PaediNest

PaediNest PaediNest – Your Child Health Companion
Where little lives grow healthier.

📅 **EPI (Expanded Programme on Immunization) টিকা সূচি: আপনার শিশুর সুরক্ষার প্রথম পদক্ষেপ** 💉👶প্রতিটি শিশুর সুস্থ ও নির...
06/07/2026

📅 **EPI (Expanded Programme on Immunization) টিকা সূচি: আপনার শিশুর সুরক্ষার প্রথম পদক্ষেপ** 💉👶

প্রতিটি শিশুর সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সময়মতো টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জাতীয় **EPI (Expanded Programme on Immunization)** কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগ থেকে সুরক্ষা প্রদান করা হয়।

# # # 🇧🇩 বাংলাদেশের জাতীয় EPI টিকা সূচি

👶 **জন্মের পর (২৪ ঘণ্টার মধ্যে)**
✅ BCG – যক্ষ্মা (TB) প্রতিরোধে
✅ bOPV-0 – পোলিও প্রতিরোধে

🗓️ **৬ সপ্তাহ**
✅ Pentavalent-1 (DPT-HepB-Hib)
✅ bOPV-1
✅ PCV-1
✅ IPV-1

🗓️ **১০ সপ্তাহ**
✅ Pentavalent-2
✅ bOPV-2
✅ PCV-2

🗓️ **১৪ সপ্তাহ**
✅ Pentavalent-3
✅ bOPV-3
✅ PCV-3
✅ IPV-2

🗓️ **৯ মাস পূর্ণ হলে**
✅ MR-1 (Measles-Rubella)

🗓️ **১৫ মাস পূর্ণ হলে**
✅ MR-2 (Measles-Rubella)

🤰 **গর্ভবতী মায়েদের জন্য**
💉 Td (Tetanus-Diphtheria) টিকা জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে গ্রহণ করুন।

# # # কেন সময়মতো টিকা জরুরি?

✔️ প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।
✔️ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
✔️ পরিবার ও সমাজে রোগের বিস্তার কমায়।
✔️ একটি সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে।

📌 **মনে রাখবেন:** টিকা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও EPI সেন্টারে প্রদান করা হয়। নির্ধারিত তারিখে টিকা নিতে ভুলবেন না এবং শিশুর টিকা কার্ড সংরক্ষণ করুন।

**"সময়মতো টিকা, সুস্থ শিশুর নিশ্চয়তা।"** 💙

নাপা (প্যারাসিটামল) সিরাপ ও ড্রপস: সহজ ডোজ হিসাব (শিশুদের জন্য)✅ স্ট্যান্ডার্ড শিশুদের ডোজ- ১০–১৫ মি.গ্রা./কেজি/প্রতি ডো...
30/06/2026

নাপা (প্যারাসিটামল) সিরাপ ও ড্রপস: সহজ ডোজ হিসাব (শিশুদের জন্য)

✅ স্ট্যান্ডার্ড শিশুদের ডোজ

- ১০–১৫ মি.গ্রা./কেজি/প্রতি ডোজ
- প্রতি ৪–৬ ঘণ্টা পর প্রয়োজন অনুযায়ী
- ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫ ডোজ (অথবা মোট ৭৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন—যেটি আগে পূরণ হয়)

১. নাপা সিরাপ (120 mg/5 mL)

- ঘনত্ব (Concentration): ২৪ মি.গ্রা./mL

সহজ সূত্র

প্রয়োজনীয় সিরাপ (mL) = শিশুর ওজন (কেজি) × ০.৫–০.৬

১৫ মি.গ্রা./কেজি ডোজ অনুযায়ী:

প্রয়োজনীয় সিরাপ (mL) = ওজন (কেজি) × ০.৬২৫

দ্রুত উদাহরণ

ওজন| ডোজ (১৫ মি.গ্রা./কেজি)| সিরাপ
৫ কেজি| ৭৫ মি.গ্রা.| ৩.১ mL
১০ কেজি| ১৫০ মি.গ্রা.| ৬.২৫ mL
১৫ কেজি| ২২৫ মি.গ্রা.| ৯.৪ mL
২০ কেজি| ৩০০ মি.গ্রা.| ১২.৫ mL

