Nutritionist Sneha

Nutritionist Sneha Helping patients achieve healthy weight, manage diabetes, PCOS, and improve lifestyle through personalized diet plans.

 #শিশুর_স্থূলতা  #গর্ভাবস্থাকালীন_মায়ের_স্বাস্থ্য**মায়ের স্বাস্থ্য এবং গর্ভাবস্থাকালীন বিভিন্ন বিষয় কীভাবে শিশুর স্থূলতা...
23/05/2026

#শিশুর_স্থূলতা #গর্ভাবস্থাকালীন_মায়ের_স্বাস্থ্য
**মায়ের স্বাস্থ্য এবং গর্ভাবস্থাকালীন বিভিন্ন বিষয় কীভাবে শিশুর স্থূলতার (Childhood Obesity) ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
এই চিত্রে দেখানো হয়েছে যে শিশুর স্থূলতা কেবল জন্মের পরের অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে না, বরং গর্ভাবস্থায় মায়ের শারীরিক অবস্থার ওপরও গভীরভাবে নির্ভরশীল। প্রধান কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. মায়ের স্থূলতা ও খাদ্যাভ্যাস (Maternal Obesity & Diet)
√গর্ভাবস্থার আগে বা চলাকালীন স্থূলতা:মায়ের উচ্চ BMI এবং রক্তে শর্করার আধিক্য (Hyperglycaemia) সরাসরি শিশুর ওজনকে প্রভাবিত করে।
√উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার:মা যদি গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খান, তবে তা শিশুর জিনের প্রকাশে (Epigenetic regulation) পরিবর্তন আনে যা চর্বি কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
√অপুষ্টি বা অতিরিক্ত ডায়েট:মায়ের খাবারে অতিরিক্ত বিধিনিষেধও শিশুর শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড জমানোর প্রবণতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
২. হরমোন ও প্লাসেন্টাল প্রভাব
√প্লাসেন্টাল ট্রান্সপোর্ট: গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টার মাধ্যমে পুষ্টির অতিরিক্ত আদান-প্রদান শিশুর ওজন বাড়িয়ে দেয়।
√মায়ের মানসিক চাপ (Maternal Stress): অতিরিক্ত মানসিক চাপের ফলে কর্টিসল হরমোন নির্গত হয়, যা শিশুর বিপাক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।
৩.গর্ভাবস্থাকালীন অন্যান্য ঝুঁকি
√গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (GDM): এটি শিশুর স্থূলতার একটি বড় কারণ।
√ধূমপান:গর্ভাবস্থায় ধূমপানের ফলে শিশুর বিপাকীয় হার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৪. শিশুর জন্মকালীন ও পরবর্তী অবস্থা
√জন্ম ওজন: অতিরিক্ত জন্ম ওজন অথবা খুব কম জন্ম ওজন (যা পরে খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়) উভয়ই ভবিষ্যতে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়।
√নিদ্রাহীনতা ও অক্সিজেন স্বল্পতা:ঘুমের অভাব বা মাতৃগর্ভে অক্সিজেনের স্বল্পতা (Hypoxia) শিশুর স্থূলতাকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
৫. জৈবিক ও নিউরোলজিক্যাল পরিবর্তন
√ চিত্রটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে এই কারণগুলো শিশুর মস্তিষ্কের (Hypothalamus) ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী নিউরনগুলোকে প্রভাবিত করে, যার ফলে শিশু জন্মগতভাবেই বেশি ক্ষুধার্ত অনুভব করতে পারে (Altered appetite regulation)।
***সারসংক্ষেপ:শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য গর্ভাবস্থায় মায়ের সঠিক ওজন বজায় রাখা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং মানসিক চাপমুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরী।

পুষ্টিবিদ স্নেহা_
#পুষ্টিবিদ_স্নেহা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস #স্বাস্থ্যসচেতনতা

 #ফ্যাটি_লিভার: আপনার লিভারে কি অলক্ষ্যে চর্বি জমছে না তো?​আমাদের শরীরের অন্যতম প্রধান পাওয়ার হাউস হলো লিভার। কিন্তু অতি...
18/05/2026

