Ruqya hijama bd

  • Home
  • Ruqya hijama bd
Call Contact the business

Ruqya hijama bd Mufti Masud Belal

সুন্নাহ চিকিৎসা দেই ও প্রচার করি।
এবং নিজ হাতে মানুষের বিভন্ন সমসার জন্য আয়ুর্বেদী ঔষধ তৈরী করি।

10/10/2026

সব সংকট পেরিয়ে আল্লাহর রহমত: সুরা সোদের আলো 💧✨
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা হযরত আইয়ুব (আ.)-এর অসীম ধৈর্য এবং তাঁর ওপর আসা কঠিন পরীক্ষার কথা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। দীর্ঘ রোগভোগ ও বিপদের পর যখন তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানালেন, তখন রাব্বুল আলামিন তাঁর প্রার্থনা কবুল করলেন এবং অলৌকিক উপায়ে তাঁকে নিরাময় দান করলেন।
পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:

আর স্মরণ করুন, আমার বান্দা আইয়ুবের কথা, যখন সে তার প্রতিপালককে ডেকে বলেছিল— 'শয়তান আমাকে কষ্ট ও যন্ত্রণায় ফেলে দিয়েছে।' (তাকে বলা হলো) 'তুমি তোমার পা দিয়ে মাটিতে আঘাত কর; এই তো গোসলের সুশীতল পানি ও পানীয়।' এবং আমি তাকে দান করলাম তার পরিবার-পরিজন এবং তাদের সাথে তাদের সমপরিমাণ, আমার পক্ষ থেকে রহমত হিসেবে এবং বুদ্ধিমানদের জন্য উপদেশস্বরূপ।"
(সুরা সোদ, আয়াত: ৪১-৪৩)

🌿 ঠান্ডা পানির গোসল ও পান করার ফজিলত ও শিক্ষা:
১. বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ আরোগ্য: তাফসিরবিদদের মতে, হযরত আইয়ুব (আ.) আল্লাহর হুকুমে মাটিতে পা দিয়ে আঘাত করার পর যে ঝরনা প্রবাহিত হয়েছিল, তার শীতল পানি দিয়ে গোসল করার ফলে তাঁর শরীরের বাহ্যিক রোগ (চর্মরোগ বা শারীরিক কষ্ট) দূর হয়ে গিয়েছিল এবং সেই পানি পান করার ফলে তাঁর অভ্যন্তরীণ সমস্ত রোগ ও কষ্ট নিরাময় হয়েছিল।
২. আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা ও ধৈর্যের ফল: হযরত আইয়ুব (আ.) দীর্ঘ বছর ধরে চরম অসুস্থতা ও কষ্টের মধ্যে থেকেও বিন্দু পরিমাণ নিরাশ হননি; বরং তিনি পরম ধৈর্য ধারণ করেছিলেন। তাঁর এই সবুরের প্রতিদানস্বরূপ আল্লাহ তাআলা বাহ্যিক মাধ্যম হিসেবে ঠাণ্ডা পানির ঝরনাকে উসিলা বানিয়ে তাঁকে পূর্ণ সুস্থতা ও আগের চেয়েও বেশি বরকত দান করেন।
৩. প্রাকৃতিক নিরাময় ও রহমত: আধুনিক বিজ্ঞানও ঠান্ডা পানির থেরাপি বা হাইড্রোথেরাপির উপকারিতা স্বীকার করে, যা শরীরকে চাঙ্গা করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তবে মূল শিক্ষাটি হলো— উসিলা মাধ্যম মাত্র, আসল শেফা বা নিরাময় একমাত্র মহান আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।
✨ শিক্ষা: মানুষের জীবনে যত বড় কঠিন পরীক্ষাই আসুক না কেন, মুমিন কখনো নিরাশ হয় না। বিপদে ধৈর্য ধরে আল্লাহর দিকে ফিরে গেলে এবং তাঁর ওপর ভরসা রাখলে তিনি বান্দার সকল দুঃখ-কষ্ট দূর করে রহমতের দুয়ার খুলে দেন।
আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল! 🤍
(পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে অন্যদেরও কোরআনের এই চমৎকার ইতিহাস ও শিক্ষা জানার সুযোগ করে দিতে পারেন।)

