Quranic Cure Ruqyah center

Quranic Cure Ruqyah center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Quranic Cure Ruqyah center, Medical and health, Dhaka.

Quranic Cure Ruqyah Center: রাসূল সা: এর নির্দেশিত চিকিৎসা পদ্ধতির আলোকে জ্বিন-জাদু ও বদ-নজর ইত্যাদি সমস্যার জন্য তাবিজ-কুফরি-শিরিকমুক্ত চিকিৎসার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। অ্যাপয়েন্টমেন্ট/শিডিউল নিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।01991663988 (হোয়াটসঅ্যাপ)

09/08/2026

জ্বী*ন যা*দু ও বদ-নজরে আক্রান্ত হয়ে অযথা তান্ত্রিক, কবিরাজ, জ্বী*ন হুজুর, মোদাব্বের জা*দুকরদের পেছনে ঘুরে ঘুরে সময় ও অর্থ নষ্ট না করে অবিজ্ঞ রাকির নিকট সরাসরি রুকইয়াহ্ করুন।

কারণ বর্তমান সময়ে অজ্ঞতার কারণে মানুষ যেমন শারীরিক মানসিক ও আর্থিকভাবে সর্বশান্ত হচ্ছে, ঠিক তেমনি হারাচ্ছে তার মূল্যবান ঈমানও।

✍️ Quranic Cure Ruqyah center

জাদুটোনা কি শক্তিশালী হয়েছে?________ নাকি শক্তিশালী হয়েছে মানুষের কাল্পনিক চিন্তা!একজন রোগী আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "আপন...
07/08/2026

জাদুটোনা কি শক্তিশালী হয়েছে?
________ নাকি শক্তিশালী হয়েছে মানুষের কাল্পনিক চিন্তা!

একজন রোগী আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "আপনি কি খেয়াল করেছেন যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাদু বা সিহরের শক্তি ও তীব্রতা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে? অথবা আপনারা যারা রুকইয়াহ্ করেন ( Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان- ভাই আপনার এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে আপনি কি মনে করেন যে এখনকার জাদু আগের চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মক বা শক্তিশালী?"

যারা এমন টা ভাবেন বা চিন্তা করেন যে সিহরের শক্তি ও তীব্রতা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে তাদেরর উদ্দেশ্যআমার উত্তর হলো—জাদুটোনা বা শয়তানের মৌলিক শক্তি কখনোই বাড়েনি,জাদু মূলত একই রকম আছে। তবে এটা ঠিক যে, মানুষের মতো জিনেরও অগ্রগতি বা বিবর্তন ঘটে। জিনরা শিক্ষা, বুদ্ধি ও বোঝার দিক থেকে মানুষের চেয়ে অনেক এগিয়ে। কিন্তু জাদুটোনা শক্তিশালী হওয়া বা এর রূপ বদলানোটা পুরোপুরি নির্ভর করে রোগীর নিজস্ব মানসিকতার ওপর।

অনেক রোগী নিজেই মনে মনে একটি কল্পনার জগতে বাস করেন। রুগি সারাক্ষণ ভাবতে থাকেন যে— তার ওপর শত শত জাদু করা হয়েছে, তাকে ধ্বংস করার জন্য অসংখ্য জিন পাঠানো হয়েছে, সে ভয়ংকর ভাবে জাদুতে আক্রান্ত, তার শরীরে অসংখ্য জিন রয়েছে, কিংবা তার জাদু নাকি বারবার বা প্রতিদিন রাতে যাদু রিনিউ (নবায়ন) করা হচ্ছে!

রুগীর এই অজ্ঞতা তার অসুস্থ মানসিকতা ও কল্পিত জিনের গল্প ওয়াসওয়াসা তাকে সুস্থ হতে দিচ্ছে না।

একটি বাস্তব উদাহরণ:
আমার পার্সোনাল (ইনবক্স এ) কিছু বোন মেসেজ দিয়ে তাদের অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতার কথা বলেন। আল্লাহ তাদের শেফা দান করুন, কিন্তু আপনারা নিজেরাই ভেবে বলুন—যে একজন মানুষের মাথায় যদি এসব অহেতুক অদ্ভুত চিন্তা পুষে রাখেন, তবে তিনি কীভাবে সুস্থ রোগ মুক্ত হবেন?

আমি এই বিষয়ে আগেও বারবার বলেছি এবং অসংখ্যবার উত্তর দিয়েছি যে—জিনের স্বপ্নে বা ঘুমে রূপ পরিবর্তনের ক্ষমতা রয়েছে। আল্লাহ তাআ'লা জীনকে রূপ বদলানোর বা আকার নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। জ্বীন চাইলে সাপের রূপ, শিশু, বৃদ্ধ, নারী অথবা কোনো মানুষের রূপ বা অন্য কিছুর আকার নিতে পারে। কিন্তু এটাকে কেন্দ্র করে মানুষ যেসব গল্প বানিয়ে নেয়, তা সত্যিই হতাশাজনক!

এক বোন আমাকে ইনবক্সে লিখেছেন—রাতে নাকি তার কাছে ‘সুলতান’, ‘সম্রাট’, ‘রাজা’ ও ‘স্বৈরাচারী শক্তিশালী’ জিনরা এসে হাজির হয়।

যে রোগী বিশ্বাস করেন যে তার শরীরে কোনো "সম্রাট রাজা বাদশা প্রকৃতির অধিক শক্তিশালী জিন" ভর করে আছে, তিনি কীভাবে সুস্থ হবেন? এই ‘সম্রাট জিন’ বা ‘ইম্পেরিয়াল জিন’ বলতে কিছু আছে— এমন তথ্য আপনি কোন শরীয়াহ বা বিজ্ঞানে পেলেন? আমার মাথায় আসে না!

