Dr. Md. Israfil Mia

Dr. Md. Israfil Mia চর্ম, লিভার এবং কিডনি রোগের পরামর্শক

ডা. মোঃ ইসরাফিল | BAMS (ব্যাচেলর অব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি) | হামদর্দ জেনারেল হাসপাতাল। নাকের পলিপাস, চর্ম, লিভার এবং কিডনি রোগে অভিজ্ঞ। রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাক্তিগত চিকিৎসা পরিকল্পনা ও পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। স্বাস্থ্যকর জীবনধারার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতা নিশ্চিত করার প্রতি নিবেদিত।

শিশুর মুখের ভেতরে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush.শিশুর মুখের ভেতরে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush, যা সাধারণত Candida albi...
18/02/2026

শিশুর মুখের ভেতরে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush.

শিশুর মুখের ভেতরে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush, যা সাধারণত Candida albicans নামক ছত্রাক দ্বারা হয়ে থাকে। এটি মূলত শিশুর মুখের ভেতরে জিভ, গাল, তালু ও ঠোঁটে দেখা যায়।

🦠 শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush এর কারণসমূহ

১. শিশুকে দুধ খাওয়ানোর পরে শিশুর মুখ পরিষ্কার না করা
২. শিশুকে অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনের পর শিশুর মুখে ছত্রাক বৃদ্ধি পাওয়া
৩. শিশুর দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা – যেমন নবজাতক বা প্রিম্যাচিউর শিশু
৪. Pacifier বা Bottle nipple's এর মাধ্যমে শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ

🔍 শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush এর লক্ষণসমূহ

• শিশুর জিভে, গালের ভিতরে বা ঠোঁটে সাদা বা দুধের মতো আস্তরণ গড়ে ওঠে
• সাদা আস্তরণ কাপড় দিয়ে বা কিছু দিয়ে মোছার চেষ্টা করলে লাল ও রক্তঝরার মত অবস্থা তৈরি হয়
• খাবার খাওয়ার সময় শিশুর বিরক্তি প্রকাশ বা কান্না কাটি করে
• মায়ের বুকের দুধের নিপলে ছত্রাক সংক্রমণ বা Ni**le thrush দেখা যায়। মা শিশুকে স্তন্যপান করালে তাঁর Ni**les-এ ব্যথা পান, Ni**les-এ লালচে ভাব দেখা যায়।

মুখে ছত্রাক সংক্রমণ সবারই হতে পারে, তবে বেশী দেখা যায় বাচ্চাদের এবং বয়স্কদের। কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং দক্ষতা কম থাকে। স্বাস্থ্যবান মানুষের জন্য মুখে ছত্রাক সংক্রমণ তেমন কিছু সমস্যা নয় তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং দক্ষতা যাদের কম তাদের জন্য এই রোগটি অত্যন্ত মারাত্মক এবং রোগটি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভীষণ কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়।

🧪 শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush এর রোগ নির্ণয় (Diagnosis)

• শিশুর মুখ গহবর পরীক্ষা করে বা শিশুর চেহারা দেখেই শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush রোগটি সাধারণত বোঝা যায়
• শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush রোগটি নিয়ে সন্দেহ হলে মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষা করে সহজেই রোগটি নির্ণয় করা যেতে পারে

💊 শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush রোগটির চিকিৎসা (Treatment)

১. শিশুর মুখের ঘা'য়ের জন্য ওষুধ:

• Nystatin oral suspension (পাশাপাশি জিভ, গাল, ঠোঁটে প্রয়োগ)
• Miconazole oral gel – সাধারণত ৪ মাস বয়সের নিচে দেয়া যায় না।
• প্রয়োজনে Fluconazole syrup

২. মায়ের চিকিৎসা (মায়ের যদি বুকের দুধের নিপলে ছত্রাক সংক্রমণ বা Ni**le thrush থাকে):

• Ni**les-এ Miconazole cream অথবা
• Nystatin ointment

🧼 শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush রোগটির প্রতিরোধ ব্যবস্থা

