Nutritionist Saima Jahan

Nutritionist Saima Jahan Assalamuwalaikum
I am a Nutritionist at Salauddin Specialized Hospital and
Popular Diagnostic Center, Jatrabari
For appointment please inbox
(4)

🌟 Welcome to Saima Jahan Nutrition Consultancy! 🌟

👩‍⚕️ About Me:
I am Saima Jahan, a dedicated nutrition consultant and dietitian committed to promoting optimal health and well-being through personalized dietary guidance. With a passion for helping individuals of all ages, I specialize in clinical nutrition consultancy, tailoring plans to meet specific dietary requirements and address various hea

lth conditions.

📚 Expertise:
With extensive knowledge and experience in nutrition science, I provide evidence-based recommendations to support your unique nutritional needs. Whether you're seeking guidance for weight management, disease management, or simply looking to adopt a healthier lifestyle, I am here to empower you with the tools and knowledge you need to succeed.

🔍 Services:
My consultancy services encompass a wide range of areas, including but not limited to:

-Weight Management
-Personalized meal planning
-Nutritional assessments
-Dietary counseling for specific health conditions (e.g., diabetes, heart -disease, CKD, gastrointestinal disorders)
-Pediatric / Child nutrition
-Pregnancy Diet Chart
-Lactating Diet Chart
-Nutritional education and counseling

💬 Let's Connect:
I believe that good nutrition is the cornerstone of good health, and I'm here to guide you every step of the way on your journey to better health and nutrition. Feel free to reach out for a consultation or simply to ask any questions you may have. Together, we can achieve your health and wellness goals!

ফার্টিলিটি কোয়ালিটি সেলফ চেকলিস্ট : প্রতিটি স্বাস্থ্যকর উত্তরের জন্য নিজেকে ১ নম্বর দিন।১। আপনার মাসিক কি নিয়মিত?২। প্রত...
23/05/2026

ফার্টিলিটি কোয়ালিটি সেলফ চেকলিস্ট :

প্রতিটি স্বাস্থ্যকর উত্তরের জন্য নিজেকে ১ নম্বর দিন।

১। আপনার মাসিক কি নিয়মিত?

২। প্রতি মাসে ওভুলেশনের লক্ষণ পান?
(যেমন স্বচ্ছ স্রাব বৃদ্ধি, মাঝামাঝি সময়ে হালকা ব্যথা)

৩। আপনার ওজন কি স্বাস্থ্যকর সীমার মধ্যে আছে?

৪। প্রতিদিন পর্যাপ্ত প্রোটিন খান?

৫। সপ্তাহে অন্তত ৪–৫ দিন হাঁটা বা শরীরচর্চা হয়?

৬। আপনার ঘুম কি ভালো হয়?

৭। মানসিক চাপ কি নিয়ন্ত্রণে থাকে?

৮। আপনার ভিটামিন ডি লেভেল ৩০ এর বেশি ?

৯। আয়রন / ফেরিটিন লেভেল কি ভালো?

১০। অতিরিক্ত ব্রণ, মুখে লোম বা চুল পড়ার সমস্যা নেই?

১১। রক্তে শর্করা বা ইনসুলিনের সমস্যা নেই?

১২। অতিরিক্ত পেট ফাঁপা বা গাটের সমস্যা নেই?

১৩। আপনার পার্টনারের বীর্য পরীক্ষার রিপোর্ট কি স্বাভাবিক?

১৪। তীব্র পেলভিক ব্যথা বা ইনফেকশনের history নেই?
(এখানে “না” হলে ১ নম্বর পাবেন)

১৫। নিয়মিত অতিরিক্ত চিনি, কোমল পানীয় বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খান না?
(এখানেও “না” হলে ১ নম্বর পাবেন)

আপনার স্কোর কত??

