রূপচর্চা

রূপচর্চা Joya Khan

ব্রণের প্রকারভেদঃট্রপিক্যাল একনি অতিরিক্ত গরম এবং বাতাসের আর্দ্রতা বেশি হলে পিঠে, উরুতে ব্রণ হয়ে থাকেপ্রিমিন্সট্রয়াল একন...
16/06/2020

ব্রণের প্রকারভেদঃ
ট্রপিক্যাল একনি অতিরিক্ত গরম এবং বাতাসের আর্দ্রতা বেশি হলে পিঠে, উরুতে ব্রণ হয়ে থাকে
প্রিমিন্সট্রয়াল একনি_ কোনো কোনো মহিলার মাসিকের সাপ্তাহ খানেক আগে ৫-১০টির মতো ব্রণ মুখে দেখা দেয়
একনি কসমেটিকা_ কোনো কোনো প্রসাধনী লাগাতার ব্যবহারে মুখে অল্প পরিমাণে ব্রণ হয়ে থাকে
একনি ডিটারজিনেকস_ মুখ অতিরিক্ত ভাবে সাবান দিয়ে ধুলেও (দৈনিক ১-২ বারের বেশি) ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়
স্টেরয়েড একনি_ স্টেরয়েড ওষুধ সেবনে হঠাৎ করে ব্রণ দেখা দেয়। ওষুধ একাধারে অনেকদিন ব্যবহারে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়
ব্রণ হবার কারণঃ
তৈলাক্ত ত্বক যাদের তাদের ক্ষেত্রে খুব বেশি পরিমাণ ব্রণ হয়
জন্মনিন্ত্রক ওষুধ খেলে অনেক সময় ব্রণ হয়
অনেকের হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থাকে, সেক্ষেত্রেও ব্রণ হতে পারে
তৈলাক্ত খাবার বেশি খেলে ব্রণ হয়
চকলেট এবং সারাক্ষণ বাদাম খেলে ব্রণ হয়
মানসিক চাপের ফলে ব্রণ হয়ে থাকে
অপরিষ্কার থাকলে ব্রণ হয়ে থাকে
পানি কম খেলে ব্রণ হয়
অতিরিক্ত মেকাপ করলে ব্রণ হয়
বাইরে থেকে আসার পর ভাল ভাবে মুখ পরিষ্কার না করলে ব্রণ হয়ে থাকে
প্রতিকার
অভ্যাস গত পরিবর্তনঃ
🗣️🗣️🗣️কিছু অভ্যাসের পরিবর্তনের ফলে ত্বক থেকে ব্রণের দূর করা সম্ভব
বাইরে থেকে এসে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে । ব্রণ যুক্ত ত্বকে যে কোন Cleanser ব্যবহার করা ঠিক না এর জন্য Acne Cleanser ব্যবহার করতে হবে
মুখে যে কোন কসমেটিক অথবা ক্রিম ব্যবহার করা ঠিক না । মুখে ব্রণ থাকলে অবশ্যই Acne Cream ব্যবহার করতে হবে
বেশি বেশি পানি খেতে হবে
ব্রণযুক্ত যায়গায় হাত লাগানো যাবে না
তৈলাক্ত খাবার ও চকলেট কম খেতে হবে
অতিরিক্ত মেকাপ করা যাবে না । তবে কোন কারনে মেকাপ করলে তা বাইরে থেকে এসে Toner দিয়ে পরিষ্কার করে ঘুমাতে হবে

রূপচর্চায় চালের গুঁড়ার জাদুrসময়মতো ত্বকের যত্ন নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব। এ জন্য যে দামী প্রসাধনী ক...
04/04/2017

রূপচর্চায় চালের গুঁড়ার জাদু

rসময়মতো ত্বকের যত্ন নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব। এ জন্য যে দামী প্রসাধনী কিনতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার হাতের কাছের জিনিস দিয়েই নিতে পারবেন ত্বকের যত্ন।

আমাদের শরীরের চামড়ায় প্রতিনিয়ত মৃতকোষ গুলা উঠে গিয়ে সেখানে নতুন কোষ জন্মায়। মৃতকোষ শরীরের উপরিভাগে ময়লার আস্তরণ তৈরি করে এবং এতে ত্বকের মসৃণটা কমে গিয়ে ত্বক হয়ে যায় খসখসে। তাই মৃতকোষ পরিষ্কার করার জন্য স্ক্রাব হল সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি। চালের গুড়া ভাল স্ক্রাব এর কাজ করে।

