Mohammedia Homeo Clinic

Mohammedia Homeo Clinic Homeopathic treatment is an effective method of healing in both acute and chronic conditions.Homeopathy is safe. Homeopathic medicines are natural.
(2)

homeopathic medicines are non-toxic and harmless and do not have any adverse side effects.

❓ অ্যালোপ্যাথি ও হোমিওপ্যাথি কি একসাথে খাওয়া নিরাপদ? জানুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃআমাদের ক্লিনিকে চর্মরোগ, এলার্জি, একজিমা, ...
31/05/2026

❓ অ্যালোপ্যাথি ও হোমিওপ্যাথি কি একসাথে খাওয়া নিরাপদ? জানুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ

আমাদের ক্লিনিকে চর্মরোগ, এলার্জি, একজিমা, সোরিয়াসিস, বন্ধাত্ব, টিউমারসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী রোগের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে একটি প্রশ্ন খুবই সাধারণ
"ডাক্তার সাহেব, আমি তো প্রতিদিন হাই প্রেসার, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা হার্টের ওষুধ খাই। আমি কি একই সাথে হোমিওপ্যাথি ওষুধও খেতে পারব? দুটি ওষুধ একসাথে খেলে কোনো সমস্যা হবে না তো?"
একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে আজ এই বিষয়ে সহজ ভাষায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরছি।
মূল কথাঃ
সাধারণভাবে, নিয়মিত ব্যবহৃত অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ চলমান অবস্থাতেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়।
বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, থাইরয়েড, হাঁপানি বা অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগের জন্য যেসব ওষুধ দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকে, সেগুলো চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়।
বরং প্রয়োজন হলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা এবং চলমান চিকিৎসা পাশাপাশি চালিয়ে যাওয়া যায়।

কেন অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়?
হাই প্রেসার, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা হার্টের ওষুধগুলো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
এসব ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর হঠাৎ বন্ধ করে দিলে অনেক ক্ষেত্রে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, রক্তে শর্করা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাওয়া, হৃদরোগের জটিলতা বৃদ্ধি পাওয়া বা অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তাই শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি শুরু করার কারণে পূর্বের প্রয়োজনীয় ওষুধ বন্ধ করা কোনোভাবেই উচিত নয়।

অ্যালোপ্যাথি ও হোমিওপ্যাথি কি একসাথে চলতে পারে?
বাস্তব চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহু রোগী দীর্ঘদিনের অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাও গ্রহণ করেন।
হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সাধারণত প্রচলিত ওষুধের মতো পরিচিত ড্রাগ-ইন্টারঅ্যাকশনের ঝুঁকি সৃষ্টি করে না। তবে রোগীর ব্যবহৃত সব ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসককে অবহিত করা উচিত।
এ কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে চলমান চিকিৎসা বজায় রেখেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।

ওষুধ খাওয়ার মাঝে কি ব্যবধান রাখা প্রয়োজন?
অনেক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অ্যালোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মাঝে প্রায় ৩০–৪৫ মিনিট সময়ের ব্যবধান রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
এতে রোগীর জন্য ওষুধ গ্রহণের রুটিনও সহজ হয়।

হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি কী বলে?
হোমিওপ্যাথির জনক Samuel Hahnemann তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Organon of Medicine-এর বিভিন্ন এফোরিজমে দীর্ঘদিনের ঔষধজনিত প্রভাব (Medicinal Disease) সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
বিশেষ করে §74, §76 এবং §204-এ তিনি দীর্ঘমেয়াদি ঔষধ ব্যবহারের ফলে শরীরের উপর সৃষ্ট প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছেন।
তাঁর আলোচনায় দেখা যায়, দীর্ঘদিন ব্যবহৃত ওষুধজনিত প্রভাব ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসায় রোগীর সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

আধুনিক হোমিওপ্যাথির দৃষ্টিতে ড. জর্জ ভিথুলকাসের ব্যাখ্যা
আধুনিক হোমিওপ্যাথির অন্যতম প্রভাবশালী শিক্ষক George Vithoulkas তাঁর The Science of Homeopathy এবং Levels of Health তত্ত্বে দীর্ঘমেয়াদী রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
তাঁর মতে, বহু রোগী বছরের পর বছর উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি, থাইরয়েড বা অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার জন্য নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করেন। এই অবস্থায় শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি শুরু করার কারণে পূর্বের প্রয়োজনীয় ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।
ড. ভিথুলকাস ব্যাখ্যা করেন যে, দীর্ঘদিনের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির স্বাস্থ্যস্তর (Level of Health) ধীরে ধীরে উন্নত হয়। তাই চিকিৎসার অগ্রগতিও ধাপে ধাপে মূল্যায়ন করতে হয়।
তাঁর মতে, রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা, শক্তি, ঘুম, মানসিক স্বস্তি, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং পরীক্ষাগারভিত্তিক রিপোর্টে ধারাবাহিক উন্নতি দেখা গেলে চিকিৎসক রোগীর চিকিৎসা পরিকল্পনা পুনর্মূল্যায়ন করতে পারেন।
তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন যে, দীর্ঘদিন ব্যবহৃত প্রেসার, ডায়াবেটিস, হার্ট বা স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। রোগীর অবস্থার উন্নতি হলেও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত।
অর্থাৎ, তাঁর শিক্ষার মূল বার্তা হলো রোগীকে নিরাপদ রাখা, শরীরের সামগ্রিক উন্নতি পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকদের সমন্বিত তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে চিকিৎসা সমন্বয় করা।