• শিশুকে দুধ খাওয়ানোর পর শিশুর মুখ পরিষ্কার করা
• প্রতিদিন ফিডার, পেসিফায়ার, বোতল সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত করা
• শিশুর মায়ের স্তনবৃন্ত পরিষ্কার রাখা
• প্রয়োজনে নবজাতককে সরাসরি স্তন্যপান করানো

⚠️ কখন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানো জরুরি:

• শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush রোগটির বারবার হচ্ছে
• শিশু খাবার খেতে চাচ্ছে না
• শিশুর মুখে ছত্রাক সংক্রমণ বা Oral Thrush রোগটির দীর্ঘদিনেও উপশম হচ্ছে না
• শিশুর দেহের ওজন কমছে

দয়াকরে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।

08/01/2026

এন্টি - হিসটামিন:
প্রতিদিনকার প্র্যাকটিসে আমরা
বিভিন্ন ধরনের Anti-histamine লিখে
থাকি।অনেক রোগী মাসের পর মাস
এন্টি-হিস্টামিন খায়।
Anti -histamine দুই ধরনের:
১. First generation anti-histamine:
Promethazine, Chlorpheniramine
২. Second generation anti-histamine:
Cetirizine, Levocetieizine,Loratadine,
Ebastine, Fexofenadine, Rupatadine

এখন কথা হলো, First generation এর
এন্টি-হিস্টামিন গুলো blood brain
barrier ক্রস করতে পারে, এবং
muscarinic receptors ব্লক করে। যার
ফলে এগুলো, Glaucoma, BPH ফলে
এগুলো, Glaucoma, BPH এবং
IHD রোগীদের দেয়া যাবে না। আর
দীর্ঘ দিন ব্যবহার ও করা যাবে না।

পক্ষান্তরে, Second generation এর
এন্টি-হিস্টামিন গুলো blood brain
barrier ক্রস করতে পারে না, আর
selectively Histamine-1 ব্লক করে, তাই
এগুলোর সাইড ইফেক্ট খুব কম বা
নাই।

আর একটা কথা, Second generation এর
এন্টি-হিস্টামিন এর মধ্যে Cetirizine,
Levocetirizine, Loratadine, desloratadine
এবং Fexofenadine দীর্ঘ দিন( ৬ মাস
থেকে ১৮ মাস) ব্যবহার করা যায়।

Anti - histamine সবচেয়ে বেশি
ব্যবহার করা হয় Allergic rhinitis এর
জন্য। এ ক্ষএে এন্টি- হিস্টামিনের
ব্যবহার কমানোর জন্য রোগীব্যবহার
কমানোর জন্য রোগীকে
একটু কাউন্সেলিং করলে ভালো হয়।
১. এই অসুখের পার্মানেন্ট কোনো
চিকিৎসা নাই।
২.যে জিনিশ গুলো খেলে বা যে
গুলোর কাছে গেলে এই সমস্যা হয়
সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।
যেমন -
বেগুন বা ইলিশ মাছ খেলে যদি
সমস্যা হয় তাহলে এগুলো খাওয়া
যাবে না। ধুলা-বালি এড়িয়ে চলতে
হবে।
৩. আর যখন সমস্যা শুরু হয়ে যাবে,
যেমন- নাক বন্ধ, বা নাক দিয়ে
পানি পড়ে তখন ঔষধ খাবেন।

কিছু গাছ দেখলে এমনিতেই মন ভালো হয়ে যায়। শুধু তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। অস্বস্তি লাগেনা বরং চোখে এক ধরনের মাধুর্য আর ঘোর...
13/12/2025

কিছু গাছ দেখলে এমনিতেই মন ভালো হয়ে যায়। শুধু তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। অস্বস্তি লাগেনা বরং চোখে এক ধরনের মাধুর্য আর ঘোরের আবহ তৈরি হয়।মনে আনন্দ শিহরণ- অনুভূত হয়। পূর্ণনবা এমন একটি উদ্ভিদ। মাটিতে গরান গোলাকার পাতার এই উদ্ভিদ আমাদের দেশে ঔষধি গুণের জন্য বিখ্যাত।

পূর্ণনবা গাছ (Boerhaavia diffusa) তার অসাধারণ ওষুধি গুণের জন্য আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্রে পরিচিত। এর প্রধান উপকারিতা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