২. নাপা ড্রপস (80 mg/0.8 mL)

- ঘনত্ব (Concentration): ১০০ মি.গ্রা./mL

সহজ সূত্র

প্রয়োজনীয় ড্রপস (mL) = শিশুর ওজন (কেজি) × ০.১৫

দ্রুত উদাহরণ

ওজন| ডোজ (১৫ মি.গ্রা./কেজি)| ড্রপস
৩ কেজি| ৪৫ মি.গ্রা.| ০.৪৫ mL
৫ কেজি| ৭৫ মি.গ্রা.| ০.৭৫ mL
৮ কেজি| ১২০ মি.গ্রা.| ১.২ mL
১০ কেজি| ১৫০ মি.গ্রা.| ১.৫ mL

⭐ আল্ট্রা-সহজ বেডসাইড নিয়ম

- নাপা সিরাপ (120 mg/5 mL): প্রতি ডোজে ≈ ০.৬ mL/কেজি
- নাপা ড্রপস (80 mg/0.8 mL): প্রতি ডোজে ≈ ০.১৫ mL/কেজি

🧠 সহজে মনে রাখার কৌশল

✅ সিরাপ:
ওজন (কেজি) × ০.৬ = প্রয়োজনীয় mL

✅ ড্রপস:
ওজন (কেজি) × ০.১৫ = প্রয়োজনীয় mL

---

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

- এই শর্টকাটগুলো ১৫ মি.গ্রা./কেজি/প্রতি ডোজ ভিত্তিক।
- ওষুধ দেওয়ার আগে বোতলের শক্তি (strength/concentration) অবশ্যই যাচাই করুন।
- বিভিন্ন কোম্পানির প্যারাসিটামল সিরাপ বা ড্রপসের ঘনত্ব ভিন্ন হতে পারে।
- ২৪ ঘণ্টায় ৫ ডোজের বেশি দেবেন না।

ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ মানেই কি ডেঙ্গু নেই? সবসময় নয়।ধরুন আপনার জ্বর এসেছে ১২ তারিখে। আপনি ডাক্তার দেখতে গেলেন ১৪তারিখে। অ...
26/06/2026

ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ মানেই কি ডেঙ্গু নেই? সবসময় নয়।

ধরুন আপনার জ্বর এসেছে ১২ তারিখে। আপনি ডাক্তার দেখতে গেলেন ১৪তারিখে। অর্থাৎ জ্বরের তৃতীয় দিনে।

আপনি যেহেতু জ্বরের তৃতীয় দিনে গিয়েছেন, ডাক্তার আপনাকে Dengue NS1 antigen test এবং Complete Blood Count (CBC) করতে দিলো।

সেই টেস্ট আপনি করলেন আরো ২দিন পরে, ১৬ তারিখে অর্থাৎ জ্বরের ৫ম দিন। আপনার ডেংগু টেস্ট এ রেজাল্ট আসলো ডেঙ্গু নেগেটিভ আর সিবিসিতে প্লেটলেট ৩০-৩৫হাজার/কিউমিমি, হেমাটোক্রিট ৪৫%।
আপনি একদিকে ডেঙ্গু নেগেটিভ দেখে আনন্দিত আর অপরদিকে সিবিসি রিপোর্ট দেখে ডাক্তার উদ্বিগ্ন।

এমনটা হবার কারন কি??

কারন হলো Dengue NS1 Antigen পরীক্ষা জ্বরের প্রথম ৩দিন এর মধ্যে পজেটিভ আসে। এরপরে আপনার যদি ডেঙ্গু হয়েও থাকে, তাও সেটি নেগেটিভ আসতে পারে। কিন্তু সিবিসি তে প্লেটলেট কমতে থাকে আর হেমাটোক্রিট বাড়তে থাকে।

তাহলে জ্বর আসার পর আমাদের করণীয় হলো-

১) আপনার চিকিৎসককে একদম সঠিক হিসেব বলবেন যে আপনার জ্বর কয়দিনের, পারলে কতো তারিখে কখন সেটাও জানাবেন। তিনিই আপনাকে জানাবেন যে আপনার কোন টেস্ট করাতে হবে।

