উদ্যোক্তা।

উদ্যোক্তা। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from উদ্যোক্তা।, North Dhanmondi, Dhaka.

17/09/2024

মাতৃত্ব যেভাবে উদ্যোক্তা তৈরি করলো -
তসলিমা আক্তার লিমার গল্প। যিনি কুষ্টিয়ায় বসে ঢাকা চট্টগ্রামসহ সারা দেশে পোশাক সরবরাহ করছেন। তসলিমা আক্তার লিমা মাত্র দুই হাজার টাকা দিয়ে কাপড় বানানোর ব্যবসা শুরু করেন। এক বছরের মাথায় তার মাসিক আয় দাঁড়ায় ৫০ হাজার।
ভিডিও কার্টেসি - বিবিসি।

ভেনামির অতি নিবিড় চাষ শুরু, হেক্টরে পাওয়া গেল ৮০ টনের বেশি চিংড়িদেশে প্রথমবারের মতো অতি নিবিড় পদ্ধতিতে উচ্চফলনশীল প্রজাত...
17/09/2024

ভেনামির অতি নিবিড় চাষ শুরু, হেক্টরে পাওয়া গেল ৮০ টনের বেশি চিংড়ি
দেশে প্রথমবারের মতো অতি নিবিড় পদ্ধতিতে উচ্চফলনশীল প্রজাতির ভেনামি চিংড়ি চাষ শুরু করেছে কক্সবাজারের একটি খামার। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি তাদের চাষ করা চিংড়ি প্রথমবারের মতো আহরণ (হারভেস্ট) করেছে। সীমার্ক (বিডি) লিমিটেড নামের এই প্রতিষ্ঠান প্রতি হেক্টরে ৮০ টনের বেশি চিংড়ি উৎপাদন করতে পেরেছে। সনাতন পদ্ধতির চাষে মাত্র পাঁচ শ কেজির মতো চিংড়ি পাওয়া যায়।

চিংড়ি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অতি নিবিড় পদ্ধতিতে ভেনামি চিংড়ি চাষ অনেক ব্যয়বহুল। এই চাষে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, ফলে এর ব্যবস্থাপনাও আলাদা। তবে এ পদ্ধতির চাষ বাড়ানো গেলে চিংড়ি রপ্তানি আয় কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও কম মূল্যে চিংড়ি বিক্রি করা যাবে।

ভেনামি একটি উচ্চফলনশীল চিংড়ি। উচ্চ ফলনের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতার জন্যও এটি এখন সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে চাষ করা হচ্ছে। বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে উৎপাদিত চিংড়ির ৮০ শতাংশই ভেনামি জাতের। দেশে ভেনামির পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয় ২০১৯ সালে। চার বছর ধরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এ চিংড়ির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর অনুমতি দেয় সরকার। এরপর দেশের বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা সনাতন ও আধা নিবিড় পদ্ধতিতে ভেনামি চাষের উদ্যোগ নেন। তবে অতি নিবিড় পদ্ধতির চাষ কার্যক্রম প্রথমবারের মতো হাতে নেয় সীমার্ক (বিডি) লিমিটেড।

উখিয়ায় মেরিন ড্রাইভের পাশে আগে থেকে সীমার্কের একটি হ্যাচারি ছিল। সেটিকেই বৈজ্ঞানিক উপায়ে ভেনামি চাষের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয় খামারটির পুনর্নির্মাণকাজ। এ জন্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে সীমার্ক। ১২ একরের খামারটিতে রয়েছে তিনটি কালচার পুকুর, ৩২টি নার্সারি পুকুর ও ১৬টি কোয়ারেন্টিন পুকুর।

প্রকল্পটিতে আধুনিক সব বৈজ্ঞানিক কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। এ জন্য প্রযুক্তি আনা হয়েছে থাইল্যান্ড, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুর থেকে। ভেনামি চাষ করা হয় সমুদ্রের লবণাক্ত পানিতে। এ জন্য বঙ্গোপসাগরের পানি সরাসরি এনে তা পরিশোধন শেষে পুকুরগুলোতে সরবরাহ করা হয়। এর মাধ্যমে সমুদ্রের পানির সঙ্গে আসা সব ধরনের ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দূষণ রোধ করা যায়। খামারে কয়েক ধরনের পুকুর রয়েছে, যেগুলোকে দূষণ ও পরিবেশগত অনিশ্চয়তা থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
খামারের মুখেই বেশ কড়া জৈব নিরাপত্তাব্যবস্থা। গাড়িতে স্প্রে করে ও প্রত্যেককে পরিচ্ছন্ন হয়ে খামারে ঢুকতে হয়েছে। এ ছাড়া খামারে একটি ল্যাবরেটরি বা পরীক্ষাগার রয়েছে, যেখানে পানি ও চিংড়ির ফিজিকোকেমিক্যাল ও মাইক্রোবায়োলজিক্যাল পরীক্ষার সুবিধা রয়েছে। খামারে কোনো নিষিদ্ধ রাসায়নিক পদার্থ ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয় না। এ ছাড়া বর্জ্য পানি ট্রিটমেন্ট না করে পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হয় না। থাইল্যান্ডের চারোয়েন পোকফান্ড ফুডসের (সিপিএফ) প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদেরা এই প্রকল্পে কাজ করেছেন। ভেনামির রেণু (সদ্য জন্ম নেওয়া পোনা), খাবার ও বেশ কিছু প্রযুক্তিও আনা হয়েছে সিপিএফ থেকে।

খামারের মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ভেনামি প্রজাতি সাধারণত রোগজীবাণু–সহিষ্ণু। তা সত্ত্বেও এটি ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। এ জন্যই এমন নিরাপত্তাব্যবস্থা। তিনি আরও বলেন, বিদেশ থেকে রেণু আনার পরে নার্সারি পুকুরে তা ১৫ দিন লালন–পালন করা হয়। এরপর সেগুলো দেওয়া হয় কালচার পুকুরে। পরে ৬০–১২০ দিনের মধ্যে সেই চিংড়ি বিক্রির জন্য পুকুর থেকে তোলা হয়।

উৎপাদন কেমন বেশি
সাধারণত সনাতন, আধা নিবিড়, নিবিড় ও অতি নিবিড়—এই চার পদ্ধতিতে ভেনামি চাষ করা হয়। এর মধ্যে উখিয়ায় অতি নিবিড় পদ্ধতিতে ভেনামি উৎপাদন করছে সীমার্ক। সুপার ইনটেনসিভ হিসেবে পরিচিত পদ্ধতিতে প্রতি বর্গমিটারে ৩৩০টি চিংড়ি চাষ করা সম্ভব, যেখানে সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি বর্গমিটারে সর্বোচ্চ ৫টি চিংড়ি চাষ করা যায়। এ ছাড়া অতি নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ির জীবিত থাকার হার প্রায় ৯০ শতাংশ।

চিংড়ি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সনাতন উপায়ে খামারে চাষ করলে প্রতি হেক্টরে ৫০০ কেজির মতো বাগদা চিংড়ি পাওয়া যায়। আর আধা নিবিড় পদ্ধতিতে চাষ করলে প্রতি হেক্টরে সর্বোচ্চ ৫–৬ টন পর্যন্ত বাগদা উৎপাদন করা সম্ভব। সেখানে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে প্রতি হেক্টরে ৮–১০ টন ভেনামি চিংড়ি পাওয়া যায়। আর অতি নিবিড় পদ্ধতিতে চাষ করলে প্রতি হেক্টরে ৮০-১০০ টনের মতো ভেনামি চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব। অর্থাৎ ভেনামির উৎপাদনের হার অনেক বেশি।

