Todays Common surgical problem

Todays Common surgical problem some common surgical problem, we faced our daily life, if we know that properly we can manage easily

11/05/2026

হামে প্রায় প্রতিদিনই ৬/৮ জন করে বাচ্চা মারা যাচ্ছে।খুবই করুণ ব্যাপার। এটার অবস্থা কোভিড বা ডেংগুর চেয়েও এখন অনেক ভয়াবহ। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, নিম্নবিত্ত পরিবারের বাচ্চা মারা যাচ্ছে,তাই এটা নিয়ে মিডিয়া নিউজ কম হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ ভুল কথা। প্রথম কথা হাম বা মিজেলস একটি ভাইরাস জনিত রোগ। সারা গায়ে rash হয় ,জ্বর হয় ,৭/১০ দিনের মধ্যে ভাল হয়ে যায়। কিন্তু বাচ্চার যদি টিকা দেয়া না থাকে ,অথবা অপুষ্টিতে ভুগে,অথবা সঠিক সময়ে হাসপাতালে না আসে অথবা বাচ্চার অন্য কোন রোগ বা জন্ম গত ত্রুটি থাকলে , মৃত্যু হার বেশি। বিশেষ করে হামের সাথে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটলে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে আনতে হবে। ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকরী কোন ঔষুধ নাই। তাই ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য টিকা বা ভ্যাক্সিন দিতে হয়। আমাদের দেশে টিকাদান কর্মসূচি খুবই ভাল অবস্থায় ছিল। কিন্তু বেশকিছু দিন থেকে গ্ৰামে এবং অশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে টিকা দেয়ার প্রবনতা কমে গিয়েছিল। আমি ঢাকা মেডিকেলে,পিজিতে, বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি , অনেক বাচ্চাদের ভ্যাক্সিন দেয়া হয় নাই। বিশেষ করে হামের টিকা ৯ মাস পর দেয়া হয় ,এটা অনেকেই আর গুরুত্ব দেয় না। সেই সাথে গত বছর টোটালি ভ্যাক্সিন দেয়া বন্ধ ছিল। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে প্রথম ছড়াইছে এটাও কথা হচ্ছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আদতে কোন টিকা কার্যক্রম আছে কিনা ,তাতে সন্দেহ আছে। লম্বা সময় ধরে ভ্যাকসিন দিলে Herd immunity বলে এটা ব্যাপার ঘটে কিন্তু তাতে ৮০% বাচ্চার ভ্যাকসিন দিতে হবে। এই herd immunity মনে হচ্ছে কাজ করছে না। যেহেতু আউটব্রেক হয়েছে ,এখন সকল বাচ্চাকে ভ্যাকসিন দিতে হবে একদম রেগুলার বেসিসে। মাঠকর্মীদের কাজে পাঠাতে হবে, এবং এই অবস্থা থেকে বের হতে ২/৩ বছর সময়ও লাগবে। সেই সাথে বাচ্চাদের পুষ্টি, জনসমাগমস্থলে কম যাওয়া, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ,এটাও জরুরি।নগর পুড়লে যেমন দেবালয় এড়ায় না ,তেমনি একশ্রেণী টিকা না নিলে ,সেটার ঝামেলা সারা বাংলাদেশ কে পোহাতে হচ্ছে। সচেতনতা বাড়ানো ছাড়া ,আর কোন পথ খোলা নাই।

একজন রিকশাচালক,একজন ফুটপাত ব্যবসায়ী ,একজন মধ্যবিত্ত চাকুরী জীবি, এরা জীবিকার তাগিদে কি পরিমান কস্ট করে,আমরা জানি। আমাদে...
10/02/2026

