APRC Wellness Care ফিজিওথেরাপি, হিজামা এন্ড আকুপাংচার সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • APRC Wellness Care ফিজিওথেরাপি, হিজামা এন্ড আকুপাংচার সেন্টার

APRC Wellness Care ফিজিওথেরাপি, হিজামা এন্ড আকুপাংচার সেন্টার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from APRC Wellness Care ফিজিওথেরাপি, হিজামা এন্ড আকুপাংচার সেন্টার, Medical and health, হাজী মোবারক বিরিয়ানির বিপরীত পাশে, সরদার বাড়ি, ১৬৪ বটতলা, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯, Dhaka.

আধুনিক ফিজিওথেরাপি ফিজিওথেরাপি, হিজামা এন্ড মেডিক্যাল আকুপাংচার সেন্টার।
সর্বাধুনিক ইলেক্ট্রোমেডিসিন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে অপারেশন ও ইনজেকশনবিহীন বাত-ব্যথা, প্যারালাইসিস, স্পোর্টস ইনজুরি এবং সকল জয়েন্ট ও মাংশপেশীর ব্যথার চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়

আপনার সুস্থতার জন্য দ্রুত সিরিয়াল দিন01934236633    01607027296
30/07/2026

আপনার সুস্থতার জন্য দ্রুত সিরিয়াল দিন
01934236633 01607027296

25/07/2026
13/07/2026

আমার স্ত্রী দেখতে সুন্দর। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমদের বিয়ে হয়েছে আট বছর হলো। পাঁচ বছর বয়সী একটা মেয়ে সন্তান রয়েছে।

অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!

আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে। বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, 'জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।'

আসলে ক্লান্তি টলান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না।

আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, 'এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?'

তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি।

একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?

আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, "আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?" বললাম, "জী করি।"

"আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।"

"কী সেটা?"

"সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, 'হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জা*স্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি'।"

এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।

সন্দেহ নিয়ে বললাম, "এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?"

ডাক্তার হেসে বললেন, "অবশ্যই হবে।"

তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।

কথা দিলাম। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।"

শেষে ডাক্তার বললেন, "এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।"

আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম।

চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লোলুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম।

এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।

এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্তমৈথুন করে নিজেকে শীতল করবো।

গুগলে প*র্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।

এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।

সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে। বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, "এষা, কোথায় তুমি?"

স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি। ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?"

সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে। সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "মেয়েটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?"

স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, "ভালোবাসি এষা। ভালোবাসি।"

পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার বললেন, "এখনো তো এক মাস পার হয় নি।"

হেসে বললাম, "সমস্যা দূর হয়ে গেছে।"

ডাক্তার বললেন, "স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।"

ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশি গলায় বললাম, "ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"

আমার মনে হয় এই সমস্যাটা শুধু আমার না আমাদের দেশের প্রায় ৯০% পুরুষেরই হয়।

যারা পর*নারীর বা অন্য কোন খারাপ কাজ থেকে দৃষ্টি ফিরাতে পারছেন না, তাদের জন্য খুবই উপকারী পোষ্ট হতে পারে!"

সংযোজন-
প্রত্যাবর্তনের খোঁজেআমার স্ত্রী দেখতে সুন্দর। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমদের বিয়ে হয়েছে আট বছর হলো। পাঁচ বছর বয়সী একটা মেয়ে সন্তান রয়েছে।

অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!

আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে। বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, 'জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।'

আসলে ক্লান্তি টলান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না।

আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, 'এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?'

তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি।

একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?

আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, "আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?" বললাম, "জী করি।"

"আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।"

"কী সেটা?"

"সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, 'হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জা*স্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি'।"

এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।

সন্দেহ নিয়ে বললাম, "এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?"

ডাক্তার হেসে বললেন, "অবশ্যই হবে।"

তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।

কথা দিলাম। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।"

শেষে ডাক্তার বললেন, "এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।"

আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম।

চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লোলুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম।

এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।

এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্তমৈথুন করে নিজেকে শীতল করবো।

গুগলে প*র্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।

এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।

সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে। বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, "এষা, কোথায় তুমি?"

স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি। ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?"

সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে। সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "মেয়েটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?"