খুলনায় আধা নিবিড় পদ্ধতিতে ভেনামি চাষ করেছে এমইউ সি ফুডস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যামল দাস বলেন, অনেক খামারি এখন আধা নিবিড় ভেনামি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। অতি নিবিড় পদ্ধতিতে ফলন অনেক বেশি হলেও এ জন্য বড় বিনিয়োগ ও দক্ষতা প্রয়োজন। তবে সরকার নীতি সহায়তা দিলে নিবিড় পদ্ধতির চাষ আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে সীমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ বলেন, ভেনামি অনেকটা ব্রয়লার মুরগি বা উচ্চফলনশীল ধানের মতো। যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা বেশি এবং জমির সংকট রয়েছে, তাই এমন উচ্চ ফলনশীল চিংড়ি চাষের বিকল্প নেই। বাকি বিশ্বও সেদিকেই যাচ্ছে।

রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা
বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চাষের জন্য চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রথম পুকুরে ভেনামি রেণু ছাড়ে সীমার্ক। এরপর ৮০ দিন পরে তা বিক্রির জন্য তোলা হয়। এ সময় প্রতি কেজিতে ৪০টি করে চিংড়ি পাওয়া গেছে। সীমার্কের উখিয়ার খামার থেকে ভেনামির প্রথম চালান চলে যায় চট্টগ্রামের সীমার্কের প্রক্রিয়াজাতের কারখানায়। সেখান থেকে প্রক্রিয়াজাত শেষে তা রপ্তানি হবে যুক্তরাজ্যে। খুলনা অঞ্চলে উৎপাদিত ভেনামির কয়েকটি চালান অবশ্য ইতিমধ্যে রপ্তানি হয়েছে।

চিংড়িশিল্পের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন সীমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ। প্রক্রিয়াজাত চিংড়ি রপ্তানির জন্য ৯ বার স্বর্ণপদকও পেয়েছেন এই ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানির সূচক অনেক নিচে নেমে গেছে। এ খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ভেনামি চিংড়ি উৎপাদনের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানগুলো আবার চালু করা সম্ভব।

ইকবাল আহমেদ আরও বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো ভেনামি চাষে ইতিমধ্যে বেশ এগিয়ে গেছে। এখনো যদি আমরা শুরু করতে পারি, তাহলে বৈশ্বিক বাজার ধরতে পারব। তবে শুধু দু–চারজন চাষ করলে হবে না। এ জন্য সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারের সহযোগিতা পেলে ও চাষিরা বৈজ্ঞানিক চাষে উদ্বুদ্ধ হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ খাতে রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

20/02/2023
20/12/2022

কেন মধ্যবিত্তরা সারাজীবনই একইরকম থেকে যায় ??

উদ্যোক্তা কাকে বলে | সফল উদ্যোক্তা হতে করণীয় কি ?উদ্যোক্তা কাকে বলে (entrepreneur meaning in Bengali) ? সফল উদ্যোক্তা হ...
20/12/2022

উদ্যোক্তা কাকে বলে | সফল উদ্যোক্তা হতে করণীয় কি ?

উদ্যোক্তা কাকে বলে (entrepreneur meaning in Bengali) ? সফল উদ্যোক্তা হতে করণীয় কি বা কি কি করতে হবে ? আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। এছাড়া, একজন সফল উদ্যোক্তার বৈশিষ্ট্য গুলো নিয়েও আমরা এই আর্টিকেলে আলোচনা করবো।
বর্তমানে স্টার্টআপ কিংবা নতুন স্মল বা মিডিয়াম স্কেল ব্যবসার রমরমা উত্তরোত্তর বাড়ছে। মানুষ ৯-৫ চাকরির পরিবর্তে নিজের ব্যবসার সেটআপ করার ঝুঁকি নিতে শিখছে। আর, এই সময়ে অন্ত্রপ্রেনিউয়র কিংবা উদ্যোক্তা শব্দটি মানুষের মাঝে খুবই জনপ্রিয় হচ্ছে।
আজকে আমাদের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো, উদ্যোক্তা কি, এর বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী সম্পর্কে।

Self-employed মানে কি ?
প্রথমে আমরা জানি, অন্ত্রপ্রেনিউর বা উদ্যোক্তা বলতে কি বুঝায় ?

উদ্যোক্তা কাকে বলে (What is entrepreneur in Bengali) ?
উদ্যোক্তা হলেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি কোনো নতুন ব্যবসা তৈরি করে, অত্যন্ত ঝুঁকি বহন করে, নিজের ব্যবসা থেকে মুনাফা লাভ করতে চান। আর, এই ব্যবসা স্থাপনের প্রক্রিয়াকেই বলা হয়ে থাকে অন্ত্রপ্রোনিউরশিপ বা শিল্পোদ্যোগ।

যেকোনো উদ্যোক্তাকেই প্রধানত একজন উদ্ভাবক, নতুন ধারণার জনক কিংবা নতুন পণ্য, পরিষেবা ও ব্যবসা/পদ্ধতির সৃষ্টিকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। যেকোনো দেশের অর্থনীতিতেই এই উদ্যোক্তারা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে। এরা নিজেদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও উদ্যোগের সাহায্যে নিজস্ব পণ্য বা পরিষেবার প্রয়োজনীয়তা সঠিকভাবে অনুমান করে- মার্কেটে ভালো, কার্যকরী ও নতুন ধারণা নিয়ে আসে।

যেসব উদ্যোক্তারা নিজেদের স্টার্টআপ তৈরির ঝুঁকি নিতে সফল হয়, তাদের প্রাপ্য লাভ, খ্যাতি ও নিশ্চিত বৃদ্ধির সুযোগ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।
আর, অন্যদিকে যেসব উদ্যোক্তারা ব্যর্থ হয়, তাদের ক্ষতি হতে হতে ধীরে ধীরে তাদের প্রসার মার্কেটে ক্রমশ কমতে থাকে।

তাহলে আশা করছি, উদ্যোক্তা মানে কি বা উদ্যোক্তা কাকে বলে বিষয়টা বুঝতেই পেরেছেন হয়তো।

উদ্যোক্তাদের মূল চরিত্র:
– যখন কোনো ব্যক্তি, কোনো নতুন ব্যবসার উদ্যোগ নিয়ে ঝুঁকি নেয়, সেই ব্যক্তিই হল উদ্যোগপতি।
– ফরাসি শব্দ ‘entendre’ যার অর্থ ‘to undertake’ বা গ্রহণ করা থেকে এসছে ‘entrepreneur‘ কথাটি।

– উদ্যোক্তারা তাদের ধারণা সম্পাদন করার জন্য একটা ফার্ম নির্মাণ করে। যেটা তাদেরকে উদ্যোগপতি হিসাবে পরিচিত দেয়, যারা মুনাফার জন্য পণ্য বা পরিষেবা উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মূলধন ও শ্রমকে সম্পূর্ণভাবে একত্রিত করে।

