Nutritionist Md. Raisul Haque

Nutritionist Md. Raisul Haque Masters in Biochemistry & Food Analysis
BSc (Hons) in Nutrition & Food Science
from Patuakhali Science & Technology University.

CCND from Bangladesh Academy of Dietetics and Nutrition

আসলে আমি এই কফি এনেমার বিষয় নিয়ে কিছু লিখতে চেয়েছিলাম না কিন্তু এক ফেসবুক গ্রুপে এক ব্যক্তির পোস্ট দেখে আসলে না লিখে ...
24/08/2026

আসলে আমি এই কফি এনেমার বিষয় নিয়ে কিছু লিখতে চেয়েছিলাম না কিন্তু এক ফেসবুক গ্রুপে এক ব্যক্তির পোস্ট দেখে আসলে না লিখে আমি থাকতে পারলাম না। উনি বলেছেন কফি এনেমা করে নাকি ৫০ থেকে ৬০ রকমের রোগ ভালো করা সম্ভব এবং আরেকজন পোস্ট করেছেন যে কফি এনেমা করে নাকি উনার অ্যালার্জি ভালো হয়ে গেছে। এগুলো দেখে আমি আসলে হতবাক শুধুমাত্র পিছন দিয়ে কফি পান করে এতো রোগ ঠিক করে ফেলা সম্ভব। আসলেই কি এটা সম্ভব চলুন বিষয়টা জেনে নেই।

১৯৩০-এর দশকে জার্মান বংশোদ্ভূত চিকিৎসক ডা. ম্যাক্স গারসন (Max Gerson) একটি বিশেষ খাদ্যাভ্যাস ও ডিটক্সিফিকেশন (বিষমুক্তকরণ) প্রক্রিয়ার উদ্ভব করেন, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে ‘গারসন থেরাপি’ (Gerson Therapy) নামে পরিচিত।

শুরুতে তিনি এটি নিজের মারাত্মক মাইগ্রেনের ব্যথা কমানোর জন্য তৈরি করেছিলেন। পরে তিনি যক্ষ্মা (Tuberculosis) এবং পরবর্তীতে ক্যান্সারের বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে এটি প্রচার করতে শুরু করেন। মূলত এই থেরাপির মাধ্যমেই কফি এনেমার ধারণাটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা পায়।
ডা. গারসন বিশ্বাস করতেন যে, শরীরে পুষ্টির মারাত্মক অভাব এবং অতিরিক্ত মাত্রায় টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ জমা হওয়ার কারণেই ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। তাই তার চিকিৎসায় দুটি মূল বিষয় ছিল:

✅বিপুল পুষ্টি সরবরাহ: রোগীদের প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে (প্রায় ১৩ গ্লাস) কাঁচা, সম্পূর্ণ অর্গানিক শাকসবজি এবং ফলের জুস পান করতে হতো।
✅টক্সিন বের করা: শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দ্রুত বের করে দেওয়া।

গারসনের দাবি অনুযায়ী, যখন রোগীর শরীরে এই বিপুল পরিমাণ পুষ্টি প্রবেশ করে, তখন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয় এবং ক্যান্সারের টিউমারগুলো ভাঙতে শুরু করে। টিউমার ভাঙার ফলে রক্তে হঠাৎ করে প্রচুর পরিমাণে বিষাক্ত পদার্থ (Toxins) ছড়িয়ে পড়ে। এই বর্জ্যগুলো পরিষ্কার করার দায়িত্ব পড়ে শরীরের প্রধান ফিল্টার বা লিভারের ওপর। গারসনের মতে, লিভার তখন এত বেশি টক্সিনের চাপে ওভারলোড হয়ে যায় যে, এর ফলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।

লিভারকে এই অতিরিক্ত টক্সিন দ্রুত বের করতে সাহায্য করার জন্যই ডা. গারসন তার থেরাপিতে কফি এনেমা যুক্ত করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, মলদ্বার দিয়ে কফি প্রবেশ করানো হলে তা সরাসরি পোর্টাল ভেইন (Portal Vein)-এর মাধ্যমে লিভারে পৌঁছায়। গারসন থেরাপিতে রোগীদের দিনে একাধিকবার (এমনকি ৪-৬ বার পর্যন্ত) কফি এনেমা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হতো। কিন্তু আসলে তার এই থেরাপির কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই। আমি যতগুলো রিসার্চ পেপার ঘেঁটেছি কোথাও এর উপকারিতা নিয়ে কিছু পাই নেই। কিন্তু উল্টো পেয়েছি এর থেকে ক্ষতিকর দিক। কিন্তু বাংলাদেশে এর আবিষ্কারক আবার একটা টিভি টকশোতে বলেছেন জাপান থেকে শুরু করে অনেক দেশ নাকি এটা নিয়ে গবেষণা করে উনেক উপকার পেয়েছে।

