PUSTIGYAN

PUSTIGYAN With proper nutrition,we can change the world.

"Nutrition is your last option—not out of desperation, but as the ultimate solution As a Clinical Nutritionist, My mission is to inspire better choices through balanced, sustainable eating.

02/04/2026

ওজন কমাতে চাচ্ছেন কিন্তু কোনো ভাবেই সম্ভব হচ্ছে না?
আপনি কি গতানুগতিক খাদ্য তালিকা অনুযায়ী ডায়েট করছেন?
দিনে ৬ বার, কিছু সময় পর পর, অল্প অল্প করে খাবার খাচ্ছেন, তবুও ওজন কমছে না। সত্য কি জানেন, এই সিস্টেমটা অনেকসময় উল্টো কাজ করে।
প্রতিবার খাওয়ার সাথে সাথে আপনার শরীরে insulin ( একটি হরমোন, যা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে) বাড়ে।
আর যখন আপনি বারবার খাচ্ছেন—
আপনার insulin সব সময় বেড়েই থাকে, যার ফলে আপনার শরীরের -
• ফ্যাট বার্ন করতে পারে না
• সব সময় ক্ষুধা লাগে
• ক্রেভিং বাড়ে
• আপনি খাবারের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়েন
এইভাবে আপনি আটকে যান, এক vicious cycle-এ
Eat → Hunger → Craving → Repeat
আর যখন আপনি এটা মেইনটেইন করতে পারেন না—
দোষ দেওয়া হয় আপনাকে যে - আগ্রহের অভাব আছে বা আপনি সিরিয়াস না ওজন কমানোর বিষয়ে।
কিন্তু আসল সমস্যা আপনার ইচ্ছাশক্তি না,
সমস্যাটা হচ্ছে - সবসময় ইনসুলিনের স্পাইক বা বাড়তি থাকা।
এসময় কি টাইপ ডায়েট ভালো কাজ করে?
Intermittent Fasting, কারণ এখানে আপনি একটা নির্দিষ্ট সময় খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকছেন, এবং নির্দিষ্ট সময় আপনার শরীর প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করছে।যার ফলে, শরীর সকল পুষ্টি উপাদান পাচ্ছে, একটু পর পর ইনসুলিন স্পাইক ছাড়া।
অর্থাৎ,
• Insulin কমে যায়
• শরীরের ফ্যাট বার্ন শুরু হয়
• শরীরে এনার্জি আসে নিজের সঞ্জিত চর্বি থেকে
অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, সবার জন্য এক পদ্ধতি কাজ করে না। তাই, নিজের lifestyle, health condition অনুযায়ী plan করুন— প্রয়োজনে ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিষ্ট এর পরামর্শ নিন।

📞 আপনার হেল্থ কন্ডিশন, মেডিকেল হিস্ট্রি ও লাইফস্টাইল অনুযায়ী ক্লিনিক্যাল কনসালটেশন এন্ড ডায়েট কাউন্সেলিং এর জন্য (অনলাইন বা অফলাইন) জন্য পেজে ইনবক্স করুন।।

Md. A H Pranto
Clinical Nutritionist
Functional and Reproductive Nutrition Consultant
KGN Medicare Limited

20/01/2026
06/01/2026

A very nice discussion on intermittent fasting.

শীত একটি আরামদায়ক মৌসুম, কিন্তু আমাদের শরীরের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং সময়গুলোর মধ্যে একটি। বেশিরভাগ মানুষ জানেই...
19/11/2025

শীত একটি আরামদায়ক মৌসুম, কিন্তু আমাদের শরীরের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং সময়গুলোর মধ্যে একটি। বেশিরভাগ মানুষ জানেই না, এই মৌসুমে শরীরে এনার্জি লস, ইমিউনিটি লস, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিউট্রিয়েন্টের ঘাটতিও দ্রুত বাড়তে থাকে। এ কারণেই শীতের সময়ে মানুষ
• বেশি ক্লান্ত হয়
• হাত-পা ঠান্ডা থাকে
• ঘন ঘন সর্দি-কাশিতে ভোগে
• মন-মেজাজ খারাপ থাকে
• স্কিন-হেয়ার রুক্ষ হয়ে যায়
এই সমস্যাগুলো “নরমাল” না বরং পুষ্টিহীনতা এবং অতিরিক্ত তাপ হ্রাসের সাইড ইফেক্ট।

