Nutritionist Barnali Mostafa

Nutritionist Barnali Mostafa Personalized Nutrition & Lifestyle Specialist
Farazy Hospital Ltd. CCTD (BUHS), CND ( BIRDEM)
BSc, MSc.

in Food & Nutrition

Appointment:
(Online)Whatsapp - 01533598737
(Offline)Phone - 09606990000

03/06/2026

ভিডিওতে দেখানো আম গুলো রাজশাহীর হিমসাগর আম। এবারের প্রথম পার্সেল রিসিভ করলাম।
ভয়ই পেয়েছিলাম পার্সেল এ আম এর পরিবর্তে 'আলু' না চলে আসে!

কিন্তু না আলহামদুলিল্লাহ ঠিকঠাক ভাবেই পেয়েছি।

Sera Khabar - সেরা খাবার পেইজ থেকে নিয়েছি আমি আম গুলো। ধন্যবাদ আপনাদের সার্ভিস এর জন্য।

আপনাদের আম নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

মায়ের বয়স তো মাত্র ২৫! Nutrient deficiency হবে কেন?এই কথাটা চেম্বারে প্রায়ই শুনি।কিন্তু একটা প্রশ্ন করি - দেখুন, আপনার ব...
02/06/2026

মায়ের বয়স তো মাত্র ২৫! Nutrient deficiency হবে কেন?

এই কথাটা চেম্বারে প্রায়ই শুনি।

কিন্তু একটা প্রশ্ন করি -

দেখুন, আপনার বয়স হলো ২৫। কিন্তু এই বয়স হলেই অটোমেটিকভাবে আপনার Vitamin D, Iron, B12, Zinc, Magnesium, Protein, Choline, Omega-3 সবকিছুই যথেষ্ট আছে সেটা আপনি শিওর?

বয়স আর nutrient status এক জিনিস না।

সত্যি বলতে, অনেকের deficiency ৩৫ বছর বয়সে না, Adolescent বয়স থেকেই শুরু হয়ে যায়। হয়তো আপনার নিজের গ্রোয়িং পিরিয়ডেই আপনি এনাফ নিউট্রিয়েন্ট ইনটেক ই করেননি।

অনেকেই আছেন বছরের পর বছর -
- কম প্রোটিন খান
- রোদে যান না
- প্রসেসড খাবার বেশি খান
- রাত জাগেন
- স্ট্রেসে থাকেন
- নিজে নিজে বা ভিডিও দেখে diet করেন

ফলে শরীরের nutrient reserve ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

এরপর আসে pregnancy।

একটা বেবির গ্রোথ এর সময় মায়ের শরীর থেকে Protein, Iron, Folate, B12, Zinc, Iodine, Choline, DHA, Magnesium সহ অসংখ্য nutrient ব্যবহার হয়!

তারপর আসে delivery,
তারপর breastfeeding।

অনেক মা এই সময়টায় নিজের nutrient storage আবার রিফিল করার সুযোগই পান না।

এর কিছুদিন পর আবার পরবর্তী pregnancy!

তখন প্রশ্ন হলো -
আপনার শরীরের nutrient bank account এ নতুন শিশুর জন্য যথেষ্ট স্টোরেজ আছে তো??

অনেকেই বলেন,
কিন্তু আমি তো Iron-Folic Acid খেয়েছি।

ফাইন! কিন্তু বেবির গ্রোথ কি শুধু Iron আর Folic Acid দিয়ে হয়?

Vitamin D? Vitamin B12? Zinc? Iodine? Choline? Protein? Omega-3? Magnesium?
এগুলোর অবস্থাও তো দেখতে হবে!

একটা শিশুর healthy growth এর জন্য শুধু calorie না, dozens of nutrients একসাথে কাজ করে।

তাই বয়স তো মাত্র ২৫ - এটা nutrient adequacy এর কোনো প্রমাণ আসলে দিতে পারে না।

Deficiency বয়স দেখে আসে না। Deficiency আসে বছরের পর বছর শরীরকে কী দিয়েছেন, আর কী দেননি সেটার হিসাব ধরে।

শুধু ক্যালেন্ডারের বয়স না, শরীরের nutrient storage টাও গুরুত্বপূর্ণ।

আর আসলে শিশুর growth story জন্মের পর থেকে শুরু হয় না। শুরু হয় মায়ের শরীরে থাকাকালীন সে কেমন nutrient পেয়েছিলো সেখান থেকেই!

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
যোগাযোগ : 09606990000 (হটলাইন)

অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

ঈদের পর অনেকের শরীরে ব্যথা, হাত-পা জ্বালাপোড়া, জয়েন্ট পেইন বেড়ে যায় খেয়াল করেছেন? আর সাথে সাথেই অনেকে বলে ফেলেন গরুর মাং...
01/06/2026

ঈদের পর অনেকের শরীরে ব্যথা, হাত-পা জ্বালাপোড়া, জয়েন্ট পেইন বেড়ে যায় খেয়াল করেছেন?

আর সাথে সাথেই অনেকে বলে ফেলেন গরুর মাংস খেয়ে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেছে!

কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, অনেকের ক্ষেত্রে দোষ শুধু একা মাংসের না।
কিভাবে? আসুন দেখি।

ঈদের কয়েকদিনে আমরা সাধারণত যা যা করি -

> স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মিষ্টি খাই
> কোমল পানীয়, জুস, ডেজার্ট খাই
> প্রসেসড খাবার খাই, বাজে তেলে রান্না খাবারও খাই
> বারবার খাই - ফলে সুগার স্পাইক বেশি হয়
> রাত জাগি নরমাল সময়ের তুলনায় বেশি
> খুব কমই কোনো ব্যায়াম করা হয়

আর এখানে বলা সবগুলো ব্যাপার শরীরে Inflammatory Load বাড়িয়ে দেয়!

ফলাফল?
✔ জয়েন্টের ব্যথা বেশি অনুভূত হতে পারে
✔ পুরনো কোমর/শরীর ব্যথা মাথাচাড়া দিতে পারে
✔ হাত-পা জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে
✔ শরীর ভারী লাগতে পারে
✔ ক্লান্তি ও অবসাদ বাড়তে পারে

অনেকেই খেয়াল করবেন, একই পরিমাণ মাংস খাওয়ার পরও অনেকের কোনো সমস্যা হয় না, আবার কারো শরীর একদম ভেঙে পড়ে।

কারণ শুধু খাবার না, পুরো লাইফস্টাইলের প্রভাব এখানে কাজ করে।

আরেকটা বিষয় মনে রাখা জরুরি -

শরীরে আগে থেকেই যদি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ফ্যাটি লিভার, মেটাবলিক সিন্ড্রোম বা ক্রনিক ইনফ্লেমেশনের প্রবণতা থেকে থাকে, তাহলে ঈদের কয়েকদিনের অনিয়মের প্রভাব আরও বেশি প্রকট ভাবে চোখে পড়ে।

তাহলে এখন করণীয় কী?
> দয়া করে রাতে আর্লি ঘুমানোর চেষ্টা করেন।
> পর্যাপ্ত পানি পান করুন
> প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট হাঁটুন
> মিষ্টি, কোমল পানীয়, বিস্কুট, বেকারি আইটেম, প্রসেসড স্ন্যাকস বন্ধ করুন
> প্রতিটি মিলের সাথে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও শাকসবজি রাখুন
> স্বাভাবিক ও ব্যালেন্সড খাবারে ফিরে আসুন
> সূর্যের আলোতে কিছুটা সময় কাটান

আর ইনফ্লেমেশন কমাতে কিছু শক্তিশালী খাবার ডেইলি রাখার চেষ্টা করুন। যেমন -

* হলুদ -
শক্তিশালী ন্যাচারাল anti-inflammatory উপাদানগুলোর একটি। গরম পানিতে হলুদের সাথে গোলমরিচ গুঁড়া ও এলাচ গোটা একসাথে জ্বাল করে লিকুইড অংশ টা পান করুন।

* আদা -
হজম ভালো করে এবং inflammation কমাতে সাহায্য করে।

* পেয়ারা, আমলকি, লেবু -
ভিটামিন C সমৃদ্ধ, oxidative stress কমাতে সহায়তা করে। চাইলে সিভিট ফোর্ট (Ceevit Forte) ট্যাবলেট টাও খেতে পারেন ১ দিন পর পর ১ টা করে পানিতে গুলিয়ে।

* শাকসবজি -
বিভিন্ন ধরণের শাকসবজি শরীরের ডিটক্সিফিকেশন এ support দেয়। স্পিরুলিনা ও ডিটক্সের জন্য খুব ভালো একটি চয়েস।

আর বেরি টাইপ, কম চিনি যুক্ত ফল ও রাখতে পারেন, ভালো antioxidants সমৃদ্ধ হয়।

* Omega 3 রিচ খাবার -
এটা বডির জন্য ভালো এন্টিইনফ্লামেটরি ইফেক্ট দিয়ে থাকে। তাই খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখার চেষ্টা করুন।

* গ্রিন টি –
এতে থাকা ক্যাটেচিন নামক শক্তিশালী antioxidant ইনফ্লামেশন কমাতে হেল্প করে।

এই ছোট ছোট খাবারের কম্বিনেশনই শরীরকে আবার reset mode এ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

এর পাশাপাশি আর কি কি সমস্যা আপনারা ফেইস করছেন কমেন্টে জানান। হেল্প করার চেষ্টা করবো ইন শা আল্লাহ।

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট,
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।

অনলাইন কিংবা অফলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

ঈদের খাওয়া দাওয়া শেষ না হতেই পেটে গন্ডগোল বাঁধায়ে ফেলসেন যারা - একটু ধৈর্য রাখেন ভাই! Gas, bloating, acidity, loose বা s...
29/05/2026

ঈদের খাওয়া দাওয়া শেষ না হতেই পেটে গন্ডগোল বাঁধায়ে ফেলসেন যারা - একটু ধৈর্য রাখেন ভাই!