হোমিওপ্যাথি কি ধীরে ধীরে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের প্রয়োজন কমাতে সাহায্য করতে পারে?

এটি রোগীভেদে ভিন্ন হতে পারে।
যদি কোনো রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য, উপসর্গ এবং পরীক্ষার রিপোর্টে উন্নতি দেখা যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীর অবস্থা মূল্যায়ন করে ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করতে পারেন।
উদাহরণস্বরূপঃ
যদি কোনো রোগীর রক্তচাপ বা রক্তে শর্করা দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং রিপোর্ট সন্তোষজনক আসে, তাহলে তাঁর চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধের ডোজ কমানো বা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
তবে এই সিদ্ধান্ত অবশ্যই সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হতে হবে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
❌ নিজে নিজে কোনো প্রেসারের ওষুধ বন্ধ করবেন না।
❌ নিজে নিজে ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করবেন না।
❌ হার্টের ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করবেন না।
❌ কোনো অযোগ্য ব্যক্তির পরামর্শে চিকিৎসা পরিবর্তন করবেন না।

মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিকের বার্তাঃ

চিকিৎসাবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য রোগীর কল্যাণ।
একজন রোগী যদি নিয়মিত অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ গ্রহণ করেন, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাও গ্রহণ করতে পারেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চিকিৎসা হতে হবে সঠিক রোগনির্ণয়, নিয়মিত ফলোআপ এবং দায়িত্বশীল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে।
আপনার যদি এই বিষয়ে কোনো প্রশ্ন, অভিজ্ঞতা বা মতামত থাকে, কমেন্টে জানাতে পারেন।
স্বাস্থ্য সচেতনতার স্বার্থে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।

মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিক
ডাঃ মোঃ মোমিনুল হক
বি এইচ এম এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
প্রভাষক- ফেণী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি।সম্মানিত রোগীবৃন্দ,পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৩০-০৫-২০২৬ (শনিবার) এবং ৩১-০৫-২০২৬ (রবিবার) তারিখে ব্যক্তিগত...
30/05/2026

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি।
সম্মানিত রোগীবৃন্দ,
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৩০-০৫-২০২৬ (শনিবার) এবং ৩১-০৫-২০২৬ (রবিবার) তারিখে ব্যক্তিগত কারণে আমি রাজাপুর চেম্বারে সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারব না।

তবে চেম্বার যথারীতি খোলা থাকবে এবং আমার সহকারী উপস্থিত থাকবেন। পুরাতন রোগীরা প্রয়োজন হলে আমার সাথে ফোনে পরামর্শ করে চেম্বার থেকে ওষুধ সংগ্রহ করতে পারবেন।

নতুন রোগীদের কাছে সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ।

আগামী সপ্তাহে পূর্বের নিয়মে যথারীতি চেম্বারে উপস্থিত থাকবো ইনশাআল্লাহ।
পবিত্র ঈদুল আজহা সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি।
ঈদ মোবারক। 🌙✨

মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিক
ডাঃ মোঃ মোমিনুল হক
BHMS (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
প্রভাষক, ফেনী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ

কী খাবেন আর কী খাবেন না?  চর্মরোগীরা (জানুন বৈজ্ঞানিক কারণ)চর্মরোগের (যেমন একজিমা, সোরিয়াসিস বা দীর্ঘমেয়াদী অ্যালার্জি) ...
29/05/2026

