Mahi homeopathic Clinic

Mahi homeopathic Clinic Please take homeopathic treatment and safe your life from disease call me for appointment

24/08/2026

বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়

দাম্পত্য জীবনে বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যা, অনিয়মিত মাসিক, হরমোনজনিত সমস্যা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক: মোঃ আলী
ডি.এইচ.এম.এস.
রেজিস্ট্রেশন নং ২৭৮০১
যোগাযোগ :মোবাইল:০১৮৮৯৯৭৬৪৫১

চিকিৎসালয়ের ঠিকানাঃ
১. আমতলা বাজার, (মাছবাজারের দক্ষিণ পাশে),সাত্তার মার্কেট, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।
সময় : শনিবার, সোমবার, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা হতে ৫টা ৩০মিনিট পর্যন্ত।
২.বাউনিয়া, নৈহাটি বাজার, আশুলিয়া, সাভার।
সময় : প্রতি রবিবার, বুধবার, শুক্রবার বিকাল ৩টা হতে ৫টা

সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

21/07/2026

Writer Dr Rabin Barman sir

Achalasia
( এ্যাকালেসিয়া )

আমরা যে খাবার খাই তা মুখ থেকে খাদ্যনালী হয়ে পাকস্থলীতে পড়ে। খাদ্যনালী যেখানে শেষ হয়েছে তার নিচের অংশটা মোটা প্যাকেটের মতন। এই মোটা প্যাকেটের মতন অংশটার নাম পাকস্থলী। পাকস্থলী মাঝে মাঝে খাবার চায়, সেটাকেই আমরা খিদে বা ক্ষুধা বলি। কিন্তু মুখ থেকে খাবার খাদ্যনালী হয়ে পাকস্থলীতে কলে জল পাশ করার মতন অতি সহজে হু হু করে যায় না বা পড়ে না। খাদ্যনালীর কিছুটা অংশ খিমচি কাটার মতন কুঁচকায়, ভালো বাংলায় বলা যেতে পারে কুঞ্চিত হয়, এইভাবে খাবার চেপেচুপে নরম করে খাদ্যনালী তার নিচের অংশে ঠেলে দেয়। খাবার যেখানে গিয়ে পড়লো সেই অংশ আবার কুঁচকে ছেড়ে দেয়। এইভাবে বারবার বিভিন্ন অংশে কুঞ্চিত হতে হতে খাবার নরম হতে থাকে এবং সবশেষে পাকস্থলীতে গিয়ে পড়ে, বাকী কাজ তখন পাকস্থলী করে।

চিকিৎসশাস্ত্রে খাদ্যনালীর বারবার এই কুঞ্চিত হওয়াকে পেরিস্টালসিস বলে। আবার পাকস্থলী থেকে যখন খাবার ২৭ ফুট পাইপ অতিক্রম করে মলে রূপান্তরিত হতে থাকে সেখানেও এই একই রকম কুঞ্চিত প্রক্রিয়া বা পেরিস্টালসিসের মাধ্যমে হয় পাইপ দিয়ে সোজা জল পাশ করার মতন হয় না, তাহলে তো কলে জল পাশ করার মতন সব খাদ্যদ্রব্য হু হু করে বেরিয়ে যেতো, তার মানে রসগোল্লা মুখ দিয়ে যেমন ঢুকতো, মলদ্বার দিয়ে ঠিক তেমনি বেরিয়ে যেতো, শরীর আর কোন কিছু কাজে লাগাতে পারতো না।

আমরা সবাই চীনের প্রাচীরের কথা পড়েছি। প্রাচীনকালে চীন দেশ বাইরে থেকে শত্রু আক্রমণ করতে আসলে তা প্রতিরোধ করার জন্য দেশের চারিদিকে তারা যে বিশাল পাঁচিল বানিয়েছিল যার নাম চীনের প্রাচীর, শত্রু দেখলে সেই প্রাচীরের এক মাথা থেকে আরেক মাথা পর্যন্ত দ্রুত খবর যেতো কিভাবে তাও আমরা ছোটবেলায় পড়েছি। আমরা জেনেছিলাম কিছু দূরে দূরে ছোট ছোট গুমটি ঘর তৈরি করে একজন করে পাহারাম্যান থাকতো। শত্রু দেখলেই একজন পাহারাম্যান আলো জ্বালাতো। একজন পাহারাম্যানকে আলো জ্বালাতে দেখলে সামনের আরেকজন আলো জ্বালাতো, তাকে দেখে আরেকজন, এইভাবে প্রাচীরের এক মাথা থেকে আরেক মাথা পর্যন্ত সবাই আলো জ্বালিয়ে ফেলতো, ফলে সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত হয়ে যেতো। এখানে খাদ্যনালীর পেরিস্টালসিস বা কুঞ্চন ক্রিয়ার ব্যাপারটাও ঠিক ঐ চীনের প্রাচীরের একজন থেকে আরেকজনের আলো জ্বালানোর মতন।

কিন্তু চীনের প্রাচীরে পরপর আলো জ্বালাতে জ্বালাতে যদি প্রাচীরের শেষের দিকের দুই একজনের আলো খারাপ থাকতো, তাহলে নিশ্চয়ই প্রাচীরের শেষের দিকে সংকেত ঠিক মতন পৌছাতো না।এখানেও তেমনি খাদ্যনালির নিচের দিকে অর্থাৎ শেষের দিকে যেখানে খাদ্যনালী পাকস্থলীর সাথে মিশতে চলেছে সেখানে কুঞ্চনক্রিয়া বা পেরিস্টালসিস প্রক্রিয়ার বিঘ্ন ঘটে।

কেন বিঘ্ন ঘটে? খাদ্যনালীর শেষের দিকটা যে মাংসপেশি দিয়ে তৈরি হয়েছে তা অনেকটা স্প্রিং এর মতন, উপরের অংশের খাবার নামলে স্প্রিং ঢিলা বা শিথিল হয়ে যে খাদ্যদ্রব্য নিচে নামবে তা হয় না, ফলে খাবার ঠিক মতন পাকস্থলীতে যেতে পারে না। খাবার গিলতেও অসুবিধা হয়।

এর কারণ চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা অনুমান করে বলেছেন এটি সম্ভবত একটি নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার , যদিও সঠিক কারণ আজও অজ্ঞাত।

রোগটি যে কোন বয়সেই হতে পারে, তবে ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বেশি দেখা যায়। প্রথমে খাবার গিলতে অসুবিধা হচ্ছে এই বোধ হতে থাকলেও আস্তে আস্তে তা বাড়তে থাকে। কারণ খাদ্যনালির নিচের অংশে অবরোধ ঘটার জন্য ফাঁকফোকর দিয়ে সামান্য খাদ্য পাকস্থলীতে গেলেও খাদ্যনালীতে অল্প পরিমাণে খাবার জমে থাকছে, তা বাসি হচ্ছে, ফলে সেখানে গ্যাস ুৎপন্ন হয়ে গন্ধও হচ্ছে। কারণ শুধু খাবার তো আর নেই, মুখ থেকে খাদ্যনালী পর্যন্ত নানারকম লালা ও রস তার সাথে মিশে আছে।

এখন লালা ও রস মেশানো এই অভুক্ত খাদ্যদ্রব্য পাকস্থলী থেকে উপরের দিকে ওঠা বায়ুর উর্ধ্ব চাপে মুখের দিকে চলে আসে। রাতে শোয়ার পরে এই অবস্থা বেশি হয়। গলা থেকে কিছু অংশ শ্বাস প্রশ্বাস যন্ত্রের দিকে চলে যেতে পারে, যাদের যায় তাদের কাশি হতে থাকে। বেশি বাড়াবাড়ি ক্ষেত্রে নিউমোনিয়ার মতন লক্ষণ দেখা যেতে পারে। চিকিৎসা শাস্ত্রে এই নিউমোনিয়াকে এ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া বলা হয়।

খাদ্যনালীর চাপে বুকের মাঝখানে স্টার্নাম হাড়ের নীচে ব্যথা হয়।

খাদ্য বা খাবার পাকস্থলীতে না পৌঁছাতে পারার জন্য পুষ্টির অভাবে রোগী ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে, তার ওজন কমে যেতে থাকে।

ঠিক এই রোগ হয়েছে কিনা কনফার্ম করতে হলে আগে বেরিয়াম সোয়ালো এক্সরে করা হতো, কিন্তু এখন জি আই অর্থাৎ গ্যাসট্রো ইসোফেজিয়াল এনডোস্কোপি করা হয়।