২) Dengue NS1 পরীক্ষাটি জ্বরের ১ম তিনদিনে করাতে হয়। ৪র্থ দিন হতে Dengue IgG & IgM পরীক্ষা করাতে হবে।

৩) ডেংগু নিশ্চিত হলে, চিকিৎসক এর পরামর্শ মতো নিয়মিত CBC পরীক্ষা করাতে হবে।

৪) অনেকক্ষেত্রে CBC এবং ডেংগু পরীক্ষার সাথে লিভার ফাংশন টেস্ট, ইসিজি, বুকের এক্সরে সহ অন্য পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় কারন বর্তমানে ডেংগু শক সিন্ড্রোম/ এক্সপ্যান্ডেড ডেংগু সিন্ড্রোম থেকে খুব সহজেই শরীরে বড় অরগান যেমন- হার্ট, ফুসফুস, কিডনি, লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। লিভার ফেইলার, কিডনি ফেইলার, একিউট রেস্পিরেটরি সিন্ড্রোম, প্লুরাল ইফিউশন সহ বিভিন্ন ধরণের নিউরোলজিকেল সিম্পটমও দেখা যায়।

৫) ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ে শুধু একটি রিপোর্ট নয়, রোগীর উপসর্গ, জ্বরের দিন, CBC, হেমাটোক্রিট এবং চিকিৎসকের ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ।

সবাই সচেতন থাকুন। বাড়িতে কিংবা বাড়ির আশেপাশে পরিষ্কার রাখুন, পানি জমতে দিবেন না। মশারি টাংগিয়ে ঘুমাবেন। শিশুদের দিকে বিশেষ করে খেয়াল রাখুন। আর জ্বর আসলে সেটা ১দিনের জ্বর হলেও দেরী না করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

#ডেঙ্গু_সচেতনতা #জ্বর #স্বাস্থ্য_পরামর্শ

PaediNestDigital Health Ecosystem
25/06/2026

PaediNest

Digital Health Ecosystem

 # মায়ের বুকের দুধের উপকারিতা: শিশু, মা ও পরিবারের জন্য # # 👶 শিশুর জন্য উপকারিতা✅ শিশুর জন্য সবচেয়ে আদর্শ ও সম্পূর্ণ ...
25/06/2026

# মায়ের বুকের দুধের উপকারিতা: শিশু, মা ও পরিবারের জন্য

# # 👶 শিশুর জন্য উপকারিতা

✅ শিশুর জন্য সবচেয়ে আদর্শ ও সম্পূর্ণ পুষ্টিকর খাবার।
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়।
✅ ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, কানের সংক্রমণ ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমায়।
✅ অ্যালার্জি, হাঁপানি ও একজিমার ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করে।
✅ মস্তিষ্কের বিকাশ ও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা উন্নত করে।
✅ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ওজন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
✅ হঠাৎ শিশুমৃত্যু সিনড্রোম (SIDS)-এর ঝুঁকি কমায়।
✅ ভবিষ্যতে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

# # 👩 মায়ের জন্য উপকারিতা

✅ প্রসবের পর জরায়ু দ্রুত স্বাভাবিক আকারে ফিরে আসতে সাহায্য করে।
✅ প্রসবোত্তর রক্তক্ষরণ কমায়।
✅ অতিরিক্ত ক্যালরি খরচ হওয়ায় ওজন কমাতে সহায়তা করে।
✅ স্তন ক্যান্সার ও ডিম্বাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
✅ টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
✅ মা ও শিশুর মধ্যে আবেগিক বন্ধন (Bonding) দৃঢ় করে।
✅ অনেক ক্ষেত্রে জন্মনিয়ন্ত্রণে (Lactational Amenorrhea Method) সহায়ক ভূমিকা রাখে।

# # 👨‍👩‍👧‍👦 পরিবারের জন্য উপকারিতা

✅ শিশুখাদ্য, বোতল ও অন্যান্য সরঞ্জামের খরচ কমায়।
✅ সবসময় প্রস্তুত, নিরাপদ ও জীবাণুমুক্ত খাবার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
✅ অসুস্থতা কম হওয়ায় চিকিৎসা ব্যয় কমে।
✅ পরিবারের সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
✅ পরিবেশবান্ধব—কোনো প্যাকেজিং বা বর্জ্য তৈরি হয় না।
✅ সুস্থ শিশু ও সুস্থ মা একটি সুখী ও অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী পরিবার গঠনে সহায়তা করে।