07/10/2026

ইসলামিক রিফ্লেক্সোলজি বা রুকইয়াহ্‌ শাস্ত্রের দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচ্ছেদ বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করার উদ্দেশ্যে করা জাদুকে 'সিহরে তাফরিক' (سحر تفريق) বলা হয়। পবিত্র কুরআনেও সুরা আল-বাক্বারার ১০২ নম্বর আয়াতে এই জাদুর উল্লেখ রয়েছে।
কারো ওপর বিচ্ছেদের জাদু করা হলে বেশ কিছু আত্মিক, মানসিক ও শারীরিক আলামত বা লক্ষণ দেখা যেতে পারে:
১. মানসিক ও আচরণের পরিবর্তন
হঠাৎ মেজাজ পরিবর্তন: স্বাভাবিক অবস্থা থেকে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই হুট করে তীব্র রাগ, বিরক্তি বা হিংস্র আচরণ শুরু হওয়া।
বিপরীত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তীব্র অস্বস্তি: সঙ্গী বা স্বামী/স্ত্রী সামনে এলেই মানসিক অশান্তি লাগা, কিন্তু সে দূরে থাকলে স্বাভাবিক থাকা বা তার প্রতি টান অনুভব করা।
ছোট বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ঝগড়া: খুব তুচ্ছ কোনো কথা বা কাজের জন্য অতিরিক্ত রিয়্যাক্ট করা এবং বিষয়টিকে তালাক বা সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যাওয়া।
ক্ষমাশীলতার অভাব: সঙ্গীর স্বাভাবিক কোনো ভুল বা ত্রুটি কোনোভাবেই সহ্য করতে না পারা।
২. দৃষ্টি ও চেহারার বিকৃতি (মানসিক অনুভূতি)
সঙ্গীকে কুৎসিত বা অপছন্দনীয় মনে হওয়া: জাদুর প্রভাবে অনেক সময় সঙ্গীর চেহারা ভীষণ বিশ্রী, বিরক্তিকর বা ভীতিপ্রদ বলে মনে হয়।
সঙ্গীর স্পর্শ বা মেলামেশায় তীব্র অনিহা: দাম্পত্য বা শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তীব্র ঘৃণা বা অনীহা সৃষ্টি হওয়া।
৩. শারীরিক ও আধ্যাত্মিক আলামত
কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া শারীরিক অসুস্থতা: চিকিৎসায় কোনো বড় সমস্যা ধরা না পড়লেও হঠাৎ বুক ধড়ফড় করা, মাথায় অতিরিক্ত জটলা বা ভারী বোধ হওয়া, অথবা কাঁধে ও পিঠে অস্বাভাবিক ভার অনুভূত হওয়া।
ইবাদতে বাধা সৃষ্টি: সালাত (নামাজ), কুরআন তিলওয়াত বা জিকির-আজকারের সময় তীব্র অলসতা, ঘুমাচ্ছন্নতা বা বিরক্তি লাগা।
কুরআন শুনলে প্রতিক্রিয়া: রুকইয়াহ্‌ বা কুরআনের আয়াত (বিশেষ করে সুরা বাক্বারা, সুরা ফালাক্ব ও সুরা নাস) শুনলে বা তিলওয়াত করলে মাথা ঘোরা, শরীর কাঁপা, বুক ধড়ফড় করা বা কান্নার বেগ আসা।
৪. স্বপ্নে আলামত দেখা
স্বপ্নে বারবার সাপ, কুকুর, বিচ্ছুর মতো হিংস্র প্রাণী দেখা।
নিজেকে বারবার কোনো অন্ধকার স্থানে আটকে থাকতে দেখা বা ওপর থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা।
স্বপ্নে নিজেকে বা সঙ্গীকে একে অপরের থেকে দূরে সরে যেতে বা বিচ্ছেদ হতে দেখা।
প্রতিকার ও প্রাথমিক পরামর্শ
যদি এ জাতীয় লক্ষণ প্রবলভাবে দেখা যায়, তবে আতঙ্কিত না হয়ে শারঈ উপায়ে আত্মরক্ষা ও চিকিৎসা করা উচিত:
১. প্রতিদিনের জিকির ও দোয়া: সকাল-সংধ্যাকালের মাসনুন আমল ও দোয়াগুলো নিয়মিত পড়া।
২. সুরা বাক্বারা তিলওয়াত: ঘরে নিয়মিত সুরা বাক্বারা তিলওয়াত করা বা চালু রাখা (হাদিস অনুযায়ী, যে ঘরে সুরা বাক্বারা তিলওয়াত করা হয়, সেখান থেকে শয়তান ও জাদু পালিয়ে যায়)।
৩. ইখলাস, ফালাক্ব ও নাস: ফরজ সালাতের পর এবং ঘুমানোর আগে ৩ কুল (সুরা ইখলাস, ফালাক্ব, নাস) পড়ে পুরো শরীরে ফু দেওয়া।
৪. শারঈ রুকইয়াহ্‌: প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ ও সহীহ আকিদার কোনো রুকইয়াহ্‌ বিশেষজ্ঞ (রাক্বী)-এর পরামর্শ নিয়ে শারঈ পদ্ধতিতে রুকইয়াহ্‌ করানো।

