Dietician Surahia Naznin Tuli

Dietician Surahia Naznin Tuli Clinical Dietician and Nutritionist
B.Sc(Hons),M.Sc(Food & Nutrition)
Dhaka University. Certified Training on BIRDEM Hospital. chamber - Unity Aid Hospital LD.

Obesity&all kind of disease diet specialist . South Banasree.Dhaka
serial number -01997421112

গ্রিন চা (Green Tea)  : একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়, যা Camellia sinensis উদ্ভিদের পাতা থেকে তৈরি হয়। এতে ক্যাটেচিন (বিশেষ ...
28/07/2026

গ্রিন চা (Green Tea) :

একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়, যা Camellia sinensis উদ্ভিদের পাতা থেকে তৈরি হয়। এতে ক্যাটেচিন (বিশেষ করে EGCG), এল-থিয়ানিন এবং অল্প পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে, যা বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারে ভূমিকা রাখতে পারে।

গ্রিন চায়ের উপকারিতা:

শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, তবে এর প্রভাব সাধারণত সীমিত এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সঙ্গে মিলিয়ে বেশি কার্যকর।
হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
মনোযোগ ও মানসিক সতর্কতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
রক্তে কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সামান্য ইতিবাচক প্রভাব থাকতে পারে।

কখন খাবেন?

সকালে বা বিকেলে।
খাবারের ১–২ ঘণ্টা পরে পান করা ভালো, কারণ খাবারের সঙ্গে খেলে আয়রন শোষণে কিছুটা বাধা দিতে পারে।

কতটুকু খাবেন?

দিনে ২–৩ কাপ চিনি ছাড়া গ্রিন চা সাধারণত বেশিরভাগ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য যথেষ্ট।

** সতর্কতা:

অতিরিক্ত পান করলে অনিদ্রা, অস্থিরতা বা বুক ধড়ফড় করতে পারে (ক্যাফেইনের কারণে)।
গর্ভবতী, স্তন্যদানকারী মা, রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) আছে এমন ব্যক্তি বা যারা কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ খান, তাদের নিয়মিত বেশি পরিমাণে গ্রিন চা পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

# # চা, ক্যাফেইন জাতীয় খাদ্য বিকেলের মধ্যেই গ্ৰহণের চেষ্টা করবেন

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা।

30/06/2026

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কে কি খান?

আপেল সাইডার ভিনেগার কোনো জাদুকরী পানীয় নয়। এর কিছু সুনির্দিষ্ট ক্লিনিক্যাল বেনিফিট যেমন আছে, তেমনি কিছু মারাত্মক স্বাস্থ...
30/06/2026

আপেল সাইডার ভিনেগার কোনো জাদুকরী পানীয় নয়। এর কিছু সুনির্দিষ্ট ক্লিনিক্যাল বেনিফিট যেমন আছে, তেমনি কিছু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে। চলুন চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে এর আদ্যোপান্ত জেনে নেওয়া যাক।

মেটাবলিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে যে কয়েকটি অর্গানিক উপাদান বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণিত, তার মধ্যে আপেল সাইডার ভিনেগার (ACV) অন্যতম শীর্ষস্থানীয়।

🔰🔰আপেল সাইডার ভিনেগার (ACV) আসলে কী?

আপেল সাইডার ভিনেগার মূলত আপেলের রসে ইস্ট (Yeast) এবং ব্যাকটেরিয়া মিশিয়ে ফারমেন্টেশন বা গাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় আপেলের শর্করা প্রথমে অ্যালকোহলে এবং পরে অ্যাসিটিক অ্যাসিডে (CH3COOH) রূপান্তরিত হয়। এই অ্যাসিটিক অ্যাসিডই মূলত ভিনেগারের মূল কার্যকরী উপাদান।

সবচেয়ে ভালো মানের ভিনেগার হলো "র' এবং আনফিল্টারড" (Raw and Unfiltered) ভিনেগার, যার নিচে ঘোলাটে একটি আস্তরণ থাকে। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় "মাদার" (The Mother)। এই মাদারে থাকে প্রচুর পরিমাণে উপকারী প্রোবায়োটিক (উপকারী ব্যাকটেরিয়া), এনজাইম এবং প্রোটিন যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের (Gut Health) জন্য দারুণ উপকারী।

🔰🔰 কাদের আপেল সাইডার ভিনেগার খাওয়া উচিত?

