Medical Information

Medical Information Our page is created in purpose of sharing Medical information, videos & photos with people.

অনেক মা-বাবা হাম (Measles) হলে ভয় পেয়ে যান এবং সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা করেন—হাম হলে বাচ্চাকে কি খাওয়াবো আর কি খাওয়াবো না...
05/04/2026

অনেক মা-বাবা হাম (Measles) হলে ভয় পেয়ে যান এবং সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা করেন—
হাম হলে বাচ্চাকে কি খাওয়াবো আর কি খাওয়াবো না?

হাম হলে বাচ্চার শরীর খুব দুর্বল হয়ে যায়, জ্বর থাকে, শরীরে লাল ফুসকুড়ি ওঠে এবং অনেক সময় বাচ্চার খাওয়ার রুচি কমে যায়। তাই এই সময় বাচ্চাকে এমন খাবার দিতে হবে যা সহজে হজম হয়, শরীরে শক্তি দেয় এবং পানিশূন্যতা হতে দেয় না।

🌿 হাম হলে যে খাবারগুলো খাওয়ানো ভালো

১️⃣ বুকের দুধ
ছোট বাচ্চা হলে বারবার বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। বুকের দুধ বাচ্চার শরীরকে শক্তি দেয় এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

২️⃣ নরম ও সহজপাচ্য খাবার
যেমন—
• নরম খিচুড়ি
• ডাল ভাত
• সুজি বা সেমাই
• নরম ভাত মেখে

৩️⃣ পুষ্টিকর ফল
• কলা
• পাকা পেঁপে
• সেদ্ধ বা ম্যাশ করা আপেল

এই ফলগুলো বাচ্চার শরীরে শক্তি ও ভিটামিন দেয়।

৪️⃣ তরল খাবার বেশি দিন
হাম হলে শরীর দ্রুত দুর্বল হয়ে যায়, তাই তরল খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—
• ডাবের পানি
• লেবু পানি
• মুরগির স্যুপ
• সবজির স্যুপ
• পরিষ্কার পানি

৫️⃣ ভিটামিন-A যুক্ত খাবার
ভিটামিন-A চোখ ও শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—
• গাজর
• কুমড়া
• ডিমের কুসুম

❌ হাম হলে যেসব খাবার এড়িয়ে চলা ভালো

• বেশি ঝাল ও মশলাদার খাবার
• ভাজাপোড়া খাবার (পেঁয়াজু, পুরি, ফাস্টফুড)
• কোমল পানীয় ও আইসক্রিম
• চিপস, প্যাকেটজাত জাঙ্ক ফুড
• খুব শক্ত বা হজমে কষ্ট হয় এমন খাবার

⚠️ আরও কিছু জরুরি বিষয়

✔ বাচ্চাকে পরিষ্কার ও আরামদায়ক পরিবেশে রাখুন।
✔ শরীর পরিষ্কার রাখুন এবং হালকা গরম পানিতে মুছিয়ে দিন।
✔ জ্বর বেশি হলে বা বাচ্চা খুব দুর্বল হয়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
✔ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-A ক্যাপসুল দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখবেন, হাম হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
সঠিক যত্ন, পুষ্টিকর খাবার এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসা—এই তিনটি বিষয় ঠিক থাকলে বেশিরভাগ বাচ্চাই সুস্থ হয়ে যায়।

সঠিক তথ্য জানুন, অন্য মায়েদেরও জানান।

ঘুম বিহীন জীবন......! ভাবতেও গা শিউরে ওঠে! আপনি কি জানেন, খাবার ছাড়া মানুষ কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারলেও, ঘুম ছাড়া মানুষের ম...
08/02/2026

ঘুম বিহীন জীবন......!

ভাবতেও গা শিউরে ওঠে! আপনি কি জানেন, খাবার ছাড়া মানুষ কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারলেও, ঘুম ছাড়া মানুষের মৃত্যু অবধারিত....!

১৯৬৪ সালে আমেরিকায় করা একটি ভয়ংকর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বা এক্সপেরিমেন্ট থেকে বেরিয়ে এসেছিল এক শিউরে ওঠার মতো সত্য। আজকের এই লেখাটি পড়ার পর আপনি হয়তো আর কোনোদিন রাতের ঘুম হেলায় হারাবেন না।

মৃত্যুর সাথে ১১ দিনের পাঞ্জা ঘটনাটি ১৯৬৪ সালের। মাত্র ১৭ বছরের এক কিশোরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এই পরীক্ষার জন্য। তাকে রাখা হয়েছিল এমন এক বদ্ধ ঘরে, যেখানে দিনের আলো ঢোকার কোনো পথ ছিল না। উদ্দেশ্য একটাই দেখা, মানুষ ঘুম ছাড়া কতদিন টিকতে পারে?