# # # 📌 মূল বার্তা

**জন্মের প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ (Exclusive Breastfeeding) এবং ৬ মাস পর উপযুক্ত পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি ২ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বুকের দুধ চালিয়ে যাওয়া শিশুর সর্বোত্তম পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।** ❤️🍼

রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া): অবহেলা নয়, কারণ খুঁজে চিকিৎসা জরুরিরক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরে ...
23/06/2026

রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া): অবহেলা নয়, কারণ খুঁজে চিকিৎসা জরুরি

রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন বা লোহিত রক্তকণিকা থাকে না। এর ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পৌঁছাতে সমস্যা হয় এবং নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।

রক্তশূন্যতার সাধারণ কারণ
✅ আয়রনের অভাব
✅ অতিরিক্ত মাসিকের রক্তক্ষরণ
✅ গর্ভাবস্থায় আয়রনের চাহিদা বৃদ্ধি
✅ পাকস্থলী বা অন্ত্রের রক্তপাত
✅ গ্যাস্ট্রিক আলসার
✅ পাইলস (অর্শ)
✅ দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ (যেমন আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন) সেবন
✅ কোলাইটিস বা অন্ত্রের প্রদাহ
✅ খাদ্যনালীর প্রদাহ (Esophagitis)
✅ পাকস্থলী বা অন্ত্রের ক্যান্সার

রক্তশূন্যতার লক্ষণ
🔹 অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা
🔹 সামান্য কাজেই হাঁপিয়ে যাওয়া
🔹 বুক ধড়ফড় করা
🔹 ত্বক ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া
🔹 মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
🔹 কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ (Tinnitus)
🔹 চুল পড়া
🔹 জিহ্বায় ঘা বা মুখের কোণায় আলসার
🔹 নখ চামচের মতো বেঁকে যাওয়া (Koilonychia)
🔹 বরফ, মাটি বা কাগজের মতো অখাদ্য জিনিস খেতে ইচ্ছে হওয়া (Pica)
🔹 অস্থির পা সিন্ড্রোম (Restless Leg Syndrome)

কী পরীক্ষা প্রয়োজন?
রক্তশূন্যতা নির্ণয়ের জন্য সাধারণত CBC (Complete Blood Count) করা হয়। এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী Serum Ferritin, Iron Profile, Stool for Occult Blood, Endoscopy বা Colonoscopy-সহ অন্যান্য পরীক্ষা লাগতে পারে।

কী খাবেন?

পালং শাক, কচুশাক, লালশাক
গরু, খাসি, কলিজা ও অন্যান্য মাংস
ডাল, মটরশুঁটি, শিম
আয়রনসমৃদ্ধ খাদ্যশস্য ও ফর্টিফাইড সিরিয়াল

কী এড়িয়ে চলবেন?

চা ও কফি (বিশেষ করে খাবারের সাথে)
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (আয়রন ট্যাবলেটের সাথে নয়)

চিকিৎসা
আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আয়রন ট্যাবলেট বা সিরাপ কয়েক মাস নিয়মিত খেতে হয়। ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার যেমন লেবু বা কমলার রস আয়রন শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে।

চিকিৎসা না করলে কী হতে পারে?

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
বারবার সংক্রমণ
হৃদরোগ ও হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বৃদ্ধি
গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর বিভিন্ন জটিলতা

রক্তশূন্যতা শুধুমাত্র আয়রনের অভাব নয়, অনেক সময় এটি শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা গুরুতর রোগেরও লক্ষণ হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন দুর্বলতা, ক্লান্তি বা ফ্যাকাসে ভাব থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান।

#রক্তশূন্যতা #বাংলাদেশস্বাস্থ্য #নারীরস্বাস্থ্য

☀️ ভিটামিন ডি: সুস্থ জীবনের নীরব সহযোদ্ধাভিটামিন ডি শুধু হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে না, এটি পেশীর কার্যক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ ...
22/06/2026

☀️ ভিটামিন ডি: সুস্থ জীবনের নীরব সহযোদ্ধা

ভিটামিন ডি শুধু হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে না, এটি পেশীর কার্যক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াতেও ভূমিকা রাখে।

🌞 ভিটামিন ডি কীভাবে শরীরে তৈরি হয়?

