দ্বারে মাকসুদ রূহানী তদবির সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • দ্বারে মাকসুদ রূহানী তদবির সেন্টার

দ্বারে মাকসুদ রূহানী তদবির সেন্টার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from দ্বারে মাকসুদ রূহানী তদবির সেন্টার, Medical and health, Dhaka, Dhaka.

🌹আলহামদুলিল্লাহ প্রায় ৬০ বছর ধরে আমাদের কার্যক্রম চলমান🌹ব্ল্যাক ম্যাজিক, বদ নজর, পারিবারিক সমস্যা, সন্তান না হওয়া, বিবাহ বন্ধ ইত্যাদি থেকে মুক্তির আধ্যাত্মিক চিকিৎসা ও যে কোন সমস্যা এবং অসুস্থতা থেকে সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয় ইনশাআল্লাহ।

✍️ ইসলামী শরীয়তে নারী-পুরুষের পরস্পরের চিকিৎসার বিষয়টি কুরআন, হাদিস এবং ফকীহদের ইজতিহাদের সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়েছে। ক...
16/07/2026

✍️ ইসলামী শরীয়তে নারী-পুরুষের পরস্পরের চিকিৎসার বিষয়টি কুরআন, হাদিস এবং ফকীহদের ইজতিহাদের সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়েছে। কুরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে সরাসরি একটি পূর্ণাঙ্গ বিধান না থাকলেও হক্কানী উলামায়ে কেরাম পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি নীতিমালা নির্ধারণ করেছেন।

💥 পবিত্র কুরআনের মূলনীতিঃ⤵️

১. জীবন রক্ষা করা একটি বড় উদ্দেশ্য। আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেন "যে ব্যক্তি একটি প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করল।" ( সূরা মায়িদাহ, আয়াত নং ৩২)।
এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, জীবন রক্ষা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।

💥 হাদিস শরিফের দলিলঃ⤵️

عَنْ الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذِ بْنِ عَفْرَاءَ، قَالَتْ: كُنَّا نَغْزُو مَعَ النَّبِيِّ ﷺ، فَنَسْقِي الْقَوْمَ، وَنَخْدِمُهُمْ، وَنَرُدُّ الْقَتْلَى وَالْجَرْحَى إِلَى الْمَدِينَةِ.

অর্থাৎ হযরত রুবায়ঈ বিনতে মু'আওয়ায ইবনে আফরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে যুদ্ধে শরীক হতাম। তখন আমরা লোকজনকে পানি পান করাতাম। তাদের সেবা-যত্ন করতাম এবং নিহত ও আহতদের মদীনায় পৌঁছে দিতাম।( বুখারী শরীফ, ইঃফাঃ, হাদিস নং ৫২৭৭)

عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ الْأَنْصَارِيَّةِ، قَالَتْ: غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ سَبْعَ غَزَوَاتٍ، أَخْلُفُهُمْ فِي رِحَالِهِمْ، فَأَصْنَعُ لَهُمُ الطَّعَامَ، وَأُدَاوِي الْجَرْحَى، وَأَقُومُ عَلَى الْمَرْضَى.

অর্থাৎ "আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাঁদের মালপত্রের দেখাশোনা করতাম, তাঁদের জন্য খাবার প্রস্তুত করতাম, আহতদের চিকিৎসা করতাম এবং অসুস্থদের সেবা করতাম।" ( মুসলিম শরীফ, কিতাবুল জিহাদ ওয়াস সিয়ার, হাদিস নং ১৮১২)।

উল্লেখ্য ইবনে মাজাহ শরীফেও এরূপ হাদিস বর্ণিত আছে।

সুতরাং উল্লেখিত হাদিস সমূহের আলোকে বুঝা যায় যে, প্রয়োজনে নারী চিকিৎসক পুরুষ রোগীদের ও পুরুষ চিকিৎসক নারীদের চিকিৎসা করতে পারবে।

💥 চার মাযহাবের আলেমদের সিদ্ধান্তঃ⤵️

👉 চার মাযহাবের ফকীহদের বক্তব্যের সারাংশ হলো:

⏩ একই লিঙ্গের চিকিৎসক থাকলে তাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।
⏩ যদি একই লিঙ্গের চিকিৎসক না থাকেন, অথবা রোগীর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাহলে বিপরীত লিঙ্গের চিকিৎসক চিকিৎসা করতে পারবেন।
🌻তবে শর্ত হলো:
👉 যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই শরীর দেখা বা স্পর্শ করা যাবে।
👉 নির্জন অবস্থায় (খালওয়া) থাকা যাবে না।
👉 দৃষ্টি ও পর্দার বিধান যথাসম্ভব মানতে হবে।
👉 চিকিৎসার উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকা যাবে না।

