আল-ইখলাস রুকইয়া সেন্টার ঢাকা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আল-ইখলাস রুকইয়া সেন্টার ঢাকা

আল-ইখলাস রুকইয়া সেন্টার ঢাকা তাবীজ-কবজ নকশা ব্যতীত জ্বিন যাদুর রুকইয়া কোরআনি চিকিৎসা পদ্ধতি । WhatsApp: 01834107510

এক রোগীর রান্নাঘরে পাওয়া গেছে!১০-১২ বছর যাবৎ বাচ্চা হয় না!অথচ কোনো রোগ নেই।এছাড়াও তোষকের নিচে তাবিজের লেখা পাওয়া গেছে!এট...
27/07/2026

এক রোগীর রান্নাঘরে পাওয়া গেছে!
১০-১২ বছর যাবৎ বাচ্চা হয় না!
অথচ কোনো রোগ নেই।

এছাড়াও তোষকের নিচে তাবিজের লেখা পাওয়া গেছে!

এটা হচ্ছে মূলত বাচ্চা না হওয়ার জন্য পুতুল দিয়ে তৈরি ভয়ংকর কুফরি! এগুলো বেশিরভাগ সময় একদম কাছের আপন মানুষ গুলোই করে থাকে হিংসা-বিদ্বেষ থেকে ।

এরপরেও আপনারা কি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দেখানো পথে চলবেন না?

আল্লাহ তায়ালা আমাদের হেফাজত করুক সকল কালো জাদু হতে!!

আল-ইখলাস রুকইয়াহ সেন্টার, লালবাগ, ঢাকা ।
যোগাযোগ ☎️ 01834-107510

আপনিও কি বালিশের নিচে তাবিজ পেয়েছেন? বালিশের নিচে তাবিজ রাখার কিছু উদ্দেশ্য বলা হলো। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা বা আস...
16/07/2026

আপনিও কি বালিশের নিচে তাবিজ পেয়েছেন? বালিশের নিচে তাবিজ রাখার কিছু উদ্দেশ্য বলা হলো।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা বা আসক্তি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ বা ঝগড়া সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে।

কারও ঘুমে অস্বস্তি, দুঃস্বপ্ন বা ভয় সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে।

কাউকে মানসিকভাবে অস্থির বা দুর্বল করার উদ্দেশ্যে।

বিয়ে আটকে দেওয়া বা বৈবাহিক সম্পর্কে সমস্যা তৈরির উদ্দেশ্যে।

বালিশের ভিতর তাবিজ থাকার অন্যতম লক্ষণ হলো—
বালিশে মাথা দেওয়ার পর মনে হয় অনেক নিচে কোথাও পড়ে গেলাম এবং শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়ে আসে।

আসক্ত বা বিচ্ছেদের জন্য সাধারণত এ ধরনের তাবিজ করা হয়ে থাকে। অনেক সময় বিয়ে বন্ধ রাখার জন্যও এ ধরনের তাবিজ করা হয়ে থাকে।

কাউকে কোনো যাত্রাপথে আটকে রাখা কিংবা পতনের জন্যেও এই কাজ করা হয়

জ্বীন, জাদু ও বদনজরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের উল্লেখযোগ্য বারোটি লক্ষণ:
১- মাথা যন্ত্রণা করা
২- অদ্ভুত স্বপ্ন দেখা
৩- ফিজিক্যালি স্বপ্ন দেখা
৪- উপর থেকে পড়ে যেতে স্বপ্ন দেখা
৫- কালো সাপ, কালো বিড়াল, কালো কুকুর স্বপ্ন দেখা
৬- ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর দুর্বল লাগা
৭- ঘাড়ে, পিঠে, কোমরে ব্যথা করা
৮- নির্জনতা বেশি পছন্দ করা
৯- মেজাজ অনেক খারাপ থাকা
১০- রাগ করে কিছু করার পর অনেক অনেক অনুশোচনা বোধ হওয়া
১১- গরু অথবা হিংস্র প্রাণী স্বপ্ন দেখা
১২- কখনো খাওয়া স্বপ্ন দেখা

