Nutritionist Sneha

Nutritionist Sneha Helping patients achieve healthy weight, manage diabetes, PCOS, and improve lifestyle through personalized diet plans.

 #সচেতনতা অতিরিক্ত ঘাম হওয়া (যেটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হাইপারহাইড্রোসিস বা Hyperhidrosis বলা হয়) মূলত দুই ধরনের হতে ...
04/07/2026

#সচেতনতা
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া (যেটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হাইপারহাইড্রোসিস বা Hyperhidrosis বলা হয়) মূলত দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই শরীরের কিছু অংশ (যেমন হাত, পা বা বগল) অতিরিক্ত ঘামা। অন্যটি হলো শরীরের কোনো অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা বা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে পুরো শরীর অতিরিক্ত ঘামা।
​অতিরিক্ত ঘাম হওয়া সাধারণত নিচের শারীরিক অবস্থা বা লক্ষণগুলোর ইঙ্গিত দিতে পারে:
​১. হরমোনের পরিবর্তন বা ভারসাম্যহীনতা
​থাইরয়েডের সমস্যা: শরীরে থাইরয়েড হরমোন বেশি তৈরি হলে (হাইপারথাইরয়েডিজম) মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া খুব বেড়ে যায়। এর ফলে শরীর বেশি উত্তপ্ত হয় এবং অতিরিক্ত ঘাম হয়।
​মেনোপজ: নারীদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে যখন পিরিয়ড স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়, তখন হরমোনের ওঠানামার কারণে হঠাৎ খুব গরম লাগা (Hot flashes) এবং রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।
​২. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ (Anxiety)
​আমরা যখন খুব বেশি দুশ্চিন্তা, ভয়, মানসিক চাপ বা নার্ভাসনেসের মধ্য দিয়ে যাই, তখন শরীরের 'ফাইট অর ফ্লাইট' রেসপন্স সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে হার্টবিট বেড়ে যায় এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে অতিরিক্ত ঘাম তৈরি হয়। একে এপিসোডিক হাইপারহাইড্রোসিসও বলা হয়।
​৩. রক্তের শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া (Hypoglycemia)
​ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার বা চিনির পরিমাণ হঠাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে শরীর থেকে ঠান্ডা ঘাম বের হতে পারে। এটি একটি জরুরি সংকেত, যার সাথে মাথা ঘোরা বা শরীর কাঁপার মতো লক্ষণও দেখা যায়।
​৪. ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদী ইনফেকশন
​শরীরে কোনো দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণ বা ইনফেকশন থাকলে (যেমন যক্ষ্মা বা টিবি, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি) রাতের বেলা শরীর অতিরিক্ত ঘামতে পারে। একে সাধারণত 'নাইট সোয়েটস' (Night sweats) বলা হয়।
​৫. ওজনের আধিক্য বা স্থূলতা
​শরীরের ওজন অতিরিক্ত বেশি হলে সামান্য পরিশ্রমেই শরীর বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং মেদযুক্ত শরীরকে ঠান্ডা রাখতে ঘর্মগ্রন্থিগুলো বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে।
​৬. হৃদরোগের ঝুঁকি (Heart Problems)
​কোনো রকম ভারী কাজ বা গরম ছাড়াই যদি হঠাৎ শরীর থেকে অতিরিক্ত ঠান্ডা ঘাম বের হতে থাকে এবং এর সাথে বুকে ব্যথা, ভারী ভাব বা দমবন্ধ লাগার মতো অনুভূতি হয়, তবে তা হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে। এমন হলে অবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
​ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: অনেক সময় বিষণ্ণতার ওষুধ (Antidepressants), উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ বা কিছু সাধারণ ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার কারণেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।
​যদি আপনার এই সমস্যাটি হঠাৎ শুরু হয়ে থাকে, বিশেষ করে রাতের বেলা শরীর বেশি ঘামে, কিংবা ঘামের সাথে ওজন কমে যাওয়া, জ্বর বা বুক ধড়ফড় করার মতো লক্ষণ থাকে, তবে একজন সাধারণ রোগ বিশেষজ্ঞ (Medicine Specialist) বা এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট (হরমোন বিশেষজ্ঞ) দেখিয়ে পরামর্শ নেওয়া ভালো।
#পুষ্টিবিদ_স্নেহা

 #ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা কেবল সুন্দর দেখানোর জন্য নয়, বরং একটি সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন পাওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত ও...
24/06/2026

#ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা কেবল সুন্দর দেখানোর জন্য নয়, বরং একটি সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন পাওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা আমাদের শরীরের স্বাভাবিক কার্যকলাপে বাধা সৃষ্টি করে এবং নানাবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
​নিচে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রধান কারণগুলো আলোচনা করা হলো:
​১. মারাত্মক রোগবালাই থেকে মুক্তি
​ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদী ও মারাত্মক রোগের ঝুঁকি কমে যায়। যেমন:
**​হৃদরোগ ও স্ট্রোক: অতিরিক্ত ওজনের কারণে রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
**​টাইপ-২ ডায়াবেটিস: ওজনের আধিক্য শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
**​ক্যান্সার: গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ওজনের সাথে স্তন, কোলন ও জরায়ুসহ বেশ কয়েক ধরনের ক্যান্সারের যোগসূত্র রয়েছে।
​২. হাড় ও জয়েন্টের সুরক্ষা
​আমাদের শরীরের সম্পূর্ণ ভার বহন করে মেরুদণ্ড, কোমর, হাঁটু এবং পায়ের জয়েন্টগুলো। ওজন বেশি হলে এই জয়েন্টগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যার ফলে অল্প বয়সেই আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথা এবং কোমর ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখলে জয়েন্টগুলো সুস্থ থাকে।
​৩. মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাস
​ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে মানুষ মানসিকভাবে অনেক বেশি প্রফুল্ল ও চনমনে থাকে। এটি নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় এবং অতিরিক্ত ওজনের কারণে সৃষ্ট মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা (Depression) বা সামাজিক হীনম্মন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।
​৪. কর্মক্ষমতা ও ভালো ঘুম
​যাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, তারা সহজে ক্লান্ত হন না এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম খুব সহজেই করতে পারেন। এছাড়া অতিরিক্ত ওজনের কারণে 'স্लीप অ্যাপনিয়া' (Sleep Apnea) বা ঘুমের মধ্যে দম আটকে যাওয়ার মতো গুরুতর সমস্যা হতে পারে। ওজন ঠিক থাকলে ঘুম গভীর ও স্বাস্থ্যকর হয়।
​৫. দীর্ঘায়ু লাভ
​সুস্থ জীবনযাপনের জন্য আদর্শ ওজন বজায় রাখা একটি অন্যতম শর্ত। এটি শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে, যা পরোক্ষভাবে মানুষের গড় আয়ু বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
​ ওজন নিয়ন্ত্রণ হলো একটি সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ। সঠিক খাদ্যাভ্যাস (ডায়েট) এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব বেশি কঠিন নয়, শুধু প্রয়োজন একটু সচেতনতা।
-পুষ্টিবিদ স্নেহা
াতে_চাচ্ছেন #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

 াতে_চাচ্ছেন!!ওজন কমানো মানেই খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়ে কষ্ট পাওয়া নয়, বরং একটি সুস্থ জীবনযাত্রার দিকে পা বাড়ানো। 🏃‍♂️🍏​যারা...
16/06/2026

াতে_চাচ্ছেন!!
ওজন কমানো মানেই খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়ে কষ্ট পাওয়া নয়, বরং একটি সুস্থ জীবনযাত্রার দিকে পা বাড়ানো। 🏃‍♂️🍏
​যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য ৫টি গোল্ডেন রুলস সবসময় মনে রাখা জরুরি:
​১. ক্রাশ ডায়েটকে 'না' বলুন: না খেয়ে ওজন কমালে শরীরের শক্তি এবং পেশি (muscle) কমে যায়, চর্বি নয়। তাই পুষ্টিকর খাবার খেয়ে ওজন কমান, না খেয়ে নয়।
​২. ক্যালরি ডেফিসিট (Calorie Deficit): ওজন কমানোর মূল চাবিকাঠি হলো আপনি সারাদিনে যে পরিমাণ ক্যালরি পোড়াচ্ছেন, তার চেয়ে কিছুটা কম ক্যালরি গ্রহণ করা। তবে তা যেন অবশ্যই শরীরের জন্য পর্যাপ্ত হয়।
​৩. পর্যাপ্ত ঘুম ও পানি: প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ গ্লাস পানি পান করুন এবং ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুমান। ঘুম ঠিকঠাক না হলে স্ট্রেস হরমোন বাড়ে, যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
​৪. ধৈর্য এবং ধারাবাহিকতা: ওজন একদিনে বাড়েনি, তাই কমবেও না একদিনে। প্রতি সপ্তাহে ০.৫ থেকে ১ কেজি ওজন কমানো সুস্থ শরীরের লক্ষণ। তাড়াহুড়ো না করে প্রক্রিয়ার ওপর ভরসা রাখুন।
​৫. শারীরিক সক্রিয়তা: শুধু ডায়েট করলেই হবে না, সাথে হালকা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ, ইয়োগা বা প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন। এটা মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে।
​মনে রাখবেন, ওজন কমানো কোনো সাময়িক মিশন নয়, এটি একটি লাইফস্টাইল পরিবর্তন। নিজের শরীরকে ভালোবাসুন এবং সুস্থ থাকুন!
পুষ্টিবিদ_স্নেহা
​ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা

 #হৃদরোগ_সচেতনতা ☞হৃদরোগ কি কেবলই ভাগ্যের লিখন? জেনে নিন প্রতিরোধের বৈজ্ঞানিক উপায়!​আমাদের ব্যস্ত জীবনযাত্রা, ভুল খাদ্যা...
08/06/2026

#হৃদরোগ_সচেতনতা
☞হৃদরোগ কি কেবলই ভাগ্যের লিখন? জেনে নিন প্রতিরোধের বৈজ্ঞানিক উপায়!
​আমাদের ব্যস্ত জীবনযাত্রা, ভুল খাদ্যাভ্যাস এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে বর্তমানে হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তরুণ প্রজন্মের মাঝেও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। অনেকেই মনে করেন হৃদরোগ হঠাৎ করেই হয়, কিন্তু আসলে আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসই অলক্ষ্যে আমাদের হার্টের ক্ষতি করে চলেছে।
​⚠️ হৃদরোগের প্রধান কারণসমূহ:
√​অতিরিক্ত মেদ ও বেলি ফ্যাট: বিশেষ করে পেটের চারপাশে চর্বি জমলে তা রক্তনালীতে বাধা তৈরি করে এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বহুণ বাড়িয়ে দেয়।
√​ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও ডায়াবেটিস: রক্তে অতিরিক্ত ইনসুলিন এবং উচ্চ শর্করার মাত্রা রক্তনালীর ভেতরের দেয়ালকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ।
√​খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) ও ট্রাইগ্লিসারাইড: রক্তে চর্বির মাত্রা বেড়ে গেলে তা ধমনীতে জমা হয়ে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে।
√​আসীন জীবনযাপন: কায়িক পরিশ্রম বা শারীরিক ব্যায়ামের অভাব হার্টের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
​🥗 হার্ট সুস্থ রাখার ৫টি গোল্ডেন রুলস (পুষ্টিবিদের পরামর্শ):
​১. ভালো ফ্যাট বেছে নিন: ট্রান্স ফ্যাট (যেমন: ডালডা, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া) ধমনী ব্লক করে। এর বদলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন—বাদাম, চিয়া সিডস ও সামুদ্রিক মাছ পাতে রাখুন।
২. লবণ ও চিনির ব্যবহারে লাগাম টানুন: অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপ বাড়ায় এবং চিনি শরীরে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ তৈরি করে। দুটোই হার্টের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
৩. ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার: লাল চাল, লাল আটা, ওটস এবং প্রচুর সবুজ শাকসবজি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
৪. নিয়মিত সচল থাকুন: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম হার্টের পেশিকে শক্তিশালী করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে।
৫. স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট ও ঘুম: অতিরিক্ত মানসিক চাপ কর্টিসল হরমোন বাড়িয়ে রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টার নিশ্চিন্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি।
​হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই আমাদের নিয়ন্ত্রণে। আজই আপনার লাইফস্টাইল মডিফিকেশন বা জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনুন এবং নিজের হার্টকে রাখুন সুরক্ষিত।
​সুস্থ হার্ট, সুন্দর জীবন।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #হৃদরোগ_সচেতনতা #সুস্থ_থাকুন #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

 #শিশুর_স্থূলতা  #গর্ভাবস্থাকালীন_মায়ের_স্বাস্থ্য**মায়ের স্বাস্থ্য এবং গর্ভাবস্থাকালীন বিভিন্ন বিষয় কীভাবে শিশুর স্থূলতা...
23/05/2026

