Medical Information

Medical Information Our page is created in purpose of sharing Medical information, videos & photos with people.

অনেক মা-বাবা হাম (Measles) হলে ভয় পেয়ে যান এবং সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা করেন—হাম হলে বাচ্চাকে কি খাওয়াবো আর কি খাওয়াবো না...
05/04/2026

অনেক মা-বাবা হাম (Measles) হলে ভয় পেয়ে যান এবং সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা করেন—
হাম হলে বাচ্চাকে কি খাওয়াবো আর কি খাওয়াবো না?

হাম হলে বাচ্চার শরীর খুব দুর্বল হয়ে যায়, জ্বর থাকে, শরীরে লাল ফুসকুড়ি ওঠে এবং অনেক সময় বাচ্চার খাওয়ার রুচি কমে যায়। তাই এই সময় বাচ্চাকে এমন খাবার দিতে হবে যা সহজে হজম হয়, শরীরে শক্তি দেয় এবং পানিশূন্যতা হতে দেয় না।

🌿 হাম হলে যে খাবারগুলো খাওয়ানো ভালো

১️⃣ বুকের দুধ
ছোট বাচ্চা হলে বারবার বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। বুকের দুধ বাচ্চার শরীরকে শক্তি দেয় এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

২️⃣ নরম ও সহজপাচ্য খাবার
যেমন—
• নরম খিচুড়ি
• ডাল ভাত
• সুজি বা সেমাই
• নরম ভাত মেখে

৩️⃣ পুষ্টিকর ফল
• কলা
• পাকা পেঁপে
• সেদ্ধ বা ম্যাশ করা আপেল

এই ফলগুলো বাচ্চার শরীরে শক্তি ও ভিটামিন দেয়।

৪️⃣ তরল খাবার বেশি দিন
হাম হলে শরীর দ্রুত দুর্বল হয়ে যায়, তাই তরল খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—
• ডাবের পানি
• লেবু পানি
• মুরগির স্যুপ
• সবজির স্যুপ
• পরিষ্কার পানি

৫️⃣ ভিটামিন-A যুক্ত খাবার
ভিটামিন-A চোখ ও শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—
• গাজর
• কুমড়া
• ডিমের কুসুম

❌ হাম হলে যেসব খাবার এড়িয়ে চলা ভালো

• বেশি ঝাল ও মশলাদার খাবার
• ভাজাপোড়া খাবার (পেঁয়াজু, পুরি, ফাস্টফুড)
• কোমল পানীয় ও আইসক্রিম
• চিপস, প্যাকেটজাত জাঙ্ক ফুড
• খুব শক্ত বা হজমে কষ্ট হয় এমন খাবার

⚠️ আরও কিছু জরুরি বিষয়

✔ বাচ্চাকে পরিষ্কার ও আরামদায়ক পরিবেশে রাখুন।
✔ শরীর পরিষ্কার রাখুন এবং হালকা গরম পানিতে মুছিয়ে দিন।
✔ জ্বর বেশি হলে বা বাচ্চা খুব দুর্বল হয়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
✔ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-A ক্যাপসুল দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখবেন, হাম হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
সঠিক যত্ন, পুষ্টিকর খাবার এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসা—এই তিনটি বিষয় ঠিক থাকলে বেশিরভাগ বাচ্চাই সুস্থ হয়ে যায়।

সঠিক তথ্য জানুন, অন্য মায়েদেরও জানান।

ঘুম বিহীন জীবন......! ভাবতেও গা শিউরে ওঠে! আপনি কি জানেন, খাবার ছাড়া মানুষ কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারলেও, ঘুম ছাড়া মানুষের ম...
08/02/2026

ঘুম বিহীন জীবন......!

ভাবতেও গা শিউরে ওঠে! আপনি কি জানেন, খাবার ছাড়া মানুষ কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারলেও, ঘুম ছাড়া মানুষের মৃত্যু অবধারিত....!

