04/07/2026
লোকটিকে কথা দিয়েছিলাম আপনি ডায়াবেটিকের ভুল চিকিৎসায় আছেন।
আপনার ডায়াবেটিক থাকবে না ইনশাআল্লাহ।
হ্যাঁ আমার কথার প্রতিফলন হয়েছে আল্লাহতালা কবুল করেছেন।
তিনি এখন ডায়াবেটিক মুক্ত। তিনি এ বছর আম কাঁঠাল লিচু যথেষ্ট পরিমাণ খেয়েছেন। খাওয়া-দাওয়া কন্ট্রোল করেন না।
তার দুটো চিকিৎসা করেছি একটি শারীরিক দুর্বলতা অর্থাৎ জৈবিক দুর্বলতা।
পাশাপাশি ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করেছি দুটোতেই সফল হয়েছি।
বরং উনি এখন আরও অনেক রোগী নিয়ে আসেন এবং অনেক স্টাফদের আমার কাছে পাঠান চিকিৎসা নিতে।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ডায়াবেটিক এবং জৈবিক দুর্বলতার চিকিৎসা নিতে আমার কাছে আসেন।
রোগ নিয়ে লজ্জার কিছু নাই, আমি কারো বিনা অনুমতিতে তার সম্পর্কে ফেসবুকে লিখি না এবং ছবি পোস্ট করিনা। কিছু লোক রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে আনন্দে প্রকাশ করতে বলেন। ডায়াবেটিক থাকলে বয়স হলে ডায়াবেটিকের মেটফরমিন জাতীয় এবং মেটফরমিন সমৃদ্ধ ঔষধ সেবন করলে যৌন দুর্বলতা রোগ আসবেই আসবে কেউ ঠেকাতে পারবেনা।
এই জাতীয় ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি সেবন করলে আপনার যৌন দুর্বলতা রোগ দেখা দেবে যৌন উত্তেজনা থাকবে না যৌন চাহিদা থাকবে না যৌন মিলনে টাইম পাবেন না। ধীরে ধীরে আপনি হিজড়ায় রূপান্তরিত হবেন। বাহিরে ফিটফাট পুরুষ থাকবেন ভিতরে কিছুই থাকবে না পুরুষত্ব থাকবে না। পুরুষের যদি পুরুষত্ব না থাকে তাহলে সে পুরুষ নয় তার দুনিয়াতে বেঁচে থাকা বৃথা। আমার কথা হচ্ছে পুরুষের যৌন চাহিদা থাকবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।
আমি আমার এই ১৪ বছর চিকিৎসা পেশায় অসংখ্য পুরুষ দেখেছি, যাদের বয়স আশির কোঠায় ৯০ এর কোঠায় তারাও আমার কাছে এসে স্থায়ী সেক্সচুয়াল চিকিৎসা গ্রহণ করতে চায়।
আমার কথা হচ্ছে
ডায়াবেটিক, যৌন রোগ, হাঁপানি, পাইলস, হেপাটাইটিস বি ভাইরাস, ও শ্বাসকষ্ট হাঁপানি থেকে মুক্তি নাই।
বর্তমানে এমন কথার যুক্তি নাই।
এটা পায়েস আম কাঁঠাল লিচু মিষ্টি খাবেন পেট ভরে।
ইনশাআল্লাহ ডায়াবেটিক থাকবে দূরে।
জেনে নিন আপনার ডায়াবেটিকের ধরন কোনটা
রক্ষা করুন নিজের জীবন এবং অকালের মরণটা।
কে বলেছে ভাই ডায়াবেটিক থেকে মুক্তি নাই।
ডায়াবেটিক থেকে মুক্তি নাই বলে আপনাকে প্রথমেই আঘাত করা হচ্ছে এবং দুর্বল করে ফেলা হচ্ছে। এটি বিশ্বব্যাপী ঔষধ কোম্পানিকে টিকিয়ে রাখার জন্য একটি কৌশল মাত্র।
ডায়াবেটিক কে রোগীর শরীরে পুষে রাখতে পারলে ধীরে ধীরে আরো বহু রোগের জন্ম হবে ওষুধ কোম্পানিগুলোর বহু ওষুধের চাহিদা বাড়বে।
এটাই হচ্ছে মূল টার্গেট এটাই হচ্ছে মূলনীতি