কী খাবেন আর কী খাবেন না? চর্মরোগীরা (জানুন বৈজ্ঞানিক কারণ)
চর্মরোগের (যেমন একজিমা, সোরিয়াসিস বা দীর্ঘমেয়াদী অ্যালার্জি) চিকিৎসায় শুধু ওষুধই যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অনেক রোগীই আমাদের কাছে এসে জিজ্ঞেস করেন, "চর্মরোগ হলে কী খাব আর কী বাদ দেব?"
আজকে আমরা আলোচনা করব চর্মরোগীদের জন্য কোন খাবারগুলো উপকারী এবং কোনগুলো ক্ষতিকর, এবং এর পেছনের আসল বৈজ্ঞানিক কারণ কী।
❌ চর্মরোগীরা যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন (এবং কেন বর্জন করবেন?)
একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো রোগগুলো মূলত শরীরে প্রদাহ (Inflammation) এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার (Immunity) গোলযোগের কারণে হয়। তাই যেসব খাবার শরীরে প্রদাহ বাড়ায়, সেগুলো বর্জন করা উচিত:
১. প্রক্রিয়াজাত ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার: চিপস, ফাস্টফুড বা অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্স-ফ্যাট থাকে। এছাড়া বাজারের সাধারণ সয়াবিন তেল অনেকের শরীরেই ভেতরে ভেতরে প্রদাহ (Inflammation) তৈরি করে, যা চুলকানি ও ত্বকের লালচে ভাব অনেক বাড়িয়ে দেয়。
২. অতিরিক্ত চিনি ও রিফাইন কার্বোহাইড্রেট: মিষ্টি, কোল্ড ড্রিংকস, ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, রক্তে অতিরিক্ত চিনি ইনফ্লামেশন তৈরি করে ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষা স্তরকে দুর্বল করে দেয়, যা একজিমাকে আরও তীব্র করে তোলে।
৩. ব্যক্তিগত অ্যালার্জিক খাবার (Trigger Foods): সবার ক্ষেত্রে সব খাবারে অ্যালার্জি হয় না। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে গরু বা খাসির মাংস, চিংড়ি, ইলিশ মাছ, পুঁইশাক, বেগুন বা হাঁসের ডিম খাওয়ার পর চুলকানি হঠাৎ বেড়ে যায়। এগুলোকে 'ট্রিগার ফুড' বলা হয়। যদি দেখেন কোনো নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার পরেই আপনার চুলকানি বাড়ছে, তবে সাময়িকভাবে সেটি এড়িয়ে চলুন।

* চর্মরোগীরা যে খাবারগুলো বেশি খাবেন (এবং কেন খাবেন?)

ত্বক ভালো রাখতে এবং ভেতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শান্ত রাখতে এমন খাবার প্রয়োজন যা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি (Anti-inflammatory) হিসেবে কাজ করে:
১. ত্বকের সুরক্ষায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: সামুদ্রিক মাছ, দেশী ছোট মাছ এবং তিসির তেল (Flaxseed oil) ওমেগা-৩ এর চমৎকার উৎস। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের ভেতরের প্রদাহ কমায় এবং ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ভেতর থেকে আর্দ্রতা বজায় রাখে।
২. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি: রঙিন ফলমূল (যেমন পেঁপে, পেয়ারা, আপেল, মাল্টা) এবং সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো ত্বকের কোষের ক্ষতি রোধ করে এবং নতুন সুস্থ কোষ তৈরিতে সাহায্য করে।
৩. প্রাকৃতিক বীজ ও বাদাম: কাজুবাদাম, কাঠবাদাম বা চিনাবাদামে রয়েছে ভিটামিন-ই এবং ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ত্বকের 'ন্যাচারাল ব্যারিয়ার' বা সুরক্ষাকবচকে শক্তিশালী করে তোলে。
৪. পর্যাপ্ত পানি: প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। এটি শরীর থেকে টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বের করে দেয় এবং ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেটেড রাখে।
মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিকের পরামর্শ:
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, চর্মরোগের সাথে আমাদের হজম প্রক্রিয়া বা 'গাট হেলথ' (Gut Health)-এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
হোমিওপ্যাথিতে আমরা শুধু বাহ্যিক লক্ষণ দেখে চিকিৎসা করি না। আমরা রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা এবং তাঁর খাদ্যাভ্যাসের প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে এমন ওষুধ নির্বাচন করি, যা ভেতরের বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজমকে ঠিক করে। শরীর ভেতর থেকে সুস্থ হলে ত্বকের রোগ এমনিতেই বিদায় নেয়।
আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেলে চুলকানি বেড়ে যায়? কমেন্টে আমাদের জানান।
দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগের নিরাপদ ও স্থায়ী আরোগ্যের জন্য আজই যোগাযোগ করুন আমাদের মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিক-এ।
বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য আমাদের পেজটি লাইক এবং ফলো দিয়ে রাখুন।

ঈদ মোবারক! 🌙ঘুচে যাক সব রোগ-শোক, কেটে যাক মনের সকল গ্লানি,প্রতিটি প্রাণে বয়ে আসুক ঈদের খুশির জোয়ার বাণী।পবিত্র ঈদুল ফিতর...
28/05/2026

ঈদ মোবারক! 🌙

ঘুচে যাক সব রোগ-শোক, কেটে যাক মনের সকল গ্লানি,
প্রতিটি প্রাণে বয়ে আসুক ঈদের খুশির জোয়ার বাণী।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই দিনে আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও প্রিয় রোগীদের জানাই ঈদের আন্তরিক অভিনন্দন। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করি, আপনাদের আগামী দিনগুলো যেন কাটে সুস্বাস্থ্যে ও প্রশান্তিতে।

আনন্দময় হোক আপনার ও আপনার পরিবারের ঈদ!

