Ur Gynae MATE

Ur Gynae MATE Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ur Gynae MATE, Medical and health, Mohammadpur, Dhaka.

13/05/2026

:

প্রায় একশ বছর আগে, এক নারীর অস্ত্রোপচারের সময় সার্জনরা তাঁর ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট থলির মতো কিছু গঠন দেখতে পান। সেগুলোকে তারা এক ধরনের “সিস্ট” মনে করেছিলেন। সেই নারীটির শরীরে পুরুষ হরমোনের মাত্রা বেশি ছিল, মাসিক অনিয়মিত ছিল এবং তিনি গর্ভধারণেও সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছিলেন। তাই চিকিৎসকেরা রোগটির নাম দেন “পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম” বা PCOS।

তৎকালীন সময়ে নামটি যথার্থই মনে হয়েছিল। কিন্তু পরে গবেষণায় ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়ে যায়-এটি শুধু ডিম্বাশয়ের রোগ নয়। বরং এটি একটি জটিল endocrine বা হরমোনজনিত ব্যাধি, যা শরীরের নানা সিস্টেমকে প্রভাবিত করে। গত কয়েক দশকের গবেষণায় দেখা গেছে, PCOS কেবল প্রজননক্ষমতার ওপর নয়, metabolism, হৃদ্‌রোগতন্ত্র, ত্বক, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও গভীর প্রভাব ফেলে। এমনকি PCOS আক্রান্ত নারীদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও তুলনামূলকভাবে বেশি।

তবে “সিস্ট” শব্দটি দীর্ঘদিন ধরে রোগটির প্রকৃত স্বরূপ বোঝার পথে এক বড় বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। অস্ট্রেলিয়ার Dr. Helena Teedeবলেন, “আসলে এগুলো সত্যিকারের cyst ছিল না।” তিনি ব্যাখ্যা করেন, এগুলো ছিল এমন immature follicle বা ডিম্বাণু, যাদের বৃদ্ধি হরমোনজনিত অসামঞ্জস্যের কারণে মাঝপথে থেমে গিয়েছিল। অর্থাৎ সমস্যার মূল কারণ ছিল বৃহত্তর endocrine disruption, ডিম্বাশয়ের সিস্ট নয়। বর্তমানে রোগ নির্ণয়ের সর্বশেষ গাইডলাইন অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রেই ওভারি পরীক্ষা না করেও রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।

তারপরও দীর্ঘদিন ধরে PCOS-কে মূলত “ওভারির রোগ” হিসেবেই দেখা হয়েছে। সম্প্রতি চিকিৎসাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জার্নাল The Lancet-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বহু বছরের আলোচনা ও গবেষণার পর PCOS-এর নতুন নাম প্রস্তাব করা হয়েছে-“Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome” বা PMOS।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন নাম রোগটির প্রকৃত বৈশিষ্ট্য আরও সঠিকভাবে তুলে ধরে। কারণ এটি শুধু reproductive disorder নয়; বরং বহুমাত্রিক hormonal ও metabolic disorder।

Rachel Morman, যিনি Verity UK-এর চেয়ারপারসন এবং নিজেও এই রোগে আক্রান্ত, বলেন-“অনেক নারী এখনও মনে করেন তাঁদের ওভারিতে অসংখ্য cyst রয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক স্বাস্থ্যকর্মীও একই ধারণা পোষণ করেন।”
এই ভুল ধারণার কারণে রোগীরা প্রায়ই সঠিকভাবে মূল্যায়িত হন না। অনেক সময় তাঁদের উপসর্গকে কেবল infertility বা মাসিক সমস্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়, অথচ পেছনের metabolic ঝুঁকিগুলো অদেখাই থেকে যায়।
Dr. Helena Teede বলেন, “আমার চেম্বারে আসা অনেক নারীই কান্নায় ভেঙে পড়েন, কারণ প্রথমবার কেউ তাঁদের সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে শোনে। রোগটি আসলে কী-এটা বুঝতে পারা তাঁদের জন্য এক বিশাল স্বস্তি।”

২০১২ সালে National Institutes of Health-এর এক বৈঠকে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে রোগটির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব ওঠে। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক, গবেষক ও রোগীদের অংশগ্রহণে দীর্ঘ আলোচনা, জরিপ ও মতামত সংগ্রহ করা হয়। অধিকাংশ রোগীই নাম পরিবর্তনের পক্ষে মত দেন।