▪️কম তাপমাত্রায় শরীরে আসলে কী হয় :

১. শরীর তাপ ধরে রাখতে বেশি ক্যালরি বার্ন করে :
কোর টেম্পারেচার ৩৭°C বজায় রাখা বডির প্রথম কাজ।ঠান্ডা পড়লে শরীর স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ক্যালরি খরচ করে তাই এনার্জি দ্রুত কমে যায়।

২. Basal Metabolic Rate (BMR) সামান্য বেড়ে যায় : ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরের মেটাবলিজম ৫–১৫% পর্যন্ত বাড়তে পারে।ফলে পুষ্টির চাহিদা বেড়ে যায়।

৩. রক্ত সঞ্চালন ত্বক থেকে শরীরের ভিতরে শিফট হয় : হাত-পা ঠান্ডা লাগে। স্কিন ড্রাই, চুল রুক্ষ, নখ ভঙ্গুর হয়।ত্বকে রক্ত সঞ্চালন কমায় ক্ষত নিরাময় ধীর হয়।

৪. ইমিউন ফাংশন দুর্বল হয় : শুষ্ক আবহাওয়া শ্বাসযন্ত্রের মিউকাস শুকিয়ে দেয়।ভাইরাস শীতে বেশি সক্রিয় থাকে।Vitamin D কমে যাওয়ায় ইমিউন ফাংশন দুর্বল হয়ে যায় ।

▪️শীতে সাধারণত যেসব নিউট্রিয়েন্ট ডেফিসিয়েন্সি এবং সেগুলোর অভাবে শরীরে যে যে সমস্যা দেখা যায় :

▪️ভিটামিন D :
• হাড় ব্যথা
• ক্লান্তি
• Low mood / seasonal depression
• ইমিউনিটি কমে যায়

▪️আয়রন + ভিটামিন B12 :
• হাত-পা ঠান্ডা
• দুর্বলতা
• চুল পড়া
• মাথা ঘোরা

▪️ভিটামিন C :
• ঠান্ডা লাগা
•হিলিং প্রসেস স্লো করে দেয়
• সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে

▪️ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড :
• স্কিন ড্রাই
• খিটখিটে মেজাজ
•Anti- Inflammatory প্রটেকশন কমে যায়

▪️ ম্যাগনেসিয়াম + জিংক:
• ঘুমের সমস্যা
• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া

▪️সুষম খাবার কীভাবে এই সব সমস্যার সমাধান করে :
১. Thermogenesis বাড়িয়ে শরীরকে উষ্ণ রাখে : প্রোটিন ও কমপ্লেক্স কার্ব শরীরের ভেতরে তাপ উৎপাদন বাড়ায়।
২.এনার্জি সাপ্লাই স্টেবল রাখে : ফাইবার, Whole grain ও হেলদি ফ্যাট এনার্জি লস হতে দেয় না।
৩. ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় করে : ভিটামিন C, D, Zinc, Selenium শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা দ্বিগুণ বাড়ায়।
৪. হরমোন ব্যালান্স রাখে : ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড মুড , স্কিন , ব্রেন সব কিছুর উপর কাজ করে।
৫. Antioxidant protection বাড়ায় : শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ড্যামেজ বেশি হয়। শীতকালীন শাক সবজি এই ড্যামেজ কমায়।

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস : প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর, বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়— “স্বাস্থ্যের যত্ন মানেই ভবিষ্যতের...
14/11/2025

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস :
প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর, বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়— “স্বাস্থ্যের যত্ন মানেই ভবিষ্যতের নিরাপত্তা।”ডায়াবেটিস শুধু একটি রোগ নয়; এটি আমাদের পরিবার, খাবার এবং প্রতিদিনের জীবনকে প্রভাবিত করে।এবং এটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রথম শর্ত হলো— সঠিকভাবে ব্লাড সুগার মাপা।

ডায়াবেটিস মাপা শুধু সংখ্যা জানার বিষয় নয়—এটা সচেতনতা। ধরুন, আপনি নিয়ম করে সুগার মাপছেন, কিন্তু হাত না ধুয়ে মাপলেন অথবা এক্সপায়ার্ড স্ট্রিপ ব্যবহার করলেন। তাহলে কী হবে ?
▪️রিডিং ভুল
▪️কখনো বেশি মনে হবে
▪️কখনো কম মনে হবে
▪️আর তার ওপর ভিত্তি করে খাবার বা ওষুধ—সবই ভুল হতে পারে