#ফ্যাটি_লিভার: আপনার লিভারে কি অলক্ষ্যে চর্বি জমছে না তো?
​আমাদের শরীরের অন্যতম প্রধান পাওয়ার হাউস হলো লিভার। কিন্তু অতিরিক্ত মেদ, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে যে সমস্যাটি মহামারী আকারে ছড়াচ্ছে, তা হলো ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver)।
​সহজ কথায়, লিভারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চর্বি জমে যাওয়াকেই ফ্যাটি লিভার বলে। প্রাথমিক অবস্থায় এটি ধরা না পড়লে পরবর্তীতে লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক জটিলতা তৈরি হতে পারে।
​🔬 ফ্যাটি লিভার কেন হয়?
​ফ্যাটি লিভার প্রধানত দুই প্রকার:
১. অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার: অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে যা হয়।
২. নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার (NAFLD): এটিই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এর মূল কারণগুলো হলো:
➤​ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: রক্তে অতিরিক্ত ইনসুলিন থাকলে লিভার বাড়তি গ্লুকোজকে চর্বিতে রূপান্তর করে নিজের ভেতরে জমা করতে থাকে।
➤​অতিরিক্ত রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট ও চিনি: কোমল পানীয়, ফাস্ট ফুড, এবং অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার লিভারে দ্রুত চর্বি জমায়।
➤​স্থূলতা বা বেলি ফ্যাট: বিশেষ করে পেটের চারপাশে অতিরিক্ত মেদ থাকলে এই ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
​উচ্চ রক্তচাপ এবং ট্রাইগ্লিসারাইড: রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকা।
​🚩 লক্ষণসমূহ:
​ফ্যাটি লিভারকে 'নীরব ঘাতক' বলা হয় কারণ প্রাথমিক অবস্থায় এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। তবে কিছু সাধারণ সংকেত হতে পারে:
​পেটের ডানদিকের ওপরের অংশে ভারী ভাব বা মৃদু ব্যথা।
​সারাক্ষণ অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করা।
​অল্পতেই হজমের সমস্যা হওয়া।
​✘✘ ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির বৈজ্ঞানিক উপায় (রিভার্স করার উপায়):
​সুসংবাদ হলো, সঠিক সময়ে ধরা পড়লে এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলে ফ্যাটি লিভার পুরোপুরি নিরাময় বা রিভার্স করা সম্ভব!
​✔ ওজন ও বেলি ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ: শরীরের অতিরিক্ত ওজনের মাত্র ৫% থেকে ১০% কমাতে পারলে লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়।
✔খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: চিনি, ময়দা, কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং প্রসেসড ফুড সম্পূর্ণ বাদ দিন। ডায়েটে প্রচুর ফাইবার (সবুজ শাকসবজি), ওমেগা-৩ (বাদাম, চিয়া সিডস, সামুদ্রিক মাছ) এবং লিন প্রোটিন রাখুন।
✔নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম: সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম বা দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন। এটি লিভারের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়।
✔ডিটক্স পানীয়: গ্রিন টি বা লেবু পানি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
​লিভারের যত্ন নিন আজ থেকেই। একটি সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রাই পারে আপনার লিভারকে সুস্থ ও চাঙ্গা রাখতে।

​সচেতন হোন, সুস্থ লিভারে দীর্ঘজীবী হোন।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #ফ্যাটি_লিভার #স্বাস্থ্যসচেতনতা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

 #ভিটামিন_ডি(শেষ পর্ব)☞ভিটামিন ডি ঘাটতির সাধারণ লক্ষণসমূহ:​সামান্য ঘাটতি থাকলে কোনো লক্ষণ না-ও দেখা দিতে পারে, তবে দীর্ঘ...
15/05/2026

