Nijer Barir Ranna-নিজের বাড়ির রান্না

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Nijer Barir Ranna-নিজের বাড়ির রান্না

Nijer Barir Ranna-নিজের বাড়ির রান্না Our Slogaan""TASTE THE LOVE OF THE HOME, WHERE EVERY DISH FEELS LIKE HOME""
Bringing the taste of home to your table!

Authentic, homemade Bangladeshi dishes made with love and care. Enjoy the flavors of traditional recipes right from our kitchen to yours!

21/10/2024

স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যবহার করার আগে পুরুষেরা যেন তার নিজ কন্যার হাসিমাখা মুখটা মনে করে। অন্যের মেয়ের প্রতি ইনসাফ আপনাআপনি চলে আসে।
এরপর কেউ যদি অপার সুখী হতে চায় তবে তার চোখে যেন এমন হাসি মেলে-বুকের ভেতরে যত্নে তুলে রাখা সন্তানের হাসি।দুনিয়ার কোনো সন্তানের চোখে পানি না আসুক।

19/10/2024

ভবিষ্যতে কাজে লাগবে যে ১০ দক্ষতা🟠
খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে আমাদের চারপাশ। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব খুব দ্রুত আমাদের নিয়ে যাচ্ছে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের দিকে। পরিবর্তিত সেই সময় সাফল্য লাভের জন্য অর্জন করতে হবে প্রয়োজনীয় দক্ষতা। গবেষকরা এই দক্ষতাগুলোর নাম দিয়েছেন সফট স্কিল বা ব্যক্তিত্বনির্ভর দক্ষতা। এমন দশটি দক্ষতা নিয়ে লিখেছেন এজাজ পারভেজ
যোগাযোগ দক্ষতা
যেকোনো পেশায় কিংবা পরিস্থিতিতে যোগাযোগ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে। পড়াশোনা, সামাজিক অনুষ্ঠানে, পেশাগত কাজে এমনকি ব্যক্তিগত জীবনে-সফলতার অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি হলো যোগাযোগে দক্ষ হয়ে ওঠা। একজন ব্যক্তির যদি তার আইডিয়া সুন্দর ও সবার বোধগম্যরূপে প্রকাশ করতে না পারে, যদি তার দলের কর্মীদের সঙ্গে, ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে এবং ক্রেতার সঙ্গে সুন্দরভাবে ভাবের আদান-প্রদান করতে না পারে তাহলে সে জীবনের কোনো পর্যায়েই সাফল্য লাভ করতে পারবে না।
নেতৃত্বদানের দক্ষতা
যাদের মধ্যে নেতৃত্বদানের সহজাত প্রতিভা থাকে তারা খুব সহজেই সফলতা লাভ করেন। অন্যরা তাদের বিশ্বাস করেন। তারা অগ্রবর্তী হয়ে নতুন বিষয়, কাজ ও পদক্ষেপকে আলিঙ্গন করেন ফলে তাদের সফলতাও আসে তুলনামূলকভাবে আগে। দ্বিধা আপনার জীবনের সব অর্জনকে ধীর করে দেবে। তাই দ্বিধা ঝেড়ে অর্জন করতে হবে নেতৃত্বদানের দক্ষতা। যে ব্যক্তি সহকর্মীদের উৎসাহিত করতে পারে, সিদ্ধান্তের সপক্ষে যুক্তি প্রয়োগ করে সবার সম্মতি নিতে পারে, অন্যদের মনোভাব বুঝে কাজ করতে পারে, সামনে থেকে কাজে অংশগ্রহণ করে কাজকে এগিয়ে নিতে পারে, এমন ব্যক্তিকেই মানুষ নেতা হিসেবে পছন্দ করে এবং তার অধীনে কাজ করতে পছন্দ করে।
সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা
সময় নির্দিষ্ট কিন্তু কাজ অফুরন্ত। তাই সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হিসেবে বিবেচিত। অল্প সময়ে অধিক কাজ করার জন্য কাজ দক্ষ হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু একজন মানুষ যতই দক্ষ হোক না কেন, সেসব কাজ নির্দিষ্ট সময়ে করতে পারবে না যদি কাজের তুলনায় সময় অল্প হয়। এ জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করতে হয়। যে ব্যক্তি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করতে পারে, কাজ বুঝে কাজের সময় নির্ধারণ করতে পারে এবং সেই নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে পারে এমন মানুষের ওপর সবাই নির্ভর করে।
সমস্যা সমাধানে দক্ষতা
জগতে সমস্যা অফুরন্ত আর সমাধান নিদির্ষ্ট নয়। তাই সৃজনশীল পদ্ধতিতে যে ব্যক্তি অল্প সময়ে এবং ন্যূনতম বিড়ম্বনায় সমস্যার সমাধান করতে পারে তার সাফল্য সবচেয়ে বেশি। সমস্যা সমাধানে দক্ষ হওয়ার জন্য অন্যের সহযোগিতা করার মনোভাব গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে বিভিন্ন পরিস্থিতির ব্যক্তি মুখোমুখি হয় এবং সমস্যা সমাধানে দক্ষ হয়ে ওঠে।
প্রযুক্তিগত দক্ষতা
বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। এরপর সময়ও চলবে প্রযুক্তির সহায়তায়। তাই যেকোনো কাজ করার জন্য ব্যবহৃত হবে প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে সেই ব্যক্তি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে না। তাই তুমি যে পেশায় যাওয়ার কথা ভাব না কেন প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই।
আবেগিক বুদ্ধিমত্তা
আগে সেই ব্যক্তিকে বুদ্ধিমান হিসেবে বিবেচনা করা হতো যার আইকিউ বেশি। কিন্তু চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে যে ব্যক্তির আবেগিক বুদ্ধিমত্তা বেশি অর্থাৎ সামনের ব্যক্তির আবেগ অনুযায়ী যিনি ত্বরিত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তিনি বেশি বুদ্ধিমান হিসেবে বিবেচিত হন। পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের সময়টিতেও তারাই এগিয়ে থাকবেন। তাই নিজের আবেগিক বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধিতে সচেষ্ট হয়।
সমন্বয় ও দলীয় কাজে দক্ষতা
কোনো মানুষ একা যেমন বাঁচতে পারে না তেমনি একা বড় কোনো কাজও করতে পারে না। তাই নিজের লক্ষ্য অর্জনের জন্য মানুষের প্রয়োজন হয় অন্যের সহযোগিতার। কিন্তু অপর ব্যক্তিও বা কেন তাকে সহযোগিতা করবেন শুধু শুধু? তাই দুজনের লক্ষ্যের সমন্বয় করে দল গঠন করে একত্রে কাজ করতে হয়। যে ব্যক্তির অপরের সঙ্গে সমন্বয় করে দল গঠন করার এবং দলীয় কাজে দক্ষতা বেশি আছে সফলতা তারই অর্জিত হয় বেশি।
বিশ্লেষণাত্মক চিন্তার দক্ষতা
যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে নানা দিক বিবেচনা করতে হয়। এর জন্য প্রয়োজন হয় বিশ্লেষণাত্মক চিন্তায় দক্ষতা। তাই ছোটবেলা থেকেই নানা ধরনের বই পড়ে, বিতর্কে অংশ নিয়ে এই দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে।
ক্রমাগত শেখার দক্ষতা
অনেকেই নির্দিষ্ট সময় পরে আর নতুন কিছু শিখতে চান না। তারা নতুন প্রজন্মের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারেন না। অর্জিত সাফল্য ধরে রাখতে পারেন না।
তাই দীর্ঘমেয়াদি সফলতা চাইলে ক্রমাগত শেখার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