01829-143384

07/10/2026

জাদুকর বা কুফরিতে লিপ্ত ব্যক্তিরা সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো সময় বা মৌসুমে (যেমন: বিশেষ কিছু মাস, অমাবস্যা, চন্দ্রগ্রহণ বা বছরের নির্দিষ্ট সময়) আগের করা জাদুকে নতুন করে শক্তিশালী করতে জাদু রিনিউ (Magic Renewal) করে থাকে।
জাদু নতুন করে রিনিউ বা নবায়ন করা হলে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে হঠাৎ কিছু সুনির্দিষ্ট পরিবর্তন ও লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
১. শারীরিক ও মানসিক লক্ষণের হঠাৎ বৃদ্ধি
এতদিন ধরে চলা চিকিৎসা বা রুকইয়াহর পর রোগী সুস্থ বোধ করলেও হুট করে আবার আগের তীব্র সমস্যাগুলো ফিরে আসা।
কোনো স্পষ্ট শারীরিক কারণ ছাড়াই শরীরে অসহ্য জ্বালাপোড়া, মাথা ভারী হয়ে থাকা বা তীব্র ব্যথা শুরু হওয়া।
২. স্বপ্নে স্পষ্ট ইঙ্গিত বা ভয়াবহতা
স্বপ্নে বারবার একই ধরনের ভয়াল দৃশ্য দেখা (যেমন: সাপের কামড়, কুকুরের আক্রমণ, ওপর থেকে পড়ে যাওয়া বা নোংরা স্থানে আটকে থাকা)।
স্বপ্নে অপরিচিত কাউকে কিছু খাইয়ে দেয়া বা রক্ত/বর্জ্য জাতীয় কিছু দেখতে পাওয়া।
৩. রুকইয়াহ বা কুরআনের তিলাওয়াতে তীব্র প্রতিক্রিয়া
কুরআনের আয়াত (বিশেষ করে রুকইয়াহর আয়াত) শুনলে হঠাৎ প্রচণ্ড রাগ, অস্বস্তি, শরীর কাঁপানি বা বমি বমি ভাব বেড়ে যাওয়া।
হঠাৎ করেই ইবাদত, সালাত ও জিকির-আজকারে চরম অনীহা বা ক্লান্তি চলে আসা।
৪. পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্কে হঠাৎ ফাটল
অনাক্ষাঙ্কিতভাবে প্রিয়জন বা জীবনসঙ্গীর প্রতি তীব্র ঘৃণা, বিরক্তি বা সন্দেহ তৈরি হওয়া।
ঘরে প্রবেশ করলেই অস্থিরতা বা দমবন্ধ অনুভুতি হওয়া।
৫. ঘুমের ব্যাঘাত ও শারীরিক দুর্বলতা
রাতে হঠাৎ প্রচণ্ড ভয়ে ঘুম ভেঙে যাওয়া বা বারবার বোবায় ধরা (Sleep Paralysis)।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর অতিরিক্ত ক্লান্ত, ভারী ও নিস্তেজ মনে হওয়া।
(উল্লেখ্য, এসব লক্ষণ দেখা দিলে হতাশ না হয়ে নিয়মিত সালাত আদায়, সকাল-সংধ্যাকালীন মাসনুন জিকির ও আমল ধরে রাখা এবং শারঈ রুকইয়াহর মাধ্যমে আত্মরক্ষা করা জরুরি।)