Gas, bloating, acidity, loose বা semi-loose stool, constipation হাজির তো এমনি এমনি হয় না।

আর দোষও কিন্তু মাংসের না।
Problem হয় পুরো খাবারের combination আর eating pattern এর কারণে।

একদিকে ইচ্ছামতো গরু/খাশি খাইতেসেন,
তার সাথে পেটচুক্তি semai, payesh, jorda, soft drinks, coke, polau।
মানে হঠাৎ করে বেশি প্রোটিন আর ফ্যাট, তার সাথে প্রচুর sugar আর refined carbohydrate overload ‼️

এর ফলে -

- Digestive enzyme এর উপর massive চাপ পড়ে
- Gut bacteria balance নষ্ট হতে শুরু করে
- Gallbladder কে অতিরিক্ত bile release করতে হয় fat গুলো handle করার জন্য
- Stomach আগের meal ঠিকমতো digest শেষ করার আগেই আবার heavy meal ঢুকে যায়

মানে digestive system literally কোনো break পায় না।

তার উপর যদি থাকে -
• বাজে তেলে রান্না করা মাংস
• Feed খাওয়ানো গরুর অতিরিক্ত চর্বি
• Vegetables/fibre প্রায় না থাকা
• পানি কম খাওয়া
• সারাদিন inactive থাকা
• Late night overeating সাথে sleep disruption

তাহলে আপনার বডির inflammation বাড়বে না কেনো?Acidity,, loose stool বা constipation হবে না কেনো?

এখন আসেন দেখি কি করলে সমস্যা কম হবে।

- Meat এর সাথে অবশ্যই salad, শসা, fibrous vegetables রাখুন। সকাল বা রাতের খাবার টা একদম সালাদ বা সবজি বেইজড রাখতে পারলে ভালো।

Fibre gut bacteria support করে আর bowel movement improve করতে সাহায্য করে।

- করলা বা তিতা জাতীয় সবজি add করতে পারেন।
Bitter foods অনেকের ক্ষেত্রে bile flow আর digestion support করতে সাহায্য করে।

- যারা tolerate করেন তারা সামান্য vinegar খাবারের সাথে নিতে পারেন।

এটা stomach acid response আর digestion support করতে সাহায্য করতে পারে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে।
(যাদের gastritis/ulcer/reflux বেশি তারা careful থাকবেন)

- Probiotic food add করুন
টক দই, কিমচি, সাওয়ারক্রাউট অর্থাৎ probiotic rich খাবার gut bacteria balance support করতে সাহায্য করে।

- একবারে গলা পর্যন্ত না খেয়ে ভাগ করে খান।
কারণ digestive system এরও একটা processing capacity আছে।

- Soft drinks আর excessive dessert কমান।
Sugar এর সাথে fat combo অনেকের gut আর energy regulation নষ্ট করে দেয়।

- যথেষ্ট পানি খান
Low water intake constipation আর bloating আরও worsen করতে পারে।

- সারাদিন শুয়ে-বসে না থেকে moderate movement রাখুন।

খাওয়ার পর হালকা হাঁটা digestion, blood sugar response আর bowel movement support করতে সাহায্য করে।

- Proper sleep নিন
Late night eating সাথে লেইট নাইট জেগে থাকা digestion, acidity আর appetite regulation আরও খারাপ করতে পারে।

আর যাদের অলরেডি সমস্যা শুরু হয়ে গেসে, ডিসকম্ফোর্ট কমাতে চাইলে জিরা জ্বাল করা পানি বা আাদার রস খেয়ে দেখতে পারেন।

ঈদ যেহেতু, enjoy অবশ্যই করবেন।

কিন্তু body কে এমন overload দিয়েন না যেন পরদিন পুরো digestive system স্লিপে চলে যায় আর সব খাওয়া দাওয়া একবারে বন্ধই করে দেয়া লাগে!

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
যোগাযোগ : 09606990000 (হটলাইন)

অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

গরুর মাংস কে নন্দ ঘোস বানানো আর সব দোষ এর উপর দেয়া, বিষয়টা এখন আসলে আউটডেটেড!আমাদের দেশের কমন trend হলো বিভিন্ন রোগের জন...
26/05/2026

গরুর মাংস কে নন্দ ঘোস বানানো আর সব দোষ এর উপর দেয়া, বিষয়টা এখন আসলে আউটডেটেড!

আমাদের দেশের কমন trend হলো বিভিন্ন রোগের জন্য
সব দোষ দেয়া হয় beef এর উপর।

কিন্তু আসল প্রবলেম টা beef এ না, বরং তার কোয়ালিটি এবং কুকিং সিস্টেম এ থাকে।

সহজভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছি কোন বিষয়গুলো আমাদের আসলে বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

১. গরু কী খেয়ে বড় হয়েছে?

এটা অবশ্যই জানতে হবে। আগে গরু সাধারণত ঘাস খেয়ে বড় হতো (pasture based system)।

কিন্তু এখন অনেক জায়গায় industrial farming এ দ্রুত মোটাতাজা করানোর জন্য এদের corn, soy, wheat based feed বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিড খাওয়ানো হয়।

এই ধরনের feed এর কারণে মাংসের fatty acid composition টাই পরিবর্তন হয়ে যায়।

বিশেষ করে omega-6 বেড়ে যায় এবং omega-3 এর তুলনায়।
আর এই দুইটার সঠিক রেশিও খুবই important।

Omega-6 : Omega-3 ratio যদি খুব বেশি হয়ে যায় (যেমন 10:1 বা 15:1+) তখন শরীরে দীর্ঘমেয়াদে inflammatory signaling বাড়তে থাকে।

Nutritional quality always depends on how the animal was raised.

