Al-Kawsar Holistic Wellbeing

Al-Kawsar Holistic Wellbeing Hijama/Cupping
Ruqyah
Physiotherapy
Acupuncture
Massage therapy
Yoga
Herbal
Lifestyle
Nutrition Holistic Medicine. Our Services will cover the following:
01.

Holistic Health & Wellbeing (Wellness) is sustained by eight pillars:
Physical, Nutritional, Emotional, Social, Spiritual, Intellectual, Financial, and Environmental. a focus on the person as a whole; in mind, body and soul, rather than focusing on a disease, injury, ailment, or overall problem. A form of healing that takes the entire person into account. Holistic medicine is an attitudinal approa

ch to health care rather than a particular set of techniques. It addresses the psychological, familial, societal, ethical and spiritual as well as biological dimensions of health and illness. Holistic approaches include but are not limited to: acupuncture, acupressure, biofeedback, massage therapy, chiropractic physicians, manual therapy, naturopathic physicians, meditation, guided imagery, yoga, therapeutic touch, reiki and other energy therapies, and ayurveda. Al-Kawsar Holistic Wellbeing is a Platform of Expertise and Facilities for providing related services and products. Naturopathy
02. Lifestyle Counseling
03. Nutrition Counseling
04. Hijama / Cupping Therapy
06. Physiotherapy
07. Chiropractic Therapy
08. Nature Therapy
09. Acupuncture Therapy
10. Massage Therapy
11. Yoga
12. Gymnasium
13. Ruqyah Therapy
14. Herbal Medicine (Unani and Ayurvedic)
15. Organic Food
16. Food Supplements
17. Herb Extracts
18. Medical Hospitality
19. Homeopathy
20. Training

and Many More..

06/05/2025

বায়োকেমিক চিকিৎসা

🟩 বায়োকেমিক চিকিৎসা কী?
বায়োকেমিক চিকিৎসা একটি প্রাকৃতিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা মানবদেহের কোষে থাকা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ লবণ (Tissue Salts বা Cell Salts) এর ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করে। এ চিকিৎসা বিশ্বাস করে, কোষের অভ্যন্তরীণ খনিজ ঘাটতিই অধিকাংশ রোগের মূল কারণ, এবং এই ঘাটতি পূরণ করলেই দেহ নিজে নিজেকে নিরাময় করতে পারে।

🟩বায়োকেমিক চিকিৎসার ইতিহাস
জার্মান চিকিৎসক ড. উইলহেল্ম হেনরিখ শুসসলার (Dr. Wilhelm Heinrich Schüßler) ১৮৭৩ সালে বায়োকেমি চিকিৎসা পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন। তিনি বিশ্লেষণ করে দেখেন, দেহের কোষসমূহে ১২টি মৌলিক খনিজ লবণের ঘাটতি হলে নানান ধরনের রোগ দেখা দেয়। এই ১২টি লবণকে তিনি "Tissue Remedies" বা কোষের ঔষধ বলেন, যা ক্ষুদ্র মাত্রায় শরীরে প্রয়োগ করলে দেহ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

🟩বায়োকেমিক চিকিৎসার উপকারিতা
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ও অত্যন্ত নিরাপদ
প্রাকৃতিক খনিজ লবণ ব্যবহার করায় সহজে শোষিত হয়
দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগে কার্যকর
শিশুসহ যেকোনো বয়সের জন্য উপযোগী
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
হোমিওপ্যাথি ও অন্যান্য চিকিৎসার সঙ্গে একত্রে নেওয়া যায়

🟩বায়োকেমিক চিকিৎসার ১২টি মূল লবণ

১. Calc Fluor
২. Calc Phos
৩. Calc Sulph
৪. Ferrum Phos
৫. Kali Mur
৬. Kali Phos
৭. Kali Sulph
৮. Mag Phos
৯. Nat Mur
১০. Nat Phos
১১. Nat Sulph
১২. Silicea

🟩সারা পৃথিবীতে বায়োকেমিক চিকিৎসার অবস্থান
ডা. শুসসলারের বায়োকেমিক চিকিৎসা বর্তমানে জার্মানি, ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে ও কোষিকাভিত্তিক সমস্যার চিকিৎসায় এটি বেশ কার্যকর হিসেবে বিবেচিত। অনেক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকও তাদের চিকিৎসার অংশ হিসেবে বায়োকেমিক লবণ ব্যবহার করে থাকেন।

🟩কেন একজন রোগীর বায়োকেমিক চিকিৎসা নেওয়া উচিত?