১৯৬৪ সালে আমেরিকায় করা একটি ভয়ংকর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বা এক্সপেরিমেন্ট থেকে বেরিয়ে এসেছিল এক শিউরে ওঠার মতো সত্য। আজকের এই লেখাটি পড়ার পর আপনি হয়তো আর কোনোদিন রাতের ঘুম হেলায় হারাবেন না।

মৃত্যুর সাথে ১১ দিনের পাঞ্জা ঘটনাটি ১৯৬৪ সালের। মাত্র ১৭ বছরের এক কিশোরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এই পরীক্ষার জন্য। তাকে রাখা হয়েছিল এমন এক বদ্ধ ঘরে, যেখানে দিনের আলো ঢোকার কোনো পথ ছিল না। উদ্দেশ্য একটাই দেখা, মানুষ ঘুম ছাড়া কতদিন টিকতে পারে?

শুরুটা ছিল স্বাভাবিক (১-২ দিন):

‎প্রথম দুদিন পর্যন্ত কিশোরটি বেশ স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু আসল নাটক শুরু হলো তৃতীয় দিন থেকে।

তৃতীয় দিন: ছায়া যখন কথা বলে (হ্যালুসিনেশন):

‎তিন দিন পার হতেই সে একা একা কথা বলতে শুরু করে। সে দাবি করতে থাকে যে সে চারপাশে ভূত দেখছে এবং দেওয়ালে ছায়াদের কথা বলতে শুনছে। মস্তিষ্ক তার নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে।

পঞ্চম দিন: চরম অবিশ্বাস (প্যারানয়া):

‎সে খাওয়া-দাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। তার মনে হতে থাকে তাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলা হবে। ডাক্তারদের সে তার পরম শত্রু ভাবতে শুরু করে।

সপ্তম দিন: অজানা ভাষা ও অদ্ভুত সংকেত:

‎সাত দিনের মাথায় সে ঘরের দেওয়ালে অদ্ভুত সব চিহ্ন আর এমন ভাষায় কিছু লিখতে থাকে, যে ভাষার অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে নেই। সে যেন অন্য কোনো জগতের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিল।

নবম দিন: জেগে থেকেও মৃত (মাইক্রো-স্লিপ):

‎মস্তিষ্ক তখন নিজেকে বাঁচাতে এক অদ্ভুত পথ বেছে নেয়। একে বলা হয় ‘মাইক্রো-স্লিপ’। কিশোরটির চোখ খোলা ছিল, কিন্তু তার ব্রেইন ২০-৩০ সেকেন্ডের জন্য বারবার শাটডাউন হয়ে যাচ্ছিল। সে তাকিয়ে ছিল ঠিকই, কিন্তু আসলে সে তখন পৃথিবীতে নেই।

দশম দিন: আর্তনাদ ও হাহাকার:

‎পুরো ঘর কাঁপিয়ে তার কান্না আর চিৎকারে ডাক্তাররাও ঘাবড়ে যান। তার মানসিক অবস্থা তখন সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার।

একাদশ দিন: সেই ভয়ংকর শেষ মুহূর্ত:

‎১১তম দিনে সে হঠাৎ একদম শান্ত হয়ে যায়। টানা ৬ ঘণ্টা পলক না ফেলে সে ক্যামেরার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। কোনো নড়াচড়া নেই, কোনো শব্দ নেই। হঠাৎ সে মাটিতে আছড়ে পড়ে যায়। ডাক্তাররা যখন ভাবলেন সে মারা গেছে এবং কাছে দৌড়ে গেলেন তখনই সে হঠাৎ সোজা হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে এক পৈশাচিক হাসি হাসতে শুরু করল।

‎সেই মুহূর্তেই পরীক্ষাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ পরিষ্কার ছিল এর এক মিনিট পরেই তার মস্তিষ্ক চিরতরে অকেজো হয়ে যেত।

‎এই এক্সপেরিমেন্ট থেকে প্রমাণিত হয় যে, একজন মানুষ ঘুম ছাড়া সর্বোচ্চ ১১ দিন টিকে থাকতে পারে। কিন্তু মাত্র ৩ দিন ঘুম না হলেই মানুষের মস্তিষ্ক বিকল হতে শুরু করে এবং স্থায়ী মানসিক রোগ দানা বাঁধতে পারে।