১)কিডনি এবং মূত্রনালীর স্বাস্থ্যঃ পূর্ণনবা এর কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং মূত্রনালী সংক্রমণ (UTI) চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকর। এর মূত্রবর্ধক (diuretic) বৈশিষ্ট্য শরীর থেকে টক্সিন (Toxin)এবং অতিরিক্ত তরল বের করে দিতে সাহায্য করে, যা কিডনি পাথর এবং অন্যান্য মূত্রাশয় সংক্রান্ত সমস্যায় উপকারী।

২)লিভারের কার্যকারিতাঃ এটি লিভারকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে এবং লিভারের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। জন্ডিস এবং অন্যান্য লিভারের সমস্যায় পূর্ণনবা ব্যবহার হয়।

৩)প্রদাহ ও ফোলাভাব কমানোঃএকটি শক্তিশালী প্রদানকারী ( anti-inflammatory) বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা শরীরের যে কোন ফোলাভাব বা এডিমা (edema)কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে জয়েন্টের ব্যথা এবং আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় একটি কার্যকর।

৪)ওজন নিয়ন্ত্রণঃ পূর্ণনবা শরীরের অতিরিক্ত পানি ধারণ ক্ষমতা কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি হজম প্রক্রিয়া উন্নত এবং ফ্যাট মেটাবলিজমে সাহায্য করে।

৫)হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোঃ এটি হার্টের পেশি শক্তিশালী করতে, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানো এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে। এর ফলে হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

৬)শ্বাসযন্ত্রের সমস্যাঃ পূর্ণনবা শ্বাসযন্ত্র থেকেস্লেশ Mucus অপসারণ করতে সাহায্য করে, যা হাঁপানি(Asthma) এবং ব্রঙ্কাইটিসের এর মত সমস্যার আরাম দেয়।

৭)রক্ত পরিষ্কারকঃ এটি রক্ত পরিশোধক হিসেবে কাজ করে এবং রক্তস্বল্পতা (Anaemia) হিমোগ্লোবিন লেভেল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

৮)ত্বকের রোগঃ পূর্ণনবা বিভিন্ন ত্বকের রোগের চিকিৎসায় এবং ক্ষত নিরাময়ে বাহ্যিকভাবে সাহায্য করে।

৯)রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

১০)ক্যান্সার চিকিৎসাঃ কিছু গবেষণায় এর ক্যান্সার বিরোধী প্রভাবের কথা বলা হয়েছে।

১১)এন্টিভাইরাল এজেন্টঃ আলফা- সিটোস্টেরলকে
একটি নতুন এন্টিভাইরাল এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ।

Chemical composition: Punarnavine,Potassium nitrate, other Unidentified bases,fatty alcohol, sterols, beta -sitosterol, alpha -sitosterol, Ash contains Sulphate, Chloride nitrate and Clorect.

Glossary : Root- diuretic, laxative, expectorant, stomachic, used in asthma, oedema,anaemia, jaundice, ascites,anasarca, scanty urine and inflammation internal.Antidote to snake venom.

10/11/2025

#মোবাইল ফোনটি ব্যবহারের সময় অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করতে এবং রাতে ঘুমানোর সময় মাথা থেকে কমপক্ষে ৩-৫ ফুট দূরে রাখা উচিত, কারণ এটি অতিরিক্ত উত্তাপ এবং রেডিয়েশনের ঝুঁকি কমায়। দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল চালালে চোখ, ঘুম এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, যা চোখের চাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বাড়াতে পারে। এই ক্ষতি এড়াতে, স্ক্রিনের আলোর প্রভাব কমাতে নাইট মোড ব্যবহার করা, নির্দিষ্ট সময় পর পর বিরতি নেওয়া, এবং রাতে ঘুমানোর সময় ফোন দূরে রাখা উচিত।
নিরাপদ স্থানে রাখা
ঘুমানোর সময়: মোবাইল ফোনটি বালিশ বা কম্বলের নিচে রাখবেন না। ঘুমন্ত অবস্থায় এটি মাথা থেকে কমপক্ষে ৩-৫ ফুট (প্রায় ১ মিটার) দূরে রাখুন। যদি অ্যালার্মের জন্য কাছে রাখতে হয়, তবে ফ্লাইট মোডে রাখুন এবং সম্ভব হলে একটি আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন।

