Afdil shop.bd

Afdil shop.bd pure & healthy food.

30/09/2024
❎চিকিৎসকরা বলছেন, দু'বছরের কম বয়সি শিশুদের খাদ্য তালিকায় কোনও রকম চিনি বা চিনি জাতীয় খাবার রাখা একেবারই উচিত নয়। এই ...
24/09/2024

❎চিকিৎসকরা বলছেন, দু'বছরের কম বয়সি শিশুদের খাদ্য তালিকায় কোনও রকম চিনি বা চিনি জাতীয় খাবার রাখা একেবারই উচিত নয়। এই বয়সে বেশি চিনি খেলে পরবর্তী কালে উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা ও টাইপ-টু ডায়াবিটিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই বয়সি শিশুদের শর্করাযুক্ত খাবার খাওয়ালে তা তাদের বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
বাজারের প্যাকেটজাত সিরাপ ও ফলের রসে অতিরিক্ত শর্করা থাকে। থাকে কেক, পেস্ট্রি, চকলেট, বিস্কুটেও। এসব খাবার শিশুদের খাদ্যতালিকায় একেবারেই থাকা উচিত নয় বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।

বর্তমানে সারা বিশ্বে শিশুদের স্থূলতা, দাঁত ও চোখের সমস্যার কারণে শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন আনার তাগিদ দিয়েছেন শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব পেডিয়াট্রিকস অ্যান্ড চাইল্ড হেলথের গবেষকেরা এক রিপোর্টে বলেছেন, বাচ্চাদের খাবারে মিষ্টির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা গেলে এবং মিষ্টি খাবারের প্রতি তাদের নির্ভরশীলতা তৈরির আগেই সবজি খাওয়ানো শুরু করা গেলে তা তাদের সুষম পুষ্টির যোগান দেবে।

✅মা-বাবাদের উচিত শিশুদের একটু তেতো খাবারও দেয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে শিশুরা দাঁত ক্ষয়, স্থূলতা বা মোটা হয়ে যাওয়া এবং অপুষ্টির হাত থেকে বেঁচে যাবে। সেই সঙ্গে স্থূলতা থেকে পরবর্তীতে ডায়াবেটিস হবার আশংকাও কমবে।

👉জন্মের পর প্রথম ২৪ মাসে শিশুদের সঠিক বৃদ্ধির জন্য প্রচুর পুষ্টি ও ক্যালোরি প্রয়োজন হয়। যদিও অতিরিক্ত শর্করাযুক্ত খাবারগুলো ক্যালরি সমৃদ্ধ, তবে তাতে পুষ্টির অভাব রয়েছে। এই বয়েসের শিশুরা খুব সীমিত পরিমাণে খাবার খায়। তাই তাদের খাদ্য যেন পুষ্টিগুণে ভরপুর হয়, তা নিশ্চিত করা দরকার।

যে সব শিশুর প্রাথমিক বছরগুলোতে উচ্চ চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ানো হয়, তাদের অল্প বয়সে স্থূলতা, কার্ডিওভাসকুলার রোগ ও দাঁতের ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা কী খাচ্ছে, তার উপরেই তাদের খাদ্যাভাস তৈরি হয়। তাই ছোট থেকেই মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে বড় বয়সে গিয়েও সেই খাবারের প্রতি আসক্তি বাড়তে পারে।

তবে শিশুদের খাদ্যতালিকা থেকে মিষ্টি জীতীয় খাবার একেবারেই বাদ দিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তারা কেক, চকলেট বা পেস্ট্রি খেতে চাইবেই। অভিবাবকদের তাতে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। আপনার সন্তানের স্বাস্থ্যের উপর নজরও রাখতে হবে এবং তাদের মিষ্টি খেতে অনুমতিও দিতে হবে। তবে ভারসাম্য বজায় রাখার দায়িত্ব আপনার।

শিশুর জন্য বাইরে থেকে কিছু খাওয়ার জিনিস কিনলে, তাতে চিনির মাত্রা কতখানি সেই বিষয় সতর্ক থাকুন। নিজে বাড়িতে শিশুর জন্য খাওয়ার বানালে তাতে চিনি না দেওয়ার চেষ্টা করুন।

