25/05/2026
হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ। যাকে রুবেলাও বলা হয়ে থাকে। এটি ভাইরাল সংক্রমণ যা শ্বাসযন্ত্রের মধ্যে শুরু হয়। শিশুরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। সময় মতো হামের টিকা অথবা চিকিৎসা না করালে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। হাম যে শুধু শিশুদের হয়ে থাকে এমনটা নয় বড়দেরও হাম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও বিশ্বের অনেক মানুষ এই রোগে মৃত্যুবরণ করে থাকে। হাম ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির নাক এবং গলার শ্লেষ্মায় বাস করে। রোগটি বাতাসের মাধ্যমে এবং সংক্রমিত ব্যক্তির সরাসরি সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাস ভূপৃষ্ঠে এবং বাতাসে ২ ঘন্টা সক্রিয় থাকে।
হামের কারণ।
হাম একটি সংক্রামক রোগ । হাম প্রথমে সংক্রমিত ব্যক্তির গলা এবং নাকের মধ্যে পুনরুউৎপাদন করে। যখন এই হাম রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি, হাঁচি বা এমনকি কথা বলে, তখন এই ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে অন্য কোন ব্যক্তি শ্বাস নিলে সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি এই ভাইরাস বাতাসে কমপক্ষে ২ ঘন্টা সক্রিয় থাকে এবং বিভিন্ন বস্তুতে লেগে থাকে। এসময় যদি কোন ব্যক্তি ভাইরাস লেগে থাকা হাতে চোখ এবং নাক স্পর্শ করেন তবে সেই ব্যক্তি এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারেন।
হামের লক্ষণ।
প্রথমে কাশি, জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া, গলা ব্যাথা, মুখের ভিতরে সাদা দাগ, ফুসকুড়ি। এছাড়াও হামের প্রধান লক্ষণ হলো ব্যাপকভাবে ত্বকের মধ্যে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়া। এই ফুসকুড়ি গুলো দেহের মধ্যে ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।এই ফুসকুড়িগুলি সাধারণত প্রথমে মাথায় দেখা দিতে শুরু করে। তারপর শরীরের অন্যান্য অংশে এগুলো ছড়িয়ে পড়ে।
চিকিৎসা
Gelcimium 3x ৫ ফোটা করে দিনে ৪ বার। Morbilinum 200 ২ ফোটা করে দিনে ২ বার। এই ওষুধ টা প্রতিসেধক হিসেবে কাজ করে। Tramycin 30 ২ ফোটা করে ৩ ঘন্টা অন্তর দিলে ভালো কাজ দেয়। জ্বর বেশি হলে Veratrum Vir Q ৫ ফোটা করে আধা ঘন্টা অন্তর দিলে দ্রুত জ্বর কমে যায়।
বায়োক্যামিক
Kali Phos 6x, Kali Sulph x, Kali Mur 6x, Ferum phos 6x, Magnesia Phos 6x ৩টা করে টেবলেট একত্রে দিনে ৩ বার। গরম পানি সহ।