অতএব, ইসলামি শরীয়তের দলিলের আলোকে পুরুষ চিকিৎসক নারীদের ও নারী চিকিৎসক পুরুষদের চিকিৎসা করতে পারবে।

বিঃদ্রঃ আলহামদুলিল্লাহ আমাদের দ্বারে মাকসুদ রূহানী তদবির সেন্টার এমন একটি সেবা কেন্দ্র, যেখানে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা প্রদানে বদ্ধপরিকর ইনশাআল্লাহ। আমাদের সেন্টারে পুরুষের ক্ষেত্রে পুরুষ চিকিৎসক এবং নারীদের ক্ষেত্রে নারী চিকিৎসক বা মুদাব্বির দ্বারা চিকিৎসা প্রদান করা হয়। তবে নারী রোগী চিকিৎসা নিতে হলে অবশ্যই সরাসরি আসতে হবে। আর যদি সরাসরি আসা সম্ভব না হয়, তাহলে পুরুষ চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা নিতে হবে। বিশেষ কারণে রোগীর অবস্থা বুঝে নারী চিকিৎসক যদি পুরুষ চিকিৎসকের কাছে রেফার করেন, তখন প্রয়োজনে পুরুষ চিকিৎসক বা মোদাব্বির নারীদের চিকিৎসা করেন।

#রুকইয়াহ
#তদবীর
#দ্বারেমাকসুদ

মাওলা আলী (আঃ) বলেছেন, "সবচেয়ে বড় বীর সে, যে নিজের নফস বা কু-রিপুগুলোকে দমন করতে পারে "।
11/07/2026

মাওলা আলী (আঃ) বলেছেন, "সবচেয়ে বড় বীর সে, যে নিজের নফস বা কু-রিপুগুলোকে দমন করতে পারে "।

✍️ পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে বলা যায়, জ্বীনেরা মহান আল্লাহর ইচ্ছায় বিভিন্ন রূপ ধারণ করার ক্ষমতা রাখে। পবিত্র হ...
08/07/2026

✍️ পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে বলা যায়, জ্বীনেরা মহান আল্লাহর ইচ্ছায় বিভিন্ন রূপ ধারণ করার ক্ষমতা রাখে। পবিত্র হাদিস এবং সাহাবায়ে কেরামের বর্ণনায় জ্বীনের বিভিন্ন রূপধারণ করার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।

👉 পবিত্র কুরআনের আলোকেঃ
জ্বীনদের এমন এক সৃষ্টি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যারা মানুষকে দেখতে পায়, অথচ মানুষ সাধারণ অবস্থায় তাদের দেখতে পায় না। আল্লাহ তা'য়ালা বলেন "নিশ্চয়ই সে জ্বীন (শয়তান) এবং তার দলবল তোমাদেরকে এমন স্থান থেকে দেখে, যেখান থেকে তোমরা তাদেরকে দেখতে পাও না।"
( সূরা আরাফ, আয়াত নং - ২৭)।
এ থেকে বোঝা যায়, তারা মানুষের দৃষ্টির আড়ালে থাকতে পারে এবং মহান আল্লাহ যেভাবে ইচ্ছা করেন সেভাবে প্রকাশ পেতে পারে।

👉 সহিহ হাদিস অনুযায়ী জ্বীনদের রূপঃ
১. সাপের রূপঃ এটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে সহিহ হাদিসে এসেছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, মদিনার কিছু সাপ আসলে জ্বীন। তাই ঘরের সাপকে হত্যা করার আগে তিনবার সতর্ক করতে বলেছেন। যদি চলে না যায়, তবে হত্যা করতে বলেছেন; কারণ তখন তা শয়তান বা জ্বীন।
(সহিহ মুসলিম, কিতাবুস সালাম)

২. কালো কুকুরের রূপঃ
সহিহ মুসলিমে এসেছে, কালো কুকুরকে "শয়তান" বা "জ্বীন" বলা হয়েছে। এ বিষয়ে অধিকাংশ আলেমের ব্যাখ্যা হলো, সব কালো কুকুর জ্বীন নয়; বরং কিছু শয়তান বা জ্বীন কালো কুকুরের রূপ ধারণ করতে পারে।

৩. মানুষের রূপঃ এটি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। বুখারী শরীফে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর যাকাত পাহারা দেওয়ার ঘটনায় এক ব্যক্তি বারবার এসে খাদ্য চুরি করে। পরে রাসূল ﷺ জানান "সে তোমার কাছে এসেছিল, কিন্তু সে ছিল শয়তান বা জ্বীন।"
(বুখারী শরীফ, হাঃ নং - ২৩১১)।
অর্থাৎ শয়তান মানুষের আকৃতি ধারণ করেছিল এবং যে কোন সময় করতেও পারে।