19/10/2024

সংসার একটা অভ্যেস, যা একসাথে থাকতে থাকতে গড়ে ওঠে, একে অপরের সাথে কথা বলতে বলতে, একে অপরকে সহ্য করতে করতে এই অভ্যেস গড়ে ওঠে।
সংসার মানে হলো একসাথে থাকতে থাকতে একে অপরের গায়ের গন্ধটা আত্মস্থ করে নেওয়া। সংসার মানে হলো মানুষটা মুখের সামনে এসে দাঁড়ালেই মানুষটার মনের ভেতর কি চলছে, সেটা বুঝে ফেলা।
সংসার মানে হলো বর অফিস থেকে ফিরলে এক গ্লাস জল রোজই মুখের সামনে তুলে ধরা।
সংসার মানে হলো ছেঁড়া বোতাম সেলাই করতে করতে নিজেদের ভেতর ভুল বোঝাবুঝি গুলো মাঝেমধ্যে সেলাই করে নেওয়া।
সংসার মানে হলো এডজাস্টমেন্ট, "তোমার আমার" থেকে আমাদের হয়ে ওঠা। সংসার মানে মাছের ঝোলে নুন বেশি হলেও চুপচাপ হাসিমুখে খেয়ে ফেলা, সংসার মানে হলো রোজই বিছানার উপর রাখা নিজের পার্টনারের ভেজা টাওয়ালটা মেলে দেওয়া।
সংসার মানে হলো বিয়ের ডেট, একে অপরের জন্মদিনের তারিখ ভুলে গেলেও মানিয়ে নেওয়া।
সংসার মানে গাঢ় নীল রং নিজের পছন্দ না হওয়া সত্ত্বেও পার্টনারের পছন্দ বলে একদিন নীল রঙের পাঞ্জাবিটা পরে ফেলা, আবার তেমনি শাড়ি পরতে একটুও ভালো না লাগলেও এক দুটো দিন নিজের পার্টনারের পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে একটা লাল টকটকে শাড়ি পরে পার্টনারের সামনে এসে দাঁড়ানো।
সংসার হলো একটা প্রতিজ্ঞা, যার ভেতর মান, অভিমান, রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ, ব্যথা সবই থাকবে, কিন্তু দিনের শেষে একে অপরের মুখের সামনে ভাতের থালা তুলে দেওয়ার প্রতিজ্ঞাটা একে অপরকে করতে হবে।
সংসার মানে হলো মাসের শেষে টাকাপয়সার হিসেব করতে করতে একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বলা "আজ তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাবো, আজ আমায় একটু ঘুম পাড়িয়ে দাও"
সংসার মানে হলো মাঝরাতে বরকে ঘুম থেকে তুলে শিশির ভেজা রাস্তায় হাঁটতে যাওয়ার বায়না ধরা।
সংসার করা সহজ, কিন্তু একটা সংসারকে প্রতি মুহূর্তে যাপন করা সহজ নয়
সংসার মানে হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও একবার অন্তত ফোন করে জিজ্ঞেস করা "খেয়েছো"
সংসারে ওঠানামা, ভাঙাগড়া থাকবেই, কিন্তু হাঁপিয়ে গেলে চলবে না, একে অপরকে মানিয়ে নিতে হবে, একে অপরের সমস্যায় পাশে থাকতে হবে, একে অপরকে সাহস যোগাতে হবে
সংসারে কেউ কারোর থেকে ছোট বা বড় হয় না, দুজনেই দুজনের পরিপূরক হয়, তাই সংসার করতে গেলে একে অপরকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করা বড্ড জরুরি....
সংগৃহীত