সৌজন্যে:
ডাঃ মোঃ মোমিনুল হক
মোহাম্মদিয়া হোমিও ক্লিনিক।

গত পোস্টে একজিমা এবং সোরিয়াসিস নিয়ে আপনাদের অভূতপূর্ব সাড়া এবং আগ্রহ দেখে আমরা আনন্দিত। তবে চর্মরোগের স্থায়ী আরোগ্যের ক্...
26/05/2026

গত পোস্টে একজিমা এবং সোরিয়াসিস নিয়ে আপনাদের অভূতপূর্ব সাড়া এবং আগ্রহ দেখে আমরা আনন্দিত। তবে চর্মরোগের স্থায়ী আরোগ্যের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে অনেকের মনেই কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা বা দ্বিধা রয়েছে। একজন সচেতন মানুষ ও রোগী হিসেবে এই বিষয়গুলোর পেছনের আসল বৈজ্ঞানিক সত্যটি আপনার জানা জরুরি।
আজকে আমরা চর্মরোগে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার এমন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব

ভুল ধারণা ১: হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা অনেক ধীরগতির, কাজ শুরু হতে অনেক সময় লাগে!
আসল বৈজ্ঞানিক সত্য: এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা। হোমিওপ্যাথি ওষুধের কার্যকারিতা নির্ভর করে রোগটি কতদিনের পুরনো তার ওপর। রোগটি যদি নতুন বা তীব্র (Acute) হয়, তবে সঠিক ওষুধে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিনেই চমৎকার ফলাফল পাওয়া সম্ভব।
তবে অধিকাংশ চর্মরোগী (একজিমা বা সোরিয়াসিস) আমাদের কাছে আসেন ৫ থেকে ১০ বছর ধরে বিভিন্ন কড়া কেমিক্যালযুক্ত মলম বা স্টেরয়েড ব্যবহার করে রোগটিকে জটিল করার পর। বছরের পর বছর ধরে ভেতরের যে রোগটিকে জোর করে চেপে রাখা হয়েছে, তাকে মূল থেকে উপড়ে ফেলতে তো কিছুটা স্বাভাবিক সময় লাগবেই। হোমিওপ্যাথি বৈজ্ঞানিক উপায়ে শরীরের ভেতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে জাগ্রত করে কাজ করে, যা স্থায়ী আরোগ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

ভুল ধারণা ২: হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেলে চর্মরোগ প্রথমে অনেক বেড়ে যায়!
আসল বৈজ্ঞানিক সত্য: সবার ক্ষেত্রে রোগ বাড়ে না। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় "হোমিওপ্যাথিক এগ্রাভেশন" (Homeopathic Aggravation), যা আসলে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক লক্ষণ।
যখন কোনো কড়া মলম দিয়ে ত্বকের রোগকে ভেতরে বসিয়ে দেওয়া হয়, তখন সঠিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ শরীরে প্রয়োগ করলে তা ভেতরের সেই অবদমিত বা চাপা পড়া রোগবীজকে বাইরে বের করে আনে। সহজ কথায়, ঘর পরিষ্কার করার সময় যেমন জমে থাকা ধুলোবালি প্রথমে ওড়ে, ঠিক তেমনি শরীর থেকে রোগটি চিরতরে দূর হওয়ার আগে তা সাময়িকভাবে একটু দৃশ্যমান হতে পারে। এর পরপরই রোগটি স্থায়ীভাবে চলে যায়। তাই এতে ভয়ের কিছু নেই, বরং এটি সঠিক আরোগ্যের লক্ষণ।