নতুন নাম-PMOS-রোগটিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে চায়: এটি এমন একটি জটিল অবস্থা যেখানে endocrine imbalance, metabolic dysfunction এবং ovarian manifestation-তিনটিই একসঙ্গে জড়িত।

Dr. Melanie Cree মনে করেন, এই পরিবর্তন চিকিৎসা ব্যবস্থাকেও প্রভাবিত করবে। তাঁর ভাষায়, “এতদিন চিকিৎসার মূল ফোকাস ছিল fertility ও reproduction। কিন্তু metabolic দিকটি অনেকটাই উপেক্ষিত থেকেছে।”

তিনি জানান, অধিকাংশ নারী নিয়মিত metabolic screening পান না। ফলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, প্রিডায়াবেটিস, স্থূলতা কিংবা হৃদ্‌রোগের প্রাথমিক ঝুঁকি দীর্ঘদিন ধরা পড়ে না। বিশেষ করে কিশোরীদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও উদ্বেগজনক। অনেক সময় তাঁদের শুধু জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি দিয়ে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু metabolic health নিয়ে কোনো আলোচনা বা পরীক্ষা করা হয় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, PMOS-কে যদি metabolic disorder হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে চিকিৎসার ক্ষেত্রও বিস্তৃত হবে। GLP-1 agonist-এর মতো নতুন প্রজন্মের ওষুধও ভবিষ্যতে আরও বেশি ব্যবহৃত হতে পারে।

ডা. টিডির মতে, নতুন নাম গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে। তিনি বলেন, “প্রজননক্ষম বয়সী প্রায় ১৭ কোটি নারী এই সমস্যায় আক্রান্ত। তবু গবেষণায় বিনিয়োগ অত্যন্ত সীমিত ছিল। রোগটিকে নতুনভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা গেলে আরও বিস্তৃত গবেষণা ও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে।”

বর্তমান গাইডলাইন অনুযায়ী, PMOS নির্ণয়ের জন্য নিম্নের তিনটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্তত দুটি থাকতে হবে-

• অতিরিক্ত androgen বা পুরুষ হরমোন

• অনিয়মিত মাসিক

• রক্তে AMH-এর উচ্চ মাত্রা

• অথবা আল্ট্রাসাউন্ডে বহু arrested follicle দেখা যাওয়া।

ডা. টিডি জানান, প্রায় ৬০% রোগীর ক্ষেত্রে প্রথম দুটি বৈশিষ্ট্যই রোগ নির্ণয়ের জন্য যথেষ্ট। অর্থাৎ তাঁদের ওভারি মূল্যায়নের দরকার হয় না। অন্যদের ক্ষেত্রে আল্ট্রাসাউন্ডের পরিবর্তে রক্ত পরীক্ষা অনেক সহজ ও সুবিধাজনক বিকল্প হতে পারে। ফলে ভবিষ্যতে unnecessary internal ultrasound-এর প্রয়োজনও কমে আসবে।

আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নতুন নামটি ধীরে ধীরে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষণার মূলধারায় প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালে আন্তর্জাতিক রোগ শ্রেণিবিন্যাসে (ICD) PCOS-এর পরিবর্তে PMOS অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

যাদের বাসায় কুকুর বা বিড়াল পোষ্য আছে।  সতর্ক থাকুন এবং ভ্যাকসিন নিশ্চিন্ত করুন।
02/05/2026

যাদের বাসায় কুকুর বা বিড়াল পোষ্য আছে। সতর্ক থাকুন এবং ভ্যাকসিন নিশ্চিন্ত করুন।

02/05/2026
22/09/2025

পুরো একটা জেনারেশন PCOS-এ ভুগছে..!