18/10/2024

এমন ছেলে আমার লাগবেনা, ওকে তুমি আদর করতে করতে আরো বোকা বানাও। যতো বড় হচ্ছে ততো বেকুব হচ্ছে ছেলেটি, যতো সব ফালতু বুদ্ধি, সব তোমার ছেলের মাথায়। আমার মেয়ের ২ বছরের বড় হয়েও ওর অর্ধেক বুদ্ধিও নেই ছেলেটার।
দুপুরে বাসায় ফিরে স্ত্রীর মুখে এমন অভিযোগ শুনে কিছুটা অবাক হয়ে গেলাম। ৩বছরের মেয়েটাকে কোলে নিয়ে একটানা আমার ৫ বছরের ছেলেটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেই যাচ্ছেন আমার স্ত্রী। কি হয়েছে প্রশ্ন করার আগেই মেয়ে বলে উঠলো, তারিফ ভাইয়াকে আম্মুু বকা দিছে।
আমি আর কথা না বাড়িয়ে রুমে গেলাম, দেখি ছেলে রুমে নেই। বুকটা ধুকধুক করে উঠলো, বাতরুমের দরজা খোলা ওখানেও নেই ছেলে। সাথে সাথে সামনের রুমে এসে প্রশ্ন করলাম আমার ছেলে কই? স্ত্রী বল্লো, কোথায় আবার, রুমেই তো আছে। আমি বল্লাম রুমে নেই, বাতরুমে ও নেই, তাহলে ছেলেটা কই?
সাথে সাথে মেয়ে আমার হাত ধরে বারান্দায় নিয়ে এসে দেখালো তারিফ বারান্দায় বসে নিরবে কাঁদছে। আমাকে দেখে তার চোখের পানির গতি বেড়ে গেলো বহুগুণ। আমি ছেলেকে কাছে গিয়ে, কোলে নিতে চাইলাম ও আসলো না।
পা ২টা লম্বা করে ফ্লোরে রেখে বসেই রইলো আমার ছেলেটি, আমি জোর করায়, ছেলে বল্লো তাইফাকে কোলে নাও, ওতো ভালো মেয়ে, আমি পঁচা ছেলে। ওকে নাকি আম্মু সব কিনে দিবে, বাইরে নিয়ে যাবে, আমাকে নাকি নিবে না। আমি আর এ বাসায় থাকবোনা চলে যাবো, আম্মু আমাকে খালি বকা দেয়, তাইফা দোষ করলেও আমাকে বকে।
কথার সাথে কান্নার ফোঁপানো শব্দ, কেনো জানি নিজের ভেতরটাকে দুমড়ে মুচড়ে চুরমার করে দিচ্ছে। সময় তখন দুপরে ২টা। ছেলেকে কানের কাছে গিয়ে বল্লাম, বাবার সাথে বাইরে হাঁটতে যাবে, নৌকায় চড়াবো আজ তোমাকে বাবা। নৌকায় বসে তোমার মাথার উপর ছাতা ধরবো বাবা। অনেক মজা করবো, ডাব খাবো।
ছেলেটা চোখ মুছতে মুছতে বারান্দা থেকে বের হয়ে গেঞ্জি নিয়ে রেডি হচ্ছে। এর মধ্যে আমার স্ত্রীকে বল্লাম তারিফ কি করছে বলতো? ও বল্লো একটু আগে বারান্দায় ফুলের টবে পানি দিতে গিয়ে বারান্দা পুরোটাই ভিজিয়েছে। অথচ আমার মেয়েকে পানি দিতে বলো? দেখবে বাইরে তোমার ছেলের মতো, পানি ফেলবে না অন্তত।
এবার আমি ওকে থামিয়ে দিয়ে বল্লাম। ছোট মানুষ এতো কিছু কি আর বুঝে। আমার স্ত্রী এবার বেশ রেগে গিয়ে বল্লো অন্তত আমার মেয়ের মতো বুদ্ধি ও সাহস থাকলেতো মেনে নিতাম। ওকে নিয়ে আমি কি করবো বলতো? আমি ওকে নিয়ে আর পারছিনা। আমি বল্লাম, তোমার কি মনে হয়? আমার ছেলের চাইতে মেয়ের বুদ্ধি ও সাহস বেশি। ও বল্লো কোন সন্দেহ নেই। আমি বল্লাম তাহলে দুপুরে খেয়ে, চলো ত্রিমোহনী বাজারের পাশে নৌকায় ঘুরে আসি।
সবাই মিলে একসাথে খাওয়া শেষ করে, বাসা থেকে বের হয়ে রিক্সা করে ত্রিমোহনী বাজারে গেলাম। বাজারের পাশে ব্রিজের নিচে ছোট একটা নৌকা করে ৩০টাকা ভাড়া দিয়ে পাশের একটা গ্রামে গেলাম। নৌকা থেকে নেমে ডাব খেলাম আমরা। তারপর আমার স্ত্রীকে বল্লাম মেয়েরতো ছেলের চাইতে বেশি সাহস তাইনা? ও বল্লো হ্যা।
এবার আমি বল্লাম তবে ছেলেকে আমি রাখলাম তুমি মেয়েকে বলতো ওই যে হাসগুলোকে দৌড়াতে? এবার ও তাইফাকে বল্লো, যাও হাসগুলোকে দৌড়াও। তাইফা একটু গিয়ে আর যায়না। ফিরে আসলো মায়ের কাছে। বল্লো আমি যাবো না। এবার আমি আমার স্ত্রীকে বল্লাম তুমি মেয়ের হাতটা শক্ত করে ধরে রেখো। তারপর ছেলেকে বল্লাম বাবা যাওতো হাসগুলোকে দৌড়াতে?
ছেলে এক দৌড় দিয়ে হাসগুলোকে অনেক দুরে তাড়িয়ে নিয়ে গেলো। এবার আমার স্ত্রীকে বল্লাম মেয়ের হাত ছেড়ে দাও। হাত ছাড়া পাওয়ার সাথে সাথে মেয়ে হাসগুলোকে দৌড়াতে চলে গেলো।