যাই হোক আমি এখন এখানে কফি এনামার কিছু ক্ষতিকর দিক তুলে ধরছি।

✅ডিহাইড্রেশন ও ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি: এটি শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল (যেমন পটাশিয়াম) বের করে দেয়, যা পেশিতে টান পড়া বা মারাত্মক দুর্বলতার কারণ হতে পারে।
✅অন্ত্রে ছিদ্র (Bowel Perforation): ভুলভাবে টিউব প্রবেশ করালে বা অতিরিক্ত চাপের ফলে মলদ্বার বা অন্ত্র ছিদ্র হয়ে যাওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি থাকে, যার জন্য জরুরি সার্জারির প্রয়োজন হয়।
✅ইনফেকশন বা সংক্রমণ: ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত না থাকলে ব্যাকটেরিয়াল বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে।
✅পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি: কফির মিশ্রণ অতিরিক্ত গরম থাকলে মলদ্বার এবং অন্ত্রের ভেতরের স্পর্শকাতর অংশ মারাত্মকভাবে পুড়ে যেতে পারে। এ জন্য তারা আবার সাজেস্ট করেন যে কফির তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৮ ফারেনহাইট থাকতে হবে।
✅গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি: দীর্ঘমেয়াদে বা বারবার এটি করলে ইলেক্ট্রোলাইটের অভাবে হার্ট ফেইলিউরের মতো জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর রেকর্ডও রয়েছে।

⚠️এখন হার্ট ফেইলিউরের মতো জীবন ঝুঁকি কেন হতে পারে?
কফি এনেমার ফলে শরীর থেকে প্রচুর পানি এবং হার্টের জন্য অপরিহার্য খনিজ উপাদান, বিশেষ করে পটাশিয়াম, জোরপূর্বক বেরিয়ে গিয়ে দ্রুত ঘাটতি তৈরি করে। পটাশিয়ামের এই মারাত্মক অভাব হার্টের স্বাভাবিক সংকোচন ও প্রসারণের বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবস্থা পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ, বৈদ্যুতিক সংকেত ঠিকমতো না পাওয়ায় হার্ট তার স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলে এবং খুব দ্রুত, ধীরে বা এলোমেলোভাবে কাঁপতে শুরু করে (যাকে অ্যারিথমিয়া বলা হয়)। এর পাশাপাশি, মারাত্মক পানিশূন্যতার কারণে শরীরে রক্তচাপ কমে যাওয়ায় রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হার্টকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। শেষ পর্যন্ত, এই অতিরিক্ত চাপ এবং এলোমেলো স্পন্দনের কারণে হার্ট একপর্যায়ে রক্ত পাম্প করতে ব্যর্থ হয়ে হার্ট ফেইলিউরের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা হতে পারে।

তাই আমি আসলে বলতে চাই কোন কিছু অন্ধের মত ফলো না করে একটু নিজে বিবেচনা করেন তারপর সিদ্ধান্ত নেন যে আপনার করা উচিত কি উচিত না। আর আপনারা যারা এটার পক্ষে কথা বলেন তাদের বলছি একটু পড়াশুনা করে আরও ভালোভালো টপিক বের করে মানুষকে সেটা শিখান। এসব ভুলভাল জিনিস শিখাবেন না।

পোস্টটি ভালো লাগলে এবং আপনার পরিচিত কেউ কফি এনেমা ফ্যান থাকলে তার সাথে শেয়ার করুন। দরকার হলে আমি তাকে বোঝাবো।
#সঠিকতথ্য

পুষ্টিবিষয়ক ৪টি প্রচলিত ভুল ধারণা ও তার পেছনের আসল সত্য! 💡🍔 Myth ১: "শর্করা (Carbs) ওজন বাড়ায়"✅ Fact: কোনো নির্দিষ্ট ...
23/08/2026

পুষ্টিবিষয়ক ৪টি প্রচলিত ভুল ধারণা ও তার পেছনের আসল সত্য! 💡

🍔 Myth ১: "শর্করা (Carbs) ওজন বাড়ায়"
✅ Fact: কোনো নির্দিষ্ট একটি খাবার কখনো একা ওজন বাড়ায় না। সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস এবং আপনার দৈনিক ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণই এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পরিমিত শর্করা বরং আমাদের শরীরের শক্তির প্রধান উৎস!