আসলে জাদুটোনা উন্নত বা শক্তিশালী হয়নি, জাদুটোনা উন্নত বা শক্তিশালী হয়েছে মানুষের ভেতরের অজ্ঞতায় অন্ধবিশ্বাসে ও মানসিক দুর্বলতায় কিংবা কল্পনায় কিন্তু বাস্তবে নয়।

যে শয়তান,বা জাদুর খাদেম জিন যে জাদুর পিছনে কাজ করে, তার ব্যাপারে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগেই মহান আল্লাহ তা`আলা স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন:> "নিশ্চয়ই শয়তানের চক্রান্ত অত্যন্ত দুর্বল।" (সূরা আন-নিসা: ৭৬)

স্পষ্ট ও চূড়ান্ত—শয়তান অতীতেও দুর্বল ছিল, আজও দুর্বল, দুর্বল হিসেবেই বেঁচে থাকবে এবং দুর্বল হিসেবেই মারা যাবে। আর কিয়ামত ও হাশরের মাঠে আল্লাহর হুকুমে আমরা নিজেদের চোখেই তার চূড়ান্ত দুর্বলতা ও জাহান্নামে নিক্ষেপ হওয়া দেখতে পাব।

⚠️ মূল সমস্যা কোথায়? সমস্যা হচ্ছে, মানুষ আজকাল এই জীন, যাদুর বিষয়গুলোকে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে ফেলেছে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই সবাই এখন নিজে নিজে ব্যাখ্যা দাঁড় করায়, নিজে নিজে তাবিজ বা জিনের তাফসীর করে এবং নিজে নিজেই নিজের রোগের ডায়াগনোসিস (রোগ নির্ণয়) করে বসে! যার ফলশ্রুতিতে আজকে আমরা এই ধরনের মানসিক অবস্থার মুখোমুখি হচ্ছি।

পরিশেষে একটাই কথা সবার উদ্দেশ্যে: জাদুটোনা কেবল মানুষের অজ্ঞতায়, কল্পনায় ও চিন্তাভাবনাতেই ‘উন্নত’ হয়েছে। জাদু জাদুই থেকে যায়, আর শয়তান আল্লাহর বিধান ও কালামের সামনে সবসময়ই চরম দুর্বল।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং অজ্ঞতা, কুসংস্কার মুক্ত হয়ে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করার তাওফীক দিন। আমীন।

✍️ লিখেছেন ওস্তাদ — রাকী আবু রায়হান
↪️ Quranic Cure Ruqyah center
↪️ (কুরআনিক কিউর রুকিয়াহ সেন্টার)
📍চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য সরাসরি কল করুন : 01991663988 Call imo WhatsApp

#কুসংস্কার #অজ্ঞতা #কাল্পনিকচিন্তা #জীন #যাদু #নজর

অনেক সময় আমাদের জীবনে এমন কিছু সমস্যা আসে যা ডাক্তার বা সাধারণ চিকিৎসায় ধরা পড়ে না। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা, মেডিকেল...
04/08/2026

অনেক সময় আমাদের জীবনে এমন কিছু সমস্যা আসে যা ডাক্তার বা সাধারণ চিকিৎসায় ধরা পড়ে না। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা, মেডিকেল রিপোর্টে কোনো সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও সুস্থ না হওয়া, সাংসারিক অশান্তি, সন্তানের অমনযোগিতা কিংবা বিয়ে বা সন্তান লাভে বাধা—এই সবকিছুই কি আপনার জীবনকে বিষিয়ে তুলছে?

আমরা রুকইয়াহ শরীয়াহর মাধ্যমে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে দীর্ঘ দিন যাবত আপনাদের সেবা দিয়ে আসছি।

আগামীকাল বুধবার ০৫ আগস্ট আমাদের উত্তরা আব্দুল্লাহপুর সেন্টারে - ওস্তাদ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان রোগী দেখবেন ইনশাআল্লাহ ।

আপনি যদি নিচের কোনো সমস্যায় ভুগে থাকেন, তবে দেরি না করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
✅ দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা (রিপোর্ট নরমাল কিন্তু সুস্থ হচ্ছেন না)
✅ সাংসারিক কলহ ও বিচ্ছেদ হওয়ার উপক্রম
✅ সন্তানের অবাধ্যতা বা পড়াশোনায় অনীহা
✅ বিয়ে বা সন্তান লাভে বাধা ও জিনের আছর বা জাদুর প্রভাব।

Quranic Cure Ruqyah center
🗓️ সময়: বুধবার, ০৫ আগস্ট
📍 স্থান: উত্তরা আব্দুল্লাহপুর, কুরআনিকা কিউর রুকইয়াহ সেন্টার।
📞 সিরিয়াল নিতে বা পরামর্শের জন্য আজই যোগাযোগ করুন: 01991663988 (Call / imo / WhatsApp)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে শেফা দান করুন।

#এডমিন_প্যানেল।

আশিক জ্বীন- (الجن العاشق) -এর মূল উদ্দেশ্য লক্ষণ, ক্ষতিকর প্রভাব ও প্রতিকারঅনেকেই বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নানা জটিল...
04/08/2026

আশিক জ্বীন- (الجن العاشق) -এর মূল উদ্দেশ্য লক্ষণ, ক্ষতিকর প্রভাব ও প্রতিকার

অনেকেই বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতায় ভুগে থাকেন এবং মনে করেন তাদের শরীরে অসংখ্য জাদু, জিনের আছর বা বড় কোনো আমলের জটিলতা রয়েছে। অথচ মূল সমস্যাটি অনেক সময় ভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে থাকে।