এবার সামনে দেখলাম একটা বালুর বেশ বড় মাঠ, কিন্তু মাঠটি রাস্তা থেকে প্রায় ৪ ফিট উচুতে। আবার আমার স্ত্রীকে বল্লাম মেয়েরতো ছেলের চাইতে বেশি বুদ্ধি তাইনা? ও বল্লো হ্যা, সাহস কম হলেও বুদ্ধিযে বেশি, তাতে কোন সন্দেহ নেই।
এবার আমি বল্লাম তবে ছেলেকে আমি রাখলাম, তুমি মেয়েকে বলতো, বালিতে হেটে উপরে মাঠে উঠতে? এবার ও তাইফাকে বল্লো যাও, বালিতে হেটে উপরে মাঠে উঠো। তাইফা হেটে হেটে উপরে যতবার উঠার চেষ্টা করছে পারছেনা, বার বার নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে। আর না পেরে ফিরে আসলো মায়ের কাছে।
এবার আমি আমার স্ত্রীকে বল্লাম, তুমি মেয়ের হাতটা আবার শক্ত করে ধরে রেখো। তার পর ছেলেকে বল্লাম বাবা বালির মাঠে উঠো কানামাছি খেলবো। ও পায়ের জুতো খুলে, ২টা পা ও হাত বালিতে রেখে হামাগুড়ি দিয়ে ঘোড়ার মতো উপরে উঠে গেলো।
এবার আমার স্ত্রীকে বল্লাম মেয়ের হাত ছেড়ে দাও। হাত ছাড়া পাওয়ার সাথে সাথে মেয়েও ভাইয়ের মতো পায়ের জুতো খুলে, ২টা পা ও হাত বালিতে রেখে হামাগুড়ি দিয়ে ঘোড়ার মতো উপরে উঠে গেলো।
এবার আমার স্ত্রীকে বল্লাম, ছেলে হচ্ছে মেয়ের শিক্ষক। ছেলে যা করে, তা দেখে মেয়ে করে, তাই ও ভুল করে খুব কম। আর যে কাজে ছেলেটা ভুল করে, তার জন্য ছেলেকে আমরা যখন বকা দিয়, তখন তোমার মেয়ে আর এ ভুলটা করে না।
আচ্ছা এবার বলতো ছেলের কি এমন কোন শিক্ষক আছে যে ভুল দেখে বা ঠিকটা দেখে শিখবে ?? কিন্তু মেয়েরতো একজন বড় ভাই আছে। প্রতিটা ঘরেই বড় ছেলে-মেয়েরা বোকা হয় কারণ তাদের বড় কাউকে দেখে, শেখার সুযোগ তাদের হাতে নেই।
সুতরাং প্রতিটি বাবা-মায়ের উচিৎ বাসার বড় সন্তানদের অবহেলা না করে, ছোট সন্তানের সাথে বা অন্য কারো সাথে তুলনা না করে, তার ভুলগুলো ঠিক করে দেওয়া ও তার ভালো কাজের প্রশংসা করা। তবেই তো বাসার ছোট সন্তানগুলো সঠিকভাবে সব কিছু শিখবে।
হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার স্ত্রীর ২ চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে, আমি জানি এ চোখের পানি কষ্টের নয়, নিজের ভুল বুজতে পারার পানি, এটা ছেলের বুদ্ধি ও সাহসের চাক্ষুস প্রমানের পানি।
এবার ওর হাতটা শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বল্লাম, ছেলের সব কিছু কিন্তু মায়ের মতো হয়েছে। কান্না চোখে ও এবার হেসে দিলো। হাসুক মায়েরা, সারাদিন সন্তানের সাথে থাকতে থাকতে তারা মন খুলে হাাসার সময়ও পায়না। অকারণে স্ত্রীকে হাসানোর চেষ্টান করুন, এতে পরিবারের সবাই হাসিখুশি থাকবে।
বি:দ্র: পৃথিবীতে সব চাইতে জঘন্য বিষয় হচ্ছে ছোটদের সামনে বড়দেরকে হেয় প্রতিপন্ন করা। এটা না করে, বড় সন্তানকে সংশোধনমূলক বার্তা দিলেই বেশি ফল পাবেন।
মন্তব্য: বড় সন্তানের ভুলত্রুটি নিয়ে, ছোট সন্তানের সামনে তুলনা করে কিছু বলা উচিৎ নয়। কারণ এতে হিতে বিপরীত হয়, মনের অজান্তেই আমরা অভিভাবকরা ছোট-বড়দের মধ্যে দুরত্ব ও হিংসার বীজ বপন করে দিয় নিজ হাতে।
টিকা: সন্তানকে মানবিক ও ভালো গুন সম্পন্ন করে বড় করতে চাইলে, সন্তানের সাথেও মানবিক ও ভালো আচরণ করুন।
-
আশেক ওসমানী
কারাতে প্রশিক্ষক
ওসমানী কারাতে একাডেমি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।
বি:দ্র: ছবিটি গতকাল তোলা হলেও, পোস্টটি কিন্তু বহুআগে একবার করেছিলাম। ফেইসবুক মনে করিয়ে দিলো, তাই রিপোস্ট করলাম। আপনাদের উৎসাহ পেলে আবার বাচ্চাদের খুটিনাটি বিষয় নিয়ে লিখবো ইনশাআল্লাহ।