#শিশুর_স্থূলতা #গর্ভাবস্থাকালীন_মায়ের_স্বাস্থ্য
**মায়ের স্বাস্থ্য এবং গর্ভাবস্থাকালীন বিভিন্ন বিষয় কীভাবে শিশুর স্থূলতার (Childhood Obesity) ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
এই চিত্রে দেখানো হয়েছে যে শিশুর স্থূলতা কেবল জন্মের পরের অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে না, বরং গর্ভাবস্থায় মায়ের শারীরিক অবস্থার ওপরও গভীরভাবে নির্ভরশীল। প্রধান কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. মায়ের স্থূলতা ও খাদ্যাভ্যাস (Maternal Obesity & Diet)
√গর্ভাবস্থার আগে বা চলাকালীন স্থূলতা:মায়ের উচ্চ BMI এবং রক্তে শর্করার আধিক্য (Hyperglycaemia) সরাসরি শিশুর ওজনকে প্রভাবিত করে।
√উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার:মা যদি গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খান, তবে তা শিশুর জিনের প্রকাশে (Epigenetic regulation) পরিবর্তন আনে যা চর্বি কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
√অপুষ্টি বা অতিরিক্ত ডায়েট:মায়ের খাবারে অতিরিক্ত বিধিনিষেধও শিশুর শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড জমানোর প্রবণতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
২. হরমোন ও প্লাসেন্টাল প্রভাব
√প্লাসেন্টাল ট্রান্সপোর্ট: গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টার মাধ্যমে পুষ্টির অতিরিক্ত আদান-প্রদান শিশুর ওজন বাড়িয়ে দেয়।
√মায়ের মানসিক চাপ (Maternal Stress): অতিরিক্ত মানসিক চাপের ফলে কর্টিসল হরমোন নির্গত হয়, যা শিশুর বিপাক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।
৩.গর্ভাবস্থাকালীন অন্যান্য ঝুঁকি
√গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (GDM): এটি শিশুর স্থূলতার একটি বড় কারণ।
√ধূমপান:গর্ভাবস্থায় ধূমপানের ফলে শিশুর বিপাকীয় হার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৪. শিশুর জন্মকালীন ও পরবর্তী অবস্থা
√জন্ম ওজন: অতিরিক্ত জন্ম ওজন অথবা খুব কম জন্ম ওজন (যা পরে খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়) উভয়ই ভবিষ্যতে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়।
√নিদ্রাহীনতা ও অক্সিজেন স্বল্পতা:ঘুমের অভাব বা মাতৃগর্ভে অক্সিজেনের স্বল্পতা (Hypoxia) শিশুর স্থূলতাকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
৫. জৈবিক ও নিউরোলজিক্যাল পরিবর্তন
√ চিত্রটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে এই কারণগুলো শিশুর মস্তিষ্কের (Hypothalamus) ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী নিউরনগুলোকে প্রভাবিত করে, যার ফলে শিশু জন্মগতভাবেই বেশি ক্ষুধার্ত অনুভব করতে পারে (Altered appetite regulation)।
***সারসংক্ষেপ:শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য গর্ভাবস্থায় মায়ের সঠিক ওজন বজায় রাখা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং মানসিক চাপমুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরী।

পুষ্টিবিদ স্নেহা_
#পুষ্টিবিদ_স্নেহা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস #স্বাস্থ্যসচেতনতা

 #ফ্যাটি_লিভার: আপনার লিভারে কি অলক্ষ্যে চর্বি জমছে না তো?​আমাদের শরীরের অন্যতম প্রধান পাওয়ার হাউস হলো লিভার। কিন্তু অতি...
18/05/2026

#ফ্যাটি_লিভার: আপনার লিভারে কি অলক্ষ্যে চর্বি জমছে না তো?
​আমাদের শরীরের অন্যতম প্রধান পাওয়ার হাউস হলো লিভার। কিন্তু অতিরিক্ত মেদ, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে যে সমস্যাটি মহামারী আকারে ছড়াচ্ছে, তা হলো ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver)।
​সহজ কথায়, লিভারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চর্বি জমে যাওয়াকেই ফ্যাটি লিভার বলে। প্রাথমিক অবস্থায় এটি ধরা না পড়লে পরবর্তীতে লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক জটিলতা তৈরি হতে পারে।
​🔬 ফ্যাটি লিভার কেন হয়?
​ফ্যাটি লিভার প্রধানত দুই প্রকার:
১. অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার: অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে যা হয়।
২. নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার (NAFLD): এটিই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এর মূল কারণগুলো হলো:
➤​ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: রক্তে অতিরিক্ত ইনসুলিন থাকলে লিভার বাড়তি গ্লুকোজকে চর্বিতে রূপান্তর করে নিজের ভেতরে জমা করতে থাকে।
➤​অতিরিক্ত রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট ও চিনি: কোমল পানীয়, ফাস্ট ফুড, এবং অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার লিভারে দ্রুত চর্বি জমায়।
➤​স্থূলতা বা বেলি ফ্যাট: বিশেষ করে পেটের চারপাশে অতিরিক্ত মেদ থাকলে এই ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
​উচ্চ রক্তচাপ এবং ট্রাইগ্লিসারাইড: রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকা।
​🚩 লক্ষণসমূহ:
​ফ্যাটি লিভারকে 'নীরব ঘাতক' বলা হয় কারণ প্রাথমিক অবস্থায় এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। তবে কিছু সাধারণ সংকেত হতে পারে:
​পেটের ডানদিকের ওপরের অংশে ভারী ভাব বা মৃদু ব্যথা।
​সারাক্ষণ অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করা।
​অল্পতেই হজমের সমস্যা হওয়া।
​✘✘ ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির বৈজ্ঞানিক উপায় (রিভার্স করার উপায়):
​সুসংবাদ হলো, সঠিক সময়ে ধরা পড়লে এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলে ফ্যাটি লিভার পুরোপুরি নিরাময় বা রিভার্স করা সম্ভব!
​✔ ওজন ও বেলি ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ: শরীরের অতিরিক্ত ওজনের মাত্র ৫% থেকে ১০% কমাতে পারলে লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়।
✔খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: চিনি, ময়দা, কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং প্রসেসড ফুড সম্পূর্ণ বাদ দিন। ডায়েটে প্রচুর ফাইবার (সবুজ শাকসবজি), ওমেগা-৩ (বাদাম, চিয়া সিডস, সামুদ্রিক মাছ) এবং লিন প্রোটিন রাখুন।
✔নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম: সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম বা দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন। এটি লিভারের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়।
✔ডিটক্স পানীয়: গ্রিন টি বা লেবু পানি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
​লিভারের যত্ন নিন আজ থেকেই। একটি সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রাই পারে আপনার লিভারকে সুস্থ ও চাঙ্গা রাখতে।