গত কয়েক দশক ধরে বিজ্ঞানী আর চিকিৎসকদের ক্রমাগত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে চিনি বা শর্করা। তাদের কাছে এটি হয়ে দাঁড়িয়েছে জনস্বাস্থ্যের এক নম্বর শত্রু।

চিকিৎসকেরা বলছেন, ক্যান জাতীয় যেসব খাবার, সেসবে বাচ্চাদের অভ্যস্ত না করে বরং তাজা ফলমূল, মিষ্টি ছাড়া দুধ জাতীয় খাবারে বাচ্চাদের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

গবেষক দলের প্রধান প্রফেসর মেরি ফিউট্রেল বলেন, বাচ্চাদের দুধ ছাড়ানোর জন্য মা-বাবারা অনেক সময় মিষ্টি জাতীয় খাবারের অভ্যাস করান আর এই সময়েই মিষ্টি খাবারের আসক্তি হয় বাচ্চাদের।

চিকিৎসকেরা বলছেন, দুই বছর বয়সী একটি শিশু দিনে যেসব খাবার খাবে তার পাঁচ শতাংশের বেশি মিষ্টি জাতীয় খাবার হওয়া উচিত নয়। যত বেশি সম্ভব তাজা ফল ও সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আর প্রচুর কায়িক শ্রম ও খেলাধুলার প্রতি বাচ্চাদের আগ্রহী করে তুলতে হবে।

আমাদের আশপাশে এমন অনেক অভিভাবক আছেন, যারা সন্তানের উচ্চতা ঠিকঠাক না হলে অনেক বেশি চিন্তায় পড়েন। বাড়ন্ত শিশুর বিকাশের ক্...
22/09/2024

আমাদের আশপাশে এমন অনেক অভিভাবক আছেন, যারা সন্তানের উচ্চতা ঠিকঠাক না হলে অনেক বেশি চিন্তায় পড়েন। বাড়ন্ত শিশুর বিকাশের ক্ষেত্রে জিনগত বৈশিষ্ট্য অনেকাংশে নির্ভর করে। এ ক্ষেত্রে খাবারদাবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশুর উচ্চতা তাঁর ব্যক্তিত্বেও প্রভাব ফেলে।

শিশুদের স্বভাবতই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থেকে। তাই শিশুর খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর খাবার থাকা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে দেখা দিতে পারে শিশুর বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। অনেক ক্ষেত্রে পুষ্টিতে ঘাটতি হলেও শিশুর উচ্চতা ঠিক মতো হয় না।
শিশুর বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য সব ধরনের পুষ্টি উপাদানই গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুর প্রতিদিনের খাবারে সঠিক অনুপাতে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট এবং ভিটামিন রাখা প্রয়োজন।

১. প্রোটিন সমৃদ্ধখাবার শিশুর বিকাশে অবশ্যই প্রয়োজন। মুরগির মাংস এবং ডিম প্রোটিনের উৎস। এই দুই খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকায় মাংসপেশি গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শিশুর প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় মুরগির মাংস এবং ডিম রাখলে শিশুর উচ্চতা বাড়বে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

২. পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে শাকসবজি শিশুর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শাকসবজিতে আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেশিয়াম, যা শিশুদের উচ্চতা বাড়াতে সহযোগিতা করে। এ ক্ষেত্রে আপনার শিশুকে সেদ্ধ করা বিভিন্ন প্রকারের সবজি খাওয়াতে পারেন। একসঙ্গে বেশি খাবার খেতে দিবেন না। সারাদিনে অল্প অল্প করে খাবার খেতে দিন

৩. সয়াবিনে থাকে প্রোটিন, যা শিশুর বিকাশে সাহায্য করে। নিরামিষ খাবারের মধ্যে সয়াবিনে বেশি প্রোটিন থাকে। এই উদ্ভিজ্জ উপাদানটি হাড় ও পেশির গঠনে সাহায্য করে। এটি সর্বোপরি শিশুর দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে, যা শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধি করে।