এই নীতিতে বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীদের কে জিম্মি করা হচ্ছে যা বাংলাদেশে আরো ভয়াবহ মারাত্মক অবস্থা জন্ম দিয়েছে।
ডায়াবেটিক কমছে না আপনারা ঔষধ বাড়বে অথবা ইনসুলিন বাড়বে।
দিন দিন আপনার শরীরে ডায়াবেটিসের ঔষধের প্রভাবে কিডনি লিভার নষ্ট হবে শরীর দুর্বল হবে যৌন দুর্বলতা রোগ দেখা দিবে। আর আপনি বারবার চিকিৎসকের কাছে যাবেন ভিজিট দিবেন এটা চিকিৎসকের একটা বাণিজ্য চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেবে কমিশন কবে এটা আরেকটা বাণিজ্য তারপরে আপনার প্রেসক্রিপশনে বিভিন্ন কোম্পানির ঔষধ লিখে দিবে সেখানেও আছে বাণিজ্য। চিকিৎসকেরা বর্তমানে শতকরা ৯০ জন চিকিৎসক ঔষধ কোম্পানির কমিশনের পরে নির্ভরশীল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর কমিশনের পরে নির্ভরশীল পাশাপাশি ভিজিট তো আছেই।
এলোপ্যাথি ঔষধ কোম্পানিগুলোর উপঢৌকন দেওয়ার কারণে এলোপতি চিকিৎসকগণ ভেষজ চিকিৎসা হোমিও চিকিৎসাকে সহ্য করতে পারে না চোখে দেখতে পারে না।
কিন্তু ঐ চিকিৎসক নিজেই জানেনা তার বাবা-মা তার দাদা দাদী হোমিও এবং ভেষজ ঔষধ সেবন করেই তার বাবা-মাকে জন্ম দিয়েছে, তার বাবা-মা এই ঔষধ সেবন করে তাকে জন্ম দিয়েছে, তার জন্মের পরে কোন না কোন দিন কবিরাজি ঔষধ বা হোমিও ঔষধ সেবন করেন নাই এমন কোন চিকিৎসক বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন না। শুধু নিজের কমিশন বাণিজ্যকে টিকিয়ে রাখতে হবে তাই বিরোধিতা করতে হবে বিরোধিতা করি।
আমার কথা হচ্ছে কোন চিকিৎসা ব্যবস্থাই ফেলনা নয়। প্রতিটা চিকিৎসা ব্যবস্থা মহামানবদের উদ্ভাবিত গবেষণা লব্ধ ব্যবস্থা।
আপনি আমি যতই ঘৃণা করি না কেন কোন চিকিৎসা ব্যবস্থায়ী বিলুপ্তি হবে না।
একটা চিকিৎসক বুকে হাত দিয়ে বলুক একটা রোগীর একটা রোগকে ঔষধের এলোপ্যাথি ঔষধের মাধ্যমে সে নির্মূল করতে পেরেছে।
এলোপ্যাথি ঔষধ সেবন করার কারণে রোগ কিছুদিনের জন্য চাপা থাকে একটা নির্দিষ্ট সময় পরে সেই রোগ আবার জেগে ওঠে এটা প্রমাণিত সত্য,
হ্যাঁ তবে এলোপ্যাথি চিকিৎসাতে সার্জারির বিকল্প নাই। কিন্তু এখন প্রতিটি রোগের সার্জারি ও বাণিজ্যিক হয়ে গেছে।
চিকিৎসা ব্যবস্থা হচ্ছে মানব সেবার একটা মহামূল্যবান পেশা এটিকে এলোপ্যাথি চিকিৎসকগণ বাণিজ্য পেশায় রূপ দিয়েছেন।
ভেষজ চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে পৃথিবীর সৃষ্টি লগ্ন থেকে শুরু হয়েছে, নবী-রাসূলগণসহ বহু মহামানব সহ রাজা-বাদছাড়া ভেষজ চিকিৎসার উপর নির্ভরশীল ছিলেন। রাজা বাদশাদের দরবারে হাকিম থাকতেন।
হাকিমদের বানানো ঔষধ সেবন করে রাজা-বাদশারা ইনজয় করে বেড়াতেন জীবনটাকে উপভোগ করতেন। হাকিমগন রাজদরবারে রাজ কর্মচারী এবং রাজ পরিবারের চিকিৎসা করতেন।