খুব তাড়াতাড়ি ক্যান্সার কারুর হয় না, তবে রোগটি চলতে থাকলে ১৫ বা ২০ বছর পরে কারুর কারুর ক্যান্সার দেখা দিতে পারে।

এলোপ্যাথিক চিকিৎসা মতে এই রোগের কোন প্রকৃত চিকিৎসা নেই। সার্জারির মাধ্যমে খাদ্যনালীর নিচের অংশটাকে শুধুমাত্র ডাইলেট বা প্রসারিত করার চেষ্টা করা হয়, যার নাম হেলার মাইওটমি। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে রোগী কিছুদিন ভালো থাকার পরে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে ।

হোমিওপ্যাথি যেহেতু মানুষের শরীরের ফাংশনাল বা যন্ত্রপাতির কার্যক্ষমতার বিঘ্ন ঘটলে ঠিক করতে পারে, তাই এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা অত্যন্ত ফলপ্রসূ। আমি নিজে বহু একালেশিয়া কেস আরোগ্য করতে সক্ষম হয়েছি।

তবে রোগীর পুরো কেস টেকিং করে লক্ষণসমষ্টির ভিত্তিতে হ্যানিম্যানের প্রুভিং করা বা পরবর্তীতে প্রুভিং করা ওয়েটি বা ডিপ এ্যাকটিং ঔষধ প্রেসক্রিপসন করতে হবে।

দুই একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার উইলিয়াম বোরিকের মেটিরিয়া মেডিকায় লেখা ১/২ লাইনের নন প্রুভিং যেসব ফালতু ঔষধ দেন তাতে এই সব রোগ সারে না, সারবে না।

পাঁচটি দশটি ঔষধ মিশিয়ে যেসব গর্ধবরা পলি ফার্মেসী করে, বা পড়াশোনা কম থাকার জন্য, গুরুজনদের কাছ থেকে হাতে কলমে কিছু না শেখার জন্য যে সব অর্বাচীনরা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রের জ্ঞানের থেকে বড় একখানা প্রেসক্রিপশন ছাপিয়ে বড় চিকিৎসক সাজার ভড়ংবাজি দেখাতে চায়, আর প্রত্যেকবার যখন যা মনে আসে তেমন আগডুম বাগডুম ঔষধ প্রেসক্রিপশন করে তারা এইসব রোগ জীবনেও সারাতে পারবে না।

বহু সাধারণ মানুষ আমার এই সব পোস্টগুলি দেখেন। তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ যাদের প্রেসক্রিপশনে দেখবেন তিনটি চারটি বা পাঁচটি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ একসাথে খেতে দিচ্ছে, জানবেন তারা হোমিওপ্যাথির কিচ্ছু বোঝে না, তারা আসল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করে না, তারা চটকদারি ব্যবসাধারী হোমিওপ্যাথিক সমাজের কলঙ্ক। হোমিও দর্শন আপনি বোঝার পরেও এদের কাছে যদি পড়ে থাকেন, জানবেন আপনার সময় অর্থ এবং শরীর সবই নষ্ট হবে। তাই সাবধান হবেন।

17/07/2026

Writer Dr Rabin barman sir

কেস টেকিংয়ের ধাপগুলি

একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের রোগীকে কেসটেকিং করতে হলে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অবলম্বন করতে হয়।

ক) প্রেজেন্ট কমপ্লেনস বা বর্তমান কষ্ট সমূহ কি,

আমি আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেখেছি রোগী সামনে এসে বসলে যদি বলা হয় বলুন কি বলবেন, বা যদি কিছু না বলা হয়, তাহলে রোগী নিজের থেকে নানা রকম লক্ষণ বলতে আরম্ভ করে। যখন একজন রোগী অনেক কমপ্লেন নিয়ে আসে, তার কোন লক্ষণটির গুরুত্ব কতটা, কোনটি আগে বলবে, কোনটি পরে বলবে, সে বুঝে উঠতে পারে না, বা অনেকগুলি লক্ষণ কাগজে লিখে আনে, দেখে দেখে একটার পর একটা বলতে থাকে। এভাবে বলার মধ্যে রোগীর অনেক অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বা লক্ষণ ঢুকে যায়। সেইজন্য অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমি বর্তমানে রোগীদেরকে বলি --বলুন আপনার এক নাম্বার কষ্ট কি? এই প্রশ্নের মধ্য দিয়ে রোগীর বর্তমানের আসল সমস্যাটা বোঝা যাবে। এক নম্বর কষ্ট বলা হয়ে গেলে তারপরে জিজ্ঞাসা করি, বলুন আর কি বলবেন? রোগী যদি আরো কিছু বলতে চায় তা পরপর নোট করি।

রোগী যদি আলাদা আলাদা কমপ্লেন বলতে চায়, যেমন এক নম্বর মাথা ব্যথা, দুই নম্বর পেট ব্যথা, ইত্যাদি, তাহলে একটি কষ্ট বা কমপ্লেন লেখার পরে দ্বিতীয়টি লেখার মাঝে অন্তত দুই ইঞ্চি গ্যাপ রাখতে হবে, অর্থাৎ খালি জায়গা রাখতে হবে। কারণ রোগী যখন একটি কমপ্লেন বলবে তখন তাকে কোন ডিস্টার্ব করা যাবে না। ডিস্টার্ব করলে পরের কমপ্লেনগুলো ঠিক মতন বলতে পারবে না, বা মনে করতে পারবে না, বা খেই হারিয়ে ফেলবে।

রোগী যখন থেমে যাবে বুঝতে হবে তার আর কিছু বলার নেই। তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে আর কিছু বলবেন?আপনার আর কিছু বলার আছে? রোগী যদি জানায় - না ডাঃ বাবু, আমার আর কিছু বলার নেই। তাহরে এবারে ফাঁকা জায়গায় রোগীর লক্ষণগুলির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যতা পূরণ করতে হবে। রোগী যখন একটি কষ্ট বা কমপ্লেন বলে তা হল একটি সিমপটম বা লক্ষণ, কিন্তু একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের কাছে এটি সম্পূর্ণ সিমপটম বা সম্পূর্ণ লক্ষণ নয়।

তাহলে সম্পূর্ণ সিমপটম বা সম্পূর্ণ লক্ষণ বা কমপ্লিট সিমটম কাকে বলবো? একটি সিমপটমকে সম্পূর্ণ করতে হলে ছয়টি পয়েন্টের দরকার। সেই ছয়টি পয়েন্ট এবারে রোগীকে জিজ্ঞাসা করে পরপর লিখতে হবে। কি সেই ছয়টি পয়েন্ট?

১) ডিউরেশন --কতদিন হয়েছে রোগটা? এক সপ্তাহ, না কি পনেরো দিন, না কি একমাস, না কি দুই মাস, না কি এক বছর, না কি পাঁচ বছর, না কি দশ বছর? বহু চিকিৎসক কেস টেকিংয়ের সময় রোগের স্থায়িত্ব বা ডিউরেশন জিজ্ঞাসা করে না, লেখেও না। রোগী বর্ণিত রোগের স্থায়িত্ব বা ডিউরেশন না জানলে রোগটির গুরুত্ব কতটা, রোগটা কতটা ডিপ-সিটেড, বা সোজা বাংলায় রোগটা কতটা গেড়ে বসেছে, বা জাঁকিয়ে বসেছে, তা জানা যাবে না। রোদে ঘোরার পর থেকে দশ দিন ধরে মাথার যন্ত্রণা হচ্ছে মানে এক্সাইটিং বা রোগের উত্তেজক কারণে একটি তরুণ রোগ, কিন্তু দশ বছর ধরে যখন মাথার যন্ত্রণা চলছে, তখন তা তরুণ রোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তরুণ রোগের চিকিৎসার ঔষধ এক রকম হবে, আর দশ বছরের পুরাতন রোগের চিকিৎসা অন্য রকম হবে। তাই প্রতিটি রোগের ডিউরেশন বা স্থায়িত্ব আমাদের জানার খুব প্রয়োজন এবং তা অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে।