আজ আমরা আলোচনা করব এমন একটি মারাত্মক বিষয় নিয়ে, যা আমাদের অনেকের কাছেই অজানা—তা হলো "জিন العاشق" (আশিক জিন বা আসক্ত জিন)। এর ক্ষতি ও প্রভাব মানুষের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি ভয়ানক।
নিচে আশিক জিনের কিছু প্রধান লক্ষণ এবং এর কৌশলগুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হলো, যা আপনাদের বুঝতে সাহায্য করবে যে সমস্যার আসল উৎস কোথায়:

↪️আশিক জিন:
১. মানুষকে একাকীত্ব ও অলসতার দিকে ঠেলে দেওয়া,
আশিক জিন সবসময় আক্রান্ত রোগীর মনকে প্রভাবিত করে এবং তাকে মানুষের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে একাকীত্বে থাকতে ভালোবাসায়। কারণ, সে চায় রোগীকে সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণে এককভাবে পেতে। ভিড়ভাট্টা বা লোকালয় থেকে দূরে রাখাই তার মূল কৌশল।

↪️আশিক জিন:
২. অতিরিক্ত ঘুম ও তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব: এই জিন রোগীর ওপর ভর করার সময় বা তার ওপর প্রভাব বিস্তারের সময় তাকে যেকোনো মুহূর্তে হঠাৎ অতিরিক্ত ঘুম বা গভীর তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করে ফেলে। অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ,পর্নোগ্রাফি ও মাস্টারবেশন আসক্তি তৈরি করে এবং রোগী সবসময় ক্লান্তি ও অতিরিক্ত ঘুমের ঘোরে থাকে।

↪️আশিক জিন:
৩. শারীরিক সৌন্দর্য ও রূপ বিকৃত করা (تشويه) আশিক জিন অনেক সময় রোগীর শারীরিক সৌন্দর্য বা চেহারার আকর্ষণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে (تشويه)، যাতে অন্য কেউ তার প্রতি আকৃষ্ট না হয় এবং সে পরপুরুষের দৃষ্টি থেকে দূরে থাকে। সে চায় না আক্রান্ত ব্যক্তি অন্য কারও নজরে আসুক।

↪️আশিক জিন:
৪. স্বামী ও মাহরাম পুরুষদের প্রতি ঘৃণা তৈরি করা: বউ-স্বামীর সম্পর্ক নষ্ট করা আশিক জিনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। সে বিবাহিত নারীর মনে স্বামীর প্রতি তীব্র বিরক্তি, ঘৃণা ও অনীহা তৈরি করে। এমনকি এই ঘৃণা কেবল স্বামীর প্রতিই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং অনেক সময় পিতা, ভাই কিংবা যেকোনো মাহরাম পুরুষের সান্নিধ্যেও তার ভেতর তীব্র অস্বস্তি ও বিদ্বেষ তৈরি করে। মাহরাম পুরুষদের কাছাকাছি গেলেই রোগী বিরক্ত বোধ করে। হারাম সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করে যে কারণ অনেকেই পরকীয়াতে জরিয়ে যায়, এবং সহবাসের উপর তীব্র নিহা তৈরি করে।

↪️আশিক জিন:
৫. কর্মক্ষেত্র ও ক্যারিয়ার নষ্ট করা:আপনি যদি কর্মজীবী নারী হন, তবে এই জিন আপনাকে আপনার কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে বা চাকরি ছাড়তে বাধ্য করতে নানা রকম বাধা, বিয়েতে বাঁধা পড়াশোনায় বাঁধা এবং গর্ভধারণের বাঁধা তৈরির করে ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। কারণ, সে চায় না আপনি বাইরে যান বা ব্যস্ত থাকুন; সে আপনাকে সবসময় একান্তে নিজের কব্জায় রাখতে চায়।

↪️পরামর্শ ও করণীয়:
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আপনাদের অনেকেরই জীবনে এই লক্ষণগুলোর সাথে মিল থাকতে পারে। প্রেমিক বা আশিক জ্বীনের ক্ষতি বা প্রভাব মানুষ যা ধারণা করে, তার চেয়েও অনেক বেশি ভয়ানক ও বড় জটিল।

দয়া করে সবসময় এই ভেবে বিভ্রান্ত হবেন না যে, "আমার শরীরে বুঝি অসংখ্য জাদু রয়েছে, বা আমার ওপর বড় কোনো বাদশাহ-শ্রেণীর জিন বা খাদেম ররেছে।"

অনেক সময় রোগ বা সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু হয় এই (আশিক জিন), যা সাধারণ জাদু বা সাধারণ নজর ও হাসাদ (হিংসা)-এর চেয়েও অনেক বেশি ধূর্ত ও ক্ষতিকর।

সাধারণ বদ-নজর, হিংসা বা সাধারণ জিনের চেয়ে এই "প্রেমিক জ্বীন"-এর বিষয়টি অনেক বেশি শক্তিশালী ও জটিল।

তাই রুগী বা আক্রান্ত ব্যক্তিদের উচিত সরাসরি এই (প্রেমিক জ্বীন")-এর বিরুদ্ধে শক্তভাবে আত্মশুদ্ধি, জিকির ও অভিজ্ঞ রাকির নিকট রুকইয়াহর মাধ্যমে লড়াই চালিয়ে যাওয়া। ইনশাআল্লাহ, এর মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল ও মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সব ধরনের ক্ষতিকর শক্তি, জিন ও শয়তানের উপদ্রব থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