‎আজকের বাস্তবতা:

‎আমরা রাত জেগে মোবাইল স্ক্রল করছি, শর্টস বা রিলস দেখছি। আমরা ভাবছি এটা বিনোদন, কিন্তু আসলে আমরা আমাদের মস্তিষ্ককে সেই ভয়ংকর '১১ দিনের' দিকে ঠেলে দিচ্ছি। অতিরিক্ত রাত জাগা আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, মেজাজ খিটখিটে করে এবং আপনার আয়ু কেড়ে নেয়।

মনে রাখবেন

‎ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আপনার বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের মতোই প্রয়োজন। আজ রাত থেকে নিজের শরীর ও মনকে বিশ্রাম দিন।

‎আপনার কি রাত জাগার অভ্যাস আছে? তবে আজই সাবধান হোন। একান্তই সমস্যা হলে চিকিৎসক এর পরামর্শ গ্রহণ করুন।
এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনকেও সচেতন করুন!
(তথ্য সংগৃহীত)।

🚫⛔BCG টিকা দিয়ে বাচ্চার হাতে ফোড়া হয়েছে।অনেক ভয় পাচ্ছেন?✅ভয়ের কোন কারণ নেই। চলুন বিস্তারিত জেনে আসি: ✅সাধারণত BCG টিকা...
13/08/2025

🚫⛔BCG টিকা দিয়ে বাচ্চার হাতে ফোড়া হয়েছে।অনেক ভয় পাচ্ছেন?

✅ভয়ের কোন কারণ নেই।
চলুন বিস্তারিত জেনে আসি:

✅সাধারণত BCG টিকা দেয়ার পর বাচ্চাদের হাতে নিচের ছবির মত এমন ফুলে যায়,ফোড়ার মত হয়ে যায়।এর মানে হচ্ছে টিকা কার্যকর হচ্ছে।

✅এক্ষেত্রে কোন চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাই এর জন্য যথেষ্ট। ভয় না পেয়ে ধৈর্য্য ধরুন।ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

সাধারণত BCG টিকা দেওয়ার পর নিচের ধাপগুলি হয়।

১। ১-২ সপ্তাহের মধ্যে: ভ্যাকসিন দেয়ার স্থানে ছোট একটি গুটি দেখা যায়।

২। ৪-৬ সপ্তাহের মধ্যে: গুটিটি ধীরে ধীরে পুঁজযুক্ত ফোসকা বা ঘায়ের মতো হতে পারে, তারপর তা ফেটে গিয়ে শুকাতে শুরু করে।

৩। ৮-১২ সপ্তাহের মধ্যে: ক্ষত শুকিয়ে ছোট একটি দাগ (scar) রয়ে যায়, যা স্থায়ী হয়।

সাধারণভাবে, পুরোপুরি "ভালো হয়ে যাওয়া" অর্থাৎ ঘা শুকিয়ে গিয়ে দাগ হওয়া পর্যন্ত প্রায় ৬ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগে।

✅কোন শিশুর যদি ১২ সপ্তাহের পরেও টিকার স্থানে কোন দাগ না হয় তাহলে ১৪ সপ্তাহে টিকা দেওয়ার সময় অবশ্যই পুনরায় আবার BCG টিকা দিতে হবে।

দ্বিধাগ্রস্ত হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

নিজে জানুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানতে সাহায্য করুন।

©

হার্টের রিং এর সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দাম।
05/08/2025

হার্টের রিং এর সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দাম।

সে'ক্স ও সফলতা একসাথে চলে না। তাই কোন অসংযত পুরুষ কখনোই মহান হতে পারে না"।কিছু পুরুষ সফলতার স্বপ্ন দেখে। কিছু পুরুষ সফলত...
23/05/2025

সে'ক্স ও সফলতা একসাথে চলে না।
তাই কোন অসংযত পুরুষ কখনোই মহান হতে পারে না"।

কিছু পুরুষ সফলতার স্বপ্ন দেখে। কিছু পুরুষ সফলতার জন্য পরিশ্রম করে। আবার কিছু পুরুষ শুরু হওয়ার আগেই তাদের সফলতা ধ্বংস করে ফেলে।