আপনি ন্যাচারাল মেডিসিন কে অবহেলা করলে আপনি পৃথিবীতে কিছুই খেতে পারবেন না। কারণ আপনার প্রতিটি খাদ্যই ন্যাচারাল এবং ন্যাচারাল প্রতিটি খাদ্যই একটা মেডিসিন। কচু শাক, পুই শাক, লাউ শাক, লাল শাক, পালং শাক, প্রতিটি একটি ন্যাচারাল মেডিসিন।
ডিম, দুধ, গোশত প্রতিটি ন্যাচারাল মেডিসিন। আপনার চারিদিকে লতাপাতা খাদ্য খাবার যা কিছু আছে প্রতিটি ন্যাচারাল মেডিসিন।
পৃথিবীতে প্রতিটি রোগের চিকিৎসা আছে, পৃথিবীতে যত রোগ আসবে প্রতিটি রোগের চিকিৎসা সৃষ্টি হবে। আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে যত রোগ দিয়েছেন তার সেফাও দিয়েছেন।
ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসক ভিন্ন ভিন্ন রোগের চিকিৎসা জানে। আমি হয়তো একটা জানি অন্য আরেকজনের আরেকটা জানে তবে প্রতিটি রোগের চিকিৎসা কেউ না কেউ জানে এটা বাস্তব সত্য।
ন্যাশনাল মেডিসিন রোগকে চাপা দেয় না ,রোগকে নির্মূল করে। ন্যাচারাল মেডিসিন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না ন্যাচারাল মেডিসিন মানবদেহে রেজিস্ট্যান্স হয় না। কিন্তু এলোপ্যাথি ঔষধ মানবদেহে ধীরে ধীরে রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যায়। গ্যাসের ওষুধ এক সময় টুয়েন্টি খেয়েছেন একটা এমন সময় এসেছে অনেকের গ্যাসের ঔষধ তিন বেলা তিনটা ফোর্টি খেলেও কাজ হচ্ছে না।
এলোপ্যাথি চিকিৎসায় প্রতিটি রোগের ক্ষেত্রেই এমন।
ডায়াবেটিক নিজে কোন রোগ নয় অন্য রোগের গর্ভধারিনী হয় মা যেমন সন্তান জন্ম দেয় ডায়াবেটিস তেমন বিভিন্ন রোগের জন্ম দেয়।
আপনি আমার চিকিৎসা নেন কিংবা না নেন এ নিয়ে আমার কোন আপত্তি নেই।
আমার সম্পর্কে বিশদ সমালোচনা করুন তা নিয়ে আমার কোন আক্ষেপ নেই।
আমি কি দিচ্ছি আমি কি করছি আমি কিভাবে চিকিৎসা করছি এটা আল্লাহতায়ালা জানে আর আমি জানি। তবে একটা করব কথা বলব ডায়াবেটিক কে অবহেলা করবেন না যাদের প্রেশার আছে তারা হাই প্রেসার কে ও অবহেলা করবেন না।
কারণ এই রোগ দুইটি বিষধর দুইটি সাপের মত।
যেভাবেই হোক না কেন এরা আপনার দেহের ভিতরে ঢুকে গেছে।
তাই আপনি যদি এদেরকে ধ্বংস করতে না পারেন নির্মূল করতে না পারেন কন্ট্রোলে রাখতে না পারেন তাহলে আপনার ধ্বংস অনিবার্য।
আপনার কিডনি যাবে লিভার যাবে চোখ যাবে দাত যাবে যৌন ক্ষমতা চলে যাবে। ঘুম পোকা যেমন কাঠকে ভেতর থেকে খেয়ে ধ্বংস করে দেয় এই রোগগুলো আপনাকেও ভিতর থেকে খেয়ে খেয়ে একসময় ধ্বংস করে দেবে।
তাই একে অবহেলা করবেন না এই রোগ দুটো আপনাকে ছোবল মারার আগে আপনি সতর্ক হোন।
যারা বলছেন ডায়াবেটিক ভালো হয় না তাদের প্রতি আমার চ্যালেঞ্জ।
আমি সব সময় বলি কিছু ডায়াবেটিক ভালো করা সম্ভব।
আপনি যে চিকিৎসকের কাছেই যান না কেন ,চিকিৎসা নিন এবং চিকিৎসাকে বলুন আমার শরীরে ডায়াবেটিস কেন বাসা বেধেছে কোথা থেকে বাসা বেধেছে কিভাবে আমার শরীরের ডায়াবেটিক আসলো এটাকে খুঁজে বের করুন।