– শিল্পোদ্যোগ আসলেই অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। তবে, ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা থাকলে, এই উদ্যোগ অত্যন্ত ফলপ্রসূও হতে পারে। কারণ, এই অনন্য ব্যবসায়ী উদ্যোগগুলো উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক সম্পদ বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের ব্যাপক সুযোগ দেয়।

– মূলধনের উৎস নিশ্চিত করা উদ্যোক্তাদের জন্য অত্যন্তই জরুরি; যথা- বিভিন্ন অর্থায়নের সংস্থান যেমন- স্মল বিসনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (SBA) কিংবা ক্রাউডফান্ডিং দ্বারা তারা ঋণ সংগ্রহ করে থাকে।

– উদ্যোক্তারা যেভাবে কর দাখিল ও পে করেন, তার উপর নির্ভর করে তাদের ব্যবসার সেটআপের ধরণ ও কাঠামো নির্মিত হয়।

সফল উদ্যোক্তার বৈশিষ্ট্য:
উদ্যোগপতিদের উদ্ভাবনী ব্যবসার সুযোগ তৈরী ও পরিবর্তন আনার প্রতি প্রবল ইচ্ছা থাকে।
তবে, এদের কোনো নির্দিষ্ট চারিত্রিক ব্যক্তিত্বও থাকতে পারে, আর তা সব ধরনের পটভূমি থেকেও আসতে পারে।
একজন ছোট ব্যবসার মালিককে সফল উদ্যোগপতি হওয়ার জন্য যেসব চরিত্রের অধিকারী হতে হয়,
সেগুলো হল-
১. প্রেরণা:
সবচেয়ে সফল স্টার্টআপ উদ্যোক্তা সব সময়েই প্রেরণা দ্বারা চালিত হয়।
এই প্রেরণা তাদের সর্বদা নতুন কিছু করতে, বেশি করে পরিশ্রম করতে ও কার্যতভাবে একটানা কাজ করে যেতে উদ্বুদ্ধ করে।
এর ফলে, তারা অবিরামভাবে ভালো পারফর্ম করতে অনুপ্রাণিত হতে থাকে। নিজস্বভাবে অনুপ্রাণিত হওয়ার সাথে-সাথে, তাদের উচ্চাশাগুলো পূরণ করতে ও নতুন সুযোগগুলো বের করতে কীভাবে অন্যদের উদ্বুদ্ধ করলে তার থেকে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় তারা সেটাও জানে।

অনুপ্রাণিত থাকার জন্য দরকার, বিরামহীন চালিকা শক্তি ও যথেষ্ট পুরষ্কারের প্রতিশ্রুতি- যা মহান উদ্যোক্তাদের কঠোর পরিশ্রমের মূল্য হিসেবে পরিচিত হয়।

২. স্থিরমতিসম্পন্ন:
অনেক সফল উদ্যোক্তারাই ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
তবে, তার মানে এই নয় যে, অল্পতেই তারা হাল ছেড়ে দেয়।
বরং, তারা ব্যর্থতাকে শেখার ও বৃদ্ধির সুযোগ হিসেবে দেখে থাকে।
সম্পূর্ণ শিল্পোদ্যোগের প্রক্রিয়ায়, অনেক অনুমান ভুল হয়েই থাকে আর তখন অনেক উদ্যোগই সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থও হতে পারে।
এই কারণেই, একজন উদ্যোক্তার সফলতার পিছনে থাকে- তাদের ভুলগুলো থেকে শিখে, শান্ত মাথায় অভীষ্ট লক্ষ্যে না পৌঁছনো পর্যন্ত তাদের ধরে রাখা অবিরাম মানসিক জোর।

৩. কৌতূহল:
সফল উদ্যোক্তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হল তাদের কৌতূহলের অনুভূতি। উদ্যোক্তার মধ্যে থাকা কৌতূহলী চিন্তাভাবনা তাদের ক্রমাগত নতুন সুযোগ খোঁজার জন্যে প্রেরণা দেয়। যতই অভিজ্ঞ হোক না কেন, তারা নিজেদেরকে সবসময় চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন করতে ও নানান উপায় খুঁজে বের করতে পছন্দ করে। বলা হয়ে থাকে যে, উদ্যোক্তাদের কৌতূহলকে তাদের নতুন নতুন উদ্ভাবনের প্রক্রিয়া হিসাবে বর্ণনা করা হয়৷ কৌতূহল ছাড়া কোনো উদ্যোক্তাই তার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে পারে না৷

৪. দূরদর্শিতা:
যে সকল উদ্যোক্তারা আসলেই নতুন ব্যবসার জন্ম দিচ্ছে, তাদের নিজেদের থেকেই একটা দূরদর্শিতা বোধ থাকে।
কিভাবে তারা কোম্পানির শিল্প পরিবর্তন করবে, কিভাবে তাদের গ্রাহকদের সাথে সম্পর্ক উন্নত করবে, কিংবা তাদের পণ্য-পরিষেবার মাধ্যমে কিভাবে গ্রাহকদের জীবনে উন্নতি আনতে পারবে- সমস্ত বিষয়েই তারা দূরদর্শিতা দেখিয়ে থাকেন।
অর্থাৎ, আপনি যে পণ্য-পরিষেবাই বাজারে নিয়ে আসুন না কেন, একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনার পরিষেবা সম্পর্কে দূরদর্শিতা থাকাটা একান্তই গুরুত্বপূর্ণ।

৫. সৃজনশীলতা:
যেসব শিল্পোদ্যোগ সফল হয়, সেসব উদ্যোগের পিছনে থাকে উদ্যোক্তাদের অনন্য সৃজনশীলতা।
এখনকার চরম প্রতিযোগিতামূলক বাজারে, উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা নিয়ে যথেষ্ট মাথা ঘামাতেই হয়; যাতে তাদের কোম্পানী অন্যদের তুলনায় আলাদাভাবে উপস্থাপিত হতে পারে। সৃজনশীলতার অর্থ অনন্য ব্যবসায়িক ধারনা নিয়ে চিন্তা করা। একটি সমস্যা সমাধানের জন্য সম্পর্কহীন ধারণার মধ্যেও সম্পর্ক খুঁজে বের করে সমাধান বার করাই তাদের মূল লক্ষ্য থাকে। এইসব উদ্যোক্তারা সম্ভাবনা বিবেচনা করে নিত্যনতুন সমাধান বার করাতে বিশ্বাসী।

৬. নেতৃত্বদানের ক্ষমতা:
যেকোনো উদ্যোক্তার মধ্যে যে বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা একান্তই জরুরি তার মধ্যে অন্যতম হল নেতৃত্বদানের ক্ষমতা থাকা।
এখানে উদ্যোক্তাই তার ব্যবসার উদ্ভাবক, প্রধান, ও টিমের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করে।
এখানে অন্ত্রপ্রনিউরদেরকেই তাদের দলকে অসামান্য নেতৃত্বদানের ক্ষমতা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়।
বিনিয়োগকারীদের সন্তুষ্ট করা থেকে শুরু করে প্রেসের সাথে কথা বলার সময়েও, যথেষ্ট নেতৃত্বমূলক মনোভাব রাখতে হয়।
নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরি করতে ও ব্যবসার মুখ হিসাবে অনুগামীদের একটা দল তৈরি করাও জরুরি।