আজকাল মেয়েদের মধ্যে প্রায়ই শোনা যায় আমার পিরিয়ড সময় মতো হয় না, ওজন কমছে না, বা ওজন বাড়ছে না, হরমোনাল ইমব্যালেন্স এর কারণে ঘনঘন মুড সুইং হচ্ছে।

এগুলোই PCOS (Polycystic O***y Syndrome) এর লক্ষণ। আর অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, এটা এখন শুধু কোনো একজনের সমস্যা নয়, পুরো একটা প্রজন্ম এর শিকার।

কেন এমন হচ্ছে? এই সমস্যার কারণ মানুষ নিজেরাই। সারাদিন বসে থাকা, কম মুভমেন্ট করা, বেশি চিনিযুক্ত খাবার আর জাঙ্ক ফুড খাওয়া, রাত জাগা, অতিরিক্ত মোবাইল-লেপটপ ব্যাবহার করা, এগুলো শরীরের প্রাকৃতিক হরমোন সিস্টেমকে একদম এলোমেলো করে দিচ্ছে।

এগুলোর জন্য শরীরের ভেতরের ব্যালান্স নষ্ট হয়, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে, আর মেয়েদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড ও হরমোন চক্রের ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়ে।

এটা শুধু শরীরের সমস্যা নয় মানসিক দিক থেকেও এর প্রভাব ব্যাপক। হরমোনের ওঠানামায় মুড সুইং, ডিপ্রেশন, আত্মবিশ্বাস হারানো সব মিলিয়ে এক ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।

মনে রাখবেন PCOS শুধু মেয়েদের রোগ নয়, এটা একটা সোশ্যাল হেলথ ক্রাইসিস হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, পরবর্তী প্রজন্ম আরও বড় সমস্যায় পড়বে। ❤️

04/09/2025

দ্রুত বেবি নিতে চান যারা তাদের ডায়েট প্ল্যানে থাকা উচিত যেসব খাবারঃ
১)বাকহুইট-প্রাকৃতিকভাবে ডি কাইরো ইনোসিটল পাওয়া যায় এমন অতি অল্প সংখ্যক খাবারের মধ্যে এটা একটা। বাকহুইট বা ঢেমশির ডি কাইরো ইনোসিটল ইনসুলিন ও টেস্টোস্টেরন লেভেল কমায়, প্রজেস্টেরন লেভেল বাড়ায়, ফলে আপনার উর্বরতা বাড়ে।
২)পালংশাক, মটরশাক, ব্রকোলি-বাধাকপির পাতা, সরিষা শাক-এগুলো খাবেন দিনে ২০০+ গ্রাম। এগুলো ফলিক এসিডের ভাল উৎস। তবে, এদের চেয়ে কাজের জিনিস হচ্ছে মাছের কলিজা।

৩)বুটের ডাল-ভিটামিন বি-৬ বা পাইরিডক্সিনের প্রাকৃতিক উৎস, একই সাথে স্পার্ম কাউন্ট এবং ডিম্বানুর সংখ্যা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। প্রজেস্টেরন লেভেল স্বাভাবিক রাখে এবং ম্যাগনেসিয়াম শোষন বাড়ায়।

৪)রয়াল জেলিঃ যাদের হাতে বেশ ভাল টাকা পয়সা আছে তারা মৌমাছির রয়্যাল জেলি খেতে পারেন। এর সায়েন্টিফিক বেনিফিট প্রুভেন না হলেও ট্র‍্যাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিনে এর বেশ সুনাম আছে।

৫)ডিমঃ সব ধরনের নিউট্রিয়েন্ট ডিমে থাকে, অবশ্যই দিনে ২-৩টা ডিম খাবেন, হাসের ডিম হলে ভাল।

৬)সানফ্লাওয়ার সিডঃ এস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন ব্যালেন্সের জন্য একটা দরকারী খাবার।

৭)ইলিশ মাছঃ ভিটামিন ই-১,৩, ডি-৩, কে-২ এর ওয়ান অফ দ্যা বেস্ট ন্যাচারাল সোর্স, সাথে ভরপুর বেস্ট কোয়ালিটি ডিএইচএ। ইলিশ হচ্ছে বাংলার স্যামন।

৮)গরুর গোশত-কলিজাঃ অবশ্যই ভুট্টা, সয়াবিন, গমের ওপর নির্ভরশীল না, গ্রামে মোটাতাজাকরন প্রক্রিয়ার বাইরে থাকা চরে বেড়ানো গরু। বাংলাদেশে খুজলে এখনো গ্রাস ফেড গরু পাওয়া যায়। এর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না।

৯)নারকেলঃএমসিটির অন্যতম সেরা সোর্স, পাশাপাশি ন্যাচারাল এন্টিঅক্সিডেন্ট-ডিটক্সিফায়ারে ভরা এই ফলটা খুবই আন্ডাররেটেড।