14/10/2024

রেলগেটে দেখি বিশাল এক মাছ। বোয়াল মাছ। উৎসুক জনতা ভীড় করে দেখছে। প্রায় ১২ কেজি ওজনের মাছ। একটিই মাছ। দাম হাকিয়েছে ১২০০ টাকা কেজি। একদাম ১২,০০০ টাকা!
এতবড় মাছ দেখতে পাওয়াও সৌভাগ্য। যমুনা নদীতে ধরা পড়েছে। বিকেলের দিকে। এখন রাত বাজে দশটা। এত রাতে কে কিনবে এই মাছ?
উৎসুক জনতার একজন জিজ্ঞেস করলো মাছওলাকে, "এই মিয়া, কাটি বেচো না ক্যান?"
"কাটি বেচলে তোমরায় নিবেন?" মাছওলার পালটা প্রশ্ন।
প্রশ্নকর্তা এই উত্তর শুনে পিছিয়ে গেল।
দেখলাম, এই কেটে বিক্রির প্রস্তাব আর কেউ করছে না। এক কেজি হাফ কেজি মাছ কেনার মানুষও নাই? তাহলে গোটা মাছটা কিনবে কে?
কৌতুহল দমাতে আমি মাছওলার কাছাকাছি গেলাম। আস্তে করে জিজ্ঞেস করলাম, "এক কেজি মাছ কেনারই তো লোক নাই। আপনার এই গোটা মাছ কাই কিনবে ভাই?"
মাছওলা মিটি মিটি হাসলো।
"আছে ভাইজান, আছে। যায় কিনবি, তায় ঠিকি চলি আসপি।"
মাছ দেখা শেষে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় ফিরছিলাম। আর ভাবছিলাম, এই রাষ্ট্র ১২০০ টাকা কেজি করে ১২ জন মাছ কেনার ক্রেতা তৈরি করতে পারে নি। কিন্তু ১২,০০০ টাকা দিয়ে গোটা মাছটি কেনার রাক্ষস তৈরি করে ফেলেছে।
এদিকে আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর জানাচ্ছেন, ব্যাংক-খাত থেকে মাত্র চার-পাঁচটি পরিবারই নাকি ২ লাখ কোটি টাকা নিয়ে চলে গেছে! দুই লাখ কোটি টাকা ঠিক কত টাকা? ধারণা নাই।
রাক্ষসপুরীতে টিকে আছি, এই তো অনেক।

14/10/2024

সামান্য ঝগড়ায় স্বামী রেগে বললো " কি পারো তুমি?কোন কাজটা হয় তোমার দ্বারা? "
স্ত্রী চুপচাপ,মুখে একটা কথা নেই,শান্ত দৃষ্টি।স্বামী আরো কিছুক্ষণ কথা শোনালো।
স্ত্রীর মুখ এখনো বিষণ্ণ।
স্বামীর বিকৃত চিৎকার " কিছু বললে চুপ করে থাকো কেন? কথার জবাব দাও? "
স্ত্রী মুচকি হেসে বললো " এখন রেগে আছো।কথা বললে ঝগড়া আরো বাড়বে।একটু পর রাগ কমলে নিজেই এসে ভাব জমাবে "
স্ত্রীর কথায় স্বামীর মুখ প্যাচার মতো বিকৃত হয়ে গেলো।খানিক্ষন যেতেই স্বামীর রাগ গলে জল হয়ে গেলো।স্ত্রীর আঁচলে নখ প্যাঁচাতে প্যাঁচাতে বললো
" তুমি আমার সাথে তর্ক কেন করো না? "
" মাকে দেখেছি,বাবা রেগে গেলে মা চুপ থাকতো "
" তাই বলে এতোটা চুপ থাকবে? একটু তর্ক তো করতেই পারো! "
" হৃদয়জয়ী আমি,তর্কজয়ী হয়ে কি করবো?তাছাড়া একটু আধটু শাসনে থাকতে ভালোই লাগে।তখন মনে হয় আমার খেয়াল রাখার জন্য,ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য একজন তো আছেই।নিজেকে সুরক্ষিত মনে হয়। "
গল্প --হৃদয়জয়ী
স্বামী রাগ করলে, বকাদিলে তর্ক করবেন না।
একটু ধৈর্য্য ধরুন, চুপচাপ থাকুন। জয় আপনারই হবে ইনশাআল্লাহ।