ডায়াবেটিক সৃষ্টির কিছু কারণ রয়েছে যার মধ্যে একটা হচ্ছে লিভার জনিত কারণ। লিভারের ফসফেট পটাশিয়াম এবং লিভারের চর্বি থাকলে বি ভাইরাসে আক্রান্ত হলে আপনার ডায়াবেটিক দেখা দিবে।
আপনি যদি সক্রিয় হন সদিচ্ছা থাকে তাহলে এই ডায়বেটিস থেকে নিজেকে মুক্তি করতে পারবেন।
লিভারের চর্বি থাকলে ধরে নিতে হবে অগ্ন্যাশয়ও চর্বি আছে অর্থাৎ প্যানক্রিয়াচে ও চর্বি জমেছে। অথবা মহিলা জমেছে।
যে কারণে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট পরিমাণ অর্থাৎ আপনার শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারছে না।
আপনার সদিচ্ছায় আপনি এই ডায়াবেটিক থেকেও নিজেকে মুক্তি করতে পারবেন।
গর্ভবতী অবস্থায় যেসব মায়েদের ডায়াবেটিক হয় বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে ৭০ ভাগ মায়ের ডায়াবেটিক এমনিতেই কমে যায় নির্মূল হয়ে যায়।
যে ৩০ ভাগ মায়ের ডায়াবেটিক থাকে তারা সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে তারাও সারা জীবনের জন্য ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে পারে।
রক্তে দূষিত কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে।
আপনার সদিচ্ছার মাধ্যমে এই ডায়াবেটিস থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
শুধু কারণটাকে খুঁজে বের করে ঠিক সেই জায়গাটাকে চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। যে অর্গনের ত্রুটির কারণে শরীরে ডায়াবেটিস দেখা দিয়েছে সেই অর্গানের চিকিৎসা করলে আপনি ডায়াবেটিক থেকে চিরতরে মুক্তি পাবেন।
বৃদ্ধ বয়সে একটি ডায়াবেটিক দেখা দেয় অতিরিক্ত বৃদ্ধাদের, এটি তেমন ঝুঁকিপূর্ণ নয় এটিকে স্বাভাবিকভাবে ঔষধ ছাড়াও নির্মূল করা সম্ভব।
বাবা মায়ের ডায়াবেটিক ছিল সে অবস্থায় সন্তানের জন্ম হয়েছে পরবর্তীতে সন্তানের ডায়াবেটিক দেখা দিয়েছে এটাকে জেনেটিক ডায়াবেটিক বলে।
এই ডায়াবেটিস থেকে রোগীকে মুক্তি করা প্রায় অসম্ভব কিন্তু সন্তানের জন্মের পরে বাবা-মার ডায়াবেটিক ধরা পড়েছে এবং পরবর্তীতে সন্তানেরও ডায়াবেটিক ধরা পড়েছে এটাকে জেনেটিক ডায়াবেটিক বলে না।
এই ডায়াবেটিক থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
শুধু আপনার মাথার ভেতর থেকে ডায়াবেটিক ভালো হয় না এই শব্দটাকে ভুলে যেতে হবে। কারণ এই শব্দটা সুকৌশলে বিশ্বব্যাপী চিকিৎসকেরা মানুষের মাথায় ঢুকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। ডায়াবেটিক রোগীদের নিয়ে বাণিজ্যকে টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল মাত্র এটি।
হতাশ হবেন না নিরাশ হবেন না একবার চেষ্টা করে দেখুন না আপনার ডায়াবেটিক ভালো হয় কিনা !