১০)দারুচিনিঃ এর মূল কাজ তিনটা-১)ব্লাড সুগার স্বাভাবিক রাখা, ২)ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা ৩)হজম ভাল করা

১১)হলুদঃ এন্টাই ইনফ্ল্যামাটরি কম্পাউন্ড কারকিউমিনে ভরা, সাথে গোলমরিচ যোগ করে কোকোনাট অয়েলের সাথে খেলে সেরা ফল পাওয়া যাবে।

বেবি নিতে চাইলে এগুলো খাওয়া শুরু করুন, সুস্থতার সাথে বাবু নিন।

, , , , , , , ,

17/08/2025

পুরো একটা জেনারেশন PCOS-এ ভুগছে..!

আজকাল মেয়েদের মধ্যে প্রায়ই শোনা যায় আমার পিরিয়ড সময় মতো হয় না, ওজন কমছে না, বা ওজন বাড়ছে না, হরমোনাল ইমব্যালেন্স এর কারণে ঘনঘন মুড সুইং হচ্ছে।

এগুলোই PCOS (Polycystic O***y Syndrome) এর লক্ষণ। আর অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, এটা এখন শুধু কোনো একজনের সমস্যা নয়, পুরো একটা প্রজন্ম এর শিকার।

কেন এমন হচ্ছে? এই সমস্যার কারণ মানুষ নিজেরাই। সারাদিন বসে থাকা, কম মুভমেন্ট করা, বেশি চিনিযুক্ত খাবার আর জাঙ্ক ফুড খাওয়া, রাত জাগা, অতিরিক্ত মোবাইল-লেপটপ ব্যাবহার করা, এগুলো শরীরের প্রাকৃতিক হরমোন সিস্টেমকে একদম এলোমেলো করে দিচ্ছে।

এগুলোর জন্য শরীরের ভেতরের ব্যালান্স নষ্ট হয়, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে, আর মেয়েদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড ও হরমোন চক্রের ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়ে।

এটা শুধু শরীরের সমস্যা নয় মানসিক দিক থেকেও এর প্রভাব ব্যাপক। হরমোনের ওঠানামায় মুড সুইং, ডিপ্রেশন, আত্মবিশ্বাস হারানো সব মিলিয়ে এক ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।

মনে রাখবেন PCOS শুধু মেয়েদের রোগ নয়, এটা একটা সোশ্যাল হেলথ ক্রাইসিস হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, পরবর্তী প্রজন্ম আরও বড় সমস্যায় পড়বে।

Preventions is better than Cure..

07/07/2025

#ডেঙ্গু_সতর্কতা_কি_করবেন_কি_করবেন_না।

ডেঙ্গুর বর্তমান অবস্থার কথা আমরা সকলেই জানি।
ডেঙ্গু থেকে বাঁচার উপায় কমবেশি সকলেই জানি, কিন্তু ডেঙ্গু হয়ে গেলে আমাদের এপ্রোচ কি হবে সেটা নিয়ে আজকের এই আলোচনা।

মনে করুন আপনার জ্বর হলো। এখন কি করবেন?
* এটা নর্মাল, সিজনাল, এই কথা চিন্তা করা বন্ধ।
* দেখি ১-২দিন, দেখাদেখি বন্ধ।
* আমার তো সর্দি কাশি আছে,তাহলে এটা ডেঙ্গু না, ভাবা বন্ধ করুন।
কারন?
ডেঙ্গু জ্বরের প্যাটার্ন পাল্টেছে। একসময় চিকিৎসকরা সর্দি কাশি থাকলে আর ডেঙ্গু ভাবতো না। এখন আর সেটা নেই। গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে একটা আউটব্রেকের সময় যে কোন ফিভারেই শুরুতেই ভাবতে হবে আমি আউটব্রেকের কবলে পড়েছি। এটাই হচ্ছে নির্দেশিত। একটা সময় র‍্যাশ হতো, এখন র‍্যাশ দেখাই যায়না খুব একটা। এবছর জ্বরের তীব্রতাতেও পরিবর্তন এসেছে, অনেকেরি ১০০-১০১ এ ডেঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শরীর ব্যথার কারণে এটাকে ব্রেক বোন ফিভার বলতো আগে, এবছর সেই প্যাটার্নেও পরিবর্তন এসেছে, আগে ৫-৬দিনের দিন রোগীর কন্ডিশন খারাপ হতো, এখন ৩দিনের মাথাতেই ইভেন জ্বরের ১-২দিনেও কেউ কেউ ক্রিটিকাল কন্ডিশনে চলে যাচ্ছে।