যারা প্রাকৃতিকভাবে মেটাবলিজম ঠিক রাখতে চান বা নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন, তাদের জন্য ACV চমৎকার কাজ করে:

✔️ ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং প্রি-ডায়াবেটিক রোগী:
গবেষণায় দেখা গেছে, শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়ার পর আপেল সাইডার ভিনেগার পোস্টপ্রান্ডিয়াল গ্লাইসেমিয়া (খাবারের পর রক্তে শর্করার আকস্মিক বৃদ্ধি) কমাতে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়, ফলে মেটাবলিক সিনড্রোম নিয়ন্ত্রণে এটি দারুণ কার্যকরী।

✔️ ওজন নিয়ন্ত্রণে আগ্রহীরা:
অ্যাসিটিক অ্যাসিড আমাদের পরিপাকতন্ত্রে গ্যাস্ট্রিক এম্পটিং (পাকস্থলী থেকে খাবার অন্ত্রে যাওয়ার প্রক্রিয়া) ধীর করে দেয়। ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকার অনুভূতি হয় (Satiety) এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

✔️ হাইপোক্লোরহাইড্রিয়া (Hypochlorhydria) বা লো-স্টমাক অ্যাসিডের রোগী:
অনেকের পাকস্থলীতে প্রাকৃতিকভাবেই অ্যাসিডের পরিমাণ কম থাকে, ফলে প্রোটিন ঠিকমতো হজম হয় না এবং বদহজম হয়। খাওয়ার আগে পাতলা করা ACV খেলে পাকস্থলীর অ্যাসিডিক পরিবেশ উন্নত হয় এবং হজমপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

পিসিওএস (PCOS) আক্রান্ত নারী:
পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের মূল কারণগুলোর একটি হলো ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। যেহেতু ACV ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়, তাই এটি পরোক্ষভাবে হরমোনাল ব্যালেন্স ফেরাতে সাহায্য করে।

🔰🔰কাদের আপেল সাইডার ভিনেগার ভুলেও খাওয়া উচিত নয়?

কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় আপেল সাইডার ভিনেগার মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে:

✔️ পেপটিক আলসার ডিজিজ (PUD) ও তীব্র গ্যাস্ট্রিকের রোগী:
যাদের পাকস্থলী বা অন্ত্রে আলসার আছে, অথবা ইসোফ্যাগাসে (খাদ্যনালী) প্রদাহ বা GERD আছে, তাদের জন্য এটি বিষের সমতুল্য। অ্যাসিটিক অ্যাসিড আলসারের ক্ষত বা মিউকোসাল লাইনিংকে (পাকস্থলীর ভেতরের আবরণ) আরও পুড়িয়ে দিতে পারে।

✔️ ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) বা কিডনি ফেইলিউরের রোগী:
কিডনির অন্যতম কাজ হলো শরীরের অ্যাসিড-বেইজ ভারসাম্য (Acid-base balance) রক্ষা করা। কিডনি রোগীরা অতিরিক্ত অ্যাসিডিক খাবার শরীর থেকে বের করতে পারেন না। ফলে ACV খেলে রক্তে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

✔️ হাইপোক্যালেমিয়া (Hypokalemia) বা রক্তে পটাশিয়ামের ঘাটতি যাদের আছে:
অতিরিক্ত আপেল সাইডার ভিনেগার রক্ত থেকে পটাশিয়াম বের করে দেয়। পটাশিয়াম কমে গেলে হৃদস্পন্দনে অস্বাভাবিকতা (Arrhythmia) এবং পেশিতে টান লাগার মতো মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।