২) কজেশন বা কারণ ---মডার্ন মেডিসিনের চিকিৎসকরা রোগের কারণ নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামান না, যেহেতু যেভাবেই হোক রোগ লক্ষণ গুলিকে আশু চাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যই তাদের চিকিৎসার মূলমন্ত্র। একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের কাছে রোগের কজেসন বা কারণ অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। শুধুমাত্র কজেশন বা কারণের উপরে নির্ভর করে আমরা একজন রোগীকে ঔষধ সিলেকশন করি, এবং বহু ক্ষেত্রে সেই ঔষধেই রোগী আরোগ্য হয়। তাই প্রতিটি রোগের কজেশন বা কারণ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং গুরুত্বপূর্ণ বলেই আমি যাবতীয় রোগ উৎপত্তির বা রোগ লক্ষণের কজেশন বা কারণের উপরে একটি রেপার্টরি বই বের করতে চলেছি।

কজেশন বা কারণ যে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য তার দুই চারটি উদাহরণ আমি বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিকদেরকেস ডায়েরি থেকে দিচ্ছি।

৪০ বছর ধরে ভুগতে থাকা একজন ক্রনিক ডায়রিয়া রোগীকে মুম্বাইয়ের প্রয়াত ডাঃ এস আর পাঠক ঘন দুধ খেয়ে রোগীর ডায়েরিয়া আরম্ভ হয়েছিল বলে তাকে সিপিয়া ঔষধধটি দিয়ে আরোগ্য করেছিলেন।

কম্পিটিশন করে কয়েকজন বন্ধু একটি পাহাড়ে কে তাড়াতাড়ি উঠতে পারবে সেই চেষ্টা করায় যে মেয়েটি তাড়াতাড়ি উঠে ফার্স্ট বা প্রথম হয়েছিল তার কয়েক দিন পর থেকেই তার শ্বাসকষ্ট আরম্ভ হয়। দুই বছর ধরে সেই শ্বাসকষ্ট চলতে থাকে, কোন চিকিৎসকই তাকে ঠিক মতন আরোগ্য করতে পারছিলেন না। রোগী ডাঃ পি শঙ্করনের কাছে আসলে তিনি দুই বছর আগের ঐ ইতিহাস জেনে অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য শরীরের সকল মাংসপেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল এবং তার পর থেকে রোগটি আরম্ভ হয়েছিল চিন্তা করে আর্নিকা মন্টেনা প্রেসক্রিপশন করেছিলেন এবং মেয়েটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছিল।

নানা রকম মানসিক সমস্যায় জর্জরিত, অবসাদ, উদাসীনতা ইত্যাদি রোগে ভুগতে থাকা কুড়ি বছরের একটি মেয়েকে ডাঃ পি শংকরন রোগ উৎপত্তির কারণ অনুসন্ধান করে নেট্রাম মিউর দিয়ে সুস্থ করেছিলেন। এক্ষেত্রে কারণ ছিল শিক্ষিত হিন্দু ঘরের মেয়েটি এমোশনালি তার থেকে বিলো স্টান্ডার্ড একটি বয়স্ক মুসলিমকে বিয়ে করে বসেন। এই বিয়ে সুখের হয়নি, ফলে পরে মানসিক যন্ত্রণায় বিদ্ধ হতে থাকা মেয়েটির এই সব মানসিক সমস্যা এসেছিল। এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কজেশন হলো-- বিবাহিত পুরুষের সাথে একটি অবিবাহিতা মেয়ের অসম বিবাহ। এটি নেট্রাম মিউরের একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ।

ডঃ পি শংকরন একজন রোগীকে তার দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা থেকে মুক্ত করতে পেরেছিলেন নেট্রাম কার্ব প্রেসক্রিপশন করে। কারণ তিনি কারণ জেনেছিলেন মাথাব্যথা আরম্ভ হয়েছিল সানস্ট্রোকের পর থেকে।

সাড়ে তিন বছরের একটি বাচ্চা কথা বলতে পারছিল না, কথা বলা শিখছিল না। লন্ডনের ডাক্তার ফুবিস্টার তাকে ইনফ্লুয়েনজিনাম ২০০ কয়েক ডোজ দেওয়াতে দ্রুত উন্নতি পেয়েছিলেন। এক্ষেত্রে তিনি কারণ হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন বাচ্চাটির মা গর্ভাবস্থায় সাংঘাতিক ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়েছিল।

ডাঃ পাঠক একবার বেশ কিছুদিন ধরে চলতে থাকা একজন ডায়েরিয়া রোগীকে সুস্থ করেছিলেন গ্রাটিওলা ৩০ শক্তির কয়েকটা ডোজ দিয়ে। কারণ ছিলো তার ডায়রিয়া গরম কালে সারাদিনে অনেক জল পান করার পর থেকে আরম্ভ হয় । এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ডাঃ পাঠক তার রেপার্টরিতে যোগ করেছেন --Diarrhoea, drinking too much water agg -- Gratiola.

ডাঃ পাঠক তার নিজের চোখের গ্লুকোমা সারিয়েছিলেন ফাইজসটিগমা ৩০ কয়েক ডোজ খেয়ে। কারণ তার চোখে আঘাত লেগেছিল, তারপর থেকেই তার গ্লুকোমার লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। ফাইজসটিগমায় আছে Glucoma after injury .

মুম্বাইয়ের ডাঃ সরলা সোনাওয়ালা চার বছরের একটি ছেলে যার খাবার খেলে সেই খাবার গলা থেকে মুখ দিয়ে উপরের দিকে উঠে আসতো, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় রিগারজিটেশন অব ফুড, তা জেলসিমিয়াম কয়েক ডোজ দিয়ে সারিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে রোগটি হওয়ার কারণ ছিল বাচ্চাটার ডিপথেরিয়া হয়েছিল, যা সেরে যাওয়ার পরেই এই লক্ষণ আরম্ভ হয়েছিল।

ডাঃ এস পি দে একটি শিশুকে তার দূরারোগ্য উইলসনস ডিজিজ আরোগ্য করেছিলেন লাইসিন দিয়ে।এক্ষেত্রে তিনি লক্ষণ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন বাচ্চার জন্মের বহু আগেই তার বাবাকে পাগলা কুকুর কামড়ে দিয়েছিল।

ডাঃ এস পি দে একটি দুরারোগ্য সোরিয়েছিস কেস আরোগ্য করেছেন এক্সরে ২০০ দিয়ে। কারণ হিসেবে তিনি ধরেছিলেন দীর্ঘদিন ধরে অনেক মলম লাগানোর ইতিহাস। তার নিজের কথায় -- I prescribed x-ray 200 one dose on considering there is repeated suppression and palliation. To my utter surprise the patient steadily improved in all. after 8 months I repeated x-ray 200 two doses.

ডাঃ এস পি দে সাহেব একটি ব্রঙ্কিয়াল এ্যাজমা রোগীকে সব লক্ষণ সাইলিসিয়া থাকা সত্ত্বেও পার্টুসিন ২০০, ২ ডোজ দিয়ে সুস্থ করেছিলেন। এক্ষেত্রে রুটিন রোগী পরীক্ষা করাকালীন তিনি দেখেছিলেন তার বুকের খাঁচা পায়রার মতন। তখনই তার সন্দেহ হয়েছিল নিঃসন্দেহে এই রোগী ছোটবেলায় হুপিংকাশিতে ভুগেছে। জিজ্ঞাসায় অনুমান সত্য হলে রোগের উৎপত্তির কারণ অ্যাজমা হুপিং কাশির পর থেকে জেনে তিনি দিয়েছিলেন পার্টুসিন ঔষধ। দেখবেন এ্যালেন কিনোটের প্রথমদিকে লেখা আছে -Astma after partusis.