ডেঙ্গুর ক্লাসিক্যাল সিম্পটম:
তীব্র জ্বর, প্রচন্ড শরীর ব্যথা, বিশে করে কোমর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, মাথা ব্যথা। তবে বর্তমান ডেঙ্গুতে এমনটা নাও থাকতে পারে।

করণী-১:
প্রথম দিনেই হসপিটাল গিয়ে তিনটি টেস্ট করে ফেলা।
১)CBC
2)Dengue NS1
3) SGOT
করার পর কি করবেন? কারণ NS1 positive means আপনার ডেঙ্গু নিশ্চিত। কিন্তু ধরুন কোন কারণে আপনার রিপোর্ট সব নর্মাল আসলো। প্রথম দিনে এটা হতেই পারে। তবে সব নর্মাল আসার সম্ভাবনা কম।
প্রথমেই CBC report এর HCT/PCV নামে একটা টার্ম আছে, হেমাটোক্রিট বা প্যাকড সেল ভলিউম, এটা কত পার্সেন্ট আছে মার্ক করে ফেলবেন বা লিখে ফেলবেন। কারণ এটাই আপনাকে পরবর্তীতে অনেক কিছু গাইড করবে। ধরুন আপনার আসলো ৩৬%, আপনার হিমোগ্লোবিন ১২%, তাহলে নর্মাল এবং প্রথম দিন এটা নর্মাল আসবে। আর নর্মাল রেঞ্জ আপনার কত সেটি জানা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমাদের দেশে ডেমোগ্রাফিক্যালি হেমাটোক্রিট ক্লাসিফাই করা নেই। তাই নিজের বেজ লাইন জেনে রাখবেন। হেমাটোক্রিট আপনার হিমোগ্লোবিনের ৩গুন সাধারণ অবস্থায়।
যদি দেখেন আপনার SGOT সাধারণ মাত্রার চাইতে ১-২গুন বেশি, তাহলে ওকে, এটাকে সাধারণ অবস্থা ভেবে নেয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি SGOT ৪-৫গুন হয়ে যায়, তবে এই রোগী সামনের দিকে খারাপ হওয়ার চান্স অনেক বেশি। তাই সতর্ক হয়ে যেতে হবে আগেই।

করণীয়-২:
প্রথম দিনেই ডাক্তার দেখাবেন। প্যারাসিটামল ছাড়া কোন ব্যথার মেডিসিন খেয়েছেন তো বিপদ আছে। এরপর ডাক্তারের পরামর্শ শুনবেন ও মেনে চলবেন।