✔️ ডায়াবেটিক গ্যাস্ট্রোপেরেসিস (Diabetic Gastroparesis) রোগী:
দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকলে অনেকের পাকস্থলীর নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যায়, ফলে খাবার এমনিতেই দেরিতে হজম হয়। যেহেতু ACV গ্যাস্ট্রিক এম্পটিং আরও ধীর করে দেয়, তাই এই রোগীদের ক্ষেত্রে এটি বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা এবং বুক জ্বালাপোড়া বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

✔️ যারা নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ সেবন করছেন:
যারা ডাইউরেটিকস (প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ যেমন: Furosemide) বা ইনসুলিন নিচ্ছেন, তারা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ACV খাবেন না। কারণ ঔষধ এবং ভিনেগার একসঙ্গে রক্তে পটাশিয়াম বা সুগার বিপজ্জনক মাত্রায় কমিয়ে দিতে পারে।

🔰🔰খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা

আপেল সাইডার ভিনেগার কখনোই সরাসরি বা কাঁচা খাওয়া যাবে না। এর উচ্চমাত্রার অ্যাসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে দিতে পারে এবং খাদ্যনালীতে পুড়ে যাওয়ার মতো ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে।

সঠিক পদ্ধতি:
✔️ ১ গ্লাস (২৫০-৩০০ মিলি) কুসুম গরম বা সাধারণ তাপমাত্রার পানিতে ১-২ চা চামচ (সর্বোচ্চ ১ টেবিল চামচ) আনফিল্টারড ACV মেশান।
✔️ দাঁতের সংস্পর্শ এড়াতে অবশ্যই স্ট্র (Straw) ব্যবহার করে পান করবেন।
✔️ খাওয়ার পরপরই সাধারণ পানি দিয়ে কুলকুচি করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ব্রাশ করবেন না, কারণ অ্যাসিডের কারণে এনামেল নরম থাকে, তখন ব্রাশ করলে দাঁত ক্ষয় হতে পারে।
✔️ সেরা ফলাফলের জন্য ভারী খাবার খাওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে পান করুন।

আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন এবং পোস্টটি সবাই শেয়ার করে দিবেন যেন অন্যরা উপকৃত হতে পারে।

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

রাতে ভাত খেলে কি আসলেই ওজন বাড়ে?আমাদের মধ্যে খুব সাধারণ একটি ধারণা প্রচলিত আছে— "ওজন কমাতে চাইলে রাতে ভাত খাওয়া একদম বন্...
23/05/2026

রাতে ভাত খেলে কি আসলেই ওজন বাড়ে?

আমাদের মধ্যে খুব সাধারণ একটি ধারণা প্রচলিত আছে— "ওজন কমাতে চাইলে রাতে ভাত খাওয়া একদম বন্ধ করে দিতে হবে।" কিন্তু একজন পুষ্টিবিদ হিসেবে আমি বলি, কোনো নির্দিষ্ট খাবার একা কখনো আপনার ওজন বাড়ায় না!

ভাত কোনো সমস্যা নয়, আসল সমস্যা হলো আমাদের খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার ভারসাম্যহীনতা (Imbalance)।

ওজন বাড়ে মূলত দুটি কারণে:

১. ক্যালরির ভারসাম্যহীনতা: আপনার শরীরে সারাদিনে যতটুকু ক্যালরি প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করলে।
২. শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: পর্যাপ্ত পরিমাণে Physical Activity বা হাঁটাচলা না করা।
তাই রাতে পরিমিত পরিমাণে ভাত খেয়েও সুস্থ থাকা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা পুরোপুরি সম্ভব।

Late Night Overeating Avoid করুন: রাতে ঘুমানোর ঠিক আগমুহূর্তে বা মাঝরাতে অতিরিক্ত খাবার (যেমন: স্ন্যাক্স, মিষ্টি বা ফাস্টফুড) খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার চেষ্টা করুন।

খাবার বাদ দেওয়া কোনো সমাধান নয়, বরং সঠিক পরিমাণে সঠিক খাবার বাছাই করাই হলো সুস্থতার চাবিকাঠি।কোন বেলার খাবার skip করা ঠিক নয়।আপনার রাতের খাবারের প্লেটটি কেমন থাকে? কমেন্ট করে আমাকে জানাতে পারেন।