ডাঃ জে এন কাঞ্জিলাল সাহেব একটি হিস্টিরিয়া রোগীকে সুস্থ করেছিলেন তার রোগের কারণ ভয় পাওয়া জানার জন্য। তিনি লিখেছেন ১৯৪৫ সালের কথা, তখন তিনি খুলনার মহেশ্বরপাশা গ্রামে প্র্যাকটিস করতেন । একজন মহিলা রাতের বেলা রাস্তার পাশে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বসেছিলেন। হঠাৎ কিছু একটা ছায়া দেখে ভয় পেয়েছিলেন, তারপর থেকে তার নানা রকম মানসিক সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। ওপিয়াম রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করেছিল।

ডাঃ ন্যাশ একজন ডিসপেপশিয়া রোগীকে সুস্থ করেছিলেন আর্নিকা দিয়ে। কারণ হিসাবে তিনি গ্রহণ করেছিলেন বহুদিন আগে লোকটির পেটে তার ঘোঁড়া লাথি মেরেছিল এবং তারপর থেকেই তার ঐ পেটের সমস্যা চলছিল। ডাঃ ন্যাশ তার লিডারস বইয়ের আর্নিকায় এই কেস লিপিবদ্ধ করেছেন।

ব্যাঙ্গালোর শহরের এ ভি কৃষ্ণমূর্তি সাহেব একজন মহিলাকে বিভিন্ন কমপ্লেন থেকে বাঁচিয়েছিলেন পাইরোজেন ১০,০০০ এক ডোজ দিয়ে। কারণ হিসেবে তিনি গ্রহণ করেছিলেন তার সব কমপ্লেন আরম্ভ হয়েছিল একটি আর্টিফিসিয়াল সেপটিক এ্যাবরশনের পর থেকে।

মুম্বাইয়ের ডাঃ সি সি দেশাই, এ্যালোপ্যাথি থেকে আসা একজন নামকরা কনভার্টেড হোমিওপ্যাথ ছিলেন। তিনি একটি মেয়ের তিন দিন ধরে টানা চলতে থাকা মাথার যন্ত্রণা সারিয়েছিলেন স্টাফিসেগ্রিয়া ১০ এম, ২ টি ডোজ দিয়ে। তিনি জানতে পেরেছিলেন ৪৫ মিনিট ধরে মেয়েটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও তার নির্দিষ্ট বাসটি পায়নি। রাগের চোটে সে বাড়ি ফিরে যায়, তারপর থেকেই তার মাথাব্যথা আরম্ভ হয়েছিল।

তাই কজেশন বা কারণের উপরে ঔষধ সিলেকশন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আশা করি উপরের দুই-চারটি কেস পড়ার পরে চিকিৎসকরা এ ব্যাপারে সম্যক ধারণা পাবেন, এবং প্রতিটি রোগীর রোগ উৎপত্তির কারণ বা কজেশন অবশ্যই ভালোভাবে জানার চেষ্টা করবেন।

কেসটেকিংয়ের ধাপগুলি (২)

কোন রোগ হওয়ার কজেসনস বা কারণ দুই রকম হতে পারে, মানসিক কারণ ও শারীরিক কারণ। আমি যেসব বিখ্যাত হোমিওপ্যাথদের কজেসনের উপরে ঔষধ সিলেকশনের যে কয়েকটি কেস উল্লেখ করেছি তাছাড়া মানসিক ও শারীরিক অনেক রকম কজেসনস আছে।

এখন শারীরিক ও মানসিক দুই ধরনের কজেসনসের কিছু উদাহরণ দেখাতে চাইছি,

মানসিক কজেসনস

১) ভৎর্সনা বা তিরস্কারের পর থেকে রোগলক্ষণ শুরু হয়েছে ( Admonition or reproaches from ) --বেলেডোনা, ইগ্নেসিয়া, ওপিয়াম, প্লাটিনা, ফসফরিক এ্যাসিড, স্টাফিসেগ্রিয়া, ইত্যাদি।

২) প্রচন্ড রাগ বা ক্রুদ্ধ হওয়ার পর থেকে রোগের উৎপত্তি ( Anger from ) --ব্রাইওনিয়া, ক্যামোমিলা, ককুলাস, কলোসিন্থ, ইগ্নেসিয়া, নাকস, ওপিয়াম, প্লাটিনা, স্টাফিসেগ্রিয়া, ইত্যাদি।

৩) দুঃসংবাদ, বা কোন খারাপ খবর শোনার পর থেকে ( Bad news hearing after) এপিস, ক্যালকেরিয়া, জেলস, ইগ্নেসিয়া, মেডো, নেট্রাম, প্যালেডিয়াম, সালফার, ইত্যাদি।

৪) অনেক রক্ত দেখার পর থেকে ( Blood see after ) -- এলুমিনা,

৫) কোন ব্যাপারে সন্তুষ্ট না হওয়ার পর থেকে, অর্থাৎ ডিসস্যাটিশফেকশনের পর থেকে ( Discontented or dissatisfaction from ) ---ক্যাল্কেরিয়া ফস, নেট্রাম মিউর, সালফার, ইত্যাদি,

৬) পুরানো কাহিনী বা ঘটনা রাতদিন চিন্তা করার বা ভাবার পর থেকে ( Dwelling on past disagreeable occurrences from) -- নেট্রাম, প্লাটিনা, সিপিয়া, ইত্যাদি।

৭) বেশী আনন্দ বা উত্তেজক ঘটনার পর থেকে ( Excitement or emotion from) --কফিয়া, জেলস, ফসফরিক এ্যাসিড, পালস, স্টাফিসেগ্রিয়া, ইত্যাদি।

৮) তাকে যেন কেউ দেখে না, ভালোবাসে না, অভাগার মতন হস্টেলে ফেলে রেখেছে, মনে হয় সে যেন বাড়ীর পরিত্যক্ত জীব, এমন সব অবাস্তব ভাবার পর থেকে ( Forsaken or abandoned feeling thinking from) অরাম মেট, ফসফরিক এ্যাসিড, সোরিনাম, পালসেটিলা, ইত্যাদি।

৯) কোন কিছু ভয়ের দৃশ্য দেখে, বা কোন ঘটনায় ভয় পাওয়ার পথ থেকে ( Fright from ) --এ্যাকোনাইট, ইগ্নেসিয়া, লাইকো, নেট্রাম, ওপিয়াম, ফসফরিক এ্যাসিড, ফসফরাস, পালস, সাইলিসিয়া, ইত্যাদি।

১০) কোন ব্যাপারে মনে খুব দুঃখ বা আঘাত পাওয়ার পর থেকে ( Grief or Mortification from) -- অরাম, ক্যালকেরিয়া কার্ব, ক্যাল্কেরিয়া ফস, কষ্টিকাম, ক্যামোমিলা, ককুলাস, কলোসিন্থ, ইগ্নেসিয়া, ল্যাকেসিস, লাইকো, নেট্রাম, প্যালেডিয়াম, ফসফরিক এ্যাসিড, প্লাটিনা, পালস, স্টাফিসেগ্রিয়া, ইত্যাদি ।

কেস টেকিংয়ের ধাপগুলি --(৩)

এবারে কিছু শারীরিক কজেসনের কথা অর্থাৎ শারীরিক কারণে কোন রোগ হয়েছে কিনা আমাদের দেখতে হবে। দুই রকম শারীরিক কারণে রোগ হতে পারে -- সার্বদৈহিক অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে শরীর কেন্দ্রিক, এবং পার্টিকুলার অর্থাৎ শরীরের কোন নির্দিষ্ট পার্ট বা অর্গান ভিত্তিক কারণে। শরীরের কোন পার্ট বা অর্গানভিত্তিক কারণ এখানে আলোচনা করছি না। এখানে আলোচনা করবো সামগ্রিকভাবে শরীরকেন্দ্রিক যখন কোন ঘটনা বা দুর্ঘটনার জন্য রোগের সূত্রপাত হয়েছে বা ঘটেছে, যেমন --বৃষ্টিতে ভেজার পর থেকে জ্বর। এখানে বৃষ্টি শুধু হাতে বা পায়ে বা মাথায় লাগেনি, সামগ্রিকভাবে রোগীটা বৃষ্টিতে ভিজেছিল। এই ধরনের সামগ্রিকভাবে শারীরিক ঘটনার বা শরীরের উপর ঘটে যাওয়ার কারণগুলি আমাদেরকে জানার চেষ্টা করতে হবে। পার্টিকুলার বা অর্গানভিত্তিক কারণও জানতে হবে, তবে তা পরে পার্টিকুলার সিমটম্সস যখন আলোচনা করবো তখন জানাবো।

তাহলে কিছু সামগ্রিক শারীরিক অর্থাৎ শরীরের উপরে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, বা শরীরকেন্দ্রিক, তেমন কারণগুলি আলোচনা করছি।

১) গর্ভপাত হওয়ার পথ থেকে, তা সে ন্যাচারাল অর্থাৎ জরায়ুর দুর্বলতার জন্য বাড়িতে এমনি হয়েছে, অথবা জোরপূর্বক নার্সিংহোমে গিয়ে গর্ভপাত করিয়েছে, তারপর থেকে যাবতীয় রোগের সূত্রপাত ( Abortion after -- আর্নিকা, পাইরোজেন, সিকেলি, স্যাবাইনা)

২) ঠান্ডা শুকনো আবহাওয়া অর্থাৎ শরীরে ঠান্ডা হাওয়া লাগানোর জন্য ( Air cold exposure from ) এ্যাকোনাইট, ব্রাইওনিয়া, কষ্টিকাম, জেলস, হিপার, ইত্যাদি।
কেস টেকিংয়ের ধাপগুলি ( ৪)

