Nutritionist Saima Jahan

Nutritionist Saima Jahan Assalamuwalaikum
I am a Nutritionist at Salauddin Specialized Hospital and
Popular Diagnostic Center, Jatrabari
For appointment please inbox
(3)

🌟 Welcome to Saima Jahan Nutrition Consultancy! 🌟

👩‍⚕️ About Me:
I am Saima Jahan, a dedicated nutrition consultant and dietitian committed to promoting optimal health and well-being through personalized dietary guidance. With a passion for helping individuals of all ages, I specialize in clinical nutrition consultancy, tailoring plans to meet specific dietary requirements and address various hea

lth conditions.

📚 Expertise:
With extensive knowledge and experience in nutrition science, I provide evidence-based recommendations to support your unique nutritional needs. Whether you're seeking guidance for weight management, disease management, or simply looking to adopt a healthier lifestyle, I am here to empower you with the tools and knowledge you need to succeed.

🔍 Services:
My consultancy services encompass a wide range of areas, including but not limited to:

-Weight Management
-Personalized meal planning
-Nutritional assessments
-Dietary counseling for specific health conditions (e.g., diabetes, heart -disease, CKD, gastrointestinal disorders)
-Pediatric / Child nutrition
-Pregnancy Diet Chart
-Lactating Diet Chart
-Nutritional education and counseling

💬 Let's Connect:
I believe that good nutrition is the cornerstone of good health, and I'm here to guide you every step of the way on your journey to better health and nutrition. Feel free to reach out for a consultation or simply to ask any questions you may have. Together, we can achieve your health and wellness goals!

প্রজেস্টেরন কম থাকলে কী কী লক্ষণ দেখা যেতে পারে?প্রজেস্টেরনকে “প্রেগন্যান্সি হরমোন” বলা হয়।কারণ ওভ্যুলেশনের পর প্রজেস্টে...
29/08/2026

প্রজেস্টেরন কম থাকলে কী কী লক্ষণ দেখা যেতে পারে?

প্রজেস্টেরনকে “প্রেগন্যান্সি হরমোন” বলা হয়।
কারণ ওভ্যুলেশনের পর প্রজেস্টেরনের মাত্রা বাড়ে এবং জরায়ুর ভেতরের আবরণকে ভ্রূণ স্থাপনের জন্য উপযোগী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শুধু তাই নয়, প্রজেস্টেরন—
• ভ্রূণ জরায়ুতে সঠিকভাবে স্থাপনে সহায়তা করে
• গর্ভাবস্থার শুরুটা ধরে রাখতে সাহায্য করে
• মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে
• স্বাভাবিক প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
তাই পর্যাপ্ত প্রজেস্টেরন না থাকলে গর্ভধারণ করা বা গর্ভধারণের পর তা ধরে রাখা কিছু ক্ষেত্রে কঠিন হতে পারে। এবং কিছু ক্ষেত্রে গর্ভধারনে প্রথম দিকে যে মিছক্যারেজ হয় তা প্রজেস্টেরন ঘাটতির কারনেই হয়ে থাকে।

প্রজেস্টেরন কম থাকলে কী কী লক্ষণ দেখা যেতে পারে?

• মাসিকের কয়েকদিন আগে বাদামি রঙের স্পটিং
• মাসিক চক্র অস্বাভাবিকভাবে ছোট হওয়া
• নিয়মিত ওভ্যুলেশন না হওয়া
• ওভ্যুলেশনের পর শরীরের তাপমাত্রায় প্রত্যাশিত পরিবর্তন না দেখা
• গর্ভধারণে সমস্যা হওয়া
• গর্ভধারণের পর বারবার সমস্যা হওয়া