ব্যবহার পদ্ধতি-
– চালের গুড়া ( ২ টেবিল চামচ) + দুধ (২ চা চামচ ), লেবুর রস(২ চা চামচ ) পরিমান মতো পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণ টা পুরো মুখে আলতো করে লাগান। ১০ মিনিট পর হাল্কা করে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

– সপ্তাহে ১/২ দিন এটা ব্যবহার করতে পারেন। এটা শুধু মুখে না আপনি চাইলে সারা শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।

– যাদের মুখ খুব বেশি তৈলাক্ত তারা দুধ এর বদলে শসার রস মিশাতে পারেন।

– শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা অনায়াসে দুধ ব্যবহার করতে পারেন , চাইলে কমলার রস,(২ চা চামচ) যোগ করতে পারেন। কমলার রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

উপকারিতা-
১/ চালের গুড়া ব্রণের দাগ কমায়।
২/ ত্বককে মসৃণ করে।
৩/ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৪/ ব্ল্যাক হেডস কমায়।

সাবধানতা-
জোরে জোরে ঘষতে যাবেন না এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে।
রোজ রোজ এটা করতে যাবেন না এতে ত্বকের উপকারের চাইতে ক্ষতি হয়ে যাবে।

সৌন্দর্যচর্চা করুণ গোসলের সময়ব্যস্ততা ভরা জীবনে নিজের শরীরের পরিচর্চা করা অনেকটাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যারা কর্মব্যস্ত জীবনয...
21/12/2016

সৌন্দর্যচর্চা করুণ গোসলের সময়

ব্যস্ততা ভরা জীবনে নিজের শরীরের পরিচর্চা করা অনেকটাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যারা কর্মব্যস্ত জীবনযাপন করেন তারা গোসলের সময় নিতে পারেন নিজের সংক্ষিপ্ত যত্ন। এতে সময় যেমন কম লাগবে, তেমনি আপনি হয়ে উঠবেন সজীব ও সুন্দর।

– গোসলের এক ঘণ্টা আগে তেল সামান্য গরম করে চুলে লাগান। গোসলের সময় bath time শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে চুলের রুক্ষতা কমে যাবে এবং চুল তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা সহজে হারাবে না। যাদের চুল স্বাভাবিক তারা চায়ের লিকার ঠান্ডা করে শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করুন। যাদের চুল তৈলাক্ত তারা পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করুন। চুল হবে ঝরঝরে ও সুন্দর।

– যারা রোদের ঘোরাঘুরি করেন প্রচুর, তারা ত্বকের রোদেপোড়া ভাব কমাতে গোসলের সময় সাবানের পরিবর্তে সারা শরীরে উপটান ব্যবহার করুন। অথবা মুলতানি মাটির সাথে টমেটোর রস ও পানি মিশিয়ে সারা শরীরে মাখুন। পনেরো মিনিট রেখে গোসল করে ফেলুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

– বাথরুমে সব সময় একটি ব্রাশ রাখুন। গোসলের পর ব্রাশ দিয়ে হাত পায়ের গোড়ালি ও নখ ঘষুন। এতে পা পরিষ্কারের পাশাপাশি পায়ের গোড়ালি থাকবে মসৃণ। এমনকি পেডিকিউর মেনিকিউর করার প্রয়োজনও খুব বেশি পড়বে না।

– যাদের প্রতিদিন গায়ে সাবান দেবার অভ্যাস তারা সাবানের পরিবর্তে ভালো মানের শাওয়ার জেল বা লিকুইড সোপ ব্যবহার করুন। প্রতিদিন সাবান ব্যবহার করলে ত্বক আর্দ্রতা হারিয়ে রুক্ষ হয়ে পড়ে। গোসলের পর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

– যাদের ত্বক বেশি রুক্ষও, তারা গোসলের আগে সারা শরীরে অলিভ ওয়েল মাখুন। ১৫ মিনিট পরে গোসলে যান।

– একদিন অন্তর অন্তর স্ক্রাবিং করতে পারেন ভালো কোম্পানির বডি স্ক্রাবার দিয়ে।

প্রতিদিন একটু একটু করে করা এই যত্ন টুকুই আপনার ত্বক, চুল ও আপনাকে করে তুলবে স্বাস্থোজ্জ্বল ও আকর্ষণীয়