করণীয়-৩:
প্রতিদিন CBC টেস্ট করতেই হবে মাস্ট। সিবিসি করে কি চেক করবেন? Platelet? না। HCT বা হেমাটোক্রিট। বিলিভ মি, যত প্যাশেন্ট মারা যাচ্ছেন, সব ডেঙ্গু শক সিন্ড্রমে, কেউ প্লাটিলেট বা ব্লিডিং হয়ে মারা যাচ্ছেন না। হেমোরেজিক ডেঙ্গুর চাইতে এখন আমাদের দেশে ডেঙ্গু শক হচ্ছে বেশি। আর এই হেমাটোক্রিট আপনাকে ইন্ডিকেশন দিবে এই শক সম্পর্কে। CBC থেকে আপনি কিভাবে কি বুঝবেন এবং দ্রুত হসপিটাল যাবেন?
যদি দেখেন আপনা HCT/PCV প্রথম দিনের নর্মাল রেঞ্জের চাউতে অনেক বেড়ে গেছে, ধরুন ছিলো ৩৫%, এখন ৪০%-৪৫%, তাহলে আপনার প্লাজমা লিকেজ হচ্ছে, শক।
যদি দেখেন হিমোগ্লোবিন এবং HCT দুটোই প্রথম দিনের চাইতে অনেক কমে গেছে, তবে আপনার শরীরে কোথাও ব্লিডিং হচ্ছে, সাথে কালো পায়খানা, লাল প্রশ্রাব, দাঁতের মাড়ি থেকে, নাক থেকে রক্ত পড়ছে। দ্রুত হসপিটাল ভর্তি হবেন। এক মুহুর্ত দেরি করা যাবেনা।
আর কী কী বুঝা যাবে CBC থেকে? যদি আপনার WBC count বা হোয়াইট ব্লাড কাউন্ট ৫হাজারের নিচে নেমে যায়, লিউকোপিনিয়া, এবং মনে রাখবেন, WBC count না কমার আগে আপনার প্লাটিলেট কমবে না। WBC count কমার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার Platelet count কমতে শুরু করবে। Platelet count যখন ১লাখের নিচে নেমে যাবে, তার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্লাজমা লিকেইজ শুরু হবে, এবং আপনি শকের দিকে ধাবিত হবেন। তাহলে CBC কতটা গুরুত্বপূর্ণ আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। মনে রাখবেন, প্রতিদিন CBC করতে হবে। প্লাটিলেট কমে গেলে মরবেন না, তাই প্লাটিলেট নিয়ে হাহুতাশ করবেন না। প্লাটিলেট ২০হাজারের নিচে না নামলে অন্য কোন প্রব্লেম না থাকলে ব্লিডিং হয়না, কারোর ১০হাজারেও কিছু হয়না। এটা আমাদের দেশে একটা অকারণ আতঙ্ক। পেপে পাতাও খাওয়া লাগবেনা, প্লাটিলেট যখন বাড়বে, একদিনেই কয়েক লাখ বেড়ে যাবে।

ক্রিটিকাল ফেইজ:
--------------------------
মনে রাখবেন, জ্বর থাকা অবস্থায় ডেঙ্গু রোগী মারা যায়না, বরং বিপদ শুরু হয় মূলত জ্বর কমার পর এবং সাধারণত আগে ৫-৬দিনের মাথায় ক্রিটিকাল ফেইজ শুরু হতো, কিন্তু এখন ৩দিনের শুরুতেই রোগীরা শকে চলে যাচ্ছে। ইভেন অনেকে জ্বর থাকা অবস্থাতেই ক্রিটিকাল হয়ে যাচ্ছে। তাই ফিভার কমে গেলে আরও সতর্ক হতে হবে। এই ফেজে আপনার প্লাটিলেট দ্রুত কমে যাবে। কিন্তু আগেই বলেছি, আপনাকে দেখতে হবে হেমাটোক্রিট।
এই ফেজে আর কী কী করলে বুঝতে পারবেন আপনার রোগী খারাপ হচ্ছে কিনা?
#ব্লাড_প্রেশার মাপবেন। দিনে ৪-৫বার মিনিমাম। বরং প্রথম দিন থেকেই মাপবেন।
এক্ষেত্রে ধরেন অনেকেরি আগে থেকে বিশেষ করে মেয়েদের ব্লাড প্রেশার লো থাকে, সো মাপার সময় আগে কত থাকতো জেনে নিবেন। বাসায় একটা ব্লাড প্রেশার মেশিন রাখবেন, ডিজিটাল মেশিন হলে পর পর দুইবার মাপবেন, আর ম্যানুয়াল হলে একবার মাপবেন।
এতে কি বুঝা যাবে? যদি ব্লাড প্রেশার সিস্টোলিক আইমিন উপরেরটা ১০০ এর নিচে নেমে যায় এবং ডায়স্টলিক মানে নিচেরটা ৬০ এর নিচে নেমে যায়, তবে এলার্ট হয়ে যান।
কিন্তু ধরেন উপরের প্রেশার ১০০-১১০ আর নিচেরটা ৯০। আপনি ভাবলেন নর্মাল। বা ৯০/৭০ বা ১২০/১০০। না, এটা নর্মাল না। দুটোর বিয়োগফল কত আসে? অনেক কাছাকাছি না? এটাকে বলে ন্যারো পালস প্রেশার এবং এই পালস প্রেশার যদি ২০ এর কম হয়, অর্থাৎ দুটোর পার্থক্য যদি ২০ এর কম হউ, ইউ আর ইন শক ওর আপনি শকে যাচ্ছেন।
দ্রুত হসপিটাল।
এই ক্রিটিকাল ফেজে আর কী কী বিষয় গুরুত্বপূর্ণ?
তীব্র পেটে ব্যথা হচ্ছে কিনা? এটা শকের লক্ষন।
লো প্রেশারের সাথে আপনার রোগীর হাত ও পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে কিনা, এটা শকের লক্ষন।
আপনার রোগী অস্থিরতা দেখাচ্ছে কিনা, একদম নেতিয়ে দূর্বল ফ্যাকাশে হয়ে গেলো কিনা, বিপদ চিহ্ন।
খুব ভালোকরে প্রশ্রাবের দিকে খেয়াল করবেন। কয়বার প্রশ্রাব করছে, কতটুকু প্রশ্রাব হচ্ছে প্রতিবার। যদি প্রশ্রাব কমে যায়, অল্প প্রশ্রাব হয়, হসপিটাল সোজা ভর্তি হয়ে যাবেন।
রোগীর কি শ্বাসকষ্ট হচ্ছে? পেট ফুলে যাচ্ছে? হঠাৎ করে গা ঝাকুনি দিয়ে খিচুনি হচ্ছে? দ্রুত হসপিটাল নিয়ে যান।