#ভিটামিন_ডি(শেষ পর্ব)
☞ভিটামিন ডি ঘাটতির সাধারণ লক্ষণসমূহ:
​সামান্য ঘাটতি থাকলে কোনো লক্ষণ না-ও দেখা দিতে পারে, তবে দীর্ঘস্থায়ী অভাবের ফলে নিম্নোক্ত সমস্যাগুলো হতে পারে:
➤​হাড় ও জয়েন্টে ব্যথা: বিশেষ করে পিঠের নিচের অংশ, পা, পাঁজর বা জয়েন্টে ব্যথা।
➤​পেশির দুর্বলতা ও ব্যথা: কোনো কারণ ছাড়াই পেশিতে ব্যথা, খিঁচুনি বা দুর্বলতা (যেমন: সিঁড়ি বেয়ে উঠতে বা উঠে দাঁড়াতে কষ্ট হওয়া)।
➤​অবিরাম ক্লান্তি: প্রচণ্ড ক্লান্তি বা শক্তির অভাব যা পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও দূর হয় না।
➤​মানসিক অবস্থার পরিবর্তন: মন খারাপ থাকা, বিষণ্ণতা বা ঋতুভিত্তিক মনমরা ভাব।
➤​ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, যার ফলে বারবার ঠান্ডা লাগা বা সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়া।
➤​ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া: অস্ত্রোপচার বা আঘাতের পর ক্ষত শুকাতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগা।
➤​চুল পড়া: অতিরিক্ত চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা ঝরে পড়া।
➤​হাড়ের ঘনত্ব হ্রাস: দীর্ঘমেয়াদী অভাবের ফলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যেতে পারে (অস্টিওপরোসিস)।
​স্বাস্থ্যঝুঁকি
✪​দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করালে হাড়ের খনিজকরণে (Mineralization) সমস্যা তৈরি হয়:
√​প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে: এটি 'অস্টিওম্যালাশিয়া' (হাড় নরম হয়ে যাওয়া) এবং 'অস্টিওপরোসিস'-এর ঝুঁকি বাড়ায়।
√​শিশুদের ক্ষেত্রে: এটি 'রিকেটস' রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে হাড়ের বিকৃতি (যেমন: ধনুকের মতো বাঁকা পা) দেখা দেয়।
√​অন্যান্য ঝুঁকি: ভিটামিন ডি-এর নিম্ন মাত্রা বৃদ্ধ বয়সে হাড় ভেঙে যাওয়া এবং পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
☞​ভিটামিন ডি-এর সেরা প্রাকৃতিক উৎসসমূহ:
➤​তৈলাক্ত মাছ: স্যামন, ট্রাউট, ম্যাকেরেল এবং টুনা মাছ ভিটামিন ডি-এর অন্যতম সেরা উৎস। ১০০ গ্রাম স্টিমড স্যামন থেকে প্রায় ৯.৩ মাইক্রোগ্রাম (৩৭২ IU) ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
➤​কড লিভার অয়েল: এটি ভিটামিন ডি-এর অত্যন্ত ঘনীভূত একটি উৎস, যা সাধারণত সাপ্লিমেন্ট হিসেবে নেওয়া হয়।
➤​ডিমের কুসুম: এতে অল্প পরিমাণে ভিটামিন ডি৩ থাকে (পরিমাণ নির্ভর করে মুরগির খাদ্যের ওপর)।
➤​গরুর কলিজা ও লাল মাংস: অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি এটি ভিটামিন ডি সরবরাহ করে।
➤​মাশরুম: নির্দিষ্ট কিছু মাশরুম (বিশেষ করে যেগুলো আল্ট্রাভায়োলেট বা অতিবেগুনী রশ্মিতে রাখা হয়) ভিটামিন ডি২ সরবরাহ করে।
***​ভিটামিন ডি গ্রহণের কিছু জরুরি পরামর্শ:
◑​সূর্যালোকের সংস্পর্শ: যখন ত্বক সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসে, তখন আমাদের শরীর নিজে থেকেই ভিটামিন ডি৩ তৈরি করে।
◑​যাঁদের ঝুঁকি বেশি: ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি, যারা রোদে কম বের হন এবং যাঁদের গায়ের রঙ গাঢ়, তাঁদের ভিটামিন ডি-এর মাত্রা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
◑​জৈব-উপলব্ধতা (Bioavailability): উদ্ভিদজাত উৎসের (D2) তুলনায় প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া ভিটামিন.
-পুষ্টিবিদ স্নেহা

☞ম্যাগনেসিয়াম কী?​ম্যাগনেসিয়াম একটি খনিজ যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তচা...
13/05/2026

☞ম্যাগনেসিয়াম কী?
​ম্যাগনেসিয়াম একটি খনিজ যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে, হাড় মজবুত করতে এবং হৃদস্পন্দন স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রোটিন ও ডিএনএ (DNA) তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
➤​ম্যাগনেসিয়ামের অভাব (Deficiency)
​দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম না খেলে শরীরে এর অভাব দেখা দিতে পারে। আপনার শরীর প্রস্রাবের মাধ্যমে ম্যাগনেসিয়াম ধরে রাখার চেষ্টা করে বলে শুরুতে এর অভাব বোঝা যায় না।
➤ম্যাগনেসিয়াম অভাবের লক্ষণগুলো হলো:
১.ক্ষুধা মন্দা বা খেতে ইচ্ছে না করা।
২.​বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৩.​ক্লান্তি এবং দুর্বলতা অনুভব করা।
৪.​অভাব গুরুতর হলে যা হতে পারে:
৫.শরীরে ম্যাগনেসিয়াম অনেক কমে গেলে হাত-পা ঝিঁঝিঁ করা
৬.পেশিতে টান লাগা, খিঁচুনি বা হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন হতে পারে।
➤​কারা বেশি ঝুঁকিতে আছেন?
​কিছু নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে:
√​যাদের পেটের সমস্যা আছে (যেমন: ক্রোনস ডিজিজ বা সিলিয়াক ডিজিজ)।
√​টাইপ ২ ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তি।
√​যারা দীর্ঘকাল ধরে অতিরিক্ত মদ্যপান করেন।
√​বয়স্ক ব্যক্তি এবং কিডনি রোগী।
√​প্যারাথাইরয়েড সমস্যা আছে এমন ব্যক্তি।
√​যারা নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের ওষুধ বা এসিড রিফ্লাক্সের ওষুধ (PPIs যেমন: ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল) সেবন করেন।
☞​ম্যাগনেসিয়ামের উপকারিতা:
​ম্যাগনেসিয়াম শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারী
✔প্রদাহ কমায়:
শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হলে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ বাড়তে পারে, যা হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
✔​উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি কমায়: এটি স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে।
✔​মাইগ্রেন: গবেষণায় দেখা গেছে, ম্যাগনেসিয়ামের অভাব মাইগ্রেনের ব্যথার একটি কারণ হতে পারে।
✔​ভালো ঘুম: এটি মস্তিষ্কের GABA নামক রাসায়নিক এবং স্নায়ুতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।
✔​ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের বিএমআই (BMI) এবং চর্বি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