ফিজিক্যাল কজেসনস, উদাহরণ

২৩) খুব গরমের মধ্যে ঠান্ডা পানীয় পান করার পর ( Chilling when over heated) ব্রাইওনিয়া,

২৪) এ্যালোপ্যাথিক ক্লোরোমাইসিটিন ক্যাপসুল বেশি খাওয়ার পর ( Chloromycetin large doses taking after) কার্বো ভেজ,

২৫) ক্লোরোফরম দিয়ে চিকিৎসা করার পর ( Chloroform bad effects from) ফসফরাস,

২৬) রজোনিবৃত্তির পর থেকে ( Climaxisor menopause from) এপিস, গ্রাফাইটিস, ল্যাকেসিস, স্যাঙ্গুনেরিয়া, সিপিয়া, সালফার, আস্টি, ইত্যাদি।

২৭) কয়লার ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করার পর থেকে ( Coal gas inhalation from) আর্নিকা, বোভিস্টা, ওপিয়াম, ইত্যাদি

২৮) যৌন সংসর্গ করার পর ( Coition after) ক্যাল্কেরিয়া, গ্রাফাইটিস, কেলি কার্ব, ফস, ফস এ্যাসিড, সিপিয়া, স্টাফি, ইত্যাদি।

২৯) ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার পর থেকে ( Cold drinking from) রাস টকস

৩০) ব্রেনে আঘাত লাগার পর থেকে ( concussions of brain from) আর্নিকা, সিকুটা, হাইপেরি, নেট্রাম সালফ, ইত্যাদি।

৩১) অনেকদিন যৌনংসংসর্গে বিরত থাকার জন্য ( Continence from ) কোনি, ফ্লোরিক এ্যাসিড, লাইকো, প্লাটিনা, ইত্যাদি।

৩২) তামা ধাতু থেকে বিষাক্ত হওয়ার পর ( Copper poisoning from) কুপ্রাম,

৩৩) তরল সর্দি কোন অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ দিয়ে অবরুদ্ধ করার পর থেকে( Coryza suppressed from) ক্যালি বাই,

৩৪) শরীরের কোথাও ধারালো অস্ত্রে কেটে গেলে, বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোন অপারেশনের পর ( Cutting by sharp instruments from) স্টাফি,

৩৫) ঠান্ডা স্যাঁতসেঁতে ঘরে বসবাস করার পর থেকে ( Damp cold place in living from) এ্যান্টিম টার্ট, এরানিয়া, ডালকা, নেট্রাম সালফ , ইত্যাদি।

৩৬) অন্ধকার ঘরে থাকলে বা প্রবেশ করলে ( Dark room in entering from) ফসফরাস, স্ট্রামো, ইত্যাদি।

৩৭) পচা বা বাসি খাবার খাওয়ার পর ( Decayed or spoiled food from) আর্সেনিক, কার্বো ভেজ, পাইরোজেন, ইত্যাদি।

৩৮) রাত জেগে মদ্যপান, হৈ-হুল্লোড় করার পর ( Debauchery from ) এগারি, নাকস, রানান, ইত্যাদি।

৩৯) বাচ্চা ডেলিভারির পরে ( Delivery after) এ্যাকো, আর্নিকা, ওপিয়াম, ইত্যাদি।

৪০) বাচ্চাদের দাঁত উঠার জন্য ( Dentition from) ক্যাল্কেরিয়া, ক্যাল্কেরিয়া ফস, ক্যামো, সাইলি, ইত্যাদি।

৪১) কুকুর কামড় দেওয়ার পর থেকে ( Dog bite from) Lyssin

৪২) বৃষ্টিতে ভেজার পর থেকে ( Drenching in rain from) রাস টকস,

৪৩) ইলেকট্রিক তার শরীরে লেগে শক খাওয়ার পর থেকে ( Electric shock from ) ফসফরাস,

৪৪) হাম বা পকসের গুটিগুলি যখন ঠিকমতো বেরুতে পারে না, তারপর থেকে বিভিন্ন রকম সমস্যা বা রোগের সূত্রপাত ( Eruptions of measles, pox etc. when not properly exit) এপিস, ব্রাইও, কুপ্রাম, সালফার, জিংকাম, ইত্যাদি।

৪৫) চর্ম রোগে বহুদিন ধরে মলম লাগানোর পর থেকে অসুবিধা ( Eruptions suppressed from) এপিস, কষ্টিকাম, ডালকা, গ্রাফাই, হিপার, পেট্রো, ফস এ্যাসিড, সোরিনাম, সালফার, জিংকাম, ইত্যাদি।

৪৬) চোখের কাজ বেশী করার জন্য ( Eyestrain from) নেট্রাম, পালস, রুটা, ইত্যাদি।

৪৭) আগুনের উত্তাপ শরীরে বেশি লাগার পর থেকে ( Fire heat from ) কার্বো ভেজ, গ্লোনয়িন, নেট্রাম কার্ব, ইত্যাদি।

৪৮) ফুলের গন্ধ শোঁকার পর থেকে ( Flower smelling from) নাকস, ফস, স্যাংগুনেরিয়া, ইত্যাদি।

৪৯) গ্যাসলাইট দিয়ে কারখানায় কাজ করার পর থেকে ( Gaslight by working from) নেট্রাম কার্ব

৫০) গনোরিয়ার স্রাব পেনিসিলিন ইনজেকশন নিয়ে চাপা দেওয়ার পর থেকে ( Gonorrhoeal discharge suppreed from ) মেডো, নেট্রাম সালফ, থুজা, ইত্যাদি।

৫১) রক্তস্রাবে পর থেকে ( Haemorrhage after) চায়না

৫২) চুল কাটার পর থেকে ( Hair cutting from) বেল, গ্লোনিয়ন, ইত্যাদি।

৫৩) উঁচু জায়গায় উঠার পর থেকে ( High places in ascending from) ক্যাল্কেরিয়া, , কোকা, সালফার, ইত্যাদি।

৫৪) ক্ষুধা পাওয়ার পর ( Hunger from) এনাকা, আয়োডাম, লাইকো, ফস, সিপিয়া, সালফার, ইত্যাদি।

৫৫) সংক্রামিত রোগের পর থেকে ( Infectious disease after) -- পাইরোজেন

( চলবে)

( চলবে)

04/07/2026

Writer dr Rabin barman sir

Flouric Acid

Premature old age, young people look old,

Has barometer like heat cold relation in the body ; is less affected by excessive heat of summer, very cold of winter.

Destructive nature of diseases, eg.

1) old cicatrices freshen up, become red around edges, and threaten to become open ulcers (Caust, Grap)

2) Varicose veins and varicose ulcers, non healing long standing case, women after child birth,

3) Caries, necrosis, or longstanding osteomyelitis infection of bones,

4) Ulcer of all kinds, margins are red with vesicles, with copious discharge, violent lightning pains, agg. from warmth, and relieved from cold application.

5) Caries and fistula of teeth,

4) Fistula lachrymalis,

5) A**l fissure and fistula, lightning pains, pain agg. from warmth, and relieved by cold application,

Exostosis of bones, in facial bones, or other parts of the body,

Naevus of children, capillary aneurysm of adults.

Desire for cold bath, takes frequent bath during summer,

S*x urge increased in both s*xes, impotency after use of excessive s*x,

Mentally very much indifference, indifference to own wife or husband, or to children ; lascivious or ny*******ia,

Writer Dr.Rabin Barman sirAmbragriseavery nervous, anxious, bashful cannot void stool or urine when others are in the ro...
13/02/2026

Writer Dr.Rabin Barman sir

Ambragrisea

very nervous, anxious, bashful

cannot void stool or urine when others are in the room.

Cough --Spasmodic, convulsive, nervous cough, esp.in women, old people, and spare subjects, with frequent eructations of gas from the mouth while coughing .

Metrorrhagia --On and often bloody discharge comes out from the uterus, from bodily exertion, such as quick walking, while straining for hard stool, or from any little exertion.

A peculiar sensation of coldness in abdomen.

Writer Dr.Rabin Barman sir, Gold medalist in homeopathy,India. Bromiumthis medicine is prepared from a liquid chemical w...
01/02/2026

Writer Dr.Rabin Barman sir, Gold medalist in homeopathy,India.

Bromium

this medicine is prepared from a liquid chemical which is reddish brown in colour found in some spring water. It is proved by Dr. Hering.

Chief actions of this medicine are seen in the respiratory systems especially in larynx, and trachea, and over the glands, especially parotid and thyroid and also in axillary glands, in te**es, etc

It acts best over the blonde --fair, delicate, red cheeked scrofulous, anxious girls.