ভুল ধারণা ৩: চর্মরোগ শুধু ত্বকের সমস্যা, এর সাথে ভেতরের অঙ্গের কোনো সম্পর্ক নেই!
আসল বৈজ্ঞানিক সত্য: আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও এখন স্বীকার করে যে, ত্বক হলো আমাদের ভেতরের স্বাস্থ্যের আয়না (Mirror of internal health)। একজিমা বা সোরিয়াসিস কোনো সাধারণ রোগ নয়; এগুলো হলো অটোইমিউন (Autoimmune) এবং জিনগত বা বংশগত গোলযোগের বহিঃপ্রকাশ।
শুধু ত্বকের ওপর মলম মাখলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায়, কিন্তু ভেতরের মূল কারণটি ঠিক হয় না। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূল নীতিই হলো—"রোগীর চিকিৎসা করুন, রোগের নয়" (Treat the patient, not the disease)। আমরা রোগীর মানসিক অবস্থা, শারীরিক গঠন, পারিবারিক ইতিহাস এবং রোগের মূল কারণ বিবেচনা করে ভেতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে (Immunity) পুনর্গঠন করি। ফলে ভেতর থেকে রোগটি সেরে উঠলে ত্বক স্বয়ংক্রিয়ভাবেই উজ্জ্বল ও সুস্থ হয়ে যায়।
শেষ কথা:
আপনার মূল্যবান ত্বককে বারবার কড়া কেমিক্যালের মুখোমুখি করে রোগটিকে আরও জটিল করবেন না। একটু ধৈর্য এবং সঠিক চিকিৎসায় চর্মরোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি সম্ভব।
দীর্ঘ ২২ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতার আলোকে মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিক-এ আমরা সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও ক্লাসিক্যাল পদ্ধতিতে দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগের স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

আপনার কি কোনো চর্মরোগের সমস্যা রয়েছে বা আগে কোনো মলম ব্যবহার করেছেন? আপনার প্রশ্নটি কমেন্টে জানান অথবা সঠিক পরামর্শের জন্য সরাসরি ইনবক্স করুন।

নিয়মিত এমন বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক পোস্ট পেতে আমাদের মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিক পেজটি লাইক ও ফলো দিয়ে রাখুন।

চর্মরোগ (একজিমা, সোরিয়াসিস, চুলকানি) কেন বারবার ফিরে আসে? হোমিওপ্যাথিতে কি এর স্থায়ী সমাধান সম্ভব?ত্বকের কিছু সমস্যা যেম...
24/05/2026

চর্মরোগ (একজিমা, সোরিয়াসিস, চুলকানি) কেন বারবার ফিরে আসে? হোমিওপ্যাথিতে কি এর স্থায়ী সমাধান সম্ভব?
ত্বকের কিছু সমস্যা যেমন একজিমা, সোরিয়াসিস বা দীর্ঘমেয়াদী অ্যালার্জিক চুলকানি অনেকের জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দেখা যায়, বাজারে চলতি বিভিন্ন কড়া মলম, লোশন বা সাময়িক উপশমের ওষুধ ব্যবহার করলে রোগটি কিছুদিন চাপা থাকে। কিন্তু ওষুধ বন্ধ করলেই তা আগের চেয়ে আরও দ্বিগুণ রূপে ফিরে আসে।
অনেকেই হতাশ হয়ে ভাবেন, "এই রোগ বোধহয় আর কখনোই সারবে না।" কিন্তু আসল সত্য হলো, রোগের মূল কারণটি ভেতরে রেখে শুধু ত্বকের ওপর চিকিৎসা করলে রোগ কখনো মূলে নির্মূল হয় না।
কেন এই রোগগুলো বারবার ফিরে আসে?

একজিমা (Eczema): এটি মূলত ত্বকের সুরক্ষাকবচ বা ‘স্কিন ব্যারিয়ার’ দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে হয়। ফলে ত্বক দ্রুত আর্দ্রতা হারায় এবং সহজেই ধুলোবালি বা জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়।

সোরিয়াসিস (Psoriasis): এটি কোনো সাধারণ ছোঁয়াচে রোগ নয়, এটি একটি অটোইমিউন (Autoimmune) সমস্যা। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভুলবশত নিজের ত্বকের কোষেরই ক্ষতি করতে শুরু করে। সাধারণ মানুষের ত্বকের কোষ তৈরি হতে যেখানে ২৮-৩০ দিন লাগে, সোরিয়াসিস রোগীদের ক্ষেত্রে তা মাত্র ৩-৪ দিনে তৈরি হয়। ফলে ত্বকের ওপর মরা চামড়ার একটা বাড়তি স্তর বা আঁশ জমে যায়।

ভুল চিকিৎসা বা রোগ চাপা দেওয়া (Suppression): কড়া কেমিক্যালযুক্ত মলম ব্যবহার করে ত্বকের ওপরের লক্ষণটিকে জোর করে ভেতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে সাময়িকভাবে ত্বক পরিষ্কার মনে হলেও, ভেতরের আসল কারণটি রয়েই যায়। ফলে আবহাওয়া পরিবর্তন, মানসিক চাপ বা একটু অনিয়ম হলেই রোগটি আবার বাইরে প্রকাশ পায়।
হোমিওপ্যাথিতে কীভাবে এর স্থায়ী সমাধান হয়
হোমিওপ্যাথি কোনো রোগকে 'চাপা' দেয় না, বরং রোগটিকে শরীর থেকে 'উচ্ছেদ' করে। মোহাম্মদী হোমিও ক্লিনিকে আমরা প্রতিটি রোগীকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং বৈজ্ঞানিক উপায়ে দেখে থাকি:

