Govt. Unani and Ayurvedic Medical College and Hospital

Website

Govt. Unani and Ayurvedic Medical College and Hospital Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Govt. Unani and Ayurvedic Medical College and Hospital, Medical and health, Mirpur 13, Dhaka.
(1)

Unofficial Page | সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

🌿 বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা কেন্দ্র।

🩺 ন্যাচারাল মেডিসিন | আকুপাংচার | হিজামা | পঞ্চকর্ম | ইয়োগা থেরাপি

📍 লোকেশন: মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২২১ 🇧🇩

15/09/2026

পঞ্চকর্ম চিকিৎসার ব্যথা মুক্তি।

সরকারী ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল,মিরপুর ১৩, ঢাকা।

15/09/2026

🌿 ১০টি আকুপাংচার সেশনের পর রোগীর হাঁটার সক্ষমতায় দৃশ্যমান অগ্রগতি

আলহামদুলিল্লাহ। নিয়মিত ১০টি আকুপাংচার সেশন নেওয়ার পর রোগী এখন নিজের পায়ে নিজেই হাঁটতে পারছেন। 🧑‍⚕️🚶‍♂️

চিকিৎসার আগে রোগীর চলাফেরায় উল্লেখযোগ্য সমস্যা ছিল। ধারাবাহিক চিকিৎসা, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং রোগীর সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাঁর চলাফেরার সক্ষমতায় উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।

এ ধরনের ক্ষেত্রে ফলাফল রোগীর রোগের কারণ, শারীরিক অবস্থা, বয়স এবং অন্যান্য চিকিৎসার ওপর নির্ভর করে। তাই আকুপাংচারকে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।

একটি ছোট অগ্রগতিই একজন রোগীর জন্য হতে পারে বড় অনুপ্রেরণা। ❤️

📌 Patient improvement may vary from person to person. This post is for educational purposes and does not guarantee a specific treatment outcome.

14/09/2026

আকুপাংচার থেরাপিতে কি সত্যিই ব্যথা নিরাময় হয়? ১০টি সেশন শেষে আমাদের রোগীর বর্তমান অবস্থা এবং অভিজ্ঞতা শুনুন সরাসরি তাঁর মুখ থেকেই!

14/09/2026

দীর্ঘদিনের কাঁধের ব্যথা ও অস্বস্তিতে ভুগছিলেন।
★Acupuncture-এর ৮টি সেশনের পর ব্যথা অনেকটাই কমেছে এবং দৈনন্দিন চলাফেরায় পেয়েছেন স্বস্তি!

✨ ব্যথা নিয়ন্ত্রণে
✨ মাংসপেশির টান ও stiffness কমাতে
✨ নড়াচড়ায় স্বস্তি পেতে—Acupuncture হতে পারে একটি সহায়ক চিকিৎসা পদ্ধতি।

ডেঙ্গু হলে কী করবেন, কী করবেন না; এক পোস্টে গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য, জনস্বার্থে শেয়ার করুন...ডেঙ্গু শুধু জ্বরের রোগ নয়। বেশ...
13/09/2026

ডেঙ্গু হলে কী করবেন, কী করবেন না; এক পোস্টে গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য, জনস্বার্থে শেয়ার করুন...

ডেঙ্গু শুধু জ্বরের রোগ নয়। বেশিরভাগ রোগী সুস্থ হয়ে গেলেও কিছু রোগীর ক্ষেত্রে হঠাৎ করে গুরুতর ডেঙ্গু হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জ্বর কমে গেলেই বিপদ কেটে গেছে এমনটা ভাববেন না। বরং জ্বর কমার সময় এবং পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় অনেক রোগীর অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে পারে। সাধারণত অসুস্থতার ৩ থেকে ৮ দিনের মধ্যে ক্রিটিক্যাল ফেজ দেখা দিতে পারে।

১. ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণ কী?

হঠাৎ জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীর ও জয়েন্টে ব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, দুর্বলতা এবং কখনো ত্বকে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। শুধু এসব লক্ষণ দেখে নিশ্চিতভাবে ডেঙ্গু বলা যায় না, প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করতে হয়।

২. ডেঙ্গু হলে প্রথম কাজ কী?

বিশ্রাম নিন এবং পর্যাপ্ত তরল পান করুন। পানি, ওরস্যালাইন এবং উপযুক্ত ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত তরল গ্রহণ করুন। বমি বা পানিশূন্যতা থাকলে বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

৩. জ্বর কমানোর জন্য কী করবেন?

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন অনুযায়ী সঠিক ডোজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪. কোন ওষুধ এড়িয়ে চলবেন?

অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন এবং অন্যান্য NSAID জাতীয় ব্যথার ওষুধ এড়িয়ে চলুন। এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। নিজের ইচ্ছায় কোনো ব্যথার ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করবেন না।

৫. অযথা স্যালাইন দেবেন না

ডেঙ্গু হলেই সবার শিরায় স্যালাইন দেওয়ার প্রয়োজন নেই। যাদের সতর্কসংকেত নেই এবং মুখে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করতে পারছেন, তাদের ক্ষেত্রে সাধারণত মুখে তরলই যথেষ্ট। অতিরিক্ত IV fluid দিলে fluid overload এবং শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতা হতে পারে। স্যালাইন প্রয়োজন কি না, তা রোগীর অবস্থা দেখে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন।

৬. শুধু প্লেটলেট দেখেই রোগীর অবস্থা বিচার করবেন না

ডেঙ্গুতে প্লেটলেট কমতে পারে, কিন্তু শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা দেখে রোগীর ঝুঁকি নির্ধারণ করা ঠিক নয়। রোগীর রক্তচাপ, পালস, শ্বাসপ্রশ্বাস, প্রস্রাবের পরিমাণ, পানিশূন্যতা, রক্তপাত, হেমাটোক্রিট এবং সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

৭. প্লেটলেট কমলেই প্লেটলেট দিতে হবে কি?

না। শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে নিয়ম করে prophylactic platelet transfusion দেওয়া সুপারিশ করা হয় না। উল্লেখযোগ্য সক্রিয় রক্তপাত বা নির্দিষ্ট ক্লিনিক্যাল পরিস্থিতিতে রক্ত বা অন্যান্য blood product প্রয়োজন হতে পারে, যা চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন।

৮. কোন লক্ষণগুলো সবচেয়ে বিপজ্জনক?

তীব্র পেটব্যথা বা পেটে চাপ দিলে ব্যথা, বারবার বমি, নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, বমি বা পায়খানায় রক্ত, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা বা ঘুমঘুম ভাব, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা, ফ্যাকাশে বা ঠান্ডা ত্বক, প্রস্রাব কমে যাওয়া কিংবা চেতনার পরিবর্তন হলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

৯. জ্বর কমে গেলে কী করবেন?

জ্বর কমে যাওয়াকে সবসময় সুস্থ হওয়ার লক্ষণ ভাববেন না। ডেঙ্গুর ক্রিটিক্যাল ফেজ অনেক সময় জ্বর কমার সময় শুরু হয়। তাই জ্বর কমার পরও রোগীকে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

১০. প্রস্রাবের দিকে নজর রাখুন

রোগী স্বাভাবিকভাবে প্রস্রাব করছে কি না লক্ষ্য করুন। প্রস্রাবের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে, বিশেষ করে দুর্বলতা বা মাথা ঘোরার সঙ্গে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

১১. শিশুর ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকুন

শিশু ঠিকমতো পানি বা তরল খাচ্ছে কি না, বারবার বমি করছে কি না, প্রস্রাব কমেছে কি না, অতিরিক্ত ঘুমাচ্ছে বা অস্বাভাবিক বিরক্ত হচ্ছে কি না এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে কি না খেয়াল করুন। খুব ছোট শিশুদের অবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।

১২. গর্ভবতী নারী ও কিছু বিশেষ রোগীর ক্ষেত্রে সতর্কতা বেশি

গর্ভাবস্থা, কিডনি বা লিভারের রোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, asthma, peptic ulcer disease, anticoagulant ব্যবহারসহ কিছু অবস্থায় হাসপাতালে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে। খুব ছোট শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

১৩. রোগীকে মশার কামড় থেকে রক্ষা করুন

ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে মশা কামড়ালে সেই মশার মাধ্যমে অন্য মানুষের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই অসুস্থ অবস্থায় বিশেষ করে জ্বরের সময় রোগীকে মশারির মধ্যে রাখা এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি।

১৪. বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি সরান

ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, বোতল, ডাবের খোসা, নির্মাণসামগ্রী বা যেকোনো জায়গায় জমে থাকা পানি এডিস মশার প্রজননস্থল হতে পারে। নিয়মিত এসব জায়গা পরিষ্কার করুন এবং পানির পাত্র ঢেকে রাখুন।

১৫. কখন হাসপাতালে যাবেন?

উপরের যেকোনো সতর্কসংকেত দেখা দিলে অপেক্ষা করবেন না। বিশেষ করে জ্বর কমার পর পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা, ঘুমঘুম ভাব বা প্রস্রাব কমে গেলে দ্রুত হাসপাতালে যান। গুরুতর ডেঙ্গু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারাত্মক আকার নিতে পারে।

প্রচারে- সরকারী ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মিরপুর ১৩ ঢাকা।

13/09/2026

ফসদ বা শিরোভেদ হলো চিকিৎসাগত প্রয়োজনে শিরা থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ রক্ত অপসারণের একটি পদ্ধতি।

এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো রোগভেদে রক্তের অতিরিক্ত RBC mass বা শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত iron কমানো।

🔹 Polycythemia Vera: রক্তের hematocrit কমিয়ে thrombosis-এর ঝুঁকি কমাতে ফসদ ব্যবহার করা হয়।