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস কি আপনার শরীরকে নীরবে ক্ষতি করছে?অনেকেই ব্যস্ততার কারণে রাত ১০টার পর খাবার খান। কিন্তু জানেন ক...
23/05/2026

রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস কি আপনার শরীরকে নীরবে ক্ষতি করছে?
অনেকেই ব্যস্ততার কারণে রাত ১০টার পর খাবার খান। কিন্তু জানেন কি? এই ছোট্ট অভ্যাসই ধীরে ধীরে আপনার লিভারের বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে!

🌙 রাত জাগা + দেরিতে খাওয়া = লিভারের জন্য বিপদের সংকেত
আমাদের শরীরের হজম প্রক্রিয়া রাতে অনেক ধীর হয়ে যায়। ফলে রাত করে খাবার খেলে খাবার ঠিকভাবে হজম হতে পারে না এবং শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে তৈরি হতে পারে Fatty Liver, ওজন বৃদ্ধি, এমনকি ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও।

✅ রাত ১০টার পর খাবারের অভ্যাস থাকলে সতর্ক হওয়া জরুরি
✅ ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়
✅ রাতে শরীরের পরিপাক ক্ষমতা কমে যায়
✅ ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে শরীরে সমস্যা তৈরি হয়
✅ অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে চর্বি হিসেবে জমা হয়
✅ লিভারের কোষ ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে
✅ অতিরিক্ত ওজন ও ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা তৈরি হয়

💡 কেন রাতে দেরিতে খাওয়া ক্ষতিকর?
রাতে শরীর বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকে। তখন বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেলে শরীর তা শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে না। ফলাফল হিসেবে সেই অতিরিক্ত ক্যালোরি চর্বি হয়ে লিভার ও শরীরের বিভিন্ন অংশে জমে যায়। এভাবেই শুরু হয় Fatty Liver-এর মতো নীরব সমস্যা।

🛡️ নিজেকে সুস্থ রাখতে যা করবেন:

✔️ রাত ৮টা–৯টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন
✔️ ঘুমানোর অন্তত ২–৩ ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে নিন
✔️ তৈলাক্ত ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার বাদ দিন।
✔️ প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✔️ নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করুন
✔️ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✔️ পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

⚠️ সতর্কবার্তা:
যদি প্রায়ই গ্যাস, অম্বল, পেট ভার লাগা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

📌 স্বাস্থ্য সচেতন থাকতে আমাদের পেজটি Follow করুন
👍 পোস্টটি ভালো লাগলে Like দিন
💬 আপনার মতামত Comment করে জানান
🔄 পরিবার ও বন্ধুদের সচেতন করতে পোস্টটি Share করুন।

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

20/05/2026

🟢ভালো ভবিষ্যতের আশায় বাড়ি ছেড়ে বাইরে
পড়াশোনা করতে এসে অনেক শিক্ষার্থীর জীবন বদলে যায় ঠিকই,

কিন্তু এই বদলের ভিড়ে চুপচাপ ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি—লিভার।

অনিয়মিত খাবার, সকালে নাস্তা বাদ দেওয়া, দিনের পর দিন ফাস্টফুড ও কোমল পানীয় খাওয়া, রাত জেগে থাকা, কম পানি পান করা আর অতিরিক্ত মানসিক চাপ ধীরে ধীরে লিভারের উপর ভয়ংকর প্রভাব ফেলে!