​সচেতন হোন, সুস্থ লিভারে দীর্ঘজীবী হোন।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #ফ্যাটি_লিভার #স্বাস্থ্যসচেতনতা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

 #ভিটামিন_ডি(শেষ পর্ব)☞ভিটামিন ডি ঘাটতির সাধারণ লক্ষণসমূহ:​সামান্য ঘাটতি থাকলে কোনো লক্ষণ না-ও দেখা দিতে পারে, তবে দীর্ঘ...
15/05/2026

#ভিটামিন_ডি(শেষ পর্ব)
☞ভিটামিন ডি ঘাটতির সাধারণ লক্ষণসমূহ:
​সামান্য ঘাটতি থাকলে কোনো লক্ষণ না-ও দেখা দিতে পারে, তবে দীর্ঘস্থায়ী অভাবের ফলে নিম্নোক্ত সমস্যাগুলো হতে পারে:
➤​হাড় ও জয়েন্টে ব্যথা: বিশেষ করে পিঠের নিচের অংশ, পা, পাঁজর বা জয়েন্টে ব্যথা।
➤​পেশির দুর্বলতা ও ব্যথা: কোনো কারণ ছাড়াই পেশিতে ব্যথা, খিঁচুনি বা দুর্বলতা (যেমন: সিঁড়ি বেয়ে উঠতে বা উঠে দাঁড়াতে কষ্ট হওয়া)।
➤​অবিরাম ক্লান্তি: প্রচণ্ড ক্লান্তি বা শক্তির অভাব যা পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও দূর হয় না।
➤​মানসিক অবস্থার পরিবর্তন: মন খারাপ থাকা, বিষণ্ণতা বা ঋতুভিত্তিক মনমরা ভাব।
➤​ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, যার ফলে বারবার ঠান্ডা লাগা বা সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়া।
➤​ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া: অস্ত্রোপচার বা আঘাতের পর ক্ষত শুকাতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগা।
➤​চুল পড়া: অতিরিক্ত চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা ঝরে পড়া।
➤​হাড়ের ঘনত্ব হ্রাস: দীর্ঘমেয়াদী অভাবের ফলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যেতে পারে (অস্টিওপরোসিস)।
​স্বাস্থ্যঝুঁকি
✪​দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করালে হাড়ের খনিজকরণে (Mineralization) সমস্যা তৈরি হয়:
√​প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে: এটি 'অস্টিওম্যালাশিয়া' (হাড় নরম হয়ে যাওয়া) এবং 'অস্টিওপরোসিস'-এর ঝুঁকি বাড়ায়।
√​শিশুদের ক্ষেত্রে: এটি 'রিকেটস' রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে হাড়ের বিকৃতি (যেমন: ধনুকের মতো বাঁকা পা) দেখা দেয়।
√​অন্যান্য ঝুঁকি: ভিটামিন ডি-এর নিম্ন মাত্রা বৃদ্ধ বয়সে হাড় ভেঙে যাওয়া এবং পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
☞​ভিটামিন ডি-এর সেরা প্রাকৃতিক উৎসসমূহ:
➤​তৈলাক্ত মাছ: স্যামন, ট্রাউট, ম্যাকেরেল এবং টুনা মাছ ভিটামিন ডি-এর অন্যতম সেরা উৎস। ১০০ গ্রাম স্টিমড স্যামন থেকে প্রায় ৯.৩ মাইক্রোগ্রাম (৩৭২ IU) ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
➤​কড লিভার অয়েল: এটি ভিটামিন ডি-এর অত্যন্ত ঘনীভূত একটি উৎস, যা সাধারণত সাপ্লিমেন্ট হিসেবে নেওয়া হয়।
➤​ডিমের কুসুম: এতে অল্প পরিমাণে ভিটামিন ডি৩ থাকে (পরিমাণ নির্ভর করে মুরগির খাদ্যের ওপর)।
➤​গরুর কলিজা ও লাল মাংস: অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি এটি ভিটামিন ডি সরবরাহ করে।
➤​মাশরুম: নির্দিষ্ট কিছু মাশরুম (বিশেষ করে যেগুলো আল্ট্রাভায়োলেট বা অতিবেগুনী রশ্মিতে রাখা হয়) ভিটামিন ডি২ সরবরাহ করে।
***​ভিটামিন ডি গ্রহণের কিছু জরুরি পরামর্শ:
◑​সূর্যালোকের সংস্পর্শ: যখন ত্বক সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসে, তখন আমাদের শরীর নিজে থেকেই ভিটামিন ডি৩ তৈরি করে।
◑​যাঁদের ঝুঁকি বেশি: ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি, যারা রোদে কম বের হন এবং যাঁদের গায়ের রঙ গাঢ়, তাঁদের ভিটামিন ডি-এর মাত্রা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
◑​জৈব-উপলব্ধতা (Bioavailability): উদ্ভিদজাত উৎসের (D2) তুলনায় প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া ভিটামিন.
-পুষ্টিবিদ স্নেহা