🥗 Myth ২: "কম চর্বিযুক্ত (Low-fat) খাবার সবসময় বেশি স্বাস্থ্যকর"
✅ Fact: অনেক 'Low-fat' বা কম চর্বিযুক্ত খাবারে চর্বি ও স্বাদের ঘাটতি মেটাতে অতিরিক্ত চিনি বা মাত্রাতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত উপাদান যোগ করা হয়, যা উল্টো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

🧃Myth ৩: "ফলের জুস আস্ত ফলের মতোই স্বাস্থ্যকর"
✅ Fact: আস্ত ফলের তুলনায় জুসে উপকারী আঁশ (fiber) অনেক কম থাকে বা থাকেই না। এছাড়াও জুস হিসেবে খেলে খুব সহজেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত মিষ্টি ও ক্যালরি গ্রহণ করা হয়ে যেতে পারে। তাই জুসের চেয়ে আস্ত ফল খাওয়াই উত্তম!

🥚Myth ৪: "ডিম হার্টের জন্য ক্ষতিকর"
✅ Fact: বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে, পরিমিত ডিম খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় না। বরং, ডিম হলো চমৎকার প্রোটিন ও দারুণ সব পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার।

কোনো খাবারই না বুঝে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার দরকার নেই, শুধু নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণমতো খেতে হবে। 🌿

এই ৪টি ভুল ধারণার মধ্যে কোনটি আপনি এতদিন সত্যি বলে বিশ্বাস করতেন? কমেন্ট করে আমাদের জানান! 👇

"আমার বংশে ডায়াবেটিস আছে, তাই আমারও হয়েছে!" - আপনি যদি এই কথায় বিশ্বাস করেন, তবে আপনার ধারণা অনেকটাই সত্যি। কারণ আপনা...
23/08/2026

"আমার বংশে ডায়াবেটিস আছে, তাই আমারও হয়েছে!" - আপনি যদি এই কথায় বিশ্বাস করেন, তবে আপনার ধারণা অনেকটাই সত্যি। কারণ আপনার পরিবারে বছরের পর বছর ধরে চলা আনহেলদি লাইফস্টাইল আর অতিরিক্ত ভুলভাল খাবার খাওয়া হচ্ছে বলেই আজ আপনার ডায়াবেটিস।

আমরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ডায়াবেটিসকে বংশগত রোগ মনে করে সান্ত্বনা খুঁজি। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন তো— আপনার নিজের অনিয়মিত ঘুম, সারাদিন শুয়ে-বসে থাকা, ফাস্টফুড বা আলট্রা প্রসেসড ফুড খাওয়া আর কন্সট্যান্ট স্নাকিংয়ের কি কোনো দোষ নেই?

আসলে ডায়াবেটিস কোনো বংশগত রোগ না। এটি বছরের পর বছর ধরে চলা আপনার অনিয়মের ফলাফল।

আপনি যত বেশি পালিশ করা সাদা চাল, চিনি দেওয়া চা, মিষ্টি, পায়েস, ময়দার পরোটা, প্রক্রিয়াজাত খাবার আর সয়াবিন তেলে ভাজাপোড়া খাবেন, ততই আপনার শরীরে ইনসুলিন স্পাইক হবে। এখান থেকেই তৈরি হয় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মূল কারণ।

পাশাপাশি, গবেষণা বলছে একটানা ৩-৫ বছর অনিয়মিত ঘুম ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। কারণ কম ঘুমের সাথে কর্টিসল (Cortisol) হরমোনের সম্পর্ক আছে ঘুম যত কম হবে কর্টিসল তত বাড়বে, আর এটি বাড়লে পাল্লা দিয়ে বাড়ে ব্লাড সুগার!

তাহলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণে কী করবেন?
খুব সাধারণ! ফিরে যেতে হবে আমাদের সেই পুরোনো স্বাস্থ্যকর অভ্যাসে:

১. রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট এবং প্রসেসড ফুড খাওয়া কমিয়ে ফেলুন।
২. প্রতিদিনের খাবারের প্লেটে ফাইবারের পরিমাণ বাড়ান।
৩. চিনি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার পুরোপুরি বর্জন করুন।
৪. সয়াবিন তেলের বদলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বেছে নিন।
৫. প্রতি বেলার খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন নিশ্চিত করুন।
৬. বারবার খাওয়ার অভ্যাস (স্নাকিং) বাদ দিয়ে রাত ৮-৯টার মধ্যে ডিনার শেষ করুন।
৭. সারাদিন শুয়ে-বসে না থেকে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ঘাম ঝরিয়ে হাঁটুন।
৮. রাত ১১টার মধ্যে অবশ্যই ঘুমিয়ে পড়ুন।
৯. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
১০. শরীরের অতিরিক্ত ওজন ও পেটের মেদ ঝেড়ে ফেলুন।

ডায়াবেটিস কোনো অনিবার্য ভাগ্য নয়, এটি পরিবর্তনযোগ্য। আজই অভ্যাস বদলান, সুস্থ থাকুন!