শলিউশন:
তাবিজ পাওয়ার সাথে সাথে
একটা বর্তনে পানি নিন
এর পর এতে
সুরা নাস ৩ বার
সুরা ফালাক ৩ বার
ইখলাস ৩ বার
আয়াতুল কুরসি ৩ বার
সুরা ফাতিহা ৩ বার
সুরা লাহাব ৩ বার
পড়ে পানিতে ফু দিয়ে
সিকিউরিটি বজায় রেখে হাতে গ্লাপ্স কিংবা পলিথিন পেচিয়ে তাবিজ টি
ভেঙ্গে কাগজ বের করে
পানিতে চুবিয়ে রাখুন।
ভালো ভাবে ভেজা হলে কাগজ টা ঘসে তাতে থাকা লেখা গুলো উঠিয়ে ফেলুন এর পর ভালো কোনো জায়গায় ফেলে দিন।

যদি শারিরীক কিংবা মানুষিক ভাবে কোনো ক্ষতি হয়ে যাকে তাহলে দ্রুত কোনো রুকউয়্যাহ সেন্টার থেকে পরামর্শ নিন..
রাক্বির পরামর্শ অনুযায়ী ডায়াগোনোসিস ও সেষণ গ্রহঙ করুন

রুকইয়্যাহ চিকিৎসা কিংবা যে কোনো পরামর্শের জন্য কল করুন
যোগাযোগ ☎️ 01834-107510

ঢালাওভাবে সব ধরনের তাবিজকে শিরক বা নাজায়েয বলা—দ্বীন ও শরিয়াহ সম্পর্কে অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।হাদিসে যে ‘তামীমা’কে শিরক বল...
14/07/2026

ঢালাওভাবে সব ধরনের তাবিজকে শিরক বা নাজায়েয বলা—দ্বীন ও শরিয়াহ সম্পর্কে অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।

হাদিসে যে ‘তামীমা’কে শিরক বলা হয়েছে, তা প্রচলিত শরয়ী তাবিজ নয়। বরং জাহেলি যুগে ব্যবহৃত পাথর, ঝিনুক, হাড় বা অনুরূপ বস্তু দিয়ে তৈরি এমন মালা বা লকেট, যার সঙ্গে কুরআন-সুন্নাহর কোনো সম্পর্ক ছিল না এবং যেগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে উপকার-অপকারের কারণ মনে করা হতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ধরনের তামীমাকেই শিরক বলেছেন।

এ কারণেই আল্লামা তূরবিশতী (রহ.) মাসাবীহুস সুন্নাহ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে লিখেন—

والمراد من التميمة ما كان من تمائم الجاهلية ورقاها، فإن القسم الذي يختص بأسماء الله تعالى وكلماته غير داخل في جملته بل مستحب مرجو البركة، عرف ذلك من أصل السنة.

অর্থাৎ, যেসব হাদিসে তামীমাকে শিরক বলা হয়েছে, সেখানে তামীমা বলতে জাহেলি যুগের তামীমাই উদ্দেশ্য। আর যেসব তামীমায় আল্লাহ তাআলার নাম ও তাঁর কালাম লেখা থাকে, তা এ হুকুমের অন্তর্ভুক্ত নয়; বরং তা মুস্তাহাব এবং এর মাধ্যমে বরকত লাভের আশা করা যায়। বিষয়টি সুন্নাহর মৌলিক শিক্ষা থেকেই প্রতীয়মান। আল-মুয়াসসার, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১০০৮।

ঘানার সে যা/দুকর খেলার সময় যা/দু চর্চার কথা সে নিজেই স্বীকার করেছে।অবশ্যই যা/দুর মাধ্যমে অনেক খেলোয়াড়কে দূর্বল করে দেওয়া...
25/06/2026

ঘানার সে যা/দুকর খেলার সময় যা/দু চর্চার কথা সে নিজেই স্বীকার করেছে।

অবশ্যই যা/দুর মাধ্যমে অনেক খেলোয়াড়কে দূর্বল করে দেওয়া হয়।

♦️ মস্তিষ্ক বিকৃত ও পাগল বানানোর যাদু ♦️🖋️পড়া লেখা নষ্ট ও পাগল বানানোর জন্য মূলত এই যাদু করা হয়।এই যাদু জিন নিজেও করতে প...
24/06/2026