for appointment
01829143384

07/10/2026

ছোট বাচ্চাদের কুদৃষ্টি, শয়তানের ক্ষতি ও বিভিন্ন অনিষ্ট থেকে হিফাজতের জন্য কোনো প্রকার তাবিজ-কবজের ওপর ভরসা না করে সুন্নাহসম্মত উপায়ে সকাল-সন্ধ্যার জিকির এবং মাসনুন রুকইয়ার (ঝাড়ফুঁক) মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া উচিত। তাবিজ ব্যবহারের কোনো দরকার নেই, বরং আল্লাহর শেখানো দোয়া এবং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দেখানো পন্থাই সন্তানের সুরক্ষায় সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর।
আপনার সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করার জন্য একটি সুন্দর ও গোছানো পোস্টের খসড়া নিচে দেওয়া হলো:
শিশুর সুরক্ষায় তাবিজ নয়, আঁকড়ে ধরুন সুন্নাহসম্মত আমল ও রুকইয়া 🌿👶
আমাদের ছোট্ট সোনামণিদের বদনজর (আইন আল-হাসাদ) কিংবা বিভিন্ন ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে আমরা প্রায়ই তাদের গলায় বা কোমরে সুতা, কালো দাগ কিংবা তাবিজ ঝুলিয়ে দিই। কিন্তু সুরক্ষার একমাত্র মালিক সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাআলা। কোনো সুতা বা তাবিজ নয়, বরং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শেখানো সুন্নাহসম্মত দোয়া ও রুকইয়ার মাধ্যমেই সুনিশ্চিত হয় সন্তানের আসল সুরক্ষা।
সন্তানকে হিফাজতে রাখার সহজ সুন্নাহসম্মত আমল:
১. হাদিসে বর্ণিত বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে ফুঁ দেওয়া:
ইব্রাহিম (আঃ) তাঁর সন্তান ইসমাঈল ও ইসহাক (আঃ)-কে এবং আমাদের প্রিয় নবীজি (সাঃ) তাঁর দুই নাতি হাসান ও হোসাইন (রাঃ)-কে এই দোয়া পড়ে ফুঁ দিতেন:

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
(আউজু বি-কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিল লাম্মাহ)
অর্থ: "আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের সাহায্যে সকল শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং অনিষ্টকারী বদনজর থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।" (সহিহ বুখারি: ৩৩৭১)

২. সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে রুকইয়া করা:
প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস ১ বার করে (বা ৩ বার করে) পড়ে নিজের হাতে ফুঁ দিয়ে বাচ্চার সারা শরীরে মাথা থেকে পা পর্যন্ত হাত বুলিয়ে দিন।
৩. আয়াতুল কুরসি পাঠ করা:
সকাল-সন্ধ্যায় ও রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়ে সন্তানের শরীরে ফুঁ দিতে পারেন।
৪. খাবারে বা পানি পান করানোর সময়:
সন্তানকে কিছু খাওয়ানোর আগে 'বিসমিল্লাহ' বলা নিশ্চিত করুন এবং নিয়মিত আল-কুরআনের শিফাসূচক আয়াতগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করাতে পারেন।
শিরক ও বিদআত মুক্ত জীবনই ঈমানের মূল শক্তি। তাবিজ বা কোনো জড় বস্তুর ওপর নির্ভর না করে আল্লাহর কালাম ও মাসনুন দোয়ার ওপর তাওয়াক্কুল রাখুন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সন্তানকে সকল প্রকার অপশক্তি ও অনিষ্ট থেকে হিফাজত করুন। আমিন। 🤲