ডায়াবেটিস মাপার সময় কিছু জরুরি সতর্কতা :
▪️হাত অবশ্যই ভালোভাবে ধুয়ে নিন : মিষ্টি, ফল বা খাবারের অবশিষ্ট থাকলে রিডিং অস্বাভাবিক দেখাতে পারে।
▪️ গ্লুকোমিটার স্ট্রিপের মেয়াদ চেক করুন : এক্সপায়ার্ড স্ট্রিপে ভুল রিডিং দেয়।স্ট্রিপ সবসময় বায়ুরোধী কনটেইনারে রাখুন।
▪️ প্রথম রক্তের ফোঁটা মুছে দ্বিতীয়টি ব্যবহার করুন : আঙুলে চাপ দিলে টিস্যু ফ্লুইড মিশে যায়, এতে রিডিং ভুল হতে পারে।তাই প্রথম ড্রপটি মুছে দ্বিতীয় ড্রপ নিন।
▪️ একই সময়ে প্রতিদিন মাপা ভালো : কখনও খাবারের আগে, কখনও পরে মাপলে তুলনা করা যায় না। রুটিন ঠিক করে নিন (যেমন, প্রতিদিন সকাল বেলা খালি পেটে)।
▪️ গ্লুকোমিটারের ব্যাটারি লো কিনা দেখে নিন : লো ব্যাটারি মানে ভুল রেজাল্ট।
▪️ আঙুলের সাইডে ছিদ্র করুন : এতে ব্যথা কম, ক্ষতও কম হয়।

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আমাদের শেখায়—
“স্বাস্থ্য শুধু ডাক্তার বা ঔষধের ওপর নির্ভর করে না, নিজের সচেতনতার ওপরও নির্ভর করে।”

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বর্তমান যুগে একটি নীরব বিপর্যয়, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস, স্থূলতা, PCOS ও হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে ...
04/10/2025

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বর্তমান যুগে একটি নীরব বিপর্যয়, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস, স্থূলতা, PCOS ও হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।এই সমস্যার পেছনে খাদ্যাভ্যাস, জীবনধারা ও জিনগত কারণের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ অথচ অবহেলিত কারণ হলো ভিটামিন সি-এর ঘাটতি।গবেষকরা বলছেন, “ভিটামিন সি-এর ঘাটতি থাকলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি ২-৩ গুণ বেড়ে যেতে পারে।”

চলুন জেনে নেই এই দুইয়ের মধ্যে সম্পর্ক কীভাবে কাজ করে :

▪️ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কী :
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীর ইনসুলিন হরমোনের প্রতি সাড়া কম দিতে থাকে।ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়ে এবং কোষে গ্লুকোজ ঠিকভাবে ঢুকতে পারে না।এর ফলে ধীরে ধীরে দীর্ঘমেয়াদে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, PCOS, হৃদরোগসহ নানা জটিলতা দেখা দেয়।

▪️ ভিটামিন সি কীভাবে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত :

▪️অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন সি : ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের মূল কারণগুলোর একটি হলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, যেখানে শরীরে অতিরিক্ত ফ্রি র‍্যাডিকেল কোষকে ক্ষতি করে।ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা এই ফ্রি র‍্যাডিকেলগুলোকে নিস্ক্রিয় করে ইনসুলিন রিসেপ্টরকে রক্ষা করে।এতে ইনসুলিন সিগনালিং ঠিকঠাক কাজ করে।

▪️ ভিটামিন সি ও গ্লুকোজ একে অপরের প্রতিযোগী : ভিটামিন সি ও গ্লুকোজ একই ধরনের কোষীয় পরিবহন ব্যবস্থা GLUT Transporters ব্যবহার করে।যখন রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে তখন কোষে গ্লুকোজ বেশি ঢুকে, আর ভিটামিন সি কোষে প্রবেশ করতে পারে না।ফলে কার্যক্ষমতা কমে যায়।এই অবস্থায় শরীরে কার্যকর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রতিক্রিয়া হয় না।