একজন রিকশাচালক,একজন ফুটপাত ব্যবসায়ী ,একজন মধ্যবিত্ত চাকুরী জীবি, এরা জীবিকার তাগিদে কি পরিমান কস্ট করে,আমরা জানি। আমাদের রাজনীতিবিদরা ও জানে। কিন্তু তাদের এই দেশের মানুষের প্রতি ন্যূনতম দয়া মায়া নাই। আমাদের ভোট নিয়ে সংসদে গিয়ে , নিজের চৌদ্দ গুষ্টির পেট ভরে। তারপরও লোভ যায় না। এদেশের মানুষ একটু শান্তিতে বাঁচতে চায়। আমরা দূর্নীতি কে বয়কট করি। গনভোটে হ্যাঁ বলি।

26/01/2026

ওজন কমানোর জন্যে প্রথমে আপনার ওজন এবং সে অনুযায়ী ক্যালোরি হিসাব করতে হবে। আমি মোটামুটি ৬০-৬৫ কেজির একজন ফিমেলের ডায়েট চার্ট দিচ্ছি,যারা বাসায় থাকেন , এবং বাইরে গেলেও হালকা পরিশ্রমের কাজ করেন। প্রথমে নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামাজ এবং ৭/৮ ঘন্টা ঘুমের রুটিন তৈরি করতে হবে। মোবাইল আসক্তি কমাতে হবে। সকালে‌ ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানিতে লেবু,পিংক সল্ট এবং চিয়াসীড।৮ টার মধ্যে সকালের নাস্তা,ডিম,সবজি একটা রুটি। সকাল ১১/১২ টায় ব্লাক কফি, যে কোন ফল। ২ টায় লাঞ্চ সবজি,মাছ/মাংস ,ভাত পরিমাণ মত (এক কাপ) বিকালে ৫/৬ দুধ চিনি ছাড়া চা, বাদাম ,যেকোন ফল।রাতে ৯ টায় ডিনার, ২ টা ডিম ,একবাটি সালাদ, এক কাপ দুধ।এর সাথে প্রতিদিন ১ ঘন্টা ব্যায়াম।ফ্রি হ্যান্ড প্রতিদিন।জুমবা এবং ইয়োগা অল্টারনেটিভ দিনে। কাছাকাছি দুরত্ব হেঁটেই চলুন। ফলো করে দেখতে পারেন ।তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, প্রেশার আছে,থাইরয়েডের সমস্যা আছে,বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা আছে ,তারা ডাঃ এর পরামর্শ ছাড়া কোন ডায়েটে যাবেন না।

23/01/2026

Never forget our captain

21/01/2026

একজন রোগী যখন হাসপাতালে যায়,তখন আসলে কি হয়?? প্রথমত ১ টা এ্যাম্বুলেন্স লাগে। এটার চালক কি ডাঃ?? না। এরপর ঢাকার বিখ্যাত ট্রাফিক জ্যামে পড়ে ১ ঘন্টার রাস্তা ৩ ঘন্টায় গেলো, এর জন্য কি ডাঃ দায়ী, না। হাসপাতালে ভর্তি কার্যক্রম কি ডাঃ রা করে ,না। হাসপাতালে বেড না থাকলে কেবিন না থাকলে এর জন্য কি ডাঃ দায়ী ,‌না। হাসপাতাল প্রশাসন।ডাঃ আসলো , রোগী দেখে ঔষধ লিখে দিলো , প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দিলো। এই ঔষধ আনার দায়িত্ব কি ডাঃ এর, না। ঔষধ শরীরে পুশ করার দায়িত্ব কি ডাঃ এর? না ,ঔটা নার্সের কাজ। পরীক্ষার জন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া বা স্যাম্পল কালেক্ট করা কি ডাঃ এর কাজ ? না।ঔটা ওয়ার্ড বয়ের কাজ। বিছানা চাদর পরিস্কার করা ,রুম পরিস্কার করা , এগুলো কি ডাঃ এর কাজ? না, এগুলো সুইপার,আয়াদের কাজ। এতগুলো প্রসিডিওর ফলো করে একজন রোগীর চিকিৎসা চলে।এর কোন একটা খারাপ হলে ,দেরি হলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হবে,এটাই স্বাভাবিক। আর আমাদের মত জনবহুল দেশে প্রতি মিনিটে ১০/১৫ জন‌ রোগী চলে ,আসে এবং সবাই তার চিকিৎসাটাই আগে চায়। যেখানে কোন সিস্টেম নাই , নিয়মনীতির তোয়াক্কা নাই,তাহলে সব দোষ ডাঃ এর কেন? এদেশে কোন হেলথ ইন্সুরেন্স নাই। চিকিৎসা সম্পূর্ণ নিজের পকেটের টাকায় করতে হবে। সেখানে রোগীর আর্থিক অবস্থা না জেনেই কি চিকিৎসা শুরু করা যায়?? প্রতিটা জীবনই মূল্যবান। তাই সিস্টেম এর পরিবর্তন দরকার। যেখানে সবাই শান্তিপূর্ণ ভাবে কাজ করতে পারবে।