লক্ষণ ও মূল কারণের চিকিৎসা (Treat the Patient, Not the Disease): হোমিওপ্যাথি শুধু ত্বকের দাগ বা চুলকানি দেখে ওষুধ দেয় না। রোগীর মানসিক অবস্থা, বংশগত ইতিহাস, শারীরিক গঠন, তাঁর শীত-কাতরতা বা গরম-কাতরতা সবকিছু বিশ্লেষণ করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়।
ভেতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) শক্তিশালী করা: সোরিয়াসিস বা একজিমার মতো অটোইমিউন রোগে হোমিওপ্যাথি ওষুধ শরীরের ভেতর থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পুনর্গঠন ও শান্ত করে। ফলে শরীর নিজেই সুস্থ হতে শুরু করে।

কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই: আমাদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উৎস থেকে তৈরি এবং এর কোনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এটি শিশুদের কোমল ত্বক থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ সবার জন্য নিরাপদ।

স্থায়ী আরোগ্য: যেহেতু হোমিওপ্যাথি রোগের মূল বা শিকড় ধরে কাজ করে, তাই সঠিক নিয়মে ধৈর্য ধরে চিকিৎসা নিলে এই চর্মরোগগুলো বারবার ফিরে আসার চক্র থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

সুস্থ থাকার কিছু জরুরি পরামর্শ:
ওষুধের পাশাপাশি চর্মরোগীদের কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত:
১. ত্বক কখনো শুষ্ক হতে দেবেন না। গোসলের পর খাঁটি নারকেল তেল বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
২. কড়া ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না।
৩. সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।
৪. অতিরিক্ত মানসিক চাপ মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন, কারণ মানসিক চাপ চর্মরোগ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

পরামর্শ: একজিমা বা সোরিয়াসিস নিয়ে অবহেলা না করে আজই সঠিক এবং নিরাপদ ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক পোস্ট পেতে আমাদের মোহাম্মদী হোমিও ক্লিনিক পেজটি লাইক ও ফলো দিয়ে রাখুন। আপনার যেকোনো জিজ্ঞাসা কমেন্টে জানাতে পারেন বা সরাসরি আমাদের ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে পারেন।
ডাঃ মোঃ মোমিনুল হক
বি এইচ এম এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
প্রভাষক- ফেণী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

বর্তমানে আমার চেম্বারে মাসিক অনিয়ম ও PCOS সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। অনেকেই শুরুতে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন ...
23/05/2026

বর্তমানে আমার চেম্বারে মাসিক অনিয়ম ও PCOS সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। অনেকেই শুরুতে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না, পরে জটিলতা তৈরি হয়।

মাসিক অনিয়মকে অবহেলা করবেন না
বর্তমান সময়ে অনেক নারীই মাসিক অনিয়ম সমস্যায় ভুগছেন। কেউ মাসে মাসে ঠিকমতো মাসিক পান না, কারো অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়, আবার কারো ২–৩ মাস পর পর মাসিক হয়। অনেকেই এটাকে সাময়িক সমস্যা ভেবে অবহেলা করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন মাসিক অনিয়ম চলতে থাকলে তা ভবিষ্যতে বড় ধরনের শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।
মাসিক অনিয়মের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।
যেমন:
• হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
• PCOS
• অতিরিক্ত মানসিক চাপ
• স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন
• রক্তশূন্যতা
• অনিয়মিত ঘুম ও খাদ্যাভ্যাস

মাসিক অনিয়মের সাথে সাথে অনেকের শরীরে আরও কিছু লক্ষণ দেখা যায়:
• মুখে ব্রণ
• অস্বাভাবিক লোম বৃদ্ধি
• ওজন বেড়ে যাওয়া
• দুর্বলতা ও মাথা ঘোরা
• বিবাহের পর গর্ভধারণে সমস্যা

সময়মতো চিকিৎসা না নিলে ভবিষ্যতে বন্ধ্যাত্ব, রক্তশূন্যতা ও হরমোনজনিত জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই মাসিক অনিয়মকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ঘুম, মানসিক চাপ কমানো এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
হোমিওপ্যাথিতে রোগীর সার্বিক লক্ষণ বিবেচনা করে চিকিৎসা দেওয়া হয়, যা অনেক ক্ষেত্রে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে।

মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিক
ডাঃ মোঃ মোমিনুল হক
বি এইচ এম এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
প্রভাষক : ফেণী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

বন্ধাত্ব কি শুধুই নারীদের সমস্যা?অনেকেই মনে করেন সন্তান না হওয়ার জন্য শুধু নারীই দায়ী। কিন্তু বাস্তবে বন্ধাত্বের কারণ না...
21/05/2026