☞​ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার:
​প্রাকৃতিকভাবে ম্যাগনেসিয়াম পেতে নিচের খাবারগুলো খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত:
◑সবুজ শাকসবজি: যেমন পালং শাক।
◑বাদাম ও বীজ: বিভিন্ন ধরণের বাদাম এবং কুমড়ার বীজ।
◑ডাল ও শস্য: শিম, মটরশুঁটি, সয়াবিন।
◑​আস্ত দানা শস্য: গমের ভূষি, ওটস এবং হোল-গ্রেইন।

সঠিক পুষ্টি জানুন, সুস্থ জীবন গড়ুন।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #স্বাস্থ্যকথা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

 #ভিটামিন_ডি ( ৪র্থ পর্ব)➤ভিটামিন ডি এর অভাব​ভিটামিন ডি-এর অভাব তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যারা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট (দুগ্...
12/05/2026

#ভিটামিন_ডি ( ৪র্থ পর্ব)
➤ভিটামিন ডি এর অভাব
​ভিটামিন ডি-এর অভাব তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যারা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট (দুগ্ধজাত খাবার সহ্য হয় না), যাদের দুধে অ্যালার্জি আছে, অথবা যারা ওভো-ভেজিটেরিয়ান (ডিমভোজী নিরামিষাশী) বা কঠোর নিরামিষাশী (ভেগান) ডায়েট অনুসরণ করেন। এছাড়া যারা পর্যাপ্ত সূর্যালোক পান না, যাদের কিডনি ২৫(ওএইচ)ডি-কে সক্রিয় রূপে রূপান্তর করতে পারে না, অথবা যাদের পাচনতন্ত্র কার্যকরভাবে ভিটামিন ডি শোষণ করতে পারে না, তাদের মধ্যেও এই অভাব দেখা দিতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-এর অভাব রিকেটস হিসেবে এবং কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি অস্টিওম্যালাসিয়া হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে।
​মানুষের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর অভাব তখন তৈরি হয় যখন দীর্ঘ সময় ধরে তাদের খাদ্যতালিকায় এর পরিমাণ সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে কম থাকে, সূর্যের আলোতে কম যাওয়া হয়, কিডনি ২৫(ওএইচ)ডি-কে সক্রিয় করতে ব্যর্থ হয়, অথবা পরিপাকতন্ত্র থেকে এর শোষণ পর্যাপ্ত হয় না। যাদের দুধে অ্যালার্জি বা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে এবং যারা নিরামিষাশী ডায়েট মেনে চলেন, তাদের খাবারে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি বেশি দেখা যায়।
​শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-এর অভাবের ফলে রিকেটস হয়। এটি এমন একটি রোগ যেখানে হাড়ের টিস্যুগুলো সঠিকভাবে খনিজ সমৃদ্ধ হতে পারে না, যার ফলে হাড় নরম হয়ে যায় এবং কঙ্কালের বিকৃতি ঘটে। হাড়ের বিকৃতি ও ব্যথা ছাড়াও, গুরুতর রিকেটস শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতে বাধা, বিকাশে বিলম্ব, ক্যালসিয়ামের অভাবে খিঁচুনি (হাইপোক্যালসেমিক সিজার), মাংসপেশির খিঁচুনি (টিটানিক স্পাজম), কার্ডিওমায়োপ্যাথি (হৃদযন্ত্রের সমস্যা) এবং দাঁতের অস্বাভাবিকতা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট ছাড়া শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করালে শিশুদের রিকেটস হতে পারে।
✔​ভিটামিন ডি অপর্যাপ্ততার ঝুঁকিতে থাকা গোষ্ঠীসমূহ
​নির্দিষ্ট কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-এর অপর্যাপ্ততা থাকার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে বেশি। এর মধ্যে রয়েছে বুকের দুধ পান করা শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, যারা কম রোদে যান, শ্যামলা বা গাঢ় বর্ণের ত্বকের অধিকারী মানুষ, যাদের ফ্যাট বা চর্বি শোষণে সমস্যা আছে এবং যারা স্থূলতা বা গ্যাস্ট্রিক বাইপাস সার্জারি করিয়েছেন।
​বুকের দুধ পান করা শিশু।
***শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করে শিশুরা সাধারণত ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে পারে না, কারণ এতে প্রতি লিটারে মাত্র ০.৬ থেকে ২.০ মাইক্রোগ্রাম (২৫ থেকে ৭৮ আইইউ) ভিটামিন ডি থাকে। মায়ের দুধে ভিটামিন ডি-এর পরিমাণ মায়ের শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রার ওপর নির্ভর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েরা প্রতিদিন অন্তত ৫০ মাইক্রোগ্রাম (২,০০০ আইইউ) ভিটামিন ডি৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন, তাদের বুকের দুধে এই পুষ্টি উপাদানের মাত্রা বেশি থাকে।
*​**বয়স্ক ব্যক্তি
বয়স্ক ব্যক্তিদের ভিটামিন ডি-এর অভাব হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে, যার অন্যতম কারণ হলো বয়সের সাথে সাথে ত্বকের ভিটামিন ডি সংশ্লেষণ করার ক্ষমতা কমে যায়।
📍 অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে, নাম, বয়স ও সমস্যা লিখে পেইজে মেসেজ করুন।