৭. শিক্ষা গ্রহণের ক্ষমতা:
উদ্যোক্তারা নতুন জিনিস জানতে বা শিখতে সবসময়েই আগ্রহী থাকে।
কারণ, তারা জানেন যে, পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণভাবে না জানলে ব্যবসা তৈরি করা ও ধরে রাখা মুশকিল।
কিংবা, নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে পণ্য ও পরিষেবাগুলোকে উন্নত করতে না পারলে, তাদের ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে।
তাই, উদ্যোক্তারা সর্বদাই কিছু-না-কিছু শিখতেই থাকে।

৮. ঝুঁকি সম্পর্কে ধৈর্যবান:
ঝুঁকি নিতে না জানলে, কেউই উদ্যোগপতি হয়ে উঠতেই পারে না।
তাই, কোনো ব্যবসার সফলতা লাভের আগে ব্যর্থ হতেই পারে।
আর, একজন সফল উদ্যোক্তা নিজের ঝুঁকির ব্যাপারে সবসময় জেনেই ব্যবসাতে এগোয়। যদিও অগণিত ঝুঁকি ভয়ানক ক্ষতির কারণ হতে পারে, কিন্তু ক্যাল্কুলেটেড ঝুঁকি, একটা নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের ক্ষেত্রে ভালো ফল দিতে পারে।

৯. মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা:
ব্যবসার প্রকৃতি সবসময়েই পরিবর্তনসাপেক্ষ।
শিল্পোদ্যোগ হল এক ধরণের পুনরাবৃত্তিমূলক প্রক্রিয়া, যেখানে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ আসতেই থাকে।
এই নতুন পরিবর্তনগুলোর জন্যে সবসময়েই প্রস্তুত থাকা প্রায়শই অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু, একজন সফল উদ্যোগপতি হতে চাইলে, আপনাকে এই পরিস্থিতিগুলো মানিয়ে নিয়েই চলতে হবে। উদ্যোক্তাদের যেকোনো পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে হয় ও ব্যবসার উন্নতির কথা মাথায় রেখেই সর্বদা নমনীয় থাকতে হয়।

১০. সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা:
প্রতিটি সিদ্ধান্তেরই একটা ভালো বা খারাপ পরিণতি থাকে।
আর, সময়ের সঙ্গে সেই পরিণতিগুলো বাস্তবতার রূপ নেয়।
সফল উদ্যোক্তারা সমস্ত পরিস্থিতির ব্যাপারে ভেবে-চিন্তে সম্ভাব্য দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদী প্রভাবগুলোকে শনাক্ত করেই কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এমনকি, তারা পরামর্শ নিতেও ভোলে না।

১১. নেটওয়ার্ক নির্মাণের ক্ষমতা:
কোনো গ্রাহকই নতুন পণ্য বা পরিষেবা ব্যবহার করতে এক চান্সেই রাজি হয়ে যাবে না।
এমনকি, অনেকেই আছে, যারা অনেক ভালো-ভালো তথ্যের পরেও, সেই পণ্য বা পরিষেবা গ্রহণ করে না। তখনই উদ্যোক্তাদের নেটওয়ার্ক কাজে লাগে। কেবলমাত্র, ক্লায়েন্টদের খুঁজতেই নয়, বরং অন্যদের সাথে দেখা ও কথোপকথনের মাধ্যমে, তাদের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষার ব্যাপারে জেনে নিয়ে উদ্যোগপতিরা নিজের ব্যবসার নেটওয়ার্ক বাড়াতে থাকে।

১২. ব্যর্থতা মেনে নেওয়ার ক্ষমতা:
এমন উদ্যোক্তা খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর, যারা বড় বা ছোট কোনো ব্যর্থতার মধ্যে দিয়েই যায়নি। আসলে, তারা জানে যে, ব্যর্থতা হল শুধুমাত্র ব্যবসার শেষ নয়, বরং সফলতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সিঁড়ি।
তাই, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা ব্যর্থতার ফলে, হাল ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে দীর্ঘকাল ধরে চেষ্টা করতে থাকে সফলতা পাওয়ার জন্যে।

সফল উদ্যোক্তার গুনাবলী । সফল উদ্যোক্তা হতে করণীয়
একজন সফল উদ্যোক্তার মধ্যে এইসব গুণাবলী বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই থাকা দরকার। এছাড়া, যদি আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চাইছেন, তাহলে আপনার মধ্যে এই গুন গুলো থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।

১. পেশাদারিত্ব:
পেশাদারিত্ব তৈরি হয় ভরসা, নিয়মশৃঙ্খলা ও সুসম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে।
একজন সফল উদ্যোক্তা স্বভাবিকভাবেই পেশাদারি স্বভাবের অধিকারী হয়ে থাকে। তারা ভোক্তা, কর্মচারী ও বিনিয়োগকারীদের সাথে পেশাগত সুসম্পর্ক রেখে চলতে বিশ্বাসী।

২. যোগাযোগের ক্ষমতা:
যেকোনো উদ্যোগপতির চরিত্রের বড় গুণ হল তার সামাজিক ও যোগাযোগ নির্মাণের চরম দক্ষতা। তা নেতৃত্ব দেওয়া, বক্তৃতা দেওয়া হোক কিংবা জনমত গঠন হোক- সব কিছুতেই একজন ভালো ব্যবসায়ী উন্নত কমুনিকেশন স্কিলের অধিকারী হয়। তারা যথযথভাবে সম্পর্ক গঠন, টীম স্ট্র্যাটিজি তৈরী ও কর্মী নিয়োগে অতিমাত্রায় পারদর্শী হয়ে থাকে।

৩. প্যাশন:
ব্যবসাই একজন উদ্যোগপতির কাছে সবথেকে বড় প্যাশন বা নেশা।
আর, আমাদের নেশাই আমাদেরকে কোনো কিছু অর্জন করার পথে চালিত করে। তাই, উদ্যোগপতিদের সফলতার পিছনে ব্যাপকভাবে কাজ করে তাদের প্যাশন। যা তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম করার অনুপ্রেরণা যোগায়।

৪. জ্ঞান:
জ্ঞানই হল একজন উদ্যোক্তার সাফল্যের চাবিকাঠি।
তাকে তার নিশ বা শিল্প সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান রাখা বাধ্যতমূলক।
কারণ, একমাত্র জ্ঞানই কোনো সমস্যার সমাধানের মোকাবিলা করার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। আর, একজন সফল উদ্যোক্তা সর্বদাই তার জ্ঞান বৃদ্ধি প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়, ঠিক একজন যোগ্য শিক্ষার্থীর মতো।
তাই, যত জ্ঞান বাড়তে থাকে, ততই উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসাকে সাফল্যতার সাথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

৫. উদারতা:
একজন উদ্যোগপতির অন্যতম সেরা গুণগুলোর মধ্যে একটি হল সর্বদা উদার মন রাখা। মন উদার না থাকলে সমালোচনা বা নতুন তথ্য থেকে শেখার ক্ষমতা হারিয়ে যায়। তাই, শিক্ষা গ্রহণ ও জ্ঞান বৃদ্ধির মাধ্যমে যাতে ব্যবসায়ে আরও উন্নতি ঘটে, এই কারণেই তারা সবসময় উদার মন নিয়ে মেশে, কথা বলে ও শোনে।