✍️লিখেছেন ওস্তাদ: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক Quranic Cure Ruqyah center
যোগাযোগ করুন: 01991663988 Call imo WhatsApp

#আশিকজীন, #লক্ষ্মণ #প্রতিকার #الجنالعاشق #প্রেমিক

উটের মতো হিংসাত্মক ______মানুষের থেকে দূরে থাকুনআমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ থাকেন, যারা কারও ছোটোখাটো ভুল কখনো ভুলতে প...
03/08/2026

উটের মতো হিংসাত্মক
______মানুষের থেকে দূরে থাকুন

আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ থাকেন, যারা কারও ছোটোখাটো ভুল কখনো ভুলতে পারেন না। সুযোগ পেলেই তারা এর বদলা নিতে চান। বিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ **আবু বকর আত-তারতুশি (রহ.)** এমন মানুষদের থেকে সাবধান থাকার খুব সুন্দর একটি পরামর্শ দিয়েছেন।

🐪 উট ও মানুষের একটি বিশেষ মিল:আরবদের একটি পুরোনো প্রবাদ আছে: অমুক মানুষটি উটের চেয়েও বেশি হিংসুক।"
উট আমাদের অনেক উপকার করে ঠিকই, কিন্তু এর একটি খারাপ স্বভাব হলো— কেউ তার সাথে খারাপ কিছু করলে বা আঘাত করলে সে তা সহজে ভোলে না। অনেক দিন পরেও সুযোগ পেলে সে তার বদলা নেয়।

এই বিষয়টিকেই উদাহরণ হিসেবে টেনে ওই আলিম বলেছেন: "যেভাবে একজন মানুষ ক্ষতি থেকে বাঁচতে রেগে থাকা উটের কাছে যায় না, ঠিক তেমনি আপনার জীবন থেকে এমন হিংসুক ও প্রতিশোধপরায়ণ মানুষদের দূরে সরিয়ে রাখুন।" নিজের মানসিক শান্তি ও ঈমানের সুরক্ষায় এমন বিদ্বেষপরায়ণ মানুষের সঙ্গ থেকেও দূরে থাকা উচিত।

🌿 আমাদের জন্য ছোট্ট শিক্ষা:

১. মন পরিষ্কার রাখা: যে হৃদয়ে হিংসা ও প্রতিশোধের আগুন জ্বলে, সে কখনো শান্তি পায় না। মানুষের মন থেকে হিংসা ও প্রতিশোধ নেওয়ার মানসিকতা দূর করা উচিত। হিংসা মানুষের নিজের শান্তিই নষ্ট করে।

২. সঠিক বন্ধু বেছে নেওয়া: যারা কথায় কথায় রেগে যায় এবং পুরোনো ভুল মনে রেখে বদলা নিতে চায়, তাদের সাথে চলাফেরা না করাই ভালো।

৩. শান্তিতে থাকা: হিংসুক মানুষের সঙ্গ থেকে দূরে থাকলে নিজের মন ও জীবন অনেক শান্ত ও সুন্দর থাকে। হিংসা মানুষের সব ভালো আমল ও ভেতরের শান্তি নষ্ট করে দেয়। তাই অন্তরকে হিংসা ও বিদ্বেষমুক্ত রাখা প্রতিটি মুমিনের প্রধান দায়িত্ব।

​(সূত্র: سراج الملوك (١/٩٠)( সিরাজুল মুলুক, ১/৯০)

✍️লিখেছেন ওস্তাদ : Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
↪️ফলো করুন Quranic Cure Ruqyah center
📿 রুকইয়াহ্ ও হিজামা চিকিৎসার পরামর্শ সিরিয়াল নিতে সরাসরি কল করুন 01991663988

#হিংসুক_মানুষ #হিংসুকউঠ #হিংসুক_বন্ধু #শিক্ষা

💔 স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ হওয়ার আগে যে লক্ষণ দেখা দেয়**`সংসার ভাঙার আগে একবার হলেও রুকইয়াহ্ করুন একটি পরিবার শুধু দ...
03/08/2026

💔 স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ হওয়ার আগে যে লক্ষণ দেখা দেয়**`সংসার ভাঙার আগে একবার হলেও রুকইয়াহ্ করুন

একটি পরিবার শুধু দুজন মানুষের মেলবন্ধন নয়, এটি সমাজ ও মানসিক শান্তির অন্যতম ভিত্তি। অথচ সামান্য ভুল বোঝাবুঝি, শয়তানের প্ররোচনা কিংবা অশুভ শক্তির প্রভাবে অনেক হাসিখুশি সংসারও আজ ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে। দাম্পত্য জীবনে দূরত্ব তৈরি হওয়ার আগে সাধারণত কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায়। সময়মতো এগুলোতে সতর্ক না হলে তা বড় ধরনের বিচ্ছেদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে:

○ কথায় কথায় ঝগড়া: কোনো বড় কারণ ছাড়াই তুচ্ছ ও সাধারণ বিষয়ে তীব্র তর্ক-বিতর্ক ও মনোমালিন্য হওয়া।

○ ছোট বিষয় বড় করা: সামান্য ভুল বা ত্রুটিকে বিশাল করে দেখা এবং তা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জটিলতা তৈরি করা।

○ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার অভাব: পারস্পরিক সম্মান, মায়া-মমতা ও মানসিক টান দিন দিন কমে যাওয়া,হঠাৎ ভালবাসা থেকে শত্রুতায় পরিবর্তিত হওয়া।

○ কে অপরের সান্নিধ্য এড়িয়ে চলা: একই ছাদের নিচে বসবাস করলেও সবসময় একে অপরের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করা।