প্রজেস্টেরন সাপোর্ট করতে কী কী বিষয় গুরুত্বপূর্ণ?
১। প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে ওভ্যুলেশন হচ্ছে কি না।
কারণ প্রজেস্টেরন মূলত ওভ্যুলেশনের পর তৈরি হয়। তাই শুধু প্রজেস্টেরন বাড়ানোর চেষ্টা না করে, ওভ্যুলেশন ঠিকমতো হচ্ছে কি না সেটি বোঝা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২। পর্যাপ্ত ক্যালরি গ্রহণ করুন।
অতিরিক্ত কম খাওয়া, দীর্ঘদিন খুব কম ক্যালরির ডায়েট করা বা শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় কম খাবার গ্রহণ হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। আমি আমার প্র‍্যাক্টিসে অনেক আপুকে দেখতে পাই যে তারা ডায়েট করতে গিয়ে এতো কম ক্যালোরি ইন্টেক করে যে তা তাদের পরবর্তীতে হরমোন কে ইমব্যালেন্স করে দেউ
তাই পর্যাপ্ত—
• প্রোটিন
• গুশ ফ্যাট
• কার্বোহাইড্রেট
• ভিটামিন ও মিনারেল নিশ্চিত করা জরুরি।

৩। ঘুম ও স্ট্রেসকে গুরুত্ব দিন।
নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম এবং দীর্ঘমেয়াদি স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করা সামগ্রিক হরমোনাল স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ঘুমের ঘাটতি এবং অতিরিক্ত কঠোর ব্যায়াম—বিশেষ করে পর্যাপ্ত খাবার না খেলে—প্রজনন হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে।

৪। প্রজেস্টেরন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করুন।
খাদ্যতালিকায় ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি৬, জিঙ্ক, কপারসহ বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এবং পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের সাহায্যে এসব নিউট্রিয়েন্ট খাবারে যুক্ত করতে হবে / সাপ্লিমেন্ট আকারে নিতে হবে।

৫। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রজেস্টেরন ব্যবহার করা যেতে পারে।
কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চিকিৎসক প্রজেস্টেরন সাপোর্ট দিতে পারেন।
কিন্তু নিজে থেকে প্রজেস্টেরন শুরু করা উচিত নয়।
কখন শুরু করতে হবে, কত ডোজে নিতে হবে এবং আদৌ প্রয়োজন আছে কি না—এসব নির্ভর করে ব্যক্তির ওভ্যুলেশন, মাসিক চক্র, গর্ভধারণের ইতিহাস এবং অন্যান্য হরমোনাল ও মেডিকেল অবস্থার ওপর।

এবং চেষ্টা করুন লক্ষণ মিলে গেলে গর্ভধারন প্ল্যানের আগেই প্রজেস্টেরন টেস্ট করার।

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী

খুব ছোট বয়স থেকেই টিউশন শুরু করেছিলাম। তখন আমার পুরো দিন কাটত একের পর এক ক্লাস নিতে নিতে।  স্টুডেন্ট  লাইফে এ ভীষণ স্ট্র...
28/08/2026

খুব ছোট বয়স থেকেই টিউশন শুরু করেছিলাম। তখন আমার পুরো দিন কাটত একের পর এক ক্লাস নিতে নিতে। স্টুডেন্ট লাইফে এ ভীষণ স্ট্রাগল করেছি।
কখনো কখনো এতটাই টায়ার্ড হয়ে যেতাম যে মনে হতো—সব ছেড়ে দিই, বাসায় থাকব।
কিন্তু আজ, প্রায় ৩ বছর হলো টিউশন ছেড়েছি। এখন পেছনে ফিরে তাকালে বুঝতে পারি, সেই সময়টায় আমি শুধু স্টুডেন্ট দের পড়াইনি—অজান্তেই অনেকগুলো মানুষের জীবনের সঙ্গে একটা সম্পর্ক তৈরি করে ফেলেছিলাম।
আযান হওয়ার পর আমার বাসায় বেশ কিছু স্টুডেন্ট এসেছে। প্রায় সবার হাতেই আযানের জন্য কোনো না কোনো গিফট ছিল।
সবচেয়ে অবাক হয়েছি তাদের দেখে, যাদের আমি ৫–৬ বছর আগে পড়িয়েছি। এত বছর পরও তারা আমাকে মনে রেখেছে, আমার ছেলেকে দেখতে এসেছে—এটা একজন টিচার হিসেবে আমার জন্য সত্যিই অনেক বড় পাওয়া।
তাদের মধ্যে একজন হলো আসলিরাফ।
আমার সবচেয়ে ছোট স্টুডেন্ট ছিল ও। সত্যি বলতে, এত ছোট স্টুডেন্ট আমি সাধারণত পড়াতাম না। ওকে পড়িয়েছিলাম অনেকটা মায়া আর আদর থেকেই।
আর আজ সেই ছোট্ট ছেলেটা ক্লাস ৮ এ পড়ে!
সময় যে এত দ্রুত চলে যায়, ওকে দেখে সেটা আবার বুঝলাম।
আযান হওয়ার পর ও আমাকে নক করে বলেছিল—
“Miss, আমি আযানকে দেখতে আসব।”
তারপর নিজের জমানো টাকা ভেঙে আযানের জন্য গিফট কিনে নিয়ে এসেছে।
এমনকি গিফট দেয়ার জন্য এত এক্সাইটেড ছিল যে আমাকে বলেছে, স্কুলl নাকি বাদ দিয়ে গিফট কিনতে গেছে! 😂🤭