12/10/2024

মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই
দরজা খুলে নিজের জন্মদাতা পিতাকে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মন খারাপ হয়ে গেলো! মলিন মুখে বললাম,
- বাবা, ভিতরে আসো!
বাবা ভিতরে এসে একটা বক্স বাড়িয়ে দিয়ে বললো
- “এই নে, তোর পছন্দের গুড়ের পায়েস এনেছি!”
কিছুটা অবাক হয়ে বললাম
- তুমি এই সামান্য পায়েস দেওয়ার জন্য ৬০ কিলোমিটার পথ জার্নি করে এসেছো?
বাবা হেসে বললো,
- “তোর মা রান্না করেছে। তোকে না দিয়ে কিভাবে খাই মা? তাই নিয়ে চলে আসলাম!”
রুমের ভেতর থেকে ড্রয়িংরুমের দিকে আসতে আসতে আমার শ্বাশুড়ি বললো,
- “বউ মা, কে এসেছে?”
বাবা আমার শ্বাশুড়িকে দেখে বললো
- “কেমন আছেন বেয়ান সাব?”
শ্বাশুড়ি বাবার কথার কোন উত্তর না দিয়ে আবার রুমের ভেতর চলে গেলো! বাবা আসলে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন খুশি হওয়ার চেয়ে বিরক্তই হয় বেশি!
হুটহাট করে যদি মেয়ের বাড়ি চলে আসে তাহলে শ্বশুড়বাড়ির লোকজন বিরক্ত হবে এটাই স্বাভাবিক! অথচ আমার অবুঝ বাবা সেটা বুঝে না। কয়েকদিন যেতে না যেতেই কিছু না কিছু একটা নিয়ে বাসায় হাজির হবেই!
বাবাকে বললাম,
- যাও বাবা, ভেতরের রুমে আপাতত বিশ্রাম নাও, তারপর দুপুরে খাওয়া-দাওয়া করে চলে যেও।
বাবা কিছুটা অবাক হয়ে বললো
- “মা, আজকেই কি চলে যেতে হবে? তোদের বাসায় একটা দিন থাকি?”
কোনরকম কান্না চেপে রেখে চোখ-মুখ শক্ত করে বললাম,
- না বাবা, তোমার থাকতে হবে না! দুপুরের খাওয়ার পরই চলে যাবে!
কথাটা বলে আমি রান্নাঘরে এসে কাঁদতে লাগলাম। কতোটা অসহায় হলে একটা মেয়ে তার বাবাকে বাসায় একটা দিন রাখতে চায় না, সেটা কেউ বুঝবে না!
শ্বাশুড়ির রুমে এসে মাথা নিচু করে বললাম
- মা, ফ্রীজ থেকে খাসির মাংসটা বের করে রান্না করি? বাবা দুপুরে খেয়েই চলে যাবে।
শ্বাশুড়ি রাগী চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো
- “এতো মেহমানদারি করতে হবে না! তোমার বাপ তো প্রতি কয়েকদিন পর পরেই আসে! তার জন্য খাসির মাংস রান্না করতে হবে নাকি? যা আছে তা দিয়েই খাইয়ে বিদায় করো! লোকটার লাজ লজ্জা বলতে কিছুই নেই। কয়েকদিন যেতে না যেতেই মেয়ের বাড়ি এসে পড়ে ভালো-মন্দ খাওয়ার জন্য!”
শ্বাশুড়ির কাছে হাত জোর করে মিনতি করে বললাম,
- মা, আল্লাহর দোহাই লাগে, এভাবে বলবেন না! পাশের রুমে আমার বাবা আছে, শুনলে কষ্ট পাবে। কথাটা বলে আমি চলে আসলাম…
শুধু যে আমার শ্বাশুড়ি বাবাকে অপমান করে তা না। আমার স্বামীও করে। একবার আমার স্বামী বাবাকে বাজারের ব্যাগ দিয়ে বলেছিল,
- “বাসায় তো বসেই আছেন। যান বাজারটা করে নিয়ে আসুন!”
মেয়ের জামাই শ্বশুরকে বলেছে বাজার করে নিয়ে আসুন! এটা যে কতোটা অপমানজনক আমার বাবা সেটা বুঝতে পারেনি! উনি ব্যাগ নিয়ে হাসিমুখে বাজার করতে চলে গিয়েছিল!
রুমে এসে দেখি বাবা খবরের কাগজ পড়ছে। আমাকে দেখে হাসিমুখে বললো,
- “দেখলি সাকিব আবার সেঞ্চুরি করেছে। ছেলেটার ভেতর দম আছে! দেখিস সামনে আরো ভালো কিছু করবে।”
আমি বাবার দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম, আমার বাবা তো এমন ছিল না। নিজের বিন্দু পরিমাণ অপমান সহ্য করতো না। সেই বাবা আমাকে বিয়ে দেওয়ার পর এমন হয়ে গেলো কেন!
দুপুরে বাবাকে খাওয়ানোর সময় মাছের মাথাটা যখন বাবার প্লেটের দিকে বাড়িয়ে দিবো, তখন শ্বাশুড়ি এসে বললো
- “তুমি জানো না, মাছের মাথা ছাড়া আমার ছেলে খেতে পারে না। কোন হিসাবে নিজের বাবাকে মাছের মাথা দিচ্ছো?”
বাবা তখন শুধু তারকারীর ঝোল মেখে খেতে খেতে বললো
