পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি

পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি "Whipping up easy, tasty recipes on video!

From quick meals to comfort food—watch, cook, and enjoy every bite."....A page for promotion of all Bangladeshi foods,curries and fruits.

চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ানে দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন চেন সি। কৈশোরেই পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয় তাকে। জীবনের একপর্যায়ে তিন...
01/09/2026

চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ানে দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন চেন সি। কৈশোরেই পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয় তাকে। জীবনের একপর্যায়ে তিনি গৃহহীনও ছিলেন, কখনো ওভারপাসের নিচে ঘুমিয়েছেন। পরে একটি ফলের দোকান খুলে কিছুটা স্থিতিশীল জীবন পান।

নিজের সেই কঠিন অভিজ্ঞতাই হয়তো তাকে অন্য মানুষের কষ্টের প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

২০০০ সালে প্রথমবার আ_হ/ত্যার চেষ্টা করা এক তরুণীকে বাঁচান চেন। নানজিং ইয়াংজি রিভার ব্রিজের কিনারা থেকে তাকে ফিরে আসতে বোঝাতে সক্ষম হন তিনি।

এরপর ২০০৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর থেকে প্রায় প্রতি সপ্তাহান্তেই সেই একই সেতুতে যেতে শুরু করেন চেন। কখনো হেঁটে, কখনো মোটরসাইকেলে সেতু ঘুরে দেখেন। লক্ষ্য একটাই, এমন কাউকে খুঁজে বের করা, যার আচরণ দেখে মনে হচ্ছে তিনি হয়তো সব শেষ করার কথা ভাবছেন।

প্রায় দুই মাইল দীর্ঘ নানজিং ইয়াংজি রিভার ব্রিজ আ_হ/ত্যার ঘটনাগুলোর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই কুখ্যাত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে একে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আ_হ/ত্যার ঘটনা ঘটেছে এমন স্থানগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুই দশকের অভিজ্ঞতায় চেন মানুষের আচরণের কিছু সংকেত চিনতে শিখেছেন। তিনি বিশেষভাবে লক্ষ্য করেন এমন মানুষকে, যাদের হতাশ দেখাচ্ছে, উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটছেন বা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে মনে হচ্ছে।

কাউকে সন্দেহ হলে তিনি কাছে গিয়ে কথা বলেন। প্রথমে বোঝার চেষ্টা করেন, সমস্যাটা কোথায়। কখনো শুধু কথা বলেই কাউকে সিদ্ধান্ত বদলাতে রাজি করাতে পেরেছেন।

আবার কখনো পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়েছে যে সেতুর রেলিং পেরিয়ে যাওয়া মানুষকে শারীরিকভাবে ধরে টেনে তুলতে হয়েছে। চেন নিজেই এমন মুহূর্তকে জীবন-মৃত্যুর লড়াই হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

২১ বছরের বেশি সময়ে প্রায় ৪৭০ জনকে এমন পরিস্থিতি থেকে ফিরিয়ে আনার কৃতিত্ব দেওয়া হয় তাকে।

তবে এই কাজ মানসিকভাবে তাকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। যাদের বাঁচাতে পারেননি, তাদের কথা দীর্ঘদিন স্বপ্নে ফিরে আসত বলে জানিয়েছেন চেন।

একজন নারী বাসচালক ফ্লাইওভারে উঠতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। একজন পুরুষ চালকের সাহায্য নিলেন। ব্যস—ঘটনা এতটুকুই।কিন্তু ঘটনাটি স...
20/08/2026

একজন নারী বাসচালক ফ্লাইওভারে উঠতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। একজন পুরুষ চালকের সাহায্য নিলেন। ব্যস—ঘটনা এতটুকুই।

কিন্তু ঘটনাটি সেখানেই শেষ হয়নি।

ঘটনাস্থলে থাকা এক রিপোর্টার পুরো বিষয়টি ক্যামেরাবন্দি করেন। এমনকি ওই নারী চালক স্পষ্টভাবেই অনুরোধ করেছিলেন—

“ক্লিপটা নিয়েন না। পুরুষ ড্রাইভার যে বসছে, এটা নিয়েন না।”

অর্থাৎ, তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়েছিলেন যে ওই অংশটি যেন প্রকাশ না করা হয়।
তারপরও শুধু ভিডিও ধারণই করা হয়নি, বরং তিনি যে অংশটি প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছিলেন, সেই কথোপকথনটিও প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন হলো—এটাই কি সাংবাদিকতা?