দিনের বেলায়: ফোন পকেটে না রেখে ব্যাগে রাখা ভালো।

চার্জিং: চার্জ দেওয়ার সময় ফোন অতিরিক্ত গরম হলে চার্জিং বন্ধ করুন।
দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক

চোখের সমস্যা: দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকালে চোখে চাপ পড়ে, চোখ শুষ্ক হয়ে যায়, মাথাব্যথা হয় এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যায়।
ঘুমের ব্যাঘাত: ফোনের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, যা ঘুমকে ব্যাহত করে।

শারীরিক স্বাস্থ্য: অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে শারীরিক সক্রিয়তা কমে, যা ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য: মোবাইল আসক্তির কারণে মানসিক চাপ এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা দেখা দিতে পারে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি: কিছু গবেষণায় মোবাইল ফোনের বিকিরণের কারণে ব্রেন টিউমার এবং ক্যান্সারের ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে।
ক্ষতি এড়ানোর উপায়

ফোন থেকে দূরে থাকুন: ঘুমের সময় ফোন দূরে রাখুন এবং সম্ভব হলে ফ্লাইট মোড ব্যবহার করুন।

স্ক্রিনের আলো কমান: ফোনের নাইট মোড (night mode) বা ব্লু লাইট ফিল্টার (blue light filter) ব্যবহার করুন।

বিরতি নিন: একটানা দীর্ঘ সময় ধরে ফোন ব্যবহার না করে, প্রতি ৩০ মিনিট পর পর ৫ মিনিট বিরতি নিন।

শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ান: মোবাইলের পরিবর্তে ব্যায়াম বা অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপে সময় দিন।

অন্ধকারে ব্যবহার কম করুন: সম্ভব হলে অন্ধকারে ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

30/10/2025

✅❤️ একটা এন্টিবায়োটিক প্রেস্ক্রিপশন করতে গেলে যেখানে চিন্তায় মাথায় চুল উঠে যায়, সেখানে আমাদের দেশে মুড়ি মুড়কির মতো কোয়াকরা এন্টিবায়োটিক প্রেস্ক্রিপশন করে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরেও থেমে নেই এন্টিবায়োটিক এর যথেচ্ছা ব্যাবহার। এন্টিবায়োটিক কবিরাজীর ছোট-বড় মিস ম্যানেজম্যান্ট গুলিকে এড্রেস করে সঠিক এন্টিবায়োটিক চোজ এন্ড এপ্লাই করতে গেলে মিনিমাম যেসব দক্ষতা লাগে তা জানা কেবল মাত্র একজন চিকিৎসকের দ্বারাই পসিবল।

আমরা যখন একটা এন্টিবায়োটিক প্রেস্ক্রিপশনে লিখি তখন ২৭ টা প্রশ্নের উত্তর নলেজে রেখে, রোগীর হিস্ট্রির সাথে মিলে গেলে তারপর ই লিখতে হয়। অথচ ফার্মেসী ওয়ালারা ডাক্তারের প্রেস্ক্রিপশনের কপি করে সেম সিম্পটম পাইলেই রোগীদের ধরিয়ে দিচ্ছে৷

বলি, কয়টা টাকা বাঁচাবার জন্য চাচা আপনি যে মেডিসিন খাচ্ছেন, দুদিন পরে যখন আর কাজ করবেনা তখন কিন্তু বড়ো ডাক্তার স্যার আপনাকে বাঁচাতে পারবেনা। একটা এন্টিবায়োটিক প্রেস্ক্রিপশনের জন্য কমপক্ষে এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানা লাগে।

(১) চার ধরণের পেনিসিলিনের কোনটা কখন ইউজ করতে হয়?

(২) পাঁচ জেনারেশনের সেফালোস্পোরিনের গ্রাম পজেটিভ, নেগেটিভ, এনেরোব কাভারেজের কম্পারিজন কী রকম?

(৩) কোন জেনারেশন কখন ইউজ করতে হয়?

(৪) Imipenem, Meropenem, Doripenem, Irtapenem কোনটার কী সুবিধা/অসুবিধা?