স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, "ভালোবাসি এষা। ভালোবাসি।"

পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার বললেন, "এখনো তো এক মাস পার হয় নি।"

হেসে বললাম, "সমস্যা দূর হয়ে গেছে।"

ডাক্তার বললেন, "স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।"

ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশি গলায় বললাম, "ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"

আমার মনে হয় এই সমস্যাটা শুধু আমার না আমাদের দেশের প্রায় ৯০% পুরুষেরই হয়।

যারা পর*নারীর বা অন্য কোন খারাপ কাজ থেকে দৃষ্টি ফিরাতে পারছেন না, তাদের জন্য খুবই উপকারী পোষ্ট হতে পারে!"

সংযোজন-
প্রত্যাবর্তনের খোঁজে

সপ্তাহে কত বার মিলন করলে রোগবালাই দূরে থাকবে, কী জানাল গবেষণা?শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে হাতিয়ার হতে পারে মিলন। কিন...
12/07/2026

সপ্তাহে কত বার মিলন করলে রোগবালাই দূরে থাকবে, কী জানাল গবেষণা?
শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে হাতিয়ার হতে পারে মিলন। কিন্তু জানেন কি সপ্তাহে কত বার সঙ্গম করলে মিলতে পারে সুফল?

যৌনতা— কারও কাছে ভালবাসার প্রকাশ, কারও কাছে শারীরিক পরিতৃপ্তি। কিন্তু জানেন কি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মোক্ষম হাতিয়ার হতে পারে মিলনই। অন্তত এমনটাই মত গবেষকদের।

পেনসিলভেনিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে করা একটি সমীক্ষায় স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে যে, সপ্তাহে একাধিক বার মিলন করে যে পড়ুয়ারা, তাঁদের মধ্যে জীবাণু ও ভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষমতা বেশি। এমনকি, তাঁদের দেহে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডির পরিমাণও অন্যদের তুলনায় বেশি।

ক্যালিফোর্নিয়া-সান ফ্রান্সিসকো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণাও একই দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। গবেষকদের মতে, যাঁরা সপ্তাহে অন্তত দু’ থেকে তিন বার সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছেন, তাঁরা অনেক বেশি সুস্থ রয়েছেন অন্যদের তুলনায়। গবেষণা বলছে, নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কের মধ্যে থাকলে শরীরে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পায় আইজিএ নামক অ্যান্টিবডি। ফলে সর্দি-কাশির সমস্যা কমে অনেকটাই।

শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিই নয়, হৃদ্‌যন্ত্র ভাল রাখতেও সহায়তা করে নিয়মিত যৌনতা। স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে পাঁচ দিন শরীরচর্চা করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত শরীরচর্চার সময় না পেলে যৌনতাই হয়ে উঠতে পারে শরীরচর্চার বিকল্প, মত বিশেষজ্ঞদের। আমেরিকার বিখ্যাত একটি বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুসারে পঞ্চাশোর্ধ্ব মানুষদের দেহে রক্ত সঞ্চালন ভাল রাখতে যৌনতা হয়ে উঠতে পারে মুশকিল আসান। নারীদের রক্তচাপের সমস্যা কমাতেও অনেকটাই সহায়তা করে নিয়মিত যৌনতা।

নিয়মিত সঙ্গম করলে স্বাস্থ্যের কী উন্নতি হয়?

১) নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কের মধ্যে থাকলে শরীরে টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। ফলে নারী-পুরুষ দু’জনের ক্ষেত্রেই হাড়ের জোর বাড়ে। পেশিকে টানটান ও সতেজ রাখতেও সাহায্য করে যৌনতা।

২) শারীরিক মিলনের সময়ে ডোপামিন, এন্ডরফিন ও সেরোটোনিনের মতো ‘ফিল গুড হরমোন’ ক্ষরিত হয়। এই সব হরমোন রক্তের সঙ্গে মিশে ব্যথাবেদনা দূর করতে সাহায্য করে। ঋতুস্রাবকালীন যন্ত্রণা, মাইগ্রেনের মতো অসুখকেও অনেকটা কাবু করা যায় মিলনের প্রভাবে।

৩) শারীরিক সম্পর্ক স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের ক্ষরণ কমায়। ফলে মানসিক চাপ কমে। ঘুম ভাল হয়। শরীর আর মন, দুই-ই শান্ত হওয়ার কারণে ঘুমও আসে তাড়াতাড়ি।

৪) শারীরিক ঘনিষ্ঠতা রক্ত সংবহন বাড়িয়ে তোলে। ফলে ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ হয় বেশি। যৌন সম্পর্কে যেটুকু ঘাম হয়, তার মাধ্যমে শরীরের টক্সিনও দূর হয়। এ সব কারণে ত্বক জেল্লাদার হয় ও তার জৌলুসও বাড়ে।

