কিছুই পান করতে পারে না।

প্রস্রাব খুব কমে যায়/অনেকক্ষণ প্রস্রাব না হয়।

ঘাড় শক্ত হয়ে যায় বা অস্বাভাবিক র‍্যাশ দেখা দেয়।

জ্বরের সঙ্গে শিশুর অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয় বা জ্বর কয়েক দিন ধরে থাকে।

মনে রাখবেন: শুধু জ্বরের মাত্রার চেয়ে শিশুটি কতটা সচেতন, পানি খেতে পারছে কি না এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক কি না—এসব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

12/08/2026

নবজাতক শিশুর যত্নে প্রধান উপদেশগুলো:

১) মায়ের বুকের দুধ: জন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ শুরু করুন। প্রথম ৬ মাস শুধু বুকের দুধ দিন—পানি, মধু বা অন্য খাবার প্রয়োজন নেই।

২) উষ্ণ রাখা: শিশুকে শুকনো ও উষ্ণ রাখুন, বিশেষ করে জন্মের পরপরই। মায়ের বুকের সঙ্গে skin-to-skin রাখা উপকারী।

৩) নাভির যত্ন: নাভি পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন। তেল, ছাই, হলুদ বা অন্য কোনো পদার্থ লাগাবেন না।

৪) পরিচ্ছন্নতা: শিশুকে ধরার আগে হাত ধুয়ে নিন। কাপড় ও বিছানা পরিষ্কার রাখুন।

৫) টিকা: জাতীয় টিকাদান সূচি অনুযায়ী জন্মের সময়ের টিকা (যেমন BCG, OPV-0) নিশ্চিত করুন।

৬) প্রস্রাব-পায়খানা: প্রথম কয়েক দিনে প্রস্রাব ও পায়খানার পরিমাণের দিকে নজর রাখুন।

৭) ঘুম: শিশুকে চিৎ করে, শক্ত ও সমতল বিছানায় শোয়ান; বালিশ ও নরম কম্বল/খেলনা এড়িয়ে চলুন।

৮) জন্ডিস: সামান্য জন্ডিস হতে পারে, তবে জন্ডিস দ্রুত বাড়লে, জন্মের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় দেখা দিলে বা হাত-পা পর্যন্ত হলুদ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৯) জরুরি লক্ষণ: শিশু দুধ না খেলে, খুব নিস্তেজ হলে, শ্বাস নিতে কষ্ট/খুব দ্রুত শ্বাস হলে, খিঁচুনি হলে, শরীর খুব ঠান্ডা বা গরম হলে, অথবা নাভিতে পুঁজ/লালভাব হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিন।

১০) নিয়মিত ফলো-আপ: জন্মের পর প্রথম কয়েক দিনের মধ্যে শিশুকে শিশু বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

06/07/2026

পানিতে ডুবে যাওয়া থেকে শিশুদেরকে সুরক্ষিত রাখতে 👇
✅ শিশুকে একা ছাড়া যাবে না, সবসময় দায়িত্বশীল কারও সাথে থাকতে হবে
✅ শিশুদের সাঁতার শেখার ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে
✅ খোলা পানির উৎস চিহ্নিত করে তার চারপাশে বাধা/বেড়া স্থাপন করতে হবে
✅ উদ্ধার ও সুরক্ষাকৌশল সম্পর্কে জানতে হবে এবং প্রচার করতে হবে।

06/07/2026

👶 নবজাতকের চোখে ময়লা জমে, পানি পড়ে? আতঙ্ক নয়, সচেতন হোন।

অনেক নবজাতকের চোখে ময়লা জমা ও পানি পড়ার প্রধান কারণ হলো অশ্রুনালী (Tear duct) সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি বয়সের সাথে নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়।

✅ যা করবেন:

পরিষ্কার হাত দিয়ে চোখের ভেতরের কোণ (নাকের পাশ) থেকে নিচের দিকে হালকা চাপ দিয়ে ৫–১০ বার ম্যাসেজ করুন, দিনে ৪–৬ বার।

ফুটিয়ে ঠান্ডা করা পানি বা নরমাল স্যালাইন দিয়ে পরিষ্কার তুলা/গজ ব্যবহার করে চোখের ময়লা আলতোভাবে পরিষ্কার করুন।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো আই ড্রপ বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।

🚨 দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন যদি—
🔸 চোখ লাল হয়ে যায়
🔸 চোখ ফুলে যায়
🔸 ঘন হলুদ/সবুজ পুঁজ বের হয়
🔸 জ্বর বা শিশুর খাওয়া কমে যায়