♦️ মস্তিষ্ক বিকৃত ও পাগল বানানোর যাদু ♦️

🖋️পড়া লেখা নষ্ট ও পাগল বানানোর জন্য মূলত এই যাদু করা হয়।এই যাদু জিন নিজেও করতে পারে বাপ দাদার পূর্ব শত্রুতার রেশ থেকে। অথবা কোন মানুষ শত্রু ভন্ড কবিরাজ-বৈদ্য- তান্ত্রিক- মগা -যাদুকর এদের মাধ্যমে জিন দ্বারা করে থাকে।
তাই জিনে আক্রান্তের লক্ষ্মণগুলো ও এই যাদুতে দেখা যায়।
তাই এই রুগীর চিকিৎসার জন্য প্রথমে অভিজ্ঞ মুদাব্বির অথবা রাকি দিয়ে রুকইয়্যাহ করা উচিৎ। পরে পরিবারের সাপোর্ট নিয়ে একজন মুদাব্বির অথবা রাক্বির তত্বাবধানে সেল্ফ রুকইয়্যাহ করা উচিৎ।

🔴পড়া লেখা নষ্ট ও পাগল বানানোর যাদুর লক্ষ্মণ
1/🖋️পড়ালেখা আগে ভাল থাকলেও হুট করে সবকিছুতেই ধস নামা।কিছুতেই মনে রাখতে না পারা।পরিক্ষা আসলেই অসুস্থ হয়ে যাওয়া।
2/🖋️অল্পতেই অধৈর্য হয়ে যাওয়া। কোন কাজ ধীরস্থিরভাবে করতে না পারা।
3/🖋️কাজ কর্মে কথা বার্তায় ভুলভ্রান্তি বেড়ে যাওয়া। ওয়াসওয়াসা বেড়ে যাওয়া।
4/🖋️নিজের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে অতিরিক্ত উদাসীন থাকা।অকারণে ময়লা বা ছেঁড়া জামা কাপড় পড়তে ইচ্ছে হওয়া।
5/🖋️কোন কারণ ছাড়াই হাটতে থাকা।হঠাৎ বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়া।অথবা বারবার এমন ইচ্ছে যাগা।
6/🖋️মাঝেমধ্যে একদম পাগলের মত আচরণ করা।বিশেষ করে প্রতিদিন আসরের পর থেকে গভির রাত পর্যন্ত। অথবা পূর্ণিমা কিংবা আমাবস্যা রাতে।
7/🖋️মাথা ব্যাথা লেগেই থাকা। (ঔষধ খেয়েও কোন কাজ না হওয়া।)ব্যাথার ঔষধের প্রদাহের কারণে কিছুক্ষণ ব্যাথা বন্ধ থাকলেও পরে আবার শুরু হওয়া।
8/🖋️ঠিকমত ঘুমাতে না পারা সারা রাত ঘুম না আসা।
9/🖋️সামান্য ঘুমালেও ভয়ংকর সপ্ন দেখা (যেমন তাকে কিছু একটা ধাওয়া করছে অথবা অদৃশ্য থেকে কেউ ডাকছে)
10/🖋️হ্যালুসিনেশন হওয়া।অর্থাৎ স্বপ্নের মত কল্পনার জগতে অদ্ভুত দৃশ্য জাগ্রত অবস্থায় ঘটতে থাকা।উদাহরণস্বরূপ :কেউ তাকে ডাকছে মনে হয় অথচ অন্যরা কিছুই শুনতে পায়না।কোন মানুষ বা প্রাণী দেখা যা আশেপাশে থাকা অন্য কেউ দেখেনা।নিজে কারো সাথে বসবাস করতেছে কথা বলতেছে অথচ বাস্তবে কেউই নেই।

♦️এগুলোর পাশাপাশি জিন আক্রান্তের লক্ষ্মণ ওয়াসওয়াসার লক্ষ্মণ এবং যাদুর সাধারণ লক্ষ্মণ ও মিলতে পারে। বিস্তারিত আলাদা করে জিন যাদু ওয়াসওয়াসার পোস্ট আছে দেখে নিবেন।