▪️ Inflammation বাড়ায় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স : ভিটামিন সি Inflammation কমাতে সাহায্য করে।কিন্তু এর ঘাটতি থাকলে শরীরে প্রদাহজনিত সাইটোকাইন বেড়ে যায়, যা ইনসুলিন সিগনালিংকে বাধাগ্রস্ত করে।

▪️ ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায় : বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, যারা ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বেড়েছে এবং রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমেছে।

▪️ ভিটামিন সি ও লিপিড প্রোফাইল : ভিটামিন সি LDL কোলেস্টেরল (খারাপ চর্বি) কমায় এবং HDL কোলেস্টেরল (ভালো চর্বি) বাড়াতে সাহায্য করে।ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সঙ্গে প্রায়শই Dyslipidemia বা Lipid imbalance দেখা যায়।এভাবে ভিটামিন সি পরোক্ষভাবে কার্ডিওভাসকুলার রিস্ক কমায়।

▪️বর্তমান কিছু গবেষণা মতে :
- একটি randomized controlled trial এ দেখা গেছে, প্রতিদিন ১,০০০ মি.গ্রা. ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে সহায়ক।
- ২০১৭ সালের একটি স্টাডিতে দেখা যায়, টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগীদের মধ্যে ভিটামিন সি-এর মাত্রা কম থাকলে HbA1c বেশি থাকে ও গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়।
- National Health and Nutrition Examination Survey (NHANES) অনুযায়ী, যারা পর্যাপ্ত ভিটামিন সি গ্রহণ করেন না, তাদের মধ্যে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও স্থূলতার হার বেশি।

▪️ভিটামিন সি এর পর্যাপ্ততা ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধে করণীয় :
- প্রতিদিন কমপক্ষে ৭৫–৯০ মি.গ্রা. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন : পেয়ারা, আমলকি,লেবু,কমলা, মাল্টা, কাঁচা মরিচ,টমেটো,পেঁপে খাওয়া
- ভিটামিন সি তাপের প্রতি সংবেদনশীল, তাই ফল ও সবজি যতটা সম্ভব কাঁচা বা হালকা সেদ্ধ করে খাওয়া
- প্রসেসড ফুড ও অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ কমানো
- প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম করা
- পর্যাপ্ত পানি পান ও ঘুম নিশ্চিত করা
- প্রয়োজনে রক্তে ভিটামিন সি ও ইনসুলিন সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করা
- ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের পরামর্শে,ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট নেওয়া

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, প্রতি ৪ জনে ১ জন কর্মক্ষম ব্যক্তি বর্তমানে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ বা Chronic Stre...
08/07/2025

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, প্রতি ৪ জনে ১ জন কর্মক্ষম ব্যক্তি বর্তমানে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ বা Chronic Stress এ ভুগছেন।যার প্রভাব পড়ে মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর যেমন- ঘুমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, হজমের গোলমাল, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি।তবে গবেষণা বলছে- সঠিক খাবার, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং ব্যায়ামই হতে পারে প্রাকৃতিক ‘স্ট্রেস থেরাপি’।

▪️স্ট্রেস কমাতে সহায়ক খাবারসমূহ :
- ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার : বাদাম, পালংশাক, ডাল, কলা, বাদাম, তিল, সূর্যমুখী বীজ এগুলো স্নায়ুর উত্তেজনা কমিয়ে স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড : ইলিশ, বোয়াল, পাবদা, রুই, কাতলা, চিয়া সিড, দেশি ডিম এইসব মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।
- ডার্ক চকলেট : এতে থাকে Flavonoid, যা রক্তপ্রবাহ উন্নত করে ও মুড ভালো রাখে।নিয়মিত অল্প পরিমাণে ডার্ক চকলেট খাওয়া স্ট্রেস রিলিফে সহায়ক।
- প্রোবায়োটিক : টক দই, ঘরে তৈরি আচার, ফার্মেন্টেড খাবার পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়।এই ব্যাকটেরিয়াগুলো Gut-Brain Axis এর মাধ্যমে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন হ্যাপি হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে।ফলে মানসিক চাপ কমে, মুড ভালো থাকে এবং ঘুমও উন্নত হয়।

খাবারের পাশাপাশি স্ট্রেস কমাতে আমাদের অবশ্যই লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনা এবং প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যায়াম করা প্রয়োজন।যেমন :