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত রেজিস্টার্ড চিকিৎসক।
ডঃ জামান খান
01717499374
এটি আমার হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইমো নম্বর প্রয়োজনের সরাসরি ও কল করতে পারেন। রোগীর এবং রোগের বিস্তারিত জেনে ঔষধ বানিয়ে দেশ ও দেশের বাহিরে সর্বত্র কুরিয়ারের মাধ্যমে পার্সেল পাঠানো হয়।
দয়া করে কেউ মেসেঞ্জারে মেসেজ দিবেন না মেসেঞ্জারের মেসেজ আমার দেখা হয় না। দ্বিতীয়তঃ কেউ ভিডিও কল দিবেন না অপরিচিত ব্যক্তিকে বিনা অনুমতিতে ভিডিও কল দেওয়াটা সৌজন্যতার ভিতরে পড়ে না। ভিডিও কলে কথা বলার মত যথেষ্ট সময় আমার হাতে থাকে না।
ওষুধের কোন ক্ষমতা নেই পৃথিবীর চিকিৎসকদের কোন ক্ষমতা নেই । যদি একমাত্র সৃষ্টিকর্তা যিনি রোগ দিয়েছেন তিনি যদি মুক্তি না দেন পৃথিবীর সকল চিকিৎসক দেখিয়ে পৃথিবীর সকল কোম্পানির উৎপাদিত ঔষধ সেবন করেও রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।
তবে সৃষ্টিকর্তা বলেছেন চিকিৎসকের কাছে যাও চিকিৎসা নাও চিকিৎসা করানো সুন্নত ঔষধ খাওয়া সুন্নত নবী-রাসূলগণ ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন।
বিগত ৫০ বছর আগে বাংলাদেশের মোড়ে মোড়ে এত এলোপ্যাথি ঔষধের দোকান ছিল না ছিল না এত এলোপ্যাথি চিকিৎসক।
তখন সবাই হোমিও এবং ভেষজ ঔষধের উপর নির্ভরশীল ছিলেন।
এখনো বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল গুলোতে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সবাই উপজাতিরা ভেষজ ঔষধের উপরে নির্ভরশীল সেসব অঞ্চলে এখনো আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা বা এলোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা পৌঁছায় নেই।
ভেষজ ওষুধকে জনপ্রিয় করার জন্য ভেষজ চিকিৎসা কে জনপ্রিয় করার জন্য বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের প্রতিটি হাসপাতালে একজন করে ভেষজ চিকিৎসক নিয়োগ দিচ্ছেন। ইতিমধ্যে বহু হাসপাতালে ভেষজ চিকিৎসক হোমিও চিকিৎসক নিয়োগ পেয়েছেন।
ভেষজ চিকিৎসাকে জনপ্রিয় করার জন্য প্রসারিত করার জন্য সরকার ভেষজ চিকিৎসার উপর থেকে ভ্যাট ট্যাক্স তুলে নিয়েছেন।
আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ভেষজ চিকিৎসার যথেষ্ট মূল্যায়ন হচ্ছে।
চীন লন্ডন আমেরিকা কানাডা পাকিস্তান সব দেশেই ভেষজ চিকিৎসার অগ্রগতি হচ্ছে।
বাংলাদেশের এলোপ্যাথি ঔষধ কোম্পানিগুলো ভেষজ ঔষধ উৎপাদনের দিকে ঝুকছে ইতিমধ্যে নামিদামি বহু কোম্পানি স্কয়ার, ইবনে সিনা, ড্রাগ, একমি, ইনসেপটা, অপসোনিন সহ বহু কোম্পানি ভেষজ ঔষধ উৎপাদন করছে বাজারজাত করছে।