13/03/2016

চুল আঁচড়ানোর টিপস
আমাদের প্রতিদিন যত চুল পড়ে, তাঁর
একটা বড় অংশ পড়ে কেবলমাত্র ভুল
উপায়ে চুল আঁচড়ানোর ফলে।
*চুল আঁচড়াবার জন্য কখনোই ব্রাশ
কিংবা চিকন দাঁতের চিরুনী ব্যবহার
করবেন না। মোটা দাঁতের, মাঝে ফাঁক
ফাঁক সাধারণ প্লাস্টিকের চিরুনী
ব্যবহার করুন। এটাই আপনার চুলকে
ভালো রাখবে।
*বেশী আঁচড়ালে বরং চুলের ক্ষতি
বাড়ে, দুর্বল চুল হলে পড়ার হারও।
দিনে ২/৩ থেকে তিনবার চুল
আঁচড়ালেই যথেষ্ট। আবার একেবারে চুল
না আঁচড়েও থাকবেন না। চুল আঁচড়ালে
মাথার তোকে রক্ত চলাচল বাড়ে। ফলে
চুলের গোঁড়া মজবুত হয়। তবে হ্যাঁ,
আঁচড়াবেন পরিমিত পরিমাণে ও
তাড়াহুড়ো না করে হাতে সময় নিয়ে।
*রাতে ঘুমাবার আগে চুল আঁচড়ে বেঁধে
ফেলুন। সকালে বের হবার আগেও আঁচড়ে
নিন। এছাড়া শ্যাম্পু করার আগে
অবশ্যই চুল আঁচড়াবেন। এতে চুলে জট
হবে না এবং প্রচুর চুল পড়ার হাত
থেকে রক্ষা পাবেন।
*গোসল করার পর কোন পরিস্থিতিতেই
চুলে আঁচড়াবেন না। ভেজা অবস্থায় চুল
থাকে নরম ও ভঙ্গুর, দ্রুত ভেঙে যায়
চিরুনির ছোঁয়া পেলে। বিশেষ করে
সোজা চুলে এই সমস্যা আরও অনেক
বেশী।
*গোসল করে বাইরে যাবেন, চুল
আঁচড়ানো বা স্টাইল করা প্রয়োজন?
তাড়াহুড়া না করে অপেক্ষা করুন।
পুরোপুরি না হোক, অন্তত ৭৫ ভাগ
শুকানোর পর তবেই চিরুনি লাগান
চুলে।
*কখনোই চুল জোরে আঁচড়াবেন না। এবং
কখনোই চিরুনি দিয়ে চুলে ব্যাক কোম্ব
করবেন না বা চুল ফুলাবেন না।

রাতে ত্বকের যত্ন মৌলিক কিছু পরিচর্যা আছে, যা প্রতিদিনই মেয়েদের করা উচিত। এই নিয়মিত যত্নটুকু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রোজ রাত...
14/10/2015

রাতে ত্বকের যত্ন

মৌলিক কিছু পরিচর্যা আছে, যা প্রতিদিনই মেয়েদের করা উচিত। এই নিয়মিত যত্নটুকু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রোজ রাতে একটু নিজের পরিচর্যা করে ঘুমালে জীবনভর সুস্থ-সুন্দর থাকা খুবই সম্ভব।

মুখ ধুয়ে নিন আপনার ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় এমন কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে। স্পর্শকাতর ত্বক হলে ব্যবহার করতে পারেন ভেষজ ফেসওয়াশ।

এরপর ব্যবহার করুন ফেসপ্যাক। ঘরেই তা বানাতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের জন্যঃ ১ টেবিল চামচ উপটান + ১ চা চামচ টকদই + ১ চা চামচ দুধের সর বা দুধ। তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের জন্যঃ ১ টেবিল চামচ উপটান + ১ চা চামচ টকদই + ১ চা চামচ লেবুর রস।এগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। পুরোটা শুকাবেন না, অর্ধেক শুকিয়ে এলে মুখ হালকা ঘষে ধুয়ে ফেলুন। প্যাকে মেশাতে পারেন গোলাপজল, যা সব ধরনের ত্বকের জন্য ভালো।

রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার সবচেয়ে ভালো কাজ করে। বাজারে অনেক ধরনের নাইট ক্রিম পাওয়া যায়। আপনার ত্বকের জন্য প্রযোজ্য এমন একটিকেই বেছে নেওয়া উচিত। প্রতিদিন রাতে মুখ ধুয়ে ক্রিম লাগাতে হবে।যাদের ব্রণের সমস্যা আছে, তারা ক্রিমের সঙ্গে একটু পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। শরীরের অন্যান্য অংশ: ত্বকের আর্দ্রতা ও ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে রাতে ঘুমানোর আগে অলিভ অয়েল মাখতে পারেন। ত্বকে গোলাপ জলের সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে লাগাতে পারেন।

ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়ে পেজে একটিভ থাকুন

heart emoticon মুলতানি মাটির তিনটি সেরা প্যাক heart emoticonত্বককে বার্ধক্যের ছাপ থেকে রক্ষা করতে এক চা চামচ মুলতানি মাট...
13/05/2015

heart emoticon মুলতানি মাটির তিনটি সেরা প্যাক heart emoticon
ত্বককে বার্ধক্যের ছাপ থেকে রক্ষা করতে এক চা চামচ মুলতানি মাটির সাথে এক চা চামচ টক দই এবং একটি ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার এটি সারা মুখে ভালো মত লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বক টানটান করে এবং স্কিন টোন সমান করতে সাহায্য করে।
* ব্রণের সমস্যা যদি খুব বেশি হয়ে থাকে তাহলে কিছু নিম পাতা বেটে মুলতানি মাটির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের সমস্যা কমে যাবে।
* অনেকেরই একটা কমন সমস্যা হল যে হাত পায়ের রঙ মুখের রঙ থেকে কালো হয়। এই সমস্যা সমাধানে পরিমাণ মত মুলতানি মাটি, বেসন এবং কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণটি হাত পায়ে ভালো মত লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট বা শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন গোসলের আগে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি হাত পায়ের ত্বক উজ্জ্বল এবং নরম করে।
লাইক দিলে আমরা অনুপ্রানিত হই। আপনি নিজেও যদি লাইক না দেন তাহলে কয়েকদিন পর পরবর্তী পোস্টগুলো আর দেখতে পাবেন না।তাই লাইক আর শেয়ার দিন। একটিভ থাকুন। নিজে যেটা জানলেন বন্ধুদের কেও জানতে দিন।

মধু ও অলিভ অয়েল২ টেবিল চামচ টক দইয়ের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ অলিভ অয়েল ভালোভাবে মেশান। পুরো মুখে এই মিশ্রণটি দিয়ে...
02/05/2015

মধু ও অলিভ অয়েল

২ টেবিল চামচ টক দইয়ের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ অলিভ অয়েল ভালোভাবে মেশান। পুরো মুখে এই মিশ্রণটি দিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

শীতকালে গোসলের আগে এটি নিয়মিত করুন।খুব সহজে পাবেন একটি সুন্দর ত্বক।শীতের শুষ্কতা ও নিস্তেজ ভাব দূর করতে এর তুলনা হয়না। এই মাস্কটি লোমকূপের গভীরে পৌঁছে সব দূষিত পদার্থ বের করে এবং ত্বকে পুষ্টি জোগায়।

উৎসবের আগ মুহূর্তের রূপচর্চা উৎসব-পার্বণের সাথে সাজগোজ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আর বাঙ্গালির উৎসব হলে তো কথাই নেই। তবে শুধু কস...
15/04/2015

উৎসবের আগ মুহূর্তের রূপচর্চা

উৎসব-পার্বণের সাথে সাজগোজ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আর বাঙ্গালির উৎসব হলে তো কথাই নেই। তবে শুধু কস্মেটিক্স ব্যাবহার করলেই সুন্দর হওয়া যায় না। অর্থাৎ, আপনি পুরো মাস জুড়ে ত্বকের/চুলের যত্ন নিবেন না, অথচ বিশেষ দিনটিতে হয়ে উঠবেন অপরুপা, এই ধারনা কিন্তু ঠিক নয়। তাই বিশেষ দিনটিতে নিজেকে সুন্দর দেখানোর জন্য আজ থেকেই রূপচর্চা শুরু করুন। এ কাজটিতে সাহায্য করার জন্য আপনাদের জন্য আমার কিছু টিপস থাকল। যারা চাকুরীজীবী তারাও এগুলো আনায়সে অনুসরণ করতে পারেন নিজের জন্য নির্দিষ্ট সময় বের করে।