৬. সহানুভূতি:
সহানুভূতির অর্থ হল অন্যের মনের হদিশ রাখা- যেটাকে একজন উদ্যোগপতির বিশেষ দক্ষতা হিসেবে ধরা হয়। আর, একজন বুদ্ধিমান উদ্যোক্তা তার অধীনস্থ সমস্ত কর্মচারীর শক্তি ও দুর্বলতার কথা জানে।
তাদের এই শক্তি ও দুর্বলতার কথা জানা থাকলে, তাদের সন্তুষ্ট করা যেমন সহজ হয়, তেমনই তাদের খুশি রাখলে, ব্যবসার ক্ষেত্রেও তাদের উৎপাদন ক্ষমতাও বেড়ে যায়, যার ফলে সামগ্রিকভাবে ব্যবসারই উন্নতি ঘটে।

৭. ভোক্তার প্রতি সম্মান:
একজন ভালো উদ্যোক্তা সবসময়েই তার গ্রাহকদের প্রতি সম্মান দেয় ও তাদের দৃষ্টি আকর্ষণের কৌশল জানে। এই দৃষ্টি আকর্ষণের কাজটি করা হয়, বিপণন ও বিজ্ঞাপনের মতো মাধ্যম ব্যবহার করে। আর, গ্রাহকদের চাহিদার প্রতি আগ্রহী থাকাও একজন উদ্যোগপতির প্রধান গুণের মধ্যে পড়ে।

৮. সুযোগ বোঝার ক্ষমতা:
ব্যবসার ক্ষেত্রে সুযোগই কিন্তু এনে দিতে পারে সাফল্য, আর একজন উদ্যোক্তা সঠিকভাবে সেই সুযোগগুলো চিনে নিতে পারার ক্ষমতা রাখে।
আমাদের জীবনে প্রতিনিয়তই নানান সুযোগ আসতে থাকে, তবে বেশিরভাগই সময়েই আমরা সেই সুযোগগুলোকে চিনতে বিভ্রান্ত বোধ করি। উল্টে, আমাদের চোখে সেগুলো সমস্যা হিসেবে দেখা দিলেও, একজন সফল উদ্যোক্তা সেই সমস্যাগুলোকেই সুযোগে পরিণত করে ব্যবসার অগ্রগতি ঘটায়।

৯. উদ্যোগ:
সফল উদ্যোক্তার অন্যতম গুণের মধ্যে রয়েছে তার আত্মবিশ্বাস।
সে জানে যে, কেবলমাত্র সুযোগ এলেই তো হল না, বরং সেই সুযোগকে উদ্যোগে পরিণত না করা পর্যন্ত তারা নিরন্তর চেষ্টা করতে থাকে।
আর, তারা সক্রিয় ও স্বাধীনভাবে যেকোনো সমস্যা সমাধান করে থাকে, অন্যদের কোনোরকম সাহায্য ছাড়াই।

আমাদের শেষ কথা,,
আমাদের আজকের উদ্যোক্তা নিয়ে লেখা আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল।
উদ্যোক্তা কাকে বলে (what is entrepreneurship in Bengali) নিয়ে লিখা আর্টিকেলটি পছন্দ হলে অবশ্যই তা কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন।
এছাড়া, সফল উদ্যোক্তা হতে করণীয়, সফল উদ্যোক্তার বৈশিষ্ট্য এবং গুনাবলী নিয়ে আমরা আজ অনেক কিছুই আলোচনা করলাম।

তাই, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিতে পারবেন।

মৌসুম পরিবর্তনের সাথে  মানিয়ে নিতে প্রাণীরা যে কত চমৎকার কৌশল অবলম্বন করে, তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই ছবি।সামনেই শীত আ...
20/08/2021

মৌসুম পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে প্রাণীরা যে কত চমৎকার কৌশল অবলম্বন করে, তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই ছবি।

সামনেই শীত আসতে যাচ্ছে। এর আগে নিজের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে হবে, লাগবে খাদ্যের যোগানও। এজন্যই মাঠে নেমে পড়েছে এই কাঠঠোকরা।

প্রথমেই সে মৃত গাছের গুঁড়ি খুঁজে বের করেছে। এরপর সেখানে ছোট ছোট গর্ত করছে, যেন রাখতে পারে এইকর্ন ফল (ওক গাছের ফল)। এই গর্তগুলোও ইচ্ছামতো হওয়া যাবে না, বরং বেশ হিসাবনিকাশ করে একেবারে মাপমতোই হওয়া চাই।

গর্তের সাইজ বড় হলে ফলগুলো সেখানে ঠিকমতো আটকে থাকবে না। ফলে অন্য পাখি এসে খুব সহজেই তার খাবার চুরি করে নিতে পারবে। আবার গর্ত যদি ছোট হয়, তাহলে তো ফলই সেখানে রাখা যাবে না, বেশি চাপাচাপি করতে গিয়ে ভেঙেও যেতে পারে।

এভাবে একটি বড়সড় গাছের গুঁড়িতে ৫০,০০০ পর্যন্ত এইকর্ন রাখা যেতে পারে। এর মধ্য দিয়েই নিরাপদ, নিশ্চিন্ত এক শীতের ব্যবস্থা করে কাঠঠোকরা।

কাঠঠোকরাও যেন আমাদের এই শিক্ষাই দিচ্ছে- সময় থাকতেই আমরা যেন সচেতন হই, সুদিনে দুর্দিনের কথা ভেবে যেন সঞ্চয় করে রাখি।

30/06/2021

'আর্থিকভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরির জন্য আমাদের তাহলে কী করা উচিত?

আমাদেরকে পড়াশুনায় মনোযোগি হতে হবে। তার পাশাপাশি আমাদেরকে দক্ষতা অর্জনের পন্থাগুলোতেও রাখতে হবে সতর্ক দৃষ্টি।

চাকরির বর্তমান প্রতিযোগিতার বাজারে, আধুনিক বিশ্বে টেকনোলজি-নির্ভর জ্ঞানের অপরিসীম কদর। টেক দুনিয়ায় যারাই এগিয়ে, দিন দিন দুনিয়াকে তারাই পুরে নিচ্ছে হাতের মুঠোয়। আমরা যদি ফেইসবুক, গুগল, ইউটিউব আর টুইটারের দিকে তাকাই, এই কথার সত্যতা আমাদের সামনে দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে উঠে।

গেলো মার্কিন নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের উলটাপালটা বক্তব্যের কারণে ফেইসবুক আর টুইটার একযোগে ট্রাম্পের সোশ্যাল অ্যাকাউণ্টসগুলো বন্ধ করে দেয়। দিন কয়েক আগেও যে ছিলো পৃথিবীর সেরা পরাশক্তির সর্বাধিনায়ক, তার সাথে এরকম খবরদারি করার জন্য কতোখানি সাহস আর নেপথ্যে কতোখানি শক্তিমত্তার দরকার ভাবুন তো!