💖এই যাদু থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রেসক্রিপশন
====================
এই যাদুর ক্ষেত্রে শুরু থেকেই একা একা রুকইয়্যাহ না করা উচিৎ। রাক্বি বা মুদাব্বির এর মাধ্যমে আগে সরাসরি চিকিৎসা ও রুকইয়্যাহ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তারপর নিজে নিজে করতে হবে ।

🖊️সকাল সন্ধ্যা মাসনুন আমলগুলো করতে হবে।
🖊️যারা কুরআনের সহীহ তেলওয়াত জানেনা তারা রোগের প্রাসঙ্গিক আয়াতের অডিও সুনতে হবে প্রতিদিন কম পক্ষে সকালে একবার সন্ধায় একবার করে।
🖊️সূরা ফাতিহা -আয়াতুল কুরসি-সূরা আরফ 117-122
সূরা ইউনুস 81-82
সূরা ত্বহা 69
সূরা ইখলাস ফালাক নাস এগুলো তিনবার করে পড়ে পানিতে ফু দিয়ে এই পানি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা দুইবার খেতে হবে।আর গোসলের পানিতে কিছুটা মিশিয়ে গোসল করতে হবে।
🖊️আয়াতগুলো অলিভ অয়েলে ফু দিয়ে ঘুমের আগে পুরো মাথার দিতে হবে।(নারীদের ক্ষেত্রে শুধু মাথার অংশে দিবে পুরো চুলে না দিলেও যথেষ্ট হবে)
🖊️গান বাজনা বেপর্দা সব ধরনের গুণাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
🖊️রুকইয়্যাহ করা বড়ই পাতার গোসল করতে হবে।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে যাদু ও হিংসা বদনজর থেকে হেফাজত করুন। আমিন ।

আল-ইখলাস রুকইয়া সেন্টার ঢাকা
যোগাযোগ ☎️ 01834107510

21/06/2026

♦️ মুহাররাম মাস ও আশুরা ♦️

কুরআন মজীদে ও হাদীস শরীফে এ মাস সম্পর্কে যা এসেছে তা হল, এটা অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ মাস। কুরআনের ভাষায় এটি ‘আরবাআতুন হুরুম’-অর্থাৎ চার সম্মানিত মাসের অন্যতম।

এ মাসে রোযা রাখার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রমযানের পর আল্লাহর মাস মুহাররমের রোযা হল সর্বশ্রেষ্ঠ।’

أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم

-সহীহ মুসলিম ২/৩৬৮; জামে তিরমিযী ১/১৫৭

এর মধ্যে আশুরার রোযার ফযীলত আরও বেশি।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ও আশুরায় যেরূপ গুরুত্বের সঙ্গে রোযা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।’

ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يتحرى صيام يوم فضله على غيره إلا هذا اليوم يوم عاشوراء وهذا الشهر يعني رمضان
-সহীহ বুখারী ১/২১৮

হযরত আলী রা.কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিল, রমযানের পর আর কোন মাস আছে, যাতে আপনি আমাকে রোযা রাখার আদেশ করেন? তিনি বললেন, এই প্রশ্ন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জনৈক সাহাবী করেছিলেন, তখন আমি তাঁর খেদমতে উপসি'ত ছিলাম। উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘রমযানের পর যদি তুমি রোযা রাখতে চাও, তবে মুহররম মাসে রাখ। কারণ, এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিনে আল্লাহ তাআলা একটি জাতির তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য জাতির তওবা কবুল করবেন।’-জামে তিরমিযী ১/১৫৭

অন্য হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে, আশুরার রোযার কারণে আল্লাহ তাআলা অতীতের এক বছরের (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।’

صيام يوم عاشوراء أحتسب على الله أن يكفر السنة التي قبله

-সহীহ মুসলিম ১/৩৬৭; জামে তিরমিযী ১/১৫৮

আশুরার রোযা সম্পর্কে এক হাদীসে আছে যে, ‘তোমরা আশুরার রোযা রাখ এবং ইহুদীদের সাদৃশ্য পরিত্যাগ করে; আশুরার আগে বা পরে আরো একদিন রোযা রাখ।’