☞ম্যাগনেসিয়াম কী?​ম্যাগনেসিয়াম একটি খনিজ যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তচা...
13/05/2026

☞ম্যাগনেসিয়াম কী?
​ম্যাগনেসিয়াম একটি খনিজ যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে, হাড় মজবুত করতে এবং হৃদস্পন্দন স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রোটিন ও ডিএনএ (DNA) তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
➤​ম্যাগনেসিয়ামের অভাব (Deficiency)
​দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম না খেলে শরীরে এর অভাব দেখা দিতে পারে। আপনার শরীর প্রস্রাবের মাধ্যমে ম্যাগনেসিয়াম ধরে রাখার চেষ্টা করে বলে শুরুতে এর অভাব বোঝা যায় না।
➤ম্যাগনেসিয়াম অভাবের লক্ষণগুলো হলো:
১.ক্ষুধা মন্দা বা খেতে ইচ্ছে না করা।
২.​বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৩.​ক্লান্তি এবং দুর্বলতা অনুভব করা।
৪.​অভাব গুরুতর হলে যা হতে পারে:
৫.শরীরে ম্যাগনেসিয়াম অনেক কমে গেলে হাত-পা ঝিঁঝিঁ করা
৬.পেশিতে টান লাগা, খিঁচুনি বা হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন হতে পারে।
➤​কারা বেশি ঝুঁকিতে আছেন?
​কিছু নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে:
√​যাদের পেটের সমস্যা আছে (যেমন: ক্রোনস ডিজিজ বা সিলিয়াক ডিজিজ)।
√​টাইপ ২ ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তি।
√​যারা দীর্ঘকাল ধরে অতিরিক্ত মদ্যপান করেন।
√​বয়স্ক ব্যক্তি এবং কিডনি রোগী।
√​প্যারাথাইরয়েড সমস্যা আছে এমন ব্যক্তি।
√​যারা নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের ওষুধ বা এসিড রিফ্লাক্সের ওষুধ (PPIs যেমন: ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল) সেবন করেন।
☞​ম্যাগনেসিয়ামের উপকারিতা:
​ম্যাগনেসিয়াম শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারী
✔প্রদাহ কমায়:
শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হলে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ বাড়তে পারে, যা হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
✔​উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি কমায়: এটি স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে।
✔​মাইগ্রেন: গবেষণায় দেখা গেছে, ম্যাগনেসিয়ামের অভাব মাইগ্রেনের ব্যথার একটি কারণ হতে পারে।
✔​ভালো ঘুম: এটি মস্তিষ্কের GABA নামক রাসায়নিক এবং স্নায়ুতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।
✔​ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের বিএমআই (BMI) এবং চর্বি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