টেকনোলোজির জ্ঞান আর দক্ষতা আপনাকে কেবল আর্থিক সক্ষমতার রাস্তাই দেখাবে না, একইসাথে মুসলমানদের উন্নয়নে আপনি রাখতে পারবেন প্রভূত অবদান। জ্ঞান-বিজ্ঞানে, যোগ্যতা-দক্ষতায় আমাদের যতো উন্নতি হবে, পশ্চিমা বিশ্ব সহ ইসলামের শত্রুদের চোখ রাঙানি আর খবরদারির মাত্রাও ততোই কমে আসবে। আগেই বলেছি— মানুষ আসলে ক্ষমতার পূজারী। যার হাতে ক্ষমতা থাকে, মানুষ তাকেই সমীহ করে।

তার মানে, আমাদের সবাইকে যে দলবেঁধে টেক দুনিয়ার পেছনে ছুটতে হবে তা নয়। ব্যক্তিগত পছন্দ আর রুচিশীলতার ওপর নির্ভর করছে আমরা কে কোন দিকে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলবো। আমাদেরকে শিল্প-সাহিত্য, ব্যবসা, উদ্যোক্তা সহ নানান কর্মকাণ্ডের দিকে ঝুঁকতে হবে।

যারা ভালো লিখতে পারে তারা লেখালেখি সম্পর্কিত পড়াশুনা করবে, যাদের গাইবার গলা ভালো, তারা নাশীদ, ইসলামিক গজল, তিলাওয়াত ইত্যাদিতে নিজেদের দক্ষতা ঝালাই করবে। যাদের শখ নির্মাতা হওয়ার, তারা ভিডিও মেইকিং, ভিজ্যুয়ালাইজেশানের ওপরে প্রশিক্ষণ নেবে। লক্ষ্য হবে হালাল কন্টেন্টগুলোকে চমৎকারভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরা। ডিজিটালাইজেশানের দুনিয়ায় সবাইকে প্রযুক্তি-মুখী হতেই হবে। আজ নয়তো কাল। দক্ষ মানুষদের জন্য কাজের ক্ষেত্র দুনিয়াতে অভাব নেই।

এসবের বাইরে আমাদের প্রাণ-বৈচিত্র আর কৃষি নিয়েও ভাবতে হবে। যাদের প্রচুর পরিমাণ আবাদী জমি-জমা আছে, তারা সেগুলোতে মৌসুমী ফসল, ফলমূল চাষ করতে পারে। রপ্তানী করা যায় এমন নানান ফল এবং খাদ্য দেশে অনেকেই উৎপাদন করছে। কৃষি আমাদের জন্য এক বিরাট সম্ভাবনা! ইউটিউব সহ নানান সোর্স থেকে এখন কৃষি নিয়ে পড়াশুনা করা যায়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষবাসের ব্যাপারে জানাশোনা বাড়ানো যায়। ‘পড়াশুনা করে চাকরিই করতে হবে’— এমন মানসিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। পেশাকে বরণ করে নিতে আমাদের মাঝে কোন কার্পণ্য থাকা চলবে না, তা যদি পার্কে পার্কে ঝালমুড়ি বেচতে হয়, তবুও।

তবে স্মরণে রাখতে হবে— দুনিয়ার পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা যেন আমাদের আখিরাত নষ্ট না করি। তাহলে আমরা দুনিয়া আর আখিরাত— দুটোকেই হারাবো।

দুনিয়ার পেছনে আমাদের ছুটবার মাত্রা কীরকম হওয়া উচিত তার একটা চমৎকার দিকনির্দেশনা আমরা জান্নাতের সুসংবাদ-প্রাপ্ত সাহাবি আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়ালাহু আনহুর জীবন থেকে পাই। আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন মক্কার সফলতম একজন ব্যবসায়ী। আমরা যেমন এখন দুনিয়ায় ‘বিজনেস ম্যাগনেট’ বলতে জেফ বেজোস, ইলন মাস্ক সহ নানান ব্যক্তিকে চিনি, নবিজীর সময়ে তখন আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সেভাবে চিনতো সবাই।

ইসলাম গ্রহণের পর বাধ্য হয়ে অন্য সাহাবিদের সাথে তাকেও নিজের সকল সহায়-সম্পদ, সকল ব্যবসা-পাতি ছেড়ে মদীনায় হিজরত করতে হয়। মক্কায় যিনি ছিলেন একজন সেরা ব্যবসায়ী, তাকে মদীনার মাটিতে পা রাখতে হলো একান্ত নিঃস্ব অবস্থায়! অবশ্য, অবস্থাটাকে তারা খুশী মনে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন।

মদীনার আনসার সাহাবিরা যখন মুহাজির সাহাবিদের সাথে নিজেদের সহায় সম্পদ ভাগাভাগি করে নিচ্ছিলো, তখন একজন আনসার সাহাবি এসে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার সম্পদ হতে কিছু দিতে চাইলো যাতে মদীনায় জীবিকা নির্বাহে খুব বেশি অসুবিধে না হয়। তখন আনসার সাহাবিকে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ বলেছিলেন, ‘আল্লাহ তোমার পরিবারে আর সম্পদে অঢেল বারাকাহ দিন। কিন্তু, তোমার সম্পদের আমার কোন দরকার নেই। তারচে বরং তুমি আমাকে বাজারটা দেখিয়ে দাও’।

হিজরতের সময়ে যে যৎসামান্য টাকা সাথে এনেছিলেন, তাকে সম্বল করেই আব্দুর রহমান ইবনে আউফ নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে চাইলেন। তিনি একজন অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী। সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে কিভাবে নিজের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন করা যায়— সে ব্যাপারে তার চাইতে ভালো আর কে জানে! তাই তিনি আনসারী সাহাবির দয়ার আশ্রয়ে না থেকে, নিজের একটা কিছু দাঁড় করানোর জন্যে বাজারের সন্ধান চাইলেন।

তার কিছুদিন পরেই একদিন খুশিমনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন। তার শরীরে তখন দামী সুগন্ধীর গন্ধ। নবিজী বললেন, ‘কি হে আব্দুর রহমান, কী ব্যাপার?’

তিনি বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমি বিবাহ করেছি?’

বিস্মিত হয়ে নবিজী বললেন, ‘মা শা আল্লাহ! মোহরানা কী দিয়েছো?’

-‘স্বর্ণ। একটা খেঁজুর বিচির সমান’।

-‘বাহ, তাহলে এখন তো খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত করা লাগে। যাও, আমাদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করো’।

চিন্তা করুন— সবকিছু ছেঁড়েছুঁড়ে আসায় আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুর সামনে ছিলো মদীনায় বিনা পরিশ্রমে সম্পত্তি লাভের সুযোগ। সে সুযোগ নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৈরি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু, এমন সুযোগ গ্রহণ করলেন না তিনি। তিনি নিজের যোগ্যতায় অর্জন করতে চেয়েছেন নিজের অবস্থান এবং তিনি সফলও হলেন। রিক্ত হস্তে আসা একজন সাহাবি ওই সময়ে সম্পূর্ণ নতুন একটা পরিবেশে এসে ব্যবসা-বাণিজ্য করে স্বর্ণ দিয়ে মোহরানা পরিশোধ করে বিয়ে করছে— মদীনার আনসারদের নিকটও তা ভারি আশ্চর্যের ছিলো বটে!

