26/04/2024
আমাদের শুরুটা হয়েছিলো আজ থেকে প্রায় ৩ বছর আগে ২০২১ সালের শুরুর দিকে। করোনার সময়ে। সেই সময়ে বাংলাদেশ কিংবা বিশ্বের সামগ্রিক অবস্থা খুব খারাপ হলেও সারাবিশ্বেই অনলাইন ব্যবসা খুব বেশি প্রসার লাভ করেছিলো, যেই মানুষটা অনলাইন বা ইন্টারনেট সম্পর্কেই জানতো না তিনিও নিত্যদিন অনলাইন থেকে এটা-সেটা কিনতে শুরু করেন! তাই ভালো-মন্দ সব মিলিয়েই সামনে আগাচ্ছিলো বাংলাদেশের ই-কমার্স সেক্টর। আর সেই সময় সবচাইতে ভালো যেই সেক্টর আগাচ্ছিলো তা হচ্ছে "কসমেটিক্স"। তাই আমি এবং আমার ভাই সাগর চিন্তা করি কসমেটিক্স ইমপোর্ট করার। তবে খুব তাড়াতাড়ি আমরা এগোতে পারি নি। টাকা, সুযোগ-সুবিধা সবকিছুরই সংকট ছিলো সেই সময়টাতে। তবুও খুব আস্তে হলেও আমরা ইমপোর্ট করার চেষ্টা করছিলাম।
লাভ দেখি না
প্রথমদিকে খুব একটা লাভের মুখ দেখি নি। জায়গায় জায়গায় হোচট খাচ্ছিলাম। অনেককিছুই ছিলো বোধগম্যতার বাহিরে! উদাহরণস্বরূপ এলসি বা ক্রেডিট লেটার যেটা কি'না খুবই গুরুত্বপূর্ণ ইমপোর্ট এর ক্ষেত্রে সেই বিষয়ে আমরা প্রথম জানতে পারি প্রথমবার ইমপোর্ট অর্ডারের পরে। এভাবেই চীন থেকে ইমপোর্ট শুরু, এরপর পণ্যভেদে আমরা দক্ষিণ কোরিয়া এবং থাইল্যান্ড থেকেও অল্প অল্প করে আমদানী করা শুরু করি পণ্য। প্রায় দেড় বছর পর আমরা স্থিরভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং লাভের মুখ দেখি। প্রথমত চকবাজার, পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে আমরা চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, গাজীপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় আমাদের কাস্টমার তৈরীতে সক্ষম হই। তবে হ্যা আমরা কিন্তু কখনো সরাসরি কাস্টমারদের কাছে বিক্রি করি নি। আমরা B2B অর্থাৎ হোলসেল করেছি, অর্থাৎ তাদের কাছে আমরা পণ্য দিতাম যারা সরাসরি কাস্টমারদের কাছে বিক্রি করতো। সেটা বিভিন্ন দোকান, শো-রুম এর কাছে। এভাবেই বর্তমানে আমরা প্রায় বাংলাদেশের ১৭ টি জেলাতে আমাদের পণ্য সাপ্লাই দিচ্ছি
ভবিষ্যতে আমাদের সরাসরি কাস্টমারদের কাছে পণ্য বিক্রির ইচ্ছা রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। আশা করছি আমাদের সর্বাত্বক প্রচেষ্টা সফল হলে 'বিউটিফিয়াকে' একটি ব্রান্ড হিসেবে সারা বাংলাদেশের কাছে গ্রহনযোগ্য করে তোলা যাবে
আর যেই কথা না বললেই নয় আমি (সিয়াম খাঁন) এর পাশাপাশি যেই দুই ব্যাক্তি সবচাইতে ভালোভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন এই বিউটিফিয়াকে তারা হলেন এক সাগর সওদাগর (কাস্টমার রিলেশন সহ কাস্টমার সম্পৃক্ত সবকিছু) এবং আরেকজন মোস্তফা সোহেল ভাই যিনি ডেলিভারী বা পণ্য সম্পৃক্ত সকল কিছু দেখ-ভাল করেছেন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার আর মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য