শুরুতে হয়তো শুধু ক্লান্তি, অরুচি বা হজমের সমস্যা দেখা দেয়, কিন্তু একসময় এগুলো ফ্যাটি লিভারসহ বড় জটিলতায় রূপ নিতে পারে। স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে নিজের শরীরটাকেও যত্ন নেওয়া জরুরি, কারণ সুস্থতা হারিয়ে গেলে ভবিষ্যতের সফলতাও একসময় অর্থহীন হয়ে যায়।

পরিচিত / আপনজনকে মেনশন দিয়ে সতর্ক করুন। জাযাকাল্লাহ খাইরন।

20/05/2026

রক্তের রিপোর্টে Serum Creatinine স্বাভাবিক থাকার পরেও যদি eGFR অনেক কমে যায়, তবে সেটি একটি বড় চিন্তার বিষয়। ল্যাবরেটরি বিজ্ঞানের আধুনিক ডায়াগনোসিসে আমরা প্রায়ই এমন রোগী দেখি, যারা ক্রিয়েটিনিন নরমাল দেখে ভাবেন কিডনি একদম সুস্থ, কিন্তু eGFR এর দিকে তাকালে দেখা যায় কিডনির কার্যক্ষমতা অলরেডি কমে গেছে। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় কিডনি রোগের প্রাথমিক বা সুপ্ত ধাপ বলা যেতে পারে।

আজ আপনাদের জানাবো ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক থাকার পরেও কেন eGFR কমে যায়, এর পেছনের প্রকৃত মেকানিজম এবং এই eGFR এর মান বাড়াতে আপনার করণীয় কী।

ক্রিয়েটিনিন নরমাল কিন্তু eGFR কম কেন?
eGFR-এর পূর্ণ রূপ হলো Estimated Glomerular Filtration Rate। সহজ কথায়, আপনার কিডনি প্রতি মিনিটে ঠিক কত মিলিলিটার রক্ত ছেঁকে পরিষ্কার করতে পারছে, এটি হলো তার পরিমাপ।

👉 আসল মেকানিজম: ক্রিয়েটিনিন হলো আমাদের মাংসপেশি থেকে তৈরি হওয়া একটি বর্জ্য। ল্যাবরেটরিতে আমরা যখন eGFR হিসাব করি, তখন শুধু ক্রিয়েটিনিনের মান দেখা হয় না; এর সাথে রোগীর বয়স, লিঙ্গ, ওজন এবং জাতিগত বৈশিষ্ট্য একটি গাণিতিক সূত্রে বসিয়ে হিসাব করা হয়।

১. মাসল মাস বা পেশির পরিমাণ কম হওয়া: ক্রিয়েটিনিন যেহেতু পেশি থেকে আসে, তাই কোনো ব্যক্তি যদি বয়স্ক হন, শারীরিকভাবে অনেক চিকন হন বা নারীদের ক্ষেত্রে (যাদের মাংসপেশি পুরুষদের চেয়ে কম), তাদের শরীরে ক্রিয়েটিনিন এমনিতেই কম তৈরি হয়। এর ফলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা স্বাভাবিক (যেমন- 0.8 বা 0.9 mg/dL) দেখাতে পারে।
২. কিডনির ব্লাইন্ড রেঞ্জ (Blind Range): কিডনি বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় সত্য হলো, কিডনি তার কার্যক্ষমতার প্রায় ৫০% না হারানো পর্যন্ত রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা সহজে বাড়ে না। কিন্তু eGFR সূত্রটি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় কিডনির সামান্যতম ক্ষতিও (Early Stage Kidney Damage) এটি দ্রুত ধরে ফেলে। তাই ক্রিয়েটিনিন নরমাল থাকলেও eGFR কমে ৬০ বা তার নিচে নেমে যেতে পারে।

eGFR বাড়াতে বা কিডনি সচল রাখতে করণীয় কী?
যদি ল্যাব রিপোর্টে eGFR কমে যেতে দেখেন, তবে দ্রুত সচেতন হলে কিডনিকে পুনরায় সুস্থ বা স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এর জন্য নিচের গাইডলাইনগুলো মেনে চলতে হবে:

👉 ১. পর্যাপ্ত ও সঠিক পরিমাণে পানি পান:
শরীরে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন হলে eGFR সাময়িকভাবে অনেক কমে যায়। তাই প্রতিদিন শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী (সাধারণত আড়াই থেকে তিন লিটার) পানি পান করতে হবে যাতে কিডনি সহজে রক্ত ছাঁকতে পারে। (তবে কিডনি রোগ তীব্র হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি মেপে খেতে হবে)।