صوموا عاشوراء وخالفوا فيه اليهود، صوموا قبله يوما أو بعده يوم

-মুসনাদে আহমদ ১/২৪১

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে ৯ তারিখেও অবশ্যই রোযা রাখব।’-সহীহ মুসলিম ১/৩৫৯

*মহররম ও আশুরাকেন্দ্রিক নানা কুসংস্কার:*

এ মাসে পৃথিবীর বহু ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এদিনে আল্লাহ তাআলা তাঁর কুদরত প্রকাশ করেছেন। বনি ইসরাইলের জন্য সমুদ্রে রাস্তা বের করে দিয়েছেন এবং তাদেরকে নিরাপদে পার করে দিয়েছেন। আর একই রাস্তা দিয়ে ফেরাউন ও তার অনুসারীদেরকে ডুবিয়ে মেরেছেন।-সহীহ বুখারী ১/৪৮১

তবে এ দিনের গুরুত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে অনেকে নানা ভিত্তিহীন কথাও বলে থাকেন। যেমন, এদিন হযরত ইউসুফ আ. জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। হযরত ইয়াকুব আ. চোখের জ্যোতি ফিরে পেয়েছেন। হযরত ইউনুস আ. মাছের পেট থেকে মুক্তি পেয়েছেন। হযরত ইদরীস আ.কে আসমানে উঠিয়ে নেওয়া হয়। অনেকে বলে, এদিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। এসব কথার কোনো ভিত্তি নেই।-আল আসারুল মারফূআ, আবদুল হাই লাখনেবী ৬৪-১০০; মা ছাবাহা বিসসুন্নাহ ফী আয়্যামিস সানাহ ২৫৩-২৫৭

এ মাসের একটি ঘটনা শাহাদাতে হুসাইন রা.। বলাবাহুল্য যে, উম্মতের জন্য এই শোক সহজ নয়। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এরই তো শিক্ষা-‘নিশ্চয়ই চোখ অশ্রুসজল হয়, হৃদয় ব্যথিত হয়, তবে আমরা মুখে এমন কিছু উচ্চারণ করি না যা আমাদের রবের কাছে অপছন্দনীয়।’

অন্য হাদীসে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই যারা মুখ চাপরায়, কাপড় ছিড়ে এবং জাহেলী যুগের কথাবার্তা বলে।’

অতএব শাহাদাতে হুসাইন রা.কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়া এবং সব ধরনের জাহেলী রসম-রেওয়াজ থেকে দূরে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের অবশ্য কর্তব্য।

*আশুরা, মহররম:*

এ মাসে যেসব অনৈসলামিক কাজকর্ম ঘটতে দেখা যায় তার মধ্যে তাজিয়া, শোকগাঁথা পাঠ, শোক পালন, মিছিল ও র‌্যালি বের করা, শোক প্রকাশার্থে শরীরকে রক্তাক্ত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এসব রসম-রেওয়াজের কারণে এ মাসটিকেই অশুভ মাস মনে করার একটা প্রবণতা অনেক মুসলমানের মধ্যেও লক্ষ করা যায়।

এজন্য অনেকে এ মাসে বিয়ে-শাদী থেকেও বিরত থাকে। বলাবাহুল্য এগুলো অনৈসলামিক ধারণা ও কুসংস্কার।

মোটকথা, এ মাসের করণীয় বিষয়গুলো যখা, তওবা- ইস্তেগফার, নফল রোযা এবং অন্যান্য নেক আমল। এসব বিষয়ে যত্নবান হওয়া এবং সব ধরনের কুসংস্কার ও গর্হিত রসম-রেওয়াজ থেকে বেঁচে কুরআন্তসুন্নাহ মোতাবেক চলাই মুসলমানের একান্ত কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাওফীক দান করুন।

*মাসিক আল কাউসার*

20/06/2026

স্বপ্নে খাওয়ানো যাদু-কী, কেন হয়, আর কীভাবে বাঁচবেন?