○ কথা বলা কমিয়ে দেওয়া: প্রয়োজনের বাইরে কথা বলা বন্ধ করে দেওয়া এবং নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হওয়া।

○ সব দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো: যেকোনো ভুল বা সমস্যার জন্য জীবনসঙ্গীকে এককভাবে দায়ী করা এবং নিজের ভুল স্বীকার না করা।

○ অহেতুক সন্দেহপ্রবণতা: সঙ্গীর চলাফেরা, কথা বলা বা মোবাইল ব্যবহারের প্রতি অতিরিক্ত ও ভিত্তিহীন সন্দেহ পোষণ করা।,

○ শারীরিক ও মানসিক দূরত্ব: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার স্বাভাবিক ও পবিত্র ঘনিষ্ঠতা ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ ফুরিয়ে যাওয়া। এমনকি কেউ কেউ হারাম সম্পর্কে লিপ্ত হয় পরকীয়াতে জরিয়ে যায়।

○ পরিবারের সামনে ছোট করা: অন্য আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুবান্ধবের সামনে সঙ্গীর দুর্নাম করা কিংবা তাকে অপমান করা।

○ ভবিষ্যতের পরিকল্পনা থেকে বিচ্ছিন্নতা: একসঙ্গে আগামী দিনগুলো কাটানোর কোনো পরিকল্পনা বা আলোচনা না করা।, একজনের নিকট অপরজনের সকল কাজ-কর্মই অপছন্দ হওয়া।

○ সহমর্মিতা ও যত্নের অভাব: সঙ্গী অসুস্থ হলে কিংবা মানসিক চাপে থাকলে তার প্রতি কোনো ধরনের সহানুভূতি না দেখানো।, একে অপরের ব্যবহৃত জিনিস ও বসার জায়গা অপছন্দ করা।

○ বিরক্তি ও অসহিষ্ণুতা: সঙ্গীর সাধারণ কথা বা কাজও অসহ্য মনে হওয়া এবং কথায় কথায় বিরক্ত হওয়া।, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজনের চেহারা অপরজনের চোখে বদলে যাওয়া, খারাপ লাগা।

○ কৃতজ্ঞতাবোধের অনুপস্থিতি: সঙ্গীর ভালো কাজ বা অবদানের কথা সম্পূর্ণ ভুলে গিয়ে সবসময় নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরা।, সামান্য বিষয় নিয়েই উভয়ের মধ্যে ব্যপক মতানৈক্য ও ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি হওয়া। যদিও অন্যদের সাথে এরকম হয় না।

○ যোগাযোগের মাধ্যম পরিবর্তন বা লুকোচুরি: একে অপরের থেকে গোপনীয়তা বজায় রাখা এবং লুকোচুরি করার প্রবণতা বেড়ে যাওয়া।, উভয়ের মাঝে প্রচন্ড সন্দেহের সৃষ্টি হওয়া।

○ তালাক বা বিচ্ছেদের কথা বারবার মুখে আনা: সামান্য মনোমালিন্য হলেই অবলীলায় বিচ্ছেদ বা ডিভোর্সের হুমকি দেওয়া।, পরস্পর ক্ষমা না চাওয়া ও ক্ষমা না করা।

○ মানসিক অস্থিরতা: অকারণে বুক ধড়ফড় করা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, কান্না বা হতাশা ঘিরে ধরা।, একে অপরের উপস্থিতি সহ্য করতে না পারা। সবসময় ভাল থাকে কিন্তু সঙ্গীর নিকট আসলেই গোলমাল শুরু। ইত্যাদি।

পারিবারিক অশান্তি ও দাম্পত্য কলহের পেছনে অধিকাংশ সময় শয়তানের প্ররোচনা কিংবা যাদু, বদনজর, ও হিংসা-জ্বিনের গভীর প্রভাব কাজ করে, যা হাসিখুশি সংসারকে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে দিতে চায়। শয়তানের এই যড়যন্ত্র থেকে বাঁচুন, কোরআনিক সুন্নাহর আলোকে সংসার টিকিয়ে রাখুন।

আপনার বা আপনার পরিচিত কারও পরিবারে যদি এমন অস্বাভাবিক দূরত্ব ও জটিলতা দেখা দেয়, তবে শরীয়াহসম্মত উপায়ে রুকইয়াহ ও কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে এর সমাধান পেতে আজই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

✍️ লিখেছেন ওস্তাদ: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
↪️ ফলো করুন Quranic Cure Ruqyah center
📞যোগাযোগ ও সিরিয়ালের জন্য: 01991663988 Call imo WhatsApp

#বিচ্ছেদ #তালাক #ডিভোর্স
#সংসার #দাম্পত্য_জীবন #সচেতনতা

🔥 জিন ও শয়তানের প্রধান লক্ষ্যবস্তু: পেট ও জরায়ু🔥জিন ও শয়তানের চক্রান্ত এবং আক্রমণের ধরন বুঝতে পারলে রুকইয়াহর মাধ্যমে আরো...
02/08/2026

🔥 জিন ও শয়তানের প্রধান লক্ষ্যবস্তু: পেট ও জরায়ু🔥

জিন ও শয়তানের চক্রান্ত এবং আক্রমণের ধরন বুঝতে পারলে রুকইয়াহর মাধ্যমে আরোগ্য লাভ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। গবেষক ও অভিজ্ঞ রাকিদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ক্ষতিকর শয়তানি শক্তিগুলো মানুষের শরীরে স্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে দুটি সুনির্দিষ্ট অঙ্গকে সবচেয়ে বেশি টার্গেট করে—পাকস্থলী এবং জরায়ু।