একজন নারী নতুন একটি পেশায় কাজ শুরু করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই শুরুতে কোনো পরিস্থিতিতে তাঁর সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে। একজন অভিজ্ঞ পুরুষ চালক তাঁকে সহযোগিতা করেছেন—এটা তো হতে পারত সহযোগিতা ও মানবিকতার একটি সুন্দর গল্প।

কিন্তু সেটাকেই বানিয়ে দেওয়া হলো—
“দেখুন, নারী বাসচালক বিপদে!”

এখানেই সাংবাদিকতার দায়িত্ববোধের প্রশ্ন আসে।

কেউ যদি স্পষ্টভাবে বলেন, “এই অংশটা রেকর্ড করবেন না”, তাহলে সেই অনুরোধের কি কোনো মূল্য নেই?
ক্যামেরার সামনে যা কিছু ঘটে, সবকিছু ধারণ করাই সাংবাদিকতা নয়। আর ধারণ করা সবকিছু প্রকাশ করে দেওয়াও পেশাদারিত্ব নয়।

একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব শুধু ঘটনা দেখানো নয়; বরং কোনটা জনস্বার্থের সংবাদ আর কোনটা একজন মানুষের ব্যক্তিগত বা বিব্রতকর মুহূর্ত—সেই পার্থক্যটাও বোঝা।

ওই নারী চালক যদি ভুল করেন, অবশ্যই সমালোচনা হতে পারে। বাস চালাতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে প্রশ্ন উঠতেই পারে। কিন্তু একজন মানুষ কঠিন মুহূর্তে কারও সাহায্য নিয়েছেন—এটাকে এমনভাবে উপস্থাপন করা, যাতে তাঁকে জনসমক্ষে হেয় হতে হয়, সেটা কেমন সাংবাদিকতা?

আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, নারী চালকদের নিয়ে সমাজে আগে থেকেই নানা ধরনের সন্দেহ, বিদ্রূপ ও নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। এমন ভিডিও সেই নেতিবাচক ধারণাগুলোকে আরও উসকে দেয়।

একজন নারীকে দক্ষ হয়ে উঠতে সময় দিন।
ভুল করার সুযোগ দিন।
শেখার সুযোগ দিন।
প্রয়োজনে সাহায্য নেওয়ার অধিকারটুকুও দিন।

কারণ প্রথম দিনেই কেউ নিখুঁত হয় না—
পুরুষও না, নারীও না।

সহযোগিতার একটি মুহূর্তকে অ'প/মানের গল্প না বানিয়ে, মানবিকতার গল্প হিসেবেও তো দেখানো যায়। 🙂

স্নেহেরও একটি শালীনতা আছেমা-ছেলে, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র সম্পর্কগুলোর একটি। এই সম্পর্কে ভালোবাসা থাকবে...
13/08/2026

স্নেহেরও একটি শালীনতা আছে

মা-ছেলে, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র সম্পর্কগুলোর একটি। এই সম্পর্কে ভালোবাসা থাকবে, আদর থাকবে, আবেগ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। একটি সন্তানের সাফল্যে বাবার আনন্দে তাকে জড়িয়ে ধরা, কপালে চুমু দেওয়া কিংবা আবেগ প্রকাশ করা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়।

এখানে প্রশ্নটা ভালোবাসার নয়; প্রশ্নটা ভালোবাসা প্রকাশের বয়সোপযোগী ও সামাজিক শালীনতার। একটি শিশু যখন ছোট, তখন তাকে বুকে জড়িয়ে রাখা, পাশে শোয়ানো, আদর করা এসব তার নিরাপত্তাবোধ ও মানসিক বিকাশের স্বাভাবিক অংশ। কিন্তু সন্তান যখন কৈশোর পেরিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠে, তখন সম্পর্কের ভালোবাসা কমে যায় না; বরং ভালোবাসার প্রকাশের ভাষা বদলে যায়। সেখানেই আসে ব্যক্তিগত পরিসর, লজ্জাবোধ, শালীনতা এবং পারস্পরিক সীমারেখার বোধ।

আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কৃতিতেও বয়স বাড়ার সঙ্গে সন্তানের ব্যক্তিগত পরিসর ও শালীনতার বিষয়ে সচেতন হওয়ার শিক্ষা আছে। ইসলামে সন্তানদের নির্দিষ্ট বয়সে আলাদা শয্যার নির্দেশনার কথাও এসেছে। এর উদ্দেশ্য ভালোবাসা কমানো নয়; বরং শিশুর মধ্যে লজ্জাবোধ, ব্যক্তিসত্তা ও পারিবারিক শালীনতার বোধ তৈরি করা।

বাবা-মেয়ের পুরো ভিডিওটাতে খারাপ কিছুই নেই-যা আমরা দেখে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছি এসব AI ক্রিয়েট করা হতে পারে। তাই কোনো একটি ছবি বা ভিডিও দেখে তৎক্ষণাৎ কাউকে চরিত্রহীন, অশিক্ষিত কিংবা অসুস্থ মানসিকতার মানুষ বলে রায় দিয়ে দেওয়া যেমন অন্যায়, তেমনি ‘বাবা-মেয়ের ভালোবাসা’ এই একটি বাক্য দিয়ে বয়স, প্রেক্ষাপট ও সামাজিক শালীনতার প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাওয়াও প্রজ্ঞার পরিচয় নয়।

ভালোবাসা মানেই সীমাহীন স্পর্শ নয়।
ভালোবাসা কখনো কখনো দূরত্বের মধ্যেও গভীর হয়।

একজন বাবা তার প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে ভালোবাসবেন এতে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু সেই ভালোবাসার সঙ্গে যদি সম্মান, সংযম এবং ব্যক্তিগত সীমারেখার বোধ যুক্ত থাকে, তাহলে সম্পর্কটি আরও সুন্দর, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হয়।

আজকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে আরেকটি বিষয় আমাদের মনে রাখা জরুরি, ব্যক্তিগত আবেগকে প্রকাশ্যে প্রদর্শন করার আগে ভাবতে হয়, সেই প্রকাশ আমাদের সন্তান, পরিবার এবং সমাজের ওপর কী বার্তা দিচ্ছে। সব ব্যক্তিগত মুহূর্ত প্রকাশযোগ্য নয়। কিছু ভালোবাসা ক্যামেরার জন্য নয়, হৃদয়ের জন্য।

আমরা পশ্চিমা সংস্কৃতির ভালো দিক গ্রহণ করতে পারি, আধুনিক হতে পারি, সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারি; কিন্তু আধুনিকতা কখনোই আত্মপরিচয় বিসর্জনের নাম নয়। আমাদের ধর্ম, সংস্কৃতি, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক হওয়াটাই পরিণত চিন্তার পরিচয়।

সন্তানকে ভালোবাসুন-অঢেল ভালোবাসুন।
কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে তাকে একটি স্বতন্ত্র মানুষ হিসেবেও সম্মান করতে শিখুন। কারণ স্নেহের সৌন্দর্য শুধু কতটা কাছে গেলাম, সেখানে নয়; কোথায় থামতে জানলাম-সেখানেও।

ভালোবাসা যখন বিবেকের হাতে থাকে, তখন তা আশ্রয় হয়ে ওঠে। আর আবেগ যখন বিবেককে অতিক্রম করে যায়, তখন পবিত্র সম্পর্কও অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

তাই বিচার নয়, আগে প্রয়োজন বোধ।
নিন্দা নয়, প্রয়োজন সচেতনতা।
আর ভালোবাসার পাশাপাশি প্রয়োজন শালীনতার সেই নীরব সীমারেখা-যা সম্পর্ককে ছোট করে না, বরং মর্যাদা দেয়।

__শিখা আলী

ভারতকে গর্বিত করা বিশ্বখ্যাত মুসলিম ব্যক্তিত্বভারতের ইতিহাস, শিক্ষা, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানচর্চায় যে সকল গুণীজন অনন...
13/08/2026