কোষে সরাসরি কাজ করে রোগের মূল কারণ দূর করে
অত্যন্ত মৃদু ও সঠিক মাত্রায় ব্যবহৃত হওয়ায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে
হরমোন ও শারীরিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে
দীর্ঘমেয়াদি ও শিশুদের রোগের জন্য নিরাপদ সমাধান

🟩বায়োকেমিক চিকিৎসা ও আধুনিক বিজ্ঞান
এই চিকিৎসা পদ্ধতি আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান ও কোষবিজ্ঞানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি শুধু রোগ নিরাময়ে নয়, রোগ প্রতিরোধ ও দেহের সুস্থতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ডা. শুসসলারের বায়োকেমিক চিকিৎসা এমন একটি প্রাকৃতিক উপায়, যা দেহের ভেতর থেকে কাজ করে আমাদের সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ রাখে। এটি একটি বিশ্বাসযোগ্য ও মৃদু পদ্ধতি, যা অল্পতেই ফল দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ জীবন গঠনে সহায়ক।

03/01/2025

Oxygen Cylinder Support managed by -Kawsar Holistic Wellbeing, donated by Kawsar Waqf Estate.

22/12/2024
সুন্নতি খাবার মাশরুমের উপকারিতাসুন্নতী খাবার মাশরুম যা প্রিয় নবীজি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তিনি পছন্...
13/10/2024

সুন্নতি খাবার মাশরুমের উপকারিতা

সুন্নতী খাবার মাশরুম যা প্রিয় নবীজি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তিনি পছন্দ করতেন এবং তিনি খেতেন। সুবহানাল্লাহ!
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، وَعُمَرُ بْنُ عُبَيْدٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو، بْنِ نُفَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ ‏"‏ ‏.‏

হযরত সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফায়ল রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, আমি নবীজী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি যে, কামআ (মাশরুম) মান্না জাতীয়। আর এর পানি (রস) চোখের জন্য ঔষধ বিশেষ। সুবহানাল্লাহ!
[মুসলিম শরীফ ,হা/৫১৬৯ (ইফাবা)

এ বিষয়ে তিরমিযী শরীফের হাদীসে এসেছে, আবূ হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আজওয়া (খেজুর) হচ্ছে জান্নাতের খেজুরবিশেষ এবং এর মধ্যে বিষের প্রতিষেধক রয়েছে। মাশরুম হলো মান নামক আসমানী খাবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর পানি চক্ষুরোগের প্রতিষেধক।
(তিরমিযী , হাদীস নং ২০৬৬ মিশকাত ৪২৩৫)।

অন্য আরেক হাদীসে এসেছে, সাঈদ ইবনু যাইদ (রা.) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাশরুম মান্নের (তথা জান্নাতী খাবার বিশেষ) অন্তর্ভুক্ত। এর পানি চোখের জন্য নিরাময়।
(তিরমিযী , হাদীস নং ২০৬৭, বুখারী, মুসলিম)।
মাশরুম ব্যবহার নিয়ে একটি হাদীসে এসেছে, আবূ হুরাইরাহ (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি তিনটি অথবা ৫টি অথবা ৭টি মাশরুম নিয়ে এর রস বের করলাম, তারপর রস টুকু বোতলে রেখে দিলাম, তারপর তাদ্বারা আমার এক দাসীর চোখে সুরমা লাগালে তার চোখ ভাল হয়ে গেল। (তিরমিযী, হাদীস নং ২০৬৯)।