বন্ধাত্ব কি শুধুই নারীদের সমস্যা?
অনেকেই মনে করেন সন্তান না হওয়ার জন্য শুধু নারীই দায়ী।
কিন্তু বাস্তবে বন্ধাত্বের কারণ নারী ও পুরুষ—উভয়ের মধ্যেই থাকতে পারে।
বর্তমানে জীবনযাত্রার পরিবর্তন, মানসিক চাপ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে বন্ধাত্বের সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
তবে সুখবর হলো—সঠিক সময়ে কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসা শুরু করলে অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব।

সাধারণত কখন বন্ধাত্ব বলা হয়?
এক বছর বা তার বেশি সময় নিয়মিত দাম্পত্য জীবন থাকার পরও সন্তান না এলে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত।
(স্ত্রীর বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে ৬ মাস পর থেকেই পরীক্ষা করা ভালো।)

নারীদের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য কারণঃ
* PCOS বা হরমোনজনিত সমস্যা
* অনিয়মিত মাসিক
* ডিম্বাণু ঠিকমতো তৈরি না হওয়া
* থাইরয়েডের সমস্যা
* জরায়ু বা ফ্যালোপিয়ান টিউবের জটিলতা
* অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
* দীর্ঘদিন মানসিক চাপ

পুরুষদের ক্ষেত্রেও যেসব সমস্যা থাকতে পারেঃ
* শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া
* শুক্রাণুর গতি বা গুণগত মান দুর্বল হওয়া
* ধূমপান, ঘুমের অভাব ও অতিরিক্ত মানসিক চাপ
* হরমোনের সমস্যা
* দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস বা অন্যান্য শারীরিক জটিলতা

কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেতঃ
১. মাসিক অত্যন্ত অনিয়মিত হওয়া
২. অতিরিক্ত ব্রণ বা শরীরে লোম বৃদ্ধি
৩. তলপেটে দীর্ঘদিন ব্যথা
৪. সাদা স্রাবের সমস্যা
৫. দাম্পত্য জীবনে দুর্বলতা
৬. বিয়ের বহু বছর পরও সন্তান না হওয়া

জীবনযাপনে যেসব পরিবর্তন উপকারী হতে পারেঃ
১. পর্যাপ্ত ঘুম।
২. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম।
৩. অতিরিক্ত ফাস্টফুড ও কোমল পানীয় কমানো।
৪. ধূমপান ও নেশা থেকে দূরে থাকা।
৫. মানসিক চাপ কমানো।
৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।

হোমিওপ্যাথির ভূমিকাঃ
হোমিওপ্যাথিতে রোগীকে শুধু একটি রোগ হিসেবে নয়, সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, মাসিকের অনিয়ম, মানসিক চাপ, PCOS ও অন্যান্য দীর্ঘদিনের সমস্যাকে বিবেচনায় এনে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ধৈর্য ও নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো ফল পাওয়া যায়।
বন্ধাত্ব মানেই আশাহীনতা নয়।
সঠিক সময়ে সচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসাই হতে পারে একটি সুখী পরিবারের পথচলা শুরু করার প্রথম ধাপ।

ডাঃ মোঃ মোমিনুল হক
বি এইচ এম এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
প্রভাষক- ফেণী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

PCOS ও বন্ধ্যাত্ব — অবহেলা নয়, সচেতনতা জরুরি বর্তমানে অনেক মেয়েই মাসিক অনিয়ম, ওজন বৃদ্ধি, মুখে ব্রণ, অতিরিক্ত লোম কিংবা ...
19/05/2026

PCOS ও বন্ধ্যাত্ব — অবহেলা নয়, সচেতনতা জরুরি
বর্তমানে অনেক মেয়েই মাসিক অনিয়ম, ওজন বৃদ্ধি, মুখে ব্রণ, অতিরিক্ত লোম কিংবা সন্তান ধারণের সমস্যায় ভুগছেন। এসব সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে PCOS (Polycystic O***y Syndrome)।
PCOS হলে যা দেখা যেতে পারে:
* মাসিক অনিয়ম
* ওজন বেড়ে যাওয়া
* মুখে ব্রণ বা তৈলাক্ত ত্বক
* অতিরিক্ত লোম
* ডিম্বস্ফোটনে সমস্যা
* বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বৃদ্ধি

দীর্ঘদিন অবহেলা করলে:
🔸 গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে
🔸 হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়
🔸 মানসিক চাপ ও আত্মবিশ্বাস কমে যায়

কী করবেন?
✅ নিয়মিত ঘুম ও ব্যায়াম
✅ অতিরিক্ত ফাস্টফুড ও কোমল পানীয় কমানো
✅ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
✅ মানসিক চাপ কমানো
✅ প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া