আপনি জানেন কি?❓
অনেক পুরুষের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হলো সে'ক্স।‼️

যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে কখনোই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। আর যে পুরুষ নিজের ইচ্ছেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে-ই সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে। কেননা সফলতার জন্য দরকার কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। আর যৌন আস'ক্তি সেই নিয়মানুবর্তিতাকে ধ্বংস করে দেয়।

তাই আপনি যদি নিজের কামনাকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারেন,
তাহলে ভবিষ্যতও আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।❗

➤ কঠিন সত্যঃ🛐

1️⃣ ক্ষমতাবান পুরুষ যৌন-বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলে, দুর্বল পুরুষ না বলতে পারে না।
ইতিহাসের সব মহান পুরুষদের একটা বিষয় মিল: তারা ছিল কঠোর নিয়মানুবর্তিতায় অভ্যস্ত।

আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ৩০ বছরের মধ্যেই পৃথিবী জয় করেছিলেন—তিনি মেয়েদের পেছনে সময় নষ্ট করেননি।

এলন মাস্ক সপ্তাহে ১০০ ঘণ্টা কাজ করেন—তিনি মেয়েদের সাথে চ্যাট করে সময় নষ্ট করেন না।

মোহাম্মদ আলী লড়াইয়ের আগে যৌনতা থেকে বিরত থাকতেন—কারণ তিনি জানতেন নিয়ন্ত্রণ মানেই শক্তি।

কিন্তু আজকের অনেক পুরুষ কী করছে?
প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা প'র্ন ও মা'স্টারবে'শনে নষ্ট করছে।
মেয়েদেরকে ইমপ্রেস করতে শেষ টাকা পর্যন্ত খরচ করছে।
একটা মেয়ের জন্য কাঁদছে, ভবিষ্যত গড়ার চেয়ে।
অথচ কোনো মহান পুরুষ কখনোই তার কামনার দাস ছিল না।

2️⃣ যৌ'নতা আপনার শক্তি, মনোযোগ, ও উদ্যম কেড়ে নেয়।
প্রতিবার আপনি "রিলিজ" করলে, আপনি কেবল কয়েক সেকেন্ডের আনন্দ হারান না— আপনি হারান:
টে'স্টোস্টেরন (যা আপনাকে শক্তি ও সাফল্য দেয়)
উদ্যম (জয় পাওয়ার ক্ষুধা)
মানসিক স্থিরতা (মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা)
তাইতো অনেক পুরুষ যৌ'নতার পর ক্লান্ত ও অলস অনুভব করে।

ভাবুন, আপনি যদি প্রতিদিন এভাবে নিজেকে দুর্বল করে ফেলেন— তাহলে আপনি কীভাবে শক্তিশালী হবেন?

3️⃣ মেয়েদের পেছনে প্রতিটি মিনিট মানে নিজের ভবিষ্যৎ থেকে দূরে যাওয়া। প্রতিদিন আপনি কত সময়:
মেয়েদের ছবি স্ক্রল করে কাটান?
ফ্লার্ট ও চ্যাটিংয়ে ব্যয় করেন?
প'র্ন দেখে বা মাস্টা'রবেট করে নিজের শক্তি নষ্ট করেন?

ভাবুন, এই সময়গুলো যদি আপনি ব্যয় করতেন:
উচ্চ আয়ের দক্ষতা শেখায়, নিজের ব্যবসা বা ক্যারিয়ারে, শরীর গঠনে— তাহলে আপনাকে কারো পেছনে ছুটতে হতো না, তারা নিজেরাই আপনার দিকে ছুটে আসত।