৫) সঙ্গমের ফলে প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমে, বিভিন্ন গবেষণায় এই কথা দাবি করা হয়েছে।

আমি কে?ব্যথা, প্যারালাইসিস, স্পোর্টস ইনজুরি, ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞমোঃ মুকবুল আহমেদ বেলালযোগ্যতা:MS (Disa...
11/07/2026

আমি কে?
ব্যথা, প্যারালাইসিস, স্পোর্টস ইনজুরি, ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ
মোঃ মুকবুল আহমেদ বেলাল
যোগ্যতা:
MS (Disability & Rehabilitation)
PGD in Sports Science (Exercise Physiology)
BPT, NITOR (ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
Certified in Acupuncture (BCA)
আমি কী ধরনের চিকিৎসা করি?
ঘাড়, কোমর, কাঁধ, পিঠ, হাঁটু, গোড়ালিসহ শরীরের যেকোনো জয়েন্ট, মাংসপেশি, লিগামেন্ট ও টেনডনের ব্যথা আধুনিক ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা করি।
চিকিৎসায় ব্যবহার করি—
থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ
ম্যানুয়াল থেরাপি (Manipulation & Mobilization)
ইলেক্ট্রোথেরাপি
আকুপাংচার
ব্যক্তিভিত্তিক রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম
আমার লক্ষ্য শুধু ব্যথা কমানো নয়, বরং সমস্যার মূল কারণ দূর করে পুনরায় যাতে ফিরে না আসে, সে অনুযায়ী চিকিৎসা ও রিহ্যাবিলিটেশন নিশ্চিত করা।
আমি কী করি না?
আমি ওষুধ, ইনজেকশন বা অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করি না।
যদি আপনার সমস্যার জন্য ওষুধ, ইনজেকশন বা অপারেশন প্রয়োজন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ করছি।
তবে যাদের ওষুধ, ইনজেকশন বা অপারেশনের পরও ব্যথা বা শারীরিক সমস্যা পুরোপুরি ভালো হয়নি, তারা ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশনের জন্য আমার পরামর্শ নিতে পারেন। আল্লাহর রহমতে যথাযথ মূল্যায়ন ও চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
আমাকে কোথায় পাবেন?
APRC Wellness Care
📍 হাজী মোবারক বিরিয়ানির বিপরীত পাশে, বটতলা, খিলক্ষেত, ঢাকা।
📞 যোগাযোগ: 01607-027296

🌿 APRC Wellness Care-এ চলছে হিজামা অফার! 🌿বিশেষ ডিসকাউন্ট মূল্যে হিজামা গ্রহণ করুন।হিজামা বিভিন্ন ধরনের ব্যথা-বেদনা, দুশ...
04/07/2026

🌿 APRC Wellness Care-এ চলছে হিজামা অফার! 🌿
বিশেষ ডিসকাউন্ট মূল্যে হিজামা গ্রহণ করুন।
হিজামা বিভিন্ন ধরনের ব্যথা-বেদনা, দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি এবং শরীরের নানা সমস্যার উপশমে সহায়ক হতে পারে।
📖 রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "তোমরা যে চিকিৎসা গ্রহণ কর, তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো হিজামা (শিঙ্গা লাগানো)।"
আরবি: خَيْرُ مَا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ الْحِجَامَةُ
সূত্র: Sahih al-Bukhari, হাদিস নং ৫৬৯৬ (নম্বরায়ণে ভিন্নতা থাকতে পারে)। হিজামা সম্পর্কে Sahih Muslim-এও একাধিক সহীহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
আরেকটি হাদিসে এসেছে:
"মি'রাজের রাতে আমি যে ফেরেশতাদের দলের পাশ দিয়ে গিয়েছি, তারা সবাই আমাকে বলেছেন: ‘হে মুহাম্মদ! আপনার উম্মতকে হিজামা করার নির্দেশ দিন।’"
সূত্র: Jami' al-Tirmidhi, হাদিস নং ২০৫৩ (হাদিসটি অনেক মুহাদ্দিসের নিকট হাসান/সহীহ হিসেবে গ্রহণযোগ্য)।
📍 APRC Wellness Care
যোগাযোগ : 01934236633 01607027296

সতর্কতামূলক বার্তাআজ আমাদের সেন্টারে একজন রোগী এসেছিলেন। তাঁকে চিকিৎসক (ডাক্তার) Frozen Shoulder-এর জন্য ফিজিওথেরাপি নেও...
18/06/2026