স্কোর বুঝুন —

১৩–১৫ = খুব ভালো ফার্টিলিটি সাপোর্টিভ পরিবেশ

১০–১২ = কিছু জায়গায় উন্নতি প্রয়োজন

৭–৯ = হরমোন ও লাইফস্টাইল গভীরভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন

০–৬ = কনসিভ করার আগে ফার্টিলিটি সাপোর্ট প্রয়োজন হতে পারে

তবে মনে রাখবেন,
শুধু ওভুলেশন হলেই ফার্টিলিটি optimal হয় না।
ডিম্বাণুর গুণগত মান, হরমোনের ভারসাম্য, পুষ্টির অবস্থা, প্রদাহ, ঘুম এবং জীবনযাপন — সবকিছু একসাথে প্রেগন্যান্সিকে প্রভাবিত করে।

Nutritionist Saima Jahan

ওভুলেশন হলেই প্রেগন্যান্সি হবে -  এই নিশ্চয়তা কেউ আপনাকে দিতে পারবে না। অনেক মেয়েই ভাবেন,“যেহেতু আমার প্রতি মাসেই ওভ্যুল...
22/05/2026

ওভুলেশন হলেই প্রেগন্যান্সি হবে - এই নিশ্চয়তা কেউ আপনাকে দিতে পারবে না। অনেক মেয়েই ভাবেন,
“যেহেতু আমার প্রতি মাসেই ওভ্যুলেশন হচ্ছে, তাহলে নিশ্চয়ই আমি কনসিভ করতে পারবো। কিন্তু ফার্টিলিটি কখনো এত সহজভাবে কাজ করে না।

শুধু ডিম্বাণু বের হওয়াই ফার্টিলিটি না।বরং প্রেগন্যান্সির জন্য পুরো রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমের সঠিকভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

প্রেগন্যান্সির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একসাথে ঠিক থাকা দরকার—

১। ভালো মানের ডিম্বাণু প্রয়োজন।

শুধু ওভ্যুলেশন হলেই হবে না,ডিম্বাণুর গুণগত মানও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ একটি সুস্থ ভ্রূণ তৈরি হওয়ার জন্য healthy egg অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২। স্বাস্থ্যকর শুক্রাণু প্রয়োজন।

শুধু শুক্রাণুর সংখ্যা না,বরং শুক্রাণুর গতি, গঠন এবং গুণগত মানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৩। হরমোনের ভারসাম্যপূর্ণ জরায়ু প্রয়োজন।

শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থাকলে অনেক সময় ওভ্যুলেশন হলেও জরায়ু ইম্পলান্টেশন এর জন্য ঠিকভাবে প্রস্তুত হতে পারে না।

৪। সঠিক implantation support প্রয়োজন।

প্রেগন্যান্সির জন্য শুধু ফার্টিলাইজেশন হলেই হয় না।নিষিক্ত ভ্রূণকে জরায়ুতে সঠিকভাবে attach-ও হতে হয়।

আর এজন্য প্রয়োজন—

• পর্যাপ্ত প্রোজেস্টেরন হরমোন
• রিপ্রোডাক্টিভ অর্গানে ভালো রক্ত চলাচল
• শরীরে কম মাত্রার প্রদাহ

আমি আমার ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রায়ই দেখি—অনেক মহিলার প্রতি মাসেই ওভ্যুলেশন হয়,কিন্তু তারপরও কনসিভ করতে পারেন না।কারণ তারা শুধু দেখছেন ওভ্যুলেশন হচ্ছে কি না, কিন্তু এটাও equally গুরুত্বপূর্ণ— আপনি কত হেলথি ভাবে অভুলেট করছেন।

আপনার ডিম্বাণুর quality কেমন,শরীরে প্রদাহের মাত্রা কেমন,
রক্তে শর্করার ভারসাম্য কেমন,পুষ্টির অবস্থা কেমন,
হরমোনের পরিবেশ কেমন- এসবও fertility-তে বড় ভূমিকা রাখে।

তাই যদি আপনার ওভ্যুলেশন হয়,কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেও প্রেগ্ন্যাসি না হয়,তাহলে বিষয়টি আরও গভীরভাবে মূল্যায়ন করার সময় এসেছে।

“ovulation” লিখে comment করুন,
আমি আপনাকে একটি free fertility quality checklist পাঠিয়ে দেবো।

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার যাত্রাবাড়ী

৭-৮ বছরের শিশু রামিসা কে ধর্ষণ করে তার শরীর কে বিভক্ত করে ফেলা হয়েছে। প্রতিদিন এমন  একের পর এক শিশুনির্যাতন, ধর্ষণ আর সহ...
20/05/2026