🎯 কেন শয়তান এই দুটি অঙ্গকেই বেছে নেয়?
শরীরের অন্যান্য অঙ্গ বাদ দিয়ে শয়তান কেন পেট ও জরায়ুর ওপরই আক্রমণ চালায়? এর পেছনে রয়েছে গভীর চক্রান্ত:

১. পাকস্থলী ও অন্ত্র:

○ খাবার ও পানীয় মানুষের জীবনের মূল চালিকাশক্তি। মানুষ যখন অসাবধানতাবশত জাদুকৃত কোনো কিছু খেয়ে ফেলে, শয়তানি উপাদানগুলো সরাসরি পাকস্থলীতে গিয়ে আটকে থাকে।

○ পেটে বিষাক্ত প্রভাব ফেলে পুরো শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়া, মানসিক অশান্তি বাড়ানো এবং ইবাদতে অলসতা তৈরি করাই এদের মূল লক্ষ্য।

২. নারীদের জরায়ু (বংশধারা ধ্বংসের চক্রান্ত):

○ নারীদের জন্য জরায়ু কেবল একটি অঙ্গ নয়; এটি তার নিজস্ব স্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ বংশধরের (সন্তানের) মূল ভিত্তি। জরায়ু হলো একটি নতুন প্রাণ ও আগামী বংশধরের সূচনাস্থল। শয়তান মানুষের বংশবৃদ্ধি ও পারিবারিক সুসংবাদ আটকে দিতে এই স্থানটিতে টার্গেট করে ঘাঁটি গাড়ে।

○ জরায়ুতে শয়তানি প্রভাবের কারণে চিকিৎসাগত কোনো বড় কারণ না থাকা সত্ত্বেও সন্তান না হওয়া, বার বার গর্ভপাত, অনিয়মিত পিরিয়ড,অতিরিক্ত রক্তপাত ও জরায়ুতে শারীরিক জটিলতা বা দাম্পত্য জীবনে চরম তিক্ততা অশান্তি তৈরি হয়।

↪️ এর সমাধান কী?

⚠️ যাদের এই ধরনের সমস্যা আছে—অবিলম্বে রুকইয়াহ করুন!
আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ যদি দীর্ঘদিন ধরে পেটের অহেতুক সমস্যা, স্থায়ী ব্যথা কিংবা জরায়ু সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগে থাকেন এবং ডাক্তারি চিকিৎসায় কোনো স্থায়ী সমাধান না পান, তবে অবহেলা না করে জোর দিয়ে বলছি—অবিলম্বে অবিজ্ঞ রাকির নিকট সরাসরি রুকইয়াহ শুরু করুন।

সমস্যা লুকিয়ে রাখলে বা অবহেলা করলে শয়তানি প্রভাব আরও গভীরে গিয়ে শরীর ও পরিবারকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। তাই অবহেলা না করে আজই সঠিক পদক্ষেপে আসুন:

📍সুরক্ষা ও মুক্তির সহজ পথ:

🌿 পেট পরিশোধন (ডিটক্স): নিয়মিত রুকইয়াহর পানি পান করা এবং অভিজ্ঞ রাকির তত্ত্বাবধানে সুন্নাহসম্মত উপায়ে (যেমন: সোনা পাতা বা বমির মাধ্যমে) পেটে জমে থাকা জাদুকৃত উপাদান বের করে পেট ক্লিন করা ।

🌸 জরায়ুর সুরক্ষায় রুকইয়াহ: রুকইয়াহ করা তেল নিয়মিত তলপেটে ব্যবহার করা এবং কোরআনের আয়াত ও দু`আর মাধ্যমে জরায়ুর ওপর পতিত বিষাক্ত প্রভাব ধ্বংস করা।

🛡️ দৈনন্দিন মাসনুন আমল: সকাল-সন্ধ্যা মাসনুন জিকির ও হেফাজতের দোয়াগুলো শক্তভাবে আঁকড়ে ধরা।

🤲 আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের পেটের ভেতরের ব্যাধি এবং জরায়ুর ওপর শয়তানের যাবতীয় চক্রান্ত থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

📍 Quranic Cure Ruqyah center
✍️ লিখেছেন: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
📞 যেকোনো পরামর্শ বা রুকইয়াহ সেবার জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01991-663988 Call imo WhatsApp

#জরায়ু #পেটে #পাকস্থলীওঅন্ত্র #রুকইয়াহ্ #চিকিৎসা

১২ বছরের চিকিৎসা, জরায়ুতে দুটি সিস্ট, সন্তান না হওয়ার কষ্ট... অতঃপর আল্লাহর ইচ্ছায় এক বিস্ময়কর পরিবর্তন! আলহামদুলিল্...
01/08/2026

১২ বছরের চিকিৎসা, জরায়ুতে দুটি সিস্ট, সন্তান না হওয়ার কষ্ট... অতঃপর আল্লাহর ইচ্ছায় এক বিস্ময়কর পরিবর্তন! আলহামদুলিল্লাহ।

এটি এমন এক বোনের বাস্তব অভিজ্ঞতা, যিনি দীর্ঘ বছর ধরে নানাবিধ শারীরিক, পারিবারিক ও মানসিক সমস্যার ভার বহন করে আসছিলেন। বিবাহিত জীবনে তাঁদের একটি মাত্র সন্তান, যার বর্তমান বয়স প্রায় ১৫ বছর। প্রথম সন্তানের জন্মের পর থেকে অসংখ্য চেষ্টা, চিকিৎসা ও মেডিকেল ফলো-আপ সত্ত্বেও তিনি আর কখনো সন্তান ধারণ করতে পারেননি।

বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর জরায়ুর দুই পাশে দুটি সিস্ট রয়েছে। দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন ও নিয়মিত ফলো-আপ চললেও অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হচ্ছিল না। পরবর্তীতে চিকিৎসক অপারেশনের পরামর্শও দেন, যদিও ব্যক্তিগত কারণে তখনও অপারেশন করা হয়নি।

এদিকে সম্প্রতি তাঁদের কন্যার কিছু সমস্যার কারণে তাঁরা Quranic Cure Ruqyah center-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মূল উদ্দেশ্য ছিল কন্যার জন্য শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ্ গ্রহণ করা। কিন্তু রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস, পারিবারিক অবস্থা এবং দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো মনোযোগ সহকারে পর্যালোচনা করার পর আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, বিষয়টি কেবল একজন সদস্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং পুরো পরিবারের অবস্থাও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন হতে পারে। সেই বিবেচনায় আমরা পুরো পরিবারের একটি রুকইয়াহ্-ভিত্তিক ডায়াগনোসিসের পরামর্শ দিই।

আলহামদুলিল্লাহ, ডায়াগনোসিস সম্পন্ন হওয়ার পর যে বিষয়গুলো সামনে আসে, বিভিন্ন যাদু আক্রান্ত তা তাঁদের দীর্ঘদিনের বাস্তব জীবনের নানা সমস্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। শুধু শারীরিক অসুস্থতাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে সন্তান না হওয়া, সংসারে অশান্তি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান মতবিরোধ, রিজিকে বরকতের অভাব, ধার-দেনার বোঝা বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে তাঁরা এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছিলেন।

ডায়াগনোসিস রিপোর্টের আলোকে তাঁদের জন্য একটি শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ্ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান নির্ধারণ করা হয়। প্রথম রুকইয়াহ্ সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর ২১ দিনের একটি প্রেসক্রিপশন প্রদান করা হয়, যা তাঁরা যথাযথভাবে অনুসরণ করেন। নির্ধারিত সময় শেষে তাঁরা পুনরায় দ্বিতীয় ফলো-আপ সেশন গ্রহণ করেন।

দ্বিতীয় সেশনের প্রায় দুই সপ্তাহ পর আমরা তাঁদের পরামর্শ দিই, যেন পূর্বের মতোই নিয়মিত চিকিৎসকের অধীনে পুনরায় মেডিকেল পরীক্ষা করান। তাঁরা আল্ট্রাসনোগ্রাম করানোর পর যে রিপোর্ট হাতে পান, তা তাঁদের জন্য ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত।

দীর্ঘদিন ধরে রিপোর্টে থাকা জরায়ুর দুটি সিস্ট—একটিও আর দেখা যাচ্ছে না।

আলহামদুলিল্লাহ।

যে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তিনি দীর্ঘ বছর চিকিৎসা নিয়েছেন, তিনিও নতুন রিপোর্ট দেখে বিস্মিত হয়ে যান। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তিনি অন্য একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পুনরায় পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন।

সুবহানাল্লাহ! দ্বিতীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্টেও একই ফলাফল আসে।

জরায়ুতে আর কোনো সিস্ট পাওয়া যায়নি।

এ ধরনের ঘটনাই আমাদের রুকইয়াহ্ চিকিৎসা জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। বছরের পর বছর চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নানামুখী প্রচেষ্টার পরও যখন অনেক মানুষ হতাশ হয়ে আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা তাদের জন্য কোনো অলৌকিক প্রতিশ্রুতি দিই না। আমরা তাদেরকে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ্, দোয়া এবং আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুলের পথেই আহ্বান করি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার অসীম অনুগ্রহে, এমন অনেক ক্ষেত্রে আমরা এমন পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছি, যা আমাদের ঈমানকে আরও দৃঢ় করে দেয় এবং আমাদের এই দাওয়াহ ও সেবার কাজে আরও উৎসাহিত করে।

আমরা বিশ্বাস করি, শিফা কোনো রাকীর হাতে নয়, কোনো ওষুধের হাতেও নয়; শিফা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার পক্ষ থেকেই আসে। মানুষ কেবল বৈধ মাধ্যম অবলম্বন করে, আর ফলাফল নির্ধারণ করেন একমাত্র আল্লাহ

চিকিৎসা গ্রহণ করা সুন্নাহ ও শরিয়াহসম্মত একটি মাধ্যম, আর রুকইয়াহ্ হলো কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে আল্লাহর নিকট শিফা প্রার্থনার একটি ইবাদত। আল্লাহ যখন বান্দার জন্য শিফার ফয়সালা করেন, তখন তিনি যেকোনো বৈধ মাধ্যমকে সেই শিফার উপলক্ষ বানিয়ে দেন।

এই ঘটনাটি আমাদের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা—মানুষ চেষ্টা করে, চিকিৎসা গ্রহণ করে, পরিকল্পনা করে; কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একমাত্র আল্লাহর। তিনি যখন বলেন "হয়ে যাও", তখন অসম্ভব মনে হওয়া বিষয়ও সম্ভব হয়ে যায়।

আমরা কখনো দাবি করি না যে রুকইয়াহ্ প্রতিটি রোগের নিশ্চিত সমাধান। তবে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যখন আল্লাহ বান্দার জন্য শিফার ফয়সালা করেন, তখন তিনি কুরআনের বরকত, দোয়া এবং শরিয়াহসম্মত বিভিন্ন বৈধ মাধ্যমকে সেই শিফার উপলক্ষ বানিয়ে দেন।
এই বিশ্বাসই আমাদের পথচলার শক্তি, এই বিশ্বাসই আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা, আর আল্লাহর অনুগ্রহে মানুষের মুখে হাসি ফিরতে দেখা—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সফলতা।
এই ভাষা একদিকে আবেগপূর্ণ, অন্যদিকে চিকিৎসা