একটা ছোট্ট ছেলে, যার বয়স কি না ১৩ কি ১৪ সে, নিজের জমানো টাকা থেকে, আমার বাচ্চার জন্য কিছু কিনে এনেছে- এই ভালোবাসার আর্থিক কোনো মূল্য হয় না।
আযানের গিফটে এখন আমার পুরো ঘর ভরে গেছে। ছোট-বড় কত মানুষ, কত রকমের ভালোবাসা নিয়ে এসেছে আমার বাবুর জন্য!

আজ আমার হাজবেন্ড এইসব দেখে আমাকে বলল—
“তুমি আসলে অনেক ব্লেসড । এই জীবনে তুমি অনেক মানুষের ভালোবাসা পেয়েছো।”
সত্যি তো, এই এক জীবনে আর কি চাই 🥰

- Nutritionist Saima Jahan

28/08/2026

৩১ অক্টোবর, ২০২৫!
প্রায় ৬০+ নিউট্রিশনের স্টুডেন্ট নিয়ে করেছিলাম সেমিনার, তার কিছু অংশ -
হরমোনাল সুপার ফুড 👇

অনেক মেয়েরই এমন হয় শুধু পিল খেলে পিরিয়ড হয়, আর পিল বন্ধ করলেই আবার পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়। এটা কিন্তু আপনার স্বাভাবিক পিরিয়...
27/08/2026

অনেক মেয়েরই এমন হয় শুধু পিল খেলে পিরিয়ড হয়, আর পিল বন্ধ করলেই আবার পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়। এটা কিন্তু আপনার স্বাভাবিক পিরিয়ড না। এটাকে বলা হয় “উইথড্রয়াল ব্লিডিং”।

অর্থাৎ, পিল বন্ধ করার পর যে bleeding হয়, সেটি অনেক ক্ষেত্রেই শরীরের স্বাভাবিক ovulation-এর কারণে হয় না।
এই কারণেই অনেকেই ভাবেন - “আমার পিরিয়ড ঠিক হয়ে গেছে”
কিন্তু বাস্তবে underlying hormonal imbalance তখনও থেকে যেতে পারে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
শুধু এভাবে bleeding হওয়া মানেই আপনার cycle regular হয়ে গেছে এমন না। অনেক ক্ষেত্রে পিল বন্ধ করার পর আবার আগের মতোই—
পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায় এবং cycle irregular হয়ে যায়, symptoms আবার ফিরে আসে কারণ মূল সমস্যা তখনও ভেতরে থেকেই যায়।
পিসিওএস শুধু পিরিয়ডের সমস্যা না। এটি একটি hormonal এবং metabolic condition।যার সাথে জড়িত থাকতে পারে- ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স,প্রদাহ,androgen hormone imbalance,blood sugar dysregulation এই কারণেই শুধু পিরিয়ড আনলেই সব symptoms ঠিক হয়ে যায় না।
অনেক মেয়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়- ওজন বাড়ছে, মুখে লোম হচ্ছে
, চুল পড়ছে, ব্রণ বাড়ছে,পিরিয়ড irregular,conceive করতে সমস্যা হচ্ছে কিন্তু treatment শুধুমাত্র bleeding আনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

তবে এর মানে এটাও না যে medication কখনো প্রয়োজন হয় না।
কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসক medication prescribe করতে পারেন।
তবে শুধুমাত্র pill-এর উপর নির্ভর করে long term hormonal health ঠিক রাখা অনেক সময় সম্ভব হয় না যদি lifestyle একই রকম থাকে।

