As Shifa Quranic Cure

As Shifa Quranic Cure Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from As Shifa Quranic Cure, Alternative & holistic health service, কুতুবখালি বড় মাদরাসার অপজিটে নূর মসজিদের ডান পাশের গলি, এলাহি হাউজের নিচ তলায়, Dhaka.

আসসালামু আলাইকুম! স্বাগত As-Shifa Quranic Cure -এ।আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি রুকইয়া,যা কুরআন ও হাদীসের আলোকে আধ্যাত্মিক শান্তি,সুরক্ষা এবং নিরাময় প্রদান করে।আমাদের লক্ষ্য হল,আধ্যাত্মিক সুস্থতা অর্জন করা আল্লাহর রহমত ও বরকতের মাধ্যমে শান্তি লাভ করুন।

18/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে রুকইয়াহ হোম সার্ভিস নিয়ে অবস্থান করছি সিলেট৷

কালো জ।দু নিয়ে একজন ভয়ংকর একটা পোস্ট লিখেছে, লেখাটি হুবহু দিলাম।ছবিতে দেখান এই ডাইনি টানা দেড় বছর এই বাচ্চাকে নিজের ঋত...
17/08/2026

কালো জ।দু নিয়ে একজন ভয়ংকর একটা পোস্ট লিখেছে, লেখাটি হুবহু দিলাম।
ছবিতে দেখান এই ডাইনি টানা দেড় বছর এই বাচ্চাকে নিজের ঋতুস্রাব (পিরিয়lডের নোংরা রkক্ত) খাইয়েছেন।

বাচ্চার নাম রামিসা। বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আছে রামিসাদের বাসায় ছুটা কাজ করা মহিলা, নার্গিস। নার্গিস মালয়েশিয়ায় আসেন দালাল ধরে, এসে কাজ কর্ম পান না, অনেকদিন কষ্ট করেন। আমার সুপারিশেই উনার কাজ হয় আমাদের মালয়েশিয়া প্রবাসী নাখালপাড়া সমিতির আহ্বায়ক সাইমন ভায়ের বাসায়। সায়মন ভাই-ভাবী ডাক্তার, সারাদিন বাইরে থাকেন। বাচ্চা থাকতো এই ডাইনী নার্গিসের কাছে। নার্গিস টানা দেড় বছর ধরে খাবারে ঋতুস্রাBব মিশিয়ে খাইয়েছে রামিসাকে। গত শুক্রবারে রামিসা অসুস্থ হয়ে আমার চেম্বারে আসলে আমি সাইমন ভাইরে বলি বাসার সিসি ক্যামেরা চেক করতে, আমার সন্দেহ হয়। এরপরে তো মাথায় হাত!

নার্গিসরে পুলিশ নিয়ে গেছে। রিমান্ডে বলেছে, এইটা নাকি কি এক কালাl যাদু। খাবারের সাথে ঋতুস্রাব মিশিয়ে খাওয়ালে নাকি মানুষ বশ করানো যায়। অনেক মেয়ে নাকি এটা করে, স্বামীকেও নাকি খাওয়ায় নিজের বশে রাখার জন্য। নার্গিস রামিসাকে বশ করে নিজের মেয়ের মত পালতে চেয়েছিল। এই কালা যাlদু নাকি বাংলাদেশ চিটাগাং এর সব মেয়েরা করে। আমি শুনে আকাশ থেকে পড়েছি। বিয়ে-শাদি করার যা ইচ্ছা ছিল, সেটাও চলে গেছে।

আপনারা দয়া করে কমেন্টে জানাবেন এই ধরণের কালাযাদু সম্পর্কে আগে থেকে জানলে। বাঙালিদের উপর বিশ্বায যা ছিল যেটাও উঠে যাচ্ছে দিনকে দিন।

16/08/2026

এই সমস্যা গুলো আপনার পরিবারে আছে?
১.একের পর এক অসুস্থতা লেগেই থাকা
২.ইবাদতে অনিহা ও রিজিকে বাধা
৩.সকল কাজে বাধা

16/08/2026

হাসবেন্ড এর ডিভোর্স এর পর্যায়ে একবোন আসলেন রুকইয়াহ করতে৷

১০০০ হাজার ইস্তেগফার টার্গেট📌সময়: আগামীকাল মাগরিবের আগ অবধি শরীরকে শক্তি দেয় খাদ্য আর রুহকে শক্তি দেয় যিকির। ইস্তেগফার ক...
16/08/2026

১০০০ হাজার ইস্তেগফার টার্গেট📌
সময়: আগামীকাল মাগরিবের আগ অবধি

শরীরকে শক্তি দেয় খাদ্য আর রুহকে শক্তি দেয় যিকির। ইস্তেগফার করলে গুনাহ মাফ হবে। রিজিকে বরকত আসবে। দুআ কবুল হবে। তাই নেক নিয়্যাতে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইস্তেগফার টার্গেট নিন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এটা কেবলই একটা যিকির টাস্ক। এতে কোনো ধরনের দুনিয়াবি পুরষ্কার থাকবে না। পুরষ্কার আল্লাহর পক্ষ থেকে পাবেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমল করলে৷

✅আমলের প্রতিযোগিতা করতে অন্যদের মে.ন.শ.ন করুন।

16/08/2026

ছেলেটা ১২ পারার হাফেজ৷ হঠাৎ করে কাউকে চিনতে পারে না৷ উঠে বসতে পারে না। কোমর থেকে অবশ হয়ে আসে৷

রুকইয়াহ করার পর দেখা গেলে ছেলেটির সাথে জিন আছে৷ পড়াশোনা করতে দিবেনা৷

আলহামদুলিল্লাহ রুকইয়াহ করার পর পরই স্বাভাবিক জীবন ফিরে এলো৷ সবাইকে চিনতে পারছে। সুস্থ মানুষের মতই হাটতে পারছে৷

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া যিনি কুরআনের মাঝে শিফা রেখেছেন৷

আলহামদুলিল্লাহ। 🤍

জিন জাদু সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে পরামর্শের জন্য - 01974118931

15/08/2026

১০টি কারণে তোমাদের অন্তর মারা গেছে:
لأن قلوبكم ماتت بعشرة أشياء
----------------

একদা ইব্রাহীম বিন আদ হাম (রাহ্) বাসরা শহর দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁকে দেখে লোকেরা তাঁর পাশে একত্রিত হল এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করল: আবু ইসহাক! আমরা দুআ করছি কিন্তু কবূল হচ্ছে না; কারণ কি বলতে পারেন?