Grass-fed বা naturally raised beef এ সাধারণত omega-3, CLA (conjugated linoleic acid) বেশি থাকে।
ওভারঅল fat profile বেশ balanced থাকে।

আর ইন্ডাস্টিয়ালি রেইজড গরুতে ইনফ্লামেটরি Omega 6 বেশি থাকে।

তাই সব beef একই effect দেয় এই ধারণা আসলে scientifically accurate না।

২. সবচেয়ে ignored part - রান্নার তেল এবং heat chemistry!

আমরা বেশিরভাগই রান্নায় ব্যবহার করি refined vegetable oil - soybean oil, sunflower oil, rice bran oil।

এগুলো মূলত seed-based oils, যেগুলোতে omega-6 fatty acid অনেক বেশি থাকে।

আর এগুলো তৈরি হয় high heat, chemical solvent, bleaching, deodorizing-এর মাধ্যমে!
ফলে তেলের natural structure নষ্ট হয়, oxidized lipid ও trans fat এর ঝুঁকি বাড়ে।

High heat রান্নায় তো এগুলো আরও breakdown হয়!

Imagine করুন একে তো Industrial feed খাওয়ানো beef (যাতে অলরেডি omega 6 বেশি) high omega-6 যুক্ত refined vegetable oil আবার high heat এ রান্না হচ্ছে!!!

High heat এ কী হয়?
Oil এর ভিতরের unsaturated fats গুলো কম স্টেবল nature এর কারণে খুব দ্রুত oxidize হতে শুরু করে, breakdown products তৈরি হয়,reactive compounds তৈরি হয়।

যার মধ্যে কিছু হলো -
- lipid hydroperoxides
- aldehydes (যেমন 4-HNE)
- advanced lipid oxidation products (ALEs)

এটা শরীরের জন্য inflammatory এক্সপ্লোশন করার জন্য এক্সপার্ট। আর এই inflammation থেকেই কিন্তু হার্ট এর রোগ সহ নানা রকম রোগের সূত্রপাত হয়।

আরও interesting part হলো মাংসে থাকা iron (heme iron) এই oxidation reaction কে আরও accelerate করতে পারে।

তাই beef এর সাথে refined vegetable oil এবং হাই হিটে রান্না higher oxidative load তৈরি করে।

৩. Omega 6 overload

এটা একটা modern diet problem।
বর্তমানে শুধু beef না, আমাদের ওভারঅল ডায়েটে omega-6 অনেক বেশি।

যার Sources হলো - fried foods, processed snacks, highly refined oils, packaged food।

এই কারণে অনেক মানুষের diet এ omega-6 : omega-3 ratio natural balance থেকে অনেক দূরে চলে গেছে।

Research অনুযায়ী এই ইমব্যালেন্স inflammation pathways activate করতে পারে, endothelial function affect করতে পারে,metabolic stress বাড়াতে পারে!

কিন্তু আবার বলছি
এটা single food issue না, এটা diet pattern issue।

এখন আসি সমাধান কিভাবে করা যায়?

সব fat একরকম behave করে না, বিশেষ করে heat এর ক্ষেত্রে।

তুলনামূলক stable options হলো -
- ঘি (Ghee)
- সরিষার তেল (Mustard oil)
- beef tallow / coconut oil

এখানে মূল point হলো fat stability matters more!

Updated Nutrition science এখন focus করছে -
- lipid oxidation
- omega-6 / omega-3 balance
- fat stability in cooking
- food processing level
এবং ওভারঅল dietary pattern এ।

সো শুধু Beef খেলে শরীর খারাপ হয় এটা সম্পূর্ন কাহিনি নয়।

আসল কনসার্ন হওয়া উচিত - গরু কী খেয়ে বড় হয়েছে?কোন তেলে রান্না হচ্ছে? কত heat ব্যবহার হচ্ছে?overall diet balance কেমন? এগুলো নিয়ে।

কারণ শরীরে খাবার শুধু একটা ingredient না, পুরো বডির chemistry এর উপর ডিপেন্ড করে!

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
যোগাযোগ : 09606990000 (হটলাইন)

অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

হরমোন ব্যালেন্সের জন্য ৫টা খাবার - যা প্রায় প্রত্যেক মেয়েরই রেগুলার ডায়েটে রাখা উচিতঅনেক মেয়েই unknowingly এমন কিছু nutr...
22/05/2026

হরমোন ব্যালেন্সের জন্য ৫টা খাবার - যা প্রায় প্রত্যেক মেয়েরই রেগুলার ডায়েটে রাখা উচিত

অনেক মেয়েই unknowingly এমন কিছু nutrient deficiency নিয়ে চলেন যেগুলো hormone, mood, period, skin, energy সবকিছুকে affect করতে পারে।

তাই Hormone health support করার জন্য নিচে দেয়া এই ৫ ধরনের খাবার regular diet এ রাখার চেষ্টা করতে পারেন -

১. ডিম

Hormone তৈরির raw materials হলো good cholesterol আর প্রোটিন ।
আর ডিম হলো এগুলোর সলিড source!