৪. পশুর অন্যান্য রূপঃ
সহিহ হাদিসে সাপ ও কালো কুকুরের কথা স্পষ্টভাবে এসেছে। কিছু ঐতিহাসিক ও আছারের বর্ণনায় বিড়াল বা অন্যান্য প্রাণীর রূপের কথা উল্লেখ আছে।

👉 আলেমদের বক্তব্যঃ
ইবনু তাইমিয়্যাহ এবং ইবনুল কাইয়্যিম উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহর অনুমতিতে জ্বীন মানুষ, সাপ, কুকুর, উট, গরু, গাধা ইত্যাদি বিভিন্ন আকৃতি ধারণ করতে পারে।

 #পরীক্ষা_ভালো_হওয়ার_জন্য_আমল 🌻 যে কোন দূরূদ শরীফ ৩ বার। 🌻 সূরা ফাতিহা ১ বার। 🌻নিম্নের দোয়াটি ৭ বার⤵ اللَّهُمَّ لَا سَهْ...
04/07/2026

#পরীক্ষা_ভালো_হওয়ার_জন্য_আমল

🌻 যে কোন দূরূদ শরীফ ৩ বার।
🌻 সূরা ফাতিহা ১ বার।
🌻নিম্নের দোয়াটি ৭ বার⤵
اللَّهُمَّ لَا سَهْلَ إِلَّا مَا جَعَلْتَهُ سَهْلًا، وَأَنْتَ تَجْعَلُ الْحَزْنَ إِذَا شِئْتَ سَهْلًا

👉 বাংলা উচ্চারণঃ⤵️
আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জা'আলতাহু সাহলান, ওয়া আনতা তাজ'আলুল হাজনা ইযা শি'তা সাহলান।
👉 বাংলা অনুবাদঃ⤵️
অর্থ: "হে আল্লাহ! আপনি যা সহজ করে দেন তা ছাড়া কোনো কিছুই সহজ নয়। আর আপনি ইচ্ছা করলে কঠিন বিষয়কেও সহজ করে দেন।"

🌻 নিম্নের দোয়াটি ৭ বার⤵️
حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ

👉 বাংলা উচ্চারণঃ⤵️
হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হু, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়া হুয়া রাব্বুল 'আরশিল 'আযীম। ( সূরা তওবা, আয়াত নং ১২৯)।
👉 বাংলা অনুবাদঃ⤵️
"আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি ছাড়া কোনো (সত্য) উপাস্য নেই। আমি তাঁরই ওপর ভরসা করেছি। আর তিনিই মহান আরশের অধিপতি।"

🌻 নিম্নের দোয়াটি ৭ বার⤵️
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي ۝ وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي ۝ وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي ۝ يَفْقَهُوا قَوْلِي
👉 বাংলা উচ্চারণঃ⤵️
রব্বিশরাহ্ লী সাদরী। ওয়া ইয়াসসির লী আমরী। ওয়াহলুল উকদাতাম্ মিন্ লিসানী। ইয়াফকাহূ কাওলী।( সূরা ত্বহা, আয়াত নং ২৫-২৮)।
👉 বাংলা অনুবাদঃ⤵️
"হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন। আমার কাজ সহজ করে দিন। আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দিন, যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।"( সূরা ত্বহা, আয়াত নং ২৫-২৮)।

🌻 আবার যে কোন দুরূদ শরীফ ৩ বার।

বিঃদ্রঃ এই আমলগুলো সকালে ও রাতে অর্থাৎ দৈনিক দুইবার করলে ইনশাআল্লাহ পরীক্ষা ভালো হবে ও পড়া মনে থাকবে।
( লেখা পড়া না করে শুধু আমল করলেই হবে না।আবার কেহ যদি মনে করে লেখা পড়া করলে আর আমল করবো কেন? আমল হলো আল্লাহ তা'য়ালা যেন দয়া করে এই লেখা পড়ার মধ্যে বরকত দান করেন। আল্লাহ তা'য়ালার দয়া ছাড়া কিছুই সম্ভব না)।

 #নাম_ও_কাজ_অনুযায়ী_জ্বীনদের_প্রকার ⤵️পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে নাম ও কাজ অনুযায়ী জ্বীনদের অনেক প্রকার রয়েছে। জ্বীনদে...
02/07/2026

#নাম_ও_কাজ_অনুযায়ী_জ্বীনদের_প্রকার ⤵️

পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে নাম ও কাজ অনুযায়ী জ্বীনদের অনেক প্রকার রয়েছে। জ্বীনদের ইতিহাস ও বিভিন্ন গ্রন্থে উল্লেখিত জ্বীনদের প্রকার কাজ নিম্নে উল্লেখ করা হলো। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে প্রমাণিত জ্বীন ও শয়তানের নামসমূহ⤵️