সতর্কতামূলক বার্তা
আজ আমাদের সেন্টারে একজন রোগী এসেছিলেন। তাঁকে চিকিৎসক (ডাক্তার) Frozen Shoulder-এর জন্য ফিজিওথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু একটি প্রতারক চক্র তাঁকে ফ্রি থেরাপির প্রলোভন দেখিয়ে তথাকথিত কোরিয়ান "Ceragem" থেরাপি প্রদান করে। পরবর্তীতে তিনি কোমরের নার্ভজনিত জটিলতা নিয়ে আমাদের কাছে আসেন।
এর আগেও আমরা এমন একজন রোগী পেয়েছি, যিনি এই ধরনের ফ্রি থেরাপি নেওয়ার পর স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
মনে রাখবেন, সব ধরনের থেরাপিই ফিজিওথেরাপি নয়। আপনার শরীরে যেকোনো থেরাপি গ্রহণের আগে নিশ্চিত হোন যে, সেটি আপনার চিকিৎসক সুপারিশ করেছেন কি না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ফ্রি বলে কোনো মেশিনভিত্তিক থেরাপি দিলে তা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
সঠিক মূল্যায়ন, বৈজ্ঞানিক ফিজিওথেরাপি এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন—
APRC Wellness Care
Advanced Physiotherapy & Rehabilitation Centre
📍 সরদার বাড়ি (মেট্রো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিপরীত পাশে), বটতলা, খিলক্ষেত।
📞 যোগাযোগ: 01934-236633, 01607-027296
সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

03/06/2026

লিপিড প্রোফাইলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে চিকিৎসকরা প্রায়ই Atorvastatin গ্রুপের ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। তবে মনে রাখতে হবে, শুধুমাত্র ওষুধ সেবনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে কোলেস্টেরল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ইতিবাচক পরিবর্তন ভবিষ্যতে ওষুধের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে সহায়তা করতে পারে।
কিছু গবেষণায় দীর্ঘদিন স্ট্যাটিনজাতীয় ওষুধ ব্যবহারের সঙ্গে যৌনস্বাস্থ্য-সম্পর্কিত কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এ বিষয়ে ব্যক্তিভেদে ভিন্নতা থাকতে পারে। তাই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করলে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ব্যায়ামগুলোর মধ্যে রয়েছে Aerobic Exercise। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
✅ Walking (হাঁটা)
✅ Cycling (সাইক্লিং)
✅ Swimming (সাঁতার)
তবে এসব ব্যায়াম সঠিক সময়, মাত্রা ও তীব্রতায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য একজন যোগ্য ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যক্তিগত শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যায়ামের পরিকল্পনা করা উচিত।
সুস্থ জীবনযাপনই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের সর্বোত্তম উপায়।

APRC Wellness Care ফিজিওথেরাপি, হিজামা এন্ড আকুপাংচার সেন্টার

ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন চিকিৎসা ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় বাত-ব্যথা, প্যারালাইসিস, প্রত...
31/05/2026

ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন চিকিৎসা ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় বাত-ব্যথা, প্যারালাইসিস, প্রতিবন্ধিতা এবং প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এছাড়াও মানবদেহের যেকোনো অপারেশনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী রিহ্যাবিলিটেশনেও ফিজিওথেরাপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন একজন ফিজিওথেরাপিস্ট, যিনি সরকার অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব ফিজিওথেরাপি (BPT) ডিগ্রি এবং ১ বছর বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করে মোট ৫ বছরের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল কর্তৃক রিহ্যাবিলিটেশন প্র্যাকটিশনার হিসেবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রায় সকল বিভাগেই ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব অপরিসীম। মাসকিউলোস্কেলেটাল, অর্থোপেডিক, নিউরো, পেডিয়াট্রিক, কার্ডিও, গাইনি ও অন্যান্য বিভিন্ন বিভাগে একজন ফিজিওথেরাপিস্ট স্বতন্ত্রভাবে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা প্রদান করে থাকেন।
ফিজিওথেরাপি নিন, সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরুন।

ফিজিওথেরাপিস্ট এর কাছে না পঠিয়ে ডিরেক্ট অপারেশন করে দিলাম!!!!রাগ করলা???
19/05/2026

ফিজিওথেরাপিস্ট এর কাছে না পঠিয়ে ডিরেক্ট অপারেশন করে দিলাম!!!!
রাগ করলা???

Address

হাজী মোবারক বিরিয়ানির বিপরীত পাশে, সরদার বাড়ি, ১৬৪ বটতলা, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯
Dhaka
1229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when APRC Wellness Care ফিজিওথেরাপি, হিজামা এন্ড আকুপাংচার সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share