28/05/2024
💢আপনার ত্বক কোন ধরনের তা কিভাবে বুঝবেন ?💢
ত্বকের যত্নে প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রেই বলুন আর ঘরে তৈরি মাস্ক নির্বাচনের ক্ষেত্রেই বলুন ত্বকের ধরন জানা আবশ্যক। কেননা ত্বকের ধরন না বুঝে প্রোডাক্ট বা ফেসপ্যাক যা-ই ব্যবহার করুন না কেন ফলাফল কিন্তু ভালো হয় না।
ত্বক সাধারনত চার ধরনের হয় - শুষ্ক, স্বাভাবিক, তৈলাক্ত ও মিশ্র।
👩⚕️ শুষ্ক ত্বক: শুষ্ক ত্বকে টিস্যু চেপে ধরলে কোনো ধরনেরই তেলতেলে ভাব লক্ষ্য করা যায় না। কিন্তু এ ধরণের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক থাকার কারণে প্রায়শই চামড়া ফেটে সাদা সাদা হয়ে যায়। ত্বক রূক্ষ(rough) থাকে, কিছু কিছু জায়গায় বলিরেখা (wrinkle) দেখা যায়।
পরামর্শঃ
☘️ এমন ত্বকের বেস্ট ফ্রেন্ড হল ময়েশ্চারাইজার।
☘️ ত্বকের যত্নে লোশন এবং ক্রিম বেছে নিন। অ্যালার্জি এবং র্যাশের হাত থেকে বাঁচতে প্রোডাক্ট কেনার আগে উপকরণ ভালো করে পড়ে নিন।
👩⚕️ স্বাভাবিক: স্বাভাবিক ত্বকে টিস্যু চেপে ধরলে খুব অল্প তেলতেলে ভাব লক্ষ্য করা যাবে। এ ধরনের ত্বক না অতিরিক্ত শুষ্ক হয় আর না অতিরিক্ত তৈলাক্ত। কিছু ইম্পেরফেকশন থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে, খুব বেশি উজ্জ্বল হবে না, অল্প বিস্তর দাগ থাকতে পারে।
পরামর্শঃ
☘️ আপনার ত্বকের ধরন খুব ভালো। এবং সবার কাম্য।
☘️ ভারী কোন স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
👩⚕️ তৈলাক্ত: এ ক্ষেত্রে টিস্যুতে আপনার মুখের পুরো তৈলাক্ত ভাব উঠে আসলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক তৈলাক্ত। তৈলাক্ত ত্বকে ক্ষেত্রে কপাল, নাকের ভাঁজ, চিবুক এবং গালের অধিকাংশ অংশেই তেলতেলে ভাব থাকে। ব্ল্যাকহেডস, ব্রণ অথবা কিছু খুঁত হতে পারে, ত্বকে বড় বড় গর্ত তৈরি হতে পারে। তাই এই ধরনের ত্বক সনাক্ত করা যায় সহজেই।
পরামর্শঃ
☘️ মন খারাপ করার কিছু নেই। তৈলাক্ত ত্বকের ঝামেলা অনেক হলেও এ ধরনের ত্বকে বয়সের ছাপ অনেক দেরিতে পড়ে।
☘️ অয়েল সমৃদ্ধ স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ওয়াটার বেসড প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন।
👩⚕️ মিশ্র: টিস্যু পেপারে যদি শুধু আপনার (নাক, কপাল ও চিবুক / থুতনি) থেকে তেল উঠে আসে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বকের ধরন মিশ্র। মিশ্র ত্বক কিছুটা শুষ্ক, কিছুটা স্বাভাবিক এবং কিছু তৈলাক্ত ধরনের হয়।
পরামর্শঃ
☘️ মুখের তৈলাক্ত স্থানগুলো নির্দিষ্ট করে সেখানে ওয়াটার বেসড জেল ব্যবহার করুন। একইভাবে শুষ্ক জায়গাতে লাইট লোশন এবং সেরাম ব্যবহার করুন।