স্বপ্নের মধ্যে যদি দেখেন কেউ আপনাকে কিছু খাওয়াচ্ছে, পান করাচ্ছে, বা কোনো বস্তু জোর করে মুখে দিচ্ছে তাহলে এটাকে বলা হয় “الإطعامُ المَنَامي” অর্থাৎ স্বপ্নে খাওয়ানো যাদু।

এটা সাধারণ যাদুর চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর।
শরীর-মনে অস্বাভাবিক দুর্বলতা তৈরি করে।
ভিতর থেকে আক্রমণ করার সবচেয়ে কৌশলী পদ্ধতি।

এ ধরনের যাদুর উদ্দেশ্য সাধারণত
-শরীরকে নষ্ট করা
- মানসিক চাপ ও ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া।
-রোগ-বালাই সৃষ্টি।
-কর্মে আটকে যাওয়া।
-সিদ্ধান্তহীনতা ও অস্থিরতা তৈরি করা।

স্বপ্নে খাওয়ানো হলে শরীরে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে:

ঘুম ভেঙে অদ্ভুত চাপ বা ব্যথা।
বমিভাব, পেট ভার বা অস্বস্তি।
মনে হয় শরীরে কিছু ঢুকে গেছে।
সারাদিন ক্লান্তি, শক্তিহীনতা।
হঠাৎ ভয়/উদ্বেগ তৈরি হওয়া।
বারবার খারাপ স্বপ্ন দেখা।

তাৎক্ষণিক করণীয় (ঘুম ভাঙ্গার পর):-

1.সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস - তিনবার
2. এই আয়াত পড়ুন:
﴿ وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ ﴾
3.বুক ও পেটে ফুঁ দিন
4. দোয়া:
اللَّهُمَّ طَهِّرْ جَسَدِي وَرُوحِي مِنْ كُلِّ طُعْمٍ رَمَاهُ شَيْطَانٌ أَوْ سَاحِرٌ
“হে আল্লাহ! ঘুমে শয়তান বা কারো দেওয়া ক্ষতি থেকে আমার শরীর ও রূহকে পবিত্র করে দিন।”

5.সকালে রুকইয়াহ পানি পান করুন।
6. পেটে ও বুকে রুকইয়াহ করা তেল মালিশ করুন।

প্রতিদিনের সুরক্ষা (আক্রমণ বন্ধ করতে):

আয়াতুল কুরসি।
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত।
সূরা ইখলাস + ফালাক + নাস (৩ বার করে)
ঘুমের আগে শরীর মাসেহ।
নিয়মিত সকাল-সন্ধ্যার যিকর।
সূরা বাকারার তিলাওয়াত (যতটা সম্ভব)।

অতি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
কুরআনের ওপর পূর্ণ ভরসা রাখুন।
তাহাজ্জুদ রাখুন-এটাই সবচেয়ে শক্ত সুরক্ষা।

খুলাসা কথা-
স্বপ্নে খাওয়ানো যাদু যতই শক্তিশালী হোক,
কুরআনের নূরের সামনে টিকতে পারে না।

আল্লাহর কাছে দোয়া-
اللَّهُمَّ احْفَظْنَا، وَاحْفَظْ أَهْلَنَا، وَاحْفَظْ بُيُوتَنَا مِنْ كُلِّ شَرٍّ، وَاصْرِفْ عَنَّا كُلَّ سِحْرٍ، وَحَسَدٍ، وَمَكْرٍ، وَتَسْلِيطٍ، وَاجْعَلْ لَنَا مِنْ نُورِ كِتَابِكَ سِتْرًا وَحِصْنًا، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ. آمِينَ.

তিনি যেন আপনাকে, আপনার ঘরকে এবং আপনার প্রিয় মানুষদের সব আধ্যাত্মিক আক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখেন।

আল ইখলাস রুকইয়াহ সেন্টার, ঢাকা ।
যোগাযোগ ☎️ 01834107510

16/06/2026

জাদুর প্রতিক্রিয়া এতই ভয়াবহ যে, সময় মত চিকিৎসা নিতে না পারলে তা একজন মানুষকে ক্রমে ক্রমে কবর পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।

Address

1/2 Lalbagh, Dhaka
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল-ইখলাস রুকইয়া সেন্টার ঢাকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share