(ছবিতে আমার স্টুডেন্ট দের মহিলাদের পুরো মেনস্ট্রুয়াল সিস্টেম বুঝাচ্ছিলাম)

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী

পিসিওএস/পিএমওএস এ যেসব অভ্যাসগুলো উপকারী হতে পারে - ১। মায়ো-ইনোসিটল + ডি-কাইরো-ইনোসিটলপ্রয়োজনে ৪০:১ অনুপাতে মায়ো-ইনোসিটল...
27/08/2026

পিসিওএস/পিএমওএস এ যেসব অভ্যাসগুলো উপকারী হতে পারে -

১। মায়ো-ইনোসিটল + ডি-কাইরো-ইনোসিটল
প্রয়োজনে ৪০:১ অনুপাতে মায়ো-ইনোসিটল ও ডি-কাইরো-ইনোসিটল ব্যবহার করা যেতে পারে। শুধু মায়ো ইনোসিটল অথবা শুধু ডি কাইরো ইনোসিটল নেওয়ার চেয়ে কম্বিনেশনটি অনেক ক্ষেত্রে বেশি উপযোগী।

২। স্পিয়ারমিন্ট টি
দিনে ২ বার স্পিয়ারমিন্ট টি নেওয়া কিছু নারীর ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রোজেন-সম্পর্কিত উপসর্গ কমাতে সহায়ক। তবে অথেন্টিক পেইজ দেখে নিবেন।

৩। রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিংকে গুরুত্ব দিন
শুধু কার্ডিও নয়, রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিংও জরুরি। পেশি গ্লুকোজ ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত করতে সাহায্য করে।

৪। ঘুমের সময় নিয়মিত রাখুন
শুধু কত ঘণ্টা ঘুমাচ্ছেন তা নয়, প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম কর্টিসল ও মেটাবলিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

৫। প্রতিবার খাবারের পর ১০–১৫ মিনিট হাঁটুন
খাবারের পর হালকা হাঁটা পোস্টপ্রান্ডিয়াল গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রমের একটি সহজ উপায়।

৬। ওমেগা-৩
প্রয়োজনে ইপিএ ও ডিএইচএ সমৃদ্ধ ওমেগা-৩ নেওয়া যেতে পারে। তবে ডোজ ব্যক্তির খাদ্যাভ্যাস, প্রয়োজন ও স্বাস্থ্যগত অবস্থার ওপর নির্ভর করবে।

৭। ম্যাগনেসিয়াম
পিসিওএস এ ম্যাগ্নেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট অনেক ক্ষেত্রেই গেইম চেঞ্জার হিসেবে কাজ করে। ঘুমের জন্য / স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এ আমি আমার পেশেন্ট দের সাজেস্ট করে থাকি।

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার যাত্রাবাড়ী
সালাউদ্দীন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল ওয়ারী

এখন কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট এর খুব হাইপ,  সবাই চায় তার স্কিন,  হেয়ার থাকুক লাবন্যময় সব সময়। আর কোলাজেনের কথা বললে সাধারণত আম...
26/08/2026

এখন কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট এর খুব হাইপ, সবাই চায় তার স্কিন, হেয়ার থাকুক লাবন্যময় সব সময়।

আর কোলাজেনের কথা বললে সাধারণত আমরা বোন ব্রথ, ডিমের সাদা অংশ বা কোলাজেন সাপ্লিমেন্টের কথা ভাবি।
কিন্তু আপনি যদি আপনার ত্বক, জয়েন্ট, কার্টিলেজ এবং শরীরের সংযোজক টিস্যুর জন্য কোলাজেন সাপোর্ট আরও ভালো করতে চান, তাহলে খাবারের উৎসের দিকেও নজর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমে একটি বিষয় জানা দরকার- উদ্ভিদজাত খাবার থেকে সরাসরি কোলাজেন পাওয়া যায় না। কারণ কোলাজেন একটি প্রাণিজ প্রোটিন।
তবে উদ্ভিদজাত খাবারে এমন কিছু পুষ্টি উপাদান থাকে, যেমন ভিটামিন সি, যা শরীরের নিজস্ব কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।এ কারণেই কোলাজেন তৈরির জন্য শুধু কোলাজেন নয়, পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন সি, জিঙ্ক, কপারসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন।