'সঠিক পুষ্টি জানুন, সুস্থ জীবন গড়ুন'
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #ভিটামিন_ডি #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #স্বাস্থ্যকথা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

 #ভিটামিন_ডি (৩য় পর্ব):সুপারিশকৃত গ্রহণের মাত্রা (Recommended Intakes):​ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্...
09/05/2026

#ভিটামিন_ডি (৩য় পর্ব):
সুপারিশকৃত গ্রহণের মাত্রা (Recommended Intakes):
​ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিন-এর 'ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বোর্ড' ভিটামিন ডি-এর জন্য Recommended Dietary Allowances (RDA) এবং Adequate Intakes (AI) নির্ধারণ করেছে। বয়সভেদে এই মানগুলো প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ১৫ থেকে ২০ মাইক্রোগ্রাম (৬০০–৮০০ IU) এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য ১০ থেকে ১৫ মাইক্রোগ্রাম (৪০০–৬০০ IU) পর্যন্ত হয়ে থাকে।
​ভিটামিন ডি এবং অন্যান্য পুষ্টির গ্রহণের সুপারিশগুলো NASEM-এর বিশেষজ্ঞ কমিটি দ্বারা তৈরি Dietary Reference Intakes (DRIs)-এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়। DRI হলো সুস্থ মানুষের পুষ্টি গ্রহণের পরিকল্পনা এবং মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত রেফারেন্স মানগুলোর একটি সেট। এই মানগুলোর মধ্যে রয়েছে:
➤​Recommended Dietary Allowance (RDA): দৈনিক গ্রহণের গড় মাত্রা যা প্রায় সব (৯৭%–৯৮%) সুস্থ ব্যক্তির পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট; এটি সাধারণত ব্যক্তিদের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ ডায়েট পরিকল্পনা করতে ব্যবহৃত হয়।
➤​Adequate Intake (AI): এই স্তরের গ্রহণ পুষ্টির পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করে বলে ধরে নেওয়া হয়; যখন RDA নির্ধারণ করার মতো যথেষ্ট তথ্য থাকে না, তখন এটি স্থাপন করা হয়।
➤​Estimated Average Requirement (EAR): দৈনিক গ্রহণের গড় মাত্রা যা ৫০% সুস্থ ব্যক্তির চাহিদা মেটাবে বলে অনুমান করা হয়; এটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর পুষ্টি মূল্যায়ন এবং তাদের ডায়েট পরিকল্পনায় ব্যবহৃত হয়।
➤​Tolerable Upper Intake Level (UL): দৈনিক গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা যা স্বাস্থ্যের ওপর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা বিরূপ প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

☞​ভিটামিন ডি-এর উৎস (Sources of Vitamin D)
***​খাবার:
​ভিটামিন ডি প্রাকৃতিকভাবে খুব কম খাবারে পাওয়া যায়, যেমন: চর্বিযুক্ত মাছ, মাছের লিভার অয়েল (তেল), গরুর কলিজা, ডিমের কুসুম এবং পনির।
***​সূর্যালোক:
​মানুষ সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে তাদের দৈনিক ভিটামিন ডি-এর কিছু অংশ পেতে পারে। তবে ঋতু, দিনের সময়, দিনের দৈর্ঘ্য, মেঘের অবস্থা, ত্বকের মেলানিন এবং অন্যান্য বিষয়গুলো অতিবেগুনি রশ্মির বিকিরণ ও ভিটামিন ডি সংশ্লেষণকে প্রভাবিত করতে পারে।
​কিছু বিশেষজ্ঞ সংস্থা এবং গবেষক পরামর্শ দেন যে, সপ্তাহে অন্তত দুবার বা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে সানস্ক্রিন ছাড়াই মুখ, হাত ও পায়ে প্রায় ৫ থেকে ৩০ মিনিট রোদ লাগালে সাধারণত শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি তৈরি হয়।
সঠিক পুষ্টি জানুন, সুস্থ জীবন গড়ুন।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #স্বাস্থ্যকথা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