যেকোনো ডায়েট প্ল্যান নিতে আমাদেরকে ইনবক্স করুন👇

আমাদের অনেকেরই ধারণা কোলেস্টেরল মানেই হার্টের শত্রু। যদি তাই হয় তাহলে আমাদের শরীর কেন প্রতিদিন নিজ থেকেই ৩০০০ মিলিগ্রাম...
19/08/2026

আমাদের অনেকেরই ধারণা কোলেস্টেরল মানেই হার্টের শত্রু। যদি তাই হয় তাহলে আমাদের শরীর কেন প্রতিদিন নিজ থেকেই ৩০০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল তৈরি করে? আবার একজন নবজাতক শিশুর শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকে এবং আমাদের মস্তিষ্কের একটি বড় অংশ কেনই বা এই কোলেস্টেরল দিয়ে গঠিত?

আসলে শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজের জন্য কোলেস্টেরল আমাদের প্রয়োজন। কোষের আবরণ (cell membrane), হরমোন, ভিটামিন ডি, বাইল সল্ট (bile salts), কোষের মেরামত এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা—এই সবকিছুই কোলেস্টেরলের ওপর নির্ভরশীল।

আমাদের শরীরে মূলত দুই ধরনের কোলেস্টেরল পাওয়া যায়।
✅HDL: এটি কোলেস্টেরলকে শরীরের বিভিন্ন কোষ থেকে পুনরায় লিভারে ফিরিয়ে আনে রিসাইকেল করার জন্য।
✅LDL: এটি লিভার থেকে কোলেস্টেরলকে কোষে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে।

বেশিরভাগ মানুষ LDL-কে খারাপ বলে কারণ LDL-এর মধ্যে যেগুলো ছোট ও ঘন (Small, dense), সেগুলোই মূলত প্রদাহ বা অন্যান্য সমস্যার সৃষ্টি করে। তবে এটি সাধারণত তখনই ঘটে যখন আপনার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকে বা আপনার 'ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স' থাকে।

আপনি যদি লো-কার্ব (Low-carb) ডায়েট মেনে চলেন এবং আপনার যদি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স না থাকে, তবে আপনার শরীরে বড় এবং হালকা (large, buoyant) LDL বেশি থাকবে, যা শরীরের জন্য স্বাভাবিক।

আবার অনেকে মনে করেন যে কোলেস্টেরল কম মানেই দীর্ঘায়ু বা সুস্বাস্থ্য—এমনটা ভাবা একদম ভুল। বরং অতিরিক্ত কম কোলেস্টেরল ডেকে আনতে পারে ডিপ্রেশন, স্মৃতি শক্তি লোপ, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং হরমোনের ভারসামনহীনতা। এমনকি বয়স্কদের ক্ষেত্রে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব কমে গেলে তা বিভিন্ন কারণে মৃত্যুঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে!

তাই কোলেস্টেরলকে অযথাই ভয় পাবেন না। বরং রিফাইন্ড চিনি (refined sugar) এবং অতিরিক্ত শর্করা (starches) জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলোই শরীরে ক্ষতিকর ছোট ও ঘন LDL তৈরি করে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন, সুস্থ থাকুন!
✅ আর আমাদের কাছ থেকে ডায়েট প্ল্যান নিতে চাইলে আমাদেরকে ইনবক্স করুন।

প্রায় সব মায়েরই একটি সাধারণ অভিযোগ— "আমার বাচ্চা কিছুতেই খেতে চায় না!" নতুন কোনো রেসিপি হোক বা তার পছন্দের খাবার, অনে...
18/08/2026

প্রায় সব মায়েরই একটি সাধারণ অভিযোগ— "আমার বাচ্চা কিছুতেই খেতে চায় না!" নতুন কোনো রেসিপি হোক বা তার পছন্দের খাবার, অনেক চেষ্টাতেও সন্তানকে খাওয়ানো যেন এক রীতিমতো যুদ্ধ।

শরীরে আয়রন বা জিংকের ঘাটতি থাকলে শিশুর ক্ষুধামন্দা দেখা দিতে পারে। এছাড়া নতুন খাবারের প্রতি ভয়, খাবারের গন্ধ বা টেক্সচারে অস্বস্তিবোধ করলেও অনেক সময় তারা খেতে অনীহা প্রকাশ করে।

বাচ্চা পরিমাণে কম খেলেও যেন তার শরীরে পুষ্টির কোনো ঘাটতি না হয়, সবার আগে সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। শিশুর সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে এবং খাওয়ার আগ্রহ বাড়াতে নিচের টিপসগুলো মেনে চলতে পারেন:

খাবারের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি: অল্প খাবারে বেশি পুষ্টি নিশ্চিত করতে বাচ্চার খিচুড়ি বা স্যুপে সামান্য ঘি, বাদামের গুঁড়ো অথবা চিয়া সিড মিশিয়ে দিন।