বিশেষ করে:
- PCOS
- Hair fall
- Low energy
- Mood swing
- Food cravings

এসবের পেছনে অনেক সময় protein deficiency আর unstable blood sugar কাজ করে।

ডিমে থাকা choline, B12, selenium হরমোন মেটাবলিজম এও হেল্প করে।

২. ফ্যাটি মাছ
(ইলিশ, রুইয়ের পেটি অংশ, মেনি, চাপিলা, চিতল, টুনা, সামুদ্রিক ছোট মাছ)

কারণ এগুলোতে থাকা Omega-3 বডির inflammation কমাতে সাহায্য করে।

বডিতে chronic inflammation থাকলে:

- insulin resistance বাড়তে পারে
- ovulation disrupt হতে পারে
- period pain ও mood swing issue worsen হতে পারে

Omega-3 কোষের membrane আর hormone signaling এর জন্যও important।

খেয়াল করলে দেখবেন যারা মাছ কম খান তাদের মধ্যে অনেক সময় - dry skin, brain fog, low mood এগুলো বেশি দেখা যায়।

৩. শাকসবজি (বিশেষ করে ক্রুসিফেরাস - বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রোকলি এবং বিভিন্ন শাক)

আমাদের লিভার estrogen metabolism এ huge role play করে।

উল্লেখিত vegetables গুলোতে থাকা sulforaphane, indole compound গুলো estrogen balance support করতে সাহায্য করে থাকে।

এছাড়া শাকসবজির ফাইবার excess estrogen বের হতে help করে, gut microbiome support করে, blood sugar spike কমাতে সাহায্য করে।

৪. Fermented food

Gut health আর hormone health লিটারেলি বন্ধুর মতো কাজ করে। আর Gut care এর জন্য বেস্ট অপশন হলো ফার্মেন্টেড ফুড - টক দই, কিমচি, সাওয়ারক্রাউট, বিট কাভাস।

Gut imbalance থাকলে estrogen recycling বেড়ে যেতে পারে। ফলে -

- bloating
- acne
- inflammation
- craving
এসব worsen হতে দেখা যায়।

বিশেষ করে যাদের রিসেন্ট antibiotics খাওয়া হয়েছে বা IBS issue আছে তাদের জন্য gut care অনেক important।

৫. বাদাম ও বীজ
(কুমড়ার বীজ, তিল, chia, flaxseed, almond)

এগুলোতে থাকে - magnesium, zinc, vitamin E, Omega 3 সহ নানা নিউট্রিয়েন্টস।

যা hormone signaling, PMS symptoms, stress response, ovulation support এ ভূমিকা রাখে।

বিশেষ করে magnesium কম থাকলে কিন্তু

- sleep issue
- craving
- anxiety
- muscle cramp
- PMS
এগুলো বাড়তে পারে।

কিন্তু একটা কথা।

শুধু এগুলো খেলেই hormone magically balance হয়ে যাবে না।

যদি -
- chronic stress থাকে
- sleep poor হয়
- ultra processed food বেশি হয়
- protein কম খান
- সারাদিন grazing/snacking করেন
- sunlight/movement না থাকে

তাহলে body বারবার survival mode এ চলে যেতে পারে।

সো কি খাচ্ছেন, কতটুকু খাচ্ছেন, কিভাবে দিন কাটাচ্ছেন তার দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
যোগাযোগ : 09606990000 (হটলাইন)

অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

পিরিয়ডের পরের ৭ দিন ওজন কমানোর সবচেয়ে সহজ সময় কিন্তু ৯০% মেয়ে না বুঝেই এটাকে নষ্ট করে!এই সময়টাকে ঠিকমতো use করতে পারলে আ...
20/05/2026

পিরিয়ডের পরের ৭ দিন ওজন কমানোর সবচেয়ে সহজ সময় কিন্তু ৯০% মেয়ে না বুঝেই এটাকে নষ্ট করে!

এই সময়টাকে ঠিকমতো use করতে পারলে আপনার weight loss অনেক easier হয়ে যেতে পারে!

খেয়াল করে দেখবেন, পিরিয়ডের পর body টা অনেক light লাগে। এই সময় অতিরিক্ত cravings বা ক্ষুধা থাকে না। ওয়ার্কআউট এ ভালো energy পাওয়া যায়।

এটা কোনো coincidence না।

পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরের phase টাকে বলা হয় Follicular phase।

এই সময় body তে এমন কিছু hormonal change হয় যেটা অনেকের জন্য fat loss journey comparatively smoother করে দিতে পারে।

এই phase এ সাধারণত
➤ Estrogen gradually বাড়তে থাকে
➤ Insulin sensitivity better হতে দেখা যায়
➤ বডির Water retention কমে, ফলে কম puffy লাগে
➤ Mood, motivation, energy improve করে
➤ অনেকের workout performance এবং recovery better হয়
➤ Cravings তুলনামূলক কম থাকে

মানে সহজ ভাষায় body এই সময় অনেকের ক্ষেত্রে “more cooperative” behave করে।

আর এখানেই শুরু হয় অনেকের আসল mistake।

কারণ body একটু ভালো feel করা শুরু করলেই অনেকে ধরে নেয় এখন একটু cheat করলে কিছু হবে না। বডি তো একটিভ যাচ্ছেই, সে সামলে নিবে!