৭-৮ বছরের শিশু রামিসা কে ধর্ষণ করে তার শরীর কে বিভক্ত করে ফেলা হয়েছে। প্রতিদিন এমন একের পর এক শিশুনির্যাতন, ধর্ষণ আর সহিংসতার খবর সামনে আসছে। আসলে বাংলাদেশ, মেয়েদের বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ অযোগ্য।
কিছুদিন মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে, আলোচনা হয়, তারপর ধীরে ধীরে সবকিছু থেমে যায়। কয়েকদিন আগে এক ছোট্ট মেয়ের ধর্ষণের খবর ও এসেছিলো যার কিনা প্রথম পিরিয়ড এর আগেই বাচ্চা পেটে চলে আসে, এই ঘটনায় দোষী কে এটা নিয়ে খুব তোলপাড় হলো কিছুদিন! এরপর? এরপর জানিও না আদৌ শাস্তি হলো কিনা, হলেও যে ছোট্ট মেয়েটার এই অবস্থা হয়েছে তার অবস্থা কি উন্নতি হবে? তার তো পুরো জীবন টাই শেষ!
আপনাদের তনুর কথা মনে আছে? তনুর জন্য আমার এখনো হৃদয় পুড়ে! কি নিশংস মৃত্যু!! ওর বিচার ও হলো না!

একজন নারী হিসেবে মাঝে মাঝে খুব ভয় লাগে। আল্লাহ যদি আমাকে কখনো কণ্যা সন্তান দেন এই সন্তান কে আমি আমাকে ছাড়া কারো হাতে কখনো একা ছাড়বো না। কখনো না

দয়া করে আপনার মেয়েশিশুদের আগলে রাখুন।তাদের নিরাপত্তা, তাদের শৈশব- সবকিছু রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। তাদের গুড টাচ, ব্যাড টাচ শিখান।
ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশুদের এমন পরিণতি আর দেখতে চাই না…!

নারীদের জন্য ইস্ট্রোজেন একটি ডায়নামিক হরমোন, এটি পুরো সাইকেল জুড়ে স্বাভাবিকভাবেই ওঠানামা করে।তবে দীর্ঘসময় ইস্ট্রোজেন খুব...
20/05/2026

নারীদের জন্য ইস্ট্রোজেন একটি ডায়নামিক হরমোন, এটি পুরো সাইকেল জুড়ে স্বাভাবিকভাবেই ওঠানামা করে।তবে দীর্ঘসময় ইস্ট্রোজেন খুব কম থাকলে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন—
• ওভুলেশন সমস্যা
• ডিম্বাণুর গুণগত মান কমে যাওয়া
• মাসিক অনিয়মিত হওয়া
• ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস
• মুড চেঞ্জ
• হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া

আর এটি নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, ওভুলেশন, হাড়ের স্বাস্থ্য, ত্বক, মুড এমনকি মেটাবলিজমের সাথেও জড়িত।একজন নারীর পুরো মাসিক চক্র জুড়েই ইস্ট্রোজেনের মাত্রা একই থাকে না।বরং মাসিকের বিভিন্ন ফেজে এর মাত্রা ওঠানামা করে।তাই ইস্ট্রোজেন টেস্ট করার সময় কোন দিনে টেস্ট করা হচ্ছে, সেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

মাসিক শুরু হওয়ার পরের সময়টাকে বলা হয় ফলিকুলার ফেজ।এই সময়ে শরীরে ধীরে ধীরে ইস্ট্রোজেন বাড়তে শুরু করে।ইস্ট্রোজেন বাড়ার সাথে সাথে ডিম্বাশয়ের ফলিকলগুলোও বড় হতে থাকে।এই ফেজে সাধারণত ইস্ট্রোজেনের মাত্রা প্রায় ১০০–৪০০ পিকোমোল/লিটার এর মধ্যে থাকতে পারে।

আবার যদি মাসিকের ২য় বা ৩য় দিনে ইস্ট্রোজেন পরীক্ষা করা হয়,
তাহলে এর মাত্রা তুলনামূলক কম থাকতে পারে।এই সময়ে প্রায় ১২০–১৬০ পিকোমোল/লিটার এর মতো মান দেখা যেতে পারে, যদিও ল্যাবভেদে রেঞ্জ কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

এরপর ওভুলেশনের ঠিক আগে শরীরে ইস্ট্রোজেন দ্রুত বেড়ে যায়।
এটাকে অনেক সময় “ইস্ট্রোজেন সার্জ” বলা হয়।এই সার্জ শরীরকে সংকেত দেয় যে এখন ওভুলেশনের সময়।এই সময়ে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা প্রায় ৪০০–৯০০ পিকোমোল/লিটার পর্যন্ত যেতে পারে।