👉 ২. ব্লাড প্রেসার ও ডায়াবেটিস কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখা:
উচ্চ রক্তচাপ এবং হাই সুগার হলো কিডনির ফিল্টার বা গ্লোমেরুলাসের প্রধান শত্রু। প্রেসার সবসময় ১২০/৮০ এর আশেপাশে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখলে কিডনির ওপর চাপ কমে এবং eGFR উন্নত হয়।

👉 ৩. ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs) সম্পূর্ণ বর্জন:
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যত্রতত্র পেইন কিলার বা ব্যথানাশক ট্যাবলেট (যেমন- ডাইক্লোফেনাক, নেপ্রোক্সেন, কিটোরোলাক) খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। এই ওষুধগুলো কিডনির রক্তপ্রবাহ কমিয়ে মুহূর্তের মধ্যে eGFR মারাত্মক কমিয়ে দেয়।

👉 ৪. খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন:
খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বন্ধ করতে হবে, কারণ লবণ রক্তচাপ বাড়ায় এবং কিডনিকে দুর্বল করে। একই সাথে অতিরিক্ত প্রোটিন বা লাল মাংস (Red Meat) খাওয়া কমাতে হবে, যা কিডনির ফিল্টারিং লাইনের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

ল্যাবরেটরিতে কোন বিষয়গুলো খেয়াল করবেন?
eGFR এর প্রকৃত অবস্থা এবং কিডনির সুপ্ত ক্ষতি নিশ্চিত হতে ল্যাবরেটরিতে নিচের টেস্টগুলো করা জরুরি:

eGFR with Cystatin C: ক্রিয়েটিনিনের ভুলের ঊর্ধ্বে গিয়ে কিডনির শতভাগ সঠিক ফিল্টারিং রেট জানতে এই আধুনিক টেস্টটি করা উচিত।

Urine ACR (Albumin-to-Creatinine Ratio): কিডনির ফিল্টার ফুটো হয়ে প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন বা অ্যালবুমিন যাচ্ছে কি না তা দেখার জন্য।

প্রফেশনাল পরামর্শ:
আমি যখন ল্যাবরেটরিতে আপনাদের রিপোর্টগুলো বিশ্লেষণ করি, তখন অনেক রোগীকে দেখি যারা শুধু ক্রিয়েটিনিন নরমাল দেখে নিশ্চিন্তে বসে থাকেন। এটি ভুল। সবসময় রিপোর্টের নিচে থাকা eGFR এর মানটি খেয়াল করবেন। যদি eGFR এর মান ৬০ এর নিচে নেমে যায়, তবে দেরি না করে একজন নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। প্রাথমিক ধাপে লাইফস্টাইল পরিবর্তন এবং সঠিক যত্নের মাধ্যমে কিডনির কার্যক্ষমতা আবার বৃদ্ধি করা বা অন্তত ড্যামেজ হওয়া থেকে বাঁচানো পুরোপুরি সম্ভব।

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

18/05/2026
21/04/2026

ভাতের সাথে আলগা লবন খাবেন না।

মহিলাদের হাড়ের ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা, বিশেষ করে বয়স বাড়ার সাথ...
18/04/2026

মহিলাদের হাড়ের ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা, বিশেষ করে বয়স বাড়ার সাথে সাথে এর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

🍒​হাড় ক্ষয়ের প্রধান কারণসমূহ

🚫​মহিলাদের হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়ার বা হাড় ক্ষয়ের পেছনে বেশ কিছু মূল কারণ রয়েছে:

✅​ইস্ট্রোজেন হরমোনের অভাব (মেনোপজ): এটি মহিলাদের ক্ষেত্রে হাড় ক্ষয়ের সবচেয়ে বড় কারণ। মেনোপজ বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পর শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা দ্রুত কমে যায়, যা হাড়ের ঘনত্ব দ্রুত কমিয়ে দেয়।