4️⃣ ইতিহাস বলে, যৌ'ন দুর্বলতাই অনেক মহান পুরুষকে ধ্বং'স করেছে।
ভেবে দেখুন, ইতিহাসের অনেক শক্তিশালী পুরুষ কীভাবে ধ্বং'স হয়েছে? না যুদ্ধ, না দারিদ্র্য— বরং যৌ'ন দুর্বলতায়।
শিম'শোন (Samson) তার শক্তি হারিয়েছিল ডেলিলার কারণে।
সলো'মন ছিলেন জ্ঞানী, কিন্তু নারীদের কারণে ধ্বং'স হয়েছিলেন।
টাই'গার উ'ডস হারিয়েছেন কোটি কোটি টাকার স্প'নসরশিপ যৌ'ন স্ক্যা'ন্ডালের জন্য।
বিল ক্লিনটনের ক্যারিয়ার পড়ে গিয়েছিল বিপদের মুখে।

অর্থাৎ একজন অসংযত পুরুষ মানে একটি নিশ্চিত বিপর্যয়ের অপেক্ষা।

5️⃣ নারীরা কখনোই এমন পুরুষকে সম্মান করে না যে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না।
আপনি কি ভাবেন, কোনো নারী তার পেছনে ছুটে বেড়ানো একজন পুরুষকে সম্মান করে? না। নারীরা সম্মান করে সেই পুরুষকে যার আছে: লক্ষ্য, আত্মসংযম, বড় কোনো মিশন জীবনে।

যখন আপনি আপনার উদ্দেশ্যে মনোযোগ দিবেন, নারীরাই আপনাকে খুঁজবে।

6️⃣ প'র্ন, মা'স্টারবেশন ও আকস্মিক যৌ'নতা পুরুষদের দুর্বল করে দিচ্ছে। আধুনিক পুরুষ: দুর্বল, অলস, অর্থনৈতিকভাবে দুর্দশাগ্রস্ত— এবং এর মূল কারণ হলো সস্তা আনন্দে আসক্তি।

প'র্ন ধ্বংস করে আপনার মস্তিষ্ক।
মা'স্টারবেশন খেয়ে ফেলে আপনার উদ্যম।
ক্যাজুয়াল সে'ক্স নষ্ট করে আপনার নিয়মানুবর্তিতা।

ফলাফল?⁉️
পুরুষেরা আজ: অনুপ্রাণিত না, আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত, হতাশাগ্রস্ত ও দিকহীন।

7️⃣ যে পুরুষ নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে ভবিষ্যৎও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
আপনি হয়ত বলছেন আপনি ধনী, ক্ষমতাবান ও সফল হতে চান। কিন্তু আপনি কি পারেন:
এক সপ্তাহও সে'ক্স বা প'র্ন ছাড়া থাকতে?
কাজের মাঝে নারীর চিন্তা বাদ দিতে?
প্রতিটি নারী দেখে তার পেছনে না ছুটতে?

যদি নিজের শরীরকেই আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন,
তাহলে এই পৃথিবী আপনি কীভাবে জয় করবেন?

8️⃣ সফল পুরুষ সে'ক্সকে নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যর্থ পুরুষ সে'ক্সের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
সে'ক্স একটি মাধ্যম। দুর্বলরা এটা ব্যবহার করে শুধুই আনন্দের জন্য। শক্তিশালীরা ব্যবহার করে এটা নিয়ন্ত্রণের জন্য।

সফল পুরুষ জানে কবে, কীভাবে এই চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ব্যর্থ পুরুষ নিজের কামনার গোলাম হয়ে থাকে।
অথচ এই পৃথিবী শাসন করে সেসব পুরুষ, যারা ভোগ নয় বরং নিয়ন্ত্রণকে বেছে নেয়।

9️⃣ নারী আসবে যাবে, কিন্তু সফলতা চিরস্থায়ী।
আজকে আপনি হয়ত ১০০ জন নারীর সাথে আছেন, কালকে তারা একসাথে চলে যেতে পারে। কিন্তু যদি আপনার থাকে: অর্থ, ক্ষমতা, অবস্থান— তাহলে শত শত নারী নিজে থেকেই আসবে।