হালাল উপার্জনের মাধ্যমে আমরা যারা বড় হতে চাই, নিজের একটা অবস্থান তৈরি করতে চাই, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ আমাদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণার নাম! তিনি দুনিয়া অর্জন করেছেন, কিন্তু হারিয়ে ফেলেননি অনন্ত সুখের আখিরাত। কেমন তাকওয়াবান, ঈমান আর আমলদার হলে নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে দুনিয়াতেই জান্নাত লাভের নিশ্চয়তা প্রদান করেন, ভাবা যায়?

দুনিয়াকে খুঁজতে কোন অসুবিধে নেই তা যদি আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতো হয়।

[ লিখছি 'বেলা ফুরাবার আগে-২'। প্রকাশিত হবে ২০২২ বইমেলায়, ইন শা আল্লাহ। ]

02/06/2021

১৩৭টি বিজনেস আইডিয়া, বেছে নিন আপনার স্বপ্নের উদ্যোগ

1. প্যাকেটজাত পণ্য
2. মোবাইল এন্ড কম্পিউটার পার্স
3. অর্গানিক খাদ্য সরবরাহ। মাছ মাংস থেকে শুরু করে শাক সবজি ফলমূল, স্থানীয় উৎপাদিত পন্য শহুরে সরবারহ করা যেতে পারে ।
4. অনলাইনে বই বিক্রি
5. একটার সাথে আর একটার সেইন কানেকশান
6. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রিফাইন করে সেল
7. বোতল রিসাইকেলিং
8. ফরমালিন মুক্ত খাবার উৎপাদন থেকে শুরু করে পৌঁছে দেয়া
9. আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস তৈরী করা
10. Cosmetics
11. Handcraft
12. বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার
13. চা বাগানে কি কি বিজনেস সার্ভিস দেয়া যায়...
14. Export and Import
15. ঘি
16. মসলা জাতীয় গাছের চাষ
17. চকবাজার থেকে প্রডাক্টস কিনে
18. মাছ একোরিয়ামে
19. ইট
20. তাঁতের পোশাক শিল্প
21. ফুল
22. হোম মেড বিভিন্ন খাবারের আইটেম
23. অনলাইন ট্রেনিং সেন্টার: আইটি
24. চট্টগ্রাম পাহারী অন্চল থেকে হলুদ, মরিচ, পেয়াজ নিয়ে এসে ঢাকাতে বিক্রি করা,
25. ফ্রেস জুস
26. গিফট আইটেম
27. বিনোদন পার্ক
28. বাচ্চাদের যত আইটেম
29. অটো কার ওয়াশ
30. ইন্টরিয়র ডিজাইন
31. গ্যারেজ
32. কাগজের বাক্স, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ও তৈরি
33. পার্লার
34. কুরিয়ার বিজনেস
35. গহনা
36. সিরামিক টাইলস
37. ফার্নিচার
38. দেশি মুরগীর খামার
39. প্লাস্টিক থেকে সুতা
40. ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাস তৈরি
41. ট্রাভেল এবং ট্যুরিজম ব্যবসা
42. ডিটারজেন্ট
43. এলোব্যারা ও মাশরুম চাষ
44. ফুড কার্ট
45. এগ্রো ফার্ম
46. মসল্লার চাষ
47. সবজি রপ্তানি
48. ফল রপ্তানি
49. মাছ রপ্তানি
50. লাইভ ফিস
51. নিজ জেলায় ডাক্তার এপায়ন্টমেন্ট এপস
52. নিজ জেলায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি
53. ককংক্রিটের ব্যবসা
54. ফুলের চাষ
55. তাত নিয়ে কাজ
56. হোম মেড খাবার নিয়ে কাজ
57. আইস্ক্রিম তৈরি
58. হাসের খামার
59. মুরগীর খামার
60. কবুতরের খামার
61. বায়োগ্যাস
62. কয়েলের ব্যবসা
63. মোমবাতি তৈরি
64. গিফট আইটেম সেল
65. বেবী খেলনা ইম্পোর্ট করা
66. নিজ জেলায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
67. স্যানেটারি ন্যাপকিন
68. কসমেটিক্স ইম্পোর্ট
69. নিজ থানায় বাচ্চাদের আইটেম নিয়ে দোকান
70. ডেইরি ফার্ম
71. জুয়েলারি ব্যবসা
72. কার ওয়াশ
73. লন্ড্রি অনলাইন সার্ভিস
74. ইন্টরিয়ার ডিজাইন
75. ইলিশ মাছের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে খাবারের দোকান
76. নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি
77. কাগজের ব্যাগ তৈরি
78. কাগজের প্যাকেট তৈরি
79. প্রিন্টিং ব্যবসা
80. স্টক লটের ব্যবসা
81. আধুনিক ফার্মেসী
82. গুড়া মসল্লার ব্যবসা
83. ফার্নিচার তৈরি
84. ফার্নিচার হোলসেল
85. চিড়ার ফ্যাক্টরি
86. মুড়ির ফ্যাক্টরি
87. সিরামিক টাইলস এর দোকান
88. সিরামিক সামগ্রী
89. বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই ব্যবসা
90. ঠিকাদারি ব্যবসা
91. ম্যান পাওয়ার সাপ্লাই
92. বিভিন্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং
93. চা পাতার ব্যবসা
94. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা
95. কপি শপ
96. ফাস্ট ফুড
97. লেদার নিয়ে কাজ করা
98. নিজ জেলায় বিভিন্ন পণ্য হোলসেল দেওয়া
99. ড্রাগন চাষ
100. খেজুর চাষ
101. নারিকেল চাষ
102. কাকড়া চাষ ও রপ্তানি করা
103. ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি
104. ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্ট
105. চকলেটের দোকান
106. চকলেট ইম্পোর্ট করা
107. বেকারি ব্যবসা
108. পুরাতন ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবসা
109. বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন সরজামাদি সাপ্লাই দেওয়া
110. শোপিস তৈরির ব্যবসা
111. নিজ এলাকায় আইটি ফার্ম
112. অনলাইনে রেল, এয়ার ও বাসের টিকেট ব্যবসা
113. স্পোর্টস আইটেমের দোকান
114. স্কুল ব্যাগের ব্যবসা
115. আধা রসুনের পেষ্ট তৈরি
116. পটেটো চিপস তৈরি
117. ডেলিভারি ম্যান বা সিকিউরিটি বয় সার্ভিস
118. এপসের মাধ্যমে ক্লিনার ও কাজের বুয়া সার্ভিস
119. ডিম উৎপাদনে মুরগির খামার
120. চেইন শপের ব্যবসা
121. মৌমাছি পালন
122. সেলুন ব্যবসা
123. একুরিয়াম শপ
124. খাতা বানানোর কারাখানা
125. মানি ব্যাগ তৈরি
126. ডে-কেয়ার সার্ভিস
127. বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী
128. ঝিনুক থেকে চুন
129. বিভিন্ন ফলের বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
130. সবজির বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
131. জিম আইটেম সেল
132. জিমনিসিয়াম দেওয়া নিজ এলাকায়
133. পার্লার ব্যবসা
134. জি আই পাইপ তৈরি
135. মিনি সুগার মিল
136. আটা, ময়দা ও সুজির মিল
137. সয়াবিন রিফাইন

আপনার কোনটা?