✅​বয়স: বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে হাড়ের নতুন কোষ গঠনের ক্ষমতা কমে যায় এবং হাড় প্রাকৃতিকভাবেই দুর্বল হতে থাকে।

✅​ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি: হাড় গঠনের প্রধান উপাদান হলো ক্যালসিয়াম, আর ভিটামিন-ডি এই ক্যালসিয়াম শরীর দ্বারা শোষণে সাহায্য করে। দীর্ঘমেয়াদী এই উপাদানগুলোর অভাব হাড়কে ভঙ্গুর করে তোলে।

✅​শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটাচলার অভাব হাড়কে দুর্বল করে দেয়।

✅​বংশগতি: পরিবারের কারো (মা বা বোন) হাড় ক্ষয়ের সমস্যা থাকলে ঝুঁকি বেড়ে যায়।

✅​কিছু শারীরিক অবস্থা ও ওষুধ: থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, এবং দীর্ঘমেয়াদে কর্টিকোস্টেরয়েড জাতীয় ওষুধের ব্যবহার হাড় ক্ষয়ের কারণ হতে পারে।

✅​জীবনধারা: অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান এবং ফাস্ট ফুড বা সোডা জাতীয় পানীয় অতিরিক্ত গ্রহণের অভ্যাস হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

🚫​প্রতিরোধের উপায়

​হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সচেতনতা এবং সঠিক জীবনযাপনই সবচেয়ে কার্যকরী উপায়:

✅​১. সুষম ও ক্যালসিয়ামযুক্ত খাদ্য:
​প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। যেমন—দুধ, দই, পনির, ছোট মাছ (কাঁটাসহ), এবং সবুজ শাকসবজি (যেমন—পালং শাক)।
​প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন।

✅​২. ভিটামিন-ডি এর উৎস:
​সূর্যালোক ভিটামিন-ডি এর অন্যতম উৎস। প্রতিদিন সকালে বা বিকেলের রোদে অন্তত ১৫-২০ মিনিট কাটানোর চেষ্টা করুন।
​মাছ, ডিমের কুসুম এবং ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।

✅​৩. নিয়মিত শরীরচর্চা ও ব্যায়াম:
​ওজন বহনকারী ব্যায়াম (Weight-bearing exercise) হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। নিয়মিত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করা, হালকা দৌড়ানো বা যোগব্যায়াম করুন।

✅​৪. ক্ষতিকর অভ্যাস বর্জন:
​ধূমপান ও মদ্যপান থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন।
​অতিরিক্ত ক্যাফেইন (চা, কফি) এবং সোডা জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলুন।

✅​৫. নিয়মিত চেকআপ:
​৫০ বছর বা তার বেশি বয়সী নারীদের নিয়মিত হাড়ের ঘনত্ব বা বোন মিনারেল ডেনসিটি (BMD) পরীক্ষা করানো উচিত। হাড়ের কোনো ব্যথা বা অস্বাভাবিকতা অনুভূত হলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

✅​৬. পড়ে যাওয়া প্রতিরোধ:
​বয়স্কদের ক্ষেত্রে পড়ে গিয়ে হাড় ভাঙার ঝুঁকি থাকে। তাই ঘরের পরিবেশ নিরাপদ রাখা (যেমন—পিচ্ছিল মেঝে এড়িয়ে চলা, ভালো জুতো পরা) জরুরি।
​আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো শারীরিক সমস্যা বা হাড়ের ব্যথা অনুভূত হয়, তবে অবহেলা না করে একজন বাত বা হাড় বিশেষজ্ঞের (অর্থোপেডিক বা রিউমাটোলজিস্ট) পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

কারো উপকারে আসলে অবশ্য ই শেয়ার করে রেখে দিবেন যাতে সবাই বোঝতে পারে সমস্যা কোথায়।

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

Address

People's Hospital Ltd. 5-B Malibag Chowdurey Para, , Unity Aid Hospital Ltd. , West Banasree. Dhaka
Dhaka
1219

Telephone

+8801711971503

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dietician Surahia Naznin Tuli posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dietician Surahia Naznin Tuli:

Shortcuts

Share