আর কি করতে পারেন? হাতের আঙুলের নখে জোরে চাপ দিয়ে ধরুন কিছুক্ষণ, নখ সাদা হয়ে গেলে এবার ছাড়ুন, এবার ভালোভাবে খেয়াল করুন নখের রঙ ফিরে আসতে কত সময় লাগছে, যদি বেশি সময় লাগে, বেশি বলতে কত? ২ সেকেন্ডের বেশি লাগলে আপনার রোগী শকে আছে। এটাকে বলে ক্যাপিলারি রিফিল টাইম।
আর কি করতে পারেন?
ব্লাড প্রেশার মেশিন নিন, এবার হাতের কব্জি মাঝে রেখে যেভাবে ব্লাড প্রেশার মাপবেন সেভাবে বাতাস দিয়ে টাইট করুন, টাইট অবস্থায় ৪-৫মিনিট দিয়ে রাখুন, এবার বাতাস ছাড়ুন, এবং খেয়াল করুন বাহুতে লাল লাল কতগুলো দাগ পড়েছে ছোট ছোট, ছোট্ট একটা বক্স কল্পনা করে যদি মনে হয় অনেক বেশি লাল লাল স্পট, দ্রুত হসপিটাল চলে যান। এটাকে বলে টর্নিকেট টেস্ট। সব রিপোর্ট নর্মাল আসলেও যদি আপনার টর্নিকেট টেস্ট পজিটিভ আসে, নিশ্চিত থাকুন আপনার ডেঙ্গু। এটা একদম প্রথম দিন থেকে প্রতিদিন করবেন।

বমি ও পাতলা পায়খানা:
-----------------------------------
দিনে ৩বারের বেশি বমি করলে, ৩বারের বেশি পাতলা পায়খানা হলে সোজা হসপিটাল চলে যাবেন। একমুহূর্ত দেরি করা যাবেনা।

বাসায় কি করবেন?
---------------------------
প্রচুর পরিমানে তরল খাওয়াবেন। ২-৩লিটার, ডাবের পানি, আধা লিটার পানিতে গোলানো স্যালাইনের পানি, স্যুপ,শরবত লবন চিনি দেয়া খাওয়াবেন। যতক্ষণ মুখে খেতে পারবে খাওয়াবেন, যখন আর পারবেনা, বমি হবে অনেক, পাতলা পায়খানা, হসপিটাল নিয়ে যাবেন।

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকবেন।
বেশিরভাগ রোগী মারা যায় শুরুতেই ডাক্তারের পরামর্শ না নেয়াতে, বিপদ চিহ্ন না জানাতে, বাসায় থেকে রোগী খারাপ করে ফেলে।

******ডায়বেটিস, হার্ট ডিজিজ, স্ট্রোক, কিডনি, লিভার, ক্যান্সার, SLE প্যাশেন্ট হলে প্রথম দিনেই হসপিটাল ভর্তি করে দিবেন।

********আপনার বাড়ির কাছের হসপিটালে আগে যাবেন।
সব সরকারি হসপিটালের ম্যানেজমেন্ট ভালো, বারান্দায় শুয়ে থাকলেও, কারণ সরকারি হসপিটাল এবং মেডিকেল কলেজ গুলোতে ন্যাশনাল গাউড লাইন মেনে চিকিৎসা দেয়া হয়।