আবার, মাংস খেলেই প্রচুর কোলাজেন পাওয়া যাবে—এমন নয়। মাংস মূলত আপনাকে প্রোটিন ও বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড দেয়।অন্যদিকে শরীরের মোট প্রোটিনের একটি বড় অংশ কোলাজেন দিয়ে গঠিত, কারণ কোলাজেন শরীরের অন্যতম প্রধান স্ট্রাকচারাল প্রোটিন।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কোলাজেন তৈরির হার ধীরে ধীরে কমতে থাকে।তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ইলাস্টিসিটি কমে যাওয়া, বলিরেখা দেখা দেওয়া, জয়েন্টের সমস্যা ইত্যাদি হতে পারে।
আর অতিরিক্ত আল্ট্রা-প্রসেসড খাবার, অতিরিক্ত চিনি এবং সামগ্রিকভাবে দুর্বল খাদ্যাভ্যাস শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও গ্লাইকেশন বাড়াতে পারে, যা কোলাজেনের গঠন ও কার্যকারিতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাহলে কোলাজেনের ভালো খাবার কোনগুলো?

১। মুরগির পা
মুরগির পায়ে কোলাজেন ও অন্যান্য কানেক্টিভ টিস্যু প্রচুর থাকে।
এগুলো ভালোভাবে রান্না বা স্যুপের মাধ্যমে খেলে কোলাজেন ও অ্যামাইনো অ্যাসিড পাওয়া যেতে পারে।

২। মাছের চামড়া
মাছের চামড়া কোলাজেনের একটি ভালো উৎস।তাই মাছ রান্না করার সময় চামড়া ফেলে না দিয়ে নিরাপদভাবে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে।

৩। বিফ টেনডন
বিফ টেনডনে কোলাজেনসমৃদ্ধ কানেক্টিভ টিস্যু থাকে।ভালোভাবে রান্না করে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।

৪। বোন ব্রথ
হাড় ও কানেক্টিভ টিস্যু দীর্ঘসময় রান্না করলে কোলাজেন ও অন্যান্য উপাদান ব্রথে আসতে পারে।তবে বোন ব্রথকে কোনো ম্যাজিক ফুড হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই।এটি একটি কোলাজেনসমৃদ্ধ খাবারের অংশ হতে পারে মাত্র।

তবে,
শরীরের নিজস্ব কোলাজেন তৈরির জন্য প্রয়োজন—
পর্যাপ্ত প্রোটিন + ভিটামিন সি + জিঙ্ক + কপার + পর্যাপ্ত ঘুম + নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম + ভালো সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস।
আর মনে রাখবেন- কোলাজেন শুধু ত্বকের জন্য নয়।
এটি আপনার- ত্বক, হাড়, জয়েন্ট, কার্টিলেজ, টেনডন, রক্তনালী ও বিভিন্ন কানেক্টিভ টিস্যুর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তাই কোলাজেনের জন্য একটি নির্দিষ্ট খাবার / সাপ্লিমেন্ট এর পেছনে না ছুটে, বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবারকে আপনার নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের অংশ করুন।

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দীন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী

26/08/2026
AMH কমে যাওয়ার কারন গুলো কি কি?  সাধারণত জন্মের সময় একজন মেয়ের ডিম্বাশয়ে প্রায় ১০–২০ লাখ অপরিণত ডিম্বাণু থাকে। আর জন্মের...
26/08/2026

AMH কমে যাওয়ার কারন গুলো কি কি?