▪️পর্যাপ্ত ঘুম : প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক।কম ঘুম হলে কর্টিসল বেড়ে যায়, মন খারাপ থাকে।
▪️ ডিজিটাল ডিটক্স : প্রতিদিন অন্তত ১-২ ঘণ্টা মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকুন।এটি মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয়।
▪️ Self-Care Time : প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট নিজের পছন্দের কাজে দিন যেমন : গান শোনা, বই পড়া, গাছের যত্ন ইত্যাদি।
▪️ পজিটিভ চিন্তা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ : প্রতিদিন রাতে ৩টি জিনিস লিখুন যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ এটি মানসিক স্বস্তি আনে এবং পজিটিভ চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
▪️ নিয়মিত হাঁটা বা দৌড়ানো : দিনে অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা হালকা দৌড় শরীরে এন্ডরফিন বা হ্যাপি হরমোন তৈরি করে।
▪️ Yoga & Meditation : প্রতিদিন ১০–১৫ মিনিট গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস ও Meditation স্ট্রেস হরমোন কমায় ও মন শান্ত রাখে।
▪️ Stretching Exercise : কাজের ফাঁকে ফাঁকে সহজ স্ট্রেচিং স্ট্রেস ও ক্লান্তি দূর করে।
▪️ নাচ, সাঁতার বা খেলাধুলা : যা আনন্দ দেয় এমন ব্যায়াম মন ভালো করে ও মানসিক চাপ কমায়।

Nutrient Deficiencies Behind Depression :  আজকের দ্রুতগামী জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় ...
22/06/2025

Nutrient Deficiencies Behind Depression :
আজকের দ্রুতগামী জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হলো ডিপ্রেশন।ডিপ্রেশন কেবল মানসিক বিষয় নয়, এর পেছনে রয়েছে শরীরের ভেতরের জটিল পুষ্টিগত ঘাটতিগুলোও।সঠিক পুষ্টি না পেলে মস্তিষ্কের রাসায়নিক ভারসাম্য নষ্ট হয়, যেটা সরাসরি প্রভাব ফেলে আমাদের মন-মেজাজ, ঘুম, শক্তি, মনোযোগ ও আবেগে।
চলুন জেনে নেই, কোন কোন পুষ্টির ঘাটতি ডিপ্রেশনের জন্য দায়ী এবং কীভাবে তা প্রতিরোধ করা যায় :

▪️Vitamin B12 :
Vitamin B12 নিউরোট্রান্সমিটার যেমন-সেরোটোনিন ও ডোপামিন তৈরিতে সাহায্য করে।এই ভিটামিনের অভাবে মন খারাপ, হতাশা, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া, অবসাদ ইত্যাদি দেখা দেয়।
- উৎস : গরুর কলিজা, ডিম, দুধ, মাছ, মুরগির মাংস

▪️ ফোলেট বা ভিটামিন B9 :
ফোলেটের ঘাটতিতে ব্রেইনে “হ্যাপি হরমোন” উৎপাদন ব্যাহত হয়।এর ফলে বিষণ্নতা, রাগ, অস্থিরতা ও ক্লান্তি দেখা দেয়।
- উৎস: পালংশাক, মুগ ডাল, ডিম, বরবটি, কলা।

▪️Vitamin B1 :
ভিটামিন B1 কে বলা হয় “অ্যান্টি-স্ট্রেস ভিটামিন”, কারণ এটি নার্ভাস সিস্টেমকে সাপোর্ট করে।এর ঘাটতিতে দেখা দেয় বিরক্তি, উদ্বেগ, মনোযোগ কমে যাওয়া, স্মৃতিভ্রান্তি এবং বিষণ্নতা।
- উৎস : কালো ডাল, মুগ ডাল, সয়াবিন, বাদাম, ডিম, গমের তৈরি খাবার

▪️ ভিটামিন D3 :
ভিটামিন D3 কে অনেকে “Happy Vitamin” বলেন, কারণ এটি মন ভালো রাখার হরমোন সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।ভিটামিন D3 এর ঘাটতিতে হতাশা, ক্লান্তি, ও “Seasonal Affective Disorder (SAD)” দেখা দেয়।
- উৎস : রোদ, ডিমের কুসুম, সামুদ্রিক মাছ, দুধ, D3 সাপ্লিমেন্ট