১. ইবলিস (إبليس)👉 যে সকল জ্বীন বা শয়তানের নেতা।মানুষকে পথভ্রষ্ট করা, কুমন্ত্রণা দেওয়া ও আল্লাহ তা'য়ালার পথ থেকে ফিরিয়ে রাখা।
দলিলঃ সূরা আল-বাকারা, আয়াত নং ৩৪ ; সূরা আল-কাহফ,আয়াত নং ৫০।

২. খান্নাস (الخناس)👉 যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়,
অন্তরে ওয়াসওয়াসা সৃষ্টি করে, তারপর সরে যায়। আল্লাহ তা'য়ালার যিকির করলে পিছু হটে। এরা সাধারণ ব্যবসায় অনেক ধরনের ক্ষতি করে। এদের কে অনেক সময় খাবাইস বলা হয় এবং এদের পরীদের কে খুবসি বলা হয়। এরা অপবিত্র জায়গায় এবং পানিতে পরিবার বেশি পছন্দ করে। আমাদের ওয়াশরুমে খান্নাস জ্বীন থাকে। পশ্চিমা বিশ্বে একে সুকুবাস ও ইনকিউবাস বলে অভিহিত করে। যার কথা সূরা নাস-এ উল্লেখ রয়েছে।

৩. খানজাব (خنزب)👉 নামাজে মনোযোগ নষ্ট করা ও
ওয়াসওয়াসা সৃষ্টি করা। এই জ্বীন সালাতরত মানুষের মনে নানারকম চিন্তা ঢুকিয়ে নামাজ থেকে অমনোযোগী ও উদাসীন করে তুলে। ফলে তারা সালাতে ভুল করে, কত রাকাত পড়েছে মনে থাকেনা, কোনটা কি করছে সন্দেহে পড়ে যায়। এর কারণে সওয়াবও কমে যায়।
দলিলঃ সহিহ মুসলিম, কিতাবুস সালাম, হাদিস নং, ২২০৩।

৪. ইফরিত (عفريت)👉 এটি একটি শক্তিশালী জ্বীনের শ্রেণি। ইফরিতরা নিজেদের ক্ষমতা ও চতুরতার জন্য সুপরিচিত। এদের বিশাল আগুনের ডানা থাকে ও এরা আগুন ছুঁড়তে সক্ষম। এরা সাধারণত স্বভাবে হিংস্র ও দুষ্ট হয়ে থাকে।ইফরিতরা ভূগর্ভে বসবাস করে বলে বলা হয়। এরা সাধারণত অন্যান্য জ্বীনদের বিয়ে করলেও কখনো কখনো মানুষদেরও বিয়ে করে থাকে।এরা কালোজাদুর ব্যবহার করতে পারে।এরা খারাপ আত্মা। মানুষের মতো সমাজব্যবস্থা রয়েছে এদের। সাধারণ কোনো অস্ত্র তাদের ক্ষতি করতে পারেনা। তবে মানুষ চেষ্টা করলে তাদের বশে আনতে পারে, এমনকি সাদাজাদুর মাধ্যমে হত্যাও করতে পারে। সাদাজাদু মানুষ করতে পারেন। ইফরির জ্বীন সম্পর্কে সূরা আন নামল এর ৩৯ নং আয়াতে উল্লেখ আছে।

৫. জান (الجان)👉 জ্বীন জাতির আদিপুরুষ ।
দলিলঃ সূরা আল-হিজর,আয়াত নং ২৭, সূরা আর-রাহমান,আয়াত নং ১৫।

৬. মারিদ (مارد)👉 উদ্ধত ও অবাধ্য জ্বীন। মারিদ হলো জ্বীনদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজাতি। ইসলাম পূর্ববর্তী সময়কাল থেকেই আরবের বিভিন্ন লোককথায় এর অস্তিত্বের কথা জানা যায়।আরবি ভাষায় ‘মারিদ’ শব্দের অর্থ হলো –দানব। সুবিশাল আকৃতি ও শক্তিমত্তার জন্য তাদেরকে এই নামে ডাকা হয়। তারা নিজেদের খেয়াল-খুশী মতো সবকিছু করে থাকে। তবে এরা প্রচন্ড শক্তিশালী ও বিশাল আকৃতির হওয়া সত্ত্বেও এদেরকে বশ করার মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেয়া যায়।এ মারিদ জ্বীনদের মারাত্মক একটি রূপ ধারণ করতে পারে। এই মারিদ জ্বীন সম্পর্কে সূরা আস-সাফফাতের ৭ নং আয়াতে উল্লেখ আছে।

৭. কারীন (قرين)👉 প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে একজন সঙ্গী জ্বীন থাকে। তার কাজ হলো মানুষকে কুমন্ত্রণা দেওয়া।
দলিলঃ সূরা কাফ,আয়াত নং ২৩ ও ২৭।
(সহিহ মুসলিম)।