08/05/2026

█▓▒▒░░░সুস্থ শিশু, সফল ভবিষ্যৎ!░░░▒▒▓█
বর্তমান সময়ে শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য সঠিক পুষ্টি এবং সময়মতো টিকাদান অত্যন্ত জরুরি। হামের মতো রোগ প্রতিরোধে সচেতনতাই আমাদের প্রথম হাতিয়ার।
একজন পুষ্টিবিদ হিসেবে আমার পরামর্শ:
✅ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করুন।
✅ ইপিআই (EPI) শিডিউল অনুযায়ী সকল টিকা সময়মতো সম্পন্ন করুন।
✅ ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে অভ্যস্ত হোন।
আপনার শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক যেকোনো পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।
📞 **হোয়াটসঅ্যাপ করুন:** ০১৫১৫২৪৪৭৪১
#পুষ্টিবিদস্নেহা #শিশুরস্বাস্থ্য #হামপ্রতিরোধ #ভ্যাকসিন #সঠিকপুষ্টি #সুস্থশিশু #স্বাস্থ্যসচেতনতা

 #ভিটামিন_ডি (২য় পর্ব):ভিটামিন ডি-র অবস্থা মূল্যায়ন (Assessing vitamin D status):সিরাম ২৫(ওএইচ)ডি বা 25(OH)D-এর ঘনত্ব হ...
06/05/2026

#ভিটামিন_ডি (২য় পর্ব):
ভিটামিন ডি-র অবস্থা মূল্যায়ন (Assessing vitamin D status):
সিরাম ২৫(ওএইচ)ডি বা 25(OH)D-এর ঘনত্ব হলো ভিটামিন ডি-র অবস্থার প্রধান নির্দেশক। তবে ভিটামিন ডি-র অভাবের সাথে ২৫(ওএইচ)ডি-র ঠিক কোন মাত্রার ঘনত্ব জড়িত, তা এখনও নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিন-এর 'ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বোর্ড' (FNB) জানিয়েছে যে, অধিকাংশ মানুষের জন্য ৫০ nmol/L (২০ ng/mL) বা তার বেশি মাত্রা পর্যাপ্ত। অন্যদিকে, সিরামে এই ঘনত্ব ৩০ nmol/L (১২ ng/mL)-এর কম হলে অভাব বা ঘাটতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।
​ভিটামিন ডি পরিমাপের মূল বিষয়সমূহ:
প্রধান নির্দেশক: সিরাম ২৫(ওএইচ)ডি বর্তমানে ভিটামিন ডি-র অবস্থার প্রধান সূচক। এটি শরীর নিজে থেকে তৈরি করা এবং খাদ্য বা সাপ্লিমেন্ট থেকে পাওয়া ভিটামিন ডি—উভয়কেই প্রতিফলিত করে।
স্থায়িত্ব: রক্তে ২৫(ওএইচ)ডি-র হাফ-লাইফ বা অর্ধায়ু প্রায় ১৫ দিন, যা বেশ দীর্ঘ।
পরিমাপের একক: সিরামে ২৫(ওএইচ)ডি-র ঘনত্ব ন্যানোমোল পার লিটার (nmol/L) এবং ন্যানোগ্রাম পার মিলিলিটার (ng/mL) উভয় এককেই প্রকাশ করা হয়। এর রূপান্তর হলো:
1nmol/L = 0.4 ng/mL
1 ng/m = 2.5 nmol/L
জটিলতা ও মানক নির্ধারণ
​ল্যাবরেটরিগুলোতে ব্যবহৃত বিভিন্ন পরীক্ষার পদ্ধতির (যেমন: অ্যান্টিবডি বা ক্রোমাটোগ্রাফি) ভিন্নতার কারণে ২৫(ওএইচ)ডি-র মাত্রা পরিমাপ করা বেশ জটিল। এর ফলে, ব্যবহৃত পদ্ধতি বা ল্যাবরেটরির ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষার ফলাফল ভুলবশত কম বা বেশি আসতে পারে। এই সমস্যা সমাধানে এবং ক্লিনিক্যাল ও জনস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে 'ইন্টারন্যাশনাল ভিটামিন ডি স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন প্রোগ্রাম' ল্যাবরেটরি পরিমাপের মানক পদ্ধতি তৈরি করেছে।
​অন্যান্য নির্দেশক
​২৫(ওএইচ)ডি-র বিপরীতে, রক্তে ১,২৫(ওএইচ)২ডি বা 1,25(OH)2D সাধারণত ভিটামিন ডি-র অবস্থার ভালো নির্দেশক নয়। এর কারণ হলো:
১.​এর অর্ধায়ু বা স্থায়িত্বকাল মাত্র কয়েক ঘণ্টা।
২. ​সিরামে এর মাত্রা প্যারাথাইরয়েড হরমোন,ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।
৩. ভিটামিন ডি-র ঘাটতি খুব গুরুতর না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত ১,২৫(ওএইচ)২ডি-র মাত্রা কমে না।
​গবেষকরা রিকেটস বা হাড়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় ২৫(ওএইচ)ডি-র সুনির্দিষ্ট মাত্রা এখনও নির্ধারণ করতে পারেননি। তবে FNB-এর বিশেষজ্ঞ কমিটির পর্যালোচনা অনুযায়ী ভিটামিন ডি-র অবস্থার একটি সাধারণ ছক নিচে দেওয়া হলো:
২৫(ওএইচ)ডি-র মাত্রা অবস্থা
➤৩০ nmol/L (১২ ng/mL)-এর কম ভিটামিন ডি ঘাটতির ঝুঁকি রয়েছে।
➤৩০ থেকে ৫০ nmol/L (১২–২০ ng/mL)- অনেকের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত না হওয়ার (ইনঅ্যাডিকুয়েসি) ঝুঁকি থাকে।
➤৫০ nmol/L (২০ ng/mL) বা তার বেশি অধিকাংশ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত।
➤১২৫ nmol/L (৫০ ng/mL)-এর বেশি ক্ষতিকারক বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