ভিটামিন ডি মূলত সূর্যের UVB (Ultraviolet B) রশ্মির সাহায্যে ত্বকে তৈরি হয়।

ধাপগুলো হলো—

1️⃣ সূর্যের UVB রশ্মি ত্বকে পৌঁছায়।

2️⃣ ত্বকে থাকা 7-dehydrocholesterol নামক পদার্থ UVB-এর প্রভাবে Vitamin D₃ (Cholecalciferol)-এ রূপান্তরিত হয়।

3️⃣ এই Vitamin D₃ রক্তের মাধ্যমে লিভারে যায় এবং সেখানে 25-hydroxy Vitamin D [25(OH)D]-এ পরিণত হয়। এটিই রক্ত পরীক্ষায় সাধারণত মাপা হয়।

4️⃣ এরপর এটি কিডনিতে গিয়ে সক্রিয় রূপ 1,25-dihydroxy Vitamin D (Calcitriol)-এ রূপান্তরিত হয়।

5️⃣ সক্রিয় ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ বাড়িয়ে হাড়, দাঁত ও পেশীকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

📌 ভিটামিন ডি-এর উৎস

🌞 সূর্যের আলো (প্রধান উৎস)
🐟 সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছ (স্যামন, টুনা, সার্ডিন)
🥚 ডিমের কুসুম
🥛 ফোর্টিফাইড দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
💊 প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্ট

⚠️ মনে রাখবেন, সানস্ক্রিন, ঘরে বেশি সময় থাকা, গাঢ় ত্বক, বয়স বৃদ্ধি এবং বায়ুদূষণ ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরির পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। অবশ্যই সূর্যের আলো ত্বকে লাগতে হবে। এজন্য ১৫-২০মিনিট অন্তত রোদে থাকা জরুরী। সকাল ৯-১২ টার সূর্যের আলো সর্বোচ্চ পরিমাণে ভিটামিন ডি তৈরীতে উপযুক্ত।

🔹 ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির লক্ষণ:
✅ অতিরিক্ত ক্লান্তি
✅ হাড় বা পিঠে ব্যথা
✅ পেশী দুর্বলতা বা ব্যথা
✅ বারবার পড়ে যাওয়া (বিশেষ করে বয়স্কদের)

🔹 কারা বেশি ঝুঁকিতে?
• সূর্যের আলো কম পান যারা
• গাঢ় ত্বকের মানুষ
• স্থূলতা থাকলে
• বয়স্ক ব্যক্তি
• লিভার, কিডনি বা শোষণজনিত রোগে আক্রান্তরা

🔹 মনে রাখবেন: ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি বা অতিরিক্ততা—দুটিই ক্ষতিকর হতে পারে। তাই প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক মাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণ করুন।

🌞 নিরাপদ সূর্যালোক + সঠিক মাত্রার ভিটামিন ডি = সুস্থ হাড়, শক্তিশালী শরীর ও ভালো জীবন।

 #এলার্ট_পোস্টতারিখ পরিবর্তন: ২৭ জুনের পরিবর্তে ২৮ জুন ২০২৬ ২৮ জুন ২০২৬: জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনআগামী ২৮ জুন...
21/06/2026

#এলার্ট_পোস্ট

তারিখ পরিবর্তন: ২৭ জুনের পরিবর্তে ২৮ জুন ২০২৬

২৮ জুন ২০২৬: জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

আগামী ২৮ জুন ২০২৬ (রবিবার) সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেশের সকল নির্ধারিত স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

🔹 ৬–১১ মাস বয়সী শিশু
একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ IU)

🔹 ১২–৫৯ মাস বয়সী শিশু
একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ IU)

কেন ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো জরুরি?