☞​ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার:
​প্রাকৃতিকভাবে ম্যাগনেসিয়াম পেতে নিচের খাবারগুলো খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত:
◑সবুজ শাকসবজি: যেমন পালং শাক।
◑বাদাম ও বীজ: বিভিন্ন ধরণের বাদাম এবং কুমড়ার বীজ।
◑ডাল ও শস্য: শিম, মটরশুঁটি, সয়াবিন।
◑​আস্ত দানা শস্য: গমের ভূষি, ওটস এবং হোল-গ্রেইন।

সঠিক পুষ্টি জানুন, সুস্থ জীবন গড়ুন।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #স্বাস্থ্যকথা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

 #ভিটামিন_ডি ( ৪র্থ পর্ব)➤ভিটামিন ডি এর অভাব​ভিটামিন ডি-এর অভাব তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যারা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট (দুগ্...
12/05/2026

#ভিটামিন_ডি ( ৪র্থ পর্ব)
➤ভিটামিন ডি এর অভাব
​ভিটামিন ডি-এর অভাব তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় যারা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট (দুগ্ধজাত খাবার সহ্য হয় না), যাদের দুধে অ্যালার্জি আছে, অথবা যারা ওভো-ভেজিটেরিয়ান (ডিমভোজী নিরামিষাশী) বা কঠোর নিরামিষাশী (ভেগান) ডায়েট অনুসরণ করেন। এছাড়া যারা পর্যাপ্ত সূর্যালোক পান না, যাদের কিডনি ২৫(ওএইচ)ডি-কে সক্রিয় রূপে রূপান্তর করতে পারে না, অথবা যাদের পাচনতন্ত্র কার্যকরভাবে ভিটামিন ডি শোষণ করতে পারে না, তাদের মধ্যেও এই অভাব দেখা দিতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-এর অভাব রিকেটস হিসেবে এবং কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি অস্টিওম্যালাসিয়া হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে।
​মানুষের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর অভাব তখন তৈরি হয় যখন দীর্ঘ সময় ধরে তাদের খাদ্যতালিকায় এর পরিমাণ সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে কম থাকে, সূর্যের আলোতে কম যাওয়া হয়, কিডনি ২৫(ওএইচ)ডি-কে সক্রিয় করতে ব্যর্থ হয়, অথবা পরিপাকতন্ত্র থেকে এর শোষণ পর্যাপ্ত হয় না। যাদের দুধে অ্যালার্জি বা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে এবং যারা নিরামিষাশী ডায়েট মেনে চলেন, তাদের খাবারে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি বেশি দেখা যায়।
​শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-এর অভাবের ফলে রিকেটস হয়। এটি এমন একটি রোগ যেখানে হাড়ের টিস্যুগুলো সঠিকভাবে খনিজ সমৃদ্ধ হতে পারে না, যার ফলে হাড় নরম হয়ে যায় এবং কঙ্কালের বিকৃতি ঘটে। হাড়ের বিকৃতি ও ব্যথা ছাড়াও, গুরুতর রিকেটস শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতে বাধা, বিকাশে বিলম্ব, ক্যালসিয়ামের অভাবে খিঁচুনি (হাইপোক্যালসেমিক সিজার), মাংসপেশির খিঁচুনি (টিটানিক স্পাজম), কার্ডিওমায়োপ্যাথি (হৃদযন্ত্রের সমস্যা) এবং দাঁতের অস্বাভাবিকতা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট ছাড়া শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করালে শিশুদের রিকেটস হতে পারে।
✔​ভিটামিন ডি অপর্যাপ্ততার ঝুঁকিতে থাকা গোষ্ঠীসমূহ
​নির্দিষ্ট কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি-এর অপর্যাপ্ততা থাকার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে বেশি। এর মধ্যে রয়েছে বুকের দুধ পান করা শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, যারা কম রোদে যান, শ্যামলা বা গাঢ় বর্ণের ত্বকের অধিকারী মানুষ, যাদের ফ্যাট বা চর্বি শোষণে সমস্যা আছে এবং যারা স্থূলতা বা গ্যাস্ট্রিক বাইপাস সার্জারি করিয়েছেন।
​বুকের দুধ পান করা শিশু।
***শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করে শিশুরা সাধারণত ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে পারে না, কারণ এতে প্রতি লিটারে মাত্র ০.৬ থেকে ২.০ মাইক্রোগ্রাম (২৫ থেকে ৭৮ আইইউ) ভিটামিন ডি থাকে। মায়ের দুধে ভিটামিন ডি-এর পরিমাণ মায়ের শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রার ওপর নির্ভর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েরা প্রতিদিন অন্তত ৫০ মাইক্রোগ্রাম (২,০০০ আইইউ) ভিটামিন ডি৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন, তাদের বুকের দুধে এই পুষ্টি উপাদানের মাত্রা বেশি থাকে।
*​**বয়স্ক ব্যক্তি
বয়স্ক ব্যক্তিদের ভিটামিন ডি-এর অভাব হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে, যার অন্যতম কারণ হলো বয়সের সাথে সাথে ত্বকের ভিটামিন ডি সংশ্লেষণ করার ক্ষমতা কমে যায়।
📍 অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে, নাম, বয়স ও সমস্যা লিখে পেইজে মেসেজ করুন।