📍 অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে, নাম, বয়স ও সমস্যা লিখে পেইজে মেসেজ করুন।

​সঠিক পুষ্টি জানুন, সুস্থ জীবন গড়ুন।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
#পুষ্টিবিদ_স্নেহা #স্বাস্থ্যকথা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস িয়ন্ত্রণ

 #ভিটামিন_ডি-(পর্ব ১):ভিটামিন ডি (যা ক্যালসিফেরল নামেও পরিচিত) একটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা প্রাকৃতিকভাবে কিছু খাবার...
04/05/2026

#ভিটামিন_ডি-(পর্ব ১):

ভিটামিন ডি (যা ক্যালসিফেরল নামেও পরিচিত) একটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা প্রাকৃতিকভাবে কিছু খাবারে থাকে, আবার কিছু খাবারে কৃত্রিমভাবে যোগ করা হয় এবং এটি ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও পাওয়া যায়। সূর্যের অতিবেগুনী (UV) রশ্মি যখন ত্বকে লাগে তখন শরীরে প্রাকৃতিকভাবেই ভিটামিন ডি তৈরি হয়।
​সূর্যালোক, খাদ্য এবং সাপ্লিমেন্ট থেকে পাওয়া ভিটামিন ডি মূলত নিষ্ক্রিয় থাকে এবং এটি সক্রিয় হতে শরীরে দুটি 'হাইড্রোক্সিলেশন' প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। প্রথমটি ঘটে লিভারে, যা ভিটামিন ডি-কে ২৫-হাইড্রক্সিভিটামিন ডি [25(OH)D] বা ক্যালসিডিওলে রূপান্তরিত করে। দ্বিতীয়টি মূলত কিডনিতে ঘটে এবং এর মাধ্যমে শারীরবৃত্তীয়ভাবে সক্রিয় ১,২৫-ডাইহাইড্রক্সিভিটামিন ডি [1,25(OH)2D] বা ক্যালসিট্রিওল তৈরি হয়।
​ভিটামিন ডি অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে এবং রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের সঠিক মাত্রা বজায় রাখে। এটি হাড়ের স্বাভাবিক খনিজকরণ (mineralization) নিশ্চিত করে এবং 'হাইপোক্যালসেমিক টেটানি' (পেশির অনৈচ্ছিক সংকোচন যা থেকে খিঁচুনি ও ব্যথা হয়) প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া ওস্টিওব্লাস্ট এবং ওস্টিওক্লাস্টের মাধ্যমে হাড়ের বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনের জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে হাড় পাতলা, ভঙ্গুর বা বিকৃত হয়ে যেতে পারে। ভিটামিন ডি-এর সঠিক মাত্রা শিশুদের রিকেটস এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ওস্টিওম্যালাসিয়া প্রতিরোধ করে। ক্যালসিয়ামের সাথে মিলে এটি বয়স্ক ব্যক্তিদের ওস্টিওপরোসিস থেকেও রক্ষা করে।
​শরীরে ভিটামিন ডি-এর আরও কিছু ভূমিকা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রদাহ কমানো এবং কোষের বৃদ্ধি, স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং গ্লুকোজ বিপাকের মতো প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ করা। কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি ও বিভাজন নিয়ন্ত্রণকারী অনেক জিন আংশিকভাবে ভিটামিন ডি দ্বারা পরিচালিত হয়। শরীরের অনেক টিস্যুতে ভিটামিন ডি রিসেপ্টর রয়েছে এবং কিছু টিস্যু ২৫(OH)D-কে ১,২৫(OH)2D-তে রূপান্তরিত করতে পারে।
​খাবার ও সাপ্লিমেন্টে ভিটামিন ডি মূলত দুটি আকারে থাকে: ডি২ (এরগো-ক্যালসিফেরল) এবং ডি৩ (কোলে-ক্যালসিফেরল), যাদের রাসায়নিক গঠন প্রায় একই রকম। উভয় প্রকারই ক্ষুদ্রান্ত্রে ভালভাবে শোষিত হয়। এই শোষণ প্রক্রিয়াটি প্যাসিভ ডিফিউশন এবং অন্ত্রের মেমব্রেন ক্যারিয়ার প্রোটিনের মাধ্যমে ঘটে। পেটে চর্বিযুক্ত খাবারের উপস্থিতি ভিটামিন ডি শোষণকে বাড়িয়ে দেয়, তবে চর্বি ছাড়াও কিছু পরিমাণ ভিটামিন ডি শোষিত হতে পারে। বয়স বৃদ্ধি বা স্থূলতা অন্ত্র থেকে ভিটামিন ডি শোষণে কোনো পরিবর্তন ঘটায় না।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
#শিশুর_স্বাস্থ্য িয়ন্ত্রণ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা
#ভিটামিনডি