ওভুলেশনের পরে ইস্ট্রোজেন আবার কিছুটা কমে যায়,তবে পুরোপুরি নিচে নেমে যায় না।লুটিয়াল ফেজে আবার সামান্য বাড়তে পারে।

তাই শুধু “ইস্ট্রোজেন কম” বা “ইস্ট্রোজেন বেশি” শুনেই ভয় পাওয়া উচিত না।সবসময় দেখতে হবে—

• মাসিকের কোন দিনে টেস্ট করা হয়েছে
• রোগীর উপসর্গ কী
• ওভুলেশন হচ্ছে কি না
• অন্য হরমোনগুলোর অবস্থা কেমন

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার যাত্রাবাড়ী

না কোনো শর্টকাট নাই 🤭
19/05/2026

না কোনো শর্টকাট নাই 🤭

পেশেন্ট দের ডিম একটু বেশি খেতে দিলেই মুখ ভার করে রাখে,  কেউ কেউ আবার ভাবে- ডিম খেলেই কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে।বিশেষ করে রোগী...
19/05/2026

পেশেন্ট দের ডিম একটু বেশি খেতে দিলেই মুখ ভার করে রাখে, কেউ কেউ আবার ভাবে- ডিম খেলেই কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে।বিশেষ করে রোগীদের মধ্যে এই ভয়টা এত বেশি যে অনেকে কুসুম পুরোপুরি বাদ দিয়েই ডিম খান।

কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞান এখন এই বিষয়টিকে আগের চেয়ে অনেক ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে।একটি বড় ডিমে গড়ে প্রায় ১৮০–২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। কিন্তু আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আমাদের শরীর নিজেও প্রতিদিন কোলেস্টেরল তৈরি করে।কারণ কোলেস্টেরল শরীরের জন্য সম্পূর্ণ খারাপ কিছু না।বরং হরমোন তৈরি, কোষের গঠন এবং ভিটামিন ডি তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজেও কোলেস্টেরল প্রয়োজন হয়।

আবার আগে মনে করা হতো খাবারে কোলেস্টেরল বেশি মানেই রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে।কিন্তু এখন বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে—
বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে খাবারের কোলেস্টেরল সবসময় একইভাবে রক্তের কোলেস্টেরল বাড়ায় না। বরং শরীরের মেটাবলিক স্বাস্থ্য, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাপন এখানে বড় ভূমিকা রাখে।

একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ ডিম আপনি বেশি খাচ্ছেন এটা দেখলেই হবে না। ডিম এর পাশাপাশি আপনার ডায়েট প্যাটার্ণ কেমন সেটাও দেখা প্রয়োজন। দোষ আপনার ডিমের না, দোষ আপনার
অতিরিক্ত চিনি, সিম্পল কার্ব, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত প্যাকেটজাত খাবার খাওয়া। এগুলোই শরীরে ইনফ্লামেশন তৈরী করে এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের ভারসাম্যহীনতা বাড়তে পারে।

অন্যদিকে সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে ডিম খেলে
বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে সেটি সাধারণত বড় সমস্যা তৈরি করে না। আর ডিমে থাকে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২
ফলেট, সেলেনিয়াম,কোলিন

অনেক মানুষ শুধু প্রোটিনের জন্য ডিমের সাদা অংশ খান,
কিন্তু ডিমের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান আসলে কুসুমেই থাকে।
তাই ডিম খেলে, সম্পূর্ণ ডিম টাই খান! কুসুম বাদ দিয়ে নয়!
এবং মনে রাখবেন ডিমের সবচেয়ে বেশি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ অংশটাই কিন্তু কুসুম। তাই ভয় পেয়ে কুসুম ফেলে দিলে ডিমের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান থেকেই হবেন বঞ্চিত! তবে আপনি কুসুমসহ কয়টা ডিম খেতে পারবেন এটা নির্ভর করবে আপনার শারিরীক কন্ডিশন এর উপর।

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী

18/05/2026

রিমাইন্ডার :

চুল, নখ, লজ্জাস্থান পরিষ্কার করার শেষ সময় আজ ১৮ মে সোমবার সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত। আমলটা সবার জন‍্য।