সঠিক ম্যাসেজ ও পরিচর্যাতেই অধিকাংশ শিশুর সমস্যা অপারেশন ছাড়াই ভালো হয়ে যায়। 💙

06/07/2026

শিশুদের রাতে পায়ুপথে চুলকানি: কারণ, লক্ষণ ও করণীয়

শিশুদের রাতে পায়ুপথে চুলকানি (Nocturnal Peria**l Itching) একটি অত্যন্ত সাধারণ অভিযোগ। অনেক অভিভাবক এটিকে শুধু "কৃমি" ভেবে ওষুধ খাওয়ান, কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। সঠিক কারণ নির্ণয় করেই চিকিৎসা করা উচিত।

১. পিনওয়ার্ম (Threadworm/Enterobius vermicularis) — সবচেয়ে সাধারণ কারণ

এটি শিশুদের রাতে পায়ুপথে চুলকানির সবচেয়ে পরিচিত কারণ।

কেন চুলকানি হয়?
রাতে স্ত্রী কৃমি মলদ্বারের বাইরে এসে হাজার হাজার ডিম পাড়ে। এই সময় তীব্র চুলকানি অনুভূত হয়।

লক্ষণ

- রাতে চুলকানি বেড়ে যায়।
- ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা।
- বারবার ঘুম ভেঙে যায়।
- দাঁত কিড়মিড় করা বা বিরক্তিভাব থাকতে পারে।
- একই পরিবারের অন্য সদস্যদেরও একই সমস্যা হতে পারে।

২. পায়ুপথের অপরিচ্ছন্নতা (Poor Peria**l Hygiene)

মলত্যাগের পর সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে মলের ক্ষুদ্র অংশ ত্বকে লেগে থাকে এবং ত্বকে জ্বালা ও চুলকানি সৃষ্টি করে।

ঝুঁকি বাড়ায়

- ছোট শিশুদের অপর্যাপ্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা।
- অতিরিক্ত ঘাম।
- দীর্ঘ সময় ভেজা অন্তর্বাস পরে থাকা।

৩. কোষ্ঠকাঠিন্য ও অ্যানাল ফিশার (A**l Fissure)

শক্ত মল পায়ুপথে ক্ষুদ্র ফাটল সৃষ্টি করে।

লক্ষণ

- মলত্যাগের সময় ব্যথা।
- সামান্য রক্ত পড়া।
- পরে জ্বালাপোড়া ও চুলকানি।

৪. পেরিয়ানাল ডার্মাটাইটিস (Peria**l Dermatitis)

পায়ুপথের চারপাশের ত্বকে প্রদাহ হলে চুলকানি হয়।

কারণ

- সাবান বা সুগন্ধিযুক্ত ওয়াইপ।
- ডিটারজেন্ট।
- ডায়াপারের ঘর্ষণ।
- অতিরিক্ত আর্দ্রতা।

লক্ষণ

- লালভাব।
- জ্বালাপোড়া।
- চুলকানি।

৫. পেরিয়ানাল স্ট্রেপটোকক্কাল সংক্রমণ

এটি একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ।

লক্ষণ

- পায়ুপথের চারপাশে উজ্জ্বল লাল রঙ।
- ব্যথা।
- মলত্যাগে কষ্ট।
- কখনও রক্ত দেখা যেতে পারে।

---

৬. ফাঙ্গাল সংক্রমণ (Candida)

বিশেষ করে—

- দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পর।
- ডায়াপার ব্যবহারকারী শিশুদের মধ্যে।

লক্ষণ

- লাল র‍্যাশ।
- ছোট ছোট স্যাটেলাইট ক্ষত।
- তীব্র চুলকানি।

৭. একজিমা ও অ্যালার্জি

যেসব শিশুর একজিমা বা অ্যালার্জির প্রবণতা রয়েছে, তাদের পায়ুপথেও একজিমা হতে পারে।

কারণ

- সাবান।
- সুগন্ধিযুক্ত টিস্যু।
- নতুন কাপড় বা ডিটারজেন্ট।
- বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ।

৮. ডায়রিয়া বা বারবার পাতলা পায়খানা

বারবার পাতলা পায়খানা হলে মলের এনজাইম ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করে এবং চুলকানি বাড়ায়।

৯. অতিরিক্ত ঘাম ও টাইট পোশাক

গরম আবহাওয়া, সিনথেটিক অন্তর্বাস এবং দীর্ঘক্ষণ ভেজা পরিবেশে থাকার ফলে ত্বকে জ্বালা ও চুলকানি হতে পারে।

অভিভাবকদের জন্য পরামর্শ

- শিশুর নখ ছোট রাখুন।
- প্রতিদিন অন্তর্বাস পরিবর্তন করুন।
- সকালে গোসল করান।
- পায়ুপথ পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
- নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
- বিছানার চাদর ও অন্তর্বাস গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকান।
- কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে দ্রুত চিকিৎসা করুন।
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বারবার কৃমির ওষুধ খাওয়াবেন না।

Address

Gomati Hospital Pvt. Ltd. , Nazrul Avenue , Kandirpar
Cumilla

Telephone

+8801711748886

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Professor Dr. Nilufa Parvin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Professor Dr. Nilufa Parvin:

Shortcuts

Share