- “তুই এতো ভালো রান্না করিস কিভাবে? বাড়ি গেলে তোর মাকে একদিন শেখাবি। ২৫ বছর ধরে সংসার করছে, অথচ রান্নাটা ভালো করে শিখতে পারেনি!”
আমি তখন কাঁদতে কাঁদতে বাবাকে বললাম
- আল্লাহ কি তোমাকে একটু লাজ লজ্জা দেয়নি। এতো অপমানের পরেও কয়দিন পর পর মেয়ের শ্বশুড়বাড়ি এসে হাজির হও। তুমি যদি আমার ভালো চাও, তাহলে এই বাড়িতে আর এসো না!
বাবা সেদিন আমাকে আর কিছুই বলেনি। শুধু যাবার সময় আমার মাথায় হাত বুলিয়ে হাসিমুখে চলে গিয়েছিল…
সেদিনের পর বাবা আর কখনো আমার শ্বশুরবাড়ি আসেনি। মাঝখানে আমার শ্বাশুড়ি অসুস্থ হলো, স্বামীর ব্যবসার অবস্থা খারাপ হলো, বাবাই সব টাকা দিয়েছে কিন্তু বাসায় আসেনি!
একদিন শ্বাশুড়ি আমাকে বললো,
- “বেয়ান মশাই তো আর আসে না!”
আমি হেসে বললাম
- “মেয়ের বাসায় এসে কি করবে? মেয়ে তো তাকে একবেলা মাছের মাথা দিয়ে খাওয়াতে পারতো না। তরকারির ঝোল দিয়েই ভাত খেতে হতো। তাই হয়তো আর আসে না!”
স্বামী একবার বললো,
- “বাবাকে বলো একবার বাসায় আসতে!”
একথা শুনে স্বামীর চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম,
- “কেন! বাজার করার লোক আছে তো! শুধু শুধু আরেকজন লোক বাসায় আনার দরকার কি? শ্বাশুড়ি কিংবা স্বামী সেদিন কিছু বলতে পারেনি। শুধু মাথা নিচু করে ছিল…
২ বছর পর…
আমি মেয়ের মা হয়েছি। কিন্তু মেয়ের প্রতি আমার চেয়ে আমার স্বামীর দরদ বেশি! মেয়ে রাতে যতোক্ষণ সজাগ থাকে, ততোক্ষণ মেয়েকে কোলে নিয়ে হাঁটে!।মেয়ে ঘুমালে মেয়ের মুখের কাছে মুখ নিয়ে নিঃশ্বাসের শব্দ শুনে! মেয়ে যেদিন আধো আধো গলায় বাবা বলে ডেকেছিল, সেদিন আমার স্বামী খুশিতে বাচ্চাদের মতো কান্না করে দিয়েছিল!
একদিন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে আমাকে আমার স্বামী বললো,
- “আমার মেয়েকে আমি বিয়ে দিবো না! সারাজীবন আমার কাছে রাখবো। মেয়েকে ছাড়া আমি থাকতেই পারবো না”!
আমি তখন স্বামীর চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম
- “আমার বাবাও হয়তো ঠিক এভাবে আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল আমাকে বিয়ে দিবে না। আমাকে ছাড়া থাকতে পারবে না। কিন্তু মেয়ে মানুষ বলে কথা। বিয়ে তো দিতেই হবে। মেয়েকে বিয়ে দিলো। মেয়ের বাসায় এসে প্রতিবার অপমানিত হয়ে যেতো, তবুও আবার আসতো!”
কথাগুলো শুনে আমার স্বামী যখন নিরব হয়ে রইলো তাখন আমি চোখের জল ফেলতে ফেলতে বললাম,
- তোমারা আমার বাবাকে যতোটা বেশরম ভেবেছিলে, বিশ্বাস করো আমার বাবা এমন বেশরম না! উনি সবই বুঝতো, তবুও না বুঝার অভিনয় করতো। একমাত্র মেয়ে ছিলাম তো, তাই মেয়েকে দেখার জন্য বাবার হৃদয়টা কাঁদতো। তাই কয়েকদিন পর পর এসে পড়তো।
রাতে কান্নাকাটি করে কখন ঘুমিয়েছি জানি না। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার স্বামী ল্যাগেজ গুছিয়ে তৈরি হয়ে বসে আছে!
অবাক হয়ে বললাম,
- কোথাও যাবে নাকি?
স্বামী মেয়ের দিকে তাকিয়ে কান্না ভেজা চোখেও মুখে হাসি নিয়ে বললো,
- “মেয়ের বাবা যেহেতু হয়েছি, সেহেতু শ্বুশুরের কাছে গিয়ে নির্লজ্জ হবার ট্রেনিং নিতে হবে! কারণ একদিন আমাকেও হয়তো অনেক অপমান সহ্য করতে হবে, যেমনটা আমি আমার শ্বশুরকে করেছি। মেয়ের বাবাদের তো আবার লজ্জা থাকতে নেই!”
আমি আমার স্বামীকে কিছু বলতে পারছিলাম না। শুধু দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, মেয়ের বাবা হবার পর নিজের করা ভুলের জন্য কতোটা অনুতপ্ত হলে একটা ত্রিশোর্ধ মানুষ বাচ্চার মতো কান্নাকাটি করে!
আজকের পর থেকে স্বামীর প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই…
সংগৃহীত