তারপর শুরু হয় -

➤ বাইরে খাওয়া
➤ random snacking
➤ sugar drinks
➤ late night eating
➤ routine skip
➤ কাল থেকে আবার শুরু করবো cycle!

এবং সবচেয়ে dangerous part হলো এই phase এ body comparatively ভালো response করছিল যেই সময়টাতে সেই exact সময়টাই নষ্ট হয়ে যায়।

তারপর luteal phase এ গিয়ে আবার cravings, bloating, low mood, water retention শুরু হয়।

আর তখন তাদের মনে হয় - আমার body তে কিছুই কাজ করে না। May be I am a failure!!

আসলে body কাজ করছিল। আপনি হয়তো best metabolic window টাকে use করতে পারেননি।

Female body প্রতিদিন same ভাবে function করে না।

Cycle অনুযায়ী hormones, hunger, insulin response, water retention, energy সব fluctuate করতে পারে।

আর যারা নিজের body pattern বুঝে routine build করে, তাদের জন্য fat loss অনেক সময় কম painful হয়।

তাহলে এই phase টা কিভাবে smartly use করবেন?
আসুন দেখি-

➤ Protein intake বাড়ান -
কারণ এটা Satiety বা fullness improve করতে help করতে পারে এবং unnecessary snacking কমাতে support দেয়।

➤ Strength training or regular workout maintain -
এই phase এ অনেকের workout tolerance comparatively better থাকে। বেস্ট টাইম টু স্টার্ট।

➤ Sleep ঠিক রাখুন -
কারণ sleep messed up হলে cravings এবং appetite regulation দুটোই worsen করতে পারে।

➤ Ultra processed food কমান -
কারণ body ভালো লাগছে phase এ overconfidence থেকেই অনেক damage হয়ে যায়।

➤ Hydration maintain করুন -
অনেক সময় fatigue বা false hunger dehydration এর সাথেও related হতে পারে।

➤ Simple sugar avoid করুন -
ইট ইজ এ মাস্ট! কারণ বডি ভালো ফেইজে থাকলেও সিম্পল সুগার বা শর্করা একাই যথেষ্ট আপনার ক্রেভিংস কে নিয়ে আসতে।

সবচেয়ে important কথা হলো female fat loss শুধু কম খাওয়া দিয়ে কখনওই explain করা যায় না।

Hormone, cycle, sleep, stress, food quality সবকিছু একসাথে কাজ করে।

আর নিজের cycle বুঝে চলতে পারলে, একই body নিয়ে struggle না করে অনেক smarter way তে progress করা possible।

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
যোগাযোগ : 09606990000 (হটলাইন)

অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

যারা নানা ধরনের স্কিন কেয়ার প্রডাক্ট ইউজ করে ক্লান্ত তারা নিচে উল্লেখ করা বিষয় গুলোর সাথে মিলিয়ে দেখুন তো!যত বেশি পয়েন্ট...
17/05/2026

যারা নানা ধরনের স্কিন কেয়ার প্রডাক্ট ইউজ করে ক্লান্ত তারা নিচে উল্লেখ করা বিষয় গুলোর সাথে মিলিয়ে দেখুন তো!

যত বেশি পয়েন্ট মিলে যাবে তত বুঝতে পারবেন যে নিজের বডি নিয়ে কতটা অবহেলা করছেন।

১। Lack of Protein -

যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন ইনটেক না করা হলে collagen production কমে যেতে পারে, skin elasticity কমতে পারে, skin loose বা tired দেখাতে পারে।
অনেকের hair fall আর weak nails ও একসাথে শুরু হয়।

২। Sugar or processed food Intake -

যারা প্রচুর sugary foods, soft drinks, desserts, processed snacks খান তাদের ক্ষেত্রে শরীরের collagen structure খুব দ্রুত damage হতে থাকে, যেটাকে glycation বলা হয়।

এর ফলে skin এর টানটান বা প্লাম্পি ভাব কমে যায়, fresh লাগে না, দ্রুত dull/saggy look আসে। এমনকি inflammation prone acne ও বেড়ে যায় অনেকের।

৩। Lack of Healthy fats -

Healthy fat বা omega-3 কম খেলেও skin silently suffer করতে পারে। কারণ skin barrier healthy রাখতে ভালো fat খুব important।

এগুলোর ঘাটতি হলে স্কিন dry, flaky, irritated হয়ে থাকে। Scalp dry হয়ে dandruff বাড়তে পারে। অনেক সময় moisturizer লাগিয়েও স্কিনে healthy glow আসে না।