সাধারণত জন্মের সময় একজন মেয়ের ডিম্বাশয়ে প্রায় ১০–২০ লাখ অপরিণত ডিম্বাণু থাকে। আর জন্মের পর নতুন করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ডিম্বাণু তৈরি হয় না।এরপর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর রিজার্ভ স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে।
বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর সময় এই সংখ্যা কমে প্রায় ৩–৪ লাখের মতো হতে পারে।

প্রতি মাসে ডিম্বাশয়ে থাকা অনেকগুলো ছোট ফলিকল বিকাশের জন্য বাছাই হয়।সাধারণত এর মধ্যে একটি ফলিকল পরিপক্ব হয়ে ওভুলেশনের মাধ্যমে ডিম্বাণু ছাড়ে। কিন্তু বাকি যে ফলিকলগুলো বাছাই হয়েছিল, সেগুলোও সাধারণত নষ্ট হয়ে যায়।প্রতি মাসে শুধু ১টি ডিম্বাণু কমে এমন নয়।বাস্তবে প্রতি মাসে অনেক বেশি ফলিকল স্বাভাবিকভাবে হারিয়ে যায়।

আর এএমএইচ ছোট ছোট ফলিকল থেকে তৈরি হয়।তাই ডিম্বাশয়ে ছোট ফলিকলের সংখ্যা সম্পর্কে এএমএইচ আমাদের একটি ধারণা দিতে পারে।যখন ওভারিয়ান রিজার্ভ কমতে থাকে, তখন ছোট ফলিকলের সংখ্যাও কমতে পারে এবং এর সঙ্গে এএমএইচ-এর মাত্রাও কমে যেতে পারে।
বেশ কিছু কারনে AMH কমতে থাকে -

বয়স : বয়স বাড়ার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই ওভারিয়ান রিজার্ভ কমতে থাকে।

ডিম্বাশয়ের সার্জারি:
কিছু ধরনের ওভারিয়ান সার্জারির পর রিজার্ভ কমে যেতে পারে।

এন্ডোমেট্রিওসিস:
কিছু ক্ষেত্রে এন্ডোমেট্রিওসিস ওভারিয়ান রিজার্ভের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন:
কিছু ক্যানসার চিকিৎসা ডিম্বাণুর রিজার্ভ দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে।

ধূমপান ও কিছু টক্সিন:
এগুলোও ওভারিয়ান রিজার্ভের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেনেটিক কারণ:
কিছু নারীর ক্ষেত্রে জেনেটিক কারণেও ওভারিয়ান রিজার্ভ তুলনামূলক দ্রুত কমে যেতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কম এএমএইচ মানেই ডিম্বাণুর কোয়ালিটি খারাপ এমন নয়।এএমএইচ মূলত ওভারিয়ান রিজার্ভ বা ডিম্বাণুর পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা দেয়।এটি সরাসরি ডিম্বাণুর কোয়ালিটি মাপার পরীক্ষা নয়।তাই শুধু এএমএইচ কম দেখেই ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই।এএমএইচ কম মানে মূলত ওভারিয়ান রিজার্ভ কমে আসার ইঙ্গিত এটি একা আপনার ফার্টিলিটি বা ডিম্বাণুর কোয়ালিটি নির্ধারণ করে না।

আবার খুব কম বয়সী অনেক নারীদের ও Low AMH রিপোর্ট নিয়ে আমার কাছে আসতে দেখি।বয়স কম মানেই যে সবার Ovarian Reserve একই থাকবে, বিষয়টি এমন নয়। কিছু নারীর ক্ষেত্রে বয়সের তুলনায় Ovarian Reserve কম থাকতে পারে। এর পেছনে জেনেটিক কারণ, Endometriosis, Ovarian Surgery, কিছু Medical Treatment, শ্মকিং সহ বিভিন্ন কারণ ভূমিকা রাখতে পারে। আবার অনেক সময় নির্দিষ্ট কোনো কারণও পাওয়া যায় না।

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার যাত্রাবাড়ী

নোটিশ : চেম্বার শুরু - সালাউদ্দীন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী = ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবা...
25/08/2026

নোটিশ :
চেম্বার শুরু -
সালাউদ্দীন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী = ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী = ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিরিয়াল দিয়ে আসবেন,
ডিটেইলস থাকছে কমেন্ট বক্সে 👇
★ অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য পেইজে নক করবেন★

Address

44/A, Hatkhola Road
Dhaka
1203

Opening Hours

Monday 17:00 - 20:00
Tuesday 17:00 - 20:00
Wednesday 17:00 - 20:00
Thursday 17:00 - 20:00
Saturday 17:00 - 20:00
Sunday 17:00 - 20:00

Telephone

+8801854190604

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Saima Jahan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nutritionist Saima Jahan:

Shortcuts

Share

Category