In cough, there is great rattling in the chest, seems to be great danger of suffocation from accumulation of mucus in larynx, but no expectoration. There may be coldness sensation in larynx.

As the cough is related with larynx, there may be hoarseness with the cough.

( Accumulation of mucus in bronchi with no expectoration --- Ant tart )

(Accumulation of mucous in bronchi with little expectation -- Hepar )

Sailors asthma, agg. as soon as they get down from ship and come at seashore.

During asthmatic attack can not inspire deep enough, feels as if breathng through a piece of sponge, or the air passage were full of smoke, so wants to take adeep breath.

Glands become stony hard with a cancerous tendency (( Carbo an, Con.)

Heart diseases of the gymnastics. ( Phos ).

Dysmenorrhea, membranous, ( Bor, Lac c ), of fair delicate anxious girls.

Loud emission of flatus from the va**na.

Sensation of cobweb in the face (( Bor, Grap ).

Haemorrhoids, very painful, relieved by application of saliva.

Vertigo on looking running water, when lying down, agg. in the evening, relieved by nosebleeding.

Sensation as if someone following from behind.

Spasm of the glottis ( Cup, Phos )

General agg. at left side, at spring.

01/10/2025

Writer Dr.Rabin Barman, MD (Gold Medalist in Homeopathy )

লাইসিন / লাইসিনাম / হাইড্রোফোবিনাম

কেমন লেখা থাকবে আমার মেটিরিয়া মেডিকায়, তার দুই একটি ঔষধের লেখার স্যাম্পেল দেখাচ্ছি। আমার লেখা সহজ মেটিরিয়া মেডিকা বইটা মাস দুয়েকের মধ্যেই বেরুবে।

আজ দেখাচ্ছি লাইসিন ঔষধটি কিভাবে লিখেছি।

ভূমিকা --- অনেকেই এটা জানেন ১৮৮৩ সালে পাগলা কুকুরের লালা থেকে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছিলেন ফ্রান্সের লুই পাস্তুর।

কিন্তু অনেকে এটা জানেন না লুই পাস্তুরের আবিষ্কারের ৫০ বছর আগে অর্থাৎ ১৮৩৩ সালে পাগলা কুকুরের লালাকে শক্তিকৃত করে সুস্থ মানুষের শরীরে পরীক্ষা করেছিলেন হোমিওপ্যাথিক জগতের গর্ব ডাক্তার কনস্ট্যানটাইন হেরিং। পাস্তুর গবেষণা করেছিলেন পাগলা কুকুরের লালার ক্রুড অংশ নিয়ে, আর হেরিং গবেষণা করেছিলেন পাগলা কুকুরের লালার ডাইনামিক এ্যাকশন নিয়ে।

কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়েছিল পাস্তুুরের। তার গবেষণায় প্রস্তুত হয় রেবিস বা জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক ভ্যাকসিন।
( A R S -- Anti Rabies Vaccine ).

তবে পাগলা কুকুরের লালা শক্তিকৃত করে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ তৈরি করার জন্য একটা পাগলা কুকুরের দরকার ছিল। কিন্তু বহুদিন ধরে হেরিং সাহেব কোথাও পাগলা কুকুর পাচ্ছিলেন না। তিনি সবাইকে বলে রেখেছিলেন একটা পাগলা কুকুর পেলে তাকে জানাতে। অবশেষে ১৮৩৩ সালের ২৭শে আগস্ট রাস্তায় রুটি বিক্রি করা একজন রুটিওয়ালা একটি পাগলা কুকুরের সন্ধান পান এবং হেরিংকে তা জানান। হেরিং সাহেব দেখেন কুকুরটি সত্যিই পাগল, তখন কুকুরটিকে ধরে বেঁধে তার লালা সংগ্রহ করেন হেরিং, এবং তা শক্তিকৃত করে পরীক্ষা আরম্ভ করেন

এখন দেখা যাক পাগলা কুকুরের লালা শক্তিকৃত করে সুস্থ মানুষের মধ্যে প্রুভিংয়ের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিতে যে ঔষধটি উপহার দিয়েছেন ডাঃ হেরিং সেখানে আমরা কি লক্ষণসমষ্টি পেয়েছি।

১) এই ঔষধের প্রথম কথা আমাদের মনে রাখতে হবে ঔষধটি কাজ করে ব্রেন ও নার্ভাস সিস্টেমের উপর। তার প্রমান -- পাগলা কুকুর কামড়ালে যখন জলাতঙ্ক রোগ হয় তার মস্তিষ্ক আক্রমিত হয়, সে লোককে কামড়াতে চায়, মারতে চায়, আঘাত করতে চায়, সে সবকিছুতে ভয় পায়।

২) কুকুর তা সে ভালো কুকুর বা পাগলা কুকুর, কামড়ানোর পর থেকে যখন কোন না কোন প্রবলেম বা অসুবিধা চলতে থাকে তখন আমরা লাইসিন ২০০, বা ১০০০ শক্তির এক বা দুই ডোজ অবশ্যই প্রয়োগ করবো। তবে যেহেতু ঔষধটি ডিপ অ্যাক্টিং বা দীর্ঘমেয়াদী গভীর, তাই ১৫, ২০ বা ২৫ দিনের মধ্যে এই ঔষধ আর রিপিট করবো না, বা অন্য কোন ঔষধ দেবো না।

অনেকের ধারণা শুধু পাগলা কুকুর কামড়ানোর পরে কোন অসুবিধা হলে লাইসিন, কিন্তু না, মনে রাখতে হবে শুধু পাগলা কুকুর নয়, যে কোন কুকুর, এমনকি বাড়ির পোষা কুকুর কামড়ানোর পরেও কোন অসুবিধা চলতে থাকলে, বা তার পর থেকে কোন কমপ্লেন বা অসুবিধা হচ্ছে মনে করলে এক বা দুই ডোজ লাইসিন ২০০, বা ১০০০ অবশ্যই প্রয়োগ করতে হবে।

৩) কোন রোগীর রোগলক্ষণ বা অসুস্থতা সুনির্দিষ্ট ঔষধে কাজ করছে না। কিন্তু তাকে কখনো পাগলা বা ভালো কোন কুকুরে কামড়ায়নি। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেল তার বাবা বা মাকে তার জন্মের আগে কুকুরে কামড় দিয়েছিল। এমতাবস্থায় ঐ রোগীকে আরোগ্যের অন্তরায় হিসাবে বংশে কুকুরের কামড়ানোর ইতিহাস মেনে এক বা দুই রোজ লাইসিন ২০০ বা ১০০০ দিলে আরোগ্যের বাধা অবলুপ্ত হয় এবং রোগী দ্রুত সুস্থ হয়। লক্ষণটি পরীক্ষিত বা প্রমাণিত।

৪) এই ঔষধের ৪টি বৃদ্ধি অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কারণ এই ৪টি বৃদ্ধি এই ঔষধের প্রধান ৪টি চরিত্রগত লক্ষণ -----

* কোথাও কলকল করে জল পড়ার দৃশ্য দেখলে বৃদ্ধি --
কোথাও কলকল করে জল পড়ার দৃশ্য দেখলে বা ঐ শব্দ শুনলে অসুস্থ বোধ করে, বা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তা সে বাথরুমের বা বেসিনের কলে মৃদুভাবে জল পড়ার দৃশ্য বা শব্দ হোক, বা কোন স্রোতস্বিনী নদীর পাশে জোয়ার বা ভাঁটার সময়ের হু হু করে প্রবাহিত হওয়া জলের গর্জন হোক, বা কোন পাহাড়ি বা পার্বত্য এলাকার উপর থেকে নিচে ঝর্ণার জল পড়ার তর্জন গর্জনের দৃশ্য বা শব্দ হোক, শরীর খারাপ লাগে। তারা অসুস্থ বোধ করে। এমন কি আগে দেখা এমন দৃশ্য মনের মধ্যে আসলেও তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। -- মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, বমি বা বমির ভাব, পায়খানা বা প্রস্রাবের বেগ আসা, ইত্যাদি৷ যে কোন অসুবিধা হতে পারে।

* চকচক বা ঝকঝকে আলোতে রোগের বৃদ্ধি----

যে সব আলো খুব চকচক দবা ঝকঝক করে, বা খুব উজ্জ্বল আলো, যাতে চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে, বা একবার জ্বলছে একবার জ্বলছে, একবার নিভছে, এমন ঝিকিমিকি বা চোখ ঝলসানো লাইট দেখলে শরীর খারাপ হয়, কোন না কোন দিক থেকে তারা অসুস্থতা বোধ করে, যেমন -- মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, বমি বা বমির ভাব, বা পায়খানা প্রস্রাবের বেগ আসা, ইত্যাদি।