৪. শর্করা ও নানা ধরনের শস্য আমাদের শরীরের শক্তির প্রধান উৎস। ভাত, রুটি, নুডলস, পাস্তা, নানা ধরনের ডাল শর্করা ও শস্যজাতীয় খাবার। বাড়ন্ত বয়সে শিশুর বাড়তি ক্যালরির প্রয়োজন পড়ে। বিভিন্ন রকমের ফলমূলে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন খাদ্য উপাদান। যা শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পুষ্টিগুণে ভরপুর বিভিন্ন ফল রাখুন আপনার শিশুর খাদ্য তালিকায়। বিশেষ করে মৌসুমি ফল প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন।

৫. দুধে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম। ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম শিশুর বিকাশ ও উচ্চতা উচ্চতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। দুধ শিশুর ইমিউন সিস্টেম ভালো রাখে। শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে দুধের পাশাপাশি দুগ্ধজাত খাবারও রাখা প্রয়োজন।

18/04/2024

দুটি পণ্য নিয়ে এবার ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে....

আপনার শিশু কি ঠিকমতো খেতে পারে না?  সারাদিন খিটখিট করে? কোনোকিছুতেই যেন তেমন একটা আগ্রহ নেই–ক্লান্তি আর অবসাদে ভুগছে?ওজন...
20/03/2024

আপনার শিশু কি ঠিকমতো খেতে পারে না? সারাদিন খিটখিট করে? কোনোকিছুতেই যেন তেমন একটা আগ্রহ নেই–ক্লান্তি আর অবসাদে ভুগছে?
ওজন মোটামুটি ভালোই আছে তারপরও কি এই সমস্যাগুলোয় ভুগছে? এই সমস্যাগুলো এখন প্রায় কমবেশি সব শিশুদের মধ্যেই দেখা যায়।
এগুলো মূলত শিশুর অপুষ্টির লক্ষণ।
শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির লক্ষণ ও উপসর্গ:
ক্লান্তি ও অবসাদ
খিটখিটে স্বভাব
মনোযোগহীনতা
শুষ্ক ও খসখসে ত্বক
মাড়িতে রক্তপাত
ক্ষুধামান্দ্য
কম শারীরিক বৃদ্ধি বা একদমই বৃদ্ধি থেমে যাওয়া
ফুলে যাওয়া পেট
ধীর আচরণ ও ধীর বুদ্ধিগত বিকাশ
হজমজনিত সমস্যা
পেশির ভর হ্রাস
ক্রমশ ওজন কমতে থাকে

শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। এটি সর্বোত্তম বৃদ্ধি এবং একটি শিশুর
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার পূর্ণ বিকাশ অর্জনে সহায়তা করে। জন্ম থেকে প্রথম তিন বছর পর্যন্ত ভালো এবং স্বাস্থ্যকর পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার একটি শিশুর সুন্দর ও
উজ্জ্বল বৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

💥বাচ্চা কোন কিছু খেতে চায় না,মুখের  রুচি নেই ?💥শরীরের ওজন কমে যাচ্ছে ?💥মেধার বিকাশ হচ্ছে না ?💥ঠিকভাবে শারীরিক গঠন হচ্ছে ...
16/03/2024

💥বাচ্চা কোন কিছু খেতে চায় না,মুখের রুচি নেই ?
💥শরীরের ওজন কমে যাচ্ছে ?
💥মেধার বিকাশ হচ্ছে না ?
💥ঠিকভাবে শারীরিক গঠন হচ্ছে না ?
💥 উচ্চতা বৃদ্ধি হচ্ছে না ?
এই সমস্ত সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের এই বেবি হেলদি পাউডার।এই খাবারটি ৭ মাস থেকে শুরু করে যে কোন বয়সের সবাই খেতে পারবে।এই খাবারের ফলে বাচ্চাদের সমস্ত কিছুর পুষ্টির ঘাটতি এবং ভিটামিনের অভাব পুরন হবে
✅প্রতিদিন ১ বার এই খাবার খেলেই হবে।এর মধ্যে আছে-কয়েক প্রকার এর বাদাম,খেজুর,ডাল,কিসমিস,গম,ভুট্টা,সাগু,ইন্ডিয়ান রাগি দিয়ে বানানো।

Address

Dhaka
1219

Telephone

+8801906050193

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Afdil shop.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Afdil shop.bd:

Share