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহ ত'আলার জন্য। তিনিই সর্বোত্তম শিফা দানকারী 🌿

৩০/০৭/২৬ - 11:37 PM
✍️লেখ ওস্তাদ : Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان Managing Director Senior Raqi Consultant and Hijama Practicing: Quranic Cure Ruqyah center
📿শরঈ রুকইয়াহ্ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে সরাসরি কল করুন 01991663988 Call imo WhatsApp

#জরায়ুতে #সিস্ট #চিকিৎসা #রুকইয়াহ্ #সফলতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই বিদেশি নাগরিকের আর্তনাদ কি আপনার কানে পৌঁছাবে না?আমেরিকান নাগরিক...
28/07/2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই বিদেশি নাগরিকের আর্তনাদ কি আপনার কানে পৌঁছাবে না?

আমেরিকান নাগরিক গ্যারিসন লুটেল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ঘুরছেন শুধু একটি আশায়৷ নিজের সন্তানকে একবার বুকে জড়িয়ে ধরবেন।

২০১৮ সালে তিনি ফারহানা করিমকে বিয়ে করেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রে সংসার করতেন এবং তাদের একটি ছেলে সন্তান হয়। ২০২৩ সালে ফারহানা আবার অন্তঃসত্ত্বা হলে পরিবারের সঙ্গে থাকার কথা বলে বাংলাদেশে আসেন। কিন্তু বাংলাদেশে আসার পর ধীরে ধীরে গ্যারিসনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে গ্যারিসন নিয়মিত অর্থ পাঠিয়ে গেলেও তিনি কোনো খোঁজখবর পাচ্ছিলেন না।

বারবার যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশে আসেন। কিন্তু এখানেও অভিযোগ অনুযায়ী, স্ত্রী তার সঙ্গে দেখা করতে রাজি হননি, এমনকি সন্তানদেরও দেখতে দেননি।

পরবর্তীতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় তিনি ফারহানার বাসায় গেলে জানতে পারেন, তিনি অন্য একজন কানাডিয়ান নাগরিকের সঙ্গে বসবাস করছেন এবং তাকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করছেন। এদিকে এরই মধ্যে আরেকটি সন্তানও জন্ম নিয়েছে।

এরপর থেকে গ্যারিসন বাংলাদেশের আদালত ও বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে নিজের সন্তানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ চেয়ে আসছেন। কিন্তু তার দাবি অনুযায়ী, এখনো কোনো কার্যকর সমাধান পাননি। শেষ পর্যন্ত তিনি গলায় ব্যানার ঝুলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।

একজন বাবা তার সন্তানের জন্য কতটা অসহায় হলে এভাবে রাস্তায় নেমে সাহায্য চাইতে বাধ্য হন?

যদি এই ঘটনায় আইনগতভাবে তার পক্ষে অধিকার থেকে থাকে, তাহলে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গত তদন্তের মাধ্যমে সন্তানের সঙ্গে দেখা করার এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।

একজন বাবার এই আকুতি যেন আর অবহেলায় হারিয়ে না যায়। ❤️

#তারেকরহমান #গ্যারিসনলুটেল

অনেক সময় আমাদের জীবনে এমন কিছু সমস্যা আসে যা ডাক্তার বা সাধারণ চিকিৎসায় ধরা পড়ে না। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা, মেডিকেল...
18/07/2026

অনেক সময় আমাদের জীবনে এমন কিছু সমস্যা আসে যা ডাক্তার বা সাধারণ চিকিৎসায় ধরা পড়ে না। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা, মেডিকেল রিপোর্টে কোনো সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও সুস্থ না হওয়া, সাংসারিক অশান্তি, সন্তানের অমনযোগিতা কিংবা বিয়ে বা সন্তান লাভে বাধা—এই সবকিছুই কি আপনার জীবনকে বিষিয়ে তুলছে?
আমরা রুকইয়াহ শরীয়াহর মাধ্যমে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে দীর্ঘ দিন যাবত আপনাদের সেবা দিয়ে আসছি।

আগামী সোমবার, ২০ জুলাই আমাদের উত্তরা আব্দুল্লাহপুর সেন্টারে - ওস্তাদ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان রোগী দেখবেন ইনশাআল্লাহ ।

আপনি যদি নিচের কোনো সমস্যায় ভুগে থাকেন, তবে দেরি না করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
✅ দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা (রিপোর্ট নরমাল কিন্তু সুস্থ হচ্ছেন না)
✅ সাংসারিক কলহ ও বিচ্ছেদ হওয়ার উপক্রম
✅ সন্তানের অবাধ্যতা বা পড়াশোনায় অনীহা
✅ বিয়ে বা সন্তান লাভে বাধা ও জিনের আছর বা জাদুর প্রভাব।

Quranic Cure Ruqyah center
🗓️ সময়:সোমবার, ২০ জুলাই
📍 স্থান: উত্তরা আব্দুল্লাহপুর, কুরআনিকা কিউর রুকইয়াহ সেন্টার।
📞 সিরিয়াল নিতে বা পরামর্শের জন্য আজই যোগাযোগ করুন: 01991663988 (Call / imo / WhatsApp)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে শেফা দান করুন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quranic Cure Ruqyah center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Quranic Cure Ruqyah center:

Shortcuts

Share