ভারতকে গর্বিত করা বিশ্বখ্যাত মুসলিম ব্যক্তিত্ব
ভারতের ইতিহাস, শিক্ষা, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানচর্চায় যে সকল গুণীজন অনন্য অবদান রেখে দেশকে বিশ্বমঞ্চে সম্মানিত করেছেন, তাঁদের মধ্যে বিশিষ্ট কয়েকজন মুসলিম ব্যক্তিত্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিত্রে বর্ণিত এই ১২ জন প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্বের পরিচয় ও অবদান নিচে উপস্থাপন করা হলো:
​১. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ: স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'ভারতরত্ন' প্রাপ্ত।
​২. এপিজে আবদুল কালাম: ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি, বিশ্বখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী ও 'মিশাইলম্যান' হিসেবে পরিচিত, এবং 'ভারতরত্ন' ভূষিত।
​৩. ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খান: বিশ্ববিখ্যাত সানাই বাদক, সুরসাধক এবং 'ভারতরত্ন' সম্মাননায় ভূষিত।
​৪. ড. জাকির হোসেন: ভারতের ৩য় রাষ্ট্রপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং জাতীয় শিক্ষা কমিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
​৫. ড. ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ: ভারতের ৫ম রাষ্ট্রপতি এবং 'ভারতরত্ন' সম্মাননা প্রাপ্ত।
​৬. আজিম হাশিম প্রেমজি: বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও সফল শিল্পপতি, প্রখ্যাত আইটি প্রতিষ্ঠান 'উইপ্রো'-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং 'পদ্মভূষণ' প্রাপ্ত।
​৭. ওস্তাদ জাকির হোসেন: বিশ্বখ্যাত তবলা বাদক; তিনি পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
​৮. ড. ইউসুফ হামিদ: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রসায়ন বিজ্ঞানী, বায়ো কেমিক্যাল বিশেষজ্ঞ এবং 'পদ্মভূষণ' প্রাপ্ত।
​৯. ওস্তাদ আমজাদ আলি খান: প্রখ্যাত সরোদবাদক, শাস্ত্রীয় সংগীতজ্ঞ এবং 'পদ্মবিভূষণ' সম্মানে ভূষিত।
​১০. ফাতেমা বিবি: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি, যিনি দেশের বিচারব্যবস্থায় এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
​১১. জাভেদ আখতার: প্রখ্যাত কবি, সফল গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার; তিনি পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
​১২. হাকিম আজমল খান: বিখ্যাত ইউনানি চিকিৎসক, স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিবিদ; তিনি হামদর্দ মাদ্রাসা ও জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং জামিয়ার প্রথম চ্যান্সেলর।
​দেশ বিনির্মাণে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের মর্যাদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই মহান ব্যক্তিত্বদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আমার নাম "সিউমেংই  জিশিওয়াইশোশিউরেনইয়াইং"😂😂
08/08/2026

আমার নাম "সিউমেংই জিশিওয়াইশোশিউরেনইয়াইং"😂😂

সারাদিন ডিউটি শেষ করে বাসায় যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষায় দাড়িয়ে ছিলেন কুর্মিটোলা হাসপাতালের গেটে, হঠাৎ পরীস্থান নামের বাস ...
27/07/2026

সারাদিন ডিউটি শেষ করে বাসায় যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষায় দাড়িয়ে ছিলেন কুর্মিটোলা হাসপাতালের গেটে, হঠাৎ পরীস্থান নামের বাস এসে শরীরের উপরে উঠে গেলো। জুতা জোড়া পড়ে রইলো রাস্তায়, দেহ চলে গেলো ম'র্গে। হয়তো বাসায় সন্তান অপেক্ষায় রয়েছে বাবা আসবে, স্ত্রী অপেক্ষায় রয়েছে স্বামী আসবে, মা-বাবা আজীবন অপেক্ষায় থাকবে #ছেলে_আসবে।
#✒️পথ শিশু ফাউন্ডেশন

বাংলাদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী তনিমা তাসনিম বিশ্ববিজ্ঞানের অঙ্গনে আবারও দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। মার্কিন বিজ্ঞান সাময়িকী Sc...
27/07/2026

বাংলাদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী তনিমা তাসনিম বিশ্ববিজ্ঞানের অঙ্গনে আবারও দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। মার্কিন বিজ্ঞান সাময়িকী Scientific American তাদের "The Future of Science" বিশেষ সংখ্যায় ভবিষ্যতে যাঁদের গবেষণা পৃথিবী বদলে দিতে পারে, এমন ২৮ জন তরুণ বিজ্ঞানীর তালিকায় জায়গা দিয়েছে তাঁকে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের Wayne State University-তে শিক্ষকতা ও গবেষণা করছেন তনিমা। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল (অতিমহাকায় কৃষ্ণগহ্বর)। তিনি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন, বিগ ব্যাংয়ের পর কীভাবে এই বিশাল কৃষ্ণগহ্বরগুলো তৈরি হলো এবং কীভাবে তারা পুরো গ্যালাক্সির বিকাশকে প্রভাবিত করে।

প্রসঙ্গত, এটি তনিমার প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নয়। ২০২০ সালে তিনি Science News-এর "10 Scientists to Watch" তালিকায় স্থান পান। পাশাপাশি তাঁর গবেষণাপত্র The Astrophysical Journal-এর অন্যতম সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া গবেষণাপত্রের স্বীকৃতিও পেয়েছে।

ছোটবেলায় ঢাকার আকাশে লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে তারা দেখতে দেখতে যে মেয়েটি মহাকাশের স্বপ্ন দেখতেন, আজ তিনি বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় জ্যোতির্বিজ্ঞানী। শুধু গবেষণাই নয়, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্যও কাজ করছেন তিনি এবং ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীদের অনুপ্রাণিত করে চলেছেন। বিজ্ঞানপোকা পরিবার

২০২০ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং অঙ্গরাজ্যের ছয় বছর বয়সী ব্রিজার ওয়াকার বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে। ছোট বোনকে রক্ষা...
26/07/2026

২০২০ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং অঙ্গরাজ্যের ছয় বছর বয়সী ব্রিজার ওয়াকার বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে। ছোট বোনকে রক্ষা করতে ছুটে আসা একটি কুকুরের সামনে দাঁড়িয়ে যায় সে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, হা_লার সময় ব্রিজার কুকুরটি ও তার বোনের মাঝখানে নিজেকে ঢাল হিসেবে দাঁড় করায়। এতে তার বোন আ/ঘা/ত থেকে রক্ষা পেলেও ব্রিজারের মুখে গুরুতর জ/খ/ম হয়। পরে প্রায় দুই ঘণ্টার অ/স্ত্রো/প/চা/রে তার মুখে ৯০টির বেশি সেলাই দিতে হয়!

তবে আ/ঘা/তে/র চেয়েও মানুষের মন বেশি ছুঁয়ে যায় ব্রিজারের কাজের ব্যাখ্যা। তার পরিবার জানায়, ব্রিজারের মনে হয়েছিল, কাউকে আ/ঘা/ত পেতেই হলে তার ছোট বোনের বদলে সেই আ/ঘা/ত তারই পাওয়া উচিত।

সামাজিক মাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর লাখো মানুষ তার সাহসের প্রশংসা করেন। মার্ভেলের ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন অভিনেতাও তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

ক্যাপ্টেন আমেরিকার চরিত্রে অভিনয় করা ক্রিস ইভান্স ব্রিজারকে ব্যক্তিগত ভিডিও বার্তা পাঠান। পরে তাকে ক্যাপ্টেন আমেরিকার একটি আসল ঢালও উপহার দেন। মার্ভেলের আরও কয়েকজন অভিনেতা ব্রিজারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বার্তা পাঠান।

ব্রিজারের ঘটনা দ্রুতই সাহস ও নিঃস্বার্থতার বহুল আলোচিত উদাহরণ হয়ে ওঠে। তার কাজ প্রমাণ করে, বীরত্ব বয়স দিয়ে নির্ধারিত হয় না। সবচেয়ে প্রয়োজনের মুহূর্তে অন্যকে রক্ষা করার মানসিকতাই একজন মানুষকে সত্যিকারের বীর করে তোলে।