* সূর্যের তাপ মোটেই সহ্য করতে পারে না ---

রোদ বা সূর্যের তাপ এরা মোটেই সহ্য করতে পারে না। সামান্য রোদ লাগলেই অসুস্থ হয়ে পড়ে, রোদে বেরুলে বা একটু ঘোরাঘুরি করলেই কোন না কোন অসুস্থতা বোধ করে, যেমন --মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, বমি বা বমির ভাব, দুর্বলতা, ইত্যাদি।

( রোদ বা সূর্যের তাপ মোটেই সহ্য করতে পারে না, কোন না কোন অসুবিধা হয় --- জেলস, গ্লোনোইন, ল্যাকেসিস, নেট্রাম কার্ব, নেট্রাম মিউর, পালস )

* জলপানে বিভিন্ন রোগের বৃদ্ধি। জল পানের পরে কোন না কোন অসুবিধা বোধ করে বা কোন না কোন রোগ লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন --বমি বা বমির ভাব, তড়কা, ইত্যাদি। অনেক সময় জল পান তো দূরের কথা, সামনে জলের গ্লাস বা জলের পাত্র দেখলেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

৫) মুখে খুব লালা আসে, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় Profuse salivation.

৬) বারবার থুথু ফেলার অভ্যাস। বাচ্চা, বড় সবার মুখে খুব থুথু আসে, এবং যেখানে সেখানে পিক পিক করে থুতু ফেলে বা ফেলতে চায়। মুখে খুব লালা আসে বলেই মনে হয় এই লক্ষণটি দেখা দেয়। ( সিনা )।

৭) বারবার প্রস্রাবের বেগ হয়, বিশেষ করে কোথাও কলকল বা ছলছল করে জল পড়ছে তা দেখলে বা ঐ শব্দ শুনলে।

৮) জল পিপাসা বেশি, কিন্তু জল খেতে ভয়। বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে জল তো মোটেই খায় না, জল দেখলে আঁতকে ওঠে, ভয় পায়। জলাতঙ্ক হলে এই লক্ষণ খুব বেশি দেখা যায় বলেই তো রোগটার নাম হয়েছে জলাতঙ্ক, অর্থাৎ জলে আতঙ্ক। ইংরেজিতে হাইড্রো-ফোবিয়া, হাইড্রো মানে জল, আর ফোবিয়া মানে ভয়। সুতরাং পিপাসা থাকলেও জল খেতে অনেক সময় আতঙ্ক বা ভয়, লক্ষণটি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে ।

৯) লবণ খাওয়ার প্রচন্ড ইচ্ছা, অতিরিক্ত লবণ ছাড়া ভাত খেতে পারে না।

১০) পুরুষদের যৌন উত্তেজনা খুব বেশি। খুব, খুব বেশী। ইংরেজিতে বলে যেতে পারে Too much lascivious. কিন্তু এই যৌন উত্তেজনার তিনটি অদ্ভুত লক্ষণ আছে খেয়াল রাখতে হবে।

ক) পারভার্টেড সেকস, অর্থাৎ বিকৃতভাবে স্ত্রীর সাথে মিলিত হতে চায়, বা যৌন উত্তেজনা নিবারণ করতে চায়। কিরকম বিকৃত উপায়ে -- যেমন, স্ত্রীকে খুব মারধোর না করলে তার সেক্স উঠবে না, যৌনদ্বারের বদলে স্ত্রীর মলদ্বারে সহবাস করার প্রবল ইচ্ছা, বা, যৌন উত্তেজনার সময় সে কি করবে বুঝে উঠতে পারে না, পাগলের মত করতে থাকে। আঁচড়ে, কামড়ে, খামচে,তার স্ত্রীকে যেন মেরে ফেলবে এমন ভাব।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে বিভিন্ন রকম অ্যাবনরমাল বা অস্বাভাবিক উপায়ে সেক্স চরিতার্থ করতে না পারলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

খ) বহু রোগীর একটা কমপ্লেন পাওয়া যায় - ডাঃবাবু, আমার তাড়াতাড়ি শুক্রপাত হয়ে যায়। এটা একটা বিরাট সমস্যা। কারণ শুক্রপাত হওয়ার সাথে সাথে পুরুষের পুরুষাঙ্গের উত্থান নষ্ট হয়ে যায় অর্থাৎ পুরুষাঙ্গ আর শক্ত থাকে না। ফলে সহবাসের আনন্দ মাটি হয়ে যায়, যেহেতু প্রকৃতির নিয়মে পুরুষকে একটা এ্যাকটিভ ভূমিকা নিতে হয়। কিন্তু তাড়াতাড়ি শুক্রপাত হয়ে গেলে স্ত্রীর যদি সেক্স না মেটে তাহলে তার মন মেজাজ খারাপ হয়ে যায়, অনেকেই জানে না এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটতে থাকলে মহিলাদের শরীর খারাপ হতে থাকে, তাদের মানসিক অবসাদ থেকে নানা রকম রোগে ভোগা আরম্ভ হয়।

কিন্তু লাইসিনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। ৩০ মিনিট, ৪০ মিনিট, ১ ঘন্টা হয়ে যায়, তবু তাদের শুক্রপাত হয় না। আর পুরুষদের যেহেতু শুক্রপাত না হওয়া পর্যন্ত শরীর ও মনের শান্তি আসে না, তাই শুক্রপাত না হওয়া পর্যন্ত এরা সহবাস চালাতেই থাকে। হয়তো অনেক আগেই তার স্ত্রী বা পার্টনারের আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদা মিটে গেছে, কিন্তু তবু স্বামীর চাহিদা না মেটায় হয়তো তারা বিছানায় পড়ে থাকে, এবং একটা সময়ে অত্যন্ত কষ্ট অনুভব করতে থাকে।

লাইসিনের এ এক বিচিত্র লক্ষণ, কিছুতেই শুক্রখলন হতে চায় না। ঘন্টা বেজে যায়, তবু যেন স্কুলে ছুটি হয় না, এমন ব্যাপার আর কি!

গ) মাঝে মাঝে রাত্রিবেলা এত সেক্স বা যৌন উত্তেজনা বাড়ে যে পুরুষাঙ্গের উত্তেজনার সাথে ঘুম ভেঙে যায়।

১১) বারবার প্রস্রাবের বেগ হয়, প্রস্রাব হয়ও অনেক। ( মার্ক সল)

১২) গলায় যেন কিছু আটকে আছে, কোথাও যেন খাবার আটকাচ্ছে। খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হলে ঠিক যেমন সিমপটম দেখা দেয়, ঠিক সেই রকম আর কি! বিশেষ করে তরল খাদ্য খেতে যেন বেশি কষ্ট হয় ( ল্যাকেসিস )।

এই লক্ষণ হয় কারণ --এই ঔষধের একটি বিশেষত্ব হচ্ছে মাংসপেশির কনস্ট্রিকশন বা সংকোচন হওয়া। মাংসপেশী হঠাৎ করে স্প্রিংয়ের মতন ফুলে উঠে। ফলে যেখানে মাংসপেশির এমন সংকোচন ও প্রসরণ হবে সেখানে এই লক্ষণ দেখা দেবে।

মাংসপেশির এই কনস্ট্রিকশন বা সংকোচন হওয়া এই ঔষধের একটি প্রধান লক্ষণ, তার প্রমান পাওয়া যায় কুকুরদের সহবাস দেখলে। লক্ষ্য করলে দেখা যায় সহবাস করার পরে কুকুরের পুরুষাঙ্গ কুকুরীর যোনিপথ থেকে কিছুতেই বেরুচ্ছে না। এক বিশ্রী অপ্রীতিকর অবস্থায় কুকুর দুইটি অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। এর কারণ তো মহিলা কুকুরের যোনিপথের মাংসপেশির কনস্ট্রিকসন বা সংকীর্ণতা। কুকুরদের এই লক্ষণটিকে অনুধাবন করলে মানুষের শরীরে কোথাও মাংসপেশির ঐরকম কনস্ট্রিকশন বা সংকোচন হলে পাগলা কুকুরের লালা থেকে তৈরী এই লাইসিন ঔষধটির কথা তাই অবশ্যই আমাদের ভাবতে হবে । ( ক্যাকটাস )।