তাই সফল পুরুষদের নারীর অভাব হয় না, আর দুর্বল পুরুষদের জীবন কাটে পিছনে ছুটে।‼️

🔟 প্রথমে নিয়মানুবর্তিতা, পরে আনন্দ।
সেক্স নিজে খারাপ কিছু নয়। কিন্তু যদি আপনি আনন্দকে উদ্দেশ্যের আগে রাখেন, তাহলে আপনি সবসময় সংগ্রামে থাকবেন। যদি আপনি আত্মসংযম রপ্ত করেন, তাহলে আপনি সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।

☞ শেষ কথা:
যদি আপনি ধনী, শক্তিশালী ও সফল হতে চান⁉️ তাহলে প্রথম শিখুন নিজের ভোগের ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করতে।

কারণ শেষ পর্যন্ত…
যে পুরুষ নিজের কামনাকে জয় করে, সে-ই নিজের ভবিষ্যৎ জয় করে। আর যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে একদিন সবকিছু হারায়।

✅ জনস্বার্থে পোস্টটি শেয়ার করুন।
09/04/2025

✅ জনস্বার্থে পোস্টটি শেয়ার করুন।

08/04/2025

সারা দেশে ফার্মেসি করবে সরকার। ২৫০ রকমের ওষুধ কেনা যাবে বাজার মূল্যের মাত্র ৩ ভাগের ১ ভাগ টাকায়। দরিদ্র রোগীরা সরাসরি উপকৃত হবে।

নবজাতক ইনকিউবেটর (NICU) সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর :প্রশ্ন ১: NICU ইনকিউবেটর কী?উত্তর: NICU ইনকিউবেটর হলো একটি বিশে...
05/04/2025

নবজাতক ইনকিউবেটর (NICU) সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর :

প্রশ্ন ১: NICU ইনকিউবেটর কী?

উত্তর: NICU ইনকিউবেটর হলো একটি বিশেষায়িত যন্ত্র যা নবজাতক শিশুকে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং সংক্রমণমুক্ত পরিবেশে রাখে। এটি মূলত অপরিপক্ক (প্রিম্যাচিওর) বা অসুস্থ নবজাতকদের জন্য ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন ২: কোন শিশুদের ইনকিউবেটরে রাখা হয়?

উত্তর: সাধারণত নিম্নলিখিত অবস্থার শিশুদের ইনকিউবেটরে রাখা হয়:

প্রিম্যাচিওর (৩৭ সপ্তাহের আগে জন্ম নেওয়া)

কম ওজনের নবজাতক (প্রায় ২.৫ কেজির নিচে)

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকলে

সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে

প্রশ্ন ৩: ইনকিউবেটরের ভেতরে শিশুর যত্ন কীভাবে নেওয়া হয়?

উত্তর: ইনকিউবেটরের ভেতরে শিশুর জন্য তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রিত থাকে। চিকিৎসকরা শিশুর শ্বাসপ্রশ্বাস, হৃদস্পন্দন, অক্সিজেন মাত্রা, ওজন এবং অন্যান্য শারীরিক অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রশ্ন ৪: NICU ইনকিউবেটরে শিশুকে কতদিন রাখা হয়?

উত্তর: এটি শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত, যখন শিশুর ওজন এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়, সে নিজে শ্বাস নিতে পারে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমে আসে, তখন তাকে ইনকিউবেটর থেকে বের করা হয়।

প্রশ্ন ৫: ইনকিউবেটরের মধ্যে শিশুকে দুধ কীভাবে খাওয়ানো হয়?

উত্তর: যদি নবজাতক নিজে স্তন্যপান করতে সক্ষম না হয়, তাহলে তাকে ন্যাসোগ্যাস্ট্রিক (NG) টিউবের মাধ্যমে মায়ের দুধ বা বিশেষ ফর্মুলা দুধ খাওয়ানো হয়।

প্রশ্ন ৬: NICU ইনকিউবেটরের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি?

উত্তর: ইনকিউবেটর সাধারণত শিশুর জন্য নিরাপদ, তবে দীর্ঘ সময় ইনকিউবেটরে থাকলে কিছু ক্ষেত্রে সংক্রমণ বা ত্বকের শুষ্কতা দেখা যেতে পারে। চিকিৎসকরা এসব সমস্যা এড়াতে বিশেষ যত্ন নেন।

আপনার যদি আরও নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্ন থাকে, জানাতে পারেন!