পার্লারে যেয়ে সেবা নেয়া একদিকে যেমন সময়সাপেক্ষ, অন্যদিকে এক্ষেত্রে খরচের অঙ্কটাও একটু বেশি। তাই ঘরেই হাতের কাছে রাখুন কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট যেগুলো আপনি আপনার সুবিধামত ব্যাবহার করতে পারবেন। আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে কিছু প্রোডাক্টের নাম লিখলাম যেগুলো হাতের কাছেই পাবেন কম খরচে এবং মানও মোটামটি ভালো।

Young Chin Facial Scrub
Ayur/Shahnaz herbal massage cream
Meena Miracle Mask
Meena Moharani Face Pack
Meena Multani Powder

উৎসবের আগের এ কটা দিন রূপচর্চার জন্য দিনে অন্তত ৩০-৪৫ মিনিট সময় বের করুন। যাদের সময় বের করা মুশকিল তারা রাতে ঘুমাবার আগে রূপচর্চা করতে পারেন।

ত্বকের চর্চা ঃ

প্রথমেই মুখ পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।
Face scrub দিয়ে ৫ মিনিট আপ-ওয়ার্ড স্ট্রোকে ম্যাসেজ করে মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ।
এবার মুখ মুছে ম্যাসেজ ক্রিম দিয়ে আরও ৫ মিনিট একইভাবে মেসেজ করুন এবং ধুয়ে ফেলুন।
এরপর মুখ ভালমত মুছে ভালো কোন মাস্ক বা ফেস প্যাক, যা আপনার ত্বকে অবশই স্যুইট করে, সেটি লাগান। চাইলে উপরের উল্লেখিত প্রোডাক্ট গুলো ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।
মাস্ক/ফেস প্যাক শুকিয়ে গেলে পানির ঝাপ্টা দিয়ে খুব ভালো করে ধুবেন এবং মুখ মুছে Moisturizer cream লাগান।

হাত-পা এর চর্চাঃ

হাত পা এর উজ্জলতার জন্য ২ দিন পর পর প্রথমে একটি বোলে হাল্কা গরম পানি, শ্যাম্পু, লবন এবং ভিনিগার মিশিয়ে তাতে হাত পা ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন।
এর পর ভালমত হাত পা মুছে নিন। একটি বাটিতে মুলতানি মাটি, সামান্য লেবুর রস এবং পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং হাতে পায়ে লাগিয়ে না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
শুকিয়ে গেলে খুব ভালো মত ধুয়ে এবং মুছে ভালো কোন বডি লোশন লাগান। বর্তমান আবহাওয়ার জন্য Vaseline Healthy White আমার প্রথম পছন্দ।

চুলের যত্নঃ

চুল ই যদি নির্জীব থাকে তাহলে উৎসবের সাজে কি পূর্ণতা আসবে বলুন? ঝলমলে চুলের জন্য এ সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন মাথায় তেল দিন। নারিকেল তেলের সাথে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে দিলে ভালো ফল পাবেন।
উৎসবের ঠিক ১ দিন আগে (আগের দিন নয় কিন্তু) আপনার চুলে আগে হট অয়েল ম্যাসেজ করুন, তারপর আমলা পাউডার ও ১/২ টি ডিম একসাথে মিশিয়ে পেস্ট করে চুলে ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা লাগিয়ে রাখুন। এরপর খুব ভালো করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন এবং কন্ডিশনার লাগান।

এ টিপসগুলো ফলো করুন এবং এ কয়েকদিনে নিজের পরিবর্তন নিজেই দেখুন। নিজের শরীরেরও যত্ন নিন। দিনে অন্তত ২০ মিনিট হাঁটুন অথবা কোন ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। প্রচুর পানি, ফলমূল এবং শাকসবজি খান কেননা উৎসবে ভাজা পোড়া, তেল মশলা এবং রিচ ফুড স্বভাবতই বেশি খাওয়া হয়। মনকে প্রফুল্ল রাখুন এবং নিজে কনফিডেন্ট থাকুন। দেখুন তো, আয়নার সামনে দাঁড়ানো স্মার্ট এবং সুন্দর মেয়েটি আপনি কি না।

ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়ে পেজে একটিভ থাকুন।

বর্ষাকালে চুলের যত্নঃ সহজ ১০ টি উপায় দেখতে দেখতে নতুন বছরের বর্ষা ঋতু চলে এল। বৃষ্টিতে ভিজতে কার না ভালো লাগে কিন্তু আপন...
15/04/2015