১৩) মহিলাদেরও সেক্স বেশি থাকে, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ভ্যাজাইনা বা বাংলায় যাকে যোনিপথ বলা হয়, তা অত্যন্ত শুষ্ক থাকে। সাধারণত সেক্সচুয়াল উত্তেজনা হলে কিছু গ্লান্ডের মাধ্যমে ভ্যাজাইনা বা যোনিপথে বেশ কিছু রসের আমদানি হয়, ফলে পুরো যোনিপথ পিচ্ছিল হয়ে যায়, প্রকৃতির নিয়মে স্বচ্ছ ভাবে সহবাস করার জন্য এই সিস্টেম । কিন্তু লাইসিন মহিলাদের ভ্যাজাইনার গ্লান্ডগুলি থেকে কোন রস নির্গত হয় না, ফলে পুরো যোনিপথ শুষ্ক হয়ে থাকে। ফলে সহবাসের সময় তাদের ভীষণ কষ্ট হয়।

( যোনিপথ সব সময় ভীষণ রকম শুষ্ক থাকে, সহবাসে বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয় -- বার্বেরিস, ফেরাম, গ্রাফাইটিস, লাইকো, লাইসিন, নেট্রাম মিউর*, সিপিয়া) ।

আবার যোনিপথের ভিতরে শুষ্ক শুধু নয়, যোনিপথের বাইরে, এ্যানাটমির ভাষায় যে জায়গাটিকে আমরা Pudenda বলি, সেইসব জায়গাগুলি খুব সেনসিটিভ থাকে। তাই পুরুষের পুরুষাঙ্গ যোনিপথের ভিতরে প্রবেশ করার আগেই পিউডেনডা জায়গাটা সেনসিটিভ হওয়ার জন্য ভীষণ সুড়সুড় করে বা অস্বস্তি বোধ হয়। এমনকি সহবাসের সময় ব্যতীত অন্য সময়ও কাপড়চোপড়ের স্পর্শে এলাকাটি খুব সুড়সুড় করে এবং অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

( পিউডেনডা ও ভ্যাজাইনা খুবই সেনসিটিভ, সামান্য স্পর্শই সুড়সুড় করে ওঠে -- বার্বেরিস, ক্রিয়োজোট, লাইসিন*, নেট্রাম মিউর, প্লাটিনা*, সিপিয়া, স্টাফিসেগ্রিয়া*, থুজা )।

ইংরেজিতে অল্প কথায় আমরা বলতে পারি -- Increased s*xual desire in females, but va**na is very dry and sensitive, so coition is very painful and uncomfortable

১৪) ইন্দ্রিয় শক্তি অত্যন্ত প্রখর তাই শরীর বাহ্যিক কোন কিছু সহজে গ্রহণ করতে পারে না, বা সহ্য করতে পারে না
( Acuteness of senses )

যেমন--বেশী জোরের শব্দ বা চেঁচামেচি, খুব গরম বা খুব ঠান্ডা আবহাওয়া, কেউ যদি তাকে স্পর্শ করে , উজ্জল ঝিকমিক করা আলো, কলকল,বা ছলছল করে জল পড়ার শব্দ, বা নদী নালায় জল গড়ানোর গর্জন ,ইত্যাদি।

১৫) আরও কয়েকটি মানসিক লক্ষণ -----

* মাঝে মাঝে পাগলের মতন ব্যবহার করে, মনে হয় যেন সে পাগল হয়ে গেছে।
( A form of insanity )

যেন নিজেকেই নিজে চিনতে পারে না, ( Loss of self identity ), কুকুরের মতন চিৎকার করে, লোককে মারে কামড়ায়। অত্যন্ত খারাপ ও উদ্ধত ব্যবহার করে, বিশ্রী খারাপ নোংরা কথা বলে বা খারাপ ভাষা থেকে গালিগালাজ করে, জিনিসপত্র ভাঙ্গে, ছেঁড়ে, বা ছুড়ে ফেলে।

* মনে মনে ভয় পায় সে বোধহয় পাগল হয়ে যাবে,

* কুকুরকে ভয় পায় এবং ঘৃণা করে,

* খুব অধৈর্য,

* ভীষণ উৎকণ্ঠা বা দুঃশ্চিন্তা,

১৬) কয়েকটি ক্লিনিক্যাল স্টেটস ----

* মাথাঘোরা --- যদি কুকুরে কামড় দেওয়ার পর থেকে হয়, তা সে কুকুর পাগলা হোক কিংবা পাগলা না হোক।
কলকল,বা ছলছল করে জল পড়ছে এমন দৃশ্য দেখলে বা ঐরকম শব্দ শুনলে মাথাঘোরা বাড়ে। রোদ লাগলেও মাথা ঘোরা বাড়ে।

* মাথাব্যথা -- যদি কুকুরে কামড় দেওয়ার পর থেকে হয়, তা সে কুকুর পাগলা হোক কিংবা পাগলা না হোক। কলকল বা ছলছল করে জল পড়ছে এমন দৃশ্য দেখলে বা ঐ রকম শব্দ শুনলে মাথাব্যথা বাড়ে, রোদ লাগলেও মাথাব্যথা বাড়ে।

* গলায় যদি খাবার আটকে যায় --অথচ পরীক্ষায় দেখা গেছে খাদ্যনালীতে টিউমার হয়নি, বা ক্যান্সার হয়নি, কিন্তু খাবার আটকে যাচ্ছে, বা খাবার গিলতে অসুবিধা হচ্ছে, শক্ত খাবারের থেকে তরল খাবারের বেশি অসুবিধা। কারণ, --মাংসপেশির কনস্ট্রিকশন বা সংকোচন। বিশেষ করে লক্ষণটি যদি কুকুরে কামড়ানোর পরে দেখা যায়, তা সে কুকুর পাগল হোক কিংবা পাগল না হোক!

* বধিরতা --বধিরতা যদি কুকুরে কামড়ানোর পর থেকে দেখা যায়, তা সে কুকুর পাগল হোক, কিংবা পাগল না হোক।

* ডায়েরিয়া বা ডিসেন্ট্রি ---যদি কুকুরের কামড়ের পর থেকে দেখা যায়, তা সে পাগল হোক, কিংবা পাগল না হোক। রানিং ওয়াটার অর্থাৎ কলকল ছলছল করে জল বইছে বা পড়ছে,এমন শব্দ শুনলে, বা দৃশ্যটি দেখলে সাথে সাথে মলত্যাগের বেগ হয়।

* অনিদ্রা ---অনিদ্রা যদি কুকুরের কামড়ের পর থেকে চলতে থাকে, তা সে কুকুর পাগল হোক কিংবা পাগল না হোক।

* জরায়ুর প্রলাপ্স----জরায়ুর প্রলাপ্সের এটি একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ঔষধ। তবে এই রোগের গ্রেড আছে। থার্ড গ্রেড, অর্থাৎ যেখানে জরায়ুর লিগামেন্ট বা বাঁধন সব ঢিলে হয়ে জরায়ু সব সময় বাইরে বেরিয়ে আছে, সেইসব ক্ষেত্রে কোন ঔষধে কোন লাভ হবে না। ফাস্ট ডিগ্রি অর্থাৎ মলত্যাগের সময় , বা কোন ভারী কাজ করার সময় যখন জরায়ুর নিচের অংশ মাঝে মাঝে বেরিয়ে পড়ছে, পরে আবার ঢুকে যাচ্ছে, শুধুমাত্র এমন ক্ষেত্রেই ঔষধ কার্যকরী হয়। এমন ক্ষেত্রে লাইসিন অত্যন্ত উপকারী। অনেকে বলেছেন --অনেকদিন ধরে চলতে থাকা জরায়ুর প্রলাপস এই ঔষধে আরোগ্য হয়েছে।
( It is said to have cured many cases of uterine prolapse even years standing ).

* গাড়িতে চলাকালীন অনেক রোগের বৃদ্ধি হতে পারে ( ককুলাস )

* বৃষ্টির সময় অনেক রোগের বৃদ্ধি হয়

* রোগাক্রমণের জায়গায় আস্তে আস্তে হাত বুলালে আরাম লাগে বা আরাম বোধ হয়।

Address

Dhaka
1345

Opening Hours

Tuesday 02:00 - 16:00
Thursday 02:00 - 16:00
Saturday 02:00 - 16:00
Sunday 02:00 - 16:00

Telephone

+8801889976451

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahi homeopathic Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mahi homeopathic Clinic:

Shortcuts

Share