(৫) Tetracycline, Doxycylcine, Demeclocycline, Minocycline কোনটা কখন ইউজ করতে হয়?

(৬) Gentamicin, Amikacin, Tobramycin, Netilmicin, Neomycin, Streptomycin, Spectinomycin কোনটা কখন ইউজ হয়?

(৭) Erythro, Azithro, Clarithro & Telithromycin কোনটা কখন ইউজ করতে হয়?

(৮) চার জেনারেশনের কুইনোলোনসের কোনটা কখন ইউজ করতে হয়?

(৯) গ্রাম পজেটিভ কাভারেজের সবচেয়ে শক্তিশালী ১ম চারটা এন্টিবায়োটিক কী কী?

(১০) গ্রাম নেগেটিভ কাভারেজের সবচেয়ে শক্তিশালী ১ম চারটা এন্টিবায়োটিক কী কী?

(১১) এনেরোবিক কাভারেজের সবচেয়ে শক্তিশালী ১ম চারটা এন্টিবায়োটিক কী কী?

(১২) কোন কোন এন্টিবায়োটিকের দুর্বল এনেরোবিক কাভারেজ আছে?

(১৩) কোন কোন এন্টিবায়োটিক গ্রাম পজেটিভ, নেগেটিভ, এটিপিক্যাল ব্যাক্টেরিয়া এবং anaerobes সবার এগেইন্সটেই কাজ করে?

(১৪) কোন কোন এন্টিবায়োটিক গ্রাম পজেটিভ, নেগেটিভ এবং anaerobic bacteria এই তিনটার এগেইন্সটে কাজ করে?

(১৫) কোন কোন এন্টিবায়োটিক এরোবিক গ্রাম পজেটিভ এবং গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার এগেইন্সটে কাজ করে?

(১৬) কোন কোন এন্টিবায়োটিক গ্রাম পজেটিভ এবং anaerobes এর এগেইন্সটে কাজ করে?

(১৭) কোন কোন এন্টিবায়োটিক গ্রামনেগেটিভ এবং anaerobes এর এগেইন্সটে কাজ করে?

(১৮) কোন কোন এন্টিবায়োটিক এক্সক্লুসিভলি গ্রাম পজেটিভ ব্যাকটেরিয়ার এগেইন্সটে কাজ করে?

(১৯) কোন কোন এন্টিবায়োটিক এক্সক্লুসিভলি গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার এগেইন্সটে কাজ করে?

(২০) কোন এন্টিবায়োটিক এক্সক্লুসিভলি anaerobic ব্যাকটেরিয়ার এগেইন্সটে কাজ করে?

(২১) কোন কোন এন্টিবায়োটিক এটিপিক্যাল ব্যাক্টেরিয়ার এগেইন্সটে কাজ করে?

(২২) কোন কোন এন্টিবায়োটিকের MRSA কাভারেজ আছে?

(২৩) কোন কোন এন্টিবায়োটিকের Enterococcal Coverage আছে?

(২৪) কোন কোন এন্টিবায়োটিকের Acinetobacter Coverage আছে?

(২৫) কোন কোন এন্টিবায়োটিকের সিউডোমোনাস কাভারেজ আছে?

(২৬) কোন কোন এন্টিবায়োটিকের হেপাটিক মেটাবলিজম হয়?

(২৭) কোন কোন এন্টিবায়োটিক প্রেগনেন্সিতে কন্ট্রাইন্ডিকেটেড?

এই প্রত্যেকটা কোশ্চেনের উত্তরের সাথে জড়িয়ে আছে রোগীর হিস্ট্রি, রোগের প্রেজেন্ট কন্ডিশন, তার ড্রাগ হিস্ট্রি, ট্রাভেলিং হিস্ট্রি, লাইফস্টাইল, অটো-ইমিউন ডিজিজ, বংশগত রোগ সহ আরো অনেক কিছু। তারপর ভেবে চিন্তে এর মধ্য থেকে একটা চোজ করা লাগে।

এর পরেও কাজ হয়না। তখন আবার পরিক্ষা করেদেখা লাগে যে তার কোন কোন এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স।