▪️ Zinc :
Zinc শরীরের স্ট্রেস রেসপন্স এবং ব্রেইনের নিউরোকেমিক্যাল ব্যালেন্সে ভূমিকা রাখে।এটি কমে গেলে উদ্বেগ, একাকীত্ব ও মনমরা ভাব তৈরি হয়।
- উৎস : ডিম, মাংস, মটরশুঁটি, বাদাম, চিয়া সিড

▪️ প্রোবায়োটিকস :
আমাদের অন্ত্রে রয়েছে gut-brain axis, যা মন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে গেলে দেখা দেয় ইনফ্লামেশন, হরমোন ভারসাম্যহীনতা ও বিষণ্নতা।প্রোবায়োটিকস উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়িয়ে সেরোটোনিন উৎপাদন বাড়ায় ও মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে।
- উৎস : দই, ছানা, ফার্মেন্টেড খাবার যেমনঃ ঘরে তৈরি আচার

▪️ ম্যাগনেসিয়াম :
ম্যাগনেসিয়াম স্নায়ুর শান্তি এবং ঘুম ভালো রাখার জন্য অপরিহার্য।এর ঘাটতিতে উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা, অতিরিক্ত চিন্তা ও বিষণ্নতা বেড়ে যায়।
- উৎস : বাদাম, কলা, ডাল, ডার্ক চকলেট, তিল বীজ

Turmeric : Natural Golden Antioxidant হলুদ (Turmeric) শুধু একটি মসলা নয়, এটি প্রকৃতির এক অসাধারণ ওষুধ।উজ্জ্বল হলুদ রঙ ও ...
21/06/2025

Turmeric : Natural Golden Antioxidant

হলুদ (Turmeric) শুধু একটি মসলা নয়, এটি প্রকৃতির এক অসাধারণ ওষুধ।উজ্জ্বল হলুদ রঙ ও উষ্ণ সুবাস নিয়ে, হলুদ বহু বছর ধরে আমাদের রান্নাঘরের অবিচ্ছেদ্য অংশ।কিন্তু স্বাদ আর রঙের বাইরেও, হলুদ হচ্ছে এক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে, প্রদাহ কমায়, এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করে।

▪️কিভাবে হলুদ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে :
হলুদের কার্যকারিতার মূল রহস্য লুকিয়ে আছে একটি যৌগে যার নাম Curcumin ।এটি হলো হলুদের প্রধান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা:

- ফ্রি র‍্যাডিক্যাল নষ্ট করে : Curcumin ক্ষতিকর অণু (free radicals) ধ্বংস করে, যা কোষ নষ্ট করে ও বার্ধক্য বাড়ায়।
- অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় : কোষে স্ট্রেস কমিয়ে হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।
- নিজস্ব অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা বাড়ায় : Curcumin শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরোধী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইম যেমন : Glutathione-এর কার্যকারিতা বাড়ায়।
- ডিএনএ ও কোষের ক্ষয় প্রতিরোধ করে।

▪️কিভাবে রান্না হলুদের কার্যকারিতা বাড়ায় :
অনেকে ভাবেন, গরম করলেই হলুদের গুণ নষ্ট হয় বরং সত্য হলো, সঠিকভাবে রান্না করলে হলুদের উপকারিতা বহুগুণে বেড়ে যায়।যেমন-

▪️গরম করলে Curcumin সহজে শোষিত হয় : Curcumin হলো fat soluble বা চর্বিতে দ্রবণীয়। রান্নার সময় যদি এটি তেল (মাস্টার্ড/নারকেল তেল) দিয়ে রান্না করা হয়, তখন এটি সহজেই শরীরে শোষিত হয়।
▪️ গোলমরিচের পাইপেরিন Curcumin শোষণ বাড়ায় : গোলমরিচে থাকে পাইপেরিন (Piperine), যা Curcumin এর শোষণ ক্ষমতা ২০০০% পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়।
▪️ হালকা উত্তাপে Curcumin আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে : ফুটিয়ে রান্না করলে Curcumin সহজে ভাঙে এবং শরীরে কার্যকর হয়।স্যুপ, ডাল বা হলুদ দুধে এই পদ্ধতি কার্যকর।
▪️রান্না করা হলুদ কাঁচা হলুদের চেয়ে বেশি শোষিত হয় : কাঁচা হলুদের কার্যকারিতা শরীরে পুরোপুরি কাজে লাগানো কঠিন, কিন্তু রান্না করলে সেই বাধা দূর হয়।