৪। Low Iron

Iron বা hemoglobin কম থাকলে effect শুধু শারীরিক দূর্বলতায় সীমাবদ্ধ থাকে না। Hb এর অভাবে শরীরে oxygen transport এর efficiency কমে যায়।

ফলে hair follicle আর skin cells এর উপরও তার impact পরে।
তখন চুল পড়া বেড়ে যায়, skin pale বা lifeless লাগে, চোখের নিচে কালচে ভাব দেখা দেয়।

৫। Poor Gut Health -

Gut health খারাপ থাকলে সেটার রিফ্লেকশন স্কিনে দেখতে পাওয়া যায়।

যাদের নিয়মিত bloating, constipation, acidity, irregular bowel movement, frequent junk food habit আছে ধরেই নেয়া যায় তাদের gut microbiome এ imbalance আছে।

আর যখন gut irritated বা inflamed থাকে, তখন সেই inflammatory signal অনেক সময় skin এও reflect করে।

এই কারণেই অনেকের ক্ষেত্রে constipation বাড়লে acne flare হয়, junk food binge এর পর skin dull লাগে, stress এর সময় eczema/allergy বেড়ে যায়।

৬। Sugar spikes -

Blood sugar বারবার spike করলেও skin impact feel করতে পারে।
Frequent sugary tea/coffee, biscuits, processed carbs, random snacking এগুলো insulin বারবার বাড়িয়ে দেয়।

আর chronically high insulin অনেক সময় oil production, inflammation আর hormone signaling এর ওপর effect ফেলে।

ফলে acne stubborn হয়ে যেতে পারে, বিশেষ করে PCOS tendency থাকলে jawline acne বা oily skin বাড়তে দেখা যায়।

৭। Stress -

রাতে কম ঘুম, chronic stress বা mental pressure এসব cortisol balance disrupt করে।

তখন skin recovery slow হয়। Face প্রায় সময়ই tired লাগে, dark circle বাড়ে, acne flare করে, skin এ puffy লুক চলে আসে।

৮। Extreme Calorie Restriction -

Crash dieting বা extreme calorie restriction করলেও skin suffer করতে পারে।

অনেকে দ্রুত weight loss করতে গিয়ে enough protein, minerals, healthy fat কিছুই ঠিকমতো খান না।

ফলে ওজন এর সাথে সাথে মাসল কমে যায়, face glow হারিয়ে ফেলে, hair fall শুরু হয়।

এখানে আমি বলছি না যে skincare useless।
কিন্তু শুধু বাইরে cream লাগিয়ে ভিতরের inflammation, nutrient deficiency, poor sleep, gut issue, blood sugar imbalance ignore করলে অনেক সময় root cause untouched থেকে যায়।

কারণ skin অনেক সময় শুধু beauty প্রকাশ করে তা না, সে আমাদের শরীরের ভিতরের অবস্থাকেই রিফ্লেক্ট করে।

আপনার সাথে কয়টা পয়েন্ট মিলে গেলো??

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
যোগাযোগ : 09606990000 (হটলাইন)

অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

ওভারিতে cyst নেই, তাই PCOS নেই - এই ধারণা এখন outdated হয়ে যাচ্ছে।এই কারণেই PCOS এর নতুন official নাম হিসেবে PMOS adopt ...
13/05/2026

ওভারিতে cyst নেই, তাই PCOS নেই - এই ধারণা এখন outdated হয়ে যাচ্ছে।
এই কারণেই PCOS এর নতুন official নাম হিসেবে PMOS adopt করা হয়েছে।

PMOS - Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome

তবে যেহেতু ট্রানজিশন এ কিছুটা সময় লাগবে তাই এখনো অনেক জায়গায় PCOS নামটাই ব্যবহার করা হবে।

এই নাম পরওবর্তনের কারণ হলো experts এখন বুঝতে পারছেন যে এই problem টা আসলে শুধু o***y তে সীমাবদ্ধ না।

এটা পুরো body system এর hormonal এবং metabolic balance কেই affect করতে পারে।

একজন মেয়ের -
• irregular period
• stubborn belly fat
• acne & hair fall
• unwanted facial hair
• infertility
• mood swing
• anxiety
• sugar craving
• low energy

এগুলো অনেক সময় আলাদা আলাদা সমস্যা নয় বরং
একই metabolic-hormonal imbalance এর different signals থেকে দেখা দিতে পারে।

আর সবচেয়ে interesting বিষয় হলো -
অনেক মেয়ের ultrasound এ ovarian cyst দেখা যায় না, তারপরও তার PCOS এর অন্যান্য classic symptoms গুলো থাকে।

অর্থাৎ শুধু “cyst” দিয়েই এই condition কে সবসময় explain করা যায় না।

এই কারণেই PMOS (Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome) নামটা অনেক বেশি meaningful বলে ধরা হচ্ছে।

কারণ এখানে endocrine সিস্টেম অর্থাৎ আমাদের হরমোনস এবং metabolic dysfunction এর দিকটাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষ করে insulin resistance এই condition এ খুব common একটা বিষয় যেটা আমরা অনেক সময় নজরআন্দাজ করে যাই।