এর পরে আবার চোজ করে চেঞ্জ করে দিতে হয়।

ঝামেলা আছে ম্যালা। চিকিৎসা পেশায় "মিঃ পারফেকশনিস্ট " হওয়াটা খুবই কঠিন৷

বড়োই কঠিন।...... 😐🙂

16/09/2025

Have a great day 🌅

প্রেগনেন্সির সাথে যদি GDM মানি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে ৩৭ উইকসে আপনারা আপনাদের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে একটা ডিসিশন নিবেন বাচচার বেপারে কারণ ডায়বেটিসের জন্য অনেক কমপ্লিকেশন হয় যেটা বাচ্চার জন্য মারাত্মক ক্ষতি কর হতে পারে .🧑‍⚕️🩺🧑‍⚕️

পুরুষের তলপেটে বা ভিসারাল ফ্যাট বেশি হলে, শরীরে এক ধরণের এনজাইম থাকে যাকে বলে অ্যারোমাটেজ (Aromatase enzyme)। এই এনজাইম ...
10/09/2025

পুরুষের তলপেটে বা ভিসারাল ফ্যাট বেশি হলে, শরীরে এক ধরণের এনজাইম থাকে যাকে বলে অ্যারোমাটেজ (Aromatase enzyme)। এই এনজাইম পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরনকে রূপান্তর করে নারী হরমোন ইস্ট্রোজেনে। সেই ইস্ট্রোজেন লেভেল কমানোর জন্য এমনসব ব্যায়াম করতে হয় যা পুরুষালি হরমোন টেস্টোসটেরন বৃদ্ধি করে। শুধুমাত্র হাঁটলে ও ধীরে দৌড়ালে টেস্টোসটেরন বাড়ে না। টেস্টোসটেরন বৃদ্ধি করার জন্য ভার উত্তোলন, ফ্রি হ্যান্ড বা বডি ওয়েট এক্সারসাইজ এবং খুব জোরে দৌড়াতে হয়। তবে নারীরা এই একই ব্যায়াম করার ফলে টেস্টোসটেরন বাড়ে না বরং ইস্ট্রোজেন সেনসিটিভিটি (sensitivity) বাড়ে বা ইস্ট্রোজেন ব্যালান্সে থাকে। ফলে নারীদের শরীরেও ফ্যাট কমে এবং মাংশ পেশি ক্ষয় হওয়া রোধ হয়।

এজন্য দৌড়ানোর পাশাপাশি এইসব ট্রেইনিং না করলে ইস্ট্রোজেন কমাতে পারবেন না, ইস্ট্রোজেন না কমলে অতিরিক্ত দৌড়ানোর ফলে চর্বি, মাংস পেশি দুটি ক্ষয় হবার মাধ্যমে ওজন কমবে। তবে ওজন কমাটা পুরোপুরি খাদ্যাভ্যাস এর ওপর নির্ভর করে। এই একই ব্যায়াম করে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজনও বাড়ানো যায়, যদি ক্যালোরি সারপ্লাস ডায়েট, বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত হেলদি ফুড খাওয়া হয়।

04/09/2025

গাড়িতে ভ্রমণের সময় ঘুম আসে কেন?

✅ ১. হালকা দোল খাওয়ার প্রভাব (Vestibular System Effect)

গাড়ি চলার সময় শরীর হালকা দুলতে থাকে। এই দোল আমাদের ইনার ইয়ারের (inner ear) ভেস্টিবুলার সিস্টেমে শান্তিকর প্রভাব ফেলে, যেটা ঠিক যেমন ছোট বাচ্চাকে দোলনায় দোলালে ঘুম আসে।

✅ ২. Monotony বা একঘেয়েমি

গাড়িতে বসে বাইরে একটার পর একটা একই রকম দৃশ্য দেখা, ইঞ্জিনের হালকা শব্দ, সিটের কমফোর্ট – সবকিছু মস্তিষ্ককে এক ধরনের low-stimulation অবস্থায় ফেলে। এতে ব্রেনের Reticular Activating System (RAS) কম সক্রিয় হয়, ফলে ঘুমের অনুভূতি বাড়ে।

✅ ৩. White Noise Effect

গাড়ির ইঞ্জিনের ঘড়ঘড় শব্দ বা রাস্তার হালকা আওয়াজ এক ধরনের white noise, যেটা ঘুম আনতে সাহায্য করে। কারণ এ শব্দগুলো খুব steady ও predictable, যা মস্তিষ্ককে রিল্যাক্স করে।