পিসিওএস / পিএমওএস এর অনেক ধরনের সিম্পটম নিয়ে কথা বলা হয় ,কিন্তু খুব কম আলোচনা হয় “সকালে মুখ ফোলা” বিষয়টি নিয়ে।অনেক মেয়েই...
18/05/2026

পিসিওএস / পিএমওএস এর অনেক ধরনের সিম্পটম নিয়ে কথা বলা হয় ,কিন্তু খুব কম আলোচনা হয় “সকালে মুখ ফোলা” বিষয়টি নিয়ে।

অনেক মেয়েই খেয়াল করেন—
ঘুম থেকে উঠে আয়নায় তাকিয়ে দেখেন মুখ ফোলা, চোখের নিচে ফোলা ভাব, মুখ ভারী লাগছে, jawline আগের মতো sharp লাগছে না।

আবার দিন বাড়ার সাথে সাথে এই ফোলা ভাব ধীরে ধীরে কমে যায়।
বিকেলের দিকে মুখ অনেকটা স্বাভাবিকও লাগে।পরের দিন সকালে আবার একই জিনিস।

অনেকেই এটাকে শুধু ঘুম কম হওয়া, পানি বেশি খাওয়া বা “মোটা হয়ে যাওয়া” ভেবে এড়িয়ে যান।কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এটি শরীরের ভেতরের মেটাবলিক ইমব্যালেন্স এর একটি সিগনাল হতে পারে।

বিশেষ করে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে এ ধরনের water retention তুলনামূলক বেশি দেখা যেতে পারে।

যখন দীর্ঘদিন শরীরে ইনসুলিন লেভেল বেশি থাকে,তখন ইনসুলিন শুধু ব্লাড স্যুগার এর উপরই প্রভাব ফেলে না,বরং কিডনীকে সোডিয়াম ধরে রাখার সিগনাল ও দিতে পারে।আর সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখে।
ফলে শরীরে ফ্লুইড জমতে পারে।

এ কারণেই অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়—
• সকালে মুখ ফোলা
• চোখের নিচে puffiness
• আঙুল ফুলে যাওয়া
• হাত শক্ত লাগা
• গোড়ালি ফুলে যাওয়া
• শরীর ভারী লাগা

এসব সমস্যা।

পিসিওএস / পিএমওএস পেশেন্ট দের মধ্যে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স খুব common হওয়ায়অনেক সময় এই morning puffiness-ও সাথে দেখা যায়।

এখানে দুটি ছোট lifestyle habit কিছুটা help করতে পারে—

১। ঘুম থেকে উঠে অন্তত ২০–৩০ মিনিট body movement রাখুনএমনকি হালকা হাঁটাও helpful হতে পারে।কারণ movement lymphatic circulation সক্রিয় করতে সাহায্য করতে পারে,যা শরীরের excess fluid movement improve করতে সাহায্য করতে পারে।
ফলে morning swelling কিছুটা কমতে পারে।

২। মাথা সামান্য উঁচু করে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
এতে রাতে মুখের দিকে অতিরিক্ত fluid জমা কিছুটা কম হতে পারে।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এগুলো শুধুমাত্র symptom management।

Long term improvement-এর জন্য মূল focus হতে হবে insulin resistance improve করার দিকে।

এছাড়াও আরো একটা কারন থাকতে পারে এই মুখ ফুলে যাওয়ার পেছনে। তা হচ্ছে কর্টিসল বেড়ে যাওয়া। Cortisol যত বেশি, মুখের ফোলাভাবও তত বেশি দৃশ্যমান।

আর এটার জন্য আপনাদের ৩টি প্র্যাকটিক্যাল টিপস দিচ্ছি, যেগুলো নিয়মিত মানলে আমার ধারনা এই puffiness অনেকটাই কমে যেতে পারে -

1. সকালবেলা খালি পেটে কফি/চা না নেওয়ার চেষ্টা করবেন -

Cortisol এর লেভেল সবচেয়ে বেশি থাকে সকালে।
এই সময় খালি পেটে কফি বা চা নিলে cortisol আরও বাড়ে, পানি জমে ফোলাভাব আরও বাড়তে পারে,শরীর অপ্রয়োজনীয় স্ট্রেসে পড়ে যায়।

2. Meal Skip করা বন্ধ করুন -

দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকলে শরীর সেটাকে “স্ট্রেস” হিসেবে নেয় → cortisol বেড়ে যায়।Cortisol বাড়লে মুখ ফুলে যায়,পানি জমে থাকে,
bloating বাড়ে