🔷ভেরিকোক ভেইন এর চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

🔹 Hereditary Hemochromatosis: নিয়মিত রক্ত অপসারণের মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত iron ধীরে ধীরে কমানো হয়।
🔹 কিছু নির্দিষ্ট erythrocytosis বা hematological অবস্থাতেও চিকিৎসকের পরামর্শে এটি ব্যবহৃত হতে পারে।

তবে ফসদ সবার জন্য উপযোগী নয়। ভুলভাবে বা অতিরিক্ত করলে anemia, iron deficiency, hypotension, মাথা ঘোরা ও দুর্বলতা হতে পারে।

সুতরাং ফসদ একটি নির্দিষ্ট indication-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা রোগ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় laboratory monitoring-এর মাধ্যমে করা উচিত।

12/09/2026

🩺 বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে আকুপাংচার চিকিৎসা—স্বল্প খরচে!

আকুপাংচার চিকিৎসা নিতে চাইছেন? অনেকেই জানেন না, বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়েও আকুপাংচার চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে।

📍 সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মিরপুর-১৩, ঢাকা-এ রোগীর প্রয়োজন ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আকুপাংচারসহ বিভিন্ন রেজিমেনাল/সহায়ক চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।

🌿 আকুপাংচার কী?

আকুপাংচার হলো একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে অত্যন্ত সূক্ষ্ম সূচ প্রয়োগ করা হয়। আধুনিক সময়ে এটি বিশেষ করে কিছু দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা ও নির্দিষ্ট সমস্যায় সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

🩹 কোন ধরনের সমস্যায় ব্যবহার করা হতে পারে?

চিকিৎসকের মূল্যায়নের পর প্রয়োজন অনুযায়ী আকুপাংচার বিবেচনা করা হতে পারে—যেমন:

✅ দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথা
✅ ঘাড় ও কাঁধের ব্যথা
✅ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা
✅ কিছু ক্ষেত্রে সায়াটিকা/স্নায়ুজনিত ব্যথা
✅ মাথাব্যথা ও কিছু ধরনের মাইগ্রেন
✅ দীর্ঘস্থায়ী পেশি ও শরীরের ব্যথা
✅ অন্যান্য নির্বাচিত দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সমস্যা

⚠️ মনে রাখবেন: আকুপাংচার সব রোগের চিকিৎসা নয়। রোগের ধরন, কারণ ও রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন এটি আপনার জন্য উপযুক্ত কি না।

💰 সরকারি ব্যবস্থায় চিকিৎসা

স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ থাকায় দীর্ঘদিনের ব্যথায় ভুগছেন এমন অনেক রোগীর জন্য এটি হতে পারে একটি সহজলভ্য চিকিৎসা বিকল্প।

📌 কীভাবে সেবা নেবেন?
প্রথমে হাসপাতালে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় টিকিট নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে আকুপাংচার থেরাপির জন্য পরবর্তী নির্দেশনা/সিরিয়াল নিতে পারবেন।

📍 ঠিকানা:
সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬

🌿 স্বল্প খরচে সরকারি পর্যায়ে আকুপাংচার চিকিৎসা সম্পর্কে তথ্যটি ছড়িয়ে দিন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো দীর্ঘদিনের ব্যথায় ভোগা কারও কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দিতে পারে।

#আকুপাংচার #আকুপাংচার_চিকিৎসা #সরকারি_আকুপাংচার #মিরপুর১৩ #ঢাকা #স্বাস্থ্যসেবা #সরকারি_হাসপাতাল #স্বল্পমূল্যে_চিকিৎসা #সরকারি_চিকিৎসা #ইউনানি #আয়ুর্বেদিক #স্বাস্থ্য_সচেতনতা #ব্যথার_চিকিৎসা #দীর্ঘস্থায়ী_ব্যথা

আসসালামু আলাইকুম, আপনারা যারা দেশের দূরের জেলা গুলো থেকে এসে  আকুপাংচার, কাপিং, পঞ্চকর্ম, ইয়োগা ও বন্ধাত্ব সহ বিভিন্ন ক্...
11/09/2026

আসসালামু আলাইকুম, আপনারা যারা দেশের দূরের জেলা গুলো থেকে এসে আকুপাংচার, কাপিং, পঞ্চকর্ম, ইয়োগা ও বন্ধাত্ব সহ বিভিন্ন ক্রোনিক ডিজিজের চিকিৎসা নিতে মিরপুর-১৩ অবস্থিত সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসতে চাচ্ছেন, অতি জরুরি না হলে সবাই একসাথে এসে ভোগান্তির স্বীকার না হয়ে কিছুদিন পর ধৈর্য্য ধরে সময় নিয়ে এসে চিকিৎসা নিতে পারেন।

ধন্যবাদ।

Address

Mirpur 13
Dhaka
1221

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Govt. Unani and Ayurvedic Medical College and Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share