✅ রাতকানা ও ভিটামিন ‘এ’-জনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে
✅ হাম, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণের জটিলতা কমাতে সহায়তা করে
✅ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
✅ শিশু মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
• শিশুকে খালি পেটে কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন না
• ক্যাপসুল খাওয়ানোর আগে হালকা খাবার খাওয়ান
• ৬ মাসের কম ও ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের এই ক্যাপসুল দেওয়া হবে না

আপনার আশেপাশের ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুই যেন এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করুন।

#জাতীয়_ভিটামিন_এ_প্লাস_ক্যাম্পেইন

🦟 শিশুর ডেঙ্গু জ্বর — বাবা-মায়ের যা জানা জরুরি"ডাক্তার সাহেব, বাচ্চার হঠাৎ অনেক জ্বর, সাথে চোখের পেছনে ব্যথা করছে — ডেঙ...
21/06/2026

🦟 শিশুর ডেঙ্গু জ্বর — বাবা-মায়ের যা জানা জরুরি

"ডাক্তার সাহেব, বাচ্চার হঠাৎ অনেক জ্বর, সাথে চোখের পেছনে ব্যথা করছে — ডেঙ্গু হয়নি তো?"

এই প্রশ্নটা এই মৌসুমে প্রতিদিন শুনছি। আর সত্যি বলতে, বর্ষা মৌসুমে শিশুর জ্বর মানেই ডেঙ্গুর কথা মাথায় আসা উচিত।

ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার কামড়ে ছড়ায় — বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায়। সময়মতো চিনতে পারলে এই রোগ সামলানো সম্ভব। না চিনলে বিপদ।

⏱️ ডেঙ্গু জ্বরের ৩টি পর্যায় — প্রতিটি পর্যায় বোঝা জরুরি

অনেক বাবা-মা জানেন না যে ডেঙ্গু জ্বর তিনটি ধাপে আসে। এই ধাপগুলো না চিনলে বিপদ বাড়ে।

🔴 পর্যায় ১ — জ্বরের পর্যায় (১ম–৩য় দিন)
এই সময় হঠাৎ উচ্চ জ্বর আসে। শিশু দুর্বল থাকে, খেতে চায় না।

🟡 পর্যায় ২ — বিপদের পর্যায় (৪র্থ–৬ষ্ঠ দিন)
এই পর্যায়ে অনেক বাবা-মা ভাবেন, "জ্বর কমে গেছে, বাচ্চা ভালো হয়ে গেছে।"
— এটাই সবচেয়ে বড় ভুল!
জ্বর কমে গেলেই আসলে বিপদ শুরু হয়। এই সময় প্লাটিলেট দ্রুত কমতে থাকে এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।

🟢 পর্যায় ৩ — সুস্থতার পর্যায় (৭ম–১০ম দিন)
শিশু ধীরে ধীরে সুস্থ হতে থাকে। ক্ষুধা ফেরে, শক্তি আসে।

🌡️ সাধারণ ডেঙ্গুর লক্ষণ

🔹 হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০২–১০৪°F বা বেশি)
🔹 চোখের পেছনে ব্যথা
🔹 মাথাব্যথা
🔹 মাংসপেশি ও জয়েন্টে ব্যথা
🔹 বমি বা বমি ভাব
🔹 ত্বকে লালচে ফুসকুড়ি
🔹 খাবারে অনীহা ও দুর্বলতা

🚨 জটিল ডেঙ্গুর (DHF/DSS) বিপদ চিহ্ন — এগুলো দেখলে দেরি নয়!

⚠️ পেটে তীব্র ব্যথা
⚠️ বারবার বমি (২৪ ঘণ্টায় ৩ বারের বেশি)
⚠️ মুখ, নাক, মাড়ি বা মল-পেশাবে রক্ত
⚠️ হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
⚠️ শিশু ঝিমিয়ে পড়া বা অচেতন হওয়া
⚠️ রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া
⚠️ ৬ ঘণ্টার বেশি প্রস্রাব না হওয়া — এটিও মারাত্মক বিপদ চিহ্ন

এই লক্ষণগুলো দেখলে সঙ্গে সঙ্গে শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে নিন — একটুও দেরি নয়।

🧪 কোন পরীক্ষাগুলো করাবেন?