খাবারের মাঝে পর্যাপ্ত বিরতি: একটু পর পর বিস্কুট, জুস বা দুধ দিতে থাকলে মূল খাবারের সময় বাচ্চার ক্ষুধা নাও থাকতে পারে। তাই ঘন ঘন না খাইয়ে দুটি ভারী খাবারের মাঝে পর্যাপ্ত বিরতি দিন, যেন তার প্রাকৃতিকভাবেই ক্ষুধা পায়।

স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস: বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে স্ন্যাকস হিসেবে বাচ্চাকে কলা বা খেজুর দিতে পারেন। একটি খেজুর থেকেই শিশু প্রচুর এনার্জি পাবে।

সবজি খাওয়ানোর কৌশল: সরাসরি সবজি খেতে না চাইলে তার পছন্দের কাটলেট, পাস্তা বা রুটির ভেতরে সবজি লুকিয়ে খাইয়ে দিন। তবে ধীরে ধীরে তাকে আসল সবজির স্বাদ ও গঠনের সাথেও পরিচিত করাটা জরুরি।

আকর্ষণীয় পরিবেশন: বিভিন্ন রঙের ফলমূল ও সবজি দিয়ে মজার কোনো শেপে (আকারে) খাবার সাজিয়ে দিলে শিশুদের খাবারের প্রতি আকর্ষণ বহুগুণ বেড়ে যায়।

তবে বাচ্চাকে জোর করে বা প্রতিবার মোবাইল স্ক্রিন দেখিয়ে খাওয়ানো কখনোই কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। এতে শিশুর স্বাভাবিক ক্ষুধা লাগা এবং পেট ভরার অনুভূতি বোঝার অভ্যাস মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

আপনার সন্তানের সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য একটি উপযুক্ত ও 'পার্সোনালাইজড পুষ্টি প্ল্যান' (Personalized Nutrition Plan) তৈরি করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

#বাচ্চাখেতেচায়না

আচ্ছা, আপনার সাথে কি কখনও এমন হয়েছে যে— ওজন কমানোর জন্য আপনি ডায়েট করছেন, প্রথম কিছুদিন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে এবং ওজনও বে...
17/08/2026

আচ্ছা, আপনার সাথে কি কখনও এমন হয়েছে যে— ওজন কমানোর জন্য আপনি ডায়েট করছেন, প্রথম কিছুদিন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে এবং ওজনও বেশ ভালোভাবে কমছে। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর, হঠাৎ করেই আপনার ভেতরে খাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা ক্রেভিংস শুরু হলো! আর সেই পছন্দের তালিকায় সবার আগে নাম আসে ফাস্টফুড বা অস্বাস্থ্যকর সব খাবারের। চাইলেও আপনি নিজেকে আটকাতে পারেন না, কারণ এই খাবারগুলো খেলে সাময়িকভাবে আপনার ভেতরে একধরনের ভালো লাগা কাজ করে। কিন্তু এমনটা কেন হয়? এই প্রশ্নটা নিশ্চয়ই আপনার মাথাতেও ঘুরপাক খাচ্ছে, তাই তো? চলুন, আজ এর পেছনের কারণটা জেনে নিই।
আসলে আমরা যখন দীর্ঘদিন ধরে খুব কড়া বা না খেয়ে থাকার মতো ডায়েট মেনে চলি তখন আমাদের শরীরে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা কর্টিসোল বাড়িয়ে দেয়।

কর্টিসোল হরমোন বেড়ে যাওয়ার কারণে আমাদের শরীর এক ধরনের "সারভাইভাল মোড" (Survival mode) যা 'ফাইট অর ফ্লাইট' (Fight or Flight) নামে পরিচিত। এর ফলে বারবার ক্ষুধা এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়। কারণ কর্টিসোল শরীরকে সংকেত দেয় যে সামনে কোনো বিপদ বা চ্যালেঞ্জ আছে এবং তা মোকাবিলা করার জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন। আর চিনি, শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) এবং চর্বিযুক্ত খাবার শরীরে খুব দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে। তাই মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই এই ধরনের উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের খোঁজ করে।

এছাড়া কর্টিসোল হরমোন মূলত অল্প সময়ের জন্য আমাদের শরীরে কাজ করার জন্য তৈরি হয়। কিন্তু কর্টিসোল হরমোন যখন দীর্ঘসময় ধরে আমাদের শরীরে একটিভ থাকে তখন এই হরমোনের প্রভাবে আমাদের মাঝে বিষণ্ণতা তৈরি হয় যার ফলে শরীরও ক্লান্ত থাকে। তখন আমাদের শরীর খোঁজে ডোপামিন। কারণ ডোপামিন একমাত্র হরমোন যা আমাদের মুড ভালো করার কাজ করতে পারে। আর ফাস্ট ফুড, মিষ্টি বা মুখরোচক খাবার খেলে মস্তিষ্কে 'ডোপামিন' (Dopamine) নামক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা সাময়িকভাবে আনন্দ ও প্রশান্তির অনুভূতি দেয়। মস্তিষ্ক এই ক্ষণস্থায়ী স্বস্তির জন্য বারবার এই খাবারগুলোর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। একে 'ইমোশনাল ইটিং' (Emotional eating) বা 'স্ট্রেস ইটিং' বলা হয়।