শুরুটা ছিল স্বাভাবিক (১-২ দিন):

‎প্রথম দুদিন পর্যন্ত কিশোরটি বেশ স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু আসল নাটক শুরু হলো তৃতীয় দিন থেকে।

তৃতীয় দিন: ছায়া যখন কথা বলে (হ্যালুসিনেশন):

‎তিন দিন পার হতেই সে একা একা কথা বলতে শুরু করে। সে দাবি করতে থাকে যে সে চারপাশে ভূত দেখছে এবং দেওয়ালে ছায়াদের কথা বলতে শুনছে। মস্তিষ্ক তার নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে।

পঞ্চম দিন: চরম অবিশ্বাস (প্যারানয়া):

‎সে খাওয়া-দাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। তার মনে হতে থাকে তাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলা হবে। ডাক্তারদের সে তার পরম শত্রু ভাবতে শুরু করে।

সপ্তম দিন: অজানা ভাষা ও অদ্ভুত সংকেত:

‎সাত দিনের মাথায় সে ঘরের দেওয়ালে অদ্ভুত সব চিহ্ন আর এমন ভাষায় কিছু লিখতে থাকে, যে ভাষার অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে নেই। সে যেন অন্য কোনো জগতের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিল।

নবম দিন: জেগে থেকেও মৃত (মাইক্রো-স্লিপ):

‎মস্তিষ্ক তখন নিজেকে বাঁচাতে এক অদ্ভুত পথ বেছে নেয়। একে বলা হয় ‘মাইক্রো-স্লিপ’। কিশোরটির চোখ খোলা ছিল, কিন্তু তার ব্রেইন ২০-৩০ সেকেন্ডের জন্য বারবার শাটডাউন হয়ে যাচ্ছিল। সে তাকিয়ে ছিল ঠিকই, কিন্তু আসলে সে তখন পৃথিবীতে নেই।

দশম দিন: আর্তনাদ ও হাহাকার:

‎পুরো ঘর কাঁপিয়ে তার কান্না আর চিৎকারে ডাক্তাররাও ঘাবড়ে যান। তার মানসিক অবস্থা তখন সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার।

একাদশ দিন: সেই ভয়ংকর শেষ মুহূর্ত:

‎১১তম দিনে সে হঠাৎ একদম শান্ত হয়ে যায়। টানা ৬ ঘণ্টা পলক না ফেলে সে ক্যামেরার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। কোনো নড়াচড়া নেই, কোনো শব্দ নেই। হঠাৎ সে মাটিতে আছড়ে পড়ে যায়। ডাক্তাররা যখন ভাবলেন সে মারা গেছে এবং কাছে দৌড়ে গেলেন তখনই সে হঠাৎ সোজা হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে এক পৈশাচিক হাসি হাসতে শুরু করল।

‎সেই মুহূর্তেই পরীক্ষাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ পরিষ্কার ছিল এর এক মিনিট পরেই তার মস্তিষ্ক চিরতরে অকেজো হয়ে যেত।

‎এই এক্সপেরিমেন্ট থেকে প্রমাণিত হয় যে, একজন মানুষ ঘুম ছাড়া সর্বোচ্চ ১১ দিন টিকে থাকতে পারে। কিন্তু মাত্র ৩ দিন ঘুম না হলেই মানুষের মস্তিষ্ক বিকল হতে শুরু করে এবং স্থায়ী মানসিক রোগ দানা বাঁধতে পারে।

‎আজকের বাস্তবতা:

‎আমরা রাত জেগে মোবাইল স্ক্রল করছি, শর্টস বা রিলস দেখছি। আমরা ভাবছি এটা বিনোদন, কিন্তু আসলে আমরা আমাদের মস্তিষ্ককে সেই ভয়ংকর '১১ দিনের' দিকে ঠেলে দিচ্ছি। অতিরিক্ত রাত জাগা আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, মেজাজ খিটখিটে করে এবং আপনার আয়ু কেড়ে নেয়।

মনে রাখবেন

‎ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আপনার বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের মতোই প্রয়োজন। আজ রাত থেকে নিজের শরীর ও মনকে বিশ্রাম দিন।

‎আপনার কি রাত জাগার অভ্যাস আছে? তবে আজই সাবধান হোন। একান্তই সমস্যা হলে চিকিৎসক এর পরামর্শ গ্রহণ করুন।
এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনকেও সচেতন করুন!
(তথ্য সংগৃহীত)।

Address

Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medical Information posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share