▪️ NS1 Antigen — জ্বরের প্রথম ৫ দিনের মধ্যে
▪️ IgM / IgG Antibody — ৫–৭ দিন পরে
▪️ CBC — প্লাটিলেট ও হেমাটোক্রিট দেখার জন্য

📌 প্লাটিলেট নিয়ে একটি জরুরি কথা:
স্বাভাবিক প্লাটিলেট ১.৫ লাখ থেকে ৪ লাখ। ডেঙ্গুতে এটি কমতে থাকে।
▪️ ১ লাখের নিচে — সতর্ক থাকুন, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
▪️ ৫০ হাজারের নিচে — হাসপাতালে ভর্তি জরুরি
▪️ ২০ হাজারের নিচে — রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হতে পারে

💊 চিকিৎসায় কী করবেন?

✅ জ্বরে শুধুমাত্র প্যারাসিটামল দিন
❌ অ্যাসপিরিন ও আইবুপ্রোফেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ — রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়
✅ পর্যাপ্ত পানি, ORS, ডাবের পানি, স্যুপ দিন
✅ প্লাটিলেট অনেক কমলে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে

🍽️ ডেঙ্গু জ্বরে শিশুকে কী খাওয়াবেন?

অনেক বাবা-মা জিজ্ঞেস করেন — "ডাক্তার সাহেব, বাচ্চাকে কী খাওয়াবো?"

✅ ডাবের পানি — শরীরে তরল ও ইলেকট্রোলাইট ধরে রাখে
✅ পেঁপে পাতার রস — অনেকের বিশ্বাস আছে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দেবেন না
✅ তাজা ফলের রস (আনারস, কমলা, মাল্টা) — ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়
✅ হালকা খাবার — ভাত, ডাল, সুজি, খিচুড়ি
✅ স্যুপ — মুরগির স্যুপ বা সবজির স্যুপ
❌ তৈলাক্ত ও মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন

🛡️ ডেঙ্গু প্রতিরোধে যা করবেন

🔸 ফুলদানি, টব, টায়ার, ছাদে জমা পানি ৩ দিনের বেশি রাখবেন না
🔸 সকাল ও সন্ধ্যায় মশারি ও রিপেলেন্ট ব্যবহার করুন
🔸 শিশুকে পূর্ণহাতা জামা পরান
🔸 দিনের বেলায়ও শিশুকে ঘুমানোর সময় মশারি দিন
🔸 আশপাশ পরিষ্কার রাখুন
🔸 শিশুর স্কুলব্যাগে মশা প্রতিরোধক স্প্রে বা প্যাচ রাখুন

❓ বাবা-মায়েরা প্রায়ই যে ভুলগুলো করেন

❌ জ্বর কমে গেলে ভাবেন বাচ্চা সুস্থ — এটি বিপজ্জনক ভুল
❌ নিজে নিজে অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথার ওষুধ দেন
❌ পরীক্ষা না করে শুধু ওষুধ খাইয়ে বাড়িতে রাখেন
❌ শিশুকে পানি কম খাওয়ান

এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললেই অনেক বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

📌 মনে রাখবেন —

ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হন। জ্বর দেখা দিলে নিজে নিজে ওষুধ না দিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আপনার সচেতনতাই আপনার সন্তানের সুরক্ষা। 💚

পোস্টটি শেয়ার করুন — একজন বাবা-মাও যদি উপকৃত হন, সেটাই সার্থকতা।

❤️ পোস্টটি শেয়ার করুন।
আপনার পরিচিত কোনো নতুন মা হয়তো এখন এই একই ভয়ে রাত কাটাচ্ছেন — আপনার একটি শেয়ার তাঁকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারে।

⚠️ বিজ্ঞপ্তি: এই পোস্টটি সচেতনতামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি। শিশুর যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় অবশ্যই একজন ভালো শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

#ডেঙ্গু_জ্বর #শিশুর_ডেঙ্গু #শিশু_স্বাস্থ্য_সচেতনতা #ময়মনসিংহ_শিশু_বিশেষজ্ঞ #বাবা_মায়ের_সচেতনতা