তিনি উত্তরে বললেন: কারণ দশটি কারণে তোমাদের অন্তর মারা গেছে।

তারা বললো: তা কী?

তিনি বলেন:
১- তোমরা আল্লাহকে জানার পরেও তাঁর অধিকার আদায় করো না।
২- তোমরা মনে করো যে, তোমরা আল্লাহর রাসূল কে ভালো বাসো কিন্তু তাঁর সুন্নাতকে প্রত্যাখ্যান কর।
৩- তোমরা কুরাআন পড়ছো কিন্তু সে অনুযায়ী আমল করছো না।
৪- তোমরা আল্লাহর নেয়ামত ভক্ষণ করছো কিন্তু তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করোছো না।
৫- তোমরা বলছো যে, শয়তান তোমাদের শত্রু কিন্তু তোমরা আবার তারই অনুসরণ করছো।
৬- তোমরা বিশ্বাস করছো যে, জান্নাত সত্য কিন্তু তার জন্য আমল করছো না।
৭- তোমরা বিশ্বাস করছো যে, জাহান্নাম সত্য কিন্তু তা থেকে দূরে পলায়ন করছো না।
৮- তোমরা বিশ্বাস করছো যে মৃত্যু সত্য কিন্তু তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছো না।
৯- তোমরা ঘুম থেকে উঠে মানুষের দোষত্রুটি নিয়ে ব্যাস্ত থাকছো কিন্তু নিজের দোষত্রুটি ভুলে যাচ্ছ।
১০- তোমরা মৃতদের দফন করছো কিন্তু তা হতে শিক্ষা গ্রহণ করো না।

(জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফজলিহি, ৩/১২)
جامع بيان العلم وفضله (2/12)🤍

14/08/2026

একজন সাহাবীর রাতে ঠিকমতো ঘুম হতো না!

তিনি ঘুমানোর অনেক চেষ্টা করতেন, অনেক দুআ পড়তেন। তবুও তাঁর ঘুম আসতো না। তাঁর নাম ছিলো যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু; বিখ্যাত ওহী লেখক সাহাবী।

তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে গিয়ে তাঁর অনিদ্রার কথা জানান।

রাসূলুল্লাহ ﷺ যায়িদ ইবনে সাবিতকে একটি দুআ শিখিয়ে দিলেন।

দুআটি হলো- “আল্লাহুম্মা গারাতিন নুজুমু, ওয়া হাদাআতিল উয়ুনু, ওয়া আনতা হাইয়ুন কাইয়ুমুন, লা তা'খুযু কা ছিনাতুন ওয়ালা নাওম। ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুমু, আহদি' লাইলি ওয়া আনিম আইনি।” (তাবরানী: ৪৮১৭)

যার অর্থ হলো- “হে আল্লাহ! আকাশের তারাগুলো নিভে যাচ্ছে, কিন্তু আমার চোখ এখনো জাগ্রত। আর আপনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, ঘুম বা তন্দ্রা আপনাকে পরাভূত করতে পারে না। হে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, আমার রাতকে প্রশান্তিময় করুন এবং আমার চোখে ঘুম এনে দিন।”

কী সুন্দর দুআ!

এই দুআর আমল করার পর যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর অনিদ্রা সমস্যা কেটে যায়।

আরবিতে দুআ:

اللَّهُمَّ غَارَتِ النُّجُومُ، وَهَدَأَتِ العُيُونُ، وَأَنْتَ حَيٌّ قَيُّومٌ، لَا تَأْخُذُكَ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ، أَهْدِئْ لِي لَيْلِي، وَأَنِمْ عَيْنِي.

কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূ...
11/08/2026

কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।
একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে।
প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি!

আল্লাহ বলতেছেন,
"অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।"
"যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২)

আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো।
আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"।
এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন।
'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া।

আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই!
আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম।
আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?!
মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও!
ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!!

আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো:
কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না!
কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ।
যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন।
আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ!

এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী?
তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।"
এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা।

আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে।
আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে।
ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি।

এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে।
আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়।
কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও।
এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis।

তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়।
ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন।
এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"।
আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে!

সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর:
"কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮)
এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন।
আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই।
কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো।
তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না!

ফ্লো টা দেখেন:
1. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে।
2. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে।
3. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)।
4. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না।
5. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য।

আমরা কেন রবকে ভুলে যাই?
কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied।
আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়।
এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না।
সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে।
ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।
সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়।
আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে।
এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না!
সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে।
জিরো!
সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?"
আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়।

✍️সংগৃহীত

10/08/2026

আগামীকাল রোগি দেখবো বাড্ডা
সেন্টারে। ইনশা আল্লাহ।

Address

কুতুবখালি বড় মাদরাসার অপজিটে নূর মসজিদের ডান পাশের গলি, এলাহি হাউজের নিচ তলায়
Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when As Shifa Quranic Cure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share