✍️ বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থ ও ইসলামিক দার্শনিকদের লিখিত গ্রন্থ থেকে জ্বীনদের আরো প্রকারভেদ ও কার্যাবলী উল্লেখ করা হলো ⤵️

১/ ওলহানঃ 👉 এরা হচ্ছে একপ্রকার শয়তান জ্বীন যারা মানুষকে ওযুর সময় ওয়াসওয়াসা দেয়।ওয়াসওয়াসাগ্রস্থ মানুষেরা ওযুতে ভুল করে বেশি, এক কাজ কয়েকবার করে, তবুও মনে সন্দেহ থেকে যায় ওযুর অমুক অংগ ধোয়া হয়েছে কিনা? এরা পানি বেশি অপচয় করে।

২/ গইলানঃ👉 এরা হচ্ছে যাদুকর জ্বীন এরা মানুষের পথ বদলে দেয়। হযরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রা. বলেন "আমাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে আমরা গইলান দেখলে যেন আযান দেই"।( মুসনাদে আহমদ ও আল মুসান্নাফ)।

৩/ মাতিয়ানাকঃ👉 এরা হচ্ছে শক্তিশালী ও অনেক ভয়ংকর জ্বীন, মানুষের সন্তান হয়ে জন্মগ্রহণ করে।

৪/ সান্ডেকালাঃ👉 এরা হচ্ছে শক্তিশালী ও অনেক ভয়ংকর জ্বীন, সন্ধ্যা হলে সুযোগ পেলেই বাচ্চাদের ধরে নিয়ে মেরে ফেলে।

৫/ আনজারঃ👉 এরা হচ্ছে শক্তিশালী, অনেক ভয়ংকর ও হিংস্র পশুর ন্যায় স্বভাবের জ্বীন, এদের কোন কাজে ব্যাঘাত ঘটলে সব মানুষের বংশের সবার উপরে আছড় করে ও রূপের প্রলোভন দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং বেছে বেছে প্রাপ্তবয়স্ক সুদর্শন পুরুষ ও মহিলা যারা দাইয়্যূস প্রকৃতির মানুষ।

সান্ডেকালা,আনজার ও মাতিয়ানাক প্রজাতির জ্বীনেরা দুষ্ট জ্বীন এবং এরা ইবলিস শয়তানের অনুসারী হয়ে থাকে।

৬/ সাবরাদঃ👉 সাবরাদ দায়িত্বে আছে বিপদাপদে ধৈর্য হারানোর কাজ। মানুষের বিপদ বিপর্যয়ের সময় এই শয়তান তাকে অধৈর্য্য হয়ে মৃত্যুকে ডাকতে, জামাকাপড় ছিঁড়তে, বুক মুখ চাপড়াতে এবং ইসলাম-বিরোধী অজ্ঞসূচক কথাবার্তা বলতে প্ররোচিত করে।

৭/ আঊরঃ👉 আঊরের দায়িত্বে আছে জিনা-ব্যাভিচার। এই শয়তান মানুষকে জিনা-ব্যাভিচারের নির্দেশ দেয় এবং ওই কাজের দিকে আকৃষ্ট করে।

৮/ মাসূতঃ👉 মাসূতের দায়িত্বে আছে মিথ্যা সংবাদ রটানো। যেমন, এই শয়তান মিথ্যা কথা শুনে অন্য লোককে তা বলে। সে আবার তার এলাকার লোকেদের কাছে গিয়ে বলে- একজন আমাকে এইসব কথা বলেছে। তার নাম জানি না বটে, তবে সে আমার মুখচেনা।

৯/ দাসিমঃ👉 দাসিমের কাজ হলো মানুষের সাথে সাথে তার বাড়িতে আসা এবং বাড়ির লোকেদের দোষের কথাগুলো বলে দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে তাকে ক্ষেপিয়ে তোলা।

১০/ যিলনাবূরঃ👉 যিলনাবুরের দায়িত্বে আছে হাট-বাজার। সে তার (গুমরাহীর) পতাকা পুঁতে রেখেছে হাটে বাজারে।

১১/ শিকঃ👉 জ্বীন জাতির মধ্যে অন্যতম একটি প্রজাতি হলো শিক। এরা কিছুটা দানবীয় আকৃতির হলেও তুলনামূলক ভাবে দুর্বল হয়ে থাকে। এ কারণে শিকদের নিম্ন প্রজাতির জ্বীন বলে গণ্য হয়। এরা ঘৌল জ্বীনদের ন্যায় মানুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে বাচ্চা জন্ম দিতে পারে।