বর্ষাকালে চুলের যত্নঃ সহজ ১০ টি উপায়

দেখতে দেখতে নতুন বছরের বর্ষা ঋতু চলে এল। বৃষ্টিতে ভিজতে কার না ভালো লাগে কিন্তু আপনি জানেন কি বৃষ্টির পানি আপনার চুলের জন্য কতটা ক্ষতিকর!? আজ আমি আপনাদের বৃষ্টির দিনে চুলের যত্ন কীভাবে করতে হয় সেটা নিয়ে কিছু টিপস দিব। চলুন দেখে নিই-

১। যেমনটা বলেছিলাম বৃষ্টির পানি চুলের জন্য ক্ষতিকর কারণ বৃষ্টির পানিতে এসিড আর প্রচুর ময়লা থাকে। যা স্কাল্পে চুলকানি সহ খুশকির সৃষ্টি করে। যেহেতু এখন যখন তখন বৃষ্টি পড়ে হঠাৎ করে ভিজে যেতেই পারেন তাই বাইরে থেকে এসে সাথে সাথে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলবেন।

২। বর্ষা ঋতুতেই চুল পড়ে বেশি। খেয়াল করে দেখবেন সাধারণত বছরের অন্যান্য সময় চুল আঁচড়ালে ৭০ থেকে ১০০ টি চুল সাভাবিকভাবেই প্রতিদিন ঝরে যায়। কিন্তু এই ঋতুতে চুল পড়ার সংখ্যা প্রতিদিন ২০০ টিরও বেশি হয়। তাই ভেজা চুল আঁচড়াবেন না। চুল খুব দ্রুত শুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করবেন আর মোটা ফাকা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করবেন। কখনোই অন্যের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াবেন না অথবা নিজের চিরুনি কাউকে ব্যবহার করতে দিবেন না, এতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত হয়ে স্কাল্পে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিবে।

৩। বর্ষাকালে স্কাল্প অতিরিক্ত তৈলাক্ত থাকে তাই চুলকে হেলদি রাখতে সপ্তাহে ৪-৫ দিন চুল কোন মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। স্কাল্পের তেল চুলের গোঁড়া নরম করে দেয়। এর ফলে চুল পড়ে যাওয়ার সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়।

৪। প্রাকৃতিক ভাবে যেহেতু স্কাল্প একা একাই তৈলাক্ত হয় তাই চুলে আলাদা কোন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। অতিরিক্ত ময়েশ্চারাইজার খুশকির সৃষ্টি করে।

৫।শ্যাম্পু করার পর চুলকে অবশ্যই প্রাকৃতিক ভাবে কন্ডিশনিং করবেন। খুব সহজ পদ্ধতি হলো ৫০০ মিলি পানির সাথে ২ টেবিল চামচ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে শ্যাম্পু করার পরপরই ধুয়ে ফেলবেন। ভিনেগার দেয়ার পর চুল আলাদা করে পানি দিয়ে ধোয়ার দরকার নেই। অবশ্যই কেমিক্যাল কন্ডিশনার ব্যবহার কম করবেন কারণ এই ঋতুতে এটা চুলের অনেক ক্ষতি করবে।

৬। যদি খুশকি আপনার স্কাল্পে আক্রমণ করেই ফেলে তাহলে অবশ্যই এন্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন কিন্তু যেহেতু এই ধরনের শ্যাম্পু খুব স্ট্রং হয় তাই চুল ধোয়ার ২ ঘণ্টা পূর্বে আপনার পছন্দের যে কোনও তেল স্কাল্প থেকে শুরু করে চুলের আগা পর্যন্ত মাসাজ করে নিবেন। কিন্তু কখনোই সারারাত চুলে তেল দিয়ে রাখবেন না। কারণ এই সিজনে স্কাল্প ময়েশ্চারাইজার গ্রহণ করতে পারেনা বরং আরো ফিরিয়ে দেয় যা চুলের গোঁড়া নরম করে দেয়।

৭।এই সিজনে চুল পড়া কমাতে চুলে যে কোন স্টাইলিং করা বন্ধ রাখুন। এই সময়টাতে আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে খুব সহজে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে তাই চুলে যে কোন কেমিক্যালিশ প্রোডাক্ট বা হিট সহ্য করার ক্ষমতা কম থাকে।