চেষ্টা করুন প্রতিদিন একই সময়ে খাবার গ্রহণ করার । খাবারের জন্য যেন আপনার বডি টেনশনে না পরে যায়। শরীর যেন জানে কখন খাবার আসবে ফলে বডি এই ব্যাপারে stress এ পরবে না , metabolism ঠিকভাবে কাজ করবে। এভাবে face puffiness নিজে থেকেই কমে।

3. Magnesium Glycinate নিতে পারেন -

Magnesium glycinate হচ্ছে এমন একটি মিনারেল যা শরীরের water retention কমায়, stress response উন্নত করে, ঘুম ভালো করে,
puffiness noticeably কমাতে সাহায্য করে। তবে প্রফেশনালের পরামর্শ ছাড়া শুরু না করাই ভালো।

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী

আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে ওজন নিয়ে স্ট্রাগল করতে থাকেন,এবং আপনার থাইরয়েড লেভেল যদি ঠিক না থাকে তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য - এ...
17/05/2026

আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে ওজন নিয়ে স্ট্রাগল করতে থাকেন,
এবং আপনার থাইরয়েড লেভেল যদি ঠিক না থাকে তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য -
এসব সমস্যার জন্য আশেপাশের মানুষ আপনাকে দেখা যায় কম খেতে বলতে থাকে, এছাড়াও বলে- ভাত বন্ধ করুন নয়তো আরও ডায়েট করুন।

কিন্তু বাস্তবতা হলো-
থাইরয়েড শুধুমাত্র আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ করে না।
থাইরয়েড মূলত রেগুলেট করে—

• আপনার মেটাবলিজম
• এনার্জি প্রডাকশন
• মুড
• ডাইজেশন
• বডির টেম্পারেচার
• এমনকি আপনার ক্ষুধার সিগনাল

এই কারণেই যখন থাইরয়েড হরমোনের ইমব্যালেন্স হয়,
তখন এটি শুধু ওজন এর উপর না, পুরো শরীরের ভিতরের সিস্টেম এর উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে।

অনেকেই মনে করেন—
“আমি কম খাচ্ছি, তারপরও ওজন কমছে না।”কিন্তু সবসময় সমস্যাটা শুধুমাত্র ক্যালোরি ইন্টেক এর না।

অনেক ক্ষেত্রে underlying hormonal imbalance, metabolic adaptation এবং chronic stress বড় ভূমিকা রাখে।

থাইরয়েডের সাথে শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হরমোন ও গভীরভাবে কানেক্টেড ।

যেমন—

• Estrogen
• Progesterone
• Cortisol
• Insulin

এই hormone গুলো একে অপরকে প্রভাবিত করে।এই কারণেই অনেক নারী ৩০–৪০ বছরের পর হঠাৎ লক্ষ্য করেন- যে ওজন তারা ২০ বছর বয়সে খুব সহজে কমাতে পারতেন,এখন সেটি অনেক কঠিন হয়ে গেছে।এর মানে এই না যে আপনার ইচ্ছাশক্তি কমে গেছে।

বরং বয়সের সাথে সাথে শরীরের internal hormonal environment, muscle mass, stress response এবং metabolic function পরিবর্তিত হতে থাকে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
দীর্ঘদিন না বুঝে অতিরিক্ত ডায়েট করা,বারবার খাবার কমিয়ে ফেলা,
একদম এক্ট্রিম লেভেল এর ক্যালোরি রেসট্রিকশন ডায়েট করা- এসব শরীরের উপর অতিরিক্ত স্ট্রেস তৈরি করতে পারে। যার ফলে কর্টিসল লেভেল বাড়তে পারে।এবং দীর্ঘমেয়াদে কর্টিসল বেড়ে গেলে এটি থাইরয়েড ফাংশনের উপরও নেগেটিভ প্রভাব ফেলতে পারে।

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী

গত বছর একজন মা আমার কাছে এসে শুধু একটি কথাই বলতে বলতে কান্না করেছিলেন—“আমি অনেক চেষ্টা করেও আমার বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়...
16/05/2026

গত বছর একজন মা আমার কাছে এসে শুধু একটি কথাই বলতে বলতে কান্না করেছিলেন—
“আমি অনেক চেষ্টা করেও আমার বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারছি না...”