তাছাড়া, আরও একটা ব্যাপার আছে! কর্টিসোল হরমোন মূলত অল্প সময়ের জন্য কাজ করার জন্য তৈরি। কিন্তু একটানা স্ট্রেস বা কড়া ডায়েটের কারণে এটি যখন দীর্ঘসময় ধরে শরীরে অ্যাকটিভ থাকে, তখন আমাদের ভেতর একধরনের বিষণ্ণতা আর চরম ক্লান্তি ভর করে। ঠিক তখনই আমাদের শরীর খোঁজে 'ডোপামিন'। কারণ ডোপামিন একমাত্র হরমোন যা মুহূর্তেই আমাদের মুড ভালো করে দিতে পারে!

আর ফাস্ট ফুড, মিষ্টি বা মুখরোচক খাবার খেলে মস্তিষ্কে সাথে সাথে এই ডোপামিন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের সাময়িকভাবে এক অদ্ভুত আনন্দ আর প্রশান্তি দেয়। ব্রেন তখন এই ক্ষণস্থায়ী শান্তির খোঁজে বারবার এসব অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। আর চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একেই বলা হয় 'ইমোশনাল ইটিং' (Emotional Eating) বা 'স্ট্রেস ইটিং'!"
আবার কর্টিসোলের মাত্রা একটানা বেশি থাকলে তা ইনসুলিনের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বাড়ে এবং আবার দ্রুত কমে যায় (Sugar crash)। সুগার লেভেল হঠাৎ কমে গেলেই শরীর দ্রুত মিষ্টি বা শর্করাজাতীয় খাবারের জন্য তীব্র সিগন্যাল পাঠায়।

অনেকের স্ট্রেসের কারণে কম ঘুম হয়। এই ঘুমের অভাবে শরীরে 'গ্রেলিন' (Ghrelin) নামক হরমোন বেড়ে যায়, যার কাজ হলো ক্ষুধা তৈরি করা। অন্যদিকে 'লেপটিন' (Leptin) নামক হরমোন কমে যায়, যার কাজ হলো আমাদের পেট ভরার অনুভূতি দেওয়া। এর ফলে পেট ভরা থাকলেও বারবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগে।

যার ফলে ওজন কমানোর বদলে আপনি এমন সব কাজ করে বসেন—যাতে উল্টো ওজন আরও বেড়ে যায়! প্রথমদিকে ডায়েট করে ওজন কিছুটা কমলেও, এই স্ট্রেস ইটিংয়ের কারণে পরবর্তীতে তা আবার দ্রুত বাড়তে শুরু করে। তাই সবার উচিত কোন প্রফেশনালের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট করা নিজে নিজে ডায়েট করতে যেয়ে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

আপনিও কি এমন অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন কিনা হয়ে থাকলে আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আর যে কোন বিষয়ে ডায়েট প্ল্যান চাইলে আমাদেরকে ইনবক্স করুন।

আপনি যদি আপনার লিভারকে আজীবন সুস্থ রাখতে এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি এড়াতে চান তাহলে আপনার উচিত এই বিষয়গুলোকে মেনে চলা:১....
15/08/2026

আপনি যদি আপনার লিভারকে আজীবন সুস্থ রাখতে এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি এড়াতে চান তাহলে আপনার উচিত এই বিষয়গুলোকে মেনে চলা:

১. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস (Dietary Changes)

✅চিনি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার: অতিরিক্ত চিনি, বিশেষ করে ফ্রুকটোজ (Fructose) সরাসরি লিভারে চর্বি হিসেবে জমা হয়। তাই কোল্ড ড্রিংকস, প্যাকেটজাত ফলের রস, মিষ্টি, পেস্ট্রি এবং অতিরিক্ত চিনি দেওয়া চা-কফি এড়িয়ে চলুন।

✅আঁশযুক্ত খাবার (Fiber) বৃদ্ধি: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর শাকসবজি, তাজা ফলমূল, ডাল এবং আস্ত শস্য (যেমন: লাল চাল, লাল আটা, ওটস) রাখুন। ফাইবার হজমপ্রক্রিয়া ধীর করে এবং সুগার স্পাইক থেকে লিভারে চর্বি জমতে বাধা দেয়।