বর্ষা এলেই বাংলাদেশের প্রতিটি শহরেই যেন ভয়ঙ্কর এক আতঙ্ক হয়ে আসে ডেঙ্গু জ্বর। মশার কামড়ে ছড়ানো এই ভাইরাস আমাদের অনেকের জী...
20/06/2025

বর্ষা এলেই বাংলাদেশের প্রতিটি শহরেই যেন ভয়ঙ্কর এক আতঙ্ক হয়ে আসে ডেঙ্গু জ্বর। মশার কামড়ে ছড়ানো এই ভাইরাস আমাদের অনেকের জীবনেই বিপর্যয় সৃষ্টি করে। ২০২৪-২৫ সালে, ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তা এখন আর শুধু স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, এটি একটি জাতীয় সংকট।তবে, সময়মতো ডাক্তারের পরামর্শ ও সঠিক পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে সহজে ডেঙ্গুকে মোকবিলা করা সম্ভব।
আসুন জেনে নেই, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত এবং কোনগুলো এড়িয়ে চলতে হবে :

▪️ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণগুলো :
- হঠাৎ করে উচ্চ মাত্রার জ্বর (১০২–১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট)
- চোখের পেছনে ব্যথা
- মাংসপেশি ও হাড়ে ব্যথা
- সারা শরীরে র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি উঠা
- বমি বমি ভাব ও বমি
- মাথা ব্যথা ও দুর্বলতা
- নাক বা দাঁতের গোড়া দিয়ে রক্ত পড়া
- Platelets দ্রুত কমে যাওয়া

▪️ডেঙ্গুর সময় যেসব খাবার খাওয়া জরুরি :

▪️পানি ও হাইড্রেশন :
- প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করুন।
- ডাবের পানি, লেবু পানি, ওরস্যালাইন, ফলের রস ইত্যাদি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে ও Platelet বাড়াতে সাহায্য করে।
▪️পেঁপে পাতা ও ফল :
- গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপে পাতার রস Platelet বাড়াতে সহায়তা করে।
- পাকা পেঁপে ও এর পাতার রস ডেঙ্গুর সময় নিয়মিত খাওয়া উপকারী।
▪️উচ্চ ভিটামিন C যুক্ত ফল :
- আমলকি, কমলা, লেবু, মাল্টা ইত্যাদি খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হয়।
▪️ইমিউন বুস্টার খাবার :
- আদা, রসুন, হলুদ দিয়ে রান্না করা খাবার, কাঁচা মরিচ, কালোজিরা খাওয়া যেতে পারে।
- এইসব উপাদান অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
▪️স্যুপ ও হালকা খাবার :
- চিকেন স্যুপ, সবজি স্যুপ, নরম খিচুড়ি খাওয়া সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর।
- ডেঙ্গুর সময় হজম ক্ষমতা কমে যায়, তাই হালকা খাবার খাওয়া ভালো।
▪️প্রোটিন :
- ডিম সেদ্ধ, মাছ, চিকেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে হালকা রান্না হওয়া উচিত।
▪️আয়রন ও ফলিক এসিড :
- শাকসবজি যেমন: পালংশাক , লাল শাক, ডাল ও বাদামে প্রচুর আয়রন থাকে যা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।

▪️ডেঙ্গুর সময় যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত :
- বাইরের ভাজা বা অপরিষ্কার খাবার
- কাঁচা খাবার বা অর্ধসিদ্ধ মাংস
- সফট ড্রিংকস বা কোল্ড ড্রিংক
- অতিরিক্ত তেল ও মশলা যুক্ত খাবার
- চা, কফি বা ক্যাফেইনজাত পানীয়
- দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (বমি থাকলে)

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু ওষুধ নয়, সঠিক খাবারই হতে পারে আপনার বাঁচার প্রধান সহায়।
“সচেতন হোন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান, সুস্থ থাকুন !”

#ডেঙ্গু

Address

Dhaka

Telephone

+8801734400161

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PUSTIGYAN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to PUSTIGYAN:

Share

Category