✅ ৪. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের প্রভাব

গাড়ির ভেতরে যদি উইন্ডো বন্ধ থাকে, অক্সিজেন কমে এবং CO₂ সামান্য বেড়ে যায়। এতে দিমাগে অক্সিজেন সাপ্লাই একটু কম হলে ঘুমের প্রবণতা বাড়তে পারে।

✅ ৫. প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম অ্যাক্টিভেশন

ভ্রমণের সময় শরীর রিল্যাক্সড থাকে, ফাইট-অর-ফ্লাইট সিস্টেম (সিম্প্যাথেটিক) কম কাজ করে, বরং রেস্ট-অ্যান্ড-ডাইজেস্ট সিস্টেম (প্যারাসিম্প্যাথেটিক) অ্যাক্টিভ হয়, যেটা ঘুমকে উৎসাহিত করে।

🔍 বোনাস ফ্যাক্ট:

যারা নিজে গাড়ি চালাচ্ছে, তাদের কিন্তু ঘুম কম আসে। কারণ ড্রাইভিং করার সময় মস্তিষ্কের অ্যালার্ট সিস্টেম অন থাকে, মনোযোগের জন্য ডোপামিন ও নরঅ্যাড্রেনালিন লেভেল বেশি থাকে।

02/09/2025

*লিপিড প্রোফাইল*
-----------------
একজন বিখ্যাত ডাক্তার খুব সুন্দরভাবে লিপিড প্রোফাইল ব্যাখ্যা করেছেন এবং একটি অনন্য উপায়ে ব্যাখ্যা করে একটি সুন্দর ও প্রয়োজনীয় গল্প শেয়ার করেছেন।

কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছোট শহর। এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী হল -- *"কোলেস্টেরল"*

তার কিছু সঙ্গীও আছে। অপরাধে তার প্রধান অংশীদার হল- *ট্রাইগ্লিসারাইড*

তাদের কাজ হল শরীরের রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং রাস্তা অবরোধ করা।

*"হৃদয়"* এই শহরের প্রধান কেন্দ্রস্থল। সমস্ত রাস্তা হৃদয়ের দিকে নিয়ে যায়।

যখন এই সমস্যা সৃষ্টিকারীরা বাড়তে শুরু করে, তখন আপনি কল্পনা করতে পারেন কী ঘটে? তারা হৃদয়ের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।

কিন্তু আমাদের দেহ-শহরেও একটি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা আছে -

*এইচডিএল* হলো তার নাম।

সেই ভালো পুলিশ এই সমস্যা সৃষ্টিকারীদের ধরে জেলে *(লিভার)* ঢুকিয়ে দেয়।

তারপর লিভার তাদের শরীর থেকে বের করে দেয় - আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে।

কিন্তু একজন খারাপ পুলিশও আছে - *এলডিএল* -যে ক্ষমতার জন্য ক্ষুধার্ত।

LDL এই দুষ্কৃতীদের জেল থেকে বের করে আবার রাস্তায় ফিরিয়ে আনে কুকর্ম চালিয়ে যাওয়ার জন‍্য।

যখন ভালো পুলিশ *HDL* কমে যায়, খারাপ পুলিশ LDL এর কারনে তখন পুরো শহরটা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যায়।

এমন শহরে কে থাকতে চাইবে?

আপনি কি এই দুষ্কৃতীদের কমাতে এবং ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে চান?

তাহলে আজই *হাঁটা* শুরু করুন!

প্রতি পদক্ষেপে আপনার *HDL* বৃদ্ধি পাবে, এবং *কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড* এবং *LDL* এর মতো দুষ্কৃতকারীদের সংখ‍্যা কমবে।

আপনার শরীর (শহর) আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

আপনার হৃদয় - শহরের কেন্দ্র - দুষ্কৃতীদের ব্লকেজ *(হার্ট ব্লক)* করা থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

এবং যখন হৃদয় সুস্থ থাকবে, তখন আপনিও সুস্থ থাকবেন।

তাই, যখনই সুযোগ পাবেন - হাঁটা শুরু করুন এবং"গুলশান জোগার্স" বন্ধুদের মতো নিয়মিতভাবে হাঁটুন।