20/01/2026

বর্তমানে scabies(চুলকানি) and tinea(দাদ) ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মহিলা রোগীদের মধ্যে এর ভয়াবহতা চরম। প্রাইভেট পার্টে থাকায় ,তাদের উদাসীনতাও বেশি। যখন চুলকানিতে টিকতে পারে না‌,তখন আসে ডাঃ এর কাছে। এগুলো যদিও স্কিন বিশেষজ্ঞের কিন্তু অযথা সার্জারিতে এসে ঝামেলা করে। তাদের ধারণা তাদের স্কিনে কোন সমস্যা নাই। সারাক্ষণ মুখে cerave আর টোনার মেখে লাভ নাই। নিজের শরীরের দিকে নজর দিতে হবে। এগুলো সবই ছোঁয়াচে রোগ,বাসার হেলপিং হ্যান্ড থেকে ও হয়।আর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না থাকলে হাজার টাকার স্কিন কেয়ার দিয়ে লাভ নাই। মহিলা রোগীদের এইসব উপদেশ দিলে অনেক সময় ক্ষেপে যায়। তারা পার্লারে গিয়ে টাকা ব্যয় করবে কিন্তু সচেতন হবে না।

14/01/2026

একজন ফিমেল সার্জন হিসেবে আমি কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই। প্রথমে বলতে চাই , বেশ কিছুদিন ধরে ফেসবুকে একটা কথা খুব শুনছি , বেশিরভাগ উচ্চ শিক্ষিত ছেলেরা বিয়ের জন্য কম শিক্ষিত মেয়ে পছন্দ করছে। যুক্তি হিসেবে প্রথম কথা মেয়ে চাকরি করবে না ,ঘর সামলাবে ,বেশি শিক্ষিত মেয়েরা ক্যারিয়ারে ফোকাস করে বেশি, মুখে মুখে তর্ক করে, সংসারে শান্তি থাকে না। ছেলেরা সবক্ষেত্রে শান্তি চায়। ওকে ফাইন। একটা সমাজ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে মানুষের চাহিদার উপর। যেখানে যে চাহিদা বেশি,সেখানে সেই রীতিই গড়ে উঠবে। এইরকম কম শিক্ষিত মেয়েদের চাহিদা বেশি হলে মেয়েদের শিক্ষার হারও কমে যাবে। আর নামমাত্র উচ্চ শিক্ষার আসলে কোন দাম নাই। ডাঃ, ইন্জিনিয়ার, টিচার সব প্রফেশনেই মেয়েদের হার কমতে থাকবে।এবার আমার প্রফেশনের প্রেক্ষাপটে বলি, আমার ফিমেল রোগীরা অপারেশন করানোর জন্য ফুল ফিমেল সেটআপ অপারেশন থিয়েটার চায়। মানে সার্জন মহিলা , এসিস্ট্যান্ট মহিলা, অজ্ঞান ডাঃ মহিলা,ওটি ইনচার্জ মহিলা,ট্রলিম্যান মহিলা ,সুইপার মহিলা। এখন আপনাদের কাছে প্রশ্ন মেয়েরা যদি কম শিক্ষিত হয় ,চাকরি না করে , তাহলে ফুল মহিলা সেটআপ কিভাবে সম্ভব?? কয়েক দিন আগে একজন পর্দা শীল বোন তার পায়ের একটা পরীক্ষার জন্য ফিমেল সার্জন না পেয়ে ,অনেক গালাগালি করলেন ।অথচ উনার দরকার ছিল ফিমেল ভাস্কুলার সার্জন। বাংলাদেশে কয়জন ফিমেল ভাস্কুলার সার্জন আছে?? যারা আছেন ,তাদের জন্য আমরা কি করছি?? যারা মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার প্রতি নেগেটিভিটি ছড়াচ্ছেন,সামনে দিন কিন্তু ভাল হবে না।