🛑 আপনার শিশু কি ওবেসিটির দিকে যাচ্ছে? সময় থাকতেই সতর্ক হোন!​ছোটবেলায় শিশুদের একটু গোলগাল বা 'বাবু বাবু' চেহারা দেখতে আমা...
03/05/2026

🛑 আপনার শিশু কি ওবেসিটির দিকে যাচ্ছে? সময় থাকতেই সতর্ক হোন!
​ছোটবেলায় শিশুদের একটু গোলগাল বা 'বাবু বাবু' চেহারা দেখতে আমাদের সবারই ভালো লাগে। কিন্তু এই অতিরিক্ত ওজন যখন তার উচ্চতা ও বয়সের তুলনায় অনেক বেশি হয়ে যায়, তখন তা মোটেও আদরের নয়, বরং উদ্বেগের বিষয়।
​🔍কেন বাড়ছে শিশুদের ওজন?
​১. পর্দার আসক্তি (Screen Time): মোবাইল বা টিভিতে কার্টুন দেখে খাওয়ার অভ্যাস শিশুদের অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
২. জাঙ্ক ফুড ও প্রসেসড খাবার: চিপস, চকোলেট, বিস্কুট এবং প্যাকেটজাত জুস যা ক্যালরিতে ঠাসা কিন্তু পুষ্টিতে শূন্য।
৩. শারীরিক শ্রমের অভাব: খেলাধুলার জায়গা কমে যাওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা মেটাবলিজম কমিয়ে দিচ্ছে।
৪. অগোছালো জীবনযাপন: রাত জেগে থাকা এবং দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করছে।
​⚠️ শিশু বয়সে ওবেসিটির ঝুঁকিগুলো কী কী?
​ছোটবেলা থেকেই অতিরিক্ত ওজন হলে শিশুর শরীরে কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে:
!​!টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি।
!​!শ্বাসকষ্ট ও ঘুমের সমস্যা।
!​!হাড় ও জয়েন্টের জটিলতা।
!!​মানসিক অবসাদ ও আত্মবিশ্বাসের অভাব।
​✨ বাবা-মা হিসেবে আপনার করণীয়:
√খাবার সময় স্ক্রিন নয়: শিশুকে টিভি বা মোবাইলের সামনে বসিয়ে খাওয়াবেন না। এতে সে কতটুকু খাচ্ছে তা বুঝতে পারে না।
√​ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার: রঙিন শাকসবজি, ফল এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার দিন। চিনিযুক্ত পানীয়র বদলে পানি বা ফলের রস দিন।
√​সক্রিয় রাখা: দিনে অন্তত ১ ঘণ্টা তাকে শারীরিক খেলাধুলায় উৎসাহিত করুন।
√​সঠিক উদাহরণ হোন: শিশু আপনাকে যা করতে দেখে, তাই শেখে। আপনি নিজে স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে সেও আগ্রহী হবে।
​মনে রাখবেন, আজকের সচেতনতা আপনার শিশুর একটি সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যতের গ্যারান্টি। শিশুর ওজন নিয়ে চিন্তিত থাকলে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
​আপনার শিশুর সুস্থতা আমাদের দায়িত্ব।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
📍 অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে, নাম, বয়স ও সমস্যা লিখে পেইজে মেসেজ করুন।অথবা হোয়াটস এপ করুন

​ #শিশুর_স্বাস্থ্য িয়ন্ত্রণ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #সুস্থ_শৈশব

Address

Pallabi R/A, Mirpur-12
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Sneha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share