*"সুস্থ থাকুন"* আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

*এই প্রবন্ধটি আপনাকে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধি এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায়, অর্থাৎ হাঁটার উপায় সম্পর্কে বলবে।*

প্রতিটি পদক্ষেপ HDL বৃদ্ধি করে।
তাই – *আসুন, এগিয়ে যান এবং এগিয়ে যেতে থাকুন।*

এই জিনিসগুলি কমিয়ে দিন:-

১. লবণ

২. চিনি

৩. ব্লিচ করা পরিশোধিত আটা

৪. দুগ্ধজাত 'দ্রব্য'

৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার

*প্রতিদিন এই জিনিসগুলি খান:-*

১. শাকসবজি

২. ডাল

৩. মটরশুটি

৪. বাদাম/বিভিন্ন প্রকারের উপকারি Nuts

৫. ডিম

৬. ঠান্ডা চাপযুক্ত তেল

01/09/2025

❤️✅ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে কিভাবে বোঝা যাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে কি না?😊😊

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে কি না বোঝার উপায় হচ্ছে রক্তের শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা পরীক্ষা করে দেখা।

যদি খালি পেটে রক্তের শর্করার মাত্রা ৬.১ মিলিমোল/লিটার পর্যন্ত থাকে এবং খাওয়ার পর ৮.০ মিলিমোল/লিটার পর্যন্ত হয়, তবে ডায়াবেটিস খুব ভালো নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে করতে হবে।

আর খাবারের পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ১০.০ মিলিমোল/লিটার পর্যন্ত হলে ডায়াবেটিস মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে করতে হবে।

রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা এরচেয়ে বেশি হওয়ার অর্থ হলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই। তবে HbA1c পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াবেটিস গত ৩ মাস যাবত সঠিক নিয়ন্ত্রণে ছিল কি না তা জানা যায়।

HbA1c যদি ৬.৫% পর্যন্ত থাকে, তবে ডায়াবেটিস ভালো নিয়ন্ত্রণে আছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

প্রশ্ন করতে পারেন, যে এই HbA1c টা কি??

আসুন জেনে নেয়া যাক।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নির্ধারণ ছাড়াও অন্য একটি পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াবেটিসের অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়। আমাদের রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় রয়েছে হিমোগ্লোবিন নামক একটি রাসায়নিক উপাদান। এই হিমোগ্লোবিনের গ্লোবিন নামক প্রোটিনের সাথে রক্তের কিছু গ্লুকোজ ধীরে ধীরে সংযুক্ত হয়।

এইভাবে যে স্থায়ী পদার্থটি তৈরি হয়, তার নাম গ্লাইকোসাইলেটেড হিমোগ্লোবিন বা হিমোগ্লোবিন এ১সি (HbA1c)। রক্তে এই গ্লাইকোসাইলেটেড হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ নির্ভর করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার উপর।

সুতরাং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে গ্লুকোজ বেড়ে যায় এবং সাথে সাথে বেড়ে যায় HbA1c।

আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রক্তের লোহিত কণিকাগুলো যেহেতু গড়ে ১২০ দিন বেঁচে থাকে, সেজন্যে HbA1c আমাদেরকে বিগত ৩-৪ মাসের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রার গড় হিসেব বলে দেয়।

সাধারণত HbA1c ৬.৫% বা তার কম থাকলে ডায়াবেটিস স্বাভাবিক আছে বলে ধরে নেয়া যায়।

এবার এক নজর দেখা যাক -

◼️ খালি পেটে রক্তের গ্লুকোজ:

ভালো: ৪.৪-৬.১
প্রান্তসীমা: ৭.৮ পর্যন্ত
খারাপ: >৭.৮

◼️ খাবারের পর রক্তের গ্লুকোজ:

ভালো: ৪.৪-৮.০
প্রান্তসীমা: ১০ পর্যন্ত
খারাপ: > ১০.০

◼️ HbA1c:

ভালো: ১০.৫

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন৷ ❤️❤️

Address

House#09, Main Road, Block-F, Banasree, Rampura, Dhaka. , Dhaka
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Israfil Mia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share