৮।হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকানো অথবা চুল স্ট্রেইটনার/ কার্ল করার মেশিন ব্যবহার করবেন না। কোনো প্রকার হেয়ার স্প্রের ব্যবহার কমিয়ে দিন। বরং চুলকে তার ন্যাচারাল নিয়মে বাড়তে দিন। বাইরে বের হলে অবশ্যই ছাতাকে নিত্যসঙ্গী করে নিন আর যারা রেইন কোট ব্যবহারে অভ্যস্ত তারাও নিয়মিত সঙ্গী করে নিন এটাকে আপনার পরম বন্ধু হিসেবে।

৯। প্রাকৃতিক নিয়মে চুলে উজ্জ্বলতা বাড়াতে চাইলে মেথি বেঁটে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরে শুধু পানিটা ছেঁকে নিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। প্রতি সপ্তাহে খুব সহজ একটি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন। একটি কলা আর সাথে কয়েক চামচ এভোক্যাডো একসাথে মিশিয়ে চুলে ৩০ মিনিট দিয়ে রেখে পরে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল খুব ঝরঝরে থাকবে স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়াতেও।

১০। সবশেষে খাবার অভ্যাস নিয়ে বলবো। সব ধরনের জাঙ্ক ফুড/ অয়েলি ফুড খাওয়া যাবেনা এটা তো জানা কথাই। কিন্তু যে অভ্যাস গুলো করতে করতে হবে তা হলো বেশি করে প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে। আমলা বেঁটে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে পরিষ্কার পানি ছেঁকে পান করতে পারলে চুলের গোঁড়া মজবুত হবে। ফল এবং কাঁচা সবজির সালাদ বেশি করে খেতে পারলে চুলের গ্রোথ ভালো হবে। সর্বশেষ পানি পান করুন যত বেশি সম্ভব হয় তত।

আশা করি টিপসগুলো কাজে আসবে আপনাদের বর্ষাস্নাত দৈনন্দিন জীবনে। বৃষ্টি উপভোগ করতে ভুলবেন না যেন।

ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়ে পেজে একটিভ থাকুন।

নারিকেল তেলের যত গুণ নারিকেল তেল খুব পরিচিত একটি তেল। এটি ২ ভাবে ব্যবহার করা যায়। যেটি রিফাইন্ড হয়ে আসে, সেটি বাহ্যিক ...
15/04/2015

নারিকেল তেলের যত গুণ

নারিকেল তেল খুব পরিচিত একটি তেল। এটি ২ ভাবে ব্যবহার করা যায়। যেটি রিফাইন্ড হয়ে আসে, সেটি বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য। আর যেটি আনরিফাইন্ড ভারজিন তেল হিসেবে থাকে সেটি খাবার তেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আমাদের দেশে সাধারণত বাহ্যিক ভাবে ব্যবহৃত হয় নারিকেল তেল মানে যেটি রিফাইন্ড হয়ে আসে। চলুন আজকে জেনে নেই এই নারিকেল তেলের বেশ কিছু গুণ।

০১. ড্যামেজ চুল রিপেয়ার করতে এর জুড়ি নেই। এটি ন্যাচারাল কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।

০২. ত্বকে এটি বেসিক লোশন হিসেবে কাজ করে।

০৩. চোখের মেক-আপ তুলতে এটি ব্যবহার করা যায়। একটি তুলোয় তেল নিয়ে চোখের মেক-আপ ঘষে তোলা যায় ।

০৪. ত্বকের যেসব জায়গায় দাগ, সেসব জায়গায় নারিকেল তেল নিয়মিত ঘষলে দাগটি হালকা হয়ে যায়।

০৬. গর্ভাবস্থায় পেটের চামড়া ফেটে গিয়ে দাগ হয়। এসময় নিয়মিত নারিকেল তেল পেটে মালিশ করলে এই দাগ গুলো দূর করা যায়।

০৮. যৌনাঙ্গে ঈস্ট বা ঈস্ট ইনফেকশন হলে ওই জায়গায় বাহ্যিকভাবে নারিকেল তেল লাগালে উপকার পাওয়া যায়। নারিকেল তেল ঈস্ট কে ধ্বংস করে।