02/10/2026

আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে— অদৃশ্যের জীন জাতিকে কি মানুষ কখনো কাবু করতে বা হত্যা করতে পারে? ইসলামী শরীয়াহ ও উলামায়ে কেরামের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জীন তার আসল অগ্নিময় (বা অদৃশ্য) রূপে থাকলে তাকে আঘাত করা বা হত্যা করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে তারা যখন কোনো দৃশ্যমান প্রাণীর রূপ (যেমন: সাপ, কুকুর ইত্যাদি) ধারণ করে, তখনই কেবল ভৌত পদার্থের সুনির্দিষ্ট রূপ গ্রহণ করায় তাদের হত্যা করা বা বন্দী করা সম্ভব হয়।
​চলুন কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিষয়টির পিছনের গূঢ় রহস্য বুঝে নিই:
​১. সূরা সোয়াদের ৩৫ নম্বর আয়াত ও সুলাইমান (আ:)-এর দু'আ
​আল্লাহ তাআলা সূরা সোয়াদের ৩৫ নম্বর আয়াতে সুলাইমান (আ:)-এর দু'আ উল্লেখ করেছেন:
​قَالَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَهَبْ لِي مُلْكًا لَّا يَنبَغِي لِأَحَدٍ مِّن بَعْدِي
"সে বলল: হে আমার রব্ব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন এক রাজ্য দান করুন, যা আমার পর আর কারও জন্য প্রযোজ্য হবে না।"
​এই আয়াতের তাফসীর ও সংশ্লিষ্ট হাদিস থেকে জানা যায়, আল্লাহ তাআলা কেবল সুলাইমান (আ:)-কেই জীনদের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব, তাদের সরাসরি শৃঙ্খলিত করা এবং দৃশ্যমানভাবে তাদের ওপর অখণ্ড শাসন প্রতিষ্ঠা করার অলৌকিক ক্ষমতা (রাজত্ব) দিয়েছিলেন। অন্য কোনো মানুষের সাধারণ অবস্থায় জীনকে তাদের আসল রূপে শাসন বা বন্দী করার অধিকার বা ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।
​২. সহীহ হাদিসের প্রমাণ: রাসুলুল্লাহ ﷺ ও ইবলিস ইফরিতের ঘটনা
​সহীহ বুখারী (হাদিস: ৪৬১) ও সহীহ মুসলিম (হাদিস: ৫৪১)-এ আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
​"গতরাতে এক বিষধর ইফরিত জীন আমার নামাজে বিঘ্ন ঘটাতে এসেছিল। কিন্তু আল্লাহ আমাকে তার ওপর ক্ষমতা দান করলেন। আমি চাইলাম তাকে মসজিদের কোনো খুঁটির সাথে বেঁধে রাখতে, যাতে সকালে তোমরা সবাই তাকে দেখতে পাও। কিন্তু তখনই আমার ভাই সুলাইমান (আ:)-এর সেই দু'আটি মনে পড়ে গেল— 'হে রব্ব, আমাকে এমন রাজত্ব দিন যা আমার পর আর কারও জন্য প্রযোজ্য হবে না।' তাই আল্লাহ তাকে ব্যর্থ করে তাড়িয়ে দিলেন।"
​শারঈ ব্যাখ্যা:
ইফরিত যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সামনে আগুনের শ শিখা নিয়ে নির্দিষ্ট এক অবয়বে রূপ ধারণ করে এসেছিল, তখনই নবীজি ﷺ তাকে ধরে ফেলার ক্ষমতা পেয়েছিলেন। যদি জীন তার মূল অদৃশ্য অবস্থায় থাকত, তবে সাধারণ শারীরিক প্রক্রিয়ায় তাকে স্পর্শ করা বা বাঁধা যেত না।
​৩. সাপ বা প্রাণীর রূপ ধারণ করলে কেন আঘাত করা যায়?
​ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা (রহি.) সহ ইসলামিক স্কলারগণ স্পষ্ট করেছেন—
​জীন যখন কোনো বস্তু বা প্রাণীর রূপ ধারণ করে (যেমন সাপের রূপ), তখন সে প্রকৃতির শারীরিক উপাদানের (Physical laws) নিয়মে আবদ্ধ হয়ে পড়ে।
​রূপ ধারণের ফলে তার মধ্যে আঘাত বা মৃত্যুর প্রভাব গ্রহণের শারীরিক সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়। ফলে তখন আঘাত করলে সেই আঘাত তার শরীরে কার্যকর হয় এবং সে নিহত বা আহত হতে পারে।
​সতর্কতামূলক হাদিস (ঘরে থাকা সাপের ক্ষেত্রে):
সহীহ মুসলিমে এসেছে, মদীনায় কিছু জীন ইসলাম গ্রহণ করে সাপের রূপ ধারণ করে ঘরে বসবাস করত। তাই রাসুলুল্লাহ ﷺ নির্দেশ দিয়েছেন— ঘরের ভিতর কোনো সাপ দেখলে শুরুতেই হত্যা না করে অন্তত তিন দিন সতর্ক করতে বা চলে যেতে বলতে হবে। যদি সে সতর্ক করার পরও না যায়, তবে বোঝা যাবে সে দুষ্ট জিন বা সাধারণ বিষধর সাপ, তখন তাকে হত্যা করা যাবে।

02/10/2026

রুকইয়া

02/10/2026

হিজামা

27/09/2026

আজকে ফজরের পর থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত মোতালাআ করলাম এখন দেখি আর ঘাড় নাড়তে পারতাছিনা।
দোয়ায় রাখিয়েন।

Address


01829143384WHATSAP মিরপুর১৪পুলিশস্কুলেরবিপরীতেএনএইচবি২০/৩

Telephone

+8801829143384

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqya hijama bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ruqya hijama bd:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed health & beauty business?

Share