03/04/2025

চলুন আজকে কথা বলি খুবই পরিচিত একটা সমস্যা নিয়ে। সেটা হলো persistent Low Blood pressure.
রোগীর BP সব সময় কম থাকে। যেমন 80/40 mm Hg. রোগী এর ওর পরামর্শে সব সময় Saline খায় কিংবা দুটো করে ডিম খায়। তবু BP ঠিক বাড়ে না।
বসা থেকে উঠে দাড়ালে পুরো দিন দুনিয়া আধার হয়ে আসে।
কি করবেন এমন কোন রোগী পেলে?
প্রথমে আপনাকে বের করতে হবে সম্ভাব্য কারণ গুলো কি?
আমি নীচে লিখে দিচ্ছি।

👉🏿অনিয়ন্ত্রিত ডায়েট রেসট্রিকশন:
এটা এখন কার সময়ের অনেক জনপ্রিয় একটা ট্রেন্ড। একদম কঠিন ভাবে ডায়েট রেসট্রিকশন করা। খুবই সামান্য ক্যালোরি ইনটেকের কারনে এক্ষেত্রে শরীর দুর্বল হয়ে পরে এবং Blood pressure কমে যায়।

👉🏿মা খালারা যারা রান্না করেন গরমের মাঝে চুলার কাছে। তাদের ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণ Sweating and Dehydration হয়। পর্যাপ্ত পানি খেলেও যেটার ঘাটতি লাঘব হয় না। কারন ঘামের সাথে লবণ ও বের হয়। এক্ষেত্রেও BP persistently কম থাকতে পারে।

👉🏿Sleep Deprivation and Insomnia : Short term Sleep Deprivation সাধারণত Blood pressure বাড়ালেও।যাদের Long term Insomnia থাকে, তাদের ক্ষেত্রে Low blood pressure দেখা যায়।

👉🏿 Adrenocortical insufficiency:
এটা দুই ধরণের আছে। Primary and Secondary. দুইক্ষেত্রেই Cortisol level Blood এ কমে যায়।
Secondary cause সবচেয়ে বেশি Common. বিশেষ করে যারা কোন অসুখের কারনে কিংবা গ্রাম্য কোয়াকের পরামর্শে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে Steroid নিয়ে থাকেন, এবং পরবর্তীতে সেই Steroid বাদ দিয়ে দেন। তখন Adrenocortical insufficiency Develop করে। আবার অনেক ক্ষেত্রে TB রোগের কারণে Adrenal gland affected হয়। সেখান থেকেও cortisol Deficiency হতে পারে। Cortisol এর অভাবে Body থেকে Sodium and Water loss হয়। এবং BP কমে যেতে থাকে।

👉🏿 ওষুধের কারনে। যেমন Diuretics,Tryptin , কিংবা কোন Anti Hypertensive Drug কেউ অতিমাত্রায় ব্যবহার করলে Blood pressure কম থাকতে পারে।

👉🏿 Salt losing Nephropathy: এই রোগে Kidney দিয়ে Sodium , potassium and H20 Loss হতে থাকে। যার ফলে Blood pressure সব সময় কম থাকে।
যেমন Barter Syndrome and Gitelman’s Syndrome.

#করণীয় :
👉অনিয়ন্ত্রিত ডায়েট পরিহার।
👉নিয়মিত ঘুম।
👉যারা গরমে কাজ করে তাদের প্রয়োজনীয় Orsaline খাওয়া।
👉অনিয়ন্ত্রিত কোন ড্রাগ পাচ্ছে কিনা সেটা খেয়াল করা।
👉 ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী Serum cortisol এবং Serum Electrolytes এর মাধ্যমে এবং প্রয়োজনে Urine electrolytes এর মাধ্যমে Adrenocortical Insufficiency কিংবা Salt losing Nephropathy Exclusion করা।
(Collected)

30/03/2025

"ঈদ মোবারক "🌙

Address

Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medical Information posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share