আমি এখনও সেই মায়ের কান্না ভুলতে পারিনি।
এটা শুধু একজন মা না এমন হাজারো মা আছে।

পুষ্টি নিয়ে কাজ করার কারণে বিভিন্ন সময় অনেক মা আমার কাছে আসেন শুধুমাত্র একটি চিন্তা নিয়ে—
“কীভাবে আমার বাচ্চাটা সুস্থ থাকবে?”
“কীভাবে আমি পর্যাপ্ত বুকের দুধ পাব?”
“এটা খেলে কি বেবি দুধ পাবে?”
“এভাবে করলে কি ঠিক থাকবে?”

একজন মা তার সন্তানের জন্য কতটা চিন্তা করেন, তা খুব কাছ থেকে না দেখলে হয়তো পুরোপুরি বোঝা সম্ভব না। এমন অনেক মাকেও আমি দেখেছি, যারা বিভিন্ন কারণে বাচ্চাকে পর্যাপ্ত বুকের দুধ দিতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন, এমনকি depression-এও চলে গেছেন।

কারণ একজন মায়ের কাছে তার সন্তানের জন্য যথেষ্ট হওয়াটা অনেক বড় একটি আবেগের বিষয়। এবং হ্যাঁ, বুকের দুধ অবশ্যই শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।কিন্তু শুধু শিশুর জন্যই নয়, মায়ের শরীরের জন্যও breastfeeding অনেক উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে—

• বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় oxytocin hormone নিঃসরণ হয়, যা জরায়ুকে আগের অবস্থায় ফিরতে সাহায্য করতে পারে
• postpartum bleeding তুলনামূলক কম হতে সাহায্য করতে পারে
• অনেক ক্ষেত্রে postpartum recovery তুলনামূলক ভালো হতে পারে
• breastfeeding মায়ের metabolic health-এর উপরও positive effect ফেলতে পারে
• কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘসময় breastfeeding করলে ভবিষ্যতে type 2 diabetes, breast cancer এবং ovarian cancer-এর risk কিছুটা কম হতে পারে
• এটি মা ও শিশুর emotional bonding আরও গভীর করতেও সাহায্য করে

এছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
প্রসবের পর যখন মায়ের বুকে দুধ আসে, তখন সেই দুধ নিয়মিতভাবে বের না হলে breast fullness, pain, engorgement এমনকি অনেক ক্ষেত্রে blocked duct বা breast infection (mastitis) এর মতো সমস্যাও হতে পারে।

অর্থাৎ breastfeeding শুধু শিশুর প্রয়োজনই নয়, অনেক ক্ষেত্রেই এটি মায়ের শারীরিক স্বস্তি ও স্বাস্থ্যের সাথেও জড়িত। এই কারণেই breastfeeding নিয়ে মায়েদের concern টা এত গভীর।

আমি কখনোই এসব ভাইরাল টপিক নিয়ে কথা বলিনা তবে এক্ষেত্রে কথা না বলে আমি পারলাম ই না! সম্প্রতি একটি মন্তব্য দেখে সত্যিই খারাপ লেগেছে, যেখানে বলা হয়েছিল - অনেক মা নাকি “fitness” এর কথা ভেবে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান না।

আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি না, কোন গবেষণার ভিত্তিতে এমন মন্তব্য করা হয়েছে।
কারণ বাস্তবে আমরা যারা মায়েদের খুব কাছ থেকে দেখি, তারা জানি—
একজন মা যদি শুধুমাত্র “fitness” নিয়েই ভাবতেন, তাহলে হয়তো motherhood-এর এই কঠিন journey তেই আসতে চাইতেন না।

গর্ভধারণের পুরো সময় একজন নারীর শরীরে অসংখ্য পরিবর্তন আসে।
অনেকের ৬–১২ কেজি বা তারও বেশি ওজন বাড়ে। অনেকের শরীর আগের মতো আর কখনোই পুরোপুরি ফিরে আসে না।

তারপরও একজন মা দিনের পর দিন, রাতের পর রাত নিজের ঘুম, আরাম, শরীর সবকিছুর আগে সন্তানের কথাই ভাবেন। তাই মায়েদের নিয়ে কোনো মন্তব্য করার আগে আমাদের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