আসুন আমরা জেনে নেই সুন্নতি খাবার মাশরুম এর ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা।
১। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেঃ
মাশরুমে উচ্চমাত্রার আঁশ থাকে, সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হৃদপিণ্ডের কাজে সহায়তা করে।
২। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেঃ
মাশরুমের ফাইবার বা আঁশ পাকস্থলি দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করে। মাশরুম রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। উচ্চ ফ্যাট সমৃদ্ধ লাল মাংসের পরিবর্তে মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমানো সহজ হয়। FASEB তে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা যায় যে, লাল মাংসের পরিবর্তে সাদা মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমে।
৩। ত্বক সুস্থ রাখেঃ
মাশরুমে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাবিন থাকে যা ত্বকের জন্য উপকারী। এই ছত্রাকে ৮০-৯০ ভাগ পানি থাকে যা ত্বককে নরম ও কোমল রাখে।
৪। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টঃ
মাশরুমে পলিফেনল ও সেলেনিয়াম নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে মানুষের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সালফারও থাকে। এই অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মারাত্মক কিছু রোগ, যেমন- স্ট্রোক, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সার থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
৫। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ
এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শিটাকে মাশরুম দৈনন্দিন কিছু অসুখ যেমন- কফ ও ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে।
৬। ভিটামিন ডি ধারণ করেঃ
সূর্যের আলোর সংস্পর্শে যে মাশরুম উৎপন্ন হয় তাতে প্রচুর ভিটামিন ডি থাকে, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৭। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমেঃ
নিয়মিত মাশরুম খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার ও প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। মাশরুমের ফাইটোকেমিক্যাল টিউমারের বৃদ্ধিতে বাঁধার সৃষ্টি করে।
৮। স্নায়ুতন্ত্রঃ
মাশরুমের ভিটামিন বি স্নায়ুর জন্য উপকারী এবং বয়সজনিত রোগ যেমন- আলঝেইমার্স রোগ থেকে রক্ষা করে।
৯। ডায়াবেটিসঃ
মাশরুম গ্রহণ করলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। মাশরুমে এনজাইম ও প্রাকৃতিক ইনসুলিন থাকে যা চিনিকে ভাঙ্গতে পারে।
১০। পরিপাকঃ
এতে থাকা ফাইবার ও এনজাইম হজমে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার কাজ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং কোলন এর পুষ্টি উপাদান শোষণকেও বাড়তে সাহায্য করে।

খাদ্যগুণে সমৃদ্ধ মাশরুম অত্যন্ত স্বাস্থ্যপ্রদ একটি খাবার। মাশরুমের পুষ্টিমান তুলনামূলকভাবে অত্যধিক এবং এর প্রোটিন অতি উন্নতমানের এবং মানব দেহের জন্য অতিশয় উপকারী।

একটি পরিপূর্ণ প্রোটিনের পূর্বশর্ত হলো মানব দেহের অত্যাবশ্যকীয় ৯টি অ্যাসিডের উপস্থিতি। মাশরুমে অতীব প্রয়োজনীয় এ ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড বিদ্যমান। অন্যান্য প্রাণিজ আমিষ যেমন -মাছ, গোশত, ডিম অতি নামি-দামি খাবার হলেও এতে চর্বি স¤পৃক্ত অবস্থায় থাকায় যা অতি মাত্রায় গ্রহণ করলে শরীরে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে, যার ফলে মেদ-ভুঁড়ির সৃষ্টি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ প্রভৃতি জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

মাশরুমের প্রোটিনে-ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অতি স্বল্প এবং কোলেস্টেরল ভাঙার উপাদান-লোভস্ট্রাটিন, অ্যান্টাডেনিন, ইরিটাডেনিন ও নায়াসিন থাকায় শরীরের কোলেস্টেরলস জমতে পারে না বরং মাশরুম খেলে শরীরে বহু দিনের জমানো কোলেস্টেরল ধীরে ধীরে বিনষ্ট হয়ে যায়। ১০০ গ্রাম শুকনো মাশরুমে ২৫-৩৫ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। পক্ষান্তরে আমরা যা অতি নামি-দামি খাবার হিসেবে মাছ ,গোশত, ডিম খেয়ে থাকি তার মধ্যে ১০০ গ্রাম মাছ, মাংস ও ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ হলো ১৬-২২ গ্রাম , ২২-২৫ গ্রাম ও ১৩ গ্রাম মাত্র।

মানব দেহের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সৃষ্টি করাই ভিটামিন ও মিনারেলের প্রধান কাজ। শরীরের চাহিদামতো প্রতিদিন ভিটামিন ও মিনারেল খেতে না পারলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা ক্রমশ দুর্বল হয়ে নানারূপ জটিল রোগে আক্রান্ত হতে হয়। প্রাকৃতিকভাবে মাশরুমেই সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান। মাশরুমে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম ও সেলেনিয়াম। সেলেনিয়াম উপাদানটি শুধু মাছেই পাওয়া মাশরুমে আরও আছে এরগোথিওনেইন নামে এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা মানব দেহের জন্য ঢালের মতো কাজ করে। মাশরুমে ভিটামিন বি-১২ আছে প্রচুর পরিমাণে যা অন্য কোনো উদ্ভিজ্জ উৎসে নেই। মাশরুম কোলেস্টেরল শূন্য। এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও খুবই সামান্য। এতে যে এনজাইম ও ফাইবার আছে তা দেহে উপস্থিত বাকি ব্যাড কোলেস্টেরলের বসতিও উজাড় করে দেয়।