ও ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া:
ব্যবসা? পুঁজি লাগবে না? না, এই অনলাইনের যুগে একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকেন পুঁজি ছাড়াই আজ থেকেই আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া।

০১. এসইও কনসালটেন্ট : আপনি কি সার্চ ইঞ্জিনের বিষয়ে অভিজ্ঞ? মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানেন; কিন্তু কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে অনলাইনেই শুরু করুন এসইও সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা আপনার পরামর্শ নেওয়ার জন্য বসে আছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটে এমন কাজ পাবেন। না হলে সোজা গুগল সার্চ দিন।

০২. বিজনেস প্রশিক্ষণ : আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতেই পারে। কিন্তু পয়সার অভাবে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না। আপনার এই অভিজ্ঞতা বসে বসে নষ্ট করার কোন মানে নেই।
অনলাইনে এমন অনেককে পাবেন যারা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছে। লিংকডইনে যান, সেখানে আপনি ব্যবসা সংক্রান্ত আর্টক্যাল লিখতে পারবেন। এর দ্বারা সেখানে আপনি অনেক ক্লায়েন্ট পাবেন। তাদের সদুপদেশ দিয়ে নিজের মেধা এবং অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে টু-পাইস ইনকাম তো আছেই।

০৩. স্পেশালাইজড রিটেইলার : বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন দেশের সব বড় শহরগুলোতেই স্পেশালাইজড শপ বা সুপারশপ আছে। এদের মধ্যে অনেক ছোট বড় প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং বিজনেস শুরু করতে ইচ্ছুক। সেই সব প্রতিষ্ঠানের কোন একটির সঙ্গে চুক্তি করে আপনি তাদের পণ্যসম্ভার দিয়ে একটি অনলাইন শপ চালু করে ফেলতে পারেন। ঘরে বসে হয়ে যান রিটেইলার শপার।

০৪. সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক : তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল সাইটগুলো চরম উত্কর্ষ অর্জন করেছে। জীবনের সব সমস্যার সমাধান যেন হয়ে উঠছে ফেসবুকের মত মাধ্যমগুলো। নিত্য নতুন ফিচারের পাশাপাশি বাড়ছে সোশ্যাল সাইট হ্যাক করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করার মত ঘটনা। আপনার যদি সোশ্যাল সাইটগুলোর ব্যবহারবিধি, নিরাপত্তাসহ ফ্রেন্ড-ফলোয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন ট্রিকস জানা থাকে হবে আপনি হয়ে যেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া কনসাল্টেন্ট। এমনটা করলে অনেক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পেতে পারেন।

০৫. ওয়েব ডিজাইন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস এটা। এখন একটি ছোটখাট প্রতিষ্ঠানও চিন্তা করে তাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন জানা থাকে তবে বসে থাকার কোন মানে নেই। ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে নিজের পোর্টফোলিও পোস্ট করুন। একটি নমুনা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে রাখুন। বাজারদর বিবেচনা করে সাশ্রয়ী পারিশ্রমিক ঘোষণা করুন। আপনাকে আর ঠেকায় কে?

০৬. আবেদনপত্র/কভার লেটার লেখা : আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে অনেক শিক্ষিত মানুষ সুন্দর করে একটি চাকরির আবেদনপত্র লিখতে জানে না। কিন্তু চাকরিক্ষেত্রে একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র কিংবা কভার লেটার অন্যদের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনার এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে লিংকডইন কিংবা সোশ্যাল সাইটগুলোয় এই বিষয়ে ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারেন। ক্লায়েন্ট যে পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।

০৭. টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী : আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারী কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। TaskRabbit কিংবা Zirtual এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

০৮. প্রফেশনাল ফ্রিল্যন্সার : ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অবসর সময়ের কাজকেই আমরা বুঝে থাকি। কিন্তু সময়ের পাশাপাশি ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন প্রচুর বেকার তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংকে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। আপনি চাইলে পার্টটাইম কাজও করতে পারেন। বেকার বসে না থেকে আজই যুক্ত হোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে।

০৯. অনলাইন মার্কেটিং : আপনি যদি আমাজানের মত সাইটগুলোতে পণ্যের রিভিউ লেখায় অভ্যস্ত থাকেন তবে এখনই তা বন্ধ করুন। কারণ বিনামূল্যে কেন আপনি কোন পণ্যের মার্কেটিং করবেন? ওয়ার্ড অব মাউথ-এর মত অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের প্রোডাক্ট অনলাইনে প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দেবে। আপনার যদি প্রচুর ফলোয়ার সমৃদ্ধ সাইট কিংবা সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে তো সোনায় সোহাগা। আজই লেগে যান কাজে।

১০. ই-বুক লেখক : আপনার লেখালেখির হাত, ভাষার দক্ষতা এবং টাইপিং স্পীড যদি ভাল থাকে তবে আপনি অনায়াসে একজন ই-বুক রাইটার হতে পারেন। এটি অনেক সহজ একটা কাজ। ই-বুকের চাহিদা এত পরিমাণে বাড়ছে যে ই-বুক রাইটার খুঁজতে পাবলিকেশন্সগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অনলাইনে এমন গ্রাহক খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।

১১. প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান : অনেক ছোটখাট কোম্পানী আছে যাদের কোন আইটি স্পেশালিস্ট নেই। তাদের প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে বাইরের লোক ডাকতে হয়। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বসেই শুরু করতে পারেন প্রযুক্তগত পরামর্শ প্রদান। সমস্যা হলে তারা আপনাকে জানাবে এবং আপনি ঘরে বসেই সমাধান দিয়ে দেবেন। আর কী চাই?

১২. ভার্চুয়াল চালান : শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই কাজটি আপনি নিজেই অহরহ করে থাকেন ব্যাংক কিংবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে গুগল চেকআউটের মত ট্রানজেকশন হ্যান্ডল করতে পারেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অনলাইন চালানসমূহ অর্গানাইজ করার জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে। আপনি তাদের সাইট থেকে পণ্যের ছবি বিবরণ কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে আনুন। তারপর নির্দিষ্ট আর্থিক চুক্তির বিনিময়ে নেমে পড়ুন পণ্য বিক্রয়ে।

১৩. হস্তশিল্প বিক্রেতা : অটোমেটিক মেশিনের যুগে হস্তশিল্পের কদর মোটেই কমেনি। বরং প্রচারের অভাবে এই প্রাচীণ শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। আপনি এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন। তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে বিক্রি করবেন। গ্রাহকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনি কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন তাদের কাছে।

১৪. অ্যাপ ডেভলপার : স্মার্টফোনের যুগে অ্যাপের ছড়াছড়ি। মানুষ এখন কম্পিউটারে বসে সাইট ব্রাউজ করার চাইতে স্মার্টফোন অ্যাপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে আগ্রহী। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভাল জেনে থাকেন তবে লেগে পড়ুন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন সফওয়্যার ডেভলপার কোম্পানীও অনলাইনে ডেভলপার চায়। প্রথমে নিজে একটি আকর্ষণীয় অ্যাপ তৈরি করে নমুনা হিসেবে দেখান এবং যৌক্তিক পারিশ্রমিক দাবি করুন। আপনার কাজ পাওয়া নিশ্চিত।



#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প

Address

North Dhanmondi
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উদ্যোক্তা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share