হোমিওপ্যাথিতে রোগীর শারীরিক ও মানসিক গঠন, হরমোনের ভারসাম্য ও উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়। অনেক PCOS ও বন্ধ্যাত্ব রোগী সঠিক ও নিয়মিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় উপকার পেয়ে থাকেন।
নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।
সন্তান ধারণে সমস্যা লুকিয়ে না রেখে দ্রুত পরামর্শ নিন।

ডাঃ মোঃ মোমিনুল হক
বি এইচ এম এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
প্রভাষক- ফেণী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।
মোহাম্মদীয়া হোমিও ক্লিনিক

ঢাকা চেম্বার :
২০৮ মানিকদি, আমতলা (মাতবর বাড়ির সামনে) ঢাকা ক্যান্ট, ঢাকা।
রোগী দেখার সময়ঃ
প্রতিদিন মাগরিবের পর থেকে রাত ৯.৩০ টা পর্যন্ত।
শনি ও রবিবার বন্ধ।

ফেণী চেম্বার :
চেনুমেম্বার মার্কেট, গজারিয়া রোড, রাজাপুর বাজার, দাগনভুঁঞা ফেণী।
রোগী দেখার সময়ঃ শনি ও রবিবার সকাল ১০টা- ১টা। বিকাল ৫টা- ৯টা।

সবাই ওষুধ খায়, কিন্তু সবাই সমান ফল পায় না—কারণটা কি জানেন?অনেক সময় দেখা যায়, একই রোগে একজন রোগী দ্রুত ভালো ফল পাচ্ছেন, অ...
17/05/2026

সবাই ওষুধ খায়, কিন্তু সবাই সমান ফল পায় না—কারণটা কি জানেন?

অনেক সময় দেখা যায়, একই রোগে একজন রোগী দ্রুত ভালো ফল পাচ্ছেন, অথচ অন্যজন তেমন উপকার পাচ্ছেন না। এর পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে—ওষুধ খাওয়ার নিয়ম ও খাদ্যাভ্যাসের অসচেতনতা।
বিশেষ করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলা ভালো ফল পেতে সহায়তা করে।
কী কী বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?
🔹 ওষুধ খাওয়ার ১৫–৩০ মিনিট আগে ও পরে কিছু না খাওয়াই ভালো।
🔹 অতিরিক্ত চা, কফি বা তামাকজাত দ্রব্য অনেক সময় ওষুধের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
🔹 মুখ পরিষ্কার রেখে ওষুধ খাওয়া উত্তম।
🔹 অতিরিক্ত ঝাল-মসলা ও অস্বাস্থ্যকর খাবার শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
🔹 নিয়মিত ঘুম ও মানসিক প্রশান্তিও চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
যা খাওয়া যেতে পারে
১. স্বাভাবিক ভাত, রুটি, মাছ, মাংস, ডাল, শাকসবজি
২. দুধ, ডিম ও ফলমূল
৩. পর্যাপ্ত পানি
৪. হালকা ও পুষ্টিকর খাবার
৫. বাসায় রান্না করা সাধারণ খাবার

যেগুলো সীমিত বা এড়িয়ে চলা ভালো
১. অতিরিক্ত চা ও কফি
২. পান, জর্দা, সিগারেট ও তামাকজাত দ্রব্য
৩. মদ্যপান ও নেশাজাতীয় পদার্থ
৪. অতিরিক্ত ঝাল-মসলা ও ফাস্টফুড
৫. অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত টুথপেস্ট, মাউথওয়াশ বা পারফিউম (বিশেষ কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে)

পেঁয়াজ-রসুন কি বন্ধ?
এ নিয়ে অনেকের ভুল ধারণা আছে। সাধারণ রান্নায় ব্যবহৃত স্বাভাবিক পরিমাণ পেঁয়াজ-রসুন সাধারণত সমস্যা করে না। তবে রোগী ও ওষুধভেদে কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসক সাময়িকভাবে সতর্ক থাকতে বলতে পারেন।

মনে রাখবেন শুধু ওষুধ খেলেই সবসময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। সঠিক নিয়ম, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের দিকেও নজর দিতে হয়। সচেতনতা বাড়লে চিকিৎসার ফলও অনেক সময় আরও ভালো হতে পারে।

ডাঃ মোঃ মোমিনুল হক
বি এইচ এম এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
প্রভাষক- ফেণী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

Address

Dhaka: 208 Manikdi, Amtola, Dhaka Cantt. Feni: Rajapur Bazar, Dagonbguyan, Feni
Dhaka
3923

Opening Hours

Monday 18:00 - 22:00
Tuesday 18:00 - 22:00
Wednesday 18:00 - 22:00
Thursday 18:00 - 22:00
Friday 18:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00

Telephone

+8801840831810

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammedia Homeo Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mohammedia Homeo Clinic:

Share