*******বাসায় পালস অক্সিমিটার থাকলে অক্সিজেন স্যাচুরেশন চেক করবেন।

********কোন কোন রোগীর ক্ষেত্রে হার্ট ইনভলভ হয়ে যাবে, দেরি করলে অর্গান ফেইলিউর হয়ে যায়। ভাইরাল মায়োকার্ডাইটিস কিংবা একিউট কিডনি ইঞ্জুরির রোগীর জন্য আইসিউ লাগবেই। এসব রোগী বাইরে ম্যানেজ করা যায়না। রোগী খারাপ দেখলে সকল প্রস্তুতি রাখুন। যে কোন ইসিজি চেঞ্জেস, বিশেষ করে ট্যাকিকার্ডিয়া, শ্বাস দ্রুত হওয়া মানে ট্যাকিপেনিয়া বিপদ চিহ্ন। খারাপ হওয়ার আশংকা বেশি। কারো কারো ক্ষেত্রে প্লুরাল ইফিউশন অর্থাৎ লাংসে পানি চলে আসতে পারে।

*******মনে রাখবেন, প্রতিদিন সিবিসি টেস্ট, ডাক্তারের পরামর্শ, হসপিটাল এডমিশনের প্রস্তুতি, প্রচুর তরল খাওয়ানো, ব্লাড প্রেশার মাপা, বিপদ চিহ্ন খেয়াল করা, দেরি না করে হসপিটাল নেয়া, জ্বর কমে গেলে আরও সতর্ক হওয়া, প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন মেডিসিন ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া না খাওয়ানো।

*******ডেঙু এখন আর শুধু ঢাকাতে সীমাবদ্ধ না, সারা বাংলাদেশে ছড়িয়েছে।

*******দিনে রাতে যে কোন সময় ডেঙ্গু মশা কামড়ায়।
*******পরিষ্কার নোংরা সব পানিতেই ডেঙ্গু হচ্ছে।
*******Dengue NS1 test জ্বর শুরু হওয়ার ৩দিন পর করলে লাভ নেই। সেক্ষেত্রে CBC, SGOT, Dengue Antibody (IgG+IgM) করতে হবে।
*******যারা রক্ত তরল করার মেডিসিন খান, ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেটি বন্ধ রাখবেন কিংবা খাবেন। কোন অবস্থাতেই নিজে নিজে বন্ধ বা খাওয়া যাবেনা।

সবাই সবার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি সুরক্ষা চাইবেন। চারপাশ পরিষ্কার রাখবেন।
সতর্ক থাকবেন।

তথ্যসূত্র:
------------
Dengue National Guideline
CDC

07/07/2025

কখন বুঝবেন আপনি হেলদি লাইফস্টাইলে আছেন ❓❓

✔️স্বাস্থ্যকর খাওয়া, কম মশলা তেলে রান্না করা,সব্জি,মাছ,ও ফল মূলের আধিক্য বেশি।

✔️রাতে ৮ ঘন্টার ঘুম।
✔️স্মোকিং ও অন্যান্য আসক্তি থেকে দুরত্ব।
✔️দিনে ১ ঘন্টা ঘাম ঝরিয়ে হাটা, সপ্তাহে ৫ দিন মডারেট এক্সারসাইজ।

✔️সুস্থ আলাপচারিতা, নো স্ট্রেসফুল কনভারশেসন।

✔️হাসিখুশি বিনয়ী থাকা,কারো ক্ষতি না করা।
✔️পরিবার নিয়ে সন্তসঠ থাকা,পরিবার কে ভালোবাসা।

আপনার লাইফস্টাইল পরির্বতন হয়ে যাবে।
সুস্থতা নিশ্চিত জীবন চাবিকাঠি।

07/07/2025

Symptoms OF polycystic o***y Syndrome ...........................................................................

can differ from person to person. Symptoms may change over time and often occur without a clear trigger.

Possible symptoms include:
heavy, long, intermittent, unpredictable or absent periods
infertility
acne or oily skin
excessive hair on the face or body
male-pattern baldness or hair thinning
weight gain, especially around the belly
People with PCOS are more likely to have other health conditions including:
type 2 diabetes
hypertension (high blood pressure)
high cholesterol
heart disease
endometrial cancer (cancer of the inner lining of the uterus)

Address

Mohammadpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ur Gynae MATE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share