০৯. ম্যাসেজ তেল হিসেবে নারিকেল তেল খুবই জনপ্রিয়।

১০. চুলের ফ্রিজি ভাব কমায় নারিকেল তেল।

১১. রাত্রিকালীন ফেশিয়াল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

১২. গোসলের আগে সমপরিমাণ নারিকেল তেল ও চিনি মিশিয়ে শরীরে ঘষা যায়। এটি একটি স্ক্যাবার হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে শীতকালে এটি খুবই উপকার করে ।

১৩. কোন স্থান হালকা পুড়ে গেলে তাতে অনেকক্ষণ পানি দিয়ে ধুয়ে নারিকেল তেল লাগালে জ্বালা পোড়া কম হয়।

১৪. সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে যোনিতে হালকা ছিলে গেলে, সেখানে নারিকেল তেল বাইরের দিকে লাগালে তাড়াতাড়ি সেরে যায়।

১৫. পায়ে ফাংগাস ঘটিত কোন ঘাঁ হলে, সেখানে নারিকেল তেল দিলে তা ফাংগাসের মোকাবেলা করে।

১৬. স্কিনের অসুখ যেমন psoriasis or eczema তে ব্যবহার করা যায়।

১৭. প্রাকৃতিকভাবে উকুন দূর করতে ব্যবহার করা যায়। এজন্য যা লাগবে তা হল , আপেল সিডর ভিনেগার ও নারিকেল তেল। প্রথমে ভিনেগার পুরো মাথায় ঢেলে মাথাটি ভিজিয়ে নিতে হবে। কিন্তু এরপর ধোয়া যাবেনা। রেখে দিন যতক্ষণ ভিনেগার না শুকায়। এরপর শুকালে নারিকেল তেল লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ বা একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মাথা মুড়ে রাখুন। কয়েক ঘন্টা পর একটি চিকন চিরুনী দিয়ে মাথা আঁচড়ান। যতটা পারেন। এতে করে উকুন ও ডিম বের হয়ে আসবে। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

১৮. নাকে এলার্জি ঘটিত কোন সমস্যা দেখা দিলে এই তেল নাকের ভেতরে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

১৯. ন্যাচারাল পারসোনাল লুব্রিকেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায় এটি এবং এটি নরমাল ভ্যাজাইনাল ফ্লোরাকে ডিস্টার্ব করেনা, তাই ব্যবহার করা সেফ।

২০. ন্যাচারাল এন্টিব্যকটেরিয়াল স্কিন ক্রীম হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়।

২১. ন্যাচারাল সেভিং ক্রীম এবং আফটার সেভিং ক্রীম হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যায় বিশেষ করে প্রাইভেট পার্টে।

২২. শিশুদের শরীর মালিশের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

২৩. থালাবাসন মাজার পর একটু নারিকেল তেল হাতে নিয়ে ঘষলে হাত খসখসে হয়না। হাতের তালু নরম হয়।

২৪. নিয়মিত মাথায় ম্যাসেজ করলে চুলের গ্রোথ ভালো হয়।

২৫. লবণের সাথে নারিকেল তেল মিশিয়ে পা ঘষলে পায়ের মরা কোষগুলো দূর হয়।

২৬. বেকিং সোডার সাথে মিশিয়ে দাঁত হোয়াইটেনিং টুথপেস্ট তৈরী করা যায়।

২৭. শিশুদের গোসলের আগে তুলোয় নারিকেল তেল ভিজিয়ে কানে দিলে পানি ঢুকেনা ফলে কানের ইনফেকশন দূর করা যায়।

২৮. নখের কিউটিকলে লাগালে নখের গ্রোথ ভালো হয়।

২৯. যাদের হাতের কনুই খসখসে ও শুকনো, তারা এই তেল কনুই-এ ঘষলে উপকার পাবেন।

৩০. চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর করতে একটি ছোট কন্টেইনারে নারিকেল তেল নিয়ে তাতে ৩টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিয়ে ফ্রীজে রেখে দিয়ে জমিয়ে প্রতিদিন রাতে শোবার আগে চোখের নীচে লাগালে দাগ দূর হয়ে যায়।

এছাড়াও খাওয়ার জন্য যে নারিকেল তেল পাওয়া যায় তার-ও অনেক গুণ আছে, নারিকেল তেলে রান্না খাবার খুব সহজে ডাইজেস্ট হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরের ক্ষত তাড়াতাড়ি সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। দুশ্চিন্তা ও মানসিক ব্যাধি দূর করে।

ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়ে পেজে একটিভ থাকুন।

Address

Dhaka
2300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রূপচর্চা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share