যদিও সে পরবর্তিতে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট করেছে সেই পোস্টের কথাও কিছু ভুল ই আছে। একটি বেবি যদি প্রথম ৬ মাস এক্সক্লুসিভ বুকের দুধ পায়, তাহলে অবশ্যই তার immunity অনেক ক্ষেত্রে ভালো হতে পারে।
কিন্তু এর মানে এই নয় যে vaccination বা টিকার প্রয়োজন নেই।

বুকের দুধ এবং টিকা— দুটোই শিশুর সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
একটিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে আরেকটিকে ছোট করে দেখানো উচিত নয়।
আর “মা”দের নিয়ে কথা বলার আগে—আমার মনে হয় আমাদের অন্তত একবার না, একশোবার ভাবা উচিত। কারণ একজন মায়ের ত্যাগ, কষ্ট এবং ভালোবাসার ঋণ কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব না। 🤍

Nutritionist Saima Jahan

আমরা আপনাকে গর্ভধারণের ৩ মাস আগে থেকেই ফোলেট  গ্রহণের পরামর্শ দেই ।কারণ কম ফোলেট লেভেল গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং ব...
16/05/2026

আমরা আপনাকে গর্ভধারণের ৩ মাস আগে থেকেই ফোলেট গ্রহণের পরামর্শ দেই ।কারণ কম ফোলেট লেভেল গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং বেবির প্রাথমিক নিউরাল ডেভেলপমেন্টের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিউট্রিয়েন্ট।
কিন্তু প্রেগন্যান্সি নিউট্রিশন নিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো- অনেক মা-ই এমন ডায়েট অনুসরণ করেন, যেখানে বেবির গ্রোথ ও ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ নিউট্রিয়েন্ট পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে না।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে—
• প্রায় ৮০–৯০% গর্ভবতী মা পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করেন না
• প্রায় ৬০–৭০% ক্ষেত্রে ডায়েটে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ঘাটতি থাকে
• প্রায় ৭০–৮০% ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চিনি এবং অনিয়ন্ত্রিত গ্লুকোজ গ্রহণ লক্ষ্য করা যায়
• সবচেয়ে কমন ডেফিসিয়েন্সিগুলোর একটি হলো কোলিন এর ঘাটতি, যা প্রায় ৮০% পর্যন্ত ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত মাত্রায় পাওয়া যায় না। এটি বেবির ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট, নার্ভাস সিস্টেম গঠন এবং ভবিষ্যতের মেটাবলিক হেলথের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
অনেক মা-ই প্রেগন্যান্সিতে পর্যাপ্ত কোলিন গ্রহণ করেন না।তবুও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেবিকে বাইরে থেকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক মনে হতে পারে কিন্তু কোলিনের অভাবে বেবির অপ্টিমাল ডেভেলপমেন্ট পাওয়া যায় না।
একজন বেবি সুস্থভাবে জন্মালেও তার ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট, কগনিটিভ ফাংশন এবং ভবিষ্যৎ মেটাবলিক হেলথ কতটা ভালো হবে -
এটি অনেকাংশেই মায়ের গর্ভকালীন পুষ্টির উপর নির্ভর করে।

আমি জানি, আমাদের আগের প্রজন্মের মায়েরা হয়তো এত ডিটেইল নিউট্রিশন নলেজ ছাড়াই আমাদের বড় করেছেন।তবুও এখনকার গবেষণা আমাদের আরও গভীরভাবে বিষয়গুলো বুঝতে সাহায্য করছে।

বিশেষ করে প্রেগন্যান্সিতে অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ এবং অনিয়ন্ত্রিত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা এখন একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।
গবেষণায় দেখা গেছে—
যেসব মায়ের গর্ভকালীন সময় গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস ছিল,তাদের সন্তানের ভবিষ্যতে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ২–৪ গুন বেড়ে যায়। আর আপনার যদি টিনএজ বয়সেই ডায়েবেটিস ধরা পরে তাহলে গবেষণা তে এসেছে আপনি আপনার জীবন থেকে প্রায় ১৫ বছর কমিয়ে দিচ্ছেন!

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী

Address

44/A, Hatkhola Road
Dhaka
1203

Opening Hours

Monday 17:00 - 20:00
Tuesday 17:00 - 20:00
Wednesday 17:00 - 20:00
Thursday 17:00 - 20:00
Saturday 17:00 - 20:00
Sunday 17:00 - 20:00

Telephone

+8801854190604

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Saima Jahan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nutritionist Saima Jahan:

Share

Category