হাম (Measles) সম্পর্কে বিস্তারিত:হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা Measles virus দ্বারা হয়। এটি প্রধানত শিশু...
19/06/2026

হাম (Measles) সম্পর্কে বিস্তারিত:
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা Measles virus দ্বারা হয়। এটি প্রধানত শিশুদের আক্রান্ত করলেও টিকা না নেওয়া যে কোনো বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।

রোগের কারণ:
হাম Paramyxoviridae পরিবারের Measles virus দ্বারা সৃষ্ট।

কীভাবে ছড়ায়?
• আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা কথা বলার সময় নির্গত শ্বাসতন্ত্রের ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে।
• আক্রান্ত ব্যক্তির নাক বা গলার স্রাবের সংস্পর্শে এলে।
• ভাইরাস বাতাসে এবং বিভিন্ন পৃষ্ঠে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে।
একজন আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত:
• র‍্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকে
• র‍্যাশ ওঠার ৪ দিন পর পর্যন্ত সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ:
প্রাথমিক লক্ষণ (Prodromal stage)
সাধারণত সংক্রমণের ১০–১৪ দিন পর দেখা দেয়:
• উচ্চমাত্রার জ্বর
• সর্দি (Coryza)
• কাশি
• চোখ লাল হওয়া (Conjunctivitis)
• দুর্বলতা ও অরুচি
Koplik Spot
হামের একটি বিশেষ লক্ষণ।
• গালের ভেতরের মিউকোসায় ছোট সাদা দানার মতো দাগ।
• র‍্যাশ ওঠার ১–২ দিন আগে দেখা যায়।
চামড়ায় র‍্যাশ
• প্রথমে মুখ ও কানের পেছনে শুরু হয়।
• পরে ঘাড়, বুক, শরীর ও হাত-পায়ে ছড়িয়ে পড়ে।
• লালচে ম্যাকুলোপ্যাপুলার (maculopapular) র‍্যাশ।
• সাধারণত ৫–৬ দিন স্থায়ী হয়।

রোগ নির্ণয়:
ক্লিনিক্যালি
• জ্বর + কাশি/সর্দি/কনজাংকটিভাইটিস
• Koplik spot
• বৈশিষ্ট্যপূর্ণ র‍্যাশ
ল্যাবরেটরি পরীক্ষা
• Measles-specific IgM antibody
• RT-PCR
• ভাইরাল RNA শনাক্তকরণ

জটিলতা: শিশু, অপুষ্ট শিশু ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম ব্যক্তিদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
সাধারণ জটিলতা
• ডায়রিয়া
• কান পাকা (Otitis media)
• নিউমোনিয়া
গুরুতর জটিলতা
• এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের প্রদাহ)
• তীব্র শ্বাসকষ্ট
• অন্ধত্ব (বিশেষত ভিটামিন A-এর ঘাটতিতে)
• Subacute Sclerosing Panencephalitis (SSPE) — বিরল কিন্তু মারাত্মক স্নায়বিক জটিলতা

চিকিৎসা: হামের নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক।

করণীয়:
• পর্যাপ্ত বিশ্রাম
• প্রচুর তরল খাবার
• জ্বরের জন্য Paracetamol
• পুষ্টিকর খাদ্য
• চোখের যত্ন

ভিটামিন A: WHO-এর সুপারিশ অনুযায়ী হামে আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন A দেওয়া উচিত, কারণ এটি জটিলতা ও মৃত্যুহার কমায়।

সাধারণ ডোজ:
• ৬–১১ মাস: ১,০০,০০০ IU
• ≥১২ মাস: ২,০০,০০০ IU
• পরপর ২ দিন

প্রতিরোধ:
টিকাদান: সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা হলো টিকা। বাংলাদেশের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে MR টিকা প্রদান করা হয়।

অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা:
• আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা
• কাশি-হাঁচির শিষ্টাচার মেনে চলা
• হাত ধোয়া
• অপুষ্টি প্রতিরোধ

#হাম
#হাম_প্রতিরোধ
#শিশুস্বাস্থ্য
#টিকাদান
িকা










Address

Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PaediNest posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share