12/01/2026

কিছুদিন থেকেই সুন্নাতে খাৎনা করতে গিয়ে,এনেসথেসিয়া দেয়ার পর বাচ্চা মারা গেছে ,এমন কয়েকটি ঘটনা নিয়ে সবারই মন খারাপ। একজন সার্জন হিসাবে আমি একটু মতামত দিচ্ছি। সাধারণত আমাদের দেশে মুসলমানি করা হয় ৫-৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ক্ষেত্রবিশেষে ১ মাসের বাচ্চাদের করা হয় ,আবার ১০ বছরের উপরেও করা হয়। মুসলমানি করতে ২ ভাবে অবশ করা হয় ,লোকাল এনেসথেসিয়া এবং পুরো অজ্ঞান বা জেনারেল এনেসথেসিয়া।লোকাল দিয়ে করলে বাচ্চা টের পায় ,জেগে থাকে , চিৎকার করে,অনেক সময় করা যায় না। জেনারেল এনেসথেসিয়া দিলে সুন্দর ভাবে মুসলমানি করা যায়। সারা পৃথিবীতে অজ্ঞান এর যত ধরন আছে ,তার মধ্যে জেনারেল এনেসথেসিয়া সবচেয়ে সেফ, নির্ভর যোগ্য।আমরা একদিন বয়সী বাচ্চাদের জেনারেল দিয়ে অপারেশন করেছি । শিশু সার্জারির সকল অপারেশন জেনারেল এনেসথেসিয়া দিয়ে হয়। সফলতার হারও অনেক বেশি। তারপরও এটা নিয়ে এত কথা কেন?? কারন জেনারেল এনেসথেসিয়া দেয়ার আগে কিছু পরীক্ষা করতে হয় , কিছু নিয়ম মানতে হয়। সাধারণত ছোট বাচ্চাদের অনেক ক্ষেত্রে জন্মগত ত্রুটি থাকে যা জন্মের পর বা ২/৪ বছরেও জানা যায় না। কোন বাচ্চার একটি জন্মগত ত্রুটি থাকলে ,তার আরো কিছু ত্রুটি থাকতে পারে। সবচেয়ে কমন হচ্ছে হার্টের সমস্যা থাকতে পারে ,যা প্রথমে বুঝা যায় না। কিছু রক্ত রোগও থাকতে পারে। জেনারেল এনেসথেসিয়া দেয়ার জন্য বাচ্চা র হার্ট, ফুসফুস, কিডনি,লিভার, রক্তের সব প্যারামিটার পরীক্ষা করে দেখতে হবে। এছাড়া কোন ঔষধে এলার্জি আছে কিনা তাও পরীক্ষা করতে হবে। অপারেশন এর ৮/১০ ঘন্টা আগে মুখে সব ধরনের খাবার বন্ধ রাখতে হয়। একটু পানিও দেয়া যায় না। জেনারেল এনেসথেসিয়া র রোগী হাসপাতালে ভর্তি রেখে অপারেশন করাতে হয়।কারন বেশিরভাগ সময় ই বাচ্চা খেয়ে ফেলে , গার্ডিয়ান রা খাওয়ায় কিন্তু পরে স্বীকার করে না। নিয়ম মেনে সব অপারেশন সুন্দর ভাবে করা যায়।কারো মৃত্যু ই আমাদের কাম্য নয়।

Address

Dhaka National Medical College & Hospital
Dhaka
1100

Telephone

+8801714263936

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Todays Common surgical problem posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Todays Common surgical problem:

Share