১২/ নাসনাসঃ👉 এরা ভিন্ন শক্তিশালী জ্বীন। এরা অর্ধেক জ্বীন এবং অর্ধেক পশু হয়। অর্ধেক জ্বীন হয় আর বাকি অর্ধেক কোন পশুপাখি, গাছপালা ইত্যাদি মত মত। এরা নোংরা জায়গায় বেশি থাকে। অর্ধেক দেখা যায় আর বাকি অর্ধেক অদৃশ্য থাকে। এরা বরাবরই মানুষের ক্ষতি করে থাকে এবং বড় বড় ক্ষমতা না থাকা সত্য না জানার খবর দেয়।

১৩/ হিনঃ👉 এরা জ্বীনের মধ্যে এমন এক জাতির অদ্ভুত প্রকৃতির হয়। এরা বড়ই আক্রমণের শিকার হয়। এরা মানুষের কোনো ক্ষতি করতে পারে না। হিন জ্বীনদের মুখটা শিয়ালের মতো কখনও কখনও ইঁদুরের মতো, হাতের আঙ্গুল তিনটা করে থাকে, তার গা রঙ কুৎসিত। এরা বোকা প্রকৃতির হয়। এরা সাধারণত কুকুরের বেশে চলাফেরা করে।
মুসলিম দার্শনিক জাকারিয়া ইবনে মুহাম্মাদ আল-কাজওয়ানি তার ‘দ্য বুক অব জ্বীন’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি সৌদি আরব, পারস্য ও ভারতে অনেকবার হিন জ্বীন দেখেছেন।

১৪/ সিলাতঃ👉 জ্বীনদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী জ্বীন হচ্ছে সিলাত জ্বীন। এরা দ্রুত আকৃতি পরিবর্তন করতে সক্ষম। বরাবরই মেয়ে জ্বীন বা পরী হয়। অত্যন্ত বুদ্ধিমান বলে মনে হয়। এরা খুব কমই মানুষের কাছে আসে। এরা সাধারণ মানুষের ক্ষতি না করে বরং পরোপকার করে থাকে। তবে এরা অনেক সময়ই বিভিন্নভাবে সাহায্য করে।

১৫/ পালিশঃ👉 সাধারণত এরা মরুভূমিতে বেশি থাকে। দেখতে প্রচন্ড কুৎসিত, শরীর খুব দুর্গন্ধময় এবং অন্ধকার ও জনমানবহীন জায়গায় বেশি থাকে। এরা বসবাসের জন্য লুকানোর জায়গা পছন্দ করে। মানুষের ক্ষতি করতে পারে এবং ভয় দেখাতেও বেশি অ্যাক্সপার্ট হতে পারে।পালিস জ্বীনরা ঘুমন্ত অবস্থায় মানুষদের উপর আক্রমণ করে এবং তাদের পা ও অন্যান্য শরীরের অংশ থেকে চেটেপুটে রক্ত খায়।

১৬/ ভেতালাঃ👉 ভেতালা জ্বীন মানুষের মৃতদেহ ধারণ করে ও অনায়াসে মানুষের মৃতদেহে ঢুকতে পারে এবং তাদের মৃতদেহ পচনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে প্রতিরোধ করতে পারে। এরা মানুষের রক্তের সাথে খুব মিশে যেতে পারে এবং মানুষের শরীর থেকে রক্ত দ্রুত শুকিয়ে নিয়ে যেতে পারে। ভেতালা জ্বীনও অন্যান্য জ্বীনদের মতো আকৃতি পরিবর্তনে সক্ষম। অনেক সময়কে মনের ভবিষ্যতবাণী করতে পারে ও এদের আধ্যাত্নিক ক্ষমতা রয়েছে এবং অতীতে কোনো তথ্য লাভ করতে সক্ষম বলে মনে করা হয়। এরা মানুষের ব্রেইনে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে। পশ্চিমা বিশ্বের একে জম্বি বলে অভিহিত করা হয়।

১৭/ যাথুমঃ👉 যাথুম জ্বীনকে ওভারপাওয়ারড জ্বীন বলা হয়। এরা ভয়ংকর জ্বীন। মুখ্য প্রধান আবাস বটবৃক্ষ। এরা যদি কোনো অজান্তে একবার ভূতাবিষ্ট করে তাহলে ছাড়ানো বেশ কঠিন। কোনো প্রকার তাবিজে কাজ হয় না, বিশেষ রূহানী পাওয়ার ছাড়া। এরা মেয়েকে বেশি ভূতাবিষ্ট করে।

💥তথ্যসূত্র⤵️
🌹জ্বীন জাতির বিস্ময়কর ইতিহাস : আল্লামা ইবনুল আছির।
🌹"জিন ও ফেরেশতাদের বিস্ময়কর ইতিহাস - আল্লামা ইবনে কাছীর (রহ.),আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতি রহ."।