Body যখন insulin properly use করতে পারে না, তখন শুধু blood sugar রিলেটেড সমস্যা হয় এমন না,

বডিতে তখন hormone signaling, ovulation, fat storage, appetite, even skin health পর্যন্ত disrupt হতে শুরু করে।

তখনই দেখা দেয় -

• হঠাৎ ওজন বাড়া
• বারবার ক্ষুধা লাগা
• period irregular হওয়া
• কুচকি এড়িয়ায় skin darkening
• acne
• excessive hair fall

মানে problem টা শুধু o***y তে না, পুরো metabolic environment এ।

আর সবচেয়ে important part হলো -
PMOS/PCOS মানেই lifelong hopeless condition না।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই -
- lifestyle change
- sleep fix
- stress management
- balanced diet
- movement
- weight management
এর মাধ্যমে symptoms গুলো অনেকটাই reverse করতে দেখা যায়।

তাই হতাশ হয়ে কান্নাকাটি না করে সিগনাল গুলো বুঝুন। সে অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস এবং লাইফস্টাইল চেন্জ করুন।

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
যোগাযোগ : 09606990000 (হটলাইন)

অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

হেপাটাইটিস এ বা ই তে আক্রান্ত হলেই কি লিভার ড্যামেজ বা ফেইলিওর হবে?Hepatitis A বা E virus অবশ্যই খারাপ।কিন্তু একটা impor...
10/05/2026

হেপাটাইটিস এ বা ই তে আক্রান্ত হলেই কি লিভার ড্যামেজ বা ফেইলিওর হবে?

Hepatitis A বা E virus অবশ্যই খারাপ।

কিন্তু একটা important বিষয় অনেকেই বুঝেন না যে
শুধু Hepatitis A বা E হলেই সবার severe liver damage বা liver failure হবে ব্যাপারটা এমন না।

কারণ বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই এই infection acute হয়।

মানে হঠাৎ করেই সিম্পটম দেখা দেয়, কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস শরীর খারাপ থাকে, প্রপার ট্রিটমেন্ট এর পর ধীরে ধীরে recover করে ফেলে।

তাহলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এত severe complication কেন হয় যেটা তাকে Death Bed এ নিয়ে যেতে পারে?!

কারণ অনেক সময় virus বডিতে একা কাজ করে না।
বরং আগে থেকে stressed এবং কম্প্রোমাইজড একটা liver এর উপর গিয়ে extra চাপ ফেলে।

মানে ধরুন কারো আগে থেকেই কিছু ফিজিকাল কন্ডিশন থাকতে পারে যেমন -
- Fatty liver
- Obesity বা belly fat বেশি
- Insulin resistance / prediabetes
- বেশি sugary drinks, processed food, junk food ইনটেক
- ঘুম কম হওয়া বা বেশি রাত জাগা
- sedentary বা Inactive lifestyle
- chronic inflammation
- uncontrolled diabetes
- alcohol/smoking
- random supplement বা medicine misuse

এগুলোর মধ্যে প্রত্যেকটাই liver কে আগে থেকেই weak করে রাখতে পারে।

Problem হলো লিভার খুব silent organ।

অনেক মানুষ বছরের পর বছর fatty liver নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারেন কিন্তু কোনো symptomই বুঝেন না।

তারপর হঠাৎ যদি Hepatitis A/E এর মতো কোনো ভাইরাল infection হয়ে যায়

তখন দেখা যায় হুট করে liver enzyme massively বেড়ে যায়, jaundice হয়, দুর্বলতা সহ নানান শারীরিক সমস্যার শুরু হয়।

সবাই ভেবে বসে আছে “ভাইরাসটাই সব নষ্ট করে দিল!”
কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় ধরে থাকা existing metabolic problem কে ভাইরাসটা এসে আরও বিগড়ে দিয়েছে।

আর একটা জিনিস বোঝা খুব important,
কারো Insulin resistance থাকলে liver এ fat জমা বাড়তে পারে।

Fat জমলে inflammation বাড়তে পারে।
Inflammation বাড়লে liver cells stress এ পরে যায়।

তার উপর যদি আবার viral hepatitis attack করে তাহলে damage severity অনেক বেশি বেড়ে যেতে পারে।

Especially যারা আগে থেকেই fatty liver বা chronic liver issue এ ভুগছেন, তাদের recovery অনেক slow হতে পারে।

তাই শুধু জন্ডিসের medicine নেয়া বা ভাইরাস এভয়েড করাই একমাত্র সলিউশন না।

Lifestyle, food habit, sleep, insulin resistance এগুলাও চেক এ রাখা equally important।

Virus treat করা বা প্রিভেন্ট করা জরুরি।
কিন্তু liver-friendly lifestyle ছাড়া long term protection possible না।

সো নিজেই ভেবে দেখুন নিজের বডিকে কিভাবে তৈরি করতে চান।

বর্ণালী মোস্তফা মুনা
নিউট্রিশনিস্ট এন্ড লাইফস্টাইল স্পেশালিষ্ট
ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
দক্ষিন বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
যোগাযোগ : 09606990000 (হটলাইন)

অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে ইনবক্স করুন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Barnali Mostafa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share