✅স্বাস্থ্যকর ফ্যাট গ্রহণ: আপনার খাদ্য তালিকায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট (যেমন: খাসি বা গরুর চর্বিযুক্ত মাংস, মাখন, ঘি, পনির) এর পরিমাণ কমান এবং ট্রান্স ফ্যাট (ফাস্ট ফুড, চিপস, ভাজাপোড়া) সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন। এর বদলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বা ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার খান, যেমন: ছোট বা সামুদ্রিক মাছ, কাঠবাদাম, আখরোট, চিয়া সিড এবং অলিভ অয়েল। পাশাপাশি সিডস অয়েল যেমন সয়াবিন তেল, পাম অয়েল এগুলো রান্নায় ব্যাবহার কমিয়ে আনতে হবে।

✅কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ভাত বা রুটি খাওয়ার প্রবণতা কমান। কারণ অতিরিক্ত ভাত রুটি আপনার সুগার স্পাইক করাবে আর বাধ্য হয়ে আপনার লিভারকে অতিরিক্ত এই চিনিকে নিজের ভিতরে ফ্যাট হিসাবে জমাতে হবে। এর বদলে আপনার প্লেটের অর্ধেক অংশ রাখুন শাকসবজি ও সালাদের জন্য, এক-চতুর্থাংশ প্রোটিন (মাছ, মুরগি, ডিম বা ডাল) এবং বাকি এক-চতুর্থাংশ শর্করা (ভাত বা রুটি) এর জন্য।

এছাড়া আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকাতে গ্রিন টি, কফি (চিনি ও দুধ ছাড়া), বেরি জাতীয় ফল, রসুন এবং হলুদ রাখুন এগুলো লিভারের জন্য খুবই উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে পরিমিত ব্ল্যাক কফি লিভারের এনজাইমের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

২. লাইফ স্টাইল মডিফিকেশন

✅ওজন নিয়ন্ত্রণ: আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজন বা বডি ম্যাস ইনডেক্স (BMI) বজায় রাখার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত ওজন, বিশেষ করে পেটের মেদ (Belly Fat) নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ।

✅নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০-৪৫ মিনিট মাঝারি থেকে ভারী ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করুন। জোরে হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটা বেশ উপকারী। ব্যায়াম ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায় এবং লিভারে জমে থাকা ফ্যাট পোড়াতে সাহায্য করে।

✅মদ্যপান থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা: অ্যালকোহল লিভারের কোষ ধ্বংস করে এবং অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ। সুস্থ থাকতে চাইলে এটি সম্পূর্ণ বর্জনীয়।

✅ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ট্রাইগ্লিসারাইড (Triglycerides) ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন। যাদের ডায়াবেটিস বা উচ্চ কোলেস্টেরল আছে, তাদের ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

✅পর্যাপ্ত পানি পান: শরীরকে আর্দ্র রাখতে এবং টক্সিন বা ক্ষতিকর উপাদান বের করে দিতে দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস বা ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করুন।

এই অভ্যাসগুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নিলে লিভার সুস্থ থাকবে এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি থাকবে না বললেই চলে।

আপনারা যদি আপনার জন্য ডায়েট প্ল্যান তৈরি করাতে চান তাহলে আমাদেরকে ইনবক্স করুন। আমি আপনাদের জন্য ডায়েট প্ল্যান করে দিব।
#ফ্যাটি_লিভার

ভিটামিন ডি ঘাটতির ১০টি অজানা লক্ষণ যা আপনার অবশ্যই জানা উচিত ১.হাড়, দাঁত বা পিঠে ব্যথা২. পেশীর দুর্বলতা বিশেষ করে উরু এ...
15/08/2026

ভিটামিন ডি ঘাটতির ১০টি অজানা লক্ষণ যা আপনার অবশ্যই জানা উচিত

১.হাড়, দাঁত বা পিঠে ব্যথা
২. পেশীর দুর্বলতা বিশেষ করে উরু এবং নিতম্বের মতো বড় পেশীগুলোতে
৩. মেজাজ খিটখিটে ভাব এবং ডিপ্রেশন।
৪. মাথা বা মাথার ত্বকে অতিরিক্ত ঘাম বিশেষ করে চুলের সীমানার চারপাশে বা রাতে ঘাম হওয়া
৫. রোদের তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা রোদে যাওয়ার সাথে সাথে তাৎক্ষণিকভাবে ভালো লাগা কাজ করা।
৬. ক্লান্তি এবং শক্তির অভাব সারাক্ষণ দুর্বলতা কাজ করা
৭. চুল পড়া বা অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা (মাথা থেকে বড় বড় ছোপ আকারে চুল পড়ে যাওয়া)
৮. রেস্টলেস লেগস বা রাতে পায়ে কিছু হাঁটার মতো শিরশিরে অনুভূতি
৯. মনোযোগের অভাব বা ব্রেন ফগ
১০. দীর্ঘস্থায়ী ব্যাথা অর্থাৎ সারা শরীর জুড়ে ব্যথার অনুভূতি বেড়ে যাওয়া

আপনি এর মধ্যে কতগুলো লক্ষণ জানতেন আমাদেরকে কমেন্ট করে জানান।
#শারীরিক_দুর্বলতা #ভিটামিন_ডি #স্বাস্থ্যসচেতনতা

14/08/2026

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ে চিন্তিত?