আচ্ছা বলেনতো কেমন হয়, যদি ঘুম থেকে উঠে দেখেন আপনার সামনে গরম গরম ভাত রাখা। যেমনটা বাড়িতে থাকলে আপনার মা করত। এই যান্ত্রি...
09/10/2024

আচ্ছা বলেনতো কেমন হয়, যদি ঘুম থেকে উঠে দেখেন আপনার সামনে গরম গরম ভাত রাখা। যেমনটা বাড়িতে থাকলে আপনার মা করত। এই যান্ত্রিক শহরে আমরা আপনাকে দিচ্ছি আপনার মায়ের মমতার মত করে খাবার উপভোগ করার অনুভুতি। আমরা আপনাকে দিব দিনে ৩ বার গরম গরম খাবার উপভোগ করার সুযোগ। তাই দেরি না করে এক্ষুনি যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

১. "স্ট্যান্ডার্ড খাবার প্যাকেজ"= প্রুতিদিনের জন্য সহজ, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর খাবারের প্যাকেজ।

২. "ক্লাসিক ডাইন প্যাকেজ”= ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু খাবারের প্যাকেজ, যেখানে প্রতি বেলায় মানসম্পন্ন খাবারের নিশ্চয়তা।

৩. "প্রিমিয়াম ভোজ"= উন্নত উপকরণে তৈরি বিশেষ খাবারের প্যাকেজ, প্রতি বেলায় ভিন্ন স্বাদ ও উচ্চমানের খাবারের অভিজ্ঞতা।

স্ট্যান্ডার্ড খাবার প্যাকেজ = ১৪৪/= ( ভাত, ডাল, সবজি, ভর্তা, মাছ, মুরগী ব্রয়লার, ডিম থাকবে এবং সপÍাহে ১ দিন গোশত )

ক্লাসিক ডাইন প্যাকেজ= ১৮৩/= ( ভাত, ডাল, সবজি, ভর্তা, মাছ, মুরগী সোনালী/পাকিস্থানি, ডিম থাকবে এবং সপÍাহে ১ দিন গোশত)

প্রিমিয়াম ভোজ = ২৩৪/= ( ভাত, ডাল, সবজি, ভর্তা, মাছ, মুরগী সোনালী/পাকিস্থানি, ডিম থাকবে এবং সপÍাহে ২ দিন গোশত)

তবে আপনারা যদি চান ৩ বারে কখন কি খাবেন উপরের তালিকা অনুযায়ী আমাদের জানাবেন আমরা ্ওই ভাবেই দেয়ার চেষ্ঠা করব।

08/10/2024

১০টি বাক্য হয়তো অনেকের জীবনে পরিবর্তন এনে দিতে পারেঃ
1. "অভাব যদি কিছু শেখায়, তবে তা হলো কঠোর পরিশ্রমের মূল্য।"
— ব্রায়ান ট্রেসি
2. "যতবার পড়ে যাবে, ততবার উঠে দাঁড়ানোর সাহস রাখো। ব্যর্থতাই সফলতার সোপান।"
— নেলসন ম্যান্ডেলা
3. "দারিদ্র্য হলো একটি সাময়িক চ্যালেঞ্জ, কিন্তু শিক্ষা সেই চ্যালেঞ্জের স্থায়ী সমাধান।"
— অ্যাডওয়ার্ড বোক
4. "জীবনের কঠিন পরিস্থিতি তোমাকে হয় ভেঙে ফেলতে পারে, নয় তোমাকে আরো শক্তিশালী করে তুলতে পারে। তুমি কোনটি বেছে নেবে, সেটি তোমার সিদ্ধান্ত।"
— অপরা উইনফ্রে
5. "অভাব বা চ্যালেঞ্জ তোমার স্বপ্নকে থামাতে পারে না, যদি তুমি সত্যিকার অর্থেই এগিয়ে যেতে চাও।"
— নিকোলাস চার্লস
6. "শক্তিশালী হও, কারণ তোমার সংগ্রামই তোমার গল্পকে অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক করে তুলবে।"
— মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
7. "তোমার শুরুটা যেখানে, তা কোনো ব্যাপার না। তুমি কিভাবে শেষ করবে, সেটিই মূল বিষয়।"
— রবিন শর্মা
8. "অভাবের কারণে মন ভেঙে পড়ার বদলে আরও দৃঢ়ভাবে সামনে এগিয়ে যাও। স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়িত করতে দারিদ্র্যকে শক্তি হিসেবে গ্রহণ করো।"
— এলিয়ানর রুজভেল্ট
9. "পড়াশোনায় স্থিরতা আনতে পারলে, জীবনের কঠিন পরিস্থিতি তোমাকে কাবু করতে পারবে না।"
— আলবার্ট আইনস্টাইন
10. "তোমার বর্তমান অবস্থান তোমার ভবিষ্যতের সীমা নয়। সেখান থেকে কীভাবে সামনে এগিয়ে যাবে, সেটাই মূল প্রশ্ন।"
— জিম রোহান
Copy

ORDER NOW. First Day Free Delivery.
07/10/2024

ORDER NOW. First Day Free Delivery.

Apnar Kokhon Ki Khete chan List a Janaben

Address

Hasnabad, South Keraniganj
Dhaka
1311

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nijer Barir Ranna-নিজের বাড়ির রান্না posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share