মাশরুমে উচ্চমাত্রার আঁশ থাকে, সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া মাশরুমে কোলেস্টেরল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভাস্টটিন, এ টাডেনিন, কিটিন এবং ভিটামিন বি, সি ও ডি থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে উচ্চ রক্তচাপও হৃদরোগ নিরাময় হয়। মাশরুমের ফাইবার বা আঁশ পাকস্থলী দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করে। মাশরুম রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। মাশরুমে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাবিন থাকে যা ত্বকের জন্য উপকারী। ৮০-৯০ ভাগ পানি থাকে যা ত্বককে নরম ও কোমল রাখে।

মাশরুমে পলিফেনল ও সেলেনিয়াম নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে মানুষের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সালফারও থাকে। এ অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মারাত্মক কিছু রোগ, যেমন-স্ট্রোক, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সার থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শিতাকে মাশরুম দৈনন্দিন কিছু অসুখ যেমন-কফ ও ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করে। সূর্যের আলোর সংস্পর্শে যে মাশরুম উৎপন্ন হয় তাতে প্রচুর ভিটামিন ডি থাকে, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে মাশরুম বেশ উপকারী। নিয়মিত মাশরুম খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার ও প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। মাশরুমের ফাইটোকেমিক্যাল টিউমারের বৃদ্ধিতে বাঁধার সৃষ্টি করে।

মাশরুমের ভিটামিন বি স্নায়ুর জন্য উপকারী এবং বয়সজনিত রোগ যেমন- আলঝেইমার্স রোগ থেকে রক্ষা করে। মাশরুম গ্রহণ করলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। মাশরুমে এনজাইম ও প্রাকৃতিক ইনসুলিন থাকে যা চিনিকে ভাঙতে পারে। এতে থাকা ফাইবার ও এনজাইম হজমে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কাজ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং কোলনের পুষ্টি উপাদান শোষণকেও বাড়তে সাহায্য করে। মাশরুমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন-ডি আছে। শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে এ উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরী। মাশরুমে নিউক্লিক এসিড ও অ্যান্টি এলার্জেন থাকায় এবং সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক। মাশরুমে স্ফিংগলিপিড এবং ভিটামিন-১২ বেশি থাকায় স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ড সুস্থ রাখে। তাই মাশরুম খেলে হাইপার টেনশন দূর হয় এবং মেরুদ- দৃঢ় থাকে। হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধ করে। অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। মাশরুমের খনিজ লবণ দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।

And your Lord is never forgetful. আপনার পালনকর্তা কিছুই ভুলে যান না।(সূরা মারইয়াম, আয়াতঃ ৬৪)।The Quran Verse
13/10/2024

And your Lord is never forgetful.
আপনার পালনকর্তা কিছুই ভুলে যান না।
(সূরা মারইয়াম, আয়াতঃ ৬৪)।
The Quran Verse

16/08/2024

সাবধান!!
খুব বিরক্তিকর। এটা ভুয়া একটি আইডি। ফেক পেইজ আমার নাম ছবি ব্যবহার করছে।এটি আমার না।প্রথমত আমি ডাক্তার নই।আমি ক্লিনিক্যাল ডায়টেশিয়ান ও পুষ্টিবিদ। আর আমি কোন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করিনা। আমার পেইজ ভেবে ভুল করবেন না। ফেইক পেইজ প্লিজ রিপোর্ট করুন।আমার নামে কেউ কিছু প্রোমোশন করলে কিনবেন না।আমি কখনো কোন প্রোডাক্ট এর প্রমোশন করিনা।প্রতারিত হবেন না প্লিজ।এত বার বলার পরও অনেকেই জানতে চাচ্ছেন আমার পেজ কিনা।ছবি ব্যবহার করলেই কি আমার পেজ।আমি পুলিশকে ইনফর্ম করেছি।দয়া করে প্রতারিত হবেন না।আপনাদের কাছে অনুরোধ দয়া করে একটু রিপোর্ট করুন।এতবার বলার পরও আপনারা অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন।এটা একটা কমনসেন্সের ব্যাপার। ছবি দেখেই এসব কেন কিনেন? আমার পুরনো ভিডিও তে এডিট করে প্রোডাক্ট নীচে দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করছে।

Report please

https://www.facebook.com/profile.php?id=100087928622033&mibextid=LQQJ4d

report please

https://www.facebook.com/share/v/korvcSwe2jnkAwmQ/?mibextid=xfxF2i

Address

Chaya Kunja, H#105/11, West Boxnagar, Sarulia, Demra
Dhaka
1361

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Kawsar Holistic Wellbeing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share