25/07/2026
কলেজের গেটের সামনে অভিভাবকদের ভিড়। সবাই দাঁড়িয়ে আছেন পরীক্ষা শেষ হওয়ার অপেক্ষায়।।।।। এর মাঝেই চোখে পড়ল এক ভদ্রলোককে। বয়স...
05/07/2026

কলেজের গেটের সামনে অভিভাবকদের ভিড়। সবাই দাঁড়িয়ে আছেন পরীক্ষা শেষ হওয়ার অপেক্ষায়।।।।। এর মাঝেই চোখে পড়ল এক ভদ্রলোককে। বয়স পঞ্চাশের আশেপাশে।।।। পরনে জিন্স আর একটি সাধারণ টি-শার্ট। এক হাতে একটি সবুজ, টাটকা ডাব এইমাত্র কেনা, গায়ে এখনো বিক্রেতার সাদা পলিথিন জড়ানো। অন্য হাতে একটি প্লাস্টিকের হাতপাখা।।।।

ডাবটা তিনি এমন যত্ন করে কখনো বুকের কাছে কখনো হাতে ধরে আছেন,,, যেন ছোটবেলার বাবারা আদরের সন্তানকে আগলে রাখেন।।।।

চারপাশে শত শত অভিভাবক।।। কেউ গল্প করছেন,,, কেউ মোবাইলে ব্যস্ত,,, কেউ রোদের মধ্যে ছাতা মাথায় দিয়ে পায়চারি করছেন। কিন্তু এই মানুষটা চুপচাপ। কাউকে কিছু বলছেন না। শুধু একদৃষ্টে কলেজের গেটের দিকে তাকিয়ে আছেন।।।।

ভেতরে তার মেয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। আজ হয়তো বাংলা পরীক্ষা। হয়তো বাবার কাছে এটাই সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। তাই মনে হয়েছে এতক্ষণ পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়া মেয়ের হাতে একটা ঠান্ডা ডাব তুলে না দিলে কী চলে????

বেলা বাড়ছে। রোদও তীব্র হচ্ছে। লোকটা একবার ডাবটা এক হাত থেকে আরেক হাতে নিলেন। তারপর আবার বুকের কাছে আগের মতোই ধরে রাখলেন।

হঠাৎ গেট খুলে গেল। দল বেঁধে মেয়েরা বের হতে শুরু করল। কেউ হাসছে,,, কেউ মুখ ভার করে হাঁটছে৷

ভদ্রলোক হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। গলা একটু লম্বা করলেন। চোখদুটো ব্যাকুল হয়ে ভিড়ের মধ্যে কাউকে খুঁজতে লাগল।।।। কয়েক মুহূর্ত পর একটি মেয়ে দৌড়ে এলো। বয়স সতেরো-আঠারো হবে। বাবাকে দেখেই ক্লান্ত মুখে ফুটে উঠল একটুখানি হাসি।।।।

বাবা কিছুই জিজ্ঞেস করলেন না।

পরীক্ষা কেমন হয়েছে????
কঠিন ছিল???
কয়টা প্রশ্ন লিখেছ???
একটাও না।।।

তিনি শুধু হাতে ধরা ডাবটা মেয়ের দিকে এগিয়ে দিলেন। মেয়েটি ডাবটা নিয়ে চুমুক দিল।

আর বাবা... শুধু তাকিয়ে রইলেন।
এই দৃশ্যের কোনো ভাষা হয় না।
না বাংলায়, না ইংরেজিতে।

পৃথিবীর কোনো অভিধানেই এখনো এমন কোনো শব্দ তৈরি হয়নি, যা এই এক মুহূর্তের অনুভূতিটাকে পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারে।

আমরা বড় হতে হতে বাবার এই নীরব ভাষাটা পড়তে ভুলে যাই। কিন্তু বাবারা কখনো ভুলে যান না কীভাবে সন্তানের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে হয়, শব্দ ছাড়াই।
©️

Address

Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to পেটুক বাঙালির পেটশান্তির রেসিপি:

Shortcuts

Share