 #লিঙ্গ_ও_গঠন_অনুযায়ী_জ্বীনের_প্রকার 👿 জ্বীন অনেক প্রকারের হয়। প্রথমে লিঙ্গ ও গঠন অনুযায়ী জ্বীনের প্রকার উল্লেখ করা হলো⤵...
30/06/2026

#লিঙ্গ_ও_গঠন_অনুযায়ী_জ্বীনের_প্রকার

👿 জ্বীন অনেক প্রকারের হয়। প্রথমে লিঙ্গ ও গঠন অনুযায়ী জ্বীনের প্রকার উল্লেখ করা হলো⤵️

লিঙ্গ অনুযায়ী জ্বীন দুই প্রকার। যেমনঃ পুরুষ ও নারী। অর্থাৎ জ্বীন জাতি মানুষের মত পুরুষ ও স্ত্রী জাতিতে বিভক্ত । হাদিস শরিফে এসেছে,
“যে এই আয়াত (আয়াতুল কুরসী) পড়বে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য একজন প্রহরী নিযুক্ত করে দিবেন এবং কোন পুরুষ এবং নারী জ্বীন-শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।” (সহিহ বুখারী, ৫০১০)।

💀 আবার গঠন অনুযায়ী জ্বীন তিন ধরনের হয়ে থাকে। এক হাদীসে বলা হয়েছে, সা’লাবা আল খাসানি থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
“তিন ধরনের জ্বীন আছে- এক প্রকারের জ্বীন পাখার মাধ্যমে বাতাসে ওড়ে, এক প্রকারের জ্বীন সাপ এবং মাকড়শার আকারে থাকে, শেষ প্রকারের জ্বীনরা সাধারনভাবে থাকে এবং চলাচল করে।”

(আত তাবারানী, আল হাকিম ৩৭০২, বায়হাক্বী এবং সহীহ আল জামে’ ৩১১৪)।

✍️ অবশ্যই শয়তান (ইবলিস) জ্বীন ছিল। যা পবিত্র কুরআন স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে।👉 আল্লাহ তাআলা বলেন:وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائ...
27/06/2026

✍️ অবশ্যই শয়তান (ইবলিস) জ্বীন ছিল। যা পবিত্র কুরআন স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে।

👉 আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ ۖ كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ

👉 আরবি উচ্চারণ⤵️
ওয়া ইয কুলনা লিল-মালাইকাতিসজুদূ লি-আদামা ফাসাজাদূ ইল্লা ইবলীস; কানা মিনাল-জিন্নি ফাফাসাকা আন আমরি রাব্বিহি ;

👉 বাংলা অনুবাদ⤵️
"আর যখন আমি ফেরেশতাদের বললাম, ‘তোমরা আদমকে সিজদা করো’, তখন সবাই সিজদা করল, কিন্তু ইবলিস করল না। সে ছিল জ্বীনদের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর সে তার রবের আদেশ অমান্য করল।"
(সূরা আল-কাহফ, আয়াত নং - ৫০)।

👉 এই আয়াতে "كَانَ مِنَ الْجِنِّ" (সে জ্বীনদের অন্তর্ভুক্ত ছিল)- এ কথাটি দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণ করে যে (ইবলিস) শয়তান ছিল মূলতঃ জ্বীন।।

🔷 একাধিক তাফসীর গ্রন্থে বলা হয়েছে শয়তান মূলতঃ জ্বীন ছিল। সূরা কাহাফের ৫০ নং আয়াতের তাফসীরে বলা হয়েছে, শয়তান মূলতঃ জ্বীন ছিল।
( তাফসীরে ইবনে কাসির, তাবারী, কুরতুবী ইত্যাদি) ।

🙀 কুরআনে জ্বীন সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা নাযিল করা হয়েছে। জ্বীন জাতিকে যে আল্লাহ তা'য়ালা সৃষ্টি করেছেন, তার অসংখ্য ...
25/06/2026

🙀 কুরআনে জ্বীন সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা নাযিল করা হয়েছে। জ্বীন জাতিকে যে আল্লাহ তা'য়ালা সৃষ্টি করেছেন, তার অসংখ্য প্রমাণ পবিত্র কুরআনে রয়েছে। তন্মধ্যে বিভিন্ন সূরা হতে কিছু আয়াত নিম্নে উপস্থাপন করা হলো।

👉 "যখন আমি একদল জ্বীনকে আপনার (অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর) প্রতি আকৃষ্ট করেছিলাম, তারা কোরআন পাঠ শুনছিল। তারা যখন কোরআন পাঠের জায়গায় উপস্থিত হল, তখন পরস্পর বলল, চুপ থাক। অতঃপর যখন পাঠ সমাপ্ত হল, তখন তারা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে (জ্বীন সম্প্রদায়) সতর্ককারীরূপে ফিরে গেল।” (সূরা আল-আহক্বাফ, ২৯)