'সঠিক পুষ্টি জানুন, সুস্থ জীবন গড়ুন'
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #ভিটামিন_ডি #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #স্বাস্থ্যকথা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

 #ভিটামিন_ডি (৩য় পর্ব):সুপারিশকৃত গ্রহণের মাত্রা (Recommended Intakes):​ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্...
09/05/2026

#ভিটামিন_ডি (৩য় পর্ব):
সুপারিশকৃত গ্রহণের মাত্রা (Recommended Intakes):
​ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিন-এর 'ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বোর্ড' ভিটামিন ডি-এর জন্য Recommended Dietary Allowances (RDA) এবং Adequate Intakes (AI) নির্ধারণ করেছে। বয়সভেদে এই মানগুলো প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ১৫ থেকে ২০ মাইক্রোগ্রাম (৬০০–৮০০ IU) এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য ১০ থেকে ১৫ মাইক্রোগ্রাম (৪০০–৬০০ IU) পর্যন্ত হয়ে থাকে।
​ভিটামিন ডি এবং অন্যান্য পুষ্টির গ্রহণের সুপারিশগুলো NASEM-এর বিশেষজ্ঞ কমিটি দ্বারা তৈরি Dietary Reference Intakes (DRIs)-এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়। DRI হলো সুস্থ মানুষের পুষ্টি গ্রহণের পরিকল্পনা এবং মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত রেফারেন্স মানগুলোর একটি সেট। এই মানগুলোর মধ্যে রয়েছে:
➤​Recommended Dietary Allowance (RDA): দৈনিক গ্রহণের গড় মাত্রা যা প্রায় সব (৯৭%–৯৮%) সুস্থ ব্যক্তির পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট; এটি সাধারণত ব্যক্তিদের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ ডায়েট পরিকল্পনা করতে ব্যবহৃত হয়।
➤​Adequate Intake (AI): এই স্তরের গ্রহণ পুষ্টির পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করে বলে ধরে নেওয়া হয়; যখন RDA নির্ধারণ করার মতো যথেষ্ট তথ্য থাকে না, তখন এটি স্থাপন করা হয়।
➤​Estimated Average Requirement (EAR): দৈনিক গ্রহণের গড় মাত্রা যা ৫০% সুস্থ ব্যক্তির চাহিদা মেটাবে বলে অনুমান করা হয়; এটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর পুষ্টি মূল্যায়ন এবং তাদের ডায়েট পরিকল্পনায় ব্যবহৃত হয়।
➤​Tolerable Upper Intake Level (UL): দৈনিক গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা যা স্বাস্থ্যের ওপর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা বিরূপ প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

☞​ভিটামিন ডি-এর উৎস (Sources of Vitamin D)
***​খাবার:
​ভিটামিন ডি প্রাকৃতিকভাবে খুব কম খাবারে পাওয়া যায়, যেমন: চর্বিযুক্ত মাছ, মাছের লিভার অয়েল (তেল), গরুর কলিজা, ডিমের কুসুম এবং পনির।
***​সূর্যালোক:
​মানুষ সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে তাদের দৈনিক ভিটামিন ডি-এর কিছু অংশ পেতে পারে। তবে ঋতু, দিনের সময়, দিনের দৈর্ঘ্য, মেঘের অবস্থা, ত্বকের মেলানিন এবং অন্যান্য বিষয়গুলো অতিবেগুনি রশ্মির বিকিরণ ও ভিটামিন ডি সংশ্লেষণকে প্রভাবিত করতে পারে।
​কিছু বিশেষজ্ঞ সংস্থা এবং গবেষক পরামর্শ দেন যে, সপ্তাহে অন্তত দুবার বা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে সানস্ক্রিন ছাড়াই মুখ, হাত ও পায়ে প্রায় ৫ থেকে ৩০ মিনিট রোদ লাগালে সাধারণত শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি তৈরি হয়।
সঠিক পুষ্টি জানুন, সুস্থ জীবন গড়ুন।
— পুষ্টিবিদ স্নেহা
​ #পুষ্টিবিদ_স্নেহা #স্বাস্থ্যকথা #সঠিক_খাদ্যাভ্যাস

Address

Pallabi R/A, Mirpur/12
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Sneha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share