এই ৫টি সহজ অভ্যাসে আপনার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ভিডিওটি সেভ করে রাখুন এবং আজই শুরু করুন!

সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন (বিবিএফ), ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন প্রতিবেদন ও সেমিনারেও এ...
12/08/2026

সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন (বিবিএফ), ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন প্রতিবেদন ও সেমিনারেও এই আশঙ্কাজনক চিত্রটি উঠে এসেছে। বর্তমানে অর্ধেকের বেশি শিশু জন্মের পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শালদুধ পাচ্ছে না। সম্প্রতি প্রকাশিত মাল্টিপল ইনডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (MICS) ২০২৫ অনুযায়ী, জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ পানের হার মাত্র ৩০.৪ শতাংশে নেমে এসেছে।

দেশে বর্তমানে ৪৫ শতাংশ শিশুই প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ পাচ্ছে না, অর্থাৎ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং বা মাতৃদুগ্ধ পানের হার মাত্র ৫৫ শতাংশ। অথচ ২০১৭-১৮ সালেও এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ।

মাতৃদুগ্ধ পান কমে যাওয়ার প্রধান কারণসমূহ বিবিএফের পরিচালক খুরশিদ জাহান এবং অন্যান্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বুকের দুধ খাওয়ানোর হার কমে যাওয়ার জন্য মায়েরা দায়ী নন।

🟥 এর পেছনে মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিপার্শ্বিক ঘাটতিগুলো দায়ী:
✅অপ্রয়োজনীয় সিজার বা অস্ত্রোপচার: সিজারিয়ানের হার বেড়ে যাওয়া একটি বড় কারণ। অস্ত্রোপচারের পর মায়েদের সঠিক পরিচর্যার অভাবে এবং ব্যথার কারণে প্রথম কয়েকদিন বুকের দুধ খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।

✅হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সহায়তার অভাব: অনেক হাসপাতালেই মায়েদের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে সহায়তা করার মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা (ল্যাক্টেশন ম্যানেজমেন্ট সেন্টার) বা দক্ষ কর্মীর অভাব রয়েছে।

✅ফর্মুলা দুধের আগ্রাসী বিপণন: আইন অমান্য করে অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিকে মায়ের দুধের বিকল্প হিসেবে গুঁড়ো বা ফর্মুলা দুধ রাখা হচ্ছে। কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণনের কারণে মায়েরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন।

✅মাতৃত্বকালীন সুরক্ষার ঘাটতি: কর্মজীবী মায়েদের জন্য পর্যাপ্ত মাতৃত্বকালীন ছুটি না থাকা এবং কর্মস্থলে ডে-কেয়ার বা ব্রেস্টফিডিং কর্নার না থাকায় মায়েরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে শিশুকে ফর্মুলা দুধ দিচ্ছেন।

🟩 শিশুর জন্য মায়ের দুধ ও শালদুধের উপকারিতা
✅শালদুধ হচ্ছে জন্মের পর মায়ের বুকের প্রথম ঘন ও হলুদ দুধ। যা শিশুর জীবনের প্রথম এবং সবচেয়ে কার্যকর টিকা হিসেবে কাজ করে। এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

✅জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে শালদুধ খাওয়ালে নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি ৩৩% কমে যায়। এছাড়া বুকের দুধ পান করা শিশুদের ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুঝুঁকি ১৫ গুণ, নিউমোনিয়াজনিত মৃত্যুঝুঁকি ১১ গুণ এবং অপুষ্টিজনিত মৃত্যুঝুঁকি ১৪ গুণ কম থাকে।

✅শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে মায়েদের স্তন ও ডিম্বাশয়ের ক্যানসার এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়।

২০৩০ সালের মধ্যে প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করা শিশুর হার ৬০ শতাংশে উন্নীত করার জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই এক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আশা করি এই পোস্টটি পরে আপনিও ব্রেস্টফিডিং এ উৎসাহিত হবেন এবং অন্যকে উৎসাহিত করবেন।

আর এখন থেকে শিশু পুষ্টি নিয়ে প্রতি সপ্তাহে আমার পোস্ট থাকবে। তাই আমাদের পেজ ফলো করে রাখুন।

#শিশুপুষ্টি #ব্রেস্টফিডিং_সংকট #শালদুধ_শিশুর_প্রথম_টিকা

Address

Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Md. Raisul Haque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share