👉 "হে জ্বীন ও মানব সম্প্রদায়, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে নবীগণ আগমন করেনি? যাঁরা তোমাদেরকে আমার বিধানাবলী বর্ণনা করতেন এবং তোমাদেরকে আজকের এ দিনের সাক্ষাতের ভীতি প্রদর্শন করতেন? তারা বলবে, আমরা আমাদের গোনাহ স্বীকার করে নিলাম। পার্থিব জীবন তাদেরকে প্রতারিত করেছে। তারা নিজেদের বিরুদ্ধে স্বীকার করে নিয়েছে যে, তারা কাফের ছিল।” (সূরা আল-আনআ’ম, ১৩০)

👉 “আমি জ্বীন ও মানুষকে কেবলমাত্র আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি” (সূরা আয্-যারিয়াত, ৫৬)

👉 ”হে জ্বীন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।” (সূরা আর-রহমান, ৩৩)

👉 ”বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জ্বীনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি।” (সূরা জ্বিন, ১)

👉 "আর এই যে মানুষের মধ্যের কিছু লোক জ্বীন জাতির কিছু লোকের আশ্রয় নিত, ফলে ওরা তাদের পাপাচার বাড়িয়ে দিত।” (সূরা জ্বীন, ৬)

 #জ্বীন_জাতির_অস্তিত্বের_প্রমাণ ✍️ জ্বীন জাতি মানুষদের থেকে পৃথক এক সৃষ্টি। জিন শব্দের অর্থ গুপ্ত, অদৃশ্য, লুক্কায়িত, আব...
23/06/2026

#জ্বীন_জাতির_অস্তিত্বের_প্রমাণ
✍️ জ্বীন জাতি মানুষদের থেকে পৃথক এক সৃষ্টি। জিন শব্দের অর্থ গুপ্ত, অদৃশ্য, লুক্কায়িত, আবৃত প্রভৃতি। জ্বীনের আদি পিতাকে বলা হয় আবুল জ্বীন বা জ্বান।

👉 জ্বীন সৃষ্টি জগতের এক প্রকার অদৃশ্য শক্তি। ফলে বাতাসের বেগে ছুটতে পারে। এর কারণ জ্বীনকে আগুণের শিখা থেকে সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ। জ্বীন জাতির প্রকৃতিই হলো অদৃশ্য থাকা। জ্বীনকে নিয়ে প্রায় প্রতিটি সমাজ ও জাতিতে রয়েছে নানা রকম গল্প। নানা রকম রহস্য সৃষ্টি করা হয়েছে একে নিয়ে।

👉 পবিত্র কুরআন এবং হাদীস অনুসারে জ্বীনদের তৈরি করা হয়েছে ধোঁয়াবিহীন আগুন (আরবি শব্দ- 'নার') হতে। আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেন,
“আর তিনি জ্বীনকে সৃষ্টি করেছেন আগুনের শিখা দিয়ে।” (সূরা আর-রহমান, ১৫)।

আল্লাহ তা'য়ালা আরো বলেছেন,
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ ۝٢٦
وَالْجَانَّ خَلَقْنَاهُ مِن قَبْلُ مِن نَّارِ السَّمُومِ ۝٢٧

অর্থাৎ " আর অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে, যা ছিল পরিবর্তিত কালো কাদামাটি।
আর এর পূর্বে আমি জ্বীনকে সৃষ্টি করেছি প্রখর উত্তপ্ত অগ্নিশিখা থেকে।" ( সূরা আল হিজর, আয়াত, ২৬-২৭)।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-

“ফেরেশতারা আলোর তৈরী, জ্বীনরা আগুনের স্ফুলিংগ থেকে তৈরী এবং আদমকে যেভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে তার বর্ণনা পবিত্র কুরআনে রয়েছে।”
(মুসলিম শরীফ )।

🌹 অতএব, পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসের স্পষ্ট বর্ণনা অনুযায়ী জ্বীন জাতি ধোঁয়াবিহীন আগুনের শিখা থেকে সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে প্রায় ৫০ বার জ্বীন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। জ্বীন জাতির সৃষ্টি, তাদের ইসলাম গ্রহণ, মানুষের আগে তাদের সৃষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে একাধিক আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। সুরা আর-রাহমানে জ্বীন ও মানুষকে একসঙ্গে সম্বোধন করা হয়েছে। সোলায়মান (আ.)-এর আমলে জ্বীনদের কাজকর্ম করার তথ্য পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে। জ্বীন জাতি সম্পর্কে মহান আল্লাহ ‘সুরা জ্বীন’ নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন। তাই জ্বীনের অস্তিত্ব অস্বীকার করা কোরআন অস্বীকার করার নামান্